Bengali Ranna

Bengali Ranna Follow our page to get new Recipes and Beauty tips.
(1)

হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (সা.)  বলেছেন...
11/06/2026

হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (সা.) বলেছেন...

সুস্থ থাকার প্রথম চাবিকাঠি হলো একটি পুষ্টিকর সকালের নাস্তা। ডিমের প্রোটিন, সবজির ফাইবার,কলার ইনস্ট্যান্ট এনার্জি আর বাদা...
09/06/2026

সুস্থ থাকার প্রথম চাবিকাঠি হলো একটি পুষ্টিকর সকালের নাস্তা। ডিমের প্রোটিন, সবজির ফাইবার,কলার ইনস্ট্যান্ট এনার্জি আর বাদামের হেলদি ফ্যাট-সব মিলিয়ে এক আদর্শ কম্বিনেশন।আপনি আজ সকালে কী খেলেন কমেন্টে জানাতে পারেন??

করলার উপকারিতা।
08/06/2026

করলার উপকারিতা।

শরীর সুস্থ রাখতে যে সকল খাবার খাওয়া উচিত।
06/06/2026

শরীর সুস্থ রাখতে যে সকল খাবার খাওয়া উচিত।

স্বাস্থ্য টিপস।
06/06/2026

স্বাস্থ্য টিপস।

প্রশ্ন: ইসলামের দৃষ্টিতে গরীব অসহায় মানুষকে দান-সদকা করা এবং এতিমের দায়-দায়িত্ব গ্রহণ করা অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ কাজ কিন্...
05/06/2026

প্রশ্ন: ইসলামের দৃষ্টিতে গরীব অসহায় মানুষকে দান-সদকা করা এবং এতিমের দায়-দায়িত্ব গ্রহণ করা অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ কাজ কিন্তু প্রশ্ন হল, এ ক্ষেত্রে দানের টাকা পাওয়ার বেশি হকদার কে? একজন খুবই অসুস্থ ব্যাক্তি নাকি দ্বীনী প্রতিষ্ঠানের এতিম বাচ্চারা?

উত্তর: নিঃসন্দেহে অসহায় দরিদ্র মানুষকে সাহায্য-
সহযোগিতা করা, তাদের অভাব পূরণ করা, তাদের খাদ্য, বস্ত্র, চিকিৎসা ইত্যাদির ব্যবস্থা করা‌, বিশেষ করে এতিম শিশুর দায়িত্ব গ্রহণ ও প্রতিপালন করা এবং তাদের প্রতি দয়া করা মানবিক দৃষ্টি থেকে যেমন খুবই গুরুত্বপূর্ণ তেমনি ইসলামিক দৃষ্টিকোণ থেকে অত্যন্ত মর্যাদা পূর্ণ কাজ।‌ এর মাধ্যমে আল্লাহর ভালোবাসা, ক্ষমা এবং অবারিত সওয়াব অর্জিত হয় যা আখিরাতে জাহান্নাম থেকে মুক্তি এবং জান্নাতে প্রবেশের মাধ্যম হবে ইনশাআল্লাহ।

সুতরাং আল্লাহ যাদেরকে বিত্ত-বৈভব দান করেছেন তাদের উচিত, আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে এ জাতীয় মানবিক ও জনকল্যাণমূলক কাজে অর্থ খরচ করা। তাদের সম্পদের যাকাত দেওয়ার পাশাপাশি সাধারণ দান সদকা করা। মহান আল্লাহ কুরআনের বহু জায়গায় অর্থ সম্পদ ব্যয় করার মর্যাদার কথা উল্লেখ করেছেন এবং তার নির্দেশ দিয়েছেন। যেমন:

🔷 আল্লাহ বলেন,
ٱلَّذِينَ يُنفِقُونَ أَمۡوَٰلَهُمۡ فِي سَبِيلِ ٱللَّهِ ثُمَّ لَا يُتۡبِعُونَ مَآ أَنفَقُواْ مَنّٗا وَلَآ أَذٗى لَّهُمۡ أَجۡرُهُمۡ عِندَ رَبِّهِمۡ وَلَا خَوۡفٌ عَلَيۡهِمۡ وَلَا هُمۡ يَحۡزَنُونَ
"যারা আল্লাহ্‌র পথে ধন-সম্পদ ব্যয় করে তারপর যা ব্যয় করে তা বলে বেড়ায় না এবং কোনো প্রকার কষ্টও দেয় না, তাদের প্রতিদান রয়েছে তাদের রব-এর নিকট। আর তাদের কোন ভয় নেই এবং তারা চিন্তিত ও হবে না।" [সূরা আল বাকারা: ২৬২]

🔷 আল্লাহ তাআলা আরও বলেন,
وَٱلَّذِينَ صَبَرُواْ ٱبۡتِغَآءَ وَجۡهِ رَبِّهِمۡ وَأَقَامُواْ ٱلصَّلَوٰةَ وَأَنفَقُواْ مِمَّا رَزَقۡنَٰهُمۡ سِرّٗا وَعَلَانِيَةٗ وَيَدۡرَءُونَ بِٱلۡحَسَنَةِ ٱلسَّيِّئَةَ أُوْلَٰٓئِكَ لَهُمۡ عُقۡبَى ٱلدَّارِ
"আর যারা তাদের রবের সস্তুষ্টি লাভের জন্য ধৈর্য্য ধারণ করে এবং সালাত কায়েম করে, আর আমরা তাদেরকে যে জীবনোপকরণ দিয়েছি তা থেকে গোপনে ও প্রকাশ্যে ব্যয় করে এবং ভাল কাজের দ্বারা মন্দ কাজকে প্রতিহত করে, তাদের জন্যই রয়েছে আখেরাতের শুভ পরিণাম।" [সূরা রা’দ: ২২]

🔷 এক হাদিসে রয়েছে,
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رضي الله عنه قَالَ :قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَافِلُ الْيَتِيمِ لَهُ أَوْ لِغَيْرِهِ أَنَا وَهُوَ كَهَاتَيْنِ فِي الْجَنَّةِ وَأَشَارَ مَالِكٌ بِالسَّبَّابَةِ وَالْوُسْطَى. رواه مسلم

আবু হুরায়রা রা. হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, "আমি ও এতিম প্রতিপালনকারীর অবস্থান জান্নাতে এই দুই অংগুলির ন্যায় পাশাপাশি হবে। চাই সেই এতিম তার নিজের হোক অথবা অন্যের। (বর্ণনাকারী) মালেক বিন আনাস রা. তর্জনী ও মধ্যমা আংগুলি দ্বারা ইশারা করলেন।" ( সহিহ মুসলিম)

এভাবে আল্লাহর পথে খরচ, অভাবীদের অভাব মোচন এবং এতিম-অনাথ শিশুদের প্রতিপালনে দান করার ফজিলতে পর্যাপ্ত পরিমাণ কুরআনের আয়াত ও হাদিস বর্ণিত হয়েছে, আলহামদুলিল্লাহ।

সুতরাং আল্লাহ যাদেরকে অর্থ-সম্পদ খরচের তৌফিক দিয়েছেন তারা এতিম শিশু, গরীব অসহায় মানুষের অভাব পূরণ, মসজিদ-মাদ্রাসা নির্মাণ, বিভিন্ন সময় ইসলামের প্রয়োজনে এবং আল্লাহর পথে জিহাদ এ যথাসাধ্য দান করার চেষ্টা করবেন।

তবে যদি কারো সীমিত আর্থিক সঙ্গতি থাকে কিন্তু অভাবীদের সংখ্যা বেশি হয় তাহলে পরিস্থিতি এবং প্রয়োজন অনুযায়ী অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে দান করবে।

যদি এমন হয় যে এই মুহূর্তে কোন অসহায় দরিদ্র মুমূর্ষ রোগীর চিকিৎসার জন্য জরুরি অর্থের প্রয়োজন। অন্যথায় তার জীবননাশের সম্ভাবনা আছে। পক্ষান্তরে এতিম শিশুদের আপাতত জীবনধারণের ব্যবস্থা আছে তাহলে এক্ষেত্রে মুমূর্ষু রোগীর জীবন বাঁচানোর জন্য দান করা বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
আর যদি এমন হয় যে কোন রোগীর চিকিৎসা চলছে কিন্তু অবস্থা তেমন বেগতিক নয় অথচ এতিম শিশুরা অনাহারে-অর্ধাহারে জীবনযাপন করছে। আর্থিক সহায়তার অভাবে তাদের জীবন সংকটাপন্ন অবস্থায় রয়েছে। এক্ষেত্রে এতিমদেরকে দানের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দিতে হবে।
মোটকথা, প্রয়োজন এবং অবস্থার আলোকে যাকে দান করলে বেশি উপকার হবে এবং যার অবস্থা বেশি সংকটাপন্ন তাকেই অগ্রাধিকার দিতে হবে।
আল্লাহু আলাম।

উত্তর প্রদানে:
আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল, দাঈ, জুবাইল দাওয়াহ এন্ড গাইডেন্স সেন্টার, সউদি আরব।

আল্লাহর বিশেষ অনুগ্রহ ও রহমত লাভের দোয়া! 🛡️✨ অভাব ও হতাশা দূর করতে মহান আল্লাহর দরবারে শ্রেষ্ঠ প্রার্থনা ।।মানুষের জীবন...
05/06/2026

আল্লাহর বিশেষ অনুগ্রহ ও রহমত লাভের দোয়া! 🛡️✨ অভাব ও হতাশা দূর করতে মহান আল্লাহর দরবারে শ্রেষ্ঠ প্রার্থনা ।।
মানুষের জীবনে অনেক সময় এমন পরিস্থিতি আসে যখন চারপাশের সব রাস্তা বন্ধ মনে হয়। কঠোর পরিশ্রম করার পরেও যখন কাঙ্ক্ষিত সফলতা আসে না, কিংবা মন যখন তীব্র হতাশায় ডুবে যায়, তখন মুমিনের একমাত্র আশ্রয়স্থল হলেন মহান আল্লাহ। এই দোয়াটি এমন এক চমৎকার আকুতি, যেখানে বান্দা স্বীকার করে যে—দুনিয়ার সমস্ত অনুগ্রহ, রিজিক এবং রহমতের চাবিকাঠি একমাত্র আল্লাহর হাতেই রয়েছে, যা তিনি ছাড়া আর কেউ দিতে পারে না। জীবনের কঠিনতম মুহূর্তে নবীজি (সা.) এই দোয়ার মাধ্যমে আল্লাহর সাহায্য চেয়েছিলেন। 🌙
সেই মহিমান্বিত দোয়া:
اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ مِنْ فَضْلِكَ وَرَحْمَتِكَ ، فَإِنَّهُ لَا يَمْلِكُهَا إِلَّا أَنْتَ
সঠিক বাংলা উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্নী আসআলুকা মিন ফাদলিকা ওয়া রাহমাতিকা, ফাইন্নাহু লা- ইয়ামলিকুহা- ইল্লা- আনতা। 🗣️
অর্থ: "হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে আপনার অনুগ্রহ (বিশাল রিজিক) এবং আপনার রহমত প্রার্থনা করছি। কারণ, আপনি ছাড়া আর কেউ এর মালিক নয় (এগুলো কেউ দিতে পারে না)।" ❤️🌹
📚 হাদিসের রেফারেন্স:
এই শক্তিশালী দোয়াটি হযরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) থেকে বর্ণিত হয়েছে। একবার নবীজি (সা.)-এর ঘরে মেহমান এলেন, কিন্তু তাঁদের আপ্যায়ন করার মতো কোনো খাবার ছিল না। তখন নবীজি (সা.) আল্লাহর দরবারে এই দোয়াটি পাঠ করেন। দোয়া করার কিছুক্ষণের মধ্যেই এক ব্যক্তি নবীজিকে চমৎকার ভুনা খাসির গোশত উপহার দেন। তখন নবীজি (সা.) বলেছিলেন, "এটি হলো আল্লাহর পক্ষ থেকে আসা অনুগ্রহ (ফাদল), আর আমরা এখন তাঁর রহমতের প্রতীক্ষায় আছি।" (আল-মু'জামুল কাবীর তাবারানী, সহীহ আল-জামে, হাদিস নং: ১৮১১) 📖
কেন এই দোয়াটি আপনার নিয়মিত পড়া জরুরি?
✅ গায়বি রিজিক লাভ: যেকোনো অভাব বা সংকটের সময় অলৌকিকভাবে আল্লাহর পক্ষ থেকে হালাল রিজিক ও ফয়সালা আসার মাধ্যম। 🛡️
✅ হতাশা ও দুশ্চিন্তা মুক্তি: মানসিক অবসাদ ও জীবনের কঠিনতম পরীক্ষাগুলো থেকে আল্লাহর বিশেষ রহমতে নিষ্কৃতি পাওয়া। ✨
✅ আল্লাহর ওপর পূর্ণ ভরসা: এই বিশ্বাসের স্বীকৃতি দেওয়া যে, সৃষ্টির কেউ নয়, বরং সমস্ত কল্যাণের একমাত্র মালিক মহান আল্লাহ।
✅ কঠিন কাজ সহজ হওয়া: কর্মক্ষেত্রে বা ব্যক্তিগত জীবনে আটকে থাকা কাজগুলো আল্লাহর অনুগ্রহে দ্রুত সম্পন্ন হওয়া।
আপনার প্রতি বার্তা:
বিশেষ করে যারা প্রবাসে বা কর্মক্ষেত্রে কঠিন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন, কিংবা নতুন কোনো কাজের চেষ্টা করছেন—তারা প্রতিটি ফরজ নামাজের পর এবং অবসরে এই ছোট কিন্তু অত্যন্ত প্রভাবশালী দোয়াটি বেশি বেশি পাঠ করুন। আল্লাহর ভাণ্ডারে কোনো কমতি নেই, আর তিনি তাঁর বান্দাকে কখনোই খালি হাতে ফেরান না। আল্লাহ আমাদের সবাইকে তাঁর বিশেষ অনুগ্রহ ও রহমতের চাদরে আবৃত করে নিন। আমিন। 🤲

■■ রিযিক নিয়ে অসাধারণ সুন্দর একটি লেখা ===================■▪রিযিকেরর সর্বনিম্ন স্তর হচ্ছেঃ টাকা, পয়সা, অর্থ এবং সম্পদ।■▪...
02/06/2026

■■ রিযিক নিয়ে অসাধারণ সুন্দর একটি লেখা

===================

■▪রিযিকেরর সর্বনিম্ন স্তর হচ্ছেঃ টাকা, পয়সা, অর্থ এবং সম্পদ।

■▪রিযিক এর সর্বোচ্চ স্তর হচ্ছেঃ শারীরিক এবং মানসিক সুস্থতা।

■▪রিযিকের সর্বোত্তম স্তর হচ্ছেঃ পুণ্যবান স্ত্রী এবং পরিশুদ্ধ নেক সন্তান এবং

■▪রিযিক এর পরিপূর্ণ স্তর হচ্ছেঃ মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি।

■■ রিযিক খুব গভীর একটি বিষয়, যদি আমরা তা বুঝতে পারি।

■■ আমি পুরো জীবনে কত টাকা আয় করবো সেটা লিখিত, কে আমার জীবনসঙ্গী হবে সেটা লিখিত, কবে কোথায় মারা যাবো সেটাও লিখিত এবং কতটা খাবার ও পানীয় গ্রহণ করবো তাও লিখিত বা নির্দিষ্ট।

■■ আশ্চর্যের ব্যাপার হচ্ছে, আমি কতগুলো দানা বা ভাত দুনিয়াতে খেয়ে তারপর মারা যাবো সেটা লিখিত। একটি দানাও কম না এবং একটিও বেশি না।

■■ ধরুন এটা লিখিত যে আমি সারাজীবনে এক কোটি টাকা আয় করবো, এই সিদ্ধান্ত আল্লাহ্‌ তা'আলা নিয়েছেন।

■■ কিন্তু, আমি হালাল উপায়ে আয় করবো না হারাম উপায়ে আয় করবো সেই সিদ্ধান্ত একান্তই আমার।

■■ যদি ধৈর্য ধারণ করি, আল্লাহ্‌ তা'আলার কাছে চাই, তাহলে হালাল উপায়ে ওই এক কোটি টাকা আয় করেই আমি মারা যাবো। আর হারাম উপায়ে হলেও ওই এক কোটিই... নাথিং মোর, নাথিং লেস!

■■ আমি যেই ফলটি আজকে টেকনাফ বসে খাচ্ছি, সেটা হয়ত ইতালি কিংবা থাইল্যান্ড থেকে ইমপোর্ট করা। ওই গাছে যখন মুকুল ধরেছে তখনই নির্ধারিত হয়েছে যে, সেটি আমার কাছে পৌঁছাবে। এর মধ্যে কত পাখি ওই ফলের উপর বসেছে, কত মানুষ এই ফলটি পাড়তে গেছে, দোকানে অনেকে এই ফলটি নেড়েচেড়ে রেখে গেছে, পছন্দ হয় নি বা কিনেনি। এই সব ঘটনার কারণ একটাই, ফলটি আমার রিযিকে লিখিত। যতক্ষণ না আমি কিনতে যাচ্ছি, ততক্ষণ সেটা ওখানেই থাকবে।
এর মধ্যে আমি মারা যেতে পারতাম, অন্য কোথাও চলে যেতে পারতাম, কিন্তু না! রিযিকে যেহেতু লিখিত আমি এই ফলটি না খেয়ে মারা যাবো না।

■■ রিযিক জিনিসটা এতোটাই শক্তিশালী!

■■ কিংবা যেই আত্মীয় কিংবা বন্ধু-বান্ধব আমার বাসায় আসছে, সে আসলে আমার খাবার খাচ্ছে না। এটা তারই রিযিক, শুধুমাত্র আল্লাহ্‌ তা'ইলা আমার মাধ্যমে তার কাছে পৌঁছে দিচ্ছেন। হতে পারে এর মধ্যে আমাদের জন্য মঙ্গল রয়েছে। আলহামদুলিল্লাহ!

■■ কেউ কারওটা খাচ্ছে না, যে যার রিযিকের ভাগই খাচ্ছেন।

■■ আমরা হালাল না হারাম উপায়ে খাচ্ছি, সেটা নির্ভর করছে আমি আল্লাহ্‌ তা'আলার উপর কতটুকু তাওয়াক্কাল আছি, কতটুকু ভরসা করে আছি। কেননা,
আল্লাহ তা'আলা বলেনঃ
-------"দুনিয়ায় বিচরণকারী এমন কোনো প্রাণী নেই, যার রিযিকের দায়িত্ব আল্লাহর ওপর নেই। তাদের স্থায়ী এবং অস্থায়ী অবস্থানস্থল সম্পর্কে তিনি অবহিত। সব কিছুই একটি সুস্পষ্ট কিতাবে লেখা আছে।"
-----(সুরা হুদ : আয়াত ৬)

■■ আল্লাহ তা'আলা অন্যত্র বলেনঃ
-------"যে আল্লাহকে ভয় করে, আল্লাহ তার জন্য কোনো না কোনো পথ বের করে দেবেন। আর তাকে (এমন উৎস থেকে) রিযিক দেবেন, যা সে ধারণাও করতে পারবে না।"
-----(সুরা ত্বালাক : আয়াত ২-৩)

■▪মহান আল্লাহ্‌ তা'আলা আমাদের সঠিক পথ এবং হালাল ও প্রশস্ত কামাই রোজগার ও রিযিক এর ব্যবস্থা করে দিন এবং সকল প্রকার হারাম কামাই রোজগার ও রিযিক থেকে হিফাযত করুন এবং আমাদের সবাইকে ক্ষমা করুন এবং হিফাযত করুন (আমীন)।

বরকতময় মাসনূন দোয়াঃ বিশেষ করে কঠিন বিপদাপদ থেকে মুক্তির দোয়া যা অত্যন্ত ফলদায়ক। আবু হুরাইরা রাঃ থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লা...
01/06/2026

বরকতময় মাসনূন দোয়াঃ বিশেষ করে কঠিন বিপদাপদ থেকে মুক্তির দোয়া যা অত্যন্ত ফলদায়ক।

আবু হুরাইরা রাঃ থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) কঠিন মুহূর্তে এই দোয়াটি পাঠ করতেনঃ

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوْذُ بِكَ مِنْ جَهْدِ الْبَلَاءِ وَدَرَكِ الشَّقَاءِ وَسُوْءِ الْقَضَاءِ وَشَمَاتَةِ الْأَعْدَاءِ

উচ্চারণঃ (আল্লা-হুম্মা ইন্নী, আ'ঊযু বিকা মিন জাহ্‌দিল বালা-য়ি ওয়া দারাকিশ শাক্কা-য়ি, ওয়া সূয়িল ক্কাদা-য়ি ওয়া শামা-তাতিল আ’দা-ই)

অনুবাদঃ হে আল্লাহ, আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাই কষ্টদায়ক বিপদ, গভীর দুর্ভাগ্য, ভাগ্যের অশুভ পরিণতি এবং শত্রুদের উপহাস থেকে।

[ #বুখারীঃ ৬৩৪৭]

নারীদের ২৪ ঘন্টার দুনিয়া ও আখিরাতমুখী সুন্দর রুটিনজীবন শুধু রান্নাঘর, সংসার আর দায়িত্বের নাম নয়; একজন নারী একই সাথে মা, ...
30/05/2026

নারীদের ২৪ ঘন্টার দুনিয়া ও আখিরাতমুখী সুন্দর রুটিন

জীবন শুধু রান্নাঘর, সংসার আর দায়িত্বের নাম নয়; একজন নারী একই সাথে মা, স্ত্রী, কন্যা, শিক্ষিকা এবং একজন বান্দাহ। তাই তার রুটিনেও থাকা দরকার সংসারের যত্ন, নিজের যত্ন এবং আল্লাহর ইবাদতের ভারসাম্য।

🕓 শেষ রাত ও ফজরের আগে

১. ঘুম থেকে উঠে অযু করা।
২. দু’আ ও ইস্তিগফার করতে করতে তাহাজ্জুদ পড়া।
৩. আল্লাহর কাছে নিজের, স্বামী-সন্তান ও পরিবারের জন্য দোয়া করা।
৪. ফজরের আগে কিছু সময় কুরআন তিলাওয়াত বা জিকির।

🌿 “রাতের নির্জনতায় বান্দার দোয়া আল্লাহর কাছে বেশি প্রিয়।”

🕕 সকাল

১. ফজরের নামাজ আদায় করে দিনের শুরু করা।
২. বাচ্চাদের আদর করে ঘুম থেকে জাগানো।
৩. পরিবারের জন্য নাশতা প্রস্তুত করা।
৪. স্বামীকে হাসিমুখে বিদায় দেয়া।
৫. ঘরদোর গুছিয়ে পরিচ্ছন্ন রাখা।
৬. কিছু সময় ইসলামি বই পড়া বা কুরআনের অর্থ শেখা।

🌿 সকালের সুন্দর ব্যবহার পুরো পরিবারের মন ভালো করে দেয়।

🕛 দুপুর

১. যোহরের নামাজ সময়মতো আদায় করা।
২. দুপুরের খাবার রান্না করা ও সবাইকে খাওয়ানো।
৩. বাচ্চাদের পড়াশোনা ও আদব-আখলাক শেখানো।
৪. কিছু সময় বিশ্রাম নেয়া, যেন শরীর সুস্থ থাকে।
৫. অবসর সময়ে দরুদ, তাসবিহ ও জিকির করা।

🌿 একজন মায়ের কোলে যেমন সন্তান বড় হয়, তেমনি তার চরিত্রও গড়ে ওঠে।

🕓 বিকেল

১. আসরের নামাজ আদায় করা।
২. বাচ্চাদের সাথে সময় কাটানো ও খেলাধুলায় উৎসাহ দেয়া।
৩. নিজের শরীর ও স্বাস্থ্যের যত্ন নেয়া।
৪. স্বামীর সাথে সুন্দরভাবে কথা বলা, দিনের ক্লান্তি দূর করা।
৫. পরিবার নিয়ে একসাথে চা-নাশতার সময় কাটানো।

🌿 সংসারে ভালোবাসা বাড়ে ছোট ছোট আন্তরিক মুহূর্তে।

🕖 সন্ধ্যা

১. মাগরিবের নামাজ আদায় করা।
২. সন্ধ্যার মাসনূন দোয়া ও জিকির পড়া।
৩. বাচ্চাদের কুরআন বা ইসলামি গল্প শেখানো।
৪. রাতের খাবার প্রস্তুত করা।
৫. পরিবারের সবার খোঁজখবর নেয়া।

🌿 সন্ধ্যার সময় ঘরভর্তি জিকির ও কুরআনের শব্দ ঘরকে রহমতে ভরিয়ে দেয়।

🕙 রাত

১. এশার নামাজ আদায় করা।
২. পরিবারের সবাইকে নিয়ে শান্ত পরিবেশে রাতের খাবার খাওয়া।
৩. রান্নাঘর ও ঘর গুছিয়ে রাখা।
৪. স্বামীর সাথে সময় কাটানো, ভালোবাসা ও মানসিক প্রশান্তি দেয়া।
৫. ঘুমানোর আগে আয়াতুল কুরসি, তিন কুল ও মাসনূন দোয়া পড়া।
৬. নিজের ভুলের জন্য ইস্তিগফার করে ঘুমানো।

🌿 দিনের শেষ হোক আল্লাহর স্মরণে, তাহলে হৃদয়ও শান্ত থাকবে।

▪️ একজন নেককার নারীর সৌন্দর্য

সে শুধু ঘর সামলায় না, হৃদয়ও সামলায়।

সে শুধু রান্না করে না, পরিবারে ভালোবাসা ছড়িয়ে দেয়।

সে শুধু সন্তানের মা নয়, তাদের প্রথম শিক্ষক।

সে শুধু স্বামীর স্ত্রী নয়, তার শান্তির জায়গা।

আর সে সর্বোপরি আল্লাহর একজন প্রিয় বান্দাহ হওয়ার চেষ্টা করে।

> “ রসূলুল্লাহ (সা.) বলেন, দুনিয়ার সর্বোত্তম সম্পদ হলো নেককার স্ত্রী।” (সহিহ মুসলিম,হা/১৪৬৭)

Address

Chandgaon, Chittagong Sadar, Chittagong
Chittagong
4212

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Bengali Ranna posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share