24/08/2026
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইমার্জেন্সির সামনে যদি মাত্র ১২ ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকেন, তাহলে হয়তো আপনার জীবনের অনেক হিসাব-নিকাশই বদলে যাবে। দুনিয়ার রং-তামাশা, অহংকার, ক্ষমতা, টাকা-পয়সা—সবকিছু মুহূর্তের মধ্যে অর্থহীন মনে হবে।
সেখানে দেখবেন—
কেউ প্রিয় মানুষটাকে বাঁচানোর জন্য ছুটে বেড়াচ্ছে,
কেউ চিকিৎসার টাকা জোগাড় করতে মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরছে,
কেউ চোখের পানিতে আল্লাহকে ডাকছে,
আবার কেউ একটু আগেও জীবিত থাকা প্রিয় মানুষটাকে লাশ হয়ে হাসপাতাল থেকে বের করে নিয়ে যাচ্ছে।
একটু দাঁড়িয়ে দেখবেন, মানুষের আহাজারি কাকে বলে।
একটু অনুভব করবেন, স্বজন হারানোর কষ্ট কতটা ভয়াবহ।
একটু তাকাবেন, অসহায় একজন মানুষ কীভাবে তার প্রিয়জনকে বাঁচানোর জন্য নিজের সর্বস্ব দিয়ে লড়াই করে।
তখন হয়তো মনে হবে—
এই টাকা-পয়সা, দামি গাড়ি, বড় বাড়ি, কোটি কোটি টাকার সম্পদ, ব্যাংক ব্যালেন্স—এসবের কোনোটাই আমার সঙ্গে যাবে না।
যে মানুষটা আজ কোটি টাকার মালিক, সেও একদিন হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে এক নিঃশ্বাসের জন্য লড়াই করতে পারে।
যে মানুষটা আজ ক্ষমতার দাপটে অন্যকে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করছে, সেও একদিন হয়তো কারও সাহায্যের জন্য হাত বাড়াবে।
চট্টগ্রাম মেডিকেলে গিয়ে একদিন সময় কাটান।
হয়তো সেদিন বুঝবেন—জীবন কতটা অনিশ্চিত, মানুষ কতটা অসহায়, আর আমাদের অহংকার কতটা মূল্যহীন।
তাই যতদিন বেঁচে আছি—
অহংকার নয়, মানবিকতা দেখাই।
দাপট নয়, মানুষের পাশে দাঁড়াই।
বড়াই নয়, অসহায়ের চোখের পানি মুছে দিই।
কারণ একদিন আমাদেরও সবকিছু ছেড়ে চলে যেতে হবে।
থেকে যাবে শুধু আমাদের কর্ম আর মানুষের জন্য করা ভালোবাসা।
আল্লাহ আমাদের সবাইকে অহংকার ও দাম্ভিকতা থেকে হেফাজত করুন এবং অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর তাওফিক দান করুন। আমিন।
জীবন কত তুচ্ছ! জীবন আসলে কী? আমরা কিসের জন্য এত অহংকার করি, কিসের জন্য বড়াই করি, কিসের জন্য এত দাম্ভিকতা আর দাপট দেখাই?
#কঠিন #বাস্তবতা #জীবন #লাশ #মৃত্যুシ_কখনো_বয়স_মানে_না