Kosturi - The Explorer

Kosturi - The Explorer FireCrackers. Life is a mysterious journey, and I savor every moment—through thoughts or cooking. What I love, I don’t just see—I feel, share, and keep it alive.

I don’t just create content; I tell stories that stay with you, touch you, and make you feel.

19/06/2026

এতটুকু বাচ্চাকে দিয়ে এইসব বলানোর মানে কি?

19/06/2026

🥥

ইকরা হত্যা মামলায় আলভী সম্ভবত আজকে আত্মসমর্পণ করেছে পুলিশের কাছে।নাসরিন শিউলি হলো আলভীর মা। তিনি তার নাতনিকে দিয়ে ভিডিও ...
19/06/2026

ইকরা হত্যা মামলায় আলভী সম্ভবত আজকে আত্মসমর্পণ করেছে পুলিশের কাছে।

নাসরিন শিউলি হলো আলভীর মা। তিনি তার নাতনিকে দিয়ে ভিডিও বানিয়ে পোস্ট করছেন, যেখানে বাচ্চাটি বলতেছে যে তার বাবার সাথে নাকি অন্যায় হচ্ছে।
লাইক সিরিয়াসলি? যেই বাচ্চার মা বাচ্চার বাবার পরকীয়া জনিত বিষয়ে আত্মহত্যা করছে, সেই বাবার আত্মসমর্পণের দিনেই দাদী নাতিরে দিয়া ভিডিও বানিয়ে পোস্ট দেওয়াচ্ছে বাবার সাথে অন্যায় হচ্ছে।
তাহলে মা যখন মরলো তখন ভিডিও করে পোস্ট করে নাই কেন যে তার মায়ের সাথে অন্যায় হয়েছে।
ভাবতে অবাক লাগছে যে, এই মহিলা জাস্ট নিজের ছেলেরে বাঁচানোর জন্য এখন বাচ্চাটাকে ব্যবহার করতেছে।🙂🙂

রিজিকের চাচা বলেন; আমার ভাতিজা  #রিজিক গত প্রায় ৪ মাস বাবাকে পায়নি। বাবাকে না পেলেও এতদিন বাবার সাথে নিয়মিত যোগাযোগ হয়েছ...
19/06/2026

রিজিকের চাচা বলেন; আমার ভাতিজা #রিজিক গত প্রায় ৪ মাস বাবাকে পায়নি। বাবাকে না পেলেও এতদিন বাবার সাথে নিয়মিত যোগাযোগ হয়েছে। সে অন্তত নিশ্চিত ছিল, তার বাবা অন্তত আছে। দেখা না হলেও কথা তো হবেই! আজকের পর বাবার সাথে আর যোগাযোগ হবেনা বেশ অনেকদিন। কারণ, ওর বাবাকে অনির্দিষ্টকালের জন্য কারাগারে নেয়া হয়েছে।

আজ সকালে ওর বাবা ওকে বলে গিয়েছে, বাবা আমি নেপালে যাচ্ছি শ্যুটিং করতে। শ্যুটিং শেষ করে চলে আসব। কিন্তু ওর বাবা তো জানত না, আজকের পর ওর সাথে দীর্ঘসময় যোগাযোগ হবেনা। এখন রিজিক কে কিভাবে সামলাব?

ওর বাবা যখন নেপালে ছিল তখন, রিজিক ঘুমাতে পারত না। রাতে ২টা - ৩টা বেজে যেত। ওর বাবা দেশে এসেছে ২ সপ্তাহ হল। এ ২ সপ্তাহে ওর মেন্টাল পিস চলে এসেছিল। বাবাকে পেয়ে কি খুশি ছিল গত ২ টা সপ্তাহ!

আজকে হয়ত অনেকে ভাবছেন, আলভি ভাইয়া দোষী প্রমাণিত হয়েছেন। তাই কারাগারে গিয়েছেন। ব্যাপার টা আসলে তা নয়। কারণ, এখনো চার্জশীট ই হয়নি। তাই দোষ প্রমাণিত হয়নি। ট্রায়াল তো শুরুই হয়নি। কোর্ট কেবল তাকে কাস্টডিতে নিয়েছে। আইনের ভাষায় এটাকে কি বলা হয় জানা নেই।

আজকে কোর্টে জাস্টিস প্রত্যক্ষ করলাম। প্রথমে আমরা আমাদের যুক্তি তুলে ধরলাম কেন আমাদের জামিন প্রয়োজন। আমরা বক্তব্য খুব সাদামাটাভাবে উপস্থাপন করলাম। মূল বিষয় হল, ভাইয়া ঘটনার সময় উপস্থিত ছিলেন না। তিনি পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। তার একটা বাচ্চা আছে। তিনি হাইকোর্টে রিট করে নো এরেস্ট ওয়ারেন্ট নিয়ে দেশে এসেছেন। অর্থাৎ ইমিগ্রেশন থেকে এরেস্ট হবেন না। আদালতে আত্মসমর্পণ এর পর আদালত সিদ্ধান্ত নিবেন। চার্জশীট জমা দেয়ার আগ পর্যন্ত জামিন দেয়া হোক। চার্জশীট আর এক সপ্তাহ পর দেয়ার কথা।

আমরা এত আস্তে কথা বলছিলাম যে কেবল পেছনে বসেও আমাদের পরিবার তা শুনতে পারছিল না। উল্লেখ্য, কোর্টে বেশ নয়েজ থাকে, অনেক মানুষ থাকে। তাই অনেক জোর দিয়ে কথা বলতে হয়। আমাদের বক্তব্য আমরাই বুঝতে পারিনি। জাজ আরো দূরে, মানে সামনে ছিলেন। উনার কিছু বুঝার কথাই না।

যাই হোক, এরপর বাদীপক্ষ তাদের যুক্তি আর প্রমাণ উপস্থাপন করলেন। তাদের প্রমাণ গুলো বানোয়াট ছিল। তার থেকেও বড় বিষয় তাদের ভয়েস খুব পরিস্কার ও হাই টোনের ছিল যা পুরো কোর্ট শুনেছে। এমন ভাবে বানোয়াট প্রমাণ উপস্থাপন করলেন যে সেগুলো সত্যি না মানলে নরকে যেতে হবে! প্রমাণ হিসেবে ফেসবুকে ছড়ানো কিছু স্ক্রিনশট ও যুক্ত করল। বেশ কিছু স্ক্রিনশট AI দিয়ে তৈরি করা। যেগুলোর এগেইন্সট এ আমাদের কাছে যথেষ্ট প্রমাণ ছিল। সেই সাথে এমন কিছু ক্লেইম করল যা সম্পূর্ণ অপ্রাসংগিক হওয়ায় কোর্ট তা খারিজ করে দেয়। এছাড়া প্রমাণ হিসেবে আরো কিছু ডকুমেন্ট পেশ করে যেগুলো বাইরে থেকে দেখেই বোঝা যায় সেগুলো কয়েকদিন আগে বানিয়ে আনা হয়েছে, কারণ এতটাই চকচক করছিল। তারা দাবি করছিল, ভাইয়া নাকি ইমিগ্রেশনে টাকা খরচ করে দেশে ঢুকেছে। সেই ইমিগ্র‍্যান্ট অফিসার দের বিরুদ্ধেও তদন্ত হওয়া উচিত।

তাদের যুক্তির মূল ভিত্তি ছিল: এই ঘটনায় অনেক প্রতিবাদ হয়েছে, মানববন্ধন হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত যদি ছাড়া পেয়ে যায়, তবে দেশে একটা ব্যাড এক্সাম্পল তৈরি হবে।

এরপর আমরা কোন প্রটেস্ট করার প্রয়োজন মনে করলাম না। যুক্তি খন্ডন করলাম না। আমরা যুক্তি দিলাম না যে - হাইকোর্টে রিট করা হয়েছিল যাতে ইমিগ্রেশনে এরেস্ট না করা হয় ভাইয়া কে, হাইকোর্টের আদেশেই নিয়ম মেনে আলভি ভাই আত্মসমর্পণ করেছেন। তার যদি আইন থেকে পালানোর ই হত, তবে নিজে আদালতে এসে আত্মসমর্পণ করতেন না।

আমাদের জুনিয়র রা বার বার পয়েন্ট বলে দিচ্ছিলেন, আর শেষে বাদীপক্ষ কে ডিফেন্ড করার কথা বলছিলেন। কিন্তু আমরা রাজি হলাম না। আমরা অন্য কাউকে আমাদের পক্ষে কথা বলার সুযোগ দিইনি। যদিও বাদীপক্ষে একাধিক ব্যক্তি কথা বলেছেন।

যাই হোক, আমার কাছে এর কোন লজিকাল কারণ নেই। আমি জানিনা কেন এমনটা হল।

আমাদের স্ট্র‍্যাটেজিতে ভুল ছিল। আমরা আমাদের বক্তব্য সঠিক ভাবে উপস্থাপন করতে পারিনি। বাদীপক্ষ কে ডিফেন্স করার চেস্টাই করিনি।

সবথেকে অবাক করা বিষয় হল, প্রমাণগুলোর ফরেনসিক রিপোর্ট এর আবেদন ই করিনি। উপরন্তু, আমাদের বক্তব্য এত অস্পষ্ট ছিল যে কোর্ট হয়ত বুঝতেই পারেনি।

আমি জানিনা, কেন এমনটা হল। কোর্ট শুরুর আগে আমাদের বিজ্ঞ আইনজীবী বাদীপক্ষের সাথে ব্যক্তিগত ভাবে কথা বলছিলেন। বাদীপক্ষের সাথে অভিযুক্ত পক্ষের আইনজীবীর কি কথা থাকতে পারে আমার জানা নেই।

তাই কোর্ট যা রায় দিয়েছে তাতে অসন্তোষ প্রকাশের কোন সুযোগ নেই। বরং প্রসিডিউর অনুযায়ী ই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এবং সিস্টেমেটিক জাস্টিস ই করেছেন।

কোর্টের কিছু প্রসিডিউরে বাদী আসামি কারো জবানবন্দি নেয়ার সুযোগ থাকেনা। আলভি ভাইয়াও কোর্টে কিছুই বলতে পারেনি। এক্ষেত্রে আইনজীবীই কথা বলেন। তাই, আইনজীবী যদি ডিফেন্স এর চেস্টা নাই করেন সেখানে আমাদের কিছু করার থাকেনা। আর তিনি যদি খুব সিনিয়র হন, ফেসভ্যালু থাকে তাহলে পুরো দুনিয়া ও কিছু করতে পারবেনা।

কোর্টে যার স্ট্র‍্যাটেজি ভাল হবে, যিনি শক্ত ভাবে তার যুক্তি গুলো তুলে ধরবেন তিনিই বিজয়ী হবেন। এখানে কে দোষী, তার থেকেও বড় বিষয়, কার স্ট্র‍্যাটেজি কত ভাল। এজন্য কেউ দোষ না করেও জেল খাটে, আবার কেউ হত্যা করেও ছাড়া পেয়ে যায়। সব ই স্ট্র‍্যাটেজির খেলা।

যাই হোক, আমার কোন আফসোস একটাই, চার্জশীট ছাড়া, কেবল যুক্তি আর প্রমাণ দেখেই কোনরূপ যাচাই বাছাই ছাড়াই যে কাউকে হ্যারেজ করা সম্ভব, জেলে ভরে দেয়া সম্ভব। এজন্য প্রমাণ নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন হয়না।

আমরা জাস্টিস পেলাম, ইনসাফ পেলাম না। যদি চার্জশীট হয়ে যেত, আর প্রমাণ গুলো এক্সপার্ট দ্বারা প্রমাণিত হত, যদি মিডিয়া ট্রায়াল থেকে নিশ্চিত প্রমাণ বেশি গুরুত্ব পেত, তাহলে মানসিক প্রশান্তি পেতাম। আফসোস থাকত না।

কোর্ট সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। জনমত কে উপেক্ষা করে কোর্ট কোন সিদ্ধান্ত নেয় নি। দোষ প্রমাণ হওয়া থেকে জনগণের কাছে আইনের প্রয়োগকে বিশ্বাসযোগ্য করাই হয়ত কোর্টের কাছে গুরুত্ব পেয়েছে।

আমি এখন অপেক্ষা করছি সেই দিনের যখন আসলে আলভি ভাইয়াকে আত্মহত্যায় প্ররোচনাকারী হিসেবে না দেখিয়ে হত্যাকারী প্রমাণ করে ফাসি দেয়া হবে। এটা প্রমাণ করা হবে, যে ইকরা ভাবির মৃত্যির সময় আলভি ভাইয়া নেপাল না বরং দেশে, ইকরা ভাবির সাথেই ছিল। এটা আত্মহত্যা না বরং পরিকল্পিত হত্যা!

সেদিন বেশি দূরে নয়, যেদিন রিজিক কে তার বাবার থেকে সারাজীবনের জন্য আলাদা করে দেয়া হবে। মা তো নিজেই তাকে রেখে চলে গিয়েছে, এবার নাহয় বাবাও চলে যাক। কি আর করার, তার সবথেকে বড় অপরাধ, সে অন্য ঘরে জন্ম নেয়নি, সে জাহের আলভির ঘরে জন্ম নিয়েছে।

এ ঘটনায় যদি কোন নির্দোষ যদি ভুক্তভোগী হয় তবে সেটা রিজিক। তার পরিবারে আর কোন উপার্জনক্ষম ব্যক্তি নেই। হয়ত বাকিটা জীবন তাকে অন্যের দয়া আর করুণার উপর বেচে থাকতে হবে।

কারো চিন্তা নেই, তার বাবা ছাড়া তার পরিবার কিভাবে চলবে।

আপ্নারা ফেসবুকে, কোর্টে গালাগালি করে ওর বাবার ফাসি চাইতেই পারেন। কিন্তু ওকে কি বোঝাতে পারবেন? ওর কাছে ওর বাবাই একমাত্র হিরো।

এবার খুশি তো আপনারা? আমি জানি, আপনারা খুশি হন নি। যেদিন রিজিক তার বাবাকে চিরতরে হারিয়ে মানুষের করুণা নিয়ে এতিম হয়ে বেচে থাকবে সেদিন আপনারা সবথেকে খুশি হবেন।

আপনারা নাহয় জাস্টিস পেয়ে যাবেন কিন্তু রিজিক কি ইনসাফ পাবে? না, হয়ত পাবেনা। কারণ সে তো সাধারণ বাচ্চা না, তার বাবা তো জাহের আলভি! ইনসাফ পাওয়ার অধিকার তার নেই।

⚠️ সতর্কতা:বর্ষাকালে ভেজা পরিবেশে বৈদ্যুতিক তার, মিটার, সুইচবোর্ড বা বিদ্যুৎ সংযোগের কাছাকাছি কাজ করার সময় সর্বোচ্চ সতর্...
18/06/2026

⚠️ সতর্কতা:

বর্ষাকালে ভেজা পরিবেশে বৈদ্যুতিক তার, মিটার, সুইচবোর্ড বা বিদ্যুৎ সংযোগের কাছাকাছি কাজ করার সময় সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করুন। কোনো অবস্থাতেই প্রশিক্ষণ ও নিরাপত্তা সরঞ্জাম ছাড়া বৈদ্যুতিক তারের আশপাশে কাজ করবেন না। বিদ্যুৎস্পৃষ্ট ব্যক্তিকে খালি হাতে স্পর্শ না করে প্রথমে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করুন এবং দ্রুত ফায়ার সার্ভিস বা জরুরি সেবার সহায়তা নিন। সামান্য অসাবধানতাও প্রাণঘাতী দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে। নিরাপত্তা নিশ্চিত করুন, জীবন রক্ষা করুন।

আটঘরিয়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে যুবকের মৃত্যু, উদ্ধার করতে গিয়ে আহত ব্যবসায়ী

পাবনা প্রতিনিধি: পাবনার আটঘরিয়া উপজেলার দেবোত্তর বাজারে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে শাহাদাৎ (৩০) নামে এক যুবকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। এ সময় তাকে উদ্ধার করতে গিয়ে আক্তার নামে এক ব্যবসায়ী আহত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে দেবোত্তর বাজার এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বাজারের আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকের একটি এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেটের ছাদে জমে থাকা বৃষ্টির পানি নিচে অবস্থিত আকুল স্টোরের ওপর পড়ছিল। পানি পড়া বন্ধ করতে শাহাদাৎ ছাদে ওঠেন। একপর্যায়ে তার পা পিছলে যায় এবং নিচে থাকা বৈদ্যুতিক তারের ওপর পড়ে তিনি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

এ সময় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধারের চেষ্টা করলে সিটি কাপড়ের দোকানের ব্যবসায়ী আক্তারও বিদ্যুতের সংস্পর্শে এসে আহত হন।

খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ পরিচালনা করেন। পরে তারা শাহাদাতের মরদেহ উদ্ধার করে তার নিজ বাড়ি কদমডেঙা গ্রামে পৌঁছে দেন। আহত আক্তারকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

নিহত শাহাদাৎ দেবোত্তর বাজারের পরিচিত ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আকুল স্টোরের কর্মচারী ছিলেন। তার আকস্মিক মৃত্যুতে বাজারের ব্যবসায়ী, সহকর্মী ও এলাকাবাসীর মধ্যে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। কদমডেঙা গ্রামে তার বাড়িতে স্বজনদের আহাজারিতে হৃদয়বিদারক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

এ ঘটনার পর স্থানীয় ব্যবসায়ীরা বাজার এলাকায় ঝুলে থাকা বৈদ্যুতিক তার ও ঝুঁকিপূর্ণ অবকাঠামো দ্রুত সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন। তাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে এসব ঝুঁকি থাকলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। ভবিষ্যতে এ ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা।

বানু টাইপের চরিত্র আর রাবিয়া টাইপের চরিত্র গল্পে খুব কমই আসে—যারা মূল কাহিনির কেন্দ্রবিন্দু না হয়েও দর্শকের হৃদয়ের সবচেয়...
18/06/2026

বানু টাইপের চরিত্র আর রাবিয়া টাইপের চরিত্র গল্পে খুব কমই আসে—যারা মূল কাহিনির কেন্দ্রবিন্দু না হয়েও দর্শকের হৃদয়ের সবচেয়ে নরম জায়গাটা দখল করে নেয়।

বানুর মতো চরিত্ররা সাধারণত নায়ক হয় না, ভিলেনও হয় না। তারা সেই মানুষ, যারা ভেঙে পড়া কাউকে চুপচাপ জড়িয়ে ধরে, কান্নার সময় পাশে বসে থাকে, নিজের কষ্ট ভুলে অন্যের মুখে হাসি ফোটানোর চেষ্টা করে। তাদের কোনো বড় ডায়ালগ থাকে না, কোনো নাটকীয় এন্ট্রি থাকে না। কিন্তু গল্পের সবচেয়ে অন্ধকার মুহূর্তগুলোতে তারাই আলো হয়ে দাঁড়ায়। তাই যখন এমন চরিত্রের ওপর বিপদের আভাস আসে, তখন দর্শকের ভয়টা অন্যরকম হয়। কারণ আমরা জানি, পৃথিবী খারাপ মানুষ হারালে রাগ হয়, কিন্তু ভালো মানুষ হারালে শূন্যতা তৈরি হয়।

আর রাবিয়ার মতো চরিত্রদের প্রতি মায়া লাগে অন্য কারণে। তারা অনেক কিছু হারিয়েও বেঁচে থাকে। তারা ভেঙে পড়ে, কাঁদে, তবুও আবার উঠে দাঁড়ায়। কিন্তু তাদের উঠে দাঁড়ানোর পেছনে প্রায়ই একজন বানু থাকে। এমন একজন, যে তাকে মনে করিয়ে দেয়—সে একা নয়।

এই কারণেই বানুর সম্ভাব্য মৃত্যু নিয়ে চিন্তা করলে ব্যাপারটা শুধু একটা চরিত্র মারা যাওয়ার ভয় না। মনে হয়, রাবিয়ার শেষ নিরাপদ আশ্রয়টাও বুঝি হারিয়ে যাবে। মুদাসসিরের পর যদি বানুকেও হারাতে হয়, তাহলে রাবিয়ার মুখের সেই কষ্টমিশ্রিত হাসিটুকুও হয়তো হারিয়ে যাবে।

আর দর্শক হিসেবে সবচেয়ে বেশি ভয় লাগে তখনই, যখন গল্পে এমন একজন চরিত্র থাকে যে খুব বেশি নির্দোষ, খুব বেশি ভালো, খুব বেশি সবার জন্য বাঁচে। কারণ ড্রামার লেখকেরা প্রায়ই এই ধরনের মানুষকেই ট্র্যাজেডির জন্য বেছে নেয়। তারা এমন মৃত্যু লেখে, যা শুধু চরিত্রদের না, দর্শকদেরও ভেঙে দেয়।

তাই বানুকে নিয়ে অস্বস্তিটা অকারণ না। কারণ সে এখন আর শুধু একটা চরিত্র নেই; সে রাবিয়ার হাসির কারণ, সার বুলান্দের ভালোবাসা, আর দর্শকের মানসিক শান্তির একটা অংশ হয়ে গেছে। আর যখন কোনো চরিত্র এতটা আপন হয়ে যায়, তখন তার জন্য ভয় পাওয়াটাও বাস্তব অনুভূতির মতোই সত্যি লাগে।

©️Collected.

আচ্ছা, রাজিব এখন কোথায়? রাজিবের আপডেট কি? রাজিবের বর্তমান ছবি কি কারও কাছে আছে? রাজিব কি ফেসবুক চালায়? ফেসবুকে রাজিবের ক...
18/06/2026

আচ্ছা, রাজিব এখন কোথায়? রাজিবের আপডেট কি? রাজিবের বর্তমান ছবি কি কারও কাছে আছে? রাজিব কি ফেসবুক চালায়? ফেসবুকে রাজিবের কি ছদ্মনাম? রাজিব কি বিবাহিত? রাজিবের কি ছেলে বা মেয়ে সন্তান আছে? রাজিবের বউ কি জানে, রাজিবের সন্তানেরা কি জানে সেই ভিডিও সম্পর্কে?

রাজিবের বাবা-মা'কে কি কেউ জিজ্ঞেস করে 'আংকেল/আন্টি আপনি তো সেই রাজিবের বাপ, তাই না?' রাজিব কি প্রকাশ্যে, সোশ্যাল মিডিয়ায় নিয়মিত বুলিং হয়, ট্রলের শিকার হয়? ২০১০ সালের ২৬ মিনিটের ভিডিও নিয়ে কি রাজিবকে কেউ কাঠগড়ায় দাঁড় করায়?

রাজিব কি বিশাল কেউ? রাজিব কি প্রবাসে? রাজিব কি কর্পোরেট মাফিয়া? রাজিব কি দেশেই আছে? রাজিব কি চুল-দাঁড়ি লম্বা করে চেহারা পাল্টেছে? রাজিবের ফেসবুক পোস্টে কি সবাই গালি দেয়? রাজিব কি প্রতিনিয়ত যন্ত্রণায় ডুবে থাকে?

রাজিব কি প্রভার মতোই অসুখী জীবন যাপন করছে? রাজিব কি প্রভার মতোই সুখে থাকার অভিনয় করছে? রাজিবের বিয়ে কি ভেঙে গেছে বা বিয়েটা কি এখনো টিকে আছে?

আচ্ছা, রাজিব কি জীবিত না মৃত?

আমরা এক ভয়ংকর জাহেলিয়াতের যুগে প্রবেশ করেছি, আর দিন দিন তার নানা প্রকাশ সামনে আসছে।প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী—স্বামী ডাক্তার,...
18/06/2026

আমরা এক ভয়ংকর জাহেলিয়াতের যুগে প্রবেশ করেছি, আর দিন দিন তার নানা প্রকাশ সামনে আসছে।

প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী—

স্বামী ডাক্তার, শাশুড়ি দেশের নামকরা একটি ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলের শিক্ষক, শ্বশুড় দেশের শীর্ষস্থানীয় ও অত্যন্ত প্রভাবশালী বারডেম হাসপাতালের কার্ডিয়াক বিভাগের বিভাগীয় প্রধান।

ননদ (স্বামীর বোন) মেটার বাংলাদেশ বিষয়ক রিজিওনাল হেড এবং সাবেক ডেইলি স্টার সাংবাদিক।

মেটার রিজিওনাল হেড হওয়ার সুবাদে তাঁর ২৪ ঘণ্টার ব্যস্ততা—সিঙ্গাপুরের রিজিওনাল অফিসে দৌড়ঝাঁপ, বাংলাদেশের মন্ত্রী ও নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে বৈঠক ইত্যাদি।

এমন একটি পরিবারে মেয়ের বিয়ে দিতে পারলে বাঙালি পরিবারের খুশিতে আটখানা নয়, ষোলোখানা হয়ে যাওয়ারই কথা।

হয়তো তেমনটাই হয়েছিল ডাক্তার নাফিসা তাবাসসুম ধীপ্রার পরিবারের ক্ষেত্রেও।

অতি সাদামাটা একটি পরিবার। হয়তো সারাজীবনের সবকিছু নিংড়ে মেয়েকে ডাক্তার বানিয়েছিলেন। কত স্বপ্ন ছিল, কত আশা ছিল!

সেই মেয়েটি মৃত্যুর আগে তিন দিন তালাবদ্ধ ছিল বলে অভিযোগ।

মা গিয়ে যখন তাঁকে তালামুক্ত করেন, বের হয়ে মেয়ের প্রথম কথাই ছিল, “মা, আমি ভাত খাব।”

আহারে ভাত!

এত অর্থ-সম্পদের মধ্যেও তিন দিন একটি ডাক্তার মেয়ে ভাত পায়নি—এমন অভিযোগ সত্যিই হৃদয়বিদারক।

মৃত্যুর আগে তাঁর একমাত্র ইচ্ছা ছিল একটু ভাত খাওয়া। সেটাও পূরণ হয়নি। কারণ ভাত খাওয়ার আগেই তিনি অচেতন হয়ে পড়েন। এরপর ঘটে মৃত্যু।

কী করুণ! কী নির্মম এই বাস্তবতা!

মামলা-মোকদ্দমা না হলে হয়তো আমরা এই অভিযোগগুলোর কথা জানতেই পারতাম না।

জুলকারনাইন শায়ের ও গুগল অ্যাসিস্ট্যান্ট থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী দাবি করা হচ্ছে—

রিজিওনাল হেড হওয়ার প্রভাব ব্যবহার করে মুহূর্তের মধ্যে ধীপ্রার ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ডিলিট করিয়ে ফেলা হয়েছে, যাতে পূর্বে করা পোস্ট বা অভিযোগগুলো মুছে যায়।

বাংলাদেশ মেডিকেল কলেজের সাবেক শিক্ষার্থী চিকিৎসক ডা. নাফিসা তাবাসসুম ধীপ্রা অস্বাভাবিকভাবে অচেতন হয়ে পড়ার পর তাঁকে দ্রুত নিকটবর্তী হাসপাতালে না নিয়ে, শ্বশুরের প্রভাবের কারণে দূরের বারডেম হাসপাতালে নেওয়া হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগে আরও বলা হয়, হাসপাতালে নেওয়ার পথেই তাঁর মৃত্যু ঘটে। এরপর ময়নাতদন্ত ছাড়াই তড়িঘড়ি করে ডেথ সার্টিফিকেট সংগ্রহ করে লাশ দাফন করা হয়।

এসব অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত ও সত্য উদঘাটন হওয়া প্রয়োজন।

এ বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সচেতন আলোচনা হওয়া জরুরি। যদি অভিযোগগুলো সত্য হয়, তাহলে দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনা উচিত এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ন্যায়বিচার পাওয়ার সুযোগ পাওয়া উচিত।

লেখা- মুয়াজ

এবারের বিশ্বকাপে যে ফুটবল ব্যবহার করা হচ্ছে সেখানে একটি বিশেষ চিপসেট ব্যবহার করা হয়েছে। ফিফা আনুষ্ঠানিকভাবে বলেছে যে বলে...
18/06/2026

এবারের বিশ্বকাপে যে ফুটবল ব্যবহার করা হচ্ছে সেখানে একটি বিশেষ চিপসেট ব্যবহার করা হয়েছে। ফিফা আনুষ্ঠানিকভাবে বলেছে যে বলের গতিবিধি ও অফসাইড ধরার জন্য চিপসেটটি ব্যবহার করা হচ্ছে।

কিন্তু আপনি দুই দুইয়ে চার মেলালেই ফিফার চাল সহজেই ধরে ফেলতে পারবেন!

এই ফুটবল তৈরি করেছে এডিডাস। আবার মেসির জুতাও তৈরি করে এডিডাস। কী? একটু খটকা লাগা শুরু হয়েছে? তাহলে খুলেই বলি ব্যাপারটা!

এডিডাস মেসির জুতাতে একটি এআই কন্ট্রোলার সেট করেছে যা বলের স্পর্শ পেলে ফুটবলের গতিবিধি নিয়ন্ত্রণ করে স্বয়ংক্রিয়ভাবে।এরফলে বলে শুট করলে বল গোলবারের বাইরে যাবে না।

এছাড়াও গোলবারের ব্যবহার করা জালের মধ্যেও চুম্বক চিপ বসানো হয়েছে। মেসি শুট করলে গোলবারের কাছাকাছি আসলে বলের গতি উল্টো বেড়ে যায়! এজন্যই গত ম্যাচে গোলকিপাররে হাত ফসকে বল বেরিয়ে গেছে কয়েকবার!!

একসময় পেনাল্টি চাঁদে পাঠানো খেলোয়াড় কীভাবে টপাটপ ডি-বক্সের বাইরে থেকে গোল করে ফেলে ব্যাপারটা এখন বুঝতে পেরেছেন?

শেষ করছি আরেকটা তথ্য দিয়ে। খ্রিস্টান রোনালদোর জুতা তৈরি করে এডিডাসের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রতিষ্ঠান নাইকি। আজ দেখবেন বস রোনালদো শট নিলেই বল চলে যাবে মঙ্গলে!! কারণ বল তো তৈরি করেছে এডিডাস! তারা বলে বিশেষ ফাংশন সেট করে রাখবে আজ!

কথাগুলো অনেকের কাছেই ষড়যন্ত্র তত্ত্ব মনে হতে পারে।বিশ্বাস করা না করা আপনার ব্যাপার। কিন্তু আমি প্রমাণ ও ফ্যাক্ট ছাড়া কিছু। প্রমাণ চাইলে ইনবক্স করতে পারেন! লিংক দিয়ে দিব।ধন্যবাদ।।।

শৈশব থেকে যাদের মা-বাবা হিসেবে জেনে বড় হয়েছেন, একদিন হঠাৎ জানতে পারলেন তারা তার জৈবিক বাবা-মা নন। এরপর বদলে যায় জন্মনিবন...
18/06/2026

শৈশব থেকে যাদের মা-বাবা হিসেবে জেনে বড় হয়েছেন, একদিন হঠাৎ জানতে পারলেন তারা তার জৈবিক বাবা-মা নন। এরপর বদলে যায় জন্মনিবন্ধন, শিক্ষাগত সনদসহ বিভিন্ন সরকারি নথিতে থাকা অভিভাবকের পরিচয়। অভিযোগ রয়েছে, পরবর্তীতে তাকে বাড়ি থেকেও বের করে দেওয়া হয়। দীর্ঘদিন ধরে নিজের প্রকৃত পরিচয়ের সন্ধানে থাকা ক্লাউডিয়া চৌধুরী এবার আইনের দ্বারস্থ হয়েছেন। বুধবার রাজশাহীর আদালতে ক্লাউডিয়া চৌধুরী নিজেই বাদী হয়ে চিকিৎসক ডা. শিপ্রা চৌধুরী এবং তার সহযোগী হিসেবে উল্লিখিত নাজমুলের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। মামলায় প্রতারণা, জালিয়াতি, মিথ্যা তথ্য প্রদান, অবৈধভাবে পরিচয় পরিবর্তন, জোরপূর্বক হলফনামা করানো, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং জন্মনিবন্ধন সংক্রান্ত আইনের বিভিন্ন ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
বাদীপক্ষের আইনজীবী, সুপ্রিম কোর্ট ও জেলা ও দায়রা জজ আদালতের অ্যাডভোকেট হযরত আলী সাংবাদিকদের জানান, আদালত অভিযোগটি আমলে নিয়ে প্রাথমিকভাবে সন্তুষ্ট হয়েছেন এবং ঘটনার বিস্তারিত তদন্তের জন্য পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)-কে নির্দেশ দিয়েছেন।
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ক্লাউডিয়াকে শিশুকালে অজ্ঞাত স্থান থেকে নিয়ে এসে ডা. শিপ্রা চৌধুরী নিজের সন্তান হিসেবে পরিচয় দিয়ে লালন-পালন করেন। তবে এক্ষেত্রে প্রচলিত আইন অনুযায়ী আদালতের মাধ্যমে অভিভাবকত্ব গ্রহণ কিংবা সমাজসেবা অধিদপ্তরের অনুমোদন নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
বাদীপক্ষের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে ক্লাউডিয়ার জন্মনিবন্ধন, টিকা কার্ড, নাগরিকত্ব সনদ, স্কুলের নথিপত্র, এসএসসি পরীক্ষার রেজিস্ট্রেশন ও প্রবেশপত্রসহ বিভিন্ন সরকারি ও শিক্ষাগত নথিতে ডা. ওবায়দুর রহমান চৌধুরী ও ডা. শিপ্রা চৌধুরীকে তার বাবা-মা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছিল। কিন্তু ২০২৩ সালে হঠাৎ জন্মনিবন্ধনে বাবা-মায়ের নাম পরিবর্তন করে বাবুল ও টগরী বেগমের নাম যুক্ত করা হয়। ক্লাউডিয়ার দাবি, তিনি এসব ব্যক্তিকে কখনো দেখেননি কিংবা চিনতেন না।
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, ২০২৩ সালের জুন মাসে ক্লাউডিয়াকে জোরপূর্বক আদালতে নিয়ে গিয়ে একটি হলফনামায় স্বাক্ষর করানো হয়। পরদিন তাকে জানানো হয়, তিনি পরিবারের জৈবিক সন্তান নন। এরপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের মাধ্যমে তাকে এক কাপড়ে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এছাড়া তার পাসপোর্টসহ প্রয়োজনীয় নথিপত্র ফেরত দেওয়া হয়নি বলেও দাবি করা হয়েছে।
আইনজীবী হযরত আলী বলেন, মিথ্যা তথ্যের ভিত্তিতে ক্লাউডিয়ার পাসপোর্টও তৈরি করা হয়েছিল। অভিযোগগুলো প্রমাণিত হলে আসামিদের বিরুদ্ধে গুরুতর শাস্তির বিধান রয়েছে।

Address

Dhaka

Telephone

+8801714349618

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Kosturi - The Explorer posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Kosturi - The Explorer:

Share