21/11/2022
এই পেজটি বলতে গেলে খেলার ছলেই খোলা হলো। আমাদের বাড়ির কহিনূর খালা এক চাকরি দিয়ে সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছেন। আবার বয়স বেড়েছে বলে দুইটা কাজ নিতে ভয় পাচ্ছেন, পাছে কোনটাই ভালোমতো যদি না চালাতে পারেন। উনি আবার কাজ আর রেপুটেশনের ব্যাপারে ভীষণ সিরিয়াস। আমার সাথে প্রায় সুখ-দুঃখের গল্প করেন।বললাম, খালা মানুষের বাসায় বাসন মাজা ছাড়া আর একটা কাজ বলেন সেটা করলে আপনার খাটুনি কম হয় আবার মনে আনন্দও হয়, মানে ক্লান্ত লাগে না। খালা বলে, পিঠা বানাতে পারেন বেশ ভালো। আমি বললাম, আপনি পিঠা বেচা শুরু করেন। খালা বলে, এই বয়সে রাস্তায় বসে পিঠা বানাতে পারবে না। বুদ্ধি দিলাম, রাস্তায় বসতে হবে না, বাসায় বসেই বানান, ফেসবুকের মাধ্যমে বেচেন। কথাটা তার পছন্দ হলো, রাজি হয়ে গেলেন। এদিকে গল্প করতে করতেই আমাকে বানিয়ে খাওয়ালেন তেলের পিঠা। এককথায় অসাধারণ, দশে সাত, কেউ চাইলে আটও দিতে পারেন। পিঠা খেয়ে খুশি হয়ে উনাকে এই পেজটা খুলে দিলাম। আপনারা চাইলে, আপাতত কুসলি, ভাপা, তেলপিঠা আর চিতই অর্ডার করতে পারেন।