শরীরের ওজন বেড়ে কিছুটা স্থূল হয়ে গেছে। কী করবেন ঠিক করে উঠতে পারছেন না। ডায়টেশিয়ান বিশাল এক লিস্ট ধরিয়ে দিয়েছেন। কিন্তু লিস্টটা মানতেও মন সায় দেয় না। এ অবস্থায় আপনার জন্য সহজ সমাধান মহানবী (সা.)-এর খাদ্যাভ্যাস অনুসরণ। তার সুন্নতকে আঁকড়ে ধরা। নবীজি (সা.)-এর খাদ্যাভ্যাস-ই পারে আপনাকে এ অবস্থা থেকে মুক্তি দিতে।
ডায়টেশিয়ানরা কম খেতে বলেন। আর মহানবী (সা.)-ও কম খেতেন। শুধু কম খেতেনই না, অনেক সময় তার ঘরে চুলায় আগুনও জ্বলত না এবং মহানবী (সা.) সপ্তাহে দুদিন (সোম-বৃহস্পতিবার) রোজা রাখতেন। (ফাতহুল বারি, হাদিস : ৪/২৭৮)
চিকিৎসকরা কম খেতে ও রোজা রাখতে বলেন। বস্তুত মাঝেমধ্যে রোজা রাখলে শরীর থেকে টক্সিন বের হয়ে যায়। মহানবী (সা.)-এর জীবনে অলসতার কোনো স্থান ছিল না। নিজের কাজকর্ম তিনি নিজে করতেন। কখনো কখনো অন্য কাজও করতেন। এতে তার কায়িক শ্রম হতো।
কায়িক শ্রমের কথা চিকিৎসকরাও বলে থাকেন। নিবেদনপক্ষে দৈনিক কিছুটা সময় হাঁটাহাঁটি করতে। খাবার পেট ভরে খাওয়ার অভ্যাস ত্যাগ করার চেষ্টা করুন। পেটের একভাগ খাবার, একভাগ পানি ও আরেক ভাগ খালি রাখুন। মহানবী (সা.) এই পরামর্শ বহু আগেই দিয়ে গেছেন।
ডায়েটে আজকাল যা করতে বলা হয়, তার প্রায় সবটাই নবীজি (সা.)-এর খাদ্যাভ্যাসে বিদ্যমান। নবী (সা.) কিছু খাবার খেতে পছন্দ করতেন।
খাবারগুলো ভেজালমুক্ত এবং সহজলভ্য উপায়ে সবার কাছে পৌঁছে দিতে আন্তরিকভাবে কাজ করছি। বিস্তারিত জানতে
মোবাইলঃ ০১৮৬৪২২০৭৬০
ইমেইলঃ [email protected]