শুন্যতা'র গল্প

শুন্যতা'র গল্প Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from শুন্যতা'র গল্প, Food stall, Chittagong.

14/10/2024

আপনি আমার কাছে সব সময় বেস্ট একটা মানুষ হয়ে থাকবেনঅ'প্রি'য় রু'মু

১৯৮০ র দশকে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শাটল ট্রেন যখন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় স্টেশনে প্রবেশ করে।সংগৃহীত
14/11/2023

১৯৮০ র দশকে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শাটল ট্রেন যখন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় স্টেশনে প্রবেশ করে।

সংগৃহীত

12/11/2023

আমাদের চট্টগ্রাম 🥰

১৭৮০ দশকে বর্তমান আন্দরকিল্লার জেনারেল হসপিটাল পাহাড়ের দৃশ্য:-এই পাহাড়টি সে সময় 'রংমহল' পাহাড় নামে পরিচিত ছিল, যা বর...
11/11/2023

১৭৮০ দশকে বর্তমান আন্দরকিল্লার জেনারেল হসপিটাল পাহাড়ের দৃশ্য:-
এই পাহাড়টি সে সময় 'রংমহল' পাহাড় নামে পরিচিত ছিল, যা বর্তমানে 'জেনারেল হসপিটাল পাহাড়' নামে ডাকা হয়। ছবিটিতে পাহাড়ের ওপর সেসময়কার কিছু স্থাপনা ও এর আশেপাশের দৃশ্য দেখতে পাওয়া যায় । ছবির বাম দিকে পাহাড়ের ওপর একটি দোতালা বাড়ি এবং ডান দিকে একটি বাংলো ডিজাইনের বাড়ি দৃশ্যমান রয়েছে । সে সময় এ দোতলা বাড়িটিতে থাকতেন চট্টগ্রামের ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির চিফ জর্জ ডটসওয়েল এবং বাংলো বাড়িতে ছিলেন লেফটেন্যান্ট ব্রুকস । জর্জ ডটসওয়েল ১৭৮৬ থেকে ১৭৮৭ সাল পর্যন্ত চট্টগ্রামের ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির চিফ হিসেবে কর্মরত ছিলেন । চিফের এই বাড়িটি সে সময় তাঁর বসবাস ও দাপ্তরিক কাজের জন্য ব্যবহৃত হচ্ছিল । ছবিতে দেখা যায়, সেকালের জমিদার ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা তামজাং ( চট্টগ্রামে পাহাড়ি অঞ্চলে চলাচলের জন্যে সেসময়কার বিশেষ পালকি ) এ চড়ে পাহাড়ের খাড়া ঢাল বেয়ে কোম্পানির চিফের সাথে সাক্ষাৎ করতে যাচ্ছেন এবং তাঁদেরকে বহন করে নিয়ে আসা হাতিগুলো পাহাড়ের সামনে অবস্থিত রাস্তায় (বর্তমান জে এম সেন এভিনিউ) অপেক্ষমাণ রয়েছে । এছাড়া ছবিতে দেখা যায়, পাহাড়ের সামনে কিছুটা নীচু ও সমতল স্থানে (বর্তমান জেনারেল হসপিটালের বহির্বিভাগের স্থানে) আনুমানিক পাঁচটি কামান মোতায়েন করা আছে । ছবিটি সম্পর্কে “অতীত চিত্রে চট্টগ্রাম” বইটিতে আরো বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে ।
শিল্পী: জেমস ক্রকেট।
ছবির সময়কাল : আনুমানিক ১৭৮৬-৮৭ খ্রিষ্টাব্দ ।

ছবি: ক্রিসটিস অকশন হাউজ ক্যাটালগ, লন্ডন ।

এই সেই বিখ্যাত মুড়িরটিন। যে মুড়ির টিনের সাথে ৮০/৯০ দশকের সবাই পরিচিত।ছবিটি: ১৯৯৮ সাল, কালুঘাট ব্রিজ।
11/11/2023

এই সেই বিখ্যাত মুড়িরটিন।
যে মুড়ির টিনের সাথে ৮০/৯০ দশকের সবাই পরিচিত।

ছবিটি: ১৯৯৮ সাল, কালুঘাট ব্রিজ।

বীরকন্যা প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার কে???যিনি প্রীতিলতা ওয়াদ্দের নামেও পরিচিত (জন্ম: মে ৫, ১৯১১; মৃত্যু সেপ্টেম্বর ২৩, ১৯৩২)...
11/11/2023

বীরকন্যা প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার কে???

যিনি প্রীতিলতা ওয়াদ্দের নামেও পরিচিত (জন্ম: মে ৫, ১৯১১; মৃত্যু সেপ্টেম্বর ২৩, ১৯৩২) ডাকনাম রাণী, ছদ্মনাম ফুলতারা, একজন বাঙালি ছিলেন, যিনি ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম নারী মুক্তিযোদ্ধা ও প্রথম বিপ্লবী মহিলা শহিদ ব্যক্তিত্ব। তৎকালীন পূর্ববঙ্গে জন্ম নেয়া এই বাঙালি বিপ্লবী সূর্য সেনের নেতৃত্বে তখনকার ব্রিটিশ বিরোধী সশস্ত্র আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন এবং জীবন বিসর্জন করেন। ১৯৩২ খ্রিষ্টাব্দে পাহাড়তলী ইউরোপিয়ান ক্লাব দখলের সময় তিনি ১৫ জনের একটি বিপ্লবী দল পরিচালনা করেন। এই ক্লাবটিতে একটি সাইনবোর্ড লাগানো ছিলো যাতে লেখা ছিলো "কুকুর এবং ভারতীয়দের প্রবেশ নিষেধ"। প্রীতিলতার দলটি ক্লাবটি আক্রমণ করে এবং পরবর্তীতে পুলিশ তাদেরকে আটক করে। পুলিশের হাতে আটক এড়াতে প্রীতিলতা সায়ানাইড গলাধঃকরণ করে আত্মহত্যা করেন।ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম নারী বিপ্লবী প্রীতিলতা ১৯১১ সালের ৫ মে চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার ধলঘাট গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবার নাম জগবন্ধু ওয়াদ্দেদার ও মা প্রতিভাদেবী। প্রীতিলতা ডা. খাস্তগীর উচ্চ ইংরেজি বালিকা বিদ্যালয় থেকে ১৯২৭ সালে প্রথম বিভাগে এসএসসি পাস করে ঢাকার ইডেন কলেজে ভর্তি হন। কলেজের ছাত্রীনিবাসে থাকাকালীন সময় তিনি বিপ্লবী লীলা নাগের নেতৃত্বে পরিচালিত 'দীপালি সংঘ' সংগঠনটির সংস্পর্শে আসেন। এটি ছিল তখনকার ঢাকার একটি বিপ্লবী দল 'শ্রীসংঘ'-এর নারী শাখা সংগঠন। ১৯২৯ সালে প্রীতিলতা দীপালি সংঘের সদস্য হন। তখন মাস্টারদা সূর্যসেন ছিলেন চট্টগ্রাম জেলা কংগ্রেসের সম্পাদক।

এইচএসসি পরীক্ষায় মেয়েদের মধ্যে প্রথম স্থান অধিকার করে প্রীতিলতা কলকাতার বেথুন কলেজে ইংরেজী সাহিত্য নিয়ে বি.এ. তে ভর্তি হন। তখন থেকে মাস্টারদার নির্দেশে সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড শুরু করেন তিনি। গড়ে তুললেন এক বিপ্লবী চক্র যেখানে আরও অনেক মেয়ে সদস্য যোগ দিলেন। মেয়েদের নিয়ে অর্থ সংগ্রহ করে প্রীতিলতা চট্টগ্রামে পাঠাতেন। পাশাপাশি মাস্টারদার নির্দেশে কলকাতার গোপন কারখানায় তৈরিকৃত বোমার খোল সংগ্রহ করতেন তিনি। ১৯২৯ সালে পূজার ছুটিতে চট্টগ্রামে গিয়ে বোমার খোলগুলো পৌঁছে দেন বিপ্লবীদের হাতে। এরপর প্রীতিলতা প্রকাশ্য বিপ্লবী কাজে যুক্ত হন। কলকাতার বিপ্লবী চক্রের সকল প্রকার প্রশিক্ষণ তিনি দিতেন।

১৯৩০ সালের ১৮ এপ্রিল মহানায়ক সূর্যসেনের নেতৃত্বে চট্টগ্রাম দখল হয়। কয়েক ঘণ্টার মধ্যে চট্টগ্রামে ইংরেজ শাসন অচল হয়ে যায়। টেলিগ্রাফ-টেলিফোন বিকল, সরকারি অস্ত্রাগার লুণ্ঠন, রিজার্ভ পুলিশ ছত্রভঙ্গ ও রেললাইন উপড়ে ফেলা হয়। সেসময়য় প্রীতিলতা কলকাতায় ছিলেন। বিএ পরীক্ষা শেষে মাস্টারদার নির্দেশে স্থায়ীভাবে চট্টগ্রামে চলে যান তিনি।

১৯৩২ সালে চট্টগ্রাম অপর্ণাচরণ ইংরেজি বালিকা বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন তিনি। ওই একই বছরের মে মাসে প্রীতিলতার জন্মস্থান ধলঘাটে সাবিত্রী দেবীর বাড়িতে মাস্টারদা তাঁর সহযোদ্ধাদের সঙ্গে গোপনে বৈঠক করেন। এই বৈঠক চলার সময় ব্রিটিশ সৈন্যদের সাথে বিপ্লবীদের বন্দুক যুদ্ধ শুরু হয়। যুদ্ধে প্রাণ দেন নির্মল সেন ও অপূর্ব সেন। সূর্যসেন প্রীতিলতাকে নিয়ে বাড়ির পাশে ডোবার পানিতে ও গাছের আড়ালে লুকিয়ে থাকেন। সাবিত্রী দেবীর বাড়িটি পুলিশ পুড়িয়ে দেয়।

এ ঘটনার পর ব্রিটিশ সরকার প্রীতিলতাকে সন্দেহ করতে শুরু করলে মাস্টারদার নির্দেশে তিনি আত্মগোপনে চলে যান। অন্য একটি বিপ্লবী গ্রুপ ইউরোপিয়ান ক্লাব আক্রমণে ব্যর্থ হলে প্রীতিলতার ওপর দায়িত্ব দেয়া হয় ক্লাবটি আক্রমণের। ১৯৩২ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর দক্ষিণ কাট্টলী গ্রামে এক গোপন বৈঠকে মাস্টারদার নির্দেশে প্রীতিলতা ও কল্পনা দত্ত ইউরোপিয়ান ক্লাব আক্রমণের পরিকল্পনা করার জন্য একটি গ্রামের উদ্দেশ্যে পুরুষের বেশে রওনা দেন। কিন্তু পথে পাহাড়তলীতে কল্পনা দত্ত ধরা পড়েন। প্রীতিলতা নিরাপদে নির্দিষ্ট গ্রামে এসে পৌঁছেন। এখানেই প্রীতিলতার নেতৃত্বে ইউরোপিয়ান ক্লাব আক্রমণ করার পরিকল্পনা নেয়া হয়। আক্রমণের প্রস্তুতি নেয়ার জন্য কাট্টলীর সাগরতীরে প্রীতিলতা ও তার সাথীদের অস্ত্র শিক্ষা শুরু হয়।

প্রশিক্ষণ শেষে বীরকন্যা প্রীতিলতার নেতৃত্বে বিপ্লবীরা ১৯৩২ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর রাতে পাহাড়তলী ইউরোপিয়ান ক্লাব আক্রমণ করে সফল হন। আক্রমণ শেষে নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার সময় তিনি গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হন। এ অবস্থায় ধরা পড়ার আগে সঙ্গে রাখা সায়ানাইড খেয়ে আত্মাহত্যা করেন তিনি।

মৃত্যুর আগে তিনি মায়ের কাছে চিঠিতে লিখেছিলেন, 'মাগো, অমন করে কেঁদো না! আমি যে সত্যের জন্য, স্বাধীনতার জন্য প্রাণ দিতে এসেছি, তুমি কি তাতে আনন্দ পাও না? কী করব মা? দেশ যে পরাধীন! দেশবাসী বিদেশির অত্যাচারে জর্জরিত! দেশমাতৃকা যে শৃঙ্খলভাবে অবনতা, লাঞ্ছিতা, অবমানিতা! তুমি কি সবই নীরবে সহ্য করবে মা? একটি সন্তানকেও কি তুমি মুক্তির জন্য উত্সর্গ করতে পারবে না? তুমি কি কেবলই কাঁদবে?' শুধু তার মা নয়, আজও অসাধারণ সাহসী সেই নারী প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদারকে অশ্রুসজল চোখে পরম শ্রদ্ধায় স্মরণ করেন দেশপ্রেমী মানুষ।

১৯১৪ সালে প্রথম বিশ্বযুদ্ধে বার্মা ফ্রন্টের সৈন্য পরিচালনা করার জন্য কর্ণফুলী নদীতে সেতু নির্মাণের প্রয়োজনীয়তা দেখা যা...
10/11/2023

১৯১৪ সালে প্রথম বিশ্বযুদ্ধে বার্মা ফ্রন্টের সৈন্য পরিচালনা করার জন্য কর্ণফুলী নদীতে সেতু নির্মাণের প্রয়োজনীয়তা দেখা যায়। ফলে ১৯৩০ সালে ব্রুনিক এন্ড কোম্পানী সেতু বিল্ডার্স হাওড়া নামক একটি সেতু নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান সেতুটি নির্মাণ করে। মূলত: ট্রেন চলাচলের জন্য ৭শ গজ লম্বা সেতুটি সে বছর ৪ জুন উদ্বোধন করা হয়। পরে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে পুনরায় বার্মা ফ্রন্টের যুদ্ধে মোটরযান চলাচলের জন্য ডেক বসানো হয়। দেশ বিভাগের পর ডেক তুলে ফেলা হয়। পরে ১৯৫৮ সালে সব রকম যানবাহন চলাচল যোগ্য করে সেতুটির বর্তমান রূপ দেওয়া হয়। ব্রিটিশ আমলে নির্মিত সেতুটির রয়েছে ২টি এব্যাটমেট, ৬টি ব্রিক পিলার, ১২টি স্টীলপিলার ও ১৯টি স্প্যান। এটি ২৩৯ মিটার দীর্ঘ!

কালুরঘাট সেতুর বয়স ভেবে দেখেছেন কত?

Address

Chittagong
JULDI

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when শুন্যতা'র গল্প posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category