Sayantini and Family Fantastic Weekend

Sayantini and Family Fantastic Weekend Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Sayantini and Family Fantastic Weekend, Durgapur.

আমাদের ছেলেবেলার দিন গুলো কেমন যেন হারিয়ে গেলো, চেয়েও আর নাগালে আসে না । অথচ ছোটবেলায় বড়ো হয়ে যাওয়ার একটা আকুতি ছিলো সর্...
19/06/2025

আমাদের ছেলেবেলার দিন গুলো কেমন যেন হারিয়ে গেলো, চেয়েও আর নাগালে আসে না । অথচ ছোটবেলায় বড়ো হয়ে যাওয়ার একটা আকুতি ছিলো সর্বদা, মনে হত কতই না মজা বড়ো হয়ে গেলে ।কিন্তু বড়ো হওয়ার পর বুঝলাম ছোটবেলার মতো সুখ শান্তির জীবন আর কোনো দিন ফিরে আসে না । ঠিক যেন রূপকথার গল্পের মতো সুন্দর ছিলো ছেলেবেলা টা । ছিলোনা কোনো দায়িত্ব,কর্তব্য, ঘ্যান ঘ্যানে সংসারিক জীবন, একরাশ চিন্তা,ছিলোনা লোক নিন্দার ভয়,কে কি বলবে ভাববের ভয়,ছিলোনা ভবিষ্যতের ভাবনা।পাখির শরীরের মতো হালকা ছিলো মন আর স্নিগ্ধ হাওয়ার মতো ছিলো ফুরফুরে মেজাজ। অনেক বেশি কিছু না পাওয়ার চেয়ে খুব অল্প কিছুর পাওয়ার আনন্দ ছিলো বড্ডো বেশি। মায়ায় ভরা চোখ আর মায়ায় ভরা বুক দিয়ে দুনিয়া টা যেন হাতের মুঠোয় রাখার ক্ষমতা ছিলো । ছিলোনা গ্লানি , ছিলোনা অভিযোগ ,ছিলো শুধু গাল ফোলানো অভিমান যা এখনিমেষে পালিয়ে যেতো ৫০ পয়সার লজেন্সেই । সবাই ছিলো খুব আপন , সবার ওপর উপচে পড়তো ভালোবাসা ।যে কোনো ভুল করলেই ক্ষমা মিলতো খুব সহজেই। ভাই বোন রা যেন ছিলো প্রাণ এর চেয়েও বেশি দামি যাদের ছেড়ে থাকা প্রায় ছিলো অসম্ভব। বোনেদের সাথে খুনসুটি আর আড়ির পর জীবনেও কথা বলবো না থেকে মাত্র আধ ঘন্টার ও কম সময় গলায় গলায় ভাব জমে যাওয়া টা ছিলো জীবনের সেরা প্রাপ্তি। স্কুল এর বাইরে দাঁড়িয়ে পেয়ারা মাখা, আচার খাওয়ার সুখ আর অন্য কিছুতে মিলতো না ।দুর্গা পুজোর আগে ঠাকুমার থেকে একটা লিপস্টিক, একটা নেইলপলিশ, একটা টিপ এর পাতা আর একটা সেন্ট পাওয়ার সেই যে আনন্দ তাতে ১সপ্তাহ ঘুম উড়ে যাওয়ার যোগার হতো।
না! চাইলেও আর ফিরে পাওয়া যাবে না সেই সব দিন । এখন সব ই খুব যান্ত্রিক , পাওয়ার আনন্দের চেয়ে না পাওয়ার দুঃখই বেশি, আন্তরিকতা পেয়েছে এখন লোক দেখানোর তকমা। অভিমান এখন অভিযোগ এ পরিণত, পাখির শরীরের মতো হালকা মন বদলে গেছে ভারাক্রান্ত মনে আর সর্বদা ভবিষ্যৎ এর আতঙ্ক এই হলো বড়ো হয়ে ওঠার পুরস্কার যা ছোটবেলায় পেতে চাইত সবাই না জেনেই । কথায় আছে আমরা যা মন থেকে চাই তা একদিন ঠিক পাই।ছোটবেলায় বড়ো হয়ে ওঠার জন্য ব্যাকুলতাই আমাদের এতটা বড়ো করে দ্যায় আর আমরা বুঝতেও পারিনা কখন আমরা সেই স্বর্গের মতো সুন্দর জীবন টা থেকে আসতে আসতে এমন কুম্ভীপাকে পদার্পণ করি । সুখ শান্তি এখন মানুষের মনে কম আর গাড়ি বাড়ি সম্পত্তি গয়না তে বসবাস করে বেশি। ভালোবাসা মনে কম নামি রেস্তোরাঁ , পি সি চন্দ্রর শোরুম, ইন্টারন্যাশনাল টুর , আই ফোন অথবা গোয়ার বিচেই বেশি । মানুষ মানুষের ভালো চায়না , অন্যের সুখে কষ্ট পায় , কেউ কারো থেকে একটু ভালো থাকলে সেই মানুষ অন্য মানুষের চক্ষু শুল । মানুষের কাছে প্রিয় হওয়ার চাবিকাঠি হলো সর্বদা তোষামোদ করা। ভুল ত্রুটি এখন আর ক্ষমার যোগ্য নয়। সকাল থেকে উঠে নাকে মুখে গুঁজে অফিস এ যাতা কলে পেশার নেশা তেই মানুষ বড়ো হয়ে উঠতে চায় , অবহেলায় বাঁচার জন্য ,রাশি রাশি জবাব দিহির জন্য বড়ো হয়ে উঠতে চায় , সংসার নামক রঙ্গমঞ্চে অভিনয় করার জন্য ,পাওয়া না পাওয়ায় হিসেব করতে বড়ো হয়ে উঠতে চায় ।প্রিয় মানুষ দের মুখো দর্শন থেকে বিরত থাকা, সর্বদা নিন্দা শুনতে বড়ো হয়ে উঠতে চায় । কার কি হলো আমার কি হলো না ,ও কত সফল তুমি কেনো নয় শুনতে বড়ো হয়ে উঠতে চায়। সন্তান বড়ো করার পর আমার জন্য কি করেছো শুনতে বড়ো হয়ে উঠতে চায় । প্রিয় মানুষ ছেড়ে গেলে একা একা বাঁচতে,লড়াই করতে বড়ো হয়ে উঠতে চায় । যে কোনো বিষয় তেই খুব অল্প মেয়াদি ভালো লাগা পেতে,নিজের যা আছে তাতে খুশি না থেকে অন্যের কি আছে সেটা দেখে দুঃখ পেতে বড়ো হয়ে উঠতে চায়।
আর এই সব চাওয়া যখন পূর্ণ হয় তখন আবার সবাই সেই ছেলেবেলা টাই ফেরত পেতে চায় যেখানে বাস করতো সত্যি সত্যি সুখ আর সত্যি কারের শান্তি । এই সোনায় মোরা কিছু বছর বেশির ভাগ মানুষ ই ফিরে পেতে চায় কিন্তু আর কোনোদিন পেয়ে ওঠা হয়না ।
তাই আমার ছোট দুই ছেলে মেয়েদের ছেলেবেলা টা আমি খুব উপভোগ করি, ওদের এই রূপকথার মতো সাজানো জগৎ টাকে উপভোগ করি, ওদের শৈশব টা যেন হারিয়ে না যায় খুব সহজে সেই চেষ্টা করি কারণ বড়ো হয়ে গেলে ওরা আর এই সুখের, মধুর সময় গুলো আর ফিরে পাবে না। হয়তো এর জন্য অনেক কিছু ত্যাগ করতে হয়, চারিদিকে তাকালেই তন্নস্তিক ঘর, দেওয়ালে আঁকি বুঁকি, আলমারির ওপর লাফ ঝোপ, চিৎকার চেঁচামেচি, ওদের খুনসুটি সর্বদাই। এতে কখনো কখনো মাথা ধরে ঠিক ই,বিরক্তিও আসে কিন্তু তারপর ই যখন মাথায় আসে ওদের এই সময় টা আর কয়েক বছরের জন্যই তখন ওদের এই সব কিছু তে বাধ না সেঁধে উপভোগ করি মন প্রাণ দিয়ে । মাঝে মাঝে স্কুল কামাই করে বাড়ি বসে ওরা খেলা করে, বৃষ্টি তে ভিজে খেলা করে, বিকেলে পড়তে বসতে না চেয়ে খেলা করে ,দুপুরে না ঘুমিয়ে খেলা করে । আমি বারণ করি না কারণ আমি চাই মন প্রাণ দিয়ে ওরা খেলুক কারণ এই খেলার সময় টাই ওদের সুখস্মৃতি হিসেবে জীবনে থেকে যাবে অন্য কিছুর চেয়ে অনেক বেশি থেকে যাবে তাই এই সময় টা তে ওদের কোনো নিয়ম কানুন এ আমরা রাখি না ।পরীক্ষা তে এখন ফার্স্ট বা সেকেন্ড না হলেও কোনো অক্ষ্যেপ আমার নেই কারণ এর পর ই শুরু হবে অংকের ফর্মুলা, জীবন বিজ্ঞান এ জীব দের গঠন, বৃদ্ধি ও বিবর্তন, ইংলিশ এর টেন্স, শাকেস্পেয়ার এর হ্যামলেট ,জুলিয়াস সিসার, ইতিহাস এর হারাপ্পা কম্পিউটার এর জাভা আরো কত কি ,এসব পড়তেই জীবন জেরবার হয়ে যাবে এই খুদে পড়ুয়া দের আর তার পর ই শুরু হবে জীবনে মিথ্যে মিথ্যে লোক দেখানো সফল হয়ে ওঠার ইঁদুর দৌড় আর তারপর ই ঘ্যান ঘ্যানে সংসার জীবন।তাই এই সময় টাই ওদের সব চেয়ে সুন্দর সময় যেখানে জীবনের আসল সুখ শান্তি টা ওরা উপলব্ধি করতে পারে।তাই যা মন চায় করুক এখন না করলে আর কোনোদিন ওরা এই সুযোগ পাবে না ।স্বর্ণালী দিন গুলো ওদের জীবনে যতদিন থাকবে ওরা প্রাণ ভরে নিঃশাস নিতে পারবে।

19/06/2025

স্কুলে পাঠানো হলো না এদিকে এরা এসব করেছে
❤️🧿

18/06/2025

ধুর !এত নিয়ম এর মধ্যে জীবন যাপন করতে ভালো লাগেনা।! কিসের এত নিয়ম কিসের এত গদে আটা জীবন।?কি হবে এত নিয়মে থেকে। ?জীবন থেকে ব্রেক নিতে খুব ইচ্ছে হয় মাঝে মধ্যে ,নেওয়াও উচিত।কখনো দেরি করে বিছানা ছাড়া, দুধ চা তে ১০ টা মেরি বিস্কুট ডুবিয়ে খাওয়া , বিছানা তে বসে এক হাতে খাওয়া আর এক হাতে নয় মোবাইল আর না হয় গল্পের বই পড়া এসব স্বর্গীয় সুখ থেকে নিজেকে বঞ্চিত করলে জীবন এর আর কি মানে? এলোমেলো জীবনেও একটা ছন্দ আছে যা অতিরিক্ত নিয়মে চলা জীবনে থাকে না। তার কেটে যাওয়া গিটার এর মতো লাগে ।অফিস, কাজ এসব সারা জীবন ই আছে থাকবেও কিন্তু এর বাইরে যে জগৎ টা আছে সেটা উপভোগ করা উচিত প্রত্যেক এর ই। ঝম ঝমে বৃষ্টির একটা দিনে অফিস থেকে একটা ছুটি নিয়ে জমিয়ে খিচুড়ি বেগুনি আর ডিম এর ওমলেটে খাওয়ার মধ্যে যে তৃপ্তি আছে আর ঠিক তারপর ই বিছানা তে লাফ মেরে তারপর ঘন্টা খানেক এর একটানা ঘুমে যে স্বাধীনতার সুখ থাকে সেই সুখ এর কাছে অনেক কিছুই খুব ক্ষুদ্র ।বিকেলে এক কাপ কফি আর নিজের অতি পছন্দের কোনো সিনেমা নিজের পরিবার বা প্রিয় মানুষের সাথে বসে দেখা এই ভালোলাগার দোসর মেলা ভার। এই যে বিমান দুর্ঘটনা টা ঘটে গেলো এর মধ্যে এমন অনেক মানুষ তো ছিলই যারা ছিলো ভীষণ শৃঙ্খল এবং সময়ানুবর্তিতা তে সর্বদা এগিয়ে ,কিন্তু কি হলো?তারা কি ভেবেছিলো এমন টা হতে পারে বা হবে?হয়তো অনেক না পাওয়া জীবনে ছিলো, অনেক ইচ্ছে অতৃপ্ত থেকে গিয়েছিল ভেবেছিলো পরে কখনো হবে কিন্তু হয়ে ওঠেনি ।নিজের পছন্দের মানুষের সাথে অতি সুন্দর মুহূর্ত কাটানোর কথা ছিলো কিন্তু তা হয়তো বাকি থেকে গেলো। টাকা পয়সা আজ থাকে কাল থাকেনা আবার পরশু থাকে কিন্তু সময় চলে গেলে আর ফিরে আসে না। এমন অনেক ইচ্ছে থাকে মানুষের, যা একদিন করবো একদিন হবে বলে আর হয়েই ওঠে না।সামর্থের বাইরে কোনো ইচ্ছে থাকলে তা হয়তো চাইলেই পূরণ করা সম্ভব না কিন্তু সময় থাকতে সামর্থের মধ্যে যে কোনো ইচ্ছে কেই মর্যাদা দেওয়া উচিত। পরে কি হবে, লোকে কি বলবে এসব নিয়ে বসে থাকলে আদতেও জীবন পরে সেই সুযোগ দেবে কিনা বলা যায় না। কাজ থেকে হঠাৎ ছুটি নিয়ে যদি নিজের কাছের মানুষ টার সাথে ঘুরতে যেতে মন চায় তাহলে সেটা করতে খুব বেশি সময় না নেওয়াই ভালো। নিজের বাজেট থেকে বেরিয়ে কোনো সপ্তাহে যদি একটু বেশি এটা ওটা কিনতে মন চায় তাহলে সেটা নিশ্চই করা উচিত। সারাদিন ল্যাদ খেতে ইচ্ছে করলে সেই চাওয়া কেও অপূর্ণ রাখা উচিত না । ছেলে মেয়ে দুদিন স্কুল না যেতে চেয়ে বাড়িতে থেকে দুস্টুমি করতে চাইলে তাদের সেখান থেকে বঞ্চিত না করাই ভালো। কোন পাবলিক প্লেসে প্রচন্ড হাসি পেলে কে কি ভাববে সেটা না ভেবে হাসি তে লুটিতে পড়লে ক্ষতি নেই ।বাড়ির পাশে কোনো মেলা বসলে রোজ সেই মেলা তে দিনের শেষে কদিন ঘুরতে গেলে মহাভারত অশুদ্ধ হবে না। একদিন ৫রকম পদ রান্না না করে শুধু আলু সেদ্ধ ভাত খেলে তাতে নিন্দার কিছু নেই ।একটু সময় খরচ করে নিজেদের মানুষ দের সাথে বা বন্ধু বান্ধব দের সাথে আড্ডা দিলে বা সুখ দুঃখ ভাগ করলে জীবনে কোনো কিছু কমে যাবে না। সময়ে খাওয়া,সময়ে ঘুমানো এসব কখনো নিয়ম এর বাইরে গিয়ে করলে জীবন নষ্ট হয় না।কিন্তু সব চাওয়া পাওয়া অথবা জীবনের সব ইচ্ছে কেই গলা টিপে হত্যা করে কঠোর অনুশাসন এর মধ্যে জীবন কে রাখলে জীবন সত্যি ই খুব অসুন্দর। যে যেমন ভাবে জীবন টাকে উপভোগ করতে চায় সেই ভাবেই জীবন টাকে উপভোগ করতে চাইলে তাতে অন্যায় কিছু নেই শুধু সতর্ক থাকতে হবে যাই করবো অন্যের যেন তাতে ক্ষতি না হয় ব্যাস এটুকু বিচার রেখে যা ইচ্ছে করলেই জীবন খুব সুন্দর ।এই জীবন এর স্বাস প্রশ্বাস এর সত্যি ই কোনো দাম নেই তাই শুধু অন্যেরা কি বলবে, কে কি ভাববে সে সব না ভেবে জীবন কে নিজের মতো কাটানোর মধ্যে যা সুখ যা প্রাপ্তি তা আর অন্য কিছুতে নেই থাকেনা ।

13/06/2025

Address

Durgapur

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Sayantini and Family Fantastic Weekend posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Sayantini and Family Fantastic Weekend:

Share