MiKa Agro Limited

MiKa Agro Limited Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from MiKa Agro Limited, Farm, Dakkhin Dhuligati, Teligati, Morrelganj, Mongla.

লিচু গাছের সঠিক বৃদ্ধি ও অধিক ফলনের জন্য প্রয়োজনমত সঠিক সময় ও সঠিক সার প্রয়োগ খুব জরুরী।নিচে লিচু গাছে সার প্রয়োগের বিস...
30/06/2025

লিচু গাছের সঠিক বৃদ্ধি ও অধিক ফলনের জন্য প্রয়োজনমত সঠিক সময় ও সঠিক সার প্রয়োগ খুব জরুরী।নিচে লিচু গাছে সার প্রয়োগের বিস্তারিত আলোচনা করা হলো :-
✅ লিচু সংগ্রহের পরপরই লিচু গাছে যা করবেন:
🔸 ফল সংগ্রহের পর গাছে প্রুনিং বা অঙ্গছাঁটাই করুন।
🔸 এরপর সালফার জাতীয় ছত্রাকনাশক(যেমন থিয়োভিট/কুমলাস/সালফক্স/ম্যাকভিট ৮০ ডব্লিউডিজি) দিয়ে পুরো গাছে ভালোভাবে স্প্রে করুন। এতে রোগ-পোকার আক্রমণ কমে যাবে।
🌿 লিচু গাছে বছরে তিনটি ধাপে সার প্রয়োগ করতে হয়।
➊ ১ম ধাপ:প্রথম ধাপের সার প্রয়োগ বর্ষার শুরুতে অর্থাৎ ফল সংগ্রহের পরপর বা জুন-জুলাই মাসে করতে হয় ।
➋ ২য় ধাপ: দ্বিতীয় ধাপে সারপ্রয়োগ বর্ষার শেষে বা সেপ্টেম্বর-অক্টোবর করতে হয়।
➌ ৩য় ধাপ: তৃতীয় ধাপে সার প্রয়োগ গাছে ফুল আসার সময় বা ফেব্রুয়ারি-মার্চ মাসে করতে হয়।
🌱 লিচু গাছের বয়স অনুযায়ী সার প্রয়োগের সঠিক পরিমাণ:
🟢 ১-৪ বছর বয়সী লিচু গাছের জন্য:
🔹 গোবর সার – ১০ কেজি
🔹 ইউরিয়া – ৩০০ গ্রাম
🔹 টিএসপি – ৪০০ গ্রাম
🔹 এমওপি – ৩০০ গ্রাম
🔹 জিপসাম – ১০০ গ্রাম
🔹 জিংক সালফেট – ১০ গ্রাম
🔹 বোরন – ৫ গ্রাম
🟢 ৫-১০ বছর বয়সী লিচু গাছের জন্য:
🔹 গোবর সার – ২০ কেজি
🔹 ইউরিয়া – ৮০০ গ্রাম
🔹 টিএসপি – ১২০০ গ্রাম
🔹 এমওপি – ৮০০ গ্রাম
🔹 জিপসাম – ২০০ গ্রাম
🔹 জিংক সালফেট – ২০ গ্রাম
🔹 বোরন – ১০ গ্রাম
🌀 লিচু গাছে সার দেওয়ার সঠিক পদ্ধতি:
✅ গাছের গোড়া থেকে দেড়-দুই হাত দূরে রিং আকারে ৬ ইঞ্চি গভীর গর্ত বা নালা করুন।
✅ এবার সারগুলো ভালভাবে মিশিয়ে নালায় দিন
✅ এরপর মাটি চাপা দিয়ে ঢেকে দিয়ে হালকা সেচ দিন।
📌 বিশেষ টিপস:
🔸 গাছের বয়স অনুযায়ী সার প্রয়োগ করবেন।
🔸 প্রয়োগের সময় সকালে বা বিকেলে সার প্রয়োগ করবেন।
🔸 মাটি, পানি ও আবহাওয়ার অবস্থান বুঝে সার প্রয়োগ করুন।
কৃষি সমস্যা ও সমাধান
#লিচু_চাষ াড়ান #সার_পদ্ধতি #কৃষি_তথ্য_ও_পরামর্শ

নারিকেল গাছে সঠিকভাবে সার প্রয়োগ করলে ফলন অনেক বেশি হয় ও গাছ সুস্থ থাকে। নিচে নারিকেল গাছে সার প্রয়োগের নিয়ম দেওয়া হলো:🌴...
29/06/2025

নারিকেল গাছে সঠিকভাবে সার প্রয়োগ করলে ফলন অনেক বেশি হয় ও গাছ সুস্থ থাকে। নিচে নারিকেল গাছে সার প্রয়োগের নিয়ম দেওয়া হলো:

🌴 নারিকেল গাছে সার প্রয়োগের সঠিক নিয়ম:

✅ সার দেওয়ার সময়:
• বছরে দুইবার সার দেওয়া উত্তম:
1. জুন-জুলাই (বর্ষার শুরু)
2. নভেম্বর-ডিসেম্বর (শীতের শুরু)

✅ প্রতি গাছে বছরে যে পরিমাণ সার প্রয়োজন (প্রাপ্তবয়স্ক গাছে): সারের পরিমাণ (প্রতি গাছে/বছরে)

★ইউরিয়া ৫০০ গ্রাম
★টিএসপি ৩২৫ গ্রাম
★এমওপি ৬৫০ গ্রাম
★গোবর সার ১৫-২০ কেজি.

✅ কিভাবে সার দিবেন:
1. গাছের গোড়ার চারপাশে ১ থেকে ১.৫ মিটার দূরত্বে রিং (বৃত্তাকারে) নালার মতো করে ১৫-২০ সেমি গভীর করে খুড়ুন।

2. সারের পরিমাণ মাটিতে ছিটিয়ে দিন।

3. এরপর মাটি দিয়ে ঢেকে দিন ও হালকা পানি দিন (বিশেষ করে শুষ্ক মৌসুমে)।

✅ অতিরিক্ত যত্ন:
• ৩-৫ বছরের গাছে সার অর্ধেক পরিমাণে দিন।
• গাছের নিচে আগাছা পরিষ্কার রাখতে হবে।
• সঠিক পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা থাকতে হবে।

মোঃআক্তার হোসেন
উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা
কোম্পানীগঞ্জ ,সিলেট।

বর্ষা আসার আগেই গরুর খাবার সংগ্রহ করুন।🌾 ১. সাইলেজ তৈরি পদ্ধতি (Silage Making) সাইলেজ হলো আর্দ্র অবস্থায় (৬৫-৭৫% আর্দ্রত...
23/06/2025

বর্ষা আসার আগেই গরুর খাবার সংগ্রহ করুন।
🌾 ১. সাইলেজ তৈরি পদ্ধতি (Silage Making) সাইলেজ হলো আর্দ্র অবস্থায় (৬৫-৭৫% আর্দ্রতা) কাঁচা ঘাসকে বায়ুশূন্য অবস্থায় সংরক্ষণ করে পশুখাদ্য হিসেবে প্রস্তুত করা। এতে ঘাসের পুষ্টিগুণ বজায় থাকে এবং এটি সারা বছর খাওয়ানো যায়।

✅ প্রয়োজনীয় উপকরণ:
কাঁচা ঘাস (নেপিয়ার, গিনি, জাম্বো, দেশি ঘাস ইত্যাদি) প্লাস্টিকের চট বা পলিথিন, সাইলো পিট/ড্রাম/ব্যারেল/সাইলো ব্যাগ। হাতুড়ি বা কাঠের খুঁটি (চেপে ধরার জন্য)।

✅ প্রস্তুতির ধাপ:
১. ঘাস কাটা: ঘাস ৪৫-৬০ দিনের মধ্যে কাটতে হবে, যাতে যথেষ্ট পুষ্টি থাকে।
২. ছেঁটে ছোট করা: ২-৩ সেন্টিমিটার আকারে কেটে নিতে হবে।
৩. সঞ্চালন স্থান প্রস্তুত: মাটি থেকে একটু উঁচু ও শুকনো স্থান নির্বাচন করে সাইলো পিট বানাতে হবে বা ব্যারেল ব্যবহার করতে হবে। পলিথিন বিছিয়ে নিতে হবে।
৪. ঘাস ভর্তি: একটু একটু করে ঘাস ঢুকিয়ে প্রতিটি স্তর ভালোভাবে পা দিয়ে বা হাতুড়ি দিয়ে চাপ দিতে হবে, যাতে বাতাস বের হয়ে যায়।
৫. ঢাকা: ঘাস পুরোটাই ভর্তি হলে ওপরে পলিথিন দিয়ে ভালোভাবে মুড়িয়ে দিতে হবে যাতে বাতাস ঢুকতে না পারে।
৬. পরিপক্ক হওয়া: কমপক্ষে ৩০-৪০ দিন রেখে দিতে হবে। পরে এটি পশুকে খাওয়ানো যাবে।

✅ সুবিধা:
সারা বছর ঘাস সংরক্ষণ। পুষ্টিগুণ বজায় থাকে, পশুর দুধের উৎপাদন বাড়তে সহায়ক। তৃণভোজী সব ধরনের প্রাণী এটা খেতে পারবে।

🌿 ২. হে তৈরি পদ্ধতি (Hay Making)
হে হলো কম আর্দ্রতার (১৫-২০%) শুষ্ক ঘাস যা দীর্ঘদিন সংরক্ষণ করা যায়।

✅ প্রয়োজনীয় উপকরণ:
কাঁচা ঘাস, খোলা জায়গা (রোদ পড়ে এমন) পলিথিন/চট/বাঁশের মাচা (খাওয়ার সময় আচ্ছাদন দেওয়া)।

✅ প্রস্তুতির ধাপ:
১. ঘাস কাটা: ভালো সময় (ফুল ফোটা শুরুর আগেই) ঘাস কেটে নিতে হবে।
২. রোদে শুকানো: কাটা ঘাস ২-৩ দিন রোদে শুকাতে হবে। প্রতিদিন ২-৩ বার উল্টিয়ে দিতে হবে।
৩. পরীক্ষা: ঘাস ভালোভাবে শুকিয়ে গেলে ভেঙে গেলে চটচট শব্দ হবে — বুঝবেন এটি প্রস্তুত।
৪. সংরক্ষণ: শুকানো ঘাস ছায়াযুক্ত ও শুকনো স্থানে গাদা করে রাখতে হবে। উপরে পলিথিন বা চট দিয়ে ঢেকে দিতে হবে।

✅ সুবিধা:
সহজ প্রক্রিয়া, কম খরচে সংরক্ষণযোগ্য। গরু, মহিষ, ছাগল, ভেড়া সবাই খেতে পারে।

🔸 উপসংহার:
সাইলেজ বেশি পুষ্টিকর ও সারা বছর ব্যবহার উপযোগী, কিন্তু প্রাথমিকভাবে একটু যত্ন ও কাঠামো লাগে।
হে পদ্ধতি সহজ ও খরচ কম, তবে পুষ্টি কিছুটা কম থাকে।
🌿🐄 🌿🐄 🌿🐄 🌿🐄 🌿🐄 🌿🐄

 #ব্ল্যাক_চিকেন"ব্ল্যাক চিকেন" বলতে সাধারণত বোঝানো হয় একটি বিশেষ জাতের মুরগি যাদের গায়ের রঙ, পালক, চামড়া, মাংস এমনকি হাড়...
22/06/2025

#ব্ল্যাক_চিকেন
"ব্ল্যাক চিকেন" বলতে সাধারণত বোঝানো হয় একটি বিশেষ জাতের মুরগি যাদের গায়ের রঙ, পালক, চামড়া, মাংস এমনকি হাড় পর্যন্ত কালো হয়ে থাকে। এর বৈজ্ঞানিক নাম Ayam Cemani (আয়াম সেমানি), যা মূলত ইন্দোনেশিয়ার একটি বিরল জাতের মুরগি। নিচে এর বিস্তারিত দেওয়া হলো:

---

🐔 ব্ল্যাক চিকেন বা আয়াম সেমানি পরিচিতি:

উৎপত্তি: ইন্দোনেশিয়া

রঙ: পুরো শরীরই কালো (পালক, চামড়া, জিহ্বা, চোখ, মাংস, এমনকি হাড় পর্যন্ত)

কারণ: একটি জেনেটিক বৈশিষ্ট্য যার নাম fibromelanosis — এটি অতিরিক্ত মেলানিন উৎপন্ন করে

ওজন:

পূর্ণবয়স্ক মোরগ: ২-২.৫ কেজি

পূর্ণবয়স্ক মুরগি: ১.৫-২ কেজি

ডিম: সাদা বা হালকা গোলাপি রঙের হয়, কালো নয়

---

🥚 ডিম পাড়া ও পালন:

বছরে ডিম পাড়ে ৮০–১০০টি (অন্যান্য জাতের তুলনায় কম)

মাংসের জন্যই মূলত পালন করা হয়

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ভালো, তবে একটু যত্নবান হতে হয়

---

💰 দাম ও বাজার:

ব্ল্যাক চিকেন বা আয়াম সেমানির দাম খুবই বেশি, কারণ এটি বিরল জাত

বাংলাদেশে একটি পূর্ণবয়স্ক আয়াম সেমানি মুরগির দাম হতে পারে ১৫,০০০–৫০,০০০ টাকা পর্যন্ত

বাচ্চা: ১,৫০০–৫,০০০ টাকা

---

🇧🇩 বাংলাদেশে ব্ল্যাক চিকেন পাওয়া যায় কোথায়?

কিছু হ্যাচারি বা ফার্মে।

---

⚠️ সতর্কতা:

বাজারে অনেক সময় আয়াম সেমানির নাম করে অন্যান্য কালো রঙের দেশি মুরগি বিক্রি করা হয়। তাই কিনতে গেলে দেখে-শুনে ও খামার যাচাই করে নেওয়া ভালো।

🐄 গরুর খামারে ১০০% সফল হতে চাইলে এই ২৫টি বিষয় একদম চোখ বন্ধ করে মেনে চলুন!প্রতিদিনই শুনি — "খামার শুরু করেছিলাম, লাভ তো...
18/06/2025

🐄 গরুর খামারে ১০০% সফল হতে চাইলে এই ২৫টি বিষয় একদম চোখ বন্ধ করে মেনে চলুন!

প্রতিদিনই শুনি — "খামার শুরু করেছিলাম, লাভ তো দূরের কথা, পুঁজি ফেরতই পেলাম না!"
এমন অবস্থা কেন হয়? কারণ আমরা অনেকেই খামারকে ব্যবসা না ভেবে ‘ভাগ্যের খেলা’ ধরে নিই।

আজকে দিচ্ছি ২৫টি বাস্তবভিত্তিক গাইডলাইন, যা একজন গরুর খামারি ১০০% ফলো করলে সফলতা আসবেই ইনশাআল্লাহ্‌।

✅ ১. লক্ষ্য ও পরিকল্পনা ঠিক করুন

লাভ করতে চান? তাহলে খামার চালান "লক্ষ্য ও পরিকল্পনার" ভিত্তিতে—not আবেগ দিয়ে। খরচ, আয়, সময়, ঝুঁকি—সব হিসেব করে রাখুন।

✅ ২. সঠিক জাত নির্বাচন

দেশি গরু টিকে থাকে বেশি, কিন্তু হাইব্রিড জাত (শাহীওয়াল, ফ্রিজিয়ান, জার্সি) তাড়াতাড়ি ওজন বাড়ায়। লাভের জন্য উন্নত জাত বেছে নিন।

✅ ৩. ছোট পরিসরে শুরু করুন

একসাথে ১০টা গরু না তুলে, ২–৩টা দিয়ে শুরু করুন। অভিজ্ঞতা ও লাভ হলে ধাপে ধাপে বাড়ান।

✅ ৪. সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে বাছুর/গরু কিনুন

দালালের কাছ থেকে না কিনে আশেপাশের খামার থেকে কম দামে ভালো গরু সংগ্রহ করুন।

✅ ৫. গরুর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে কিনুন

গরুর চোখ, দাঁত, দাঁড়ানোর ভঙ্গি, চামড়ার উজ্জ্বলতা দেখে বুঝে নিন সে সুস্থ কি না।

✅ ৬. পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা রাখুন

নোংরা ঘর মানেই রোগ। নিয়মিত জীবাণুনাশক ছিটান, খোলা পরিবেশে রাখুন।

✅ ৭. গরুর ঘাস ও খাদ্য নিজের খামারে তৈরি করুন

নেপিয়ার, যাদুকাঠি ঘাস চাষ করে খাবারের খরচ অর্ধেক কমান।

✅ ৮. নিয়মিত ডিওয়ারমিং ও টিকা দিন

FMD, Anthrax, Black Quarter—এসব রোগ প্রতিরোধে সময়মতো ভ্যাকসিন দিন।

✅ ৯. সুষম খাবার দিন – শুধু ঘাস নয়

ঘাসের সঙ্গে খৈল, চিটাগুড়, ভূষি, মিনারেল ও লবণ মিশিয়ে দিন—তবেই ওজন বাড়বে।

✅ ১০. প্রতিদিনের খরচের হিসাব রাখুন

একটা খাতা বা অ্যাপে প্রতিদিন কী খরচ করছেন লিখে রাখুন—লাভ বা লোকসান বুঝবেন।

✅ ১১. সরাসরি বিক্রির চেষ্টা করুন – দালালের উপর নির্ভর করবেন না

নিজেই ক্রেতা খুঁজুন ফেসবুকে, পরিচিতদের মাধ্যমে। সরাসরি বিক্রি করলে লাভ দ্বিগুণ।

✅ ১২. ঈদে কোরবানির টার্গেট রাখুন – সময়মতো শুরু করুন

৮–১০ মাস আগেই ছোট গরু কিনে কোরবানির বাজারে তুলুন, দাম পাবেন বেশি।

✅ ১৩. ওজন মাপুন প্রতি মাসে একবার করে

ওজন বাড়ছে কি না দেখুন, না বাড়লে খাবারের রুটিন পরিবর্তন করুন।

✅ ১৪. বিজ্ঞ চিকিৎসকের সঙ্গে সম্পর্ক রাখুন

নিজে ডাক্তার না হয়ে ওষুধ দেবেন না। ছোট সমস্যা বড় হতে সময় লাগে না।

✅ ১৫. বিশ্রামের ব্যবস্থা দিন

গরু সারাদিন দাঁড়িয়ে থাকলে শরীরে স্ট্রেস বাড়ে। বিশ্রামের জায়গা আলাদা রাখুন।

✅ ১৬. প্রসবকালীন যত্ন নিতে শিখুন

মাতৃগরুর সময়মতো সেবা না করলে বাছুর বা গরু হারাতে পারেন। প্রশিক্ষণ নিন।

✅ ১৭. পরিবারকে সম্পৃক্ত করুন

খরচ বাঁচাতে পরিবারকে কাজে লাগান—খাওয়ানো, পরিষ্কার, পর্যবেক্ষণ।

✅ ১৮. খামারে সিসি ক্যামেরা বা পাহারার ব্যবস্থা করুন

রাতে চুরি বা হঠাৎ দুর্ঘটনা রোধে নিরাপত্তা ব্যবস্থা দিন।

✅ ১৯. নিজস্ব ব্র্যান্ড বা নাম দিন খামারে

যেমন: “মামু গরুর খামার – ১০০% দেশি খাবারে বড় হওয়া গরু”
ব্র্যান্ড থাকলে বিশ্বাস বাড়ে, দামও বাড়ে।

✅ ২০. ফেসবুক, ইউটিউব পেজ খুলুন

আপনার খামার ভিডিও/ছবিসহ আপলোড দিন। অর্ডার আসবে অনলাইনে।

✅ ২১. গ্রাম থেকে শহরের বাজারে সরবরাহ ব্যবস্থা তৈরি করুন

আপনি নিজেই যদি শহরে বিক্রি করতে পারেন, দাম বেশি পাবেন।

✅ ২২. গরুর গড় খরচ জানুন প্রতিটি মাসে

যত গরু তত খরচ। প্রতি গরুর পেছনে মাসে কত টাকা যাচ্ছে তা জানলে লাভ নির্ধারণ সহজ হয়।

✅ ২৩. প্রশিক্ষণ ছাড়া খামার নয়

প্রাণিসম্পদ অফিস, বেসরকারি এনজিও বা অনলাইন থেকে শেখা বাধ্যতামূলক করুন।

✅ ২৪. যেকোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে চিন্তা করুন ৩ বার

নতুন ওষুধ, নতুন খাবার, নতুন গরু—সব সিদ্ধান্ত ৩ বার ভাবুন, তারপর নিন।

✅ ২৫. অপচয় কমান, শৃঙ্খলা আনুন

অপ্রয়োজনীয় খরচ বন্ধ করুন, নিয়মমাফিক চলুন। শৃঙ্খলাতেই লাভ।

🌟 শেষ কথা:

গরু পালা কষ্টের কাজ, তবে পরিকল্পনা করে করলে এটিই হতে পারে আপনার স্বপ্নপূরণের পথ।
আপনি ফলো করেন, আল্লাহ্‌ বরকত দিবেন ইনশাআল্লাহ্‌।

🔄 এই পোস্ট শেয়ার করুন আপনার টাইমলাইনে

যাতে আপনার মতো অন্য খামারিরাও উপকৃত হয়, লোকসান থেকে বাঁচে!
সঠিক গাইডলাইন মানলেই লাভ সম্ভব — না মানলে ক্ষতি নিশ্চিত!

#গরুরখামার #খামারগাইড #গরুপালন #বাংলাদেশেরখামারি #গরুরসঠিকপালন #কৃষিকথা #গ্রামীণউন্নয়ন #খামারিবন্ধু #গরুরসেবা #খামার_সফলতা

গুরুতর দগ্ধ রোগীদের চিকিৎসার নতুন আশার আলো হিসেবে জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক ইন্সটিটিউটে প্রথমবারের মতো চালু হলো স্কি...
20/02/2025

গুরুতর দগ্ধ রোগীদের চিকিৎসার নতুন আশার আলো হিসেবে জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক ইন্সটিটিউটে প্রথমবারের মতো চালু হলো স্কিন ব্যাংক। ইতোমধ্যে দুইজন দগ্ধ রোগীর দেহে চারজন দাতার চামড়া প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।

স্কিন ব্যাংক ব্লাড ব্যাংকের মতোই একটি প্রতিষ্ঠান যেখানে দাতার শরীর থেকে চামড়া নিয়ে সংরক্ষণ করা হয়। একজন ব্যক্তি গুরুতর দগ্ধ হলে তার শরীর থেকে পানি, লবণ, প্রোটিন ও তাপ বের হয়ে যায়। বেশি পরিমাণে দগ্ধ হলে, রোগীর শরীরের অন্য অংশ থেকে চামড়া নেয়া সম্ভব না হলে, স্কিন ব্যাংকে দাতাদের দান করা সংরক্ষিত চামড়া দিয়ে রোগীর শরীরে প্রতিস্থাপন করা হয়। ফলে, রোগীর মৃত্যুঝুঁকি কমে এবং দ্রুত নতুন চামড়া তৈরি হয় বলে জানান বার্ন ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান।

ইতোমধ্যে, ইনস্টিটিউটে ভর্তি থাকা দুই বছরের একটি শিশুর দেহে ৩৫২.৫ সেন্টিমিটার চামড়া প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। শিশুটির দেহের ৪২% গরম পানিতে পুড়ে যায় এবং দগ্ধ চামড়ায় ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ দেখা দিয়েছিলো। আট বছর বয়সী আরেক শিশুর ৭৭৯ সেন্টিমিটার চামড়া প্রতিস্থাপিত হয়েছে স্কিন ব্যাংকে সংরক্ষিত চামড়া দিয়ে। গ্যাসের চুলার আগুনে পুড়ে তার শরীরের ২২% দগ্ধ হয়েছিলো।
একজন সুস্থ মানুষ একাধিকবার চামড়া দান করতে পারেন। অ্যানেস্থেসিয়া প্রয়োগ করে দাতার শরীর থেকে চামড়া সংগ্রহ করা হয় এবং দাতার দেহে ১৪ দিনের মধ্যেই নতুন চামড়া তৈরি হয়ে যায়। এজন্য দাতাকে হাসপাতালেও ভর্তি থাকতে হয় না। সংরক্ষিত মৃতদেহ থেকেও ৬-১০ ঘন্টার মধ্যে চামড়া সংরক্ষণ করে স্কিন ব্যাংকে সংরক্ষণ করা সম্ভব।

দগ্ধ রোগীদের সুস্থ জীবনে ফিরে আসতে স্কিন ব্যাংক একটি আশীর্বাদের চেয়েও বেশি। পর্যাপ্ত পরিমান দাতার অংশগ্রহণের মাধ্যমে দগ্ধ রোগীরা সুস্থ জীবনে ফিরে আসতে পারবেন।

Address

Dakkhin Dhuligati, Teligati, Morrelganj
Mongla
9322

Telephone

+8801811942717

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when MiKa Agro Limited posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category