Bengali Ranna

Bengali Ranna Follow our page to get new Recipes and Beauty tips.
(1)

হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (সা.)  বলেছেন...
11/08/2026

হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (সা.) বলেছেন...

তুলনার সবচেয়ে বড় ক্ষতি হলো—এটি শুধু নিয়ামত কেড়ে নেয় না, বরং সেই নিয়ামত অনুভব করার ক্ষমতাও কেড়ে নেয়।যখন আপনি অন্য...
10/08/2026

তুলনার সবচেয়ে বড় ক্ষতি হলো—এটি শুধু নিয়ামত কেড়ে নেয় না, বরং সেই নিয়ামত অনুভব করার ক্ষমতাও কেড়ে নেয়।

যখন আপনি অন্যের কাছে কী আছে, সেটাই দেখতে থাকেন, তখন নিজের অসংখ্য নিয়ামতও তুচ্ছ মনে হতে শুরু করে।

আল্লাহ জানেন—আপনার কিছু অপূর্ণ ইচ্ছা পূরণ হলে হয়তো তা আপনার জন্য ক্ষতির কারণ হতো। আর যেগুলো থেকে তিনি আপনাকে বঞ্চিত রেখেছেন, তার অনেকগুলোই তাঁর অদেখা রহমত।

হে আল্লাহ! আমাদের এমন হৃদয় দান করুন, যা দুনিয়ার চাকচিক্যে মোহিত হবে না, বরং আপনার সন্তুষ্টিতেই পরিপূর্ণ থাকবে। আমীন। 🤲🏼

আল্লাহুম্মাগফিরলি!
29/07/2026

আল্লাহুম্মাগফিরলি!

যেকোনো বিপদে পড়া মাত্রই ইস্তিগফারে লেগে যান। দ্রুতই সমাধান পাবেন, ইন শা আল্লাহ্।রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্ল...
23/07/2026

যেকোনো বিপদে পড়া মাত্রই ইস্তিগফারে লেগে যান। দ্রুতই সমাধান পাবেন, ইন শা আল্লাহ্।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
‘যে ব্যক্তি বেশি বেশি ইস্তিগফার পড়বে, আল্লাহ তার সব সংকট থেকে উত্তরণের পথ বের করে দেবেন, সব দুশ্চিন্তা মিটিয়ে দেবেন এবং অকল্পনীয় উৎস থেকে তার রিজিকের ব্যবস্থা করে দেবেন।’

[সুনানে বাইহাকি: ৬৩৬; মুস্তাদরাকে হাকিম: ৭৬৭৭]

— লেখা সংগৃহীত

Yummy 🤤😋
13/07/2026

Yummy 🤤😋

বিপদাপদ মানুষের ইমান ও আল্লাহর প্রতি নির্ভরতার গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা। আল্লাহ-তাআলা বলেন, ‘আমি অবশ্যই তোমাদের কিছু ভয়, ক্...
11/07/2026

বিপদাপদ মানুষের ইমান ও আল্লাহর প্রতি নির্ভরতার গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা। আল্লাহ-তাআলা বলেন, ‘আমি অবশ্যই তোমাদের কিছু ভয়, ক্ষুধা, ধনসম্পদ, জীবন ও ফল-ফসলের ক্ষতি দ্বারা পরীক্ষা করব। আর ধৈর্যশীলদের সুসংবাদ দাও।’ (সুরা বাকারা, আয়াত: ১৫৫)

বিপদের সময় একজন মুমিনের করণীয় কী হওয়া উচিত, সে বিষয়ে কোরআন-সুন্নাহ জীবনঘনিষ্ঠ দিকনির্দেশনা দিয়েছে।

১. ইন্না লিল্লাহ পাঠ করা

বিপদের সময় কোরআন মুমিনকে এমন একটি মহিমান্বিত দোয়া শিক্ষা দিয়েছে, যা পড়লে আল্লাহর অনুগ্রহ ও রহমত পাওয়া যায়। তা হলো ইন্না লিল্লাহ পাঠ করা।

আল্লাহ বলেন, ‘যাদের ওপর কোনো বিপদ আপতিত হলে তারা বলে, “ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন” (নিশ্চয়ই আমরা আল্লাহরই জন্য এবং নিশ্চয়ই আমরা তাঁরই দিকে প্রত্যাবর্তনকারী) তাদের ওপরই তাদের রবের পক্ষ থেকে বিশেষ অনুগ্রহ ও রহমত রয়েছে।’ (সুরা বাকারা, আয়াত: ১৫৬-১৫৭)

২. আল্লাহর ওপর পূর্ণ ভরসা

সংকটের সময় মানুষের শক্তি ও উপায় সীমিত হয়ে যায়। তখন প্রকৃত আশ্রয় হলো আল্লাহর ওপর পূর্ণ নির্ভরতা।

আল্লাহ বলেন, ‘যে আল্লাহর ওপর ভরসা করে, তিনি তার জন্য যথেষ্ট।’ (সুরা তালাক, আয়াত: ৩)

এর উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত নবী মুসার জীবনে দেখা যায়। তিনি যখন সমুদ্র ও ফেরাউনের বাহিনীর মাঝখানে আটকা পড়লেন, তখন তিনি বলেছিলেন, ‘কখনো নয়, নিশ্চয়ই আমার সঙ্গে আমার রব আছেন, তিনি আমাকে পথ দেখাবেন।’ (সুরা শুয়ারা, আয়াত: ৬২)

এরপর আল্লাহ সমুদ্রকে দ্বিখণ্ডিত করে তার মাঝখানে শুকনো পথ সৃষ্টি করেন এবং নবী মুসা (আ.) ও তাঁর সঙ্গীদের নিরাপদে পার করে দেন।

ফলে সংকট যত বড়ই হোক, মুমিন কখনো আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয় না। আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয়ো না।’ (সুরা জুমার, আয়াত: ৫৩)

অন্য আয়াতে আল্লাহ বলেন, ‘নিশ্চয়ই কষ্টের সঙ্গেই রয়েছে স্বস্তি। নিশ্চয়ই কষ্টের সঙ্গেই রয়েছে স্বস্তি।’ (সুরা ইনশিরাহ, আয়াত: ৫-৬)৩. ধৈর্য অবলম্বন

বিপদের সময় একজন মুমিনের প্রথম ও প্রধান করণীয় হলো ধৈর্য ধারণ করা। ধৈর্য মুমিনের শ্রেষ্ঠ গুণ এবং আল্লাহর বিশেষ অনুগ্রহ লাভের অন্যতম মাধ্যম।

মহান আল্লাহ বলেন, ‘নিশ্চয়ই ধৈর্যশীলদের অপরিমিত প্রতিদান প্রদান করা হবে।’ (সুরা জুমার, আয়াত: ১০)

হাদিসে এসেছে, কিয়ামতের দিন বিপদে ধৈর্য ধারণকারীদের যখন অগণিত প্রতিদান দেওয়া হবে, তখন দুনিয়ায় বিপদমুক্ত জীবনযাপনকারীরা আফসোস করে বলবে, ‘আহা, যদি দুনিয়ায় আমাদের শরীর কাঁচি দিয়ে খণ্ডবিখণ্ড করে দেওয়া হতো, তবে আজ আমরাও এ মহাসম্মান ও অফুরন্ত প্রতিদানের অধিকারী হতে পারতাম।’ (আবু নুআইম ইস্পাহানি, হিলয়াতুল আউলিয়া, ৩/৯১, দারুল ফিকর, বৈরুত, ১৯৯৬)

বিপদে বিচলিত না হয়ে, অভিযোগ ও হতাশায় ভেঙে না পড়ে, আল্লাহর ফয়সালাকে মেনে নিয়ে ধৈর্যের সঙ্গে পরিস্থিতি মোকাবিলা করাই প্রকৃত মুমিনের পরিচয়।

৪. নামাজের মাধ্যমে সাহায্য প্রার্থনা

বিপদাপদে মুমিনের সবচেয়ে নিরাপদ আশ্রয় হলো আল্লাহর দরবার। মানুষের সব উপায় যখন সীমিত হয়ে যায়, তখন সে সেজদায় নত হয়ে মহান রবের সাহায্য কামনা করে।

আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা ধৈর্য ও নামাজের মাধ্যমে সাহায্য প্রার্থনা করো।’ (সুরা বাকারা, আয়াত: ৪৫)

সেজদায় বান্দা নিজের দুঃখ-কষ্ট, ভয়, আশঙ্কা ও অসহায়ত্ব মহান আল্লাহর কাছে নিবেদন করে। রাসুলের জীবনেও এর বাস্তব দৃষ্টান্ত পাওয়া যায়।

হুজাইফা (রা.) বলেন, ‘রাসুল (সা.) কোনো কঠিন পরিস্থিতির সম্মুখীন হলে নামাজে দাঁড়াতেন।’ (সুনানে আবু দাউদ, হাদিস: ১৩১৯)

৫. তওবা করা

বিপদ-আপদ মানুষকে নিজের অসহায়ত্বের কথা স্মরণ করিয়ে দেয় এবং সৃষ্টিকর্তার দিকে ফিরে আসতে উদ্বুদ্ধ করে। তাই এ সময় নিজের ভুলত্রুটি উপলব্ধি করে আন্তরিকভাবে আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করা উচিত।

আল্লাহ বলেন, ‘তোমাদের ওপর যে বিপদ আসে, তা তোমাদের কৃতকর্মেরই ফল এবং তিনি অনেক কিছুই ক্ষমা করে দেন।’ (সুরা শুরা, আয়াত: ৩০)

অনেক বিপদ মানুষের পাপের কারণে আসে, আবার অনেক বিপদ আল্লাহর পক্ষ থেকে পরীক্ষা ও মর্যাদা বৃদ্ধির মাধ্যমও হতে পারে।

আরও পড়ুনরাসুল (সা.) বলেন, ‘কোনো বান্দার গুনাহ যখন বেশি হয়ে যায় এবং তা মোচনের জন্য পর্যাপ্ত নেক আমল না থাকে, তখন আল্লাহ তাকে দুঃখ-কষ্টে নিপতিত করেন, যাতে সেই কষ্টের মাধ্যমে তার পাপগুলো ক্ষমা করে দেন।’ (মুসনাদে আহমদ, হাদিস: ২৫২৭৫)

তাই বিপদের সময় আত্মসমালোচনা করে তওবা-ইস্তিগফারের মাধ্যমে আল্লাহর দিকে ফিরে আসা উচিত।

৬. সদকা করা

বিপদের সময় সদকা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আমল। হাদিসে সদকাকে বিপদ-আপদ থেকে নিরাপত্তা ও আল্লাহর রহমত লাভের অন্যতম মাধ্যম হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে।

রাসুল (সা.) বলেন, ‘সদকা আল্লাহর রাগকে প্রশমিত করে এবং অপমৃত্যু রোধ করে।’ (সুনানে তিরমিজি, হাদিস: ৬৬৪)

আরেক বর্ণনায় এসেছে, ‘সদকা গুনাহকে ঠিক সেভাবেই মুছে দেয়, যেমন পানি আগুনকে নিভিয়ে দেয়।’ (সুনানে তিরমিজি, হাদিস: ২৬১৬)

৭. সমাধানের চেষ্টা

বিপদ থেকে উত্তরণের পথ না খুঁজে আল্লাহর ভরসা করে বসে থাকা ইসলামের শিক্ষা নয়। একজন মুমিন সর্বোচ্চ চেষ্টা ও যথাযথ পরিকল্পনা গ্রহণের পাশাপাশি আল্লাহর সাহায্যের ওপর পূর্ণ আস্থা রাখে।

রাসুল (সা.) বলেন, ‘যা তোমার উপকারে আসে, তার প্রতি আগ্রহী হও, আল্লাহর সাহায্য চাও এবং অক্ষম হয়ে বসে থেকো না।’ (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ২৬৬৪)

বিপদের সময় মানুষকে বাস্তবমুখী পদক্ষেপও নিতে হবে। অসুস্থ হলে চিকিৎসা গ্রহণ, আর্থিক সংকটে উপার্জনের চেষ্টা এবং পারিবারিক বা সামাজিক সমস্যায় বিচক্ষণতার সঙ্গে সমাধানের পথ অনুসন্ধান করাও ইসলামের শিক্ষা।

বিপদ-আপদ মানুষের জীবনের অনিবার্য বাস্তবতা। কিন্তু একজন মুমিন যখন বিপদে ভেঙে না পড়ে ধৈর্য, তাওয়াক্কুল, দোয়া, তওবা, সদকা ও যথাসাধ্য প্রচেষ্টার মাধ্যমে আল্লাহর সাহায্য কামনা করে, বিপদ তখন তার জন্য গুনাহ মোচন, নেকি অর্জন ও আল্লাহর নৈকট্য লাভের মাধ্যম হয়ে ওঠে।

কঠিন বিপদের সময় পাঠের দোয়া।
08/07/2026

কঠিন বিপদের সময় পাঠের দোয়া।

সুস্বাদু Mutton Biryani😋🤤
05/07/2026

সুস্বাদু Mutton Biryani😋🤤

Address

Chandgaon, Chittagong Sadar, Chittagong
Chittagong
4212

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Bengali Ranna posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share