31/05/2026
প্রভাবশালী এক ব্যক্তি পাঁচ ছেলে দুই মেয়ে দুনিয়াতে রেখে পরকালে বিদায় নেন। সম্পদের অভাব ছিল না সেই ব্যক্তির। মৃত্যুর পর কিছুই সাথে করে নিয়ে যেতে পারেননি নিজ আমল ছাড়া। মৃত্যুর পর সবচেয়ে বড় সম্পদই হল নিজ আমল। মৃত্যুর কিছুদিন পর কেউ আর মৃত ব্যক্তিকে তেমন একটা মনে রাখে না কিংবা কান্না আহাজারী করেনা মৃত্যুর দিনটি ছাড়া। কি লাভ দুনিয়ার এত সম্পদ অর্জন করে যদি নিজ আমল নাই নিয়ে যেতে পারে। ঘটনা ক্রমে ব্যক্তির রেখে যাওয়া সম্পদ ভাগ বাটোয়ারা নিয়ে ভাই-বোনদের সাথে অনেকটাই দূরত্ব বেড়ে যায় যোগাযোগ কমে যায়। একটা সময় ভাইয়েরা যার যার মত সম্পদ ভাগ করে নেয় আর বোনের যতটুকু প্রাপ্য তার চেয়েও অর্ধেকেরও অর্ধেক কোনরকম দেয়। কিন্তু বোন যখন তার প্রাপ্যটা চায় তখন সব ভাইয়েরা যোগাযোগ কমিয়ে দেয় এমনকি অনেক ভাই এটাও বলে তুমি কে। বোন যখন বলে আমার ছেলে তো আছে সে যদি কখনো ভাগ চায় তখন কি করবি। তখন ভাইয়েরা বলে পারলে বলিও আদায় করে নিতে মামলা মোকদ্দমা করে। অথচ ভাইয়েরা ভুলেই গেল মৃত্যুর পর এ সম্পদের কোন অংশই সাথে নিতে পারবে না। মৃত্যুর পর সন্তানেরাও বাবার কথা মনে রাখবেন একটা সময়। এই যে বোনের হক মেরে সন্তানদেরকে লালন-পালন করা হলো, বিশাল গরু দিয়ে কোরবানি দেওয়া হলো, বাড়ি করা হলো সেটা কতটুকু হালাল উপায়ে করা। আল্লাহ স্বয়ং নিজে বলেছেনই সব মাফ করলেও নিজ বাবা-মা, সন্তান, আত্মীয়-স্বজন,ভাই-বোন হকদারের প্রাপ্য হক আদায় না করলে, হকদার ব্যক্তি ছাড়া কারো মাফ করার ক্ষমতা নাই। মৃত্যুর পর লাশের সামনে দাঁড়িয়ে হাত তুলে যদি বলে আমার প্রাপ্য হক আদায় করেননি, আমি মাফ করবো না। বাবা-মা কিংবা সন্তান কি সেই হক আদায় করবে? নাকি দুনিয়াতেই নিজে দায়মুক্ত হয়ে পরকালে চলে যাওয়া উত্তম।
আমরা কখনো কি নিজ অবস্থান থেকে এভাবে ভেবেছি??
@সংগৃহীত