Kutum Food - কুটুম ফুড

Kutum Food - কুটুম ফুড Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Kutum Food - কুটুম ফুড, Health Food Shop, ECB Chattar, Dhaka Cantonment, Dhaka.
(296)

আস্থা, ভালবাসা ও বিশুদ্ধতায় পূর্ণ।

শুধু খাবার নয়, আপনার সন্তানের পুষ্টি ও খাওয়ার সমস্যার সমাধানে পাশে আছি। আপনি একটু সচেতন হলে সন্তান সুস্থ ও মেধাবী হয়ে আপনার ও দেশের মুখ উজ্জ্বল করবে এটাই আমাদের বিশ্বাস। আমরা সেই লক্ষ্যে নিরন্তর কাজ করে যাচ্ছি।

ডাক্তার যখন চার্ট দেখিয়ে বললেন—'বাচ্চার ওয়েট গেইন তো হচ্ছেই না, উল্টো কমছে'—তখন মাথায় যেন আকাশ ভেঙে পড়েছিল...​আমার ৮ মাস...
03/08/2026

ডাক্তার যখন চার্ট দেখিয়ে বললেন—'বাচ্চার ওয়েট গেইন তো হচ্ছেই না, উল্টো কমছে'—তখন মাথায় যেন আকাশ ভেঙে পড়েছিল...

​আমার ৮ মাসের বাচ্চা তাসিনকে ৬ মাস পার হওয়ার পর থেকেই সুজি, ডাল ছোলা চাল মিশিয়ে সেরেলাকের মতো বানিয়ে দিতাম। কিন্তু ও কিছুতেই ভালোভাবে হজম করতে পারত না। জোর করে একটু খাওয়ালেও হয় বমি করে ফেলে দিত, না হয় পেট খারাপ হতো। আর এই জোর করে খাওয়াতে খাওয়াতে খাবারের প্রতি ওর তৈরি হয়েছিল এক ধরনের ভয়, অবীহা। খাবারের থালা দেখলেই কান্না করতো!

​শাশুড়ি মা বারবার বলছিলেন, তোমার বানানো সেরেলাক যেহেতু খায়না, অনলাইনে এত এত ডাল-ছোলার প্যাকেট পাওয়া যায়, ওসব ট্রাই করো না কেন?
একদিন ২০ টার উপর উপাদান মিশ্রিত করে তৈরি এমন একটা সেরেলাক অর্ডার করলাম। এটা খাওয়ানো শুরু করতে গিয়েও দেখি বাবু খায়না, জোর করে খাওয়ালেও হজম হয়না৷ হজমের সমস্যা আগের থেকে বাড়ছে।
আমার এক আপুর সাথে কথা বললাম, বললো আমরা বড়রা কি ডাল ছোলায় ভরপুর ২০-২৫ রকমের উপাদান দিয়ে কোন খাবার কি সহজে হজম করতে পারবো? তাহলে তুই বাচ্চাকে এত ভারি খাবার দিচ্ছিস কেন? এভাবে তো বাচ্চাটার হজমোর অবস্থার বারোটো বাজাচ্ছিস।

চিন্তা করলাম সত্যি তো কথাটা, যেটা আমি হজম করতে পারবো না সেটা আমার এতো ছোট বাচ্চাকে কিভাবে দেই?

তারপর থেকে আমি আমার বাচ্চাকে ডাল বা ছোলা জাতীয় ভারী, যা হজম করা কঠিন বা কোনো প্রক্রিয়াজাত খাবার আর দেইনি না। আমি এমন কিছু চাইছিলাম যা অল্প কিছু প্রাকৃতিক উপাদানে তৈরি, বাচ্চার বয়স অনুযায়ী আলাদা আলাদা করে তৈরি করা হয়। পুষ্টির সাথে সাথে স্বাদও ভালো হয়, স্বাদই হলো বাচ্চাদের খাবার খাওয়ার প্রধান আকর্ষণ, স্বাদ না হলে যতই ভালো খাবার হোক খেতে চায়না।

​কুটুম ফুডের গ্রোথ প্লাস-এর কথা এক ফ্রেন্ডের মাধ্যমে জানতে পারি। উপাদান তালিকায় দেখলাম—জাফরান, খেজুর চিনি, কাঠবাদাম, কাজু, আখরোট, আপেল,, কমলা, নাশপাতি, সাদা তিল আর প্রিমিয়াম গুঁড়া দুধ। ফল কিভাবে মিশায় জানতে চাইলে তারা সুন্দর করে বুঝিয়ে বলে, তারা তাজা ফল ধুয়ে কেটে ড্রায়ারে শুকিয়ে তারপর গুড়া করে মেশায়, যেন বাচ্চারা ফলের পুষ্টি পায়, এটা তাদের হজমে সাহায্য করে, স্বাদও বাড়ায়।

এটাতে কোনো রিফাইনড সাদা চিনি নেই, অনেক অনেক টাইপের ডাল ও ছোলা নেই যা পেটে গ্যাস বাড়ায়, হজমে সমস্যা করে এমন কিচু নেই এটাতে।
তারপরও কিছুটা ​ভয়ে ৬-১২ মাসের ভ্যারিয়েন্টটা অর্ডার করলাম।
পার্সেল পাওয়ার পর আমি নিজে প্রথম টেস্ট করি। হালকা জাফরান আর শুকনো ফলের প্রাকৃতিকভাবে মিষ্টি স্বাদ, যা বাচ্চাদের মুখের স্বাদ ও রুচি ফেরাতে বাধ্য।
​প্রথম দিন রান্না করার সময়ও খুব সুন্দর স্মেল বের হলো, অল্প করে দিয়েছি প্রথমদিন, দেওয়ার পর তাহসিন শান্ত হয়ে পুরো বাটি শেষ করল! সবচেয়ে বড় স্বস্তি পেলাম এটাতে, নিয়মিত ২ বেলা খাইয়ে ৭ দিন পরও ওর হজমে কোনো সমস্যা হলো না, পেটে গ্যাস হলো না। খাবার যে স্বাদ হয়, মজা করে খাওয়া যায় এটা তার মনে পুনরায় গেথে গেছে। আগে খাবার দেখলে ভয় পেত, এখন আগ্রহী হয়ে খায়।

​আজ ২ মাস পর তাহসিনকে নিয়ে ডাক্তারের কাছে গিয়েছিলাম। ওয়েট স্কেলে মাপার পর ডাক্তার হেসে বললেন, পারফেক্ট গ্রোথ! কী খাওয়াচ্ছেন এখন?, বললাম ফল ও শস্য দানার হোমমেড খাবার খাওয়াচ্ছি, সাথে ডিম, মাছ মাংস একটু একটু করে খাচ্ছে।
​সেদিন ডাক্তারের চেম্বার থেকে বের হয়ে মনটা শান্তিতে ভরে উঠেছিল। বাচ্চার শারীরিক শক্তি আর অ্যাক্টিভিটি দেখলেই এখন বোঝায় যায় গ্রোথ প্লাসের প্রিমিয়াম পুষ্টি কতটা কাজ করছে। ধন্যবাদ কুটুম ফুড টিমকে।

​যে মায়েরা বাচ্চার ওজন ও হজম নিয়ে রাতে ঘুমাতে পারেন না, তাদের বলব—একবার শুধু Kutum Food - কুটুম ফুড এর গ্রোথ প্লাস এর ন্যাচারাল উপাদানের স্বাদ ও পুষ্টির অভিজ্ঞতা নিয়ে দেখুন, বাকিটা নিজেই দেখতে পাবেন ইনশাআল্লাহ !

আমাদের কাছে নিজের বাচ্চার জার্নিটা সুন্দর করে লিখে পাঠিয়েছেন তানজিনা আপু, আপুকে ধন্যবাদ এতো সুন্দর করে, সময় নিয়ে বাচ্চার এই পুষ্টি জার্নি শেয়ার করার জন্য।

সাদা চিনি বনাম লাল চিনি বা গুড়: বৈজ্ঞানিক সত্য কি?​আমরা অনেকেই মনে করি সাদা চিনি ও লাল চিনি (বা গুড়) এর মধ্যে পার্থক্য স...
02/08/2026

সাদা চিনি বনাম লাল চিনি বা গুড়: বৈজ্ঞানিক সত্য কি?

​আমরা অনেকেই মনে করি সাদা চিনি ও লাল চিনি (বা গুড়) এর মধ্যে পার্থক্য সামান্য। কিন্তু বৈজ্ঞানিক গবেষণায় উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য!

​আপনার ও আপনার পরিবারের স্বাস্থ্যের কথা ভেবে চলুন জেনে নিই অতিরিক্ত সাদা চিনি খাওয়ার ক্ষতিকর দিকগুলো:
​🔸 পুষ্টিশূন্যতা: রিফাইন্ড সাদা চিনি তৈরির প্রক্রিয়ায় আখের সব প্রাকৃতিক ভিটামিন ও মিনারেলস দূর হয়ে যায়। এটি শুধুই "শূন্য ক্যালোরি" দেয়।
​🔸 ওজন বৃদ্ধি ও ডায়াবেটিস: অতিরিক্ত চিনি গ্রহণ রক্তে শর্করার মাত্রা দ্রুত বৃদ্ধি করে, যা ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স তৈরি করে এবং টাইপ-২ ডায়াবেটিস ও স্থূলতার ঝুঁকি বহুলাংশে বাড়ায়।
​🔸 হৃদরোগ: গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত বেশি চিনি খাওয়া হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।
​🔸 রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা হ্রাস: অতিরিক্ত চিনি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দেয়।

​এর বিপরীতে, আখের গুড় প্রাকৃতিকভাবে তৈরি হয় এবং এতে সামান্য পরিমাণে হলেও আয়রন, ম্যাগনেসিয়াম ও পটাশিয়ামের মতো প্রয়োজনীয় খনিজ উপাদান থাকে।

​তাই মিষ্টি যদি ব্যবহার করতেই হয় তাহলে আজকে থেকেই সাদা চিনির বদলে বেছে নিন প্রাকৃতিক লাল চিনি বা খাঁটি গুড়। সামান্য এই পরিবর্তন আপনার পরিবারের জন্য দীর্ঘস্থায়ী সুফল বয়ে আনবে।
​সুস্থ থাকুন, নিরাপদে থাকুন! ❤️

​

02/08/2026

যে মা তার সন্তানকে খাওয়াতে পারে না, কেবল তিনিই জানেন কষ্টের ওজন কতটুকু!
​
সারাদিন অফিস বা সংসারের ধকল শেষে যখন দেখি আমার আদরের সোনাটা মুখে খাবার তুলছে না, তখন বুকের ভেতরটা কেমন যেন হাহাকার করে উঠত। কত ডাক্তার, কত ভিটামিন, কত কিছু চেষ্টা করেছি। জোর করে খাওয়াতে গিয়ে অনেক সময় কেঁদেছি, বাচ্চাকেও কাঁদিয়েছি।
​অবশেষে এক আপুর পরামর্শে 'কুটুম গ্রোথ প্লাস' ট্রাই করলাম। শুরুতে খুব একটা আশা ছিল না। কিন্তু বিশ্বাস করুন, ম্যাজিকের মতো কাজ হলো! আলহামদুলিল্লাহ, এখন আমার মেয়েটা নিজেই খাবার চায়, অল্প অল্প করে হলেও সব খায়। আর ওর সেই খুশির হাসিটা দেখে আমার মনে হয়, আমি পৃথিবীর সবচেয়ে সুখী মা।
​প্রতিটি মায়ের এই দুশ্চিন্তা দূর হোক, এটাই আমার কামনা।

বিস্তারিত জানতে ইনবক্স করতে পারেন বা ভিজিট করতে পারেন Kutumfood.com

02/08/2026

বাচ্চার প্রতিদিনের পুষ্টি চাহিদা সঠিকভাবে পূরণ করতে সাহায্য করে ফল ও শস্য দানা দিয়ে তৈরি গ্রোথ প্লাস।

কেন গ্রোথ প্লাস (Growth Plus) মায়েদের প্রথম পছন্দ?

ব্রেন ডেভেলপমেন্ট: কাঠবাদাম, কাজু ও আখরোটের ওমেগা-৩ শিশুর মস্তিষ্কের গঠন ও স্মৃতিশক্তি বাড়ায়।
সহজে হজম: আপেল, কমলা ও নাশপাতির ন্যাচারাল ফাইবার শিশুর পেট ভালো রাখে ও হজমশক্তি বাড়ায়।

ওজন ও এনার্জি: ভুট্টা ও চিনিগুঁড়া চালের ক্যালরি শিশুকে দিনভর ফুল-এনার্জিতে রাখে।

হাড়ের গঠন: সাদা তিল ও প্রিমিয়াম গুঁড়া দুধের ক্যালসিয়াম শিশুর হাড় মজবুত করে।
​
আপনার সোনামণির বয়সের জন্য সঠিক ভ্যারিয়েন্টটি বেছে নিতে আমাদের পেজে মেসেজ করুন।

ভিজিট করুন
kutumfood.com

WhatsApp : 01603-880305

02/08/2026

সারাদিন অফিস শেষে বাড়ি ফিরে যখন দেখতাম স্ত্রীর চোখ দুটো লাল হয়ে আছে, বুকটা কেঁপে উঠত..

​কোনো অসুখ বা বিপদ না, কান্নাটার কারণ একটাই— আমার ১৩ মাসের বাবা রিহান আজ সারাদিনে এক চামচ ভাতও মুখে নেয়নি। রান্নাঘর ভর্তি নানা পদের খাবার, আর রিহান ড্রয়িংরুমে খেলনা নিয়ে ব্যস্ত, খাবারের থালা দেখলেই ছিটকে দূরে সরে যায়।
​স্ত্রী কান্নাজড়ানো গলায় বলল, শুনো আমি আর পারছি না, তুমি কিছু এজটা করো। প্রতিদিন এত কিছু বানাই, সব ফেলে দিতে হয়। বাচ্চাটার ওজন দিন দিন কমছে, বুকের দুধ দিয়ে তার এই বাড়ন্ত বয়সের সব পুষ্টি চাহিদা পূরণ হয়না, কিন্তু সে কিছুই খায়না, মুখে নিয়ে ফেলে দেয়।

​একজন বাবা হিসেবে বাচ্চার মায়ের এই অসহায়ত্ব সহ্য করা কঠিন। নিজেই রাতে ল্যাপটপ নিয়ে বসলাম—কী এমন খাবার দেওয়া যায় যা কেমিক্যালমুক্ত, পুষ্টিকর আবার বাচ্চাও মুখে দেবে? বিভিন্ন ফেসবুকে গ্রুপে খুঁজতেছি, ফেসবুক পেজও দেখতেছি, একটা পেজ 'কুটুম ফুড' চোখে পড়লো। তাদের একটা পন্য গ্রোথ প্লাস আছে দেখলাম।

​আপনাদের পেজে মেসেজ দেওয়ার পর যে জিনিসটা ভালো লাগল— আমাকে হুট করে সবচেয়ে বড় বয়ামের খাবার কিনতে বলল না, এটা নেন, অর্ডার করেন এসব বলেনি । উল্টো বাচ্চার বর্তমান বয়স (১৩ মাস), বাচ্চার হজম ক্ষমতা আর পছন্দের ধরন সবকিছু ডিটেইলস জেনে ১৩-২৪ মাসের নির্দিষ্ট গ্রোথ প্লাস সাজেস্ট করল। সবচেয়ে বড় কথা, জানাল স্যার,
'বাচ্চা না খেলে বা কোয়ালিটি পছন্দ না হলে ৭ দিনের মানি ব্যাক গ্যারান্টি তো থাকছেই!'

​পার্সেল যেদিন আমার দেয়া অফিসের ঠিকানায় এলো, কল দেয়াতে আমি অফিসের নিচে এসে রিসিভ করলাম। বাসায় এসে নিজে দাঁড়িয়ে থেকে খুললাম। এয়ারটাইট সিল খুলতেই এক প্রিমিয়াম ন্যাচারাল ঘ্রাণ—জাফরান, কাজু-আখরোট আর ফলের চমৎকার একটা সুবাস। কোনো কৃত্রিম কেমিক্যালের গন্ধ নেই, সদ্য তৈরি করা ন্যাচারাল খাবার এর তাজা ঘ্রাণ মনে হলো ।
পরদিন ছিলো শুক্রবার, ছুটির দিন।
রিহানের আম্মু যখন ​রান্না করে যখন প্রথম চামচটা রিহানের মুখে দিলো, আমরা দুজন একে অপরের হাত ধরে দাঁড়িয়েছিলাম—বুক ধুকধুক করছিল, খাবে তো খাবার নাকি বাকি খাবারের মতো মুখে নিয়ে একটু রেখে ফেলে দিয়ে দৌড় দেয়।

​চমকটা ঘটল তখনই! রিহান খাবারটা ফেলে দিল না। মুখ থেকে না ফেলে বরং পুরোটা এক অদ্ভুত ভালোলাগা নিয়ে খেলো, তারপর হা করে যেন আরও এক চামচ চাইল! ওই মুহূর্তে আমার স্ত্রীর মুখের তৃপ্তির হাসিটা দেখার মতো ছিল। তার কান্না দেখি সবসময়, সেই জায়গায় আজ তৃপ্তির হাসি, খুবই চমৎকার দৃশ্য তখন। আমার হৃদয়েও কি যে শান্তি কাজ করছিলো বলে বুঝানোর মতো না, বাবা-মা ছাড়া এটা উপলব্ধি করার সক্ষমতা আল্লাহ অন্য মানুষকে মনে হয় এটা দেননি, মুখে বলেও তার কিছুই বুঝানো যাবে না।

​আজ দুই সপ্তাহ ধরে কুটুম ফুডের গ্রোথ প্লাস রিহানের ডেইলি ফুড মেনুতে রয়েছে। ওর খাবারের প্রতি আস্থা ফিরে এসেছে, খাবার মানেই যে খারাপ স্বাদ, খাবার মানেই যে ফেলে দিতে হবে তার সেই পুরনো বিশ্বাস ভেঙেছে, এটা ভেঙেছে গ্রোথ প্লাস এর জাদুকরী স্বাদে, প্রিমিয়াম ফিলে। সেই সাথে আমাদের ঘরের রিহানকে নিয়ে খাবার পুষ্টি, সুস্থতা এসব নিয়ে সব মানসিক অশান্তিও দূর হয়েছে, আলহামদুলিল্লাহ।
​ধন্যবাদ কুটুম ফুডকে। মায়েদের পাশাপাশি আমাদের মতো বাবাদের মানসিক দুশ্চিন্তা দূর করার জন্য। সারাদিন অফিস করে এসে এখন তার সাথে হাসি আনন্দে সময় কাটাই, জীবন এখন সত্যিই বড় আনন্দময়। ❤️

সাইফুল ভাইয়ার শেয়ার করা লেখাটা আপনাদের জানালাম, অনেক বাবা-মায়ের হেল্প হবে আশা করি।

আমরা কিন্তু কেউ অর্ডার হওয়ার পর তৈরি করে পাঠাই যেন কোয়ালিটি ভালো ও ফ্রেশ থাকে, আগে তৈরি করে স্টক করিনা। আর ১ টাকাও অগ্রিম ছাড়া ক্যাশ অন ডেলিভারিতে সারা বাংলাদেশে হোম ডেলিভারি পাঠাই।

01/08/2026

২০ মাসের বাবুটার মুখে যখন প্রথম চামচটা দিলাম আমার খুব টেনশন হচ্ছিলো..

টেনশনটা একটু বেশিই হচ্ছিলো কারণ অন্যান্য খাবার এর মত এই খাবারও যদি বাবু না খায়, এত আশা করে কিনে আনা খাবার নিয়েও কি আরেকবার হতাশ হতে হবে আমাকে এই চিন্তায় টেনশন বাড়ছিলো।

​আমার ২০ মাসের ফারদি খাবার দেখলেই মুখ ঘুরিয়ে নেয়। খাবারের থালা নিয়ে পেছনে পেছনে হাঁটা, কত রকমের খাবার বানানো—কিছুতেই কিছু হয় না।
কেমিক্যাল বা প্রিজারভেটিভ দেওয়া প্যাকেটের খাবার তো দেবই না, তাই হোমমেড খাবার ট্রাই করেছি আমি সবসময়।

অনেক পেজের খাবার নিয়ে ট্রাই করেছি, বাবু খায়না, দিমে দিনে আমার হতাশাই কেবল বেড়েছে।
গুগলে একটা ব্লগ পড়ে সেখান থেকে কুটুম ফুডের কথা জানতে পারি, খাবারের ডিটেইলস দেখি ওয়েবসাইটে।
তারপরও আরও সিউর হওয়ার জন্য হোয়াটসঅ্যাপে নক দেই।
​কুটুম ফুডের হোয়াটসঅ্যাপে যখন মেসেজ দিই, তখনো মন ভরা অজস্র সন্দেহ!
​'আমার বাচ্চা ২০ মাসের, ও কি ৬ মাসের বাবুর খাবার খাবে? নাকি বয়স অনুযায়ী আলাদা?'

কুটুম ফুডের আপু ধৈর্য ধরে আমাকে সব কিছু বুঝিয়ে বললেন—’না আপু, ৬-১২ মাস এবং ১৩-২৪ মাসের বাচ্চার পুষ্টি চাহিদা আলাদা। এমনকি ২৪ মাসের পর গ্রোথ প্লাসের পরবর্তী ভ্যারিয়েন্টও রয়েছে। আরো অনেক কিছু জিজ্ঞেস করে আমার মনের সন্দেহ দূর করার অনেক কিছু নিয়ে প্রশ্ন করেছি, আপু সব সুন্দর করে বুঝিয়ে বলেছেন। সব শুনে আমি সন্তুষ্ট হয়ে হাফ কেজি অর্ডার করি প্রথমে।

​এরপরও মন মানছিল না। পার্সেলটা যখন ডেলিভারিম্যান নিয়ে এলো, আমি তাকে দাঁড় করিয়ে রেখে পার্সেল খুলে দিতে বললাম। বক্সের প্যাকেজিং মাশাবল্লাহ সুন্দর ছিলো। মোবাইলে পাঠানো জারের ছবির সাথে বক্সের হুবহু মিল আছে কিনা দেখলাম।
জার ঠিক আছে, কিন্তু স্বাদ ভালো হবে কিনা, বাবু খাবে কিনা সেটা যাচাই করার জন্য করে বসি আরেক আবদার, খুলে খেয়ে দেখতে চাই একটু মুখে নিয়ে। রাইডার বলতেছে, এরকম তো কেউ করেনা নরমালি,তারপরও আমি কল দিয়ে দেখি মার্চেন্ট কি বলে। কুটুম ফুড থেকে নাকি বলেছে অবশ্যই খুলে খেয়ে চেক করতে পারবে, আপনি খুলতে দিন প্লিজ। তারা যে সাত দিনের খাইয়ে, চেক করে খারাপ মনে হলে ফুল টাকা ফেরতের গ্যারান্টিও দেয় সেটা তখন মাথায় কাজ করছিলো না। আমার বাবাটার খাবার নিয়ে এত এত সমস্যায় পড়েছি, ট্রমাটাইজ হয়েঋি, এখন আমার নিজের মস্তিষ্ক সবকিছু মনে রাখতে পারে না।

যাই হোক আমি বাসায় নিয়ে সিকিউরিটি পলি খুলে, ক্যাপের ভিতরের ফয়েল পেপার এর এয়ার টাইট জার এর মুখ যখন খুলেছি তখনই ফল, দুধ ও জাফরানের মিলিত সুন্দর একটা স্মেল বের হলো। আমি নিজে একটু মুখে নিয়ে টেস্ট করলাম! স্বাদ ও ঘ্রাণ অনেক ভালো লেগেছে, ন্যাচারাল মনে হয়েছে। আনার নিজের কাছে এখন পর্যন্ত বাসায় বানানো বা কিনে আনা বিভিন্ন হোমমেড খাবার মধ্যে সবচেয়ে সুস্বাদু ও প্রিমিয়াম মনে হয়েছে মুখে দিয়ে।
তারপর সন্তুষ্ট হয়ে বের হয়ে টাকা দেই ডেলিভারি ম্যানকে।

একটু পর জারের গায়ের নিয়ম অনুযায়ী রান্না করে দেই পানির সাথে মিশিয়ে। প্রথম চামচ ফারদির মুখে দেয়ার সময়ও অনেক টেনশন হচ্ছিলো, আমার পছন্দ তার যদি পছন্দ না হয়,যদি না খায় এই চিতা শুধু মাথায় ঘুরছে। এর আগে অমেক বার এরকম হয়েছে, তাই এই ভয় বারবার করছিলো।
​সবচেয়ে বড় চমকটা মিলল ঠিক দুই মিনিট পর!
যে বাচ্চা খাবার দেখলেই ভয় পেত, মুখ চেপে রাখত, প্রথম চামচটা দিতেও লড়াই করতে হয়েছে—সেই বাবা আমার প্রথম চামচটা খেয়ে চমৎকার একটা হাসি দিল! তারপর নিজে থেকে হা করলো আরো দেয়ার জন্য, হাত দিয়ে চামচ টান দিচ্ছে যেন তাড়াতাড়ি দেই। আমি তো খুশিতে টইটুম্বুর, এটা যেন ম্যাজিক লাগছে আমার কাছে, কোনো বায়না ছাড়া নিজে আগ্রহীহয়ে বাটির পুরো খাবারটা খেয়ে নিল।
নিজে থেকে আগ্রহী হয়ে মজা করে তৃপ্তি নিয়ে খাবার খাচ্ছে এই প্রথম দেখলাম। আমার কলিজাটা ঠান্ডা হলো। আমি খুশিতে কান্না করে দিছি তার তৃপ্তি নিয়ে খাওয়া দেখে।

আমি কত দিন, কত মাস এটা মনে মনে ভেবেছি যে কি করলে আমার বাবাটা নিজে থেকে আগ্রহী হয়ে খাবে, কি দিলে, কিভাবে দিলে খাবে। আমার এত দিনের আশা, চিন্তা ও স্বপ্ন সত্যি হয়েছে এতদিনে এসে গ্রোথ প্লাস এর সাহায্যে।
তারপর থেকে আজকে ৫-৬ দিন হলো তার প্রিয় খাবার এটা, এটা তৈরি করে সামনে দিয়েছি দেখলেই সে খুশি হয়ে যায়।

এটা এতই সুস্বাদু যে বাচ্চা নিজে থেকে খেলো, আর এটার উপাদানগুলোও সব প্রিমিয়াম, ডাল, ছোলা, মটর এসব ছাড়া ফল, বাদাম, শস্য ও দুধ দিয়ে তৈরি, তাই বাচ্চারা এতো পছন্দ করে। কুটুম ফুডকে ম্যাসেজ পাঠাবো দেখে এই যে দীর্ঘ লেখা লেখছি কোন ক্লান্তি নাই, এই লেখা লিখতে গিয়েও খুশিতে আমার চোখের কোণে পানি জমেছে, আমার স্বপ্নপূরণের খুশির পানি, আমার কলিজার টুকরার খাবারের তৃপ্তির খুশি, এটার মতো খুশি একজন মায়ের কাছে আর কিসে আছে আমি জানিনা, এই মূহুর্তে মনে পড়ছে না।

আমি এখনই সব ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা দিয়ে শেষ করতে চাইনা কুটুম ফুডকে, কারণ তাদের সাথে আমার পথচলা শুরু হলো মাত্র। আল্লাহ বাঁচালে সামনে অনেক অনেক সময় বাকি খাবার নিয়ে নিয়ে ধন্যবাদ আস্তে আস্তে দিব। তাদের প্রতি আমার যে কৃতজ্ঞতা তা সব কিছু এখানে লিখতেও পারছিনা, বাকিটা আবার অন্য কোন সময় লিখবো।

বাংলাদেশের অনেক মা আমার এতদিনের মতো এই সমস্যায় ভুগতেছেন নিশ্চয়ই, আমার সামর্থ্য থাকলে সবার কাছে গিয়ে বলে আসতাম আপু একবার ট্রাই করে দেখেন, তাদের খাবারের কোয়ালিটিতে আপনি জাস্ট মুগ্ধ হবেন, আর বাচ্চার খাবারের সমস্যার সমাধানও পাবেন, দুশ্চিন্তা মুক্ত হবেন ইনশাআল্লাহ।

29/07/2026

বাচ্চা হোক বড় সবার সুস্বাস্থ্যের জন্যই নিরাপদ ফুড দরকার। কলা কিনার সময় একটু সতর্ক হয়ে কিনবেন ইনশাআল্লাহ

আপনার ২ থেকে ৫ বছরের সোনামণি কি খাওয়ার সময় হলেই টেবিলে কান্নাকাটি বা জেদ শুরু করে? ২৫ মাস থেকে ৫ বছর বয়সী বাড়ন্ত বাচ্চাদ...
19/07/2026

আপনার ২ থেকে ৫ বছরের সোনামণি কি খাওয়ার সময় হলেই টেবিলে কান্নাকাটি বা জেদ শুরু করে? ২৫ মাস থেকে ৫ বছর বয়সী বাড়ন্ত বাচ্চাদের হাড়ের মজবুতি, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এবং মস্তিষ্কের কোষ গঠনের জন্য সাধারণ ভাতের চেয়েও বেশি প্রোটিন, আয়রন ও মাইক্রো-নিউট্রিয়েন্ট প্রয়োজন হয়। কিন্তু এই বয়সের চঞ্চল বাচ্চারা ঘরের সাধারণ খাবার সহজে মুখে তুলতে চায় না, যার কারণে মায়েদের প্রতিদিন খাবার খাওয়াতে গিয়ে যুদ্ধের মুখোমুখি হতে হয়।

আপনার এই মানসিক দুশ্চিন্তার অবসান ঘটাতে কুটুম ফুড (Kutum Food) নিয়ে এসেছে 'বাসমতী রাজমা খিচুড়ি ২'। পুষ্টিবিদদের নিখুঁত অনুপাতে তৈরি প্রিমিয়াম বাসমতী চাল, রাজমা ও ওমেগা-৩ সমৃদ্ধ উপাদানের এই ইনস্ট্যান্ট খিচুড়ি মিক্স পাউডারটি বাচ্চার খাবারের অরুচি দূর করে শরীরের সমস্ত ঘাটতি পূরণ করবে এবং তাকে করে তুলবে সারাদিন একটিভ, চঞ্চল ও এনার্জেটিক!

একটি মানবিক উদ্যোগ: আপনার সন্তানের সুস্বাস্থ্যের পাশাপাশি আরেকটি শিশুর মুখে হাসি ফোটানোর অংশীদার হোন। প্রতিটি ৫০০ গ্রামের জার বিক্রি থেকে ২০ টাকা সরাসরি অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের কল্যাণে ব্যয় করা হয়।

১ টাকাও অগ্রিম পেমেন্ট ছাড়া ক্যাশ অন ডেলিভারিতে এখনই অর্ডার করুন।

সন্তানকে নিয়ে অনেক অভিভাবকেরই সাধারণ একটি দুশ্চিন্তা হলো—তার জড়তা এবং সাহসের অভাব।​কিন্তু জানেন কি, সাহসের পেছনে লুকিয়ে ...
06/07/2026

সন্তানকে নিয়ে অনেক অভিভাবকেরই সাধারণ একটি দুশ্চিন্তা হলো—তার জড়তা এবং সাহসের অভাব।
​কিন্তু জানেন কি, সাহসের পেছনে লুকিয়ে আছে শরীরের অভ্যন্তরীণ শক্তি?
​'কুটুম ফুড গ্রোথ প্লাস'-এর জাদুকরী ভূমিকা:
আমাদের শরীরে কোষের কর্মক্ষমতা এবং শক্তির ভারসাম্য ঠিক থাকলে তবেই মস্তিষ্ক শান্ত ও আত্মবিশ্বাসী থাকে। নিয়মিত 'গ্রোথ প্লাস' সেবনে আপনার সন্তানের শরীরে প্রয়োজনীয় পুষ্টির জোগান দেয়, যা—
✅ কোষের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি করে ক্লান্তি দূর করে।
✅ স্নায়ুর গঠন মজবুত করে মনের ভয় কাটাতে সাহায্য করে।
✅ শরীরকে করে তোলে সতেজ ও প্রাণবন্ত।
​যখনই শরীরের কোষগুলো পর্যাপ্ত পুষ্টি পায়, তখন শিশু মানসিকভাবে অনেক বেশি শক্তিশালী ও সাহসী হয়ে ওঠে। আজ যে শিশুটি স্টেজ দেখে ভয় পাচ্ছে, সঠিক পুষ্টির ছোঁয়ায় কাল সেই শিশুই হতে পারে মঞ্চ কাঁপানো এক বক্তা!
​আপনার সন্তানের ভেতরের অদম্য সাহসকে জাগ্রত করতে আজই তার সঙ্গী করুন—কুটুম ফুড গ্রোথ প্লাস। কারণ সঠিক পুষ্টিই সাফল্যের মূল ভিত্তি।
​আজই সংগ্রহ করুন আপনার নিকটস্থ শপ থেকে বা অর্ডার করুন আমাদের ইনবক্সে।

​

29/06/2026

আপনার ডাইনিং টেবিলে যখন সুগন্ধি বাসমতি আর ৫টি সুপারফুডের রাজকীয় পুষ্টি ছড়াচ্ছে, তখন আপনারই হাত ধরে আরেকটি সুবিধাবঞ্চিত শিশু পাচ্ছে পেট ভরা খাবারের নিশ্চয়তা।
​"কুটুম ফুড বাসমতি রাজমা খিচুড়ি মিক্স"-এর প্রতিটি জার কেনাকাটায় আপনার পক্ষ থেকে ২০ টাকা সরাসরি চলে যাচ্ছে এতিম ও অসহায় শিশুদের কল্যাণে।

​সন্তানের মুখে সেরা পুষ্টি তুলে দেওয়ার পাশাপাশি সমাজের প্রতি আপনার দায়িত্ব পালনের এই স্বর্গীয় অনুভূতি সত্যি অতুলনীয়। আসুন, একসাথে গড়ে তুলি এক সুস্থ ও হাসিখুশি আগামী।
​অর্ডার করতে সরাসরি আমাদের মেসেজ করুন।

​

Address

ECB Chattar, Dhaka Cantonment
Dhaka
1206

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Kutum Food - কুটুম ফুড posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share