Adi Bhai

Adi Bhai Creator BD Dhaka

জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক ক্রিকেটার সাব্বির রহমানকে রং সাইড দিয়ে যেতে দেখে একজন পথিক সামনে পুলিশ সার্জেন্টকে দেখিয়ে সতর্ক...
13/08/2026

জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক ক্রিকেটার সাব্বির রহমানকে রং সাইড দিয়ে যেতে দেখে একজন পথিক সামনে পুলিশ সার্জেন্টকে দেখিয়ে সতর্ক করলেন এবং অনুরোধ করলেন রং সাইড দিয়ে না যেতে। পথিকের কথায় তোয়াক্কা না করে রং সাইড দিয়ে কিছুদূর গেলে পুলিশ সার্জেন্টের সামনে পড়েন। হয়তো ভেবেছেন পরিচয় জেনে পুলিশ কর্তা ছেড়ে দেবেন। পুলিশ অবশ্য রং সাইডে আসা এবং নাম্বার প্লেট না থাকা বাইকটিকে সম্মানের জায়গা থেকে মামলা না করে ঘুরিয়ে দেন। ঘুরানোর সময় ক্রিকেটার সাব্বির অনুরোধ করা সেই পথিকের পরিচয় জানতে চান এবং বলেন আপনি উল্টো সাইডে যাননা? পরক্ষণে বাইকটি ঘুরিয়ে পুনরায় সাব্বির পথিককে কাছে ডেকে পরিচয় জানতে চান, পথিক পরিচয় দেন আমি একজন সাধারণ মানুষ। সাব্বির একজন ক্রিকেটার জেনে শুনেও উল্টো সাইডে তার বাইক যেতে বাধাদানের বিষয়টি তার ভালো লাগেনি। পুলিশ লক্ষ্য করেছেন কিনা তার বাইকের নাম্বার প্লেট নাই। একজন জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক/বর্তমান প্লেয়ারের অপেশাদার বচন/আচরন খুবই দুঃখজনক।

©opy

জুলাইয়ে ধারণ করা আমার নেতার কিছু স্মৃতি 🗿😌
12/08/2026

জুলাইয়ে ধারণ করা আমার নেতার কিছু স্মৃতি 🗿😌

পাশে থাকলেই বন্ধু হয় না—সময় এলে আসল চেহারা বেরিয়ে আসে!দুনিয়ায় আপনার সবচেয়ে বেশী ক্ষতি করবে আপনার আপনজনরাই।কাছের মানুষ...
09/08/2026

পাশে থাকলেই বন্ধু হয় না—সময় এলে আসল চেহারা বেরিয়ে আসে!
দুনিয়ায় আপনার সবচেয়ে বেশী ক্ষতি করবে আপনার আপনজনরাই।কাছের মানুষ গুলোই আপনাকে আঘাত করবে ক্ষতি করার চেষ্টা করবে 🫰💔

তারেকের গু খা suয়ারের বাচ্চা। ডেইলি তিন বেলা খাবি।  তোরে জন্ম দিয়া আমার কি লাভটা হইছে? বাপের মত হইছিস Suয়ারেরবাচ্চা। পলি...
08/08/2026

তারেকের গু খা suয়ারের বাচ্চা।

ডেইলি তিন বেলা খাবি। তোরে জন্ম দিয়া আমার কি লাভটা হইছে?
বাপের মত হইছিস Suয়ারেরবাচ্চা। পলিটিক্স বুঝস না।
এই যে খালেদা আপার পোলারে দেখ , যাই হোক চেষ্টা তো করতেছে।
সফল হোক না হোক প্ল্যান তো করতেছে।
আর তুই? চেয়ারে বইসা ইংলিশে ফটর ফটর করতাছস।
ভাত মাছ খাওয়ায় বড় করি নাই তোরে?
এতো কষ্ট কইরা বিদেশ পড়াইলাম কোন কামে লাগল?
যদি আমার এই বয়েসে কাম ব্যাক দেয়া লাগে তুই চুড়ি পইরা বইসা থাকিস।
একটা আকাম্যা পয়দা করছি ,ইয়া খোদা আমারে তুমি এইডা কি দিলা?
তুই আসলে আমার পোলাই না , হইলে মায়ের কষ্ট বুঝতি।

আসলে বাইচা আছি তো হুস নাই।
মইরা গেলে বুঝবি Jaনোয়ারের বাচ্চা।

কপি করছি ভাল্লাগছে।🐸🤣

Oh Accha 🙂👍
08/08/2026

Oh Accha 🙂👍

100% real history 🫶🫥
08/08/2026

100% real history 🫶🫥

সচিবালয়ের সামনে শফিকুল ইসলাম মাসুদ কে চড় মারলেন আমীরে জামায়াত.. ​ঘটনাস্থলে তখন আমীরে জামায়াত নেতাকর্মীদের থামার নির্দেশ...
07/08/2026

সচিবালয়ের সামনে শফিকুল ইসলাম মাসুদ কে চড় মারলেন আমীরে জামায়াত..

​ঘটনাস্থলে তখন আমীরে জামায়াত নেতাকর্মীদের থামার নির্দেশ দিচ্ছেন, কিন্তু তারুণ্যের উদ্দীপনায় ভেসে ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ ভাই স্লোগান অব্যাহত রেখে সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানাচ্ছিলেন।

তিনি বর্তমান ইয়ং জেনারেশনের আইকন, তার এক ডাকেই সৃষ্টি হতে পারে ঝড়। তাকে যদি নিয়ন্ত্রণে না রাখা যেত, তবে পুরো কর্মসূচির গতিপথ সামাল দেওয়া হতো দুষ্কর। তাই অভিভাবকের কঠোরতায় আমীরে জামায়াত হাত উঁচিয়ে মৃদু চড় স্পর্শ করিয়ে শাসনের স্টাইলে তাকে থামিয়ে দিলেন।

তরুণ সমাজকে শৃঙ্খলার মধ্যে নিয়ে আসার জন্য এই দূরদর্শী শাসনের কোনো বিকল্প ছিল না।

​তবে শাসনের গল্প সেখানেই শেষ নয়; ভালোবাসার আসল রূপ প্রকাশ পেল বিদায়লগ্নে। কর্মসূচি শেষে আমীরে জামায়াত যখন মাসুদ ভাইয়ের কপালে মমতার চুমু আঁকলেন, তখন উপস্থিত সবাই এক নজিরবিহীন অভিভাবকত্বের সাক্ষী হলো।

​একদিকে নীতি-আদর্শের সুদৃঢ় শাসন, অন্যদিকে স্নেহের পরম পরশ—এই দুইয়ের মেলবন্ধনেই একজন প্রকৃত নেতার সৌন্দর্য ফুটে ওঠে। শাসন ও সোহাগ—দুই ভূমিকাতেই আমীরে জামায়াত সত্যিই অনন্য!

আজকের দিনে আবারও ফিরে দেখা ৩৬শে জুলাই-২০২৪..!😴🥱😪
06/08/2026

আজকের দিনে আবারও ফিরে দেখা ৩৬শে জুলাই-২০২৪..!😴🥱😪

লুকানো ছবি**😃
05/08/2026

লুকানো ছবি**😃

ড. ইউনূস বিদায় নিয়েছেন ৫ মাস আগে। বিদায় নেয়ার সময় তিনি দেশের রিজার্ভ রেখে গিয়েছিলেন ৩৩ বিলিয়ন ডলার। সাথে দেশবাসীর জন্যে ...
05/08/2026

ড. ইউনূস বিদায় নিয়েছেন ৫ মাস আগে। বিদায় নেয়ার সময় তিনি দেশের রিজার্ভ রেখে গিয়েছিলেন ৩৩ বিলিয়ন ডলার। সাথে দেশবাসীর জন্যে ছয় মাসের মজুদকৃত খাদ্যও রেখে গিয়েছিলেন।

অথচ ক্ষমতা গ্রহণের সময় দেশের রিজার্ভ ছিল মাত্র ১৯ বিলিয়ন ডলার। দেশটা নেতিয়ে পড়া দুর্বা ঘাসের মতো বি ধ্বস্ত ছিল।

ইউনূস সরকার সেই বিধ্ব স্ত দেশের রিজার্ভটাকে টেনে তুলতে চেয়েছিলেন। টানতে টানতে সেই রিজার্ভ নিয়ে এসেছিলেন ৩৩ বিলিয়নে।

তিনি রিজার্ভ বাড়িয়েছিলেন ১৪ বিলিয়ন ডলার অর্থাৎ ১,৬৮০,০০০,০০০,০০০ টাকা। সংখ্যাটা কত বিশাল তাই না?

এই বিশাল অঙ্কের রিজার্ভ তার সরকার মিলে বাড়িয়েছিল মাত্র দেড় বছরে। আই রিপিট মাত্র দেড় বছরে!

এই রিজার্ভ আরও বাড়াতে পারতেন। কিন্তু পারেননি কারণ হাসিনার রেখে যাওয়া ২১,০০,০০০,০০,০০,০০০
টাকার ঋণও দিতে হয়েছে ইউনূস সরকারকে।

এই সংখ্যাটাও পড়তে কষ্ট হচ্ছে তাই না? এত বিশাল অঙ্কের ঋণও ইউনূস সরকার পরিশোধ করেছেন মাত্র দেড় বছরেই।

হাসিনা আগে বাইরের দেশ থেকে ঋণ আনতো তারপর তার এমপি-মন্ত্রীরা সেই রিজার্ভ নিজেদের পকেটে ঢুকিয়ে বিদেশে আলিশান বাড়ি করতো, গাড়ি কিনতো।

সেই ঋণের বোঝা অসহায়ের মতো টানতে হয়েছে ইউনূস সরকারকে।

পাশাপাশি জনগণের ভালো করতে গিয়ে, দ্রব্যমূল্যের দাম কমাতে গিয়ে কোটি কোটি টাকা ভর্তুকিও দিতে হয়েছে।

ইউনূস সরকার চেয়েছিলেন দেশের সাধারণ মানুষগুলো, খেটে খাওয়া লোকগুলো একটু ভালোমন্দ খেতে পারুক। তাই রোজার মধ্যে জিনিসপত্রের দাম যাতে না বাড়ে সেই ব্যবস্থা করেছিলেন।

শুধু রোজাতেই না, গত দেড়টা বছর তীক্ষ্ণ নজর রেখেছিলেন কোন চাঁদাবাজ যাতে দাম বাড়াতে না পারে।তাছাড়া সবসময় কারেন্ট দেয়ার চেষ্টা করতো, গ্যাস দিতো, স্বস্তি দিতো।

ইউনূস সরকার জনগণকে ২ টা সুন্দর ঈদও উপহার দিয়েছিলেন। সেই দুই ঈদে মানুষ কম দামে ব্যাগভর্গি বাজার করেছিল, হাসিমুখে বাঁচতে শিখেছিল।

সবাই খুশিতে বলেছিল- স্যার, আরও ৫ টা বছর থাকেন।

বিএনপির লোকেরা এই কথাটাকেই ধরে নিয়েছিল ইউনূস সরকার নির্বাচন দিবে না। তারপর কথায় কথায় ইউনূসকে গালি দিতো, আন্দোলন করতো।

ইউনূস সরকারের মাত্র দেড় বছরেই ১২৩৭ টার মতো আন্দোলন হয়েছে ,ভয়াবহ বন্যা হয়েছে, বিমান দূর্ঘটনা হয়েছে, আরও কতশত অযাচিত ঘটনা ঘটেছে।

তারমধ্যে সেনাপ্রধান কমান্ড চেইন মানেনি ,পুলিশরা নিরাপত্তা দিতে পারেনি, বিএনপি কথা শুনেনি, হাসিনার রয়ে যাওয়া আমলারাও কাজ করেনি।

এতসব বাঁধা বিপত্তি পেরিয়েও ড. ইউনূস দেশটাকে গুছিয়ে দিয়ে যেতে চেয়েছিলেন। বিডিআর হ* ত্যাকান্ডের মামলাটাও নতুন করে তদন্ত করা শুরু করেছিলেন।

তারপর শিরদাঁড়া উঁচু করে ভারতের কাছ থেকে তুলা আনা বাদ দিয়েছিলেন, আমেরিকার শূল্ক কমিয়েছিলেন, জাপানে ১১০০ পণ্যের শূল্ক ছাড়াই রপ্তানি করার পথটা তৈরি করে দিয়ে গেছেন।

আর সবশেষে নির্বাচনটা দিয়েছিলেন।

অথচ আজকে নির্বাচনের পর ইউনূসের গুছানো জিনিসগুলোও বিএনপি সরকার নষ্ট করে ফেলেছে। ব্যাংকের গভর্নর পরিবর্তন করে দেশের রিজার্ভ ধ্বংস করে ফেলতেছে।

মানুষের বাসায় গ্যাস নাই, বিদ্যুৎ নাই, পানি নাই। জিনিসপত্রের দামও আকাশচুম্বী।

এসবের প্রতিবাদ করার সুযোগও নাই। প্রতিবাদ করলেই বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয় থেকে পোস্ট করে হুমকি পর্যন্ত দেয়া হচ্ছে।

সন্ত্রাসীরা আগে অপরাধ করতো গোপনে। অথচ এখন ওপেনেই খু*নখারাপি চলে, চাঁদাবাজি চলে, টেন্ডারবাজি চলে। বিদ্যুৎ বিলের নাম করে গরিব জনগণের পকেট কাটা চলে।

আগে বলা হতো নির্বাচিত সরকার আসলেই সব ঠিক হয়ে যাবে কিন্তু কিচ্ছু ঠিক হয় নাই। জনগণ উল্টো অতিষ্ঠ হয়ে যাচ্ছে।

অথচ জনগণরা নির্বাচিত সরকারের কাছে কোন টাকাপয়সা চায় নাই, বাড়ি গাড়ি চায় নাই। খেয়ে পড়ে একটু বাঁচতে চেয়েছিল শুধু।

ইউনূস সরকার চেয়েছিল দেশের সেনাবাহিনী, রাজনৈতিক দল, সচিব, জনগণরা মিলে দেশটাকে সংস্কার করবে আর ড. ইউনূস জনপ্রিয়তা দিয়ে বাইরের দেশ থেকে বিনিয়োগ আনবেন, বাইরের দেশের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক বজায় রাখবেন।

কিন্তু বাইরের দেশের সফরে গেলেই দেখা যেত দেশে কোন্দল লেগে গেছে, আন্দোলন হচ্ছে, চাঁদাবাজি করছে, লোকজন খু* ন হচ্ছে। বাহিনীরাও নেতাদের প্রভাবে হার্ড লাইনে যেতে পারেনি।

এতসব অস্থিতিশীলর ভীড়ে ইউনূস সরকার তার মনমতো কাজ করার সুযোগ পান নাই, নিজের দক্ষতাগুলোও দেখাতে পারেন নাই।

তিনি চেয়েছিলেন যুদ্ধবিধ্বস্ত একটা দেশের মতো হয়ে যাওয়া বাংলাদেশটাকে একটু ঠিকঠাক করতে। কিন্তু দিনশেষে একরাশ কষ্ট আর আফসোস নিয়েই ফিরে গেছেন পুরনো ঠিকানায়।

তার বিরুদ্ধে হয়তো হাজারটা অভিযোগ আছে, সমালোচনা আছে কিন্তু তার চলে যাওয়াতে আমাদের আক্ষেপ করারও আছে।

নিজেদের মা*রামারি আর অসভ্যতামির কারণে একটা লোককে ঠিকঠাক কাজে লাগাতে পারিনি আমরা।

এখন তাকে তেমন কিছু মনে হচ্ছে না, হয়তো হবেও না।
কিন্তু কোন একদিন দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি আর গ্যাস-বিদ্যুতের বাড়তি দামের কারণে আমরা যখন তিলে তিলে কষ্ট পেয়ে মরব তখন মনে পড়বে আমাদের একজন ড. ইউনূস ছিলেন

©

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Adi Bhai posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category