BostonBd agro farm

BostonBd agro farm cow goat lamb duck chicken

20/08/2025
20/08/2025

বাংলাদেশের বিখ্যাত গরুর হাট কেনা বেচা কি বারে বসে এক নজরে দেখে নিন।

✅ কোথায় কি বারে, গরুর হাট 🙂 দেখে নিন 👇
গরু বেচাকেনার জন্য হাটের কোন বিকল্প নাই। হাটের ঠিকানা, কোথায় কেমন গরু পাওয়া যায় এবং কি বারে হাট বসে ? এসব নিয়ে অনেকেই সমস্যায় পড়েন। চেস্টা করেছি বাংলাদেশের সেরা হাটগুলোর ঠিকানা সহ হাটবার জানাতে। পড়ুন বিস্তারিত...। 👇

✅ দেশের কোথায় কোন গরু হাট 🤔

এক ➡️ আপনার বাজেট যদি ৫০/৫৫ হাজার টাকার মধ্যে হয় তাহলে আপনি কুড়িগ্রাম জেলার ভুরুঙ্গামারী, নাগেশ্বরী, যাত্রাপুরা, ঠাকুরগাঁওয়ের যাদুরাণী,নেকমরদ, রাজশাহীর চৌবাড়িয়া অথবা লালমনিরহাটের বড়বাড়ী হাট থেকে নিতে পারেন। এখানকার বেশীরভাগ বাছুর লাল খুব সুন্দর কিন্তু ১২ থেকে ১৮ মাস মেয়াদী প্রজেক্ট হলে ওখান থেকে বাছুর কেনা উচিত।

দুই ➡️ আপনি যদি ৬৫/৭০ হাজার টাকার মধ্যে শাহীওয়াল ষাঁড় বাছুর কিনতে চান তাহলে বগুড়ার বুড়িগঞ্জ, ঘোড়াধাপ, মহাস্থান, ডাকুমারা, জয়পুরহাট পাঁচবিবি, পাবনার চতুর্বাজার। রাজশাহী সিটি হাট, দিনাজপুর আমবাড়ি হাট,কাহারোল ভালো।

তিন ➡️ বাজেট যদি ৭০ হাজার টাকার উপরে হয়, তাহলে অবশ্যই কুষ্টিয়ার আলমডাঙ্গার হাট অথবা বালিয়াপাড়া হাট।

চার ➡️ শুধু গাভীন গাভী কিনতে চাইলে বগুড়ার ধুপচাচিয়া ধাপের হাট অথবা চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনাইচন্ডি উত্তম।

পাঁচ ➡️ শুধু ইন্ডিয়ান বলদ ও নেপালী বড় বড় গরু কিনতে চাইলে অবশ্যই বেনাপোলের পুটখালী এবং সাতক্ষীরার বৈখালী অথবা রাজশাহীর সিটি হাটে যেতে হবে।

ছয় ➡️ যদি দেশী লাল বলদ গরু কিনতে চান তাহলে প্রতি শনিবার জয়পুরহাট অথবা সোমবারে নওগাঁ নিয়ামতপুরের ছত্রা হাট।

সাত ➡️ যদি শুধু দেশী বাছুর কিনতে চান তাহলে যেতে হবে চাঁপাই এর সোনাইচন্ডী ও তত্ত্বিপুর হাট।

আট ➡️ বিভিন্ন জাতের মহিষ কিনতে হলে কুষ্টিয়ার আলমডাঙ্গা এবং রাজশাহী সিটি হাট। চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনাইচন্ডী হাট এবং মৌলভিবাজারের হাট সমুহ৷

নয় ➡️ যদি শুধু অষ্টেলিয়ান এবং ক্রস বাছুর কিনতে চান তাহলে পাবনার ঈশ্বরদীর অরনকোলার হাট। পুরা হাট ভরা শুধু ক্রস বাছুর।

দশ ➡️ ইন্ডিয়ান বলদ এবং বড় ষাঁড় গরুর জন্য রাজশাহীর সিটি হাট। যশোরের সাতমাইল ভালো গরু আগে উঠত কিন্তু এখন আগের রমরমা সেই অবস্থা নাই।

এগারো ➡️ কেউ যদি দেশী জাতের খাটো ভুট্টি/টেঙুরা টাইপের গরু কিনতে চান তাহলে অবশ্যই দিনাজপুর এবং রংপুরের হাটগুলো থেকে সংগ্রহ করতে হবে। এই জাতের গরুর খামার খুব লাভজনক। কারন ২ থেকে ৩ মাসের মধ্যে গরু বিক্রয় উপযোগী হয়ে যায়। খাবার কম লাগে, এসব গরুর মুখে অনেক রুচি। রোগবালাই হয় না বললেই চলে। মধ্যবিত্ত যারা একা কোরবানী দেয় তাদের জন্য। আমি প্রতি বৎসর ঈদের ২-৩ মাস আগে ১ গাড়ী নিয়ে আসি অল্প লাভ। কিন্তু ৩ মাসের বেশী পুষলে লস কারন এগুলো সাইজে খুব বেশি বড় হয় না।

বারো ➡️ চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী RCC (চিটাগং রেড কাউ) কিনতে হলে যেতে হবে চট্টগ্রাম এর সাতকানিয়া, আনোয়ারা উপজেলায়। এই জাতটা দীর্ঘমেয়াদের জন্যে ভালো।

সারাদেশের হাটের তালিকা 👇

১. টাঙ্গাইলের মির্জাপুর দেওহাটা প্রতি মঙ্গলবার বড় গরুর হাট বসে এখানে। উন্নত জাতের গাভী এবং বাছুর পাওয়া যায় এই হাটে। এছাড়া গোবিন্দাসী হাট, যমুনা ব্রিজের কাছে। এখানে দেশী ও শাহিওয়াল পাওয়া যায়।

২. কুমিল্লার চান্দিনা হাট। শনি ও মঙ্গালবার হাট বসে। ষাঁড় গরু বেশী উঠে এই হাটে।জেলার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার চিওড়া কাজীর বাজার। রবি ও বৃহস্পতিবার হাট বসে। সব ধরনের গরু পাওয়া যায়।

৩. নোয়াখালি রামগঞ্জের সোনাপুর হাট। এখানে অনেক দেশী গরু পাওয়া যায়।

৪. রংপুর মিটাপুকুর থানার বৈরাতি হাট, বিশাল গরুর হাট। শনিবার ও মঙ্গলবার বসে।বেশীরভাগ দেশী গরু পাওয়া যায়।

৫. লালমনিহাট জেলার চাপারহাট। প্রতি সোম এবং শুক্রবার বসে। এখানে শুকনো হাড্ডি সার দেশী গরু পাওয়া যায়।

৬. গাজীপুর কাপাসিয়া থানা আমরাইদ হাট। প্রতি মঙ্গলবার বসে।

৭. রাজবাড়ী জেলার পৌরসভা হাটে প্রতি রবি ও বৃহস্পতিবার বিশাল গরুর হাট বসে।

৮. গাইবান্ধা গোবিন্দগঞ্জ (গোলাপবাগ) হাট প্রতি রবি ও বৃহস্পতিবার হাট। দেশি বিদেশি গরু পাওয়া যায়। মহিমাগঞ্জ হাট প্রতি শনিবার বসে। দেশী গরু বেশী পাওয়া যায়।

৯. ঢাকার আশুলিয়া হাট। প্রতি বুধবার বসে। ভালো দেশী ও ক্রস ষাঁড় পাওয়া যায়।

১০. মৌলভীবাজার জেলার মুন্সিবাজার হাটে সব ধরনের দেশী গরু পাওয়া যায়। হাটবার প্রতি বুধবার। জেলার জুড়ী উপজেলায় বড় গরুর হাট বৃহস্পতিবার ও সোমবার। দেশি গরুর জন্য ফুলতলা হাট বসে প্রতি শনিবার। কুলাউড়ায় ব্রাম্মন বাজার হাটে সব ধরনের গরুর পাশাপাশি মহিষ ও পাওয়া যায়। প্রতি সোমবার বসে এই হাট।

১১. ঝিনাইদহ জেলার ভাটই বাজার, প্রতি রবিবার বসে। দেশি গরু পাওয়া যায়।

১২. নেত্রকোনার সিধলি বাজার, শুধুমাত্র সোমবার , অনেক দেশি গরু পাওয়া যায়। এছাড়া জেলা শহরের রাজুরবাজার নামক স্থানে প্রতি শনিবার বিশাল গরুর হাট বসে।

১৩. সুনামগঞ্জ জেলার ধরমপাশায় বিশাল হাট। হাটবার প্রতি বৃহস্পতিবার।

১৪. হবিগঞ্জের মাধবপুরের কেশবপুরবহাট। প্রতি সোমবার বসে। দেশী ভালো গরু পাওয়া যায়।

১৫. নরসিংদী জেলার জংলী শিবপুর হাট প্রতি রবিবার বসে। বেলাবো হাট বসে প্রতি শুক্রবার। এখানে মুলত দেশী গরু ছাগল পাওয়া যায়।

১৬. চট্টগ্রাম বিবিরহাট, শনি ও মঙ্গলবার।
সাগরিকা হাট বৃহস্পতি ও সোমবার। হাটহাজারী স্টেশন বাজার প্রতি বৃহস্পতিবার।
মিরসরাই মিঠাচরা বাজার, বৃহস্পতিবার।
সীতাকুণ্ড থানার ফকির হাঠ, বুধবার। রাংগুনিয়া রানীর হাট, শনি ও মঙ্গলবার।

১৭. কুষ্টিয়ার ভাদালিয়া হাট। প্রতি শনিবার বসে। দেশী ও ইন্ডিয়ান গরু পাওয়া যায়।

১৮. সিরাজগঞ্জের গ্যাস লাইন হাট বসে শুক্রবার। এখানে বড় সাইজের দেশী ও ক্রস গরু পাওয়া যায়। চান্দাইকোনা ও রায়গঞ্জ হাট প্রতি শনি ও মঙ্গলবার বসে। দেশী ও ক্রস গরু পাওয়া যায়। পাংগাসির হাট, প্রতি শনিবার বসে। ক্রস ও দেশী গরু, ছাগল ও ভেড়া পাওয়া যায়। এনায়েতপুর হাট, শুক্রবার বসে, দেশি গরু বেশি পাওয়া যায়। কিছু ইন্ডিয়ান এবং নেপালি গরু ও পাওয়া যায় এবং বেলকুচি বুধবারে বিশাল হাট। কাজীপুর নাটুয়ারপাড়া হাট। হাটবার প্রতি সপ্তাহের শনিবার। সব ধরনের গরু পাওয়া যায়।

১৯. জয়পুরহাট পাঁচবিবি হাট প্রতি মঙ্গলবার বসে। দেশী ও ইন্ডিয়ান গরু পাওয়া যায়।

২০. বগুড়া বনানী হাট। সোম ও শুক্রবার বসে। দেশী ও বর্ডার ক্রস গরু পাওয়া যায়। মহাস্তান হাট, প্রতি বুধবার বসে। সব ধরনের গরু পাওয়া যায়। লাল শাহীওয়াল বাছুরের জন্য বিখ্যাত হাট। ধুপচাচিয়া ধাপেরহাট, হাটবার প্রতি রবিবার ও বৃহস্পতিবার। উত্তরাঞ্চলের নামকরা বড় হাট এটি। সব ধরনের গরু ছাগল পাওয়া যায়। ফ্রিজিয়ান বকনা ও গাভীর প্রচুর আমদানি এই হাটে।

২১. মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া হাট। শুধুমাত্র মঙ্গলবার হাট বসে। দেশী ও মিরকাদিম জাতের গরু পাওয়া যায়।

২২. মানিকগঞ্জ আরিচা হাট প্রতি শুক্রবার ও মঙ্গলবার। আরিচা হাট থেকে গরু ক্রয় করার কিছু সুবিধা আছে। এই গরুগুলো বেশিরভাগ আসে চর এলাকা হতে। গরুগুলো শুধুমাত্র চরের ঘাস খাওয়ায় অভাস্ত। চরের এই গরুগুলো মোটাতাজা করন প্রকল্পের জন্য বেশ সুবিধাজনক। এছারাও সাটুরিয়া ছনকা বাজার হাট, প্রতি শুক্রবার। এখানেও চরের গরু পাওয়া যায়।

২৩. পাবনা জেলার বেড়ায় চতুরহাট, প্রতি মঙ্গলবার বসে। শাহীওয়াল আর পাবনার লাল গরুর জন্য বিখ্যাত। বনগাও হাট, প্রতি মঙ্গলবার বসে। এই হাটে ক্রস গরু বেশী পাওয়া যায়। নাজিরহাট,ব প্রতি মঙ্গল ও শুক্রবার বসে। দেশী ও ক্রস গরু পাওয়া যায়।
আওতাপাড় হাট, প্রতি রবি ও বুধবার। দেশী ও ক্রস গরু পাওয়া যায়। চাটমোহর রেলবাজার হাট। প্রতি রবিবার বসে। গাভীর জন্য বিখ্যাত।

২৪. ঈশ্বরদী অরনকোলা হাট, প্রতি মঙ্গলবার বসে। ফ্রিজিয়ান বকনা, গাভী ও ক্রস গরুর জন্য বিখ্যাত।

২৫. শরীয়তপুরের সবচেয়ে বড় গরুর হাট হলো কাজির হাট, জাজিরা, শরীয়তপুর। হাট বসে বৃহস্পতিবার ও রবিবার। দেশী গরু বেশী পাওয়া যায়। সখিপুর হাট। প্রতি বুধ ও শুক্রবার বসে। সখিপুরের হাট খাশি এবং ষাঁড় গরুর জন্য ভালো। নড়িয়া ভোজেশ্বর হাট প্রতি শুক্রবার বসে। দেশী গরু পাওয়া যায়।

২৬. ঢাকার কাছে কেরানীগঞ্জ হযরতপুর হাট, প্রতি শনিবার। সব ধরনের গরু পাওয়া যায়। ষাঁড় গরু বেশী পাওয়া যায়। ডেমরা সারুলিয়া হাট, প্রতি বৃহস্পতিবার। সব ধরনের গরু পাওয়া যায়।

২৭. রাজশাহী শহরের পাশে সিটি হাট। হাটবার রবি ও বুধবার। বড় সাইজের ইন্ডিয়ান ষাঁড়, বলদ ও দেশী ষাঁড় গরুর জন্য নামকরা। প্রচুর মহিষ আমদানি হয় এই হাটে। কাঁকন হাট বসে বৃহস্পতিবার। দেশি গরু ও ভেড়ার জন্য বিখ্যাত হাট। তানোর চৌবাড়িয়া হাট দেশি বড় গাভী ও ক্রস লাল বাছুর পাওয়া যায়। হাটবার শুক্রবার। এ ছাড়া বানেশ্বর হাট প্রতি শনিবার বিদেশি ক্রস ছাগল ও পাঠার জন্য সেরা হাট এটি।

২৮. ফরিদপুর টেপাখোলা হাট। প্রতি মঙ্গল বার বসে দেশী গরুর জন্য ভালো ও বড় হাট।

২৯. নাটোর জেলার তেবাড়িয়া হাট। প্রতি রবিবার বসে। দেশি ও ইন্ডিয়ান গরুর বড় হাট। ক্রস গরুও পাওয়া যায়। বিদেশি ক্রস ছাগলের জন্য নামকরা এই হাট।

৩০. হবিগঞ্জ জেলা মাধবপুর, হাটবার শুক্রবার। শুনেছি এখানে নাকি সারা রাত ক্রয়-বিক্রয় হয়।

৩১. রংপুর মিঠাপুকুর বৈরাতি হাট। হাটবার শনিবার ও মঙ্গলবার। দেশী ষাঁড়, গাভী ও ক্রস গরু পাওয়া যায়। বদরগঞ্জ থানা হাট, সোমবার ও বৃহস্পতিবার। দেশী ষাঁড় ও গাভী বেশী পাওয়া যায়।

৩২. চাঁপাইনবাবগঞ্জ এর মল্লিকপুর হাট। প্রতি শনিবার বসে। সব ধরনের গরু পাওয়া যায়।
চাপাইনবাবগঞ্জ সদরে বটতলা হাট। প্রতি শুক্রবারে বসে। সব ধরনের গরু পাওয়া যায়।
শিবগঞ্জের তত্ত্বিপুর হাট। প্রতি শনিবার ও মঙ্গলবার বসে। ইন্ডিয়ান দুধের গরু পাওয়া যায়। কানসাটের খাসের হাট। প্রতি সোমবার ও শুক্রবার বসে। প্রায় সব ধরনের গরুই পাওয়া যায়।

৩৩. দিনাজপুর আমবারি হাট, প্রতি শুক্র ও সোমবার বসে। শাহীওয়াল বাছুর উন্নত মানের গাভি ও ষাঁড় পাওয়া যায়। চিরিরবন্দর থানা, রানিরবন্দরের বিশাল গরুর হাট, হাটবার সোমবার ও বৃহস্পতিবার।

৩৪. নারায়ণগঞ্জ ফতুল্লা বালুরমাঠ হাট, প্রতি মংগলবার বসে। সব ধরনের গরু পাওয়া যায়।

৩৫. বাগেরহাট মোল্লাহাটের উদয়পুর হাট।অনেক পুরানো এবং ঐতিহ্যবাহী হাট। প্রতি রবিবার বসে। দেশী গরু বেশী পাওয়া যায়।
চিতলমারী হাট, সোম ও শুক্রবার। প্রধানত দেশী গরু পাওয়া যায়।

৩৬. ঝিনাইদহের খালিশপুর হাট, শুক্র ও সোমবার বসে। গরু, মহিষ, ছাগল, ভেড়া সব কিছুই পাওয়া যায়। পুরাপারা হাট। প্রতি রবি ও বুধবার। বলদ গরু ও বেশী গরু বেশী পাওয়া যায়। বইডাংগা হাট প্রতি মঙ্গলবার বসে। অনেক ভাল জাতের গরু পাওয়া যায়।

৩৭. কিশোরগঞ্জের শিমুলিয়া বাজার হাট। প্রতি সোমবার। সব ধরণের গরু পাওয়া যায়।

৩৮. হবিগঞ্জ আজমেরীগঞ্জ গরুর হাট। অনেক বড় হাট। গরু মহিষ ছাগল সবই পাওয়া যায়। প্রতি রবি ও বুধবার। মাধবপুর এর মনতলা চেঙার বাজার হাট। এটা মাধবপুর এর সবচেয়ে বড় হাট। সপ্তাহে রবি ও বুধবার বসে। সব ধরনের গরু পাওয়া যায়।

৩৯. চুয়াডাঙ্গা শিয়ালমারী হাট। বাংলাদেশের অন্যতম বড় একটি গরুর হাট। বিশেষ করে ষাঁড় গরুর জন্য। প্রতি বৃহস্পতিবার বসে। বিখ্যাত ডুগডুগি হাট এই জেলায়। বড় সাইজের গরুর জন্য খুব নামকরা। ক্রস ও দেশী ষাঁড় ও বলদ ভালো পাওয়া যায়। প্রতি সোমবার বসে।

৪০. নীলফামারী জেলার বাসুনিয়া হাট। সব ধরনের গরু উঠে দামও কম। শুক্রবার সারাদিন।

৪১. লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রাম হাটে ইন্ডিয়ান গরু বেশি পাওয়া যায়। দাম মোটামুটি৷ রবিবার ও বৃহস্পতিবার ভোড় ৫.৩০ টা - ১১ টা। লালমনিরহাটের বড়বাড়ি হাট। প্রতি বুধবারে হাট বসে। অনেক দেশী ও ইন্ডিয়ান বলদ গরু পাওয়া যায়।

৪২. চাঁদপুর জেলার বড় হাট, সফরমালি হাট। হাট বসে প্রতি সোমবার। সব ধরনের গরু পাওয়া যায়।

৪৩. সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ বাজারে ও সব ধরনের গরু পাবেন। হাটবার প্রতি শনিবার বসে।সিলেটের জৈন্তাপুর গরুর হাট বর্ডার সাইটে থাকায় ইন্ডিয়ান ষাঁড় ও বলদ পাওয়া বেশি। দেশি গাভী সহ বাচ্চা ও বিক্রি হয় এই হাটে। ইন্ডিয়ান গরুর একটা বড় হাট। প্রতি রবিবার বসে এই হাট।

৪৪. সাতক্ষীরার পারুলিয়া হাট। প্রতি রবিবার। প্রধানত দেশী ষাড় ও গাভী পাওয়া যায়।

৪৫. জামালপুর সরিষাবাড়ি, পিংলা হাট শুক্রবার বসে। দেশী, শাহীওয়াল ফ্রিজিয়ান জাতের ছোট বড় মাঝারি সকল ধরনের গরু পাওয়া যায়।

৪৬. যশোরের চৌগাছা হাট। প্রতি সোমবার ও বুধবার বসে। দেশী গরু, গাভী, কসাইয়ের গরু এবং ছোট গরু বেশী পাওয়া যায়।

৪৭. ঠাকুরগাঁও জেলার যাদুরানী হাট। প্রতি মঙ্গলবার বসে। সকল প্রকার দেশী গরু পাওয়া যায়। খামার উপযোগী হাড্ডিসার গরু পাওয়া যায় এই হাটে।

৪৮. বরিশালের গৌরনদী থানার পাশেই কসবার হাট। প্রতি বৃহস্পতিবার বসে। সব ধরনের গরু পাওয়া যায়।

৪৯. ফরিদপুর টেপাখোলা হাট। প্রতি মঙ্গলবার বসে। দেশী ষাঁড় গরুর জন্য ভালো হাট।

৫০. মাদারীপুর হাট। মাদারিপুর সদরে। প্রতি বুধবার বসে। দেশী গরু অনেক পাওয়া যায়।
জেলায় টেকের হাট গরুর হাট। ব্রীজের কাছে৷ প্রতি বুধবার বসে।

৫১. ময়মনসিংহ জেলার লক্ষীগঞ্জ হাট। প্রতি মঙ্গলবার বসে। দেশী গরুর আধিক্য দেখা যায় এই হাটে। এ ছাড়া মুক্তাগাছা হাট। হাট প্রতি বুধবার বসে। দেশি ও ফ্রিজিয়ান গরু বেশী পাওয়া যায়। পাঠাকাটা হাট। প্রতি রবিবার বসে। মুলত দেশী গরু ছাগল পাওয়া যায়।
ময়মনসিংহের নালিতাবাড়ী হাট। প্রতি মঙ্গলবার বসে। দেশী গরু পাওয়া যায় এই হাটে। হালুয়াঘাট হাট। প্রতি বৃহসপতিবার বসে। দেশী গরু ভালো পাওয়া যায়।

৫২. ফেনীর ছাগলনাইয়া উপজেলার ঐতিহ্যবাহী চাঁদগাজী হাট। প্রতি সোমবার ও বৃহসপতিবার বসে। সব ধরনের গরু ছাগল পাওয়া যায়। ফুলগাজী মুন্সিরহাট। প্রতি শুক্রবার ও মঙ্গলবার বসে। সব ধরনের গরু পাওয়া যায়।

৫৩. চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী RCC Cow কিনতে হলে যেতে হবে চট্টগ্রাম এর সাতকানিয়া, আনোয়ারা উপজেলায়। এই জাতটা দীর্ঘমেয়াদের জন্যে ভালো।

✅ কোন হাট বাদ পড়লে হাটবার সহ বিস্তারিত লিখে কমেন্টে জানান... আমরা সেটা এড করবো।

#গরুর_বাজার
#আমবাড়ি_গরুর_হাট
#গরুর_দাম

ধন্যবাদ সবাইকে।
©️ আরাফাত রুবেল।
রাজশাহী

21/12/2024

ষাঁড়ে লাভ না লোকসান???
♦️----------------------------------♦️
এই বছরের অভিজ্ঞতা থেকে ১০০ জনে মধ্যে ৯০ জন খামারীই বলবে লোকসান।

ঈদকে সামনে রেখে অনেকেই এখন গরু/ষাঁড় কিনবেন মোটাতাজাকরণ করার উদ্দেশ্যে। এছাড়াও সারা বছরেই গরু মোটাতাজাকরণ প্রকল্প কমবেশি লাভজনক। কিন্তু, বর্তমান সময়ে বেশির ভাগ খামারীই এই প্রকল্পে অনভিজ্ঞতার কারনে নিজের পুজিঁ হারিয়ে ফেলছেন।

এর অনেক গুলো কারন রয়েছে। আমি সব গুলো কারন নিয়ে আলোচনা করবো না। কিছু কারন আছে যাহা চাইলেই আমি বা আপনি বন্ধ করতে পারবো না। যেমন- বর্ডার দিয়ে গরু প্রবেশ আপনি/আমি চাইলেই বন্ধ করতে পারবেন না। গবাদিপশু পালন ও কৃষি ।
তাই গুরুত্বপূর্ণ কিছু কারন নিয়ে আলোচনা করছি-
১) পরিকল্পনার অভাবঃ
গরু মোটাতাজাকরণ প্রকল্প বলতে আমরা কি বুজি? স্বল্প সময়ে (৩ থেকে ৪ মাস) অধিক প্রোটিন যুক্ত খাবার ও অধিক যত্নের মাধ্যমে দ্রুত মাংস বৃদ্ধির প্রকল্পকে আমরা গরু মোটাতাজাকরণ প্রকল্প বুজি। এখানে প্রকল্পের মেয়াদ খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি কারণ। প্রকল্পের মেয়াদের সাথে গরুর বয়স ও অন্যান্য অনেক বিষয় জড়িত থাকে।

২) চোখের মাপে গরু ক্রয়ঃ
আপনি এই ব্যবসায় নতুন হলে অবশ্যই চোখের মাপে গরু ক্রয় করা বন্ধ করুন। সম্ভব হলে ওজন করে (মাংসের দামে) গরু ক্রয় করুন। বিক্রির সময় অনুরূপ ভাবে গরু ওজন করে মাংস বিবেচনায় গরু বিক্রি করুন। বর্তমানে মাংসের মুল্য কেজি প্রতি স্থানভেদে ৫২০/- থেকে ৫৮০/- টাকা। ওজন করে গরু কিনলে আপনি বুজতে পারবেন আপনি কত টাকা খরচ করে কত কেজি মাংস উৎপাদন করলেন। যার ফলে খুব সহজেই আপনি খরচ ও লাভ-ক্ষতি (Cost benefit Analysis) বুজতে পারবেন।gp&k

৩) গরুর বয়স ও জাতঃ দেশি ষাঁড়ের ক্ষেত্রে- দেশি গরু মোটাতাজাকরণের জন্য বয়স দুই দাতঁ বা দুই বছর হলো আদর্শ। এ সময় পরিকল্পিত ফিড ম্যানেজমেন্ট দিয়ে দ্রুত মাংস উৎপাদন করা সহজ হয়। ক্রস জাত বা উচ্চ মাংস উৎপাদন জাতের ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন ১৪ মাস হওয়া জরুরী। তবে কুরবানি উপলক্ষে প্রকল্প হলে দুই বছরের গরু সব থেকে উপযোগী।

৪) যাছাই-বাছাই না করেই অন্যের বুদ্ধি গ্রহণ করাঃ
একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উদাহরণ দিয়েই এই কথাটির কারন তুলে ধরবো। অন্যের বুদ্ধি শুনে অনেকেই গরু মোটাতাজাকরণ প্রকল্পে ব্রয়লারের খাবার ব্যবহার করে থাকেন। যাহা একটি ভুল প্রক্রিয়া। এর কারনে অনেক খামারীই অপ্রয়োজনীয় খাবারের পিছনে অনেক বেশি টাকা খরচ করে ফেলে। ব্রয়লার ফিড গরুতে ক্ষতিকর।

৫)খাবার ব্যবস্থাপনা ও অন্যান্যঃ
গরুর সারাদিনের বরাদ্দকৃত খাবার দুই (২) বার না দিয়ে কমপক্ষে তিন (৩) বার ভাগ করে দেওয়া। এতে খাদ্য গ্রহন হার ও খাদ্য পরিপাক হার দুটোই ভাল হবে। ১০০ কেজি লাইভ ওজন অনুপাতে ৩% ড্রাইমেটার নিশ্চিত করতে হবে। সুষম দানাদার খাবার বা প্যাকেট ফিড প্রতি ৭৫ কেজি লাইভ বডি ওজন অনুপাতে ১ কেজি প্যাকেট ফিড নিশ্চিত করতে হবে। এক্ষেত্রে সবুজ কাচাঁ ঘাস বা সাইলেজ থাকাটা জরুরী।
যদি সবুজ কাচাঁ ঘাস বা সাইলেজ এর যোগান না থাকে তাহলে প্রতি ৬০ কেজি লাইভ বডি ওজনের জন্য ১ কেজি প্যাকেট ফিড নিশ্চিত করতে হবে। প্যাকেট ফিড শুকনো খাওয়ানো উত্তম। এতে খাবারের শোষণ ও হজমে সহায়তা করে। পরিষ্কার পানি সব সময়ই পরিবেশন করতে হবে। গরমে প্রতিদিন কমপক্ষে ১ বার গোসল করাতে হবে। গবাদিপশু পালন ও কৃষি ।
মোটাতাজাকরণ প্রকল্পের জন্য ষাঁড় গরু বাছাই করা খবই গুরুত্বপূর্ণ; কারন বকনা/গাভী গরুর তুলনায় ষাঁড় গরুতে মাংস উৎপাদনের হার তুলনামুলক ভাবে অনেক বেশি হয়। ছোট ছোট বাছুর ক্রয় করা গরু মোটাতাজাকরণ প্রকল্পের জন্য বড় ধরনের ঝুকি।
গরু ক্রয়ের পর ৫-৭ দিনের মধ্যে কৃমিমুক্তকরন করাটা খুবই জরুরী। সাথে হজমক্রিয়া যাহাতে ঠিক থাকে তাই কৃমিনাশক প্রয়োগের ২/৩ দিন পর লিভারটনিক ও প্রোবায়োটিক ব্যাবহার করবেন। পাশাপাশি একজন অভিজ্ঞ ভেট-এর সাথে পরামর্শ করাটাও খুবই জরুরী।
♦️শেয়ার করে টাইমলাইনে রেখে দিন অনেকের উপকারে আসবে ।সংগৃহীত।

11/06/2024

ঈদুল আযহা ২০২৪।

11/05/2024

বাংলাদেশ ভারত মেঘালয় সীমান্তে।

sell post.হরিয়ানা পাঠা,
14/08/2023

sell post.
হরিয়ানা পাঠা,

24/06/2023

sale post for Qurbani Eid.
কোরবানি ঈদে যারা দেশী গরু কোরবানি দিতে পছন্দ করেন শুধুমাত্র তাদের জন্য কাঁচা ঘাস খাইয়ে লালন পালন করা (চর্বি মুক্ত) পিউর পাহাড়ি গরু।

Address

Ashraf Ali Road, Soraipara, Pahartali. Chittagong
Chittagong

Telephone

+8801816098886

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when BostonBd agro farm posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category