House Of Tasty by AKRI

House Of Tasty by AKRI Assalamualaikum,
This our home made food product page.

❤️
10/08/2021

❤️

🌙পবিত্র মহররম মাসের আমল ও ফযিলত🌙

🗓আগামী ২০শে আগষ্ট রোজ শুক্রবার, ১০ই মহররম পবিত্র আশুরা পালিত হবে।

⭕মুহাররম ও আশুরার রোযার ফযিলতঃ
পবিত্র কোরআনে ও হাদীস শরীফে এ মাস সম্পর্কে যা এসেছে তা হল, এটা অত্যন্ত ফযীলতপূর্ণ সময়। কুরআনের ভাষায় ‘আরবাআতুন হুরুম’-অর্থাৎ চার সম্মানিত মাসের অন্যতম এই মাস।এ মাসে রোযা রাখার প্রতি বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। মাহে মুহররম সম্মানিত মাস, এ মাসে যুদ্ধ বিগ্রহ কলহ বিবাদ নিষিদ্ধ।

১. মায়মুন ইবনে মেহরান হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আক্বাস (রাঃ) হইতে বলেন, হুযুরে পাক (দঃ) এরশাদ করিয়াছেন, কোন ব্যক্তি যদি মহররম মাসের আশুরার দশটি রোযা রাখে, তবে তাহাকে দশ হাজার ফেরেশতার ইবাদাতের পরিমাণ পুণ্য দান করা হয়।
তাহা ছাড়া দশ হাজার হাজী এবং ওমরাকারীদের ন্যায় পুণ্য ও দান করা হয়।

২. হযরত আবু হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত এক হাদীসে নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,

أفضل الصيام بعد رمضان شهر الله المحرم
‘রমযান মাসের ফরয রোযার পর সম্মানিত মাস মুহাররমের রোযাই হল সর্বশ্রেষ্ঠ রোযা।’
[সহীহ মুসলিম ২/৩৬৮; জামে তিরমিযী ১/১৫৭]

👉এর মধ্যে আশুরার রোযার ফযীলত আরও বেশি।

৩. হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আববাস রা. বলেন, ‘আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে রমযান ও আশুরায় যেরূপ গুরুত্বের সঙ্গে রোযা রাখতে দেখেছি অন্য সময় তা দেখিনি।
[সহীহ বুখারী হাদিস নং-১/২১৮]

৪. অন্য হাদীসে নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,

صيام يوم عاشوراء احتسب على الله أن يكفر السنة التى قبله

‘আমি আশাবাদী যে, আশুরার রোযার কারণে আল্লাহ তাআলা অতীতের এক বছরের (সগীরা) গুনাহ ক্ষমা করে দিবেন।
[সহীহ মুসলিম ১/৩৬৭; জামে তিরমিযী ১/১৫৮]

৫. আশুরার রোযা সম্পর্কে এক হাদীসে এসেছে যে, ‘তোমরা আশুরার রোযা রাখ এবং ইহুদীদের সাদৃশ্য পরিত্যাগ করে আশুরার আগে বা পরে আরো একদিন রোযা রাখ।
[মুসনাদে আহমদ ১/২৪১]

৬. হযরত আবু হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, ‘যদি আমি আগামী বছর বেঁচে থাকি তাহলে ৯ তারিখ সহ আশুরার দিনও অবশ্যই রোযা রাখব।
[সহীহ মুসলিম ১/৩৫৯]

৭. আবু নসর সনদ পরম্পরায় হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বস (রাঃ) হইতে বর্ণনা করিয়াছেন যে,হুযুরে পাক (দঃ) এরশাদ করেন, মহররম মাসে যদি কেহ রােযা রাখে তবে প্রতিটি রােযার বদলে
ত্রিশটি রোযার পুণ্য লাভ করে।

৮. হযরত আবু হােরায়রা (রাঃ) বলেন, হুযুরে পাক (দঃ) এরশাদ করিয়াছেন, বনি ইস্রাইলদের উপর সারা বৎসরের মহররম মাসের দশ তারিখের আশুরার রােযা ফরজ ছিল। তাই মুসলমানদেরও উচিত আশুরার দিন রােযা রাখা এবং পরিবার-পরিজনদের জন্য ভৃপ্তিজনক ইফতারী ও আহারের ব্যবস্থা করা। কেননা, এই দিনের বরকতে আল্লাহতায়ালা সারা বৎসর সুখ-শান্তিতে রাখেন। এই
দিনের রােযার বরকতে আল্লাহ তায়ালা চল্লিশ বৎসরের গুনাহ মাফ করিয়া থাকেন।

৯. হযরত আব্বাস (রাঃ) বলেন, হযরত রাসূলে কারীম (দঃ) এরশাদ করিয়াছেন, যে ব্যক্তি যিলহাজ্জ মাসের শেষ দিন এবং মহররম মাসের প্রথম দিন রােযা রাখে, সে যেন বিগত বৎসরের রােযা রাখা আরম্ভ করিল। ইহার ফলে আল্লাহতায়ালা তাহার পঞ্চাশ বৎসরের পাপ মার্জনা করিয়া দেন।

১০. উরওয়াহ (রহঃ) হযরত আয়েশা (রাঃ) হইতে বর্ণনা করেন, আইয়্যামে জাহেলিয়াতে কোরায়েশ সম্প্রদায়ের লােকেরা আশুরার দিন রােযা রাখিত। হিজরতের পূর্বে মক্কায় অবস্থান কালে হযরত রাসূলে কারীম (দঃ) ও তাহার আসহাবগণও আশুরার দিন রােযা রাখিতেন। হুযুরে পাক (দঃ) হিজরত করিয়া মদীনায় তাশরীফ আনার পর ইয়াহুদিগণের কাছে আশুরার দিনটির কথা জিজ্ঞাসা করিলেন। তাহারা জবাবে বলিল যে, ঐদিন আল্লাহতায়ালা হযরত মূসা (আঃ) এবং তাঁহার কাউম বনি ইস্রাইলগণকে ফিরআউনের হাত হইতে মুক্তি প্রদান করিয়াছিলেন।
অতএব ঐ গৌরবময় দিনটির সম্মান জ্ঞাপনার্থে আমরা ঐদিনে রােযা রাখিয়া থাকি। তাহাদের কথা শ্ৰবণ করিয়া হযরত রাসূলে কারীম (দঃ) বলিলেন, তােমরা আল্লাহর নবী হযরত মূসা (আঃ)এর যতখানি হকদার, আমরা তাহার সম্পর্কে তদপেক্ষাও অধিক হকদার। অতঃপর হুযুরে পাক (দঃ) তাঁহার উম্মতগণকে নির্দেশ করিলেন যে, তােমরাও আশুরার দিন রােযা রাখ।

⁉ আশুরার রোযা কোনদিন
আশুরার রোযা একটি রাখা মাকরুহ, কারণ ঐ দিন ইহুদীরাও রোযা রাখে তাই আশুরার রোযা ৯ই ও ১০ই মহররম বা ১০ ও ১১ই মহররম এইভাবে দুইটা মিলাই রাখতে হবে।

আশুরার রোযা চার ভাবে রাখা যাবে:
১]১লা মহররম(কাল) হতে১০ই মহররম (আশুরা) পর্যন্ত=১০টি,
২]৯ই মহররম ও ১০ই মহররম (১৯ ও ২০ শে আগষ্ট, বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার) =২টি,
৩]৯,১০,১১ই মহররম=৩টি,এভাবে রাখতে হবে। কিন্তু শুধু একটা রাখাও যাবেনা। এর মধ্যে যারা দুইটা রাখবেন তাদের জন্য ০৯ ও ১০ই মহররম সর্বোত্তম।

💖এ মাসের অন্যান্য আমলঃ

💟১লা মুহাররম দুই রাকাত নামায আদায় করা যায়। প্রতি রাকাতে সূরা ফাতিহার পর তিনবার করে সূরা ইখলাস পড়বেন। এরপর নিম্নের দো'আটি পাঠ করলে সারা বৎসর শয়তানের প্ররােচনা থেকে রক্ষা পাবে, এবাদতের একনিষ্ঠতা হাসিল হবে এবং সকল বিপদ থেকে রক্ষিত থাকবে ইনশাআল্লাহ।

দোয়া: আল্লাহুম্মা আনতাল আবারুল কুদীম, ওয়া হাজিহী ছানাতুল জাদীদাহ ইন্নী আছআলুকা ফীহাল ইছমাতা মিনাশ শায়তানির রাজীম ওয়া আউলিয়াইশ শায়তান, ওয়ামিন শাররিল বালায়া ওয়াল আ-ফাত, ওয়াল আউনা আলা হাজিহিন নাফছিল আখিরাতে বিচ্ছু-ই ওয়াল ইশতিগালা বিকা ইউকারিবুনী ইলাইকা, ইয়া জালজালালী ওয়াল ইকরাম।

🔹 হযরত খাজা মঈনুদ্দীন চিশতী রাহমাতুল্লাহি আলায়হি বলেন, মুহররমের ১ম তারিখে ছয় রাকাত নামায নিম্ন লিখিত নিয়মে আদায় করলে আল্লাহ তা'আলা তাকে বেহেশতে ইমারত দান করবেন এবং ছয় হাজার বালা মুসিবত দূর করে দিয়ে সমপরিমাণ নেক আমলের সওয়াব দান করবেন।
উক্ত নামায দুই রাকাত করে প্রতি রাকাতে সূরা ফাতিহার সাথে ১০ বার সূরা ইখলাস দিয়ে আদায় করবেন ।

🔹ইমামুত্ তরীক্বত হযরত বাহাউদ্দীন নকশবন্দী রাহমাতুল্লাহি আলায়হি এরশাদ করেন, যে ব্যক্তি সূরা। ফাতিহার সাথে ১১ বার সূরা ইখলাস দিয়ে চার রাকাত নামায আদায় করে নিম্নের দোয়াটি একবার পাঠ করে তাকে বেশুমার সওয়াব প্রদান করা হবে।
দোয়া: সুম্বুহুন কুদুসুন রব্বনা ওয়া রাব্দুল মালাইকাতি ওয়ার রূহ।

💓আশুরার দিনের আমল💓

💟এ দিবসে এবাদতের নিয়তে গােসল করলে সারা জীবন কুষ্ঠ রােগ হতে মাহফুজ থাকবে।

💟এ দিনে ভাল আহার্য তৈরী করে গরীব,এতীম ও ফকীর-মিসকীনদের খাওয়ানাে অত্যন্ত সওয়াব জনক। এতীম, ফকীর-মিসকীনদের প্রতি এদিন যারা সদয় আচরণ করবে এবং সহানুভূতি প্রদর্শন করবে তাদের জন্য আল্লাহ তায়ালার অপরিসীম পুরস্কার দেয়ার প্রতিশ্রুতি রয়েছে।

🔴এদিন সাত প্রকার দানাদার খাদ্যদ্রব্যের সংমিশ্রণে আহার্য তৈরী করে গরীব পাড়া- প্রতিবেশী ও পরিবার পরিজনসহ সকলকে খাওয়ানাে অত্যন্ত বরকতময় কাজ। হযরত নূহ আলায়হিস্ সালাম যখন মহা প্লাবনের পর জমীনে অবতরণ করেন তখন তিনি এ ধরণের মিশ্রিত দ্রব্যের খাদ্য প্রস্তুত করেছিলেন এবং এরই স্মরণে এ আহার্য প্রস্তুত করা হয়।

🔴এ দিন হালিম বা খিচুরী জাতীয় খাদ্য রান্না করে শুহাদায়ে কারবালার উদ্দেশ্যে ফাতেহার ব্যবস্থা করাও বরকত লাভের কারণ হয় ।

🔴আশুরা উপলক্ষে ৯ম ও ১০ তারিখ রােযা রাখা অত্যন্ত সাওয়াব জনক। আশুরার রােযা অন্যান্য যে কোন নফল রােযার তুলনায় অধিকতর সওয়াবজনক।

🤍তেলাওয়াতেরও অশেষ সওয়াব রয়েছে। হাদীস শরীফে বর্ণিত আছে-এ দিনে দশটি আয়াত তেলাওয়াতকারী সম্পূর্ণ কোরআন শরীফ তেলাওয়াতের সওয়াব পাবে।

🔹 এ পবিত্র দিনে যে ব্যক্তি ১০০০ বার সূরা ইখলাস পাঠ করবে আল্লাহ পাক তাঁর প্রতি বিশেষ রহমত নাযিল করবেন

🔹বর্ণিত আছে যে, আশুরার দিন ৭০ বার হাসবুনাল্লাহু ওয়া নিমাল ওয়াকিল নি’মাল মাওলা ওয়া নি’মান্নাছীর'(অর্থ আমাদের জন্য আল্লাহই যথেষ্ট, যিনি সর্বোত্তম ধর্ম ব্যবস্থাপক, সর্বশ্রেষ্ঠ মুনিব, সর্বোৎকৃষ্ট সাহায্যকারী।)পাঠ করবে আল্লাহ তা'আলা তার সমুদয় গুনাহ মার্জনা করবেন এবং তার প্রতি বিশেষ প্রসন্ন হবেন।

🔹যে ব্যক্তি আশুরার দিন চার রাকাত নফল নামায পড়বে, প্রতি রাকাতে সূরা ফাতিহার সাথে ১৫ বার সূরা ইখলাস পড়বে এবং এ নামাযের সওয়াব হযরত হাসান ও হুসাইন রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহুমা’র প্রতি সওয়াব পৌঁছাবে তার জন্য কেয়ামত দিবসে তাঁরা সুপারিশ করবেন।

🔹অন্য এক বর্ণনায় আরাে চার রাকাত নামাযের নিয়ম পাওয়া যায়। প্রতি রাকাতে সূরা ফাতিহার সাথে
পাঁচশত বার করে সূরা ইখলাস পাঠ করবেন ।

🔴যদি কোন বক্তি আশুরার দিন কোন ইয়াতিম বালক-বালিকার মাথায় স্নেহের সাথে হাত রাখে, তবে উক্ত ইয়াতিমের মাথার চুলের পরিমাণ সংখ্যক বেহেশতী কক্ষ তাহাকে প্রদান করা হইবে।

🔴আশুরার রাতে কোন মুমিন ব্যক্তিকে তৃপ্তি সহকারে আহার করাইলে সে যেন হুযুরে পাক (দঃ)এর সমস্ত উম্মতকে তৃপ্তিসহকারে আহার করাইল ।

🔴কোন লােক আশুরার দিন গােসল করিলে মৃত্যু রােগ ব্যতীত তাহার আর কোন রােগ শরীরে থাকে
না।

🔴এই দিন চোখে সুরমা ব্যবহার করিলে সারা বৎসর তাহার চোখ ভাল থাকে।

🔴যে ব্যক্তি এই দিন কোন রােগীর সেবা করে, সে যেন সমস্ত আদম সন্তানের সেবা করিল।

🔴আশুরার তারিখে কোন ব্যক্তিকে এক গ্লাস শরবত পান করাইলে তাহার একদিন এক রাতের ইবাদতের পুণ্য লাভ হয়।

🔴যে ব্যক্তি আশুরার দিন প্রত্যেক রাকয়াতে সূরা ফাহিতার পর পঞ্চাশ বার সূরা ইখলাস পড়িয়া চারি রাকয়াত নামায আদায় করে, আল্লাহ তাহার পঞ্চাশ বৎসর পূর্বের এবং পঞ্চাশ বৎসর পরের গুনাহ মার্জনা করেন এবং ফিরেশতাদের এলাকাতে তাহার জন্য নূরের পঞ্চাশটি মহল তৈরী করাইয়া রাখেন।

🔴অপর এক হাদীসে আছে, আশুরার দিন দুই রাকয়াত করিয়া চারি রাকয়াত নফল নামায পড়িবে।
প্রত্যেক রাকয়াতে সূরা ফাতিহার সাথে সূরা যিলযালাহ, সূরা কাফিরুন এবং সূরা ইখলাস একবার
করিয়া পাঠ করিবে এবং নামাযান্তে সত্তর বার দরদ শরীফ পড়িবে।

🔴আর এই তারিখ রাতভর ইবাদাত করিলে সে মৃত্যুর পূর্বেই মৃত্যুর সময়ের খবর জানিতে পারে।

🔴হযরত আলী (রাঃ) বলেন, হুযুরে পাক (দঃ) এরশাদ করিয়াছেন, যে আশুরার সারারাত ইবাদাত
করিয়া কাটায়, আল্লাহ তাহার বাসনানুরপ তাহাকে জীবিত রাখেন।

🔴সুফইয়ান ইবনে আইনিয়া (রহঃ) বর্ণনা করিয়াছেন যে, আমি অবগত হইতে পারিয়াছি যে, যে ব্যক্তি আশুরার দিন তাহার পরিবারবর্গকে তৃপ্তি সহকারে পানাহার করায়,আল্লাহতায়ালা তাহাকে স্বচ্ছলতার সাথে রুজী দান করিয়া থাকেন।

🔴সুফইয়ান (রহঃ) বলেন যে, আমি পঞ্চাশ বৎসর পর্যন্ত ইহা পরীক্ষা করিয়া দেখিয়াছি এবং সুফল লাভ করিয়াছি। প্রাচীন কালের কোন কোন বোযর্গ বলেন, আশুরার দিন রােযা রাখিলে বা সদকা খয়রাত করিলে সারা বৎসর রােযা না রাখার এবং সদকা খয়রাত না করার কাফফারা আদায় হইয়া যায়।

🔴আবু নসর (রহঃ) তাহার পিতার নিকট হইতে, তিনি আবু গালিব ইবনে উম্মিয়া ইবনে হলফ হাজমী (রহঃ) হইতে বর্ণনা করিয়াছেন, তিনি বলেন, একবার হুযুরে পাক (দঃ) আমার গৃহে একটি পাখী দেখিয়া বলিলেন, ইহারাই প্রথম প্রাণী যাহারা আশুরার রােযা রাখিয়াছে।

🔴কায়েস ইবনে ইবাদ (রহঃ) বর্ণনা করিয়াছেন যে, আশুরার দিন হিংস্র জীব-জন্তুগুলিও রােযা রাখিয়া থাকে।

🔴হযরত আবু হােরায়রা (রাঃ) বলেন যে, হযরত রাসূলে কারীম (দঃ) এরশাদ করিয়াছেন, রমজানের
রােযার পর আশুরার রােযাই শ্রেষ্ঠ বটে। ফরজ নামায ব্যতীত মধ্য রাতের পর যে সমস্ত নামায পড়া হয়, তাহার মধ্যে আশুরার নামায সর্বাপেক্ষা অধিক মর্যাদা সম্পন্ন।

🔴হযরত আলী (রাঃ) বলেন যে, হযরত রাসূলে কারীম (দঃ) এরশাদ করিয়াছেন, মহররম আল্লাহর মাস। এই মাসে আল্লাহতায়ালা একটি সম্প্রদায়ের তাওবাহ কবুল করিয়াছেন। যে ব্যক্তি এই মাসে তাওবাহ করে, আল্লাহতায়ালা অবশ্যই তাহার তাওবাহ কবুল করিয়া থাকেন।

আল্লাহ পাক এই পবিত্র মহররম মাসে আমাদের সবাইকে বেশী বেশী ইবাদত বান্দেগী করার তৌফিক দান করুক,আমিন।🤲

📚তথ্যসূত্রঃ
১. গুনিয়াতুত তালেবিন.(হযরত আবদুল কাদের জিলানী কৃত)।
২. গাউসিয়া তারবিয়াতী নেসাব।
৩. তরজুমান।

সালামান্তে,
💙গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশ মহিলা বিভাগ।💙

26/07/2019

Assalamualaikum,
This is our home made food product page.
Pls guys like our page and keep updated.

Address

Oxygen
Chittagong

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when House Of Tasty by AKRI posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share