30/09/2024
একবার না, দুইবার না, তিন তিনবার সাকিব "দ্যা ফিক্সার" জুয়াড়ি আগারওয়ালের সাথে হোয়াটসঅ্যাপে আলাপ করেছিল।
২০১৭ তে ইন্ট্রো হয় একজনের মাধ্যমে।
২০১৮ তে ডিপিএলে আগারওয়াল জিগায়, " আমরা কী এইটাতে কাজ করব নাকি আইপিএলের জন্য ওয়েট করব?"
এরপর ২০১৮ তে বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা, জিম্বাবুয়ে ট্রাই সিরিজেও আলাপ হয়। আগারওয়াল বলে, "ব্রো, এই সিরিজে কিছু হবে?"
'কিছু হবে' মানে দলের ভেতরকার খবর দেয়া।
আগারওয়াল সাকিবের ডলারের একাউন্ট এড্রেস জানতে চায়, বিট কয়েন নিয়েও আলাপ হয়।
সাকিব পার্সোনালি তার সাথে দেখাও করতে চায়।
২ বছরে ৩ বার (অফশিয়ালি জানা গেছে) ফোনে আলাপ, দেখা করার ইচ্ছা, এমনি ব্যাংক বিট কয়েন নিয়া আলাপ সালাপ সেরে ফেলার পরেও যদি কেউ বিশ্বাস করে সাকিব ফিক্সিং করে নাই তাহলে সে আসলে "পাগল বা শিশু।"
আন্তর্জাতিক খেলোয়াড়দের ভালোভাবেই বলা হয় ফিক্সার এ্যাপ্রোচ করলেই সেটা আইসিসিকে জানাতে হয়। না জানালে সেটা শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
সাকিব কী করসে?
না জানায়ে আলাপ বাড়াইসে। লেনদেনের মেথড নিয়াও আলাপ করসে।
বাংলাদেশের দূর্নীতিবাজ বোর্ড না হয়ে বিশ্বের যেকোনো দেশের বোর্ড হলে সে আজীবন নিষিদ্ধ হত।
এ ত গেলো মাঠের চুরি। মাঠের বাইরেরগুলা দেখি।
আমাদের এই সাকিব সোনা চোরাচালানের সাথে জড়িত।
আমাদের সাকিব মানব পাচারের সাথে জড়িত ছিল।
আমাদের এই সাকিব শেয়ারবাজারে পাবলিকের টাকা লুটপাটের চক্রে ছিল।
২ দিন আগেই তাকে এই কারনে ৫০ লাখ টাকা জরিমানা করেছে। যে টাকা সে লুট করেছে তার তুলনায় এইটা হয়ত কিছুই না।
আমাদের এই সাকিব কাকড়ার ব্যবসা করে ব্যবসায়ীদের কোটি টাকা মেরে দিয়েছে। ৩/৪ মাস বেতন না দেয়ায় তার ফ্যাক্টরির কর্মরা রাস্তায় নেমেছে।
কিন্তু শুধু চুরি আর বাটপারিতি আর চলছিলোনা। কতদিক সামাল দেয়া যায়? এর চাইতে সরকারে ঢুকে গেলে ত আর কোনো চিন্তাই নাই। যাই করবে সব জায়েয।
হাসিনার সরকারে থাকলে প্রশ্ন করার কলিজা কে করবে?
তাই সাকিব কোটি টাকা ইনভেস্ট করে নমিনেশন কিনে ভোট ডাকাতির নির্বাচনে এমপি হয়েছিলো।
এমপি হওয়ার পর আর কীসের চিন্তা!
কার ঘাড়ে কয়টা মাথা যে তার বাটপারি, চুরি, দূর্নীতি নিয়া প্রশ্ন করে?
এমপি হওয়ার পরেই শুল্কমুক্ত যে গাড়িটি কিনে সে সেইটা ছিলো সকল এমপিদের মাঝে সেকেন্ড এক্সপেন্সিভ। আম্লিগ পরে যাবে টের পেয়ে আগেভাগেই গাড়ি বের করে নেয়।
যাকে বলে একেবারে খানদানি বাটপার।
খানদানিই বটে!
কারন তার বাপও কাকড়া ব্যবসায়ীরা পাওনা টাকা চাইতে গেলে বাজে ব্যবহার করে বাসা থেকে বের করে দেয়।
দেশের বড় বড় ডাকাত, খুনী, রেপিস্ট এদের সাথে উঠাবসা ছিল সাকিবের রুটিন কাজ। শত শত ছবি আছে।
আর ক্রিকেট?
দলের মাঝে গ্রুপিং কে সর্বোচ্চ পর্যায়ে নিয়ে গিয়েছিল।
তামিম ইকবালকে বাদ দেয়ার জন্য বিশ্রী গেম খেলেই ক্ষান্ত হয় নাই, টিভিতে বিশ্রী একটা স্পিচও দিয়েছে। দুনিয়ায় এমন নজির আছে যে সিনিয়র প্লেয়ারকে গুটিবাজি করে বাদ দিয়ে এভাবে মিডিয়াতে অপমান করা?
এই সাকিব আম্লীগ পতনেত আগে টেস্ট খেলতেই চাইতোনা কিন্তু সরকার পরে যাওয়ার পর কাছা মেরে টেস্ট খেলা শুরু করেছিল।
হারানো ইমেজ যে উদ্ধার করা লাগবে!
কিন্তু আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ত অত সহজ না! ইন্ডয়া প্যাদায়ে দেখায়ে দিসে তার আওকাদ এখন কই।
বাটপারি, চুরি, দূর্নীতি এইসব করতে করতে খেলার টাইম কই?
তাই মামলা খাওয়ার পর প্রভাব খাটায়ে সব প্লেয়ারকে দিয়ে ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে, পি আর টিম লাগিয়ে, সোশ্যাল মিডয়াতে পেইড লোকজন লাগায়েও লাভ হইলোনা।
খেলাটা এখন ছাড়তেই হইল।
অনেকে দেখতেসি বলতেসেন, সাকিব নাকি দেশের মাটিতে বিদায় নেয়াটা প্রাপ্য ছিল।
সিরয়াসলি!
এই দেশের ছোট ছোট বাচ্চারা যখন রাস্তায় তার দলেরই নেত্রীর নির্দেশে গুলি খেয়ে মরতেসে তখন সে উলটা আমাদের জিগায়, "দেশের জন্য কী করসেন?"
সে আর তার গোল্ড ডিগার বউ ( আয়েশি লাইফের জন্য যেই মেয়ে জামাইকে আরেকজনের সাথে শেয়ার করতেও আপত্তি করেনা) কানাডার সাফারি পার্কে ঘুরে ছবি আপলোড করে।
আর বাংলাদেশের রাস্তায় রাস্তায় পরে থাকে ছাত্র, রিক্সাওয়ালা, গার্মেন্টস কর্মি আর ছোট বাচ্চাদের লাশ!
ঐ সাকিব এই দেশের মাটিতে দর্শকের তালি পেয়ে অবসর ডিজার্ভ করে! আর ইউ ফা** উইথ মি?
সে কী বলবে তার ফেয়ারওয়েল ভাষনে?
ব্রায়ান লারা ফেয়ারওয়েল ভাষনে বলেছিল, " ডিড আই এন্টারটেইন?"
এই ফিক্সার, বাটপার ৭৫ কী বলবে?
"ডিড আই ফা* ইউ ওয়েল?"
উত্তরটা দিয়ে দেই,
"ইয়েস ইউ ডিড। ইউ আর দ্যা মোস্ট করাপ্টেড মা** ফা** প্লেয়ার দ্যাট বাংলাদেশ হ্যাভ এভার প্রডিউসড।"
আশফাক রহমান