Kosturi - The Explorer

Kosturi - The Explorer FireCrackers. Life is a mysterious journey, and I savor every moment—through thoughts or cooking. What I love, I don’t just see—I feel, share, and keep it alive.

I don’t just create content; I tell stories that stay with you, touch you, and make you feel.

তিন্নি চেয়েছিলেন লাইফে একটা সেটেলমেন্ট। স্বামী হিল্লোলকে ভীষণ ভালোবাসতেন। তাদের আগের সাক্ষাৎকার দেখলে বুঝা যায় হিল্লোলের...
22/09/2026

তিন্নি চেয়েছিলেন লাইফে একটা সেটেলমেন্ট। স্বামী হিল্লোলকে ভীষণ ভালোবাসতেন। তাদের আগের সাক্ষাৎকার দেখলে বুঝা যায় হিল্লোলের প্রতি তিন্নির অবসেশন।

কিন্তু তার সেখানে কাল হয়ে দাঁড়ালো আরেক নারী। মেয়ে ওয়ারিশার জন্ম হয় ২০০৯ সালে। তখনই হিল্লোলের পরকিয়ার জের ধরে তিন্নি-হিল্লোলের ঝামেলা হয়। তিন্নি আলাদা থাকা শুরু করে।

হিল্লোলের চিটিং তিন্নিকে একেবারে ভেঙ্গে দেয়। সদ্য বাচ্চা জন্মের পর স্ট্রাগল, স্বামীর চিটিং সব মিলিয়ে সে ভয়াবহ ডিপ্রেশনে ভুগতে থাকে। কষ্ট ভুলে থাকতে নে**শায় জড়িয়ে পড়ে।

২০১২ সালে হিল্লোলের সাথে ডিভোর্স হবার পর, তারই স্বামী মিডিয়ায় ছড়ায়- তিন্নির নানান পুরুষ আসক্তি ছিলো, নেশায় বুদ থাকতো তাই সংসার টিকেনি 😄

এতো ট্রমা সহ্য করতে না পেরে তিন্নি ২০১২ থেকে ২০১৫ পর্যন্ত চিকিৎসা নেন রিহ্যাব সেন্টারে।

এক সময়ের সুন্দরীতমা, মডেল, দক্ষ অভিনেত্রী শ্রাবস্তী দত্ত তিন্নি ছিলেন প্রায় সবারই ক্রাশ! তার করা প্রতিটা বিজ্ঞাপন ছিলো অন্যরকম সুন্দর।

যদিও আমি খুব ছোট ছিলাম তখন কিন্তু যতবারই সুন্দরীতমা বিজ্ঞাপন টিভিতে দেখাতো আমি মন্ত্রমুগ্ধের মতো তাকিয়ে থাকতাম আর ভাবতাম কত সুন্দরী সে!!

পোশাক, বাচনভঙ্গি, চাল-চলন সবদিক থেকে পারফেক্ট, স্মার্ট নারী ছিলো সে।
কিন্তু হিল্লোলের মতো পুরুষেরা এমন নারী, এতো ভালোবাসার যোগ্য হয়না, এটা আবারও প্রমাণ হলো।

তিন্নির দ্বিতীয় বিয়ের পরেও সেখানে বেশিদিন সংসার টিকেনি। দ্বিতীয় স্বামী তাকে সবরকম টর্চার করতো তাই ডিভোর্স দেন।

কিছুদিন আগে এক অনলাইন পডকাস্টে তিন্নি হোস্টের প্রশ্নের জবাবে বললো, অন্য কারোর ভুল ছিলো না। ভুল হয়তো আমারই ছিলো। তাই কেউ থাকেনি আমার সাথে।

তিন্নির অপরাধ ছিলো সে তার স্বামী হিল্লোলকে পাগলের মতো ভালোবাসতো। সে চেয়েছিলো স্বামী-সন্তান নিয়ে সুন্দর, সুখী একটা পরিবার।

কিন্তু দিনশেষে তিন্নি একা রয়ে গেলেন....
কারণ তিন্নি বুঝেছেন, দুষ্ট গরুর থেকে শূণ্য গোয়াল অনেক ভালো।

তুমি হাসলে যেন একফালি চাঁদ,
না হাসলে পূর্ণিমা!
সুন্দরীতমা তিন্নি ভালো থাকুন।

#পরকিয়া

ভালোবাসা চিরকৃতজ্ঞ..কিছু ঋণ কখনও শোধ করা যায় না,শুধু হৃদয়ে সারাজীবন বয়ে নিয়ে চলতে হয়।তিস্তার জলে ভেসে যাচ্ছে হস্তী শাবক,...
22/09/2026

ভালোবাসা চিরকৃতজ্ঞ..

কিছু ঋণ কখনও শোধ করা যায় না,
শুধু হৃদয়ে সারাজীবন বয়ে নিয়ে চলতে হয়।

তিস্তার জলে ভেসে যাচ্ছে হস্তী শাবক,
বাঁচাতে এগিয়ে এলো ক'জন। প্রাণে বেঁচে জড়িয়ে ধরে কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছে হস্তীশাবক 🫂

©️Collected.

শুধুমাত্র টিকটক করতো, বাইক চালাতো, বখাটেদের সাথে মিশতো, এই অজুহাতে যারা অপ্রতীমের খু'নের জাস্টিফিকেশান খুঁজে পাচ্ছেন, কি...
21/09/2026

শুধুমাত্র টিকটক করতো, বাইক চালাতো, বখাটেদের সাথে মিশতো, এই অজুহাতে যারা অপ্রতীমের খু'নের জাস্টিফিকেশান খুঁজে পাচ্ছেন, কিংবা "আগেই ভালো ছিলাম" বলে তৃপ্তির ঢেকুর তুলছেন, আপনাদেরকে একটু এই ছেলের কথা মনে করায়ে দিতে চাই।

তানভীর মুহাম্মদ ত্বকী।

হ্যাঁ, সেই ত্বকী, যে টিকটক করতো না, বাইক চালাতো না, বখাটেদের সাথে মিশতো না। বরং পত্রিকায় গল্প লিখতো। খাতা ভরে বাংলা ইংরেজিতে কবিতা লিখতো। ছবি আঁকতো। দুর্দান্ত মেধাবী ছিলো। মৃত্যুর পর প্রকাশিত তার এ লেভেলের রেজাল্টে ফিজিক্স আর কেমিস্ট্রিতে সারাদেশের মধ্যে সর্বোচ্চ নম্বর পেয়েছিলো ত্বকী।

ত্বকীর বাবা মায়ের প্যারেন্টিংয়ে কোনো ঘাটতি ছিলো না। আপনাদের ভাষায় বললে, "ভালো ছেলে" হওয়ার প্রায় সবগুলো সার্টিফিকেটই ত্বকীর ছিলো। মানে, আপনাদের বানানো "খু'ন না হওয়ার" সব ক্রাইটেরিয়াই ত্বকী মিট করেছিলো। তারপরও ত্বকী খু'ন হয়।

১৭ বছরের একটা ছেলে। দুদিন নিখোঁজ থাকার পর তার লা'শ পাওয়া যায় শীতলক্ষ্যায়। মাথায় আঘাত ও শ্বাসরোধ করে তাকে হ%ত্যা করা হয়েছিলো। আর বছরের পর বছর চলে গেলেও, সরকার বদল হইলেও ত্বকীর বাপ মা এখনো কোনো উত্তর পান নাই।

এখন একটু বলেন তো।

টিকটক করলে খু'ন জায়েজ?
বাইক চালালে খু'ন জায়েজ?
বখাটেদের সাথে মিশলে খু'ন জায়েজ?
প্যারেন্টিংয়ে ঘাটতি থাকলে খু'ন জায়েজ?

যদি তাই হয় তাহলে ত্বকী কেন খু'ন হলো? ত্বকী তো আপনাদের বানানো সেই "আদর্শ ছেলে"র চেয়েও বেশি আদর্শ ছিলো। ত্বকীকে কেন শীতলক্ষ্যায় ম'রে পড়ে থাকতে হলো?

আর হ্যাঁ, এখন যদি বলেন, "ওটা তো পলিটিক্যাল মা%র্ডার!"
ফর ইউর কাইন্ড ইনফরমেশান, প্রতিটি কিশোর গ্যাংই মাথাচাড়া দেয় রাজনৈতিক ছত্রছায়াতেই।
মা%র্ডারের কোনো "ভালো ছেলে" ভার্সন নাই। "খারাপ ছেলে", "টিকটক করতো তাই", "বাইক চালাতো তাই", "বখাটেদের সাথে মিশতো তাই" ভার্সনও নাই।

মা\র্ডার ইজ মা/র্ডার।

একটা মানুষকে খু'ন করার পর তার জীবনযাপন খুঁড়ে খুঁড়ে "কেন খু'ন হলো"র উত্তর বানানোর এই অসুস্থ মানসিকতাটাই বন্ধ না হইলে এই বিষ থেকে কেউ বাঁচবেন না। আজ আপনি বলছেন, "ও টিকটক করতো, ওর বাপ মায়ে খেয়াল রাখে নাই" কাল আপনার নিজের সন্তানের কোনো একটা অভ্যাসকে ধরে অন্য কেউ বলবে, "ও এই করছে তাই ম'রছে" তখনও কি একই যুক্তি দেবেন?

আবার বলি। খু'নের কোনো জাস্টিফিকেশান নাই। থাকতে পারে না। নেভার।

19/09/2026
আচ্ছা?! অরুণ দর্শনার সাথে যেটা করেছিল এটা কি ধোঁকা না?🎬 Hridayam হালকা spoiler 🚫 নেগেটিভ দিক থেকে যদি নিই, এখানে অরুণ দর...
17/09/2026

আচ্ছা?! অরুণ দর্শনার সাথে যেটা করেছিল এটা কি ধোঁকা না?

🎬 Hridayam

হালকা spoiler 🚫

নেগেটিভ দিক থেকে যদি নিই, এখানে অরুণ দর্শনার সাথে প্রেম ও করলো, পাশাপাশি অন্য মেয়ের দিকে নজরও দিলো আবার সুন্দরী লয়াল মেয়ে দেখে বিয়ে ও করলো। মাঝে পড়ে দর্শনা প্যারা খেলো।

পজিটিভ দিক থেকে যদি নিই, সিনেমাটা মূলত একটা মানুষের বড় হয়ে ওঠার গল্প। এখানে প্রেম আছে, কিন্তু শুধু প্রেমের গল্প হিসেবেই সিনেমাটা আটকে নেই। অরুণের কলেজজীবন, বন্ধুত্ব, ভুল সিদ্ধান্ত আর ধীরে ধীরে নিজেকে বোঝার বিষয়গুলো বেশ স্বাভাবিক। কারণ ভুল সবার জীবনেই থাকে,কারোরটা বড় কারোরটা ছোট। শুরুতে অরুণের কিছু আচরণ বিরক্ত লাগে, কিন্তু সেটাই চরিত্রটার বাস্তবতা। দর্শক হিসেবে তার ভুলগুলো দেখেই তাকে বুঝতে শেখা যায়। দর্শনাকে ঘিরে তার প্রথম প্রেমের অংশটা বেশ মিষ্টি আর নস্টালজিক। আবার সেই সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার পরের সময়টাও খুব চেনা একটা অনুভূতি দেয়।

নিত্যার সঙ্গে অরুণের সম্পর্কটা একদম অন্যরকম একটা পরিণত অনুভূতি নিয়ে আসে। দুটো সম্পর্কের মধ্যে পার্থক্যটা সিনেমাটা খুব সুন্দরভাবে দেখিয়েছে। বিশেষ করে অরুণের নিজের ভেতরের পরিবর্তনটাই আমার বেশি ভালো লেগেছে।সিনেমাটার কলেজের পরিবেশ, গান আর ছোট ছোট মুহূর্তগুলো বেশ সুন্দরভাবে মনে থেকে যায়।এখানে খুব বেশি নাটকীয়তা নেই, বরং জীবনের মতোই কিছু সম্পর্ক আসে, থেকে যায়, আবার হারিয়েও যায়।

শেষের দিকে এসে মনে হয়, আসলে মানুষ বড় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ভালোবাসার অর্থটাও বদলে যায়। Hero character টার অভিনয়ও চরিত্রটার বয়স আর পরিবর্তনের সঙ্গে বেশ মানিয়ে গেছে। সব মিলিয়ে Hridayam আমার কাছে শান্ত, মিষ্টি আর একটু nostalgic গল্প,দেখে শেষ করার পরও কিছু মুহূর্ত মনে থেকে যায়।

আমাদের সমাজে মিসক্যারেজকে এখনো খুব স্বাভাবিক একটা ঘটনা হিসেবে দেখা হয়। অথচ একটা মেয়ের জন্য মিসক্যারেজ মানে শুধু একটা প্র...
15/09/2026

আমাদের সমাজে মিসক্যারেজকে এখনো খুব স্বাভাবিক একটা ঘটনা হিসেবে দেখা হয়। অথচ একটা মেয়ের জন্য মিসক্যারেজ মানে শুধু একটা প্রেগন্যান্সি হারানো নয়, এটা তার শরীরের পাশাপাশি মনটাকেও ভেতর থেকে ভেঙে দিতে পারে।

একটা বাচ্চার অস্তিত্ব সম্পর্কে জানার পর থেকেই একজন মা তাকে নিয়ে কত স্বপ্ন দেখতে শুরু করেন, কত পরিকল্পনা করেন, তাকে কোলে নেওয়ার অনুভূতিটা কেমন হবে, নাম কী হবে—এসব হয়তো কাউকে বলে বোঝানো সম্ভব না। সময়টা হয়তো খুব বেশি দীর্ঘ ছিল না, কিন্তু ওই অল্প সময়ের মধ্যেই অনাগত সন্তানটা তার মনের একটা অংশ হয়ে যায়। আর হঠাৎ যখন সেই গল্পটা শুরু হওয়ার আগেই শেষ হয়ে যায়, তখন সেটা শুধু একটা মেডিকেল ঘটনা থাকে না, একটা স্বপ্নও ভেঙে যায়।

কিন্তু আমাদের সমাজে বিষয়টাকে প্রায়ই এমনভাবে দেখা হয়, যেন মিসক্যারেজ হলো, চিকিৎসা হলো, তারপর বাসায় ফিরে এলেই সব স্বাভাবিক। কেউ কেউ আবার সরাসরি মেয়েটাকেই দোষ দিতে শুরু করেন—“ভালোভাবে চলাফেরা করোনি”, “ভালো খাবার খাওনি”, “এই কাজটা করেছ”, “ওই কাজটা করেছ”—এমন কত কথা! যেন মিসক্যারেজটা তার নিজের কোনো ভুলের ফল।

অথচ গর্ভপাতের অনেক কারণই একজন নারীর নিয়ন্ত্রণের বাইরে থাকে। তাই এই কঠিন সময়ে একজন নারীকে দোষী বানানোর বদলে তার পাশে দাঁড়ানোই সবচেয়ে জরুরি। সে এমনিতেই ভেতরে ভেতরে নিজেকে হাজারটা প্রশ্ন করছে, তার ওপর পরিবারের মানুষের কথাগুলো যদি তাকে আরও অপরাধবোধে ভোগায়, তাহলে কষ্টটা আরও গভীর হয়ে যায়।

শারীরিক ধকল তো আছেই। কিন্তু তার চেয়েও বড় হতে পারে মানসিক ধকল। শরীর ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে যায়, কিন্তু মন সবসময় এত দ্রুত সুস্থ হয় না। হঠাৎ কান্না চলে আসতে পারে, একটা শূন্যতা তৈরি হতে পারে, অন্য কারও বাচ্চাকে দেখেও বুকটা ভার হয়ে আসতে পারে। এমনকি স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কের মধ্যেও একটা অদৃশ্য দূরত্ব তৈরি হতে পারে। দুজনেই কষ্ট পাচ্ছে, কিন্তু দুজনেই হয়তো নিজের কষ্টটা প্রকাশ করতে পারছে না।

আর সবচেয়ে কষ্টের ব্যাপার হলো, আমাদের সমাজে একজন নারীকে খুব দ্রুত স্বাভাবিক হয়ে যাওয়ার প্রত্যাশা করা হয়। অথচ তার প্রয়োজন হয় একটু সময়, একটু মায়া, একটু বোঝাপড়া। তার প্রয়োজন হয় কেউ একজন বলুক, “তোমার কষ্ট পাওয়াটা স্বাভাবিক। তুমি একা নও।”

সম্প্রতি রিজবি আহমেদের ১৩তম বিবাহবার্ষিকীর সময় তার স্ত্রীকে ঘিরে যে বিষয়টা দেখলাম, সেটাও ভীষণ মন ছুঁয়ে যাওয়ার মতো। তারা জানালেন, একটা নতুন গল্প শুরু হওয়ার আগেই শেষ হয়ে গেছে। তারা কষ্টের মধ্যে আছেন এবং সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন। এমন একটা পরিস্থিতির মধ্যেও তাদের বিবাহবার্ষিকীর মুহূর্তে দুজনের চোখে যে কান্না দেখলাম, আশেপাশের মানুষগুলোর আবেগ দেখলাম, তখন আরও একবার মনে হলো—মিসক্যারেজ আসলে কতটা গভীর একটা শোক হতে পারে।

আমরা বাইরে থেকে শুধু দেখি, “বাচ্চাটা হয়নি।” কিন্তু ওই দুজন মানুষ হয়তো ভেতরে ভেতরে এমন একটা ভবিষ্যৎ হারিয়েছে, যেটা তারা ইতিমধ্যেই কল্পনা করে ফেলেছিল।

তাই মিসক্যারেজকে কখনোই “এটা তো এমন কিছু না” বলে ছোট করে দেখা উচিত না। কোনো নারী এই অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে গেলে তাকে প্রশ্নবাণে জর্জরিত না করে, তার ভুল খুঁজে না বের করে, বরং তাকে মানসিকভাবে আগলে রাখা উচিত। কারণ একটা সন্তানকে হারানোর কষ্ট সন্তান পৃথিবীতে আসার আগে না পরে—এভাবে মাপা যায় না।

আল্লাহ রিজবি আহমেদ ও তার স্ত্রীকে এই কঠিন সময়টা পার করার শক্তি দিন, তাদের মনকে শান্তি দিন এবং তাদের জন্য উত্তম কিছু লিখে দিন। আমিন। 🤍

মেয়েদের শশুরবাড়ি ভালোবাসা, সম্মান, আদর আপ্যায়ণ পেতে হলেহয় স্বামীর অনেক টাকা থাকা লাগবে নয়ত নিজের যোগ্যতা থাকতে হবে। ...
14/09/2026

মেয়েদের শশুরবাড়ি ভালোবাসা, সম্মান, আদর আপ্যায়ণ পেতে হলে
হয় স্বামীর অনেক টাকা থাকা লাগবে নয়ত নিজের যোগ্যতা থাকতে হবে। অনেক ক্ষেত্রে স্বামীর টাকায় ও সম্মান পাওয়া যায়না যদি স্বামী নিজে সেই প্রিভিলেজ না দিয়ে রাখতে পারে।

উনাকে ১০ বছর পর মেনে নিয়েছে শশুরবাড়ি। এতোগুলো বছরে তার স্বামীর সেই যোগ্যতা হয়নি বৌকে তার প্রাপ্য সম্মান এনে দেয়ার।

কিন্তু তার বউ নিজের সম্মান নিজের যোগ্যতায় অর্জন করে নিয়েছে!
নিজের কষ্টে বাড়ি গাড়ি সব করছে আর এতদিনে শশুরবাড়িতে জায়গা হলো। তাও আবার গা ভর্তি গয়না দিয়ে 👏

মানুষ ব্যক্তি নয় তার অবস্থানকে পছন্দ করে!

স্বামীর টাকা আর নিজের যোগ্যতা কোনোটাই যদি না থাকে তাহলে যে কেউ যখন তখন মন্দিরের ঘণ্টার মত বাজিয়ে চলে যাবে শশুরবাড়ি, কিছু বলা কওয়ার ও সুযোগ থাকবেনা।

কিশোরী বয়স থেকেই বাঁধন ছিলেন উগ্র উশৃঙ্খল স্বভাবের। দুইভাই একবোন। বাঁধন মেজো। কথায় কথায় ছেলেদের সাথে ডেটিংয়ে যেতেন। তার ...
13/09/2026

কিশোরী বয়স থেকেই বাঁধন ছিলেন উগ্র উশৃঙ্খল স্বভাবের। দুইভাই একবোন। বাঁধন মেজো। কথায় কথায় ছেলেদের সাথে ডেটিংয়ে যেতেন। তার বাবা বুয়েটের ডিগ্রীপ্রাপ্ত ইঞ্জিনিয়ার। বাবা মা'র শাসনকে থোড়াই কেয়ার করতেন। বাবা মা যা যা বলতেন, তিনি করতেন ঠিক উল্টো। তবে মেধাবী ছাত্রী ছিলেন। ডেন্টালে ভর্তি হয়ে প্রেম শুরু করেন "ম" অদ্যাক্ষরের এক সহপাঠীর সাথে। এটাও তার বাবা মা'র কানে যায়। তারা প্রমাদ গুনলেন। বিয়ে দিলেন বুয়েটের এক ইঞ্জিনিয়ার পাত্রের সাথে। ভাবলেন বিয়ে দিলে মেয়ের স্বভাব চরিত্র শোধরাবে হয়ত। কিন্তু যেই লাউ সেই কদু। ইঞ্জিনিয়ার স্বামীকে ব্যাংকক নেপাল ঘুরতে গেলেন। প্রচন্ড লোভী মেয়ে। বড় বড় বায়না ছিল তার। তাকে ডায়মন্ডের জুয়েলারি কিনে দিতে হবে। সাধ্যের বাইরে ইঞ্জিনিয়ার স্বামী যাবেন কিভাবে?এছাড়া ইঞ্জিনিয়ার স্বামী আবিস্কার করলেন, বাঁধন বিভিন্ন পুরুষের সাথে ঘন্টার পর ঘন্টা ফোনে কথা বলতেন। তাকে প্রশ্ন করলে প্রচন্ড চিৎকার দিয়ে দুর্ব্যবহার করতেন। অসময়ে ছেলেবন্ধুদের সাথে ঘুরতে চলে যেতেন। কোনো ভদ্র পরিবারের বউ এভাবে ঘর থেকে বের হয়না। এটা তাকে বলা হলে তিনি আরও ক্ষেপে যেতেন। সেই মুহূর্তে তার রুদ্রমূর্তি দেখলে মনে হতো মারাত্মক সাইকো। আস্তে আস্তে স্বামীর উপর থেকে তার মন উঠে গেল। এই স্বামী দিয়ে তার পোষাবেনা বলে ডিভোর্স দিলেন অকারণে। তিনবছর পড়াশোনা করেননি। যখন পড়াশোনা ফিরে এলেন পরিক্ষায় স্ট্যান্ড করলেন।তারপর টার্গেট করলেন আর্মি অফিসার সনেটকে।

এটা কারো অজানা নয় আজমেরি হক বাঁধন ২০০৮ সালের জানুয়ারি মাসে থাইল্যান্ডে কসমেটিকস সামগ্রী চুরি করে পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়েছিলেন। পুলিশ এয়ারপোর্টে মালামালসহ তাকে গ্রেফতার করে। তাকে ছাড়ানোর জন্য বিশেষ তদবির করেন চ্যানেল আইয়ের মাফিয়া সর্দার ফরিদুর রেজা সাগর। দুষ্টু লোকেরা বলে আজমেরি বাঁধন সাগরের মনোরঞ্জিনী ছিলেন। মাফিয়া সাগরের চান্দ কপাল। ডজনখানেক নায়িকা গায়িকা অ্যাংকর তার মনোরঞ্জিনীদের তালিকায় আছে। বাঁধনকে ছাড়ানোর জন্য চ্যানেল আই থেকে কয়েকবার ফোন যায় ব্যাংককে মরহুম মোহন খানের কাছে। কারণ মোহন খানের নাটকে অভিনয়ের জন্য ব্যাংককের পাতায়া গিয়েছিলেন বাঁধন। বাঁধনের চুরি কান্ডের সাক্ষী ছিলেন ইন্তেখাব দিনার,চিত্রলেখা গুহ,শতাব্দী ওয়াদুদ,শাহেদ শরীফ খান, আবুল হায়াত,রাজিবুল ইসলাম রাজিব, লুৎফর রহমান জর্জ,এম সাখাওয়াত হোসেন সহ আরও কয়েকজন।

"খুফিয়া" সিনেমায় অভিনেত্রী টাবুর ঠোঁটে চুমু খেতে হবে শুনে বাঁধনের জিহবা লকলকিয়ে উঠেছিল। স'ম'কা'মী'র চুমুর দৃশ্যে অভিনয় করতে পেরে তার জীবন নাকি সার্থক হয়ে গিয়েছিল। ওয়েব ফিল্ম "গুটি"তে যে বাঁধন বাথরুমে ঢুকে চোখ মুখ খিঁচিয়ে কোঁথ মেরে পায়ূপথ দিয়ে ইয়াবা বের করে আনতেন। সেই ব্যক্তিকে লে'স'বি প্যাটার্ণে দেখে আমার ঘেন্নাপিত্তি জেগে উঠেছিল। তার জীবন ঘটনাবহুল। বিয়ে সেরেছেন একজোড়া। প্রথম স্বামী তথ্যগত দিক দিয়ে নিরুদ্দেশ। দ্বিতীয় স্বামী মাশরুর সিদ্দিকী সনেট। সনেট বহুদিন পর মুখ খুলেছেন প্রাক্তন স্ত্রীর বিরুদ্ধে। সনেট বুঝতে পারেননি তার প্রেমিকা স্ত্রী মুখোশের আড়ালে আস্ত এক ভ্যাম্পায়ার! যে প্রতিরাতে সনেটের গলায় তার লম্বাটে ধারালো দাঁত বসিয়ে রক্ত সব শুষে নিতো। বেচারা সনেটের শরীরে শুরু হল রক্তশূন্যতা। তিনি এখন মনে করেন বাঁধন তার জীবনের চরম এক অভিশাপ। স্বামী স্ত্রীর মধ্যে প্রেম তো ছিলই না। বরং তা ছিল সনেটের বরবাদির বিপদজনক ফাঁদ। তিক্ততায় ভরা দাম্পত্য জীবনে সুখের মুখ দেখেননি সনেট।

আর্মির চাকরি ছেড়ে তিনি ব্যবসায় নেমেছিলেন। কিন্তু বাঁধন আর তার পরিবারের নির্যাতনে সনেটের জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছিল। বিয়ের পর সনেটের উপর নেমে আসে অর্থলোভী বাঁধন ও তার ভাইদের নির্যাতনের খড়্গ। বাঁধনের দাবি ছিল প্রতিমাসে ১ লাখ টাকা তাকে হাত খরচ দিতে হবে। টাকা দিতে দেরি হলে বাজখাঁই গলায় চিৎকার করে বাড়ি মাথায় তুলতেন। অশ্রাব্য গালিগালাজ করতেন সনেটের বাবা মা'কে উদ্দেশ্য করে। বাঁধনের চারতলার বাসা পাঁচতলায় রুপান্তরিত করে দিয়েছিলেন সনেট। ফ্ল্যাট নির্মাণ সম্পন্ন করতে এবং ফ্ল্যাট সাজাতে গিয়ে দুই কোটি ত্রিশ হাজার টাকা খরচ হয়। ভদ্রলোকের জীবনের সমস্ত সঞ্চয় স্ত্রী ও তার পরিবারের সদস্যদের পেছনে ব্যয় করতে হয়েছে। এমনকি সনেটের মায়ের নামের জমি বিক্রি করতে তাকে বাধ্য করা হয়েছিল। বাঁধনের গু'ন্ডা ভাই তার ভগ্নীপতির গায়ে হাত তুলতেও দ্বিধা করেনি।

❤ ❤ ডিসক্লেইমার - এই স্ট্যাটাস দেয়ার কিছু সময় পর বাঁধনের প্রথম স্বামীর পক্ষের এক আত্মীয় আমার সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। তার কাছ থেকে মূল্যবান যেসব তথ্য পেয়েছি তা এই স্ট্যাটাসের প্রথম প্যারায় যুক্ত করে দেয়া হল।

©️Mili Sultana.

Emotional Outburst: যখন জমে থাকা অনুভূতি হঠাৎ বিস্ফোরিত হয়!কখনো কি এমন হয়েছে, খুব ছোট একটা কথায় আপনি হঠাৎ প্রচণ্ড রেগ...
12/09/2026

Emotional Outburst: যখন জমে থাকা অনুভূতি হঠাৎ বিস্ফোরিত হয়!

কখনো কি এমন হয়েছে, খুব ছোট একটা কথায় আপনি হঠাৎ প্রচণ্ড রেগে গেলেন? হয়তো কেউ সামান্য একটা মন্তব্য করেছে, অথচ আপনার প্রতিক্রিয়া হলো অনেক বেশি তীব্র। গলা উঁচু হয়ে গেল, চোখে পানি চলে এলো, কাউকে কঠিন কথা বলে ফেললেন, দরজা বন্ধ করে চলে গেলেন, অথবা এমন কিছু বলে ফেললেন যেটা কয়েক মিনিট পরেই আপনার নিজের কাছেই খারাপ লাগতে শুরু করল। তখন আমরা অনেক সময় নিজেদের বলি, “আমি এতটা রিঅ্যাক্ট করলাম কেন?” আসলে অনেক Emotional Outburst এর পেছনে থাকে শুধু সেই মুহূর্তের ঘটনা নয়, বরং অনেকদিন ধরে জমে থাকা অনুভূতি।

Emotional Outburst বলতে বোঝায় এমন একটি তীব্র আবেগীয় প্রতিক্রিয়া, যেখানে একজন মানুষ তার অনুভূতির তীব্রতা সাময়িকভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন না। রাগ, কান্না, চিৎকার, হতাশা, বিরক্তি, আতঙ্ক কিংবা অতিরিক্ত উত্তেজনা এর মাধ্যমে প্রকাশ পেতে পারে। তবে একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, Emotional Outburst মানেই একজন মানুষ খারাপ, দুর্বল বা অসংযত এমন নয়। অনেক সময় এটি আমাদের মনের একটি সংকেত। মন যেন বলছে, “আমি আর এই অনুভূতিটা একা সামলাতে পারছি না।”

আমরা সাধারণত শুধু বিস্ফোরণের মুহূর্তটাকে দেখি। কিন্তু বিস্ফোরণের আগে কী ঘটেছে, সেটা দেখি না। একজন মানুষ হয়তো দিনের পর দিন নিজের কষ্ট চেপে রেখেছেন। বারবার এমন কিছু মেনে নিয়েছেন যা তাকে আঘাত করেছে। নিজের রাগ প্রকাশ করেননি। অন্যকে হতাশ করতে চাননি বলে নিজের প্রয়োজনকে পিছিয়ে দিয়েছেন। সবকিছু ঠিক আছে এমন একটা ভাব ধরে রেখেছেন। তারপর একদিন সামান্য একটি ঘটনা সেই জমে থাকা অনুভূতিকে বাইরে বের করে দেয়। বাইরে থেকে ঘটনাটা ছোট মনে হলেও ভেতরে সেটি হয়তো শেষ বিন্দু।

এই কারণেই অনেক Emotional Outburst আসলে সেই মুহূর্তের ঘটনার সম্পূর্ণ প্রতিক্রিয়া নয়। এটি অনেক পুরোনো অনুভূতির সঙ্গেও যুক্ত হতে পারে। কেউ আপনার কথা গুরুত্ব না দিলে আপনার রাগ হয়তো শুধু আজকের কথাটার জন্য নয়। এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকতে পারে বহুদিন ধরে অবহেলিত হওয়ার অভিজ্ঞতা। কেউ আপনাকে সমালোচনা করলে আপনার প্রতিক্রিয়া হয়তো শুধু সেই সমালোচনার জন্য নয়। এর পেছনে থাকতে পারে বারবার নিজেকে প্রমাণ করতে বাধ্য হওয়ার ক্লান্তি।

অনেক মানুষ ছোটবেলা থেকেই শিখে যায় যে রাগ দেখানো ভালো নয়, কান্না করা দুর্বলতার লক্ষণ, নিজের কষ্টের কথা বলা বিরক্তিকর এবং অন্যের সামনে নিজের প্রয়োজন প্রকাশ করা স্বার্থপরতা। ফলে তারা অনুভূতিগুলো প্রকাশ না করে জমিয়ে রাখতে শেখে। কিন্তু অনুভূতি প্রকাশ না করলেই অনুভূতি চলে যায় না। বরং অনেক সময় সেটি ভেতরে জমতে থাকে এবং পরে অন্য কোনো পরিস্থিতিতে অনেক বেশি তীব্রভাবে বেরিয়ে আসে।

আরেকটি বিষয় হলো Emotional Outburst এর সময় আমাদের মস্তিষ্ক অনেক সময় সমস্যার সমাধানের চেয়ে প্রতিক্রিয়া দেখানোর দিকে বেশি চলে যায়। আমরা তখন কী বলছি, কীভাবে বলছি এবং কথাটার প্রভাব কী হতে পারে, সেগুলো ভেবে দেখার ক্ষমতা সাময়িকভাবে কমে যেতে পারে। তাই আবেগ কমে যাওয়ার পর আমরা অনেক সময় আফসোস করি।

মনে হয়, “আমি কথাটা অন্যভাবে বলতে পারতাম।”
কিন্তু এখানে নিজেকে শুধু দোষ দেওয়াও সমাধান নয়। বরং নিজের কাছে জানতে হবে, “আমার ভেতরে আসলে কী জমেছিল?” কারণ Emotional Outburst নিয়ে কাজ করার প্রথম ধাপ হলো নিজের আবেগকে বুঝতে শেখা। আমি কি রেগে আছি, নাকি আসলে কষ্ট পেয়েছি? আমি কি বিরক্ত, নাকি অনেকদিন ধরে ক্লান্ত? আমি কি সত্যিই এই মানুষটির ওপর রাগ করছি, নাকি অন্য কোনো পুরোনো অভিজ্ঞতার প্রভাবও এখানে কাজ করছে?

অনেক সময় আমরা রাগকে প্রাথমিক অনুভূতি মনে করি। কিন্তু রাগের নিচে লুকিয়ে থাকতে পারে কষ্ট, ভয়, অপমান, প্রত্যাখ্যাত হওয়ার অনুভূতি, একাকিত্ব কিংবা অসহায়ত্ব। কেউ যখন বলে, “আমি খুব রেগে গেছি,” তখন তার ভেতরের আরেকটি কণ্ঠ হয়তো বলছে, “আমাকে কেউ বুঝছে না।” কখনো রাগের আড়ালে থাকে, “আমি বারবার চেষ্টা করেও গুরুত্ব পাচ্ছি না।” আবার কখনো থাকে, “আমি অনেকদিন ধরে নিজেকে একা সামলাচ্ছি।”

তাই নিজের Emotional Outburst বুঝতে হলে শুধু “আমি কেন এত রাগলাম?” এই প্রশ্ন না করে “এই রাগের নিচে কী আছে?” এই প্রশ্নটাও করা দরকার।

আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো Trigger এবং Root Cause এক জিনিস নয়। Trigger হলো যে ঘটনাটি আপনার আবেগকে হঠাৎ সক্রিয় করেছে। আর Root Cause হতে পারে তার পেছনে থাকা দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা, অপূর্ণ প্রয়োজন কিংবা জমে থাকা অনুভূতি। যেমন কেউ হয়তো আপনার ফোনের মেসেজের উত্তর দেয়নি। এটি Trigger হতে পারে। কিন্তু আপনার ভেতরের তীব্র প্রতিক্রিয়ার সঙ্গে যদি বারবার উপেক্ষিত হওয়ার পুরোনো অভিজ্ঞতা যুক্ত থাকে, তাহলে Root Cause অনেক গভীরে থাকতে পারে।

তবে এর অর্থ এই নয় যে Emotional Outburst হলে আপনি যা খুশি করতে পারবেন এবং পরে বলবেন, “আমি কষ্ট পেয়েছিলাম।” নিজের অনুভূতি সত্যি হওয়া এবং সেই অনুভূতির কারণে অন্যকে আঘাত করা এক বিষয় নয়। রাগ সত্যি হতে পারে, কষ্ট সত্যি হতে পারে, হতাশাও সত্যি হতে পারে। কিন্তু সেই অনুভূতি প্রকাশের দায়িত্বও আমাদের। অনুভূতি আমাদের আচরণের ব্যাখ্যা দিতে পারে, কিন্তু সব আচরণকে বৈধ করে না।

তাই আবেগ তীব্র হয়ে গেলে প্রথম কাজ হতে পারে কিছুটা থামা। সঙ্গে সঙ্গে উত্তর দেওয়ার পরিবর্তে কয়েক মিনিট দূরে থাকা, ধীরে শ্বাস নেওয়া, পানি খাওয়া কিংবা পরিস্থিতি থেকে সাময়িকভাবে সরে আসা অনেক সাহায্য করতে পারে। উদ্দেশ্য আবেগকে অস্বীকার করা নয়। উদ্দেশ্য হলো আবেগের সঙ্গে সঙ্গে যেন আচরণটি নিয়ন্ত্রণের বাইরে না চলে যায়।

নিজের Emotional Outburst এর Pattern লক্ষ্য করাও গুরুত্বপূর্ণ। কোন পরিস্থিতিতে আপনি বেশি রিঅ্যাক্ট করেন? কার সামনে করেন? কোন ধরনের কথা আপনাকে সবচেয়ে বেশি ট্রিগার করে? আপনি কি অবহেলিত বোধ করলে বেশি রেগে যান? সমালোচনা শুনলে? প্রত্যাখ্যাত হলে? নাকি যখন মনে হয় আপনার কথা কেউ শুনছে না? এই প্রশ্নগুলোর উত্তর ধীরে ধীরে নিজের আবেগের একটি মানচিত্র তৈরি করতে সাহায্য করতে পারে।

অনেক সময় Emotional Outburst কমানোর জন্য আমাদের “আরও বেশি Self Control” দরকার হয় না। বরং দরকার আরও ভালো Emotional Awareness। কারণ আপনি যখন বুঝতে পারবেন যে আপনি কখন ধীরে ধীরে overwhelmed হয়ে যাচ্ছেন, তখন বিস্ফোরণের অনেক আগেই নিজেকে থামানোর সুযোগ পাবেন।

নিজের প্রয়োজনের কথাও বলতে শিখতে হবে। সবসময় চুপ থাকা স্বাস্থ্যকর নয়। আবার সবকিছু রাগের মাধ্যমে বলা দরকারও নেই। “তুমি কখনো আমাকে গুরুত্ব দাও না” বলার পরিবর্তে “তুমি যখন আমার কথা মাঝপথে থামিয়ে দাও, তখন আমার মনে হয় আমার কথাটা গুরুত্ব পাচ্ছে না” বলা অনেক বেশি কার্যকর হতে পারে। কারণ এখানে আক্রমণ করার বদলে নিজের অভিজ্ঞতাটা প্রকাশ করা হচ্ছে।

সম্পর্কের ক্ষেত্রেও Emotional Outburst একটি গুরুত্বপূর্ণ সংকেত হতে পারে। কখনো এটি দেখায় যে একজন মানুষ অনেকদিন ধরে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করার নিরাপদ জায়গা পাচ্ছেন না। আবার কখনো এটি দেখায় যে সম্পর্কের মধ্যে বারবার একই সমস্যা হচ্ছে কিন্তু সেটার সমাধান হচ্ছে না। তাই শুধু “কে চিৎকার করল” সেটা দেখলে পুরো গল্পটা বোঝা যায় না। দেখতে হবে, সেই চিৎকারের আগে কী কী কথা বলা হয়নি।
তবে যদি Emotional Outburst খুব ঘন ঘন হয়, খুব তীব্র হয়, নিজের বা অন্যের ক্ষতির ঝুঁকি তৈরি করে, অথবা পরে প্রচণ্ড অনুশোচনা হলেও একই Pattern বারবার ফিরে আসে, তাহলে বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে দেখা উচিত।

প্রয়োজনে একজন মানসিক স্বাস্থ্য পেশাদারের সঙ্গে কথা বলা যেতে পারে। সাহায্য নেওয়া মানে আপনি দুর্বল নন। বরং নিজের আবেগকে আরও স্বাস্থ্যকরভাবে বুঝতে এবং পরিচালনা করতে আপনি দায়িত্বশীলভাবে এগিয়ে যাচ্ছেন।মনে রাখা দরকার, আবেগ আমাদের শত্রু নয়। রাগ, কষ্ট, কান্না, হতাশা সবকিছুরই কোনো না কোনো বার্তা থাকতে পারে। সমস্যা আবেগ অনুভব করার মধ্যে নয়। সমস্যা তৈরি হয় যখন আমরা আবেগকে বুঝতে না পেরে তার হাতে পুরো আচরণের নিয়ন্ত্রণ দিয়ে দিই।

হয়তো আপনার Emotional Outburst আসলে আপনাকে বলছে, “আরও জোরে চিৎকার করো” নয়। বরং বলছে, “আমার কথাটা একটু শোনো।”নিজের আবেগকে চেপে রাখাও সমাধান নয়, আবার আবেগের বশে সবকিছু ভেঙে ফেলাও সমাধান নয়। পরিণত Emotional Regulation হলো এমন একটি জায়গা, যেখানে আপনি নিজের অনুভূতিকে অস্বীকার না করেও নিজের আচরণের দায়িত্ব নিতে পারেন।কারণ আবেগ আসবে। কখনো খুব তীব্রভাবেই আসবে। কিন্তু আবেগ আসার পর আপনি কীভাবে তার সঙ্গে আচরণ করবেন, সেটাই ধীরে ধীরে আপনার Emotional Maturity তৈরি করে।

©️Kosturi.

ঐ যে তিনি, যিনি এমন একটা গাড়ি মেইনটেইন করেন, যে-টা মিরপুরে ঢুকবেই না, তাকে যদি কেউ পি স্ত ল ঠেকিয়ে ম দ খেতে বাধ্য করে ...
11/09/2026

ঐ যে তিনি, যিনি এমন একটা গাড়ি মেইনটেইন করেন, যে-টা মিরপুরে ঢুকবেই না, তাকে যদি কেউ পি স্ত ল ঠেকিয়ে ম দ খেতে বাধ্য করে থাকে, তাহলে আমরা অন্তত এটুকু বুঝতে পারি যে, ইনোসেন্ট একটা মেয়ে কেন ভয় পেল!

কিন্তু ফৌজিয়া,
আপনি কেন ভয় পেলেন?

আপনার সামনে তো পি স্ত ল ছিল না। ছিল একটা মোবাইল ক্যামেরা আর একজন ভিউ ব্যবসায়ী। একজন অপেশাদার সাংবাদিক।

আপনি একজন দ্বিতীয় শ্রেণির কর্মকর্তা। নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া পেরিয়ে চাকরিতে এসেছেন। আপনার সামনে X, Y, Z যে-ই মাইক্রোফোন বা মোবাইল ধরুক, আপনি কি উত্তর দিতে বাধ্য?

এমনকি আপনি ভুল করে থাকলেও!
অপরাধ করে থাকলেও!
আপনার বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলেও!

আপনার জবাবদিহির জায়গা হলো আপনার প্রতিষ্ঠান, আপনার কর্তৃপক্ষ এবং প্রয়োজন হলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আছে। তদন্তকারী সংস্থা আছে।

সাংবাদিক প্রশ্ন করতে পারে। সাংবাদিক কিন্তু পুলিশ, আদালত অথবা বিচারক না। কেউ জেরা করলেই, আপনাকে হেনস্তা করার চেষ্টা করলেই আপনি সেই সুযোগ তাকে কেন দিবেন?

বিশেষ করে নারী employee দের বলি, প্লিজ, শক্ত হন।

ক্যামেরা দেখে ঘাবড়াবেন না। একসঙ্গে দশজন মানুষ দাঁড়িয়ে গেলেও ভয় পাবেন না। কেউ উচ্চস্বরে প্রশ্ন করলেই উত্তর দেওয়ার তাড়াহুড়ো কেন করবেন?

আপনারও তো হাতে মোবাইল আছে। বিনা অনুমতিতে যে কেউ আপনার ভিডিও ধারণ করতে কি পারে?

আপনার কোনো ভুল হয়ে থাকলে আপনার প্রতিষ্ঠান ব্যবস্থা নেবে। অপরাধ হয়ে থাকলে আইন ব্যবস্থা নেবে।
আর আপনি নির্দোষ হলে সেটাও তদন্তেই প্রমাণ হবে। আর নিজের কোন বক্তব্য থাকলে নিজের মোবাইলে রেকর্ড করে সেটা ফেসবুকে দিবেন। প্রচার করার দায়িত্ব জনগণের।

কিন্তু তার আগে নিজেকে এমনভাবে অসহায় করে ফেলবেন না যে একজন অপরিচিত মানুষ ক্যামেরা হাতে সামনে দাঁড়িয়েই আপনাকে চার্জ করতে পারে! অপরিচিত সাংবাদিকের ক্যামেরার সামনে তাৎক্ষণিক জবাব দেওয়ার বাধ্যবাধকতা আপনার নেই।

এই ঘটনায় দেখলাম সেই সাংবাদিক আরো কয়েকজন গ্রাহকের সঙ্গে কথা বলেছে। তারাও একই ধরনের অভিজ্ঞতার ফিরিস্তি দিয়েছে। আদৌ তারা গ্রাহক ছিল কিনা সেটার অবশ্য কোন প্রমাণ নেই। আবার প্রতিবারই গণনায় ভুল পাওয়ার অর্থই এই না যে ব্যাংক কর্মকর্তা ইচ্ছা করে এটা করেছে। হয়তো প্রতিবারই সে অনিচ্ছাকৃতভাবেই ভুল করেছে। সে ক্ষেত্রে তাকে ক্যাশ থেকে সরিয়ে অন্য কোথাও দায়িত্ব দেওয়া যায়।

আর গ্রাহক টাকা গুছিয়ে কাউন্টারে জমা দেবে। অন্যথা হলে সেটা গ্রাহককে দিয়েই গুছিয়ে নিতে হয়। যে দায়িত্ব আপনার নয় সেটা খামাখা কাঁধে তুলে নিতে যাবেন কেন? Be professional.

আজকের দিনে সাংবাদিকতার নামে যেভাবে হঠাৎ মোবাইল-মাইক নিয়ে মানুষের সামনে হাজির হয়ে যাওয়ার প্রবণতা তৈরি হয়েছে, যেকোনো সময়, যে কাউকে এমন বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়তে হতে পারে।

সহজ কথা হচ্ছে, ভুল হলে তদন্ত হবে। গাফিলতি হলে ব্যবস্থা হবে। আত্মসাৎ প্রমাণিত হলে অবশ্যই শাস্তি হবে। কিন্তু প্রমাণের আগে একজনকে চো র বানিয়ে জনসম্মুখে উল্লাস করা কোনো ন্যায়বিচার না।

আপনার অধিকার আছে ‘না’ বলার। সব কথার উত্তর ‘হ্যাঁ’ নয়। মাঝে মাঝে একটি ‘না’ জীবনকে অনেক সহজ করে দেয়। প্লিজ 'না' বলতে শিখুন।

Trust me, ‘না’ বলতে শেখার উপকার অগণিত!

#নারী

Address

Dhaka

Telephone

+8801714349618

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Kosturi - The Explorer posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Kosturi - The Explorer:

Shortcuts

Share