Tayeba's Mom Cooking&Vlog

Tayeba's Mom Cooking&Vlog Writting

 #হারিয়ে যাওয়া আলোর পথ #অধ্যায় ৩: হৃদয়ের কাছাকাছিসকালের নরম আলো জানালার ফাঁক দিয়ে ঘরে ঢুকছিল। কিন্তু মেঘলার চোখে ঘু...
03/08/2026

#হারিয়ে যাওয়া আলোর পথ

#অধ্যায় ৩: হৃদয়ের কাছাকাছি

সকালের নরম আলো জানালার ফাঁক দিয়ে ঘরে ঢুকছিল। কিন্তু মেঘলার চোখে ঘুম ছিল না। সারারাত সে ভাবছিল অচেনা নম্বর থেকে আসা সেই হুমকির বার্তার কথা।

সকালে লাইব্রেরিতে পৌঁছাতেই দেখল, আরিয়ান আগেই এসে বসে আছে। তার চোখেও ক্লান্তির ছাপ।

"তুমি ঠিক আছ?" আরিয়ান উদ্বিগ্ন কণ্ঠে জিজ্ঞেস করল।

মেঘলা হালকা হাসল।

"তুমি পাশে আছ, তাই সাহস পাচ্ছি।"

আরিয়ান কিছুক্ষণ চুপ থেকে বলল,

"আমি তোমাকে একটা প্রতিশ্রুতি দিতে চাই।"

"কী প্রতিশ্রুতি?"

"যতদিন আমি বেঁচে আছি, তোমার কোনো ক্ষতি হতে দেব না।"

কথাগুলো শুনে মেঘলার চোখ ভিজে উঠল। সে জীবনে প্রথমবার অনুভব করল—কেউ একজন সত্যিই তাকে নিজের চেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে।

---

সেদিন বিকেলে কাজ শেষ হওয়ার পর আরিয়ান বলল,

"চলো, আজ শহরের বাইরে একটু ঘুরে আসি।"

দুজন একটি শান্ত লেকের ধারে গেল। চারদিকে কাশফুল দুলছে, হালকা বাতাস বইছে। পানির ওপর সূর্যের আলো চিকচিক করছে।

মেঘলা মুগ্ধ হয়ে বলল,

"জায়গাটা যেন স্বপ্নের মতো।"

আরিয়ান হাসল।

"আমি যখন মন খারাপ করি, এখানে চলে আসি। আজ তোমাকে নিয়ে এলাম।"

দুজন পাশাপাশি হাঁটছিল।

হঠাৎ মেঘলার পা পিছলে গেল।

পড়ে যাওয়ার আগেই আরিয়ান তাকে শক্ত করে ধরে ফেলল।

কয়েক মুহূর্তের জন্য তাদের চোখ একে অপরের চোখে আটকে রইল।

চারপাশ যেন নিস্তব্ধ হয়ে গেল।

মেঘলার মুখ লজ্জায় লাল হয়ে উঠল।

আরিয়ান ধীরে ধীরে বলল,

"মেঘলা... তোমাকে প্রথম যেদিন দেখেছিলাম, সেদিনই মনে হয়েছিল তুমি অন্যরকম।"

"অন্যরকম মানে?"

"তোমার হাসিটা খুব শান্ত। কিন্তু সেই হাসির আড়ালে অনেক কষ্ট লুকিয়ে আছে।"

মেঘলা অবাক হয়ে তার দিকে তাকিয়ে রইল।

সে আস্তে করে বলল,

"আমার কষ্টগুলো কি এত সহজেই পড়ে ফেলো?"

"হয়তো... কারণ তোমাকে বুঝতে আমার ভালো লাগে।"

সেদিন ফেরার পথে দুজনের কেউই খুব বেশি কথা বলেনি। কিন্তু নীরবতার মধ্যেও যেন হাজারটা অনুভূতি কথা বলছিল।

---

পরদিন লাইব্রেরির পুরোনো তালাবদ্ধ কক্ষের সামনে দাঁড়িয়ে ছিল মেঘলা।

হঠাৎ সে খেয়াল করল, দরজার নিচ দিয়ে একটি পুরোনো ছবি বেরিয়ে আছে।

সে ছবিটি তুলে নিল।

ছবিতে চারজন মানুষ দাঁড়িয়ে আছে।

তাদের মধ্যে একজনকে দেখে আরিয়ান হঠাৎ থমকে গেল।

"এটা... এটা তো আমার দাদা অরুণ চৌধুরী!"

মেঘলা বিস্মিত।

"তাহলে এই চিঠিটাও...?"

আরিয়ান মাথা নাড়ল।

"হ্যাঁ... কিন্তু বাকি তিনজন কে?"

ছবির পেছনে কাঁপা হাতে লেখা ছিল—

'যদি আমরা চারজন আলাদা হয়ে যাই, সত্যকে যেন কেউ ভুলে না যায়।'

ঠিক তখনই লাইব্রেরির ভেতরের পুরোনো ঘর থেকে হঠাৎ বিকট শব্দ হলো।

দুজন দৌড়ে গিয়ে দেখল—

দরজার পুরোনো তালাটা মাটিতে পড়ে আছে।

কিন্তু আশ্চর্যের বিষয়, সেখানে কেউ নেই।

ঘরের মাঝখানে শুধু একটি কাঠের বাক্স।

আর সেই বাক্সের ওপর রাখা একটি নতুন খাম।

খামের ওপর লেখা—

"পরের সত্য জানতে চাইলে, নিজের হৃদয়কে প্রস্তুত করো। কারণ এবার যে সত্য জানবে, তা তোমাদের ভালোবাসাকেও পরীক্ষা করবে।"

মেঘলা আর আরিয়ান একে অপরের দিকে তাকাল।

তারা বুঝতে পারল, তাদের গল্প এখন শুধু প্রেমের নয়—এটি এমন এক রহস্যের পথে এগোচ্ছে, যেখান থেকে ফিরে আসার সুযোগ হয়তো আর থাকবে না।

চলবে...

03/08/2026

🥹🥹

 #হারিয়ে যাওয়া আলোর পথঅধ্যায় ২: প্রথম অনুভূতি, প্রথম রহস্যসারারাত ঘুমাতে পারল না মেঘলা।বারবার তার চোখের সামনে ভেসে উঠ...
03/08/2026

#হারিয়ে যাওয়া আলোর পথ

অধ্যায় ২: প্রথম অনুভূতি, প্রথম রহস্য

সারারাত ঘুমাতে পারল না মেঘলা।

বারবার তার চোখের সামনে ভেসে উঠছিল সেই চিঠির প্রথম লাইন—

"এই গল্প শুরু হয়েছিল একটি প্রেম দিয়ে... কিন্তু শেষ হয়েছিল একটি খুন দিয়ে।"

সকালে লাইব্রেরিতে এসে সে চিঠিটা আবার খুলল। কাগজটা এত পুরোনো যে, একটু অসাবধান হলেই ছিঁড়ে যেতে পারে।

চিঠিতে লেখা ছিল—

"যদি কেউ এই চিঠি পড়ো, তাহলে জেনে রেখো, আমি আমার জীবনের সবচেয়ে বড় ভুল করেছি। আমি একজন নির্দোষ মানুষকে বাঁচাতে পারিনি। আর যে মেয়েটিকে আমি প্রাণের চেয়েও বেশি ভালোবাসতাম, তাকেও হারিয়েছি। যদি সত্য একদিন প্রকাশ পায়, তাহলে অনেক মানুষের জীবন বদলে যাবে..."

চিঠির শেষে শুধু একটি নাম—

অরুণ চৌধুরী।

মেঘলার বুকের ভেতর কেমন একটা অস্বস্তি জন্ম নিল।

ঠিক তখনই পেছন থেকে পরিচিত একটি কণ্ঠ ভেসে এল।

"আপনি এত মন দিয়ে কী পড়ছেন?"

চমকে উঠে ঘুরে দাঁড়াল মেঘলা।

আরিয়ান।

সে দ্রুত চিঠিটা বন্ধ করে ফেলল।

"না... তেমন কিছু না।"

আরিয়ান হেসে বলল,

"আপনি মিথ্যা বলতে পারেন না। আপনার চোখ সব বলে দেয়।"

মেঘলা অবাক হয়ে তার দিকে তাকিয়ে রইল।

---

সেদিন বিকেলে কাজ শেষ হওয়ার পর আরিয়ান বলল,

"চলুন, আজ আপনাকে শহরের সবচেয়ে সুন্দর জায়গাটা দেখাই।"

মেঘলা একটু ইতস্তত করলেও শেষ পর্যন্ত রাজি হয়ে গেল।

দুজন নদীর পাড়ে এসে বসল।

সূর্য ডুবে যাচ্ছে। আকাশজুড়ে কমলা আর গোলাপি রঙের ছটা।

কিছুক্ষণ নীরব থাকার পর আরিয়ান বলল,

"জানেন, ছোটবেলা থেকে আমি একটা বিশ্বাস করি।"

"কী বিশ্বাস?"

"যার সঙ্গে সূর্যাস্ত দেখা যায়, সে মানুষটা জীবনে খুব বিশেষ হয়ে যায়।"

মেঘলা মৃদু হেসে বলল,

"তাহলে আজ আমিও কি আপনার কাছে বিশেষ হয়ে গেলাম?"

আরিয়ান তার দিকে তাকিয়ে রইল।

"হয়তো... তার চেয়েও বেশি।"

মেঘলার বুকের ভেতর কাঁপন শুরু হলো।

সে চোখ নামিয়ে ফেলল।

হঠাৎ বাতাসে মেঘলার ওড়নাটা উড়ে গেল।

আরিয়ান সেটি ধরে আলতো করে তার হাতে দিল।

তাদের হাত এক মুহূর্তের জন্য ছুঁয়ে গেল।

সেই ছোট্ট স্পর্শেই যেন দুজনের হৃদয় একই ছন্দে ধুকপুক করতে লাগল।

---

পরদিন লাইব্রেরিতে এসে মেঘলা জানতে পারল, পুরোনো নথিপত্র রাখা একটি কক্ষ অনেক বছর ধরে তালাবদ্ধ।

সে করিম সাহেবকে জিজ্ঞেস করল,

"ওই ঘরটা বন্ধ কেন?"

বৃদ্ধ কিছুক্ষণ চুপ থেকে বললেন,

"ওই ঘরে এমন কিছু স্মৃতি আছে, যেগুলো কেউ আর খুলতে চায় না।"

"কেন?"

"ত্রিশ বছর আগে এখানে একজন মানুষ মারা গিয়েছিলেন। তারপর থেকেই ঘরটা বন্ধ।"

কথাগুলো শুনে মেঘলার শরীর শিউরে উঠল।

ঠিক তখনই সে লক্ষ্য করল—

লাইব্রেরির বাইরে কালো পোশাক পরা একজন অচেনা লোক দাঁড়িয়ে তাদের দিকে তাকিয়ে আছে।

মেঘলার চোখ পড়তেই লোকটি দ্রুত চলে গেল।

---

সেদিন রাতে মেঘলার ফোনে একটি অচেনা নম্বর থেকে বার্তা এল।

"চিঠিটা যেখানে পেয়েছ, সেখানে রেখে দাও। নইলে তোমারও সেই পরিণতি হবে, যা ত্রিশ বছর আগে হয়েছিল।"

মেঘলার হাত কাঁপতে লাগল।

সে সঙ্গে সঙ্গে আরিয়ানকে ফোন করল।

আরিয়ান এক মুহূর্তও দেরি করল না।

কয়েক মিনিটের মধ্যেই সে মেঘলার বাসার সামনে এসে দাঁড়াল।

"ভয় পাবেন না," সে শান্ত কণ্ঠে বলল। "এখন থেকে আপনি একা নন।"

এই প্রথম মেঘলা অনুভব করল, বিপদের মাঝেও একজন মানুষের উপস্থিতি কতটা নিরাপত্তা দিতে পারে।

কিন্তু তারা জানত না—

অন্ধকারের আড়ালে কেউ একজন তাদের প্রতিটি পদক্ষেপ নজরে রাখছে।

চলবে...

 #হারিয়ে যাওয়া আলোর পথঅধ্যায় ১: নতুন শহর, নতুন স্বপ্নভোর পাঁচটা। চারদিকে হালকা কুয়াশা। গ্রামের ছোট্ট রেলস্টেশনটা আজ ...
02/08/2026

#হারিয়ে যাওয়া আলোর পথ

অধ্যায় ১: নতুন শহর, নতুন স্বপ্ন

ভোর পাঁচটা। চারদিকে হালকা কুয়াশা। গ্রামের ছোট্ট রেলস্টেশনটা আজ যেন অন্য দিনের চেয়ে বেশি নীরব। প্ল্যাটফর্মে দাঁড়িয়ে আছে মেঘলা। বয়স তেইশ। বড় বড় কালো চোখ, মুখে এক ধরনের শান্ত সৌন্দর্য, আর বুকভরা স্বপ্ন।

তার পাশে দাঁড়িয়ে আছেন মা, সালমা বেগম। চোখ দুটো লাল হয়ে আছে কান্নায়। বাবাকে হারানোর পর এই মেয়েটাকেই আঁকড়ে ধরে বেঁচে ছিলেন তিনি।

"মা, নিজের যত্ন নিস। ঠিকমতো খাস," কাঁপা গলায় বললেন সালমা বেগম।

মেঘলা মায়ের হাত ধরে মৃদু হেসে বলল, "চিন্তা কোরো না। আমি একদিন তোমার সব কষ্ট দূর করব।"

ট্রেনের বাঁশি বাজতেই বিদায়ের মুহূর্ত এসে গেল। জানালার পাশে বসে মেঘলা দেখল, ট্রেন ধীরে ধীরে এগিয়ে যাচ্ছে, আর তার মা প্ল্যাটফর্মে দাঁড়িয়ে ছোট হয়ে যাচ্ছেন। চোখের জল সে লুকাতে পারল না।

---

পাঁচ ঘণ্টার দীর্ঘ যাত্রার পর মেঘলা ঢাকায় পৌঁছাল। চারদিকে ব্যস্ততা, মানুষের ভিড়, হর্নের শব্দ—সবকিছুই তার কাছে নতুন।

এক দূর সম্পর্কের খালার বাসায় কয়েক দিনের জন্য উঠল সে। পরদিন থেকেই শুরু হলো চাকরি খোঁজা।

টানা সাত দিনের চেষ্টার পর ভাগ্য তার দিকে একটু হাসল। পুরোনো একটি লাইব্রেরিতে সহকারী হিসেবে চাকরি পেল।

লাইব্রেরিটির নাম "আলোর দিশা পাঠাগার"।

বইয়ের তাকগুলো পুরোনো হলেও যত্নে সাজানো। বাতাসে পুরোনো কাগজের মিষ্টি গন্ধ। মনে হলো, বইগুলো যেন মানুষের অগণিত গল্প বুকে নিয়ে অপেক্ষা করছে।

লাইব্রেরির মালিক আব্দুল করিম সাহেব বললেন,

"মা, এখানে শুধু বই নয়, মানুষের স্মৃতিও রাখা আছে।"

মেঘলা হাসল।

প্রথম দিনেই সে বুঝল, এই জায়গাটা তার খুব ভালো লাগবে।

---

প্রতিদিন বিকেল পাঁচটার দিকে একজন যুবক লাইব্রেরিতে আসে।

সাদা শার্ট, কালো জিন্স, চোখে চশমা, হাতে নোটবুক।

সে চুপচাপ বসে বই পড়ে, কখনো কিছু লিখে, তারপর চলে যায়।

তার নাম আরিয়ান রহমান।

একদিন বই গুছাতে গিয়ে মেঘলা অসাবধানতায় একটি বই ফেলে দিল।

আরিয়ান দ্রুত এগিয়ে এসে বইটা তুলে দিল।

"আপনি ঠিক আছেন?"

মেঘলা একটু লজ্জা পেয়ে বলল,
"জি... ধন্যবাদ।"

"আপনি নতুন এসেছেন?"

"জি।"

"আমি আরিয়ান।"

"আমি মেঘলা।"

দুজনেই হেসে ফেলল।

সেদিনের পর থেকে প্রতিদিনই তাদের একটু একটু করে কথা হতে লাগল।

কখনো বই নিয়ে, কখনো লেখক নিয়ে, কখনো জীবনের ছোট ছোট গল্প নিয়ে।

আরিয়ান জানাল, সে একজন ঔপন্যাসিক। তবে এখনও তার কোনো বই প্রকাশিত হয়নি।

মেঘলা অবাক হয়ে বলল,

"তাহলে এত গল্প কোথা থেকে পান?"

আরিয়ান মৃদু হেসে বলল,

"মানুষের চোখে। প্রতিটি চোখের ভেতরে একটা করে গল্প লুকিয়ে থাকে।"

মেঘলা উত্তর দিল,

"তাহলে আমার চোখেও কি একটা গল্প আছে?"

আরিয়ান কয়েক সেকেন্ড চুপ থেকে বলল,

"হয়তো... খুব কষ্টের, কিন্তু খুব সুন্দর একটা গল্প।"

কথাটা শুনে মেঘলার বুকের ভেতর অদ্ভুত একটা অনুভূতি জাগল।

---

দিনগুলো দ্রুত কেটে যেতে লাগল।

এক বিকেলে প্রবল বৃষ্টি শুরু হলো।

লাইব্রেরি বন্ধ হওয়ার পরও বৃষ্টি থামল না।

মেঘলা দরজার সামনে দাঁড়িয়ে ছিল।

আরিয়ান ছাতা খুলে বলল,

"আপনি চাইলে আমি আপনাকে বাসা পর্যন্ত পৌঁছে দিতে পারি।"

মেঘলা একটু ইতস্তত করলেও শেষ পর্যন্ত রাজি হলো।

একটি ছাতার নিচে পাশাপাশি হাঁটছিল দুজন।

বৃষ্টির ফোঁটা ছাতার কিনারা বেয়ে ঝরে পড়ছিল।

হঠাৎ এক ঝাপটা বাতাসে মেঘলার চুল মুখের ওপর এসে পড়ল।

আরিয়ান ধীরে বলল,

"আপনি জানেন, বৃষ্টিতে আপনাকে খুব সুন্দর লাগছে।"

মেঘলার মুখ লাল হয়ে গেল।

সে নিচের দিকে তাকিয়ে শুধু বলল,

"ধন্যবাদ..."

সেই মুহূর্তে দুজনের কেউই বুঝতে পারেনি—এই ছোট্ট পথচলাই তাদের জীবনের সবচেয়ে বড় গল্পের শুরু।

---

পরদিন সকালে লাইব্রেরির পুরোনো বইগুলো পরিষ্কার করতে গিয়ে মেঘলা একটি ধুলো জমা কাঠের বাক্স দেখতে পেল।

বাক্সটি খুলতেই বেরিয়ে এল একটি পুরোনো ডায়েরি এবং একটি সিল করা খাম।

খামের ওপর কাঁপা হাতে লেখা ছিল—

"যে এই চিঠি পড়বে, সে যেন সত্যকে পৃথিবীর সামনে নিয়ে আসে।"

মেঘলার হাত কেঁপে উঠল।

সে ধীরে ধীরে খামটি খুলল...

আর প্রথম লাইন পড়েই তার মুখের হাসি মিলিয়ে গেল।

কারণ সেখানে লেখা ছিল—

"এই গল্প শুরু হয়েছিল একটি প্রেম দিয়ে... কিন্তু শেষ হয়েছিল একটি খুন দিয়ে।"

চলবে...

08/07/2026

আহা জীবন 🌼

07/07/2026

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Tayeba's Mom Cooking&Vlog posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share