Abrar Food

Abrar Food নগরায়নের ভেজালের ভীড়ে ১০০% খাঁটি পণ্যের নিশ্চয়তা

মধ্য সা'বানের রাত, ফযীলত, করণীয় ও বর্জনীয়ঃফযীলত ও বরকতময় মাসসমূহের একটি হল শা‘বান মাস। নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া...
25/02/2024

মধ্য সা'বানের রাত, ফযীলত, করণীয় ও বর্জনীয়ঃ

ফযীলত ও বরকতময় মাসসমূহের একটি হল শা‘বান মাস। নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রায় পুরো শা‘বান মাসই রোযা রাখতেন। (বুখারী শরীফ, হাদীস নং- ১৯৬৯, ১৯৭০)

এ মাসে বনী আদমের ‘আমল আল্লাহ তা‘আলার দরবারে পেশ করা হয়। তাই নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম চাইতেন, তাঁর ‘আমল এমন সময় পেশ হোক যখন তিনি রোযাদার। (নাসায়ী শরীফ হাদীস নং- ২৩৫৭)

শা‘বান মাসের চৌদ্দ তারিখ দিবাগত রাত্র (অর্থাৎ, ১৫ শা‘বানের রাত্র) মুসলিম সমাজে ‘শবে বরাত’ বা ‘লাইলাতুল বরাআত’ হিসেবে প্রসিদ্ধ। হাদীস শরীফে এ রজনীকে ليلة النصف من شعبان বা ‘অর্ধ শা‘বানের রাত’ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। ‘লাইলাতুল বরাআত’ নামটিও হাদীস শরীফের মর্মার্থ থেকেই গৃহীত। অর্থাৎ, মুক্তির রজনী।

এ রাতকে কেন্দ্র করে আমাদের সমজে বিভিন্ন মতামত, রসম-রেওয়াজ ও বাড়াবাড়ি পরিলক্ষিত হচ্ছে। কেউ হয়ত এ রাতের ফযীলতকে একেবারেই অস্বীকার করছে এবং এ রাতের নফল ইবাদত-বন্দেগীকে বিদ‘আত বলছে; আবার কেউ মনগড়া বিভিন্ন রসম-রেওয়াজ চালু করছে।

তাই এখানে খুব সংক্ষেপে এ রজনী সম্পর্কে শরীয়তের সঠিক দৃষ্টিভঙ্গি এবং করণীয় ও বর্জনীয় বিষয়সমূহ তুলে ধরা হচ্ছে:-
শবে বরাআতের ফযীলত সম্পর্কে কতিপয় হাদীস
▪হযরত মু‘আয ইবনে জাবাল রা. হতে বর্ণিত নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, আল্লাহ তা‘আলা অর্ধ শা‘বানের রাতে (শা‘বানের চৌদ্দ তারিখ দিবাগত রাতে) মাখলূকের প্রতি রহমতের দৃষ্টি দেন এবং মুশরিক ও বিদ্বেষ পোষণকারী ব্যতীত আর সবাইকে ক্ষমা করে দেন। -সহীহ ইবনে হিব্বান হাদীস নং- ৫৬৬৫, আলজামেউস সগীর পৃ: ৪৪৪, মুসনাদে বাযযার হাদীস নং- ২০৪৮,ইবনে খুযাইমা কিতাবুত তাওহীদ পৃ: ১৩৬, ইবনে মাযা হাদীস নং- ১৩৯০

▪আল্লাহ তা‘আলা এ রাতে বিদ্বেষ পোষণকারী ও নিরপরাধ মানুষকে হত্যাকারী ছাড়া সকল বান্দাকে ক্ষমা করে দেন। মুসনাদে আহমদ ৪/১৭৬

▪এ রাতে আল্লাহ তা‘আলা মুশরিক ও ব্যভিচারিনী মহিলা ব্যতীত সকলেরই চাওয়া পূরণ করে থাকেন। শু‘আবুল ঈমান ৩/৩৮৩

▪যখন অর্ধ শা‘বানের রাত্রি আসে তখন আল্লাহ তা‘আলা মাখলূকের প্রতি রহমতের দৃষ্টিতে তাকান। অত:পর মুমিনকে ক্ষমা করে দেন, কাফেরদেরকে (ফিরে আসার) সুযোগ দেন এবং হিংসুকদেরকে হিংসা পরিত্যাগ ব্যতীত ক্ষমা করেন না। শু‘আবুল ঈমান ৩/৩৮২

▪এটা হল অর্ধ শা‘বানের রাত। আল্লাহ তা‘আলা এ রাতে তাঁর বান্দাদের প্রতি মনোযোগ দেন। ক্ষমা প্রার্থনাকারীদের ক্ষমা করে দেন, অনুগ্রহপ্রার্থীদের অনুগ্রহ করেন আর বিদ্বেষ পোষণকারীদের তাদের অবস্থাতেই ছেড়ে দেন। শু‘আবুল ঈমান ৩/৩৮২

▪নবীজী সা. এ রাতে জান্নাতুল বাকীতে এসে মৃতদের জন্য দু‘আ ও ইস্তিগফার করেছেন। এরপর হযরত আয়েশা রা.কে বললেন, এ রাতে আল্লাহ তা‘আলা কালব গোত্রের বকরীর পশমের চেয়েও বেশি লোককে ক্ষমা করে দেন। তিরমিযী হাদীস নং- ৭৩৯

▪১৫ শা‘বানের রাতে নামায পড় এবং দিনে রোযা রাখ। ইবনে মাযা হাদীস নং- ১৩৮৪

এ রাতে করণীয়
(i) এ রাতে আল্লাহ তা‘আলার যিকরে মশগুল থাকা, একনিষ্ট মনে কৃত পাপাচারের জন্য তাওবা-ইস্তিগফার করা, নফল নামায, কুরআন তিলাওয়াত, দরূদ শরীফ পাঠ করাসহ বিভিন্ন নফল ‘আমলে মশগুল থাকা এবং সকল পেরেশানী, রোগ, বিপদাপদ থেকে মুক্তি, হালাল রুজি-রুজগার ও সকল প্রকার প্রয়োজনের জন্য আল্লাহ তা‘আলার দরবারে বিশেষভাবে দু‘আ করা।

(ii) ঐ সকল গুনাহ থেকে তাওবা করা এবং বেঁচে থাকা যা এই বরকতময় রাতের ক্ষমা পাওয়ার সুযোগ ও দু‘আ কবূলের সৌভাগ্য থেকে বঞ্চিত রাখে।

(iii) সকল মুমিন-মুসলমান একে-অপরের জন্য দু‘আ করা। মৃতদের জন্য দু‘আ করা।

(iv) নফল ইবাদত ঘরে করা উত্তম। তবে অলসতা বা ঘুমের আশংকা হলে মসজিদেও ইবাদত করা যাবে।

(v) হাক্কানী উলামায়ে কিরামের ওয়াজ-নসীহত শুনা।

(vi) ১৫ শা‘বান নফল রোযা রাখা।

এ রাতে বর্জনীয়
(i) মনগড়া সকল রসম-রেওয়াজ, হালুয়া-রুটি, শিরনী-তবারক তৈরি ও বিতরণ করা, আতশবাজি, পটকাবাজি, ঘর-বাড়িতে আলোকসজ্জা করা, মাজারে মোমবাতি জালানো।

(ii) মাইকে মিলাদ-শবীনা পড়ে অন্যদের ইবাদতে ব্যাঘাত ঘটানো, মসজিদে দৌড়াদৌড়ি করা, গল্প করা, দলবেধে সারা রাত হৈহুল্লোর ও আনন্দ উল্লাস করা।

(iii) নফল নামাযের নির্দিষ্ট রাকাআত সংখ্যা, নির্দিষ্ট সূরা, নামাযের বিশেষ পদ্ধতিকে আবশ্যক মনে করা ও মনগড়া ফযীলত বর্ণনা করা ইত্যাদি সকল অন্যায় কাজ থেকে বিরত থাকা।

মোট কথা, এ রাতে নফল ইবাদত-বন্দেগীতে মশগুল থাকা কোন ভিত্তিহীন কাজ নয়। এ রাতে আল্লাহ তা‘আলার বিশেষ রহমত নাযিল হয়ে থাকে, দু‘আ কবূল হয়ে থাকে ও জাহান্নাম থেকে মুক্তির সাধারণ ঘোষণা হয়ে থাকে। তাই গাফেল ও অলসভাবে এ রাত কাটানো নিতান্তই বোকামী। বরং সকল ফরয, ওয়াজিব ও সুন্নত ‘আমল ও ইবাদতসমূহের পাবন্দ হওয়ার পাশাপাশি সমাজে প্রচলিত সকল মনগড়া কাজ, গর্হিত ও অহেতুক কর্মকান্ড বর্জন করে শবে বরাতের ‘আমলকে নফল ও মুস্তাহবের পর্যায়ে রেখে শবে বরাত উপলক্ষে ইবাদত বন্দেগী করা সাওয়াব ও বরকতের কাজ।

আল্লাহ তা‘আলা আমাদেরকে তাওফীক দান করুন। আমীন।

মুফতি Omar Ahmad (হাফি:)
তত্ত্বাবধায়ক-‘উচ্চতর ইসলামী আইন গবেষণা’ বিভাগ,
ও সিনিয়র মুহাদ্দিস, আল-জামিয়াতুল ইমদাদিয়া,
পুরানথানা, কিশোরগঞ্জ।

05/01/2024

গুড় যখন খেতেই হবে তখন টাকা দিয়ে কেন ভেজাল গুড় খাবেন। তাই সিদ্ধান্ত আপনার বাজারের ভেজাল গুড় খাবেন নাকি আবরার ফুডের নিজেদের তৈরী বিশুদ্ধ গুড় খাবেন।

Order Now : https://abrarfood.com/khejurer-nolen-danadar-gur/

স্ত্রীঃ শীতের পিঠা বানানোর জন্য খেজুরের গুড় আনতে বলেছিলাম তোমাকে আর তুমি কিনা খালি হাতে বাড়ি এসেছ?  স্বামীঃ শীতের পিঠা ত...
21/12/2023

স্ত্রীঃ শীতের পিঠা বানানোর জন্য খেজুরের গুড় আনতে বলেছিলাম তোমাকে আর তুমি কিনা খালি হাতে বাড়ি এসেছ?

স্বামীঃ শীতের পিঠা তো আমারও খেতে ইচ্ছে করে কিন্তু বাজারে নির্ভেজাল কোন খেজুরের গুড় না পেলে আমি কি করব? পিঠা বলে তো হাইড্রোস, ফিটকারী আর চিনি মিশানো গুড় আমি আনতে পারি না কারণ এই পিঠা ফারিয়া আর মিরাজও খাবে।

স্ত্রীঃ আবরার ফুড থাকতে তোমাকে খাঁটি গুড় নিয়ে চিন্তা করতে হবে না। চোখ বন্ধ করে এখনি ওর্ডার করোঃ https://abrarfood.com/khejurer-gur/ এ আর ঘরে পেতে পারো খাঁটি খেজুরের গুড় ।

স্বামীঃ তো এত সহজ সমাধান আগে বললে না কেন?

স্ত্রীঃ তোমার বুদ্ধি যাচাই করলাম । বুজেছ ফারিয়ার বাবা।

16/12/2023

এভাবেই চলছে আবরার ফুডের প্রান্তিক চাষিদের পরবর্তী দিনের গুড়ের জন্য গাছ লাগানোর মহাকর্মযজ্ঞ।

16/12/2023

সাত সকালে উত্তরবঙ্গের তীব্র শীতে এভাবেই চলছে খেজুর গুড় তৈরী।

আর এই অক্লান্ত পরিশ্রমের ফল সুস্বাদু স্বাস্থ্যকর গুড় পৌছে যাচ্ছে আপনাদের হাতে।

03/12/2023

গাছের পাতায় জমে থাকা শিশির বিন্দুর চোখ জুড়ানো শোভা

খেজুরগাছে ঝোলে রসের হাঁড়ি💖💖
পৌষ পার্বণে পিঠে পুলির আয়োজন
আর তার সাথে নলেনগুড়ের পায়েস
একেই বলে শীতকালের আয়েস।💛

উত্তরবঙ্গের শীতের সকাল মানেই এক অন্যরকম উৎফুল্লময়, আনন্দের জোয়ারে ভেসে যাওয়া নতুন দিগন্তের ছোয়া 🌷🌷

02/12/2023

আসসালামু আলাইকুম💛💛

খেজুরের রস হতে গুড় উৎপাদন কিন্তু শুরু হয়ে গেলো। 🌴🌴

তাই আপনারা খেজুরের গুড়ের তৈরি সুস্বাদু পিঠা উপভোগ করার জন্য প্রস্তুত তো ❔

শীত আসতে না আসতেই বাঙালি উৎসুক হয়ে থাকে খেজুরের গুড়ের জন্য। কেননা, শীতের মৌসুম মানেই খেজুরের গুড়। শীতের পিঠা-পায়েস তৈরিত...
15/11/2023

শীত আসতে না আসতেই বাঙালি উৎসুক হয়ে থাকে খেজুরের গুড়ের জন্য। কেননা, শীতের মৌসুম মানেই খেজুরের গুড়। শীতের পিঠা-পায়েস তৈরিতে ব্যবহার হয় খেজুর গুড়। খেতে সুস্বাদু বলেই এটি বেশি ব্যবহার হয়।

তবে খেজুরের গুড় কেবল খেতেই মজার নয় বরং স্বাস্থ্যের জন্যও ভালো।

✅উপকারিতাঃ
১.ওজন কমায়
২.ঠাণ্ডা কাশির সমস্যা দূর করে।
৩.হজম শক্তি বাড়ায়
৪.আয়রনের ঘাটতি পূরন করে।
৫.প্রেসার নিয়ন্ত্রক।
৬.লিভার ভালো রাখে।
৭.শ্বাসকষ্ট কমায়।
৮.ত্বক ভালো রাখে।
৯.চুল বৃদ্ধি করে।
১০.পুরাতন বাতের ব্যথা দূরীকরণ।

আসল খেজুর গুড় চেনার উপায়ঃনিজে উৎপাদন কিংবা সরাসরি তত্ত্বাবধায়ন করতে না পারলে হাইড্রোজ এবং চিনিমুক্ত গুড় পাওয়া প্রায় অসম্...
12/11/2023

আসল খেজুর গুড় চেনার উপায়ঃ

নিজে উৎপাদন কিংবা সরাসরি তত্ত্বাবধায়ন করতে না পারলে হাইড্রোজ এবং চিনিমুক্ত গুড় পাওয়া প্রায় অসম্ভব । অন্যদিকে পরিস্কার পরিচ্ছন্ন কড়াই বা পরিবেশে জ্বাল দেওয়া কিংবা মালোই (গুড় ঢালার গোল পাত্র) অথবা মালোই এর উপর যে কাপড় দেওয়া হয় তা সাধারণত নিয়মিত পরিস্কার ও রোদে শুকানো হয় না ।

আবার নাড়িগুলো (রস জমার জন্য খেজুর কাছে ঝুলনো হয়) ভাল পানি দিয়ে পরিস্কারের পাশাপাশি সপ্তাহে অন্ততঃ ১ দিন চুন দিয়ে জীবাণুনাশক করে কড়কড়ে রোদে শুকানো প্রয়োজন ।

আসুন জেনে নিই আসল খেজুর গুড় চেনার উপায়ঃ
👉 খাঁটি খেজুরের গুড় দেখতে কিছুটা কালচে হয়
👉 খাঁটি খেজুরের গুড়ে সুন্দর ঘ্রাণ থাকবে।
👉 খাঁটি খেজুরের গুড় বেশি দিন রাখা যায় না
👉 খাঁটি খেজুরের গুড় হাইড্রোজ মুক্ত হবে।
👉 খাঁটি খেজুরের গুড় চিনি মুক্ত হবে।

এর বাহি্রে প্যাকেজিং এর একটা বড় সমস্যা হলো পাটালিগুলোর ওজন বিভিন্ন হবার কারণে ক্লায়েন্টকে পরিমাপমত দেবার জন্য কিছু পাটালি ভাঙতে হয় তারপর ওজন করে মিলাতে হয় । এতে করে সময় নষ্টের পাশাপাশি পাটালি ভাঙ্গার কারণে ওজন লস হয়।

ঢালার সময়ই ওজন করার জন্য স্কেল আছে আর প্যাকেজিং জন্য এলুমিনিয়াম ফয়েল প্যাক ব্যবহার করা হয়।

খেজুর গুড়-দুধ-নারকেল কোরা বা ক্ষীরের মিলমিশে কী কী পিঠা বানাবেনঃ ১। পাটিসাপটা২। সরুচাকলি৩। দুধপুলি৪। গোকুল পিঠে৫। চিতই ...
12/11/2023

খেজুর গুড়-দুধ-নারকেল কোরা বা ক্ষীরের মিলমিশে কী কী পিঠা বানাবেনঃ

১। পাটিসাপটা
২। সরুচাকলি
৩। দুধপুলি
৪। গোকুল পিঠে
৫। চিতই পিঠে

 #খেজুর_গুড়ের_ভাপা_পিঠা_তৈরিশীত আসতেই নিশ্চয়ই মনে পড়ে যায় খেজুর গুড়ের সুবাস। আমাদের গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য হলো এই খেজুরের গ...
12/11/2023

#খেজুর_গুড়ের_ভাপা_পিঠা_তৈরি

শীত আসতেই নিশ্চয়ই মনে পড়ে যায় খেজুর গুড়ের সুবাস। আমাদের গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য হলো এই খেজুরের গুড়। আর খেজুরের গুড় দিয়েই বাহারি পিঠা তৈরি করা হয়। যার স্বাদ মুখে লেগে থাকে বছরব্যাপী।

উপকরণঃ
১. চালের গুড়া – ২ কাপ
২. খেজুর গুড় – ১ কাপ
৩. নারিকেল গুড়া – ১ কাপ
৪. পিঠা বানানোর বাটি – ১টি
৫. একটি পাতিল
৬. একটি ছিদ্রযুক্ত অ্যালুমিনিয়াম বা মেলামাইনের ঢাকনি
৭. লবণ – স্বাদমত

পিঠা প্রস্তুত প্রণালি :
প্রথমে চালের গুড়া চালুনিতে চেলে নিতে হবে ভালমত। এরপর এই চালের গুড়ার সাথে পানি ছিটিয়ে ও স্বাদমত লবণ দিয়ে হালকা ভাবে মেখে নিন। খেয়াল রাখবেন যেন দলা না বাঁধে, দলা বাঁধলে মজাদার ভাপা পিঠা প্রস্তুত করা যাবেনা।

এখন হাঁড়িতে পানি নিন, হাঁড়ির উপর ছিদ্রযুক্ত ঢাকনিটি রেখে চুলায় বসিয়ে দিন। এরপর চুলাটি খুব অল্প আঁচে রাখুন। ঢাকনির পাশে ছিদ্র থাকলে তা আটা, মাটি বা কাপড় দিয়ে বন্ধ করে দিন, কাপড় দিয়ে বন্ধ করাই তুলনামূলক সুবিধাজনক, যাতে ভিতরের ভাপ পাতিলের বাইরে বেরিয়ে না আসতে পারে। পরে ছোট বাটিতে ঐ মাখানো চালের গুঁড়ো নিয়ে তার মাঝখানে পরিমাণ মত গুড় আর নারিকেল গুড়া দিন। যারা মিষ্টি একটু বেশী খেতে পছন্দ করেন তারা গুড়ের পরিমাণ বাড়িয়ে দিতে পারেন।

বাটির ওপরে অল্প চালের গুড়া দিয়ে পাতলা কাপড়ে দিয়ে বাটির মুখ ঢেকে ছিদ্রযুক্ত ঢাকুনির ওপর বাটি উল্টে তা সরিয়ে নিন। ২ থেকে ৩ মিনিট অপেক্ষা করুন। তারপর পিঠাটিতে নারিকেল গুড়া ছড়িয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন।

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Abrar Food posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Abrar Food:

Shortcuts

Share

Category