Vorer ভোরের আলো

Directions

Vorer ভোরের আলো I am contain creator, blogger, funny video creator, I am very simple person, Thank you all.

14/08/2026
👉👉ঘটনাটা কতটুকু সত্য তা এবার আন্দাজ করুন,যারা বলেন, "ড্রেসিং রুমে কিছু একটা হইছে" কিংবা "রাজনৈতিক চাপ তো অবশ্যই ছিল" তার...
22/07/2026

👉👉ঘটনাটা কতটুকু সত্য তা এবার আন্দাজ করুন,

যারা বলেন, "ড্রেসিং রুমে কিছু একটা হইছে" কিংবা "রাজনৈতিক চাপ তো অবশ্যই ছিল" তারা এখনো আসল ঘটনাটা জানেন না।

#আর্জেন্টিনার সঙ্গে এর থেকেও ভয়ংকর কিছু হয়েছে!
পুরো ১২০ মিনিট স্নাইপারের মুখে জিম্মি হয়ে ফুটবল খেলেছে আর্জেন্টিনা (ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে ফাইনাল ম্যাচে স্টেডিয়ামের ছাদে মাঠের দিকে স্নাইপার তাক করা)।

আমার মনে হয় ওপর থেকে কঠোর নির্দেশ ছিল যে, কেউ অন-টার্গেট শট নিলে সঙ্গে সঙ্গে গু/লি। বলেন তো! অন টার্গেট শট না নিলে গোল কিভাবে পাবে প্রিয় দল?

নাহলে ১২০ মিনিটে একটা দল একটাও অন-টার্গেট শট নিতে পারে না! এটা বিশ্বাস করা কঠিন 😭💔

আর্জেন্টিনা জেতার মতো খেলেনি। কথা শেষ। স্পেন নাকি সভ্য ভদ্র মানুষের দল! আমরা দেখলাম কীভাবে ধাক্কা মেথড কাজে লাগাল। এনজো ...
20/07/2026

আর্জেন্টিনা জেতার মতো খেলেনি। কথা শেষ। স্পেন নাকি সভ্য ভদ্র মানুষের দল! আমরা দেখলাম কীভাবে ধাক্কা মেথড কাজে লাগাল। এনজো ফার্নান্দেজ হলুদ পেয়েছিল রেফারির সঙ্গে তর্ক করার কারণে! সে তার বিরুদ্ধে করা ফাউল চাচ্ছিল। তাতেই মহামান্য রেফারি হলুদ কার্ড দিল। এরপর আনইন্টেনশনাল কলিশনে দুজনের সেম অপরাধ হলেও কার্ড দিল ফার্নান্দেজকে। হয়ে গেল লাল। কারণ কুবরাসিকে কার্ড দেয়া পাপ!

খেলা শেষে পারেদেস যা করেছে, ঠিক করেছে।

আর্জেন্টিনা খারাপ খেলেছে। হেরেছে। নো ম্যাটার।

ম্যাটার এটাই যে যারা কোয়ার্টার ফাইনালে উঠতে পারে না তাদের বাঙ্গু সাপোর্টাররা অপেক্ষায় থাকে কবে কোন ত্রাণকর্তা এসে তাদের হয়ে জিতে দেবে, আর তারা রেডিমেড পোলা হিসাবে ফাল পাড়ার উপলক্ষ পাবে। ছিঃ

দেখি কে বলতে পারে এমবাপ্পির চোখ কোনটি?
17/07/2026

দেখি কে বলতে পারে এমবাপ্পির চোখ কোনটি?

মেসির মতন চারজনকে কাটিয়ে গোল করবেন না। এম্বাপ্পে, ভিনিদের মতন বল নিয়ে তীরের গতিতে ছুটবেন না। তিনি পুরো ম্যাচে অদৃশ্য থাক...
06/07/2026

মেসির মতন চারজনকে কাটিয়ে গোল করবেন না। এম্বাপ্পে, ভিনিদের মতন বল নিয়ে তীরের গতিতে ছুটবেন না। তিনি পুরো ম্যাচে অদৃশ্য থাকবেন হয়তো। বল কাছে আসলেই তিনি সজাগ। গোলের রাস্তা তাঁর মতন চেনেন না তেমন কেউ। তাঁকে আটকিয়ে রাখার দায়, পরাজয়ের ভয়।

রোবটসম মানব আজ সচল হলেন মার্কিন মুল্লুকে। ব্রাজিলকে দু:স্বপ্নের ঘোরে পাঠিয়ে তিনি পাহাড়চূড়োয়। গোল্ডেন বুটের দৌড়ে। বরফের দেশ থেকে আমেরিকার উষ্ণতায় তিনি স্বপ্ন কেড়ে নেয়া দানব। তিনি অদম্য। অসামান্য।

তিনি নান্দনিক নন। যান্ত্রিক। পেশাদার। গোলের সামনে মৃত্যুদূত। নিখুঁত গোলশিকারী। চার বছরের নামটা ভুলবেন না আপনি। আর্লিং ব্রাউট হালান্ড মাঠে ঘুম থেকে জাগলেই গোল আর গোল। সবাইকে শিল্পী হতে হবে কেন? হালান্ড তো হালান্ডই!🌹🌹🌹🌹🌹

৪০ কেজিতে মন না ৪৪ কেজিতে মন আমরা সবাই শিক্ষিত কিংবা অশিক্ষিত সবাই জানি  ৪০ কেজিতে হয় মন। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয়...
06/05/2026

৪০ কেজিতে মন না ৪৪ কেজিতে মন

আমরা সবাই শিক্ষিত কিংবা অশিক্ষিত সবাই জানি ৪০ কেজিতে হয় মন। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় হল, আমার দেশের সোনার মানুষগুলো যখন বাজারে রসুন, পিয়াজ অথবা অন্য কোন কৃষিজাত পণ্য বাজারে নিয়ে আসে, হাড়ভাঙ্গা পরিচ্ছনের ফল। তাকে দিতে হয় ৪৪ কেজিতে মন। এটা কোন অন্ধকার যুগ রে ভাই, এটা কি মঘের মুল্লুক না কোন ভিনগ্রহের জায়গা। কিন্তু আমরা কেউ প্রতিবাদ করতে সাহস পাই না বা প্রতিবাদ করি না। বেশ কয়েকদিন ধরেই সরকারের একটা মহৎ উদ্যোগকে স্বাগত জানাচ্ছি, সেটা হল ৪০ কেজিতে মন নিতে হবে। আর এতেই বেঁকে বসলেন আরদ্দার বা যারা ব্যবসা করেন ঘর নিয়ে তারা। তারা এই মহৎ উদ্যোগকে কোনভাবে মেনে নিতে পারছে না। এরকম ঘটনাটি ঘটেছে ঢাকা বিভাগের একটি অন্যতম কৃষি পণ্য(রসুন, পিয়াজ, পাট বা অন্য কোন কৃষিজাতপূর্ণ) উৎপাদনকারী অঞ্চল রাজবাড়ী জেলা। এমনিতেই এবার পিঁয়াজ এবং রসুনের যে দাম তাতে আমার সোনার মানুষদের পণ্য উৎপাদনের খরচটাই উঠছে না আর পরিশ্রমের কথা বাদই দিলাম। তারপরেও দিতে হবে ৪৪ কেজিতে মন। আমার মাথায় কোন কাজ করে না, আমি অসুস্থ না আমাদের দেশটাই অসুস্থ হয়ে গেছে। আজকে শুনলাম কিছু কিছু বাজারে এরা স্ট্রাইক করেছে কোন পণ্য কিনবে না, সেক্ষেত্রে এলাকার সোনার মানুষগুলো অত্যন্ত কষ্ট করে প্রচন্ড ভিড় ঠেলে বাজারে পণ্য নিয়ে সে ফেরত নিয়ে যাচ্ছে। এই দুঃখটা শুধু আমার একার নয় এই উপজেলার বা জেলার লক্ষ লক্ষ মানুষের। কিন্তু প্রশ্ন হল এই দায়ভারটা কে নিবে প্রশাসন, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব না এ দেশের সুশীল সমাজ। আমার কথা হল, প্রিয় আরদ্দার বা ঘর ব্যবসায়ী ভাইয়েরা, আপনার একটু ব্রেনটা খাটান না কেন, মন ৪৪ এ নেবেন এটা তো আসলে অনিয়ম চরমভাবে অনিয়ম, এটা তো আপনাদের কেউই সাপোর্ট করবে না, সেক্ষেত্রে সরকার তো আর পণ্যের দাম নির্ধারণ করে দেয়নি, আপনার যে পণ্যটা এক হাজার টাকায় কিনতেন সেই পণ্যটা ৯৫০ টাকা কেনেন তাহলেই তো ঝামেলা মিটে যেত, আগে যে ৪ কেজি বেশি নিয়ে যে ৫০ টাকা লাভ করতেন প্রতি মনে সেটা ৫০ টাকা কম দিয়ে মনে কেনেন এতে আপনার সমস্যা কোথায়? আসলে সমস্যা তো আমি আমরা বুঝতে পারছি, এটা আসলে অসৎ ব্যবসায়ী বা অসৎ উদ্দেশ্য যেটা শুধু ব্যক্তি লাভবান হবে দেশ বা অন্য কেউ নয়। তাই আসুন, ব্যক্তি স্বার্থ বাদ দিয়ে আমার আপনার সোনার ভাইদের, চাচাদের দাদাদের কথা ভেবে, ব্যক্তি স্বার্থটা একটু পরিহার করি। মনে রাখবেন প্রিয় ভাই , এই ক্ষণস্থায়ী পৃথিবীতে জীবন চালাতে এত কিছু লাগেনা। আপনি কি একবারও ভাবলেন না একজন মানুষ কত কষ্ট করে পণ্যটা বাজার পর্যন্ত নিয়ে আসলো আর আপনারা সেটা না কিনে ফেরত দিলেন আর এখানে প্রশাসন চুপচাপ থাকলো, এই সাহসটা কিভাবে দেখালেন আপনি বলেন? জানি জবাব আপনি দিতে পারবেন না, জবাব আপনার হবে না,
আমি একজন কৃষকের সন্তান হিসেবে, আমার মতামত ব্যক্ত করছি, যদি আপনাদের ভালো লাগে, তাহলে শেয়ার করে, সারা বাংলাকে জানিয়ে দিন।
ধন্যবাদ।

নিহত আমেনার ভাইয়ের বক্তব্য পুরোপুরি তুলে ধরছি—“মেম্বার সাহেব কইছিন, মীমাংসা কইরা দিব। মীমাংসা হইলে গ্রাম ছাইড়া চলে যেতে ...
28/02/2026

নিহত আমেনার ভাইয়ের বক্তব্য পুরোপুরি তুলে ধরছি—
“মেম্বার সাহেব কইছিন, মীমাংসা কইরা দিব। মীমাংসা হইলে গ্রাম ছাইড়া চলে যেতে বলছিল। আমরা তারে বলছিলাম, ১ তারিখে গ্রাম ছেড়ে চলে যাব। গতকাল রাত ৮টার দিকে আব্বা তারে (কিশোরী) নিয়া খালার বাড়ি যাচ্ছিল।
পথে বিলপাড় এলাকা পার হওয়ার সময় তাদের দেখতে পেয়ে এগিয়ে আসে নূরাসহ ছয়জন। পরে তারা আমার বোনকে আব্বার কাছ থেকে জোরাজুরি করে অপরণ করে নিয়ে যায়। সারাটা রাত বোনটারে খুঁজছি। আজ সকালে শর্ষেক্ষেতে তাঁর লাশ পাইলাম।”
ছবিটা ভালো করে দেখা আমার পক্ষে সম্ভব হয় নাই। দ্বিতীয়বার তাকানোর সাহস হয়নি।
নরসিংদীতে যে মেয়েটিকে ১৫ দিন আগে ধর্ষণ করা হয়েছিল—সে আপনাদের কাছে গাড়ি চায় নাই, বাড়ি চায় নাই, পদ-পদবী চায় নাই। এমনকি তিন বেলা খাবারের অধিকারও চায় নাই। সে শুধু চেয়েছিল বিচার।
আর স্থানীয় নেতারা কী করলো?
১৫ দিনের মাথায় মেয়েটাকে ধর্ষণকারীরা আবার তুলে নিয়ে গেল। এবার শুধু ধর্ষণ করেই ক্ষান্ত হলো না—মেয়েটাকে পৃথিবী থেকেই সরিয়ে দেয়া হলো। অথচ সে বেঁচে থাকতে পারতো।
মেয়েটাকে কেন মরতে হলো জানেন?
কারণ সে বিচার চেয়েছিল। কত বড় সাহস! বিচার চাইতে যায়! সে কি জানে না—এই দেশটা শুধু চোর-ডাকাত, চেয়ারম্যান-মেম্বার আর কিছু ক্ষমতাধারী মানুষের? কেন গিয়েছিলি বিচার চাইতে? মরেছিস—ভালো করেছি! তুই কি কোনো এলিট-বুর্জোয়ার সন্তান? আইন তো ওদের জন্য। তোর কাজ সব কিছু মেনে নেয়া। কেন গেলি তুই বিচার চাইতে?
না, আমিও বিচার চাই না। এত বোকা আমি নই। আপনারাও বিচার চাইবেন না।
কক্সবাজারের ইয়াবা বদির নাম তো শুনেছেন। যাকে এমনকি আগের সরকার পর্যন্ত জেলে ঢুকিয়েছিল। সেই ইয়াবা পাচারকারী এই সরকারের আমলে গতকাল জামিন পেয়েছে।
হ্যাঁ, ঠিকই পড়ছেন—সরকারের ১০ দিনের মাথায় ইয়াবা বদির জামিন হয়ে গেছে। যে কিনা একটা সমাজ ধ্বংসের জন্য দায়ী। আইন-আদালত আর সরকার মিলে তাঁকে জেল থেকে ছেড়ে দেয়ার ব্যবস্থা করেছে।
এখানে যারা মাদক পাচার করে, তারা মন্ত্রী-এমপি হয়। সকল আমলে পায়ের উপর পা তুলে থাকে। আর আপনি ধর্ষিত হবার পর বিচার চাইতে গেলে আপনাকে মরতে হবে।
আপনাদের আমলনামা লেখা হচ্ছে।
বাংলায় একটা প্রবাদ আছে—মনে করিয়ে দেই:
“এক মাঘে শীত যায় না।”

Address

Kathal Bagan
Dhaka
1000

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Vorer ভোরের আলো posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category