PoliTalk TANIM

PoliTalk TANIM ছোট্ট একটা পৃথিবী, দুই দিনের দুনিয়া।।
মানুষ মানুষকে ভালবাসবে, ঘৃণা করা ঠিক না!🥰❣️❣️❣️

15/08/2026

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বিরোধী দলকে বিদ্যুৎ সমস্যা সমাধানের পরিকল্পনা প্রদানের জন্য ছয় মাসের আলটিমেটাম দিয়ে চ্যালেঞ্জ দিয়েছেন।

আমরা চ্যালেঞ্জ গ্রহন করলাম এবং সমাধান পরিকল্পনা প্রস্তাব করছি।

এক. চ্যালেঞ্জ দেওয়ার আগে প্রধানমন্ত্রীর জানা দরকার ছিল যে সমাধান ইতিমধ্যেই টেবিলে আছে। এনসিপির আহ্বায়ক, সংসদ সদস্য ও বিরোধী দলীয় চীফ হুইপ জনাব নাহিদ ইসলাম স্বল্প (৩০ দিন), মধ্য (৬–১৮ মাস) ও দীর্ঘমেয়াদি নিয়ে মোট ১৫ দফা সুনির্দিষ্ট সমাধান প্রস্তাব দিয়েছেন। ( কমেন্টে সংযুক্ত)

অন্যদিকে আমি ধাপে ধাপে দেখিয়েছি কোন সিদ্ধান্তটি কোথায় ভুল হয়েছে। ভর্তুকি নীতি, ফুয়েল প্ল্যান, কন্টিঞ্জেন্সি প্ল্যান এবং ডিজাস্টার রিকভারি প্ল্যান নিয়ে সুস্পষ্ট সমাধানধর্মী বক্তব্য রেখেছেন বিরোধীদলীয় সদস্যারা। মতামত এসেছে নাগরিক সমাজ ও গবেষনা প্রতিষ্ঠান থেকেও। এসব ছাপা হয়েছে জাতীয় দৈনিকে, আলোচিত হয়েছে সেমিনারে। প্রধানমন্ত্রীর ডাউস সাইজের মন্ত্রিসভা ও উপদেষ্টা পরিষদ থাকা সত্ত্বেও এই তথ্য তাঁর কাছে পৌঁছায়নি, এটি লজ্জার কথা।

দুই. মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপদেষ্টা ও বিশেষ সহকারী মিলিয়ে ৬২ জনের সভাসদ। এর একজনও নাগরিক মতামত বা বিরোধী দলের প্রস্তাবনা পড়ে দেখেননি, গণতান্ত্রিক চর্চায় এর চেয়ে খারাপ উদাহরণ কম আছে। প্রশ্নটা আর নীতির নয়, প্রশ্নটা এখন এই টিমের কার্যকারিতা ও যোগ্যতার।

এনসিপি'র দেওয়া ৩০ দিনের জন্য ৫টি, মধ্যমেয়াদি (৬-১৮ মাস) ৬টি এবং দীর্ঘমেয়াদে ৪টি সুস্পষ্ট সমাধান প্রস্তাব পড়ে নিন প্লিজ, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী।

বিদ্যুৎ সংকটের সমাধান আলোচনা করতে বিরোধীদল থেকে বিশেষ সংসদীয় অধিবেশন ডাকার অনুরোধেও সাড়া দিন। আমরা সরকারের এমন ইগ্নোরেন্সকে খুবই হতাশার চোখে দেখি এবং প্রধানমন্ত্রীর বিশালাকার টিমের সক্ষমতা যোগ্যতা ও আন্তরিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলি।

তিন. ছয় মাসে প্রশাসনে যে হারে দলীয় পদায়ন হয়েছে, তাতে ইনস্টিটিউশনাল মেমরি বলে কিছু অবশিষ্ট নেই। ফলে ফুয়েল প্ল্যান নেই, কন্টিনজেন্সি প্ল্যান নেই, ডিজাস্টার রিকভারি প্ল্যান নেই। ভর্তুকি কাটা হয়েছে ঠিক সেখান থেকে যেখান থেকে বিদ্যুৎ আসে, আর ক্যাপাসিটি চার্জ অক্ষত। সচিবালয়ে যাঁরা এসেছেন তাঁরা নতুন, অনভিজ্ঞ, এবং লবি গ্রুপের পরামর্শে চলছেন। মহেশখালী FSRU-তে আগুন লাগার পর রক্ষণাবেক্ষণে ত্রুটি ছিল কি না, সেই স্বাধীন তদন্ত প্রতিবেদনটি আজও প্রকাশিত হয়নি। নাশকতা নাকি অবহেলা, সরকার নিজেই জানে না।

চার. আজ আমরা একটি সুনির্দিষ্ট দাবি জানাচ্ছি। সরকার বলছে ডলার ও বকেয়ার কারণে বিদ্যুৎ-জ্বালানি কেনা যাচ্ছে না। দেশের অধিকাংশ ভারী শিল্প বিদ্যুৎ ও জ্বালানী সংকটে বন্ধ হয়ে পড়েছিল।

তাহলে প্রশ্ন হচ্ছে, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অনুমোদিত মার্চেন্ট পাওয়ার পলিসি ২০২৫ এখনো বাস্তবায়ন করছেন না কেন? এই কাঠামোয় বেসরকারি উৎপাদক সরাসরি বড় শিল্প ভোক্তার কাছে বিদ্যুৎ বিক্রি করতে পারে, দর দুই পক্ষ ঠিক করে, বিইআরসি কেবল অবহিত থাকে, উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ গ্রিডে যায়। রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে এক টাকাও লাগে না। বাকি কাজ কেবল SLA ফরম্যাট ও হুইলিং চার্জ চূড়ান্ত করা ,যা কয়েক সপ্তাহের প্রশাসনিক কাজ, রকেট সায়েন্স নয়।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আপনি বলার আগেই আমরা সমাধান দিয়েছি। আপনারা সেটা পড়ার দরকার মনে করেননি কিংবা আপনার কাছে পৌঁছানো হয়নি। তথাপি, ছয় মাসের হিসাবটা আমরা মেনে নিলাম। কিন্তু ঘড়িটা বিরোধী দলের নয়, আপনার সরকারের। মার্চেন্ট পাওয়ার পলিসি বাস্তবায়নে যদি ছয় মাসের বেশি লাগে, সেটি আর নীতির প্রশ্ন থাকবে না, সেটি হবে সক্ষমতার ব্যর্থতার স্বীকারোক্তি।

পুনরাবৃত্তি করছি- প্রমাণিতভাবে ব্যর্থ মন্ত্রী ও অযোগ্য লোক দিয়ে কৌশলগত খাতে পরীক্ষা-নিরীক্ষাকে 'আই হ্যাভ এ প্ল্যান' বলে না। এটা হচ্ছে 'আই হ্যাভ নো প্ল্যান' এর টেস্টিং'।

একটি প্র্যাক্টিসিং ডেমোক্রেসিতে প্রধানমন্ত্রী বিরোধীদলকে আল্টিমেটাম কিংবা চ্যালেঞ্জ দেয়না বরং সরকারই তার কাজের জবাবদিহি করে।

এক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর উচিত ছিল জবাবদিহি করা যে, সরকার ছয় মাস ক্ষমতায়, আর দেশ এখন ইতিহাসের সর্বোচ্চ লোডশেডিংয়ে কেন পড়লো! এই রাষ্ট্র কেনো অন্ধকারে নিমজ্জিত হলো?

সবশেষে, সমাধান আমাদের হাতে আছে। কিন্তু ক্ষমতা আপনার হাতে। ছয় মাস পর জনগণ জানতে চাইবে, দুটোর মধ্যে কোনটির অভাবে দেশ অন্ধকারে ছিল।

এক দফার ঘোষক প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান এবং লংমার্চ টু ঢাকার ঘোষক জনাব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর গণভবন ঘেরাও দিতে যা...
05/08/2026

এক দফার ঘোষক প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান এবং লংমার্চ টু ঢাকার ঘোষক জনাব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর গণভবন ঘেরাও দিতে যাচ্ছেন।

৫ আগস্ট ২০২৪
এবার খুশি তো?

01/08/2026

আওয়ামী লীগ যেখানে স্বৈরাচারী রূপ দেখাতে ১৭ বছর নিয়েছিল, সেখানে বিএনপি ১৭ মাসও সময় নিল না।

আমাদের স্টুডেন্টদের রক্তের ওপর দিয়ে তারা ক্ষমতায় বসেছে। ১৭টা বছর তারা ধানক্ষেতে শুয়ে ছিল। ১৭ বছর পর আমাদের রক্তের ওপর দিয়ে ক্ষমতায় বসেই প্রথমে তারা জুলাই নিয়ে আমাদের সঙ্গে প্রতারণা করেছে। অতঃপর তারা সরকার গঠন/ভোটের পূর্বে জনগণকে যে সকল প্রতিশ্রুতি ও আশা জনগণকে দিয়েছিল, তার কিছুই তারা পূরণ করেনি। এখনো পর্যন্ত কোনো একটি বিচারও তারা করতে পারেনি। সে সব কথা না হয় বাদই থাকল।

কিন্তু আমাদের সদ্য গঠিত নতুন রাজনৈতিক দল, এনসিপি—যেখানে জুলাই যোদ্ধারা আছেন—তাদের ওপর হামলা করা হয়েছে, এমনকি তাদের হত্যা করার পরিকল্পনার অভিযোগও উঠেছে। কেন? কেন এমনটা? আপনারা কি এতটাই নিমকহারাম ও বেইমান? আমাদের কর্মের মাধ্যমে সফল হয়ে আবার আমাদেরই পথ থেকে সরিয়ে দিতে চাইছেন?

আমরা যখন জুলাইয়ে রাজপথে ছিলাম, তখন আপনি, তারেক রহমান, লন্ডনে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষে ছিলেন। আপনি কীভাবে জানবেন কত মা-বাবা তাদের সন্তান হারিয়েছেন, কত ভাই তার বোনকে, কত বোন তার ভাইকে হারিয়েছে? কতটা নির্মম ও ভয়াবহ ছিল সেই সময়!

কিন্তু আজ এই সময়ে এসে আমরা আপনার কাছ থেকে এমন আচরণ আশা করিনি। আপনি আসলেই জিয়াউর রহমান ও বেগম জিয়ার একজন কুলাঙ্গার সন্তান। তাঁদের মতো মহান মানুষের সন্তান হওয়ার যোগ্যতা আপনার নেই। আপনি পূর্বের স্বৈরাচারী বুদ্ধি দিয়েই দেশ পরিচালনার চেষ্টা করছেন। এটি খুবই হাস্যকর। একটি দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিজের অন্তত একটু হলেও আত্মসম্মান ও লজ্জাবোধ থাকা উচিত। যেটা আপনার বিন্দুমাত্রও নেই।

আমরা শুধু একটি কথাই তারেক জিয়াকে বলতে চাই—মনে রাখবেন, শেখ হাসিনা ১৭ বছর ক্ষমতায় ছিলেন, কিন্তু শেষ পর্যন্ত মাত্র এক মাসের মধ্যেই দেশ ছাড়তে বাধ্য হয়েছিলেন। তাঁর এত ক্ষমতা কোনো কাজে আসেনি। আর আপনারা সরকার গঠন করেছেন মাত্র ১৭ মাস। এই সময়েই যদি স্বৈরাচারী কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েন, তাহলে আপনাকে সরাতে আমাদের ১৭ দিনও লাগবে না। আর শেখ হাসিনার মতো ক্ষমতাও আপনার নেই।

আজ অবধি আমরা স্টুডেন্টরা কোনো আন্দোলনে হারিনি। ইন শা আল্লাহ, হারবও না। বিপ্লবীরা কখনো হারে না, তারা মৃত্যুকে ভয়ও পায় না—এটা মনে রাখবেন। তাদের ওপর আপনারা যত আঘাত করবেন, তারা ঠিক ততটাই কঠোর ও দ্বিগুণ হয়ে উঠবে। আপনারা আমাদের দমাতে পারবেন না।

ইনকিলাব জিন্দাবাদ।

31/07/2026

'আলিফের চোখ ফিরিয়ে দে'

হবিগঞ্জ ও সিলেটে এনসিপির নেতাকর্মীদের উপর বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদলের নৃশংস সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে মশাল মিছিল।

30/07/2026

"তারেক কিংবা হাসিনা, ফ্যাসি-জম মানি না"— এনসিপির এক"শন।

30/07/2026

লড়াই চলবে
সংগ্রাম চলবে
কানাইঘাট, সিলেট।

- এডমিন
#জিন্দাবাদ

Address

Alukdia

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when PoliTalk TANIM posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category