Women's Corner

Women's Corner অনলাইন লাইফস্টাইল ভিত্তিক ম্যাগাজিন। Women's Corner - একটি অনলাইন লাইফস্টাইল ভিত্তিক ম্যাগাজিন।

একটা মেয়েকে পড়াতে যাচ্ছেন - এই অপরাধে তাঁর গায়ে ছোড়া হতো গোবর, কাদা আর পাথর। কিন্তু তিনি থামেননি।প্রতিদিন শাড়ি নোংরা হয়ে...
24/09/2026

একটা মেয়েকে পড়াতে যাচ্ছেন - এই অপরাধে তাঁর গায়ে ছোড়া হতো গোবর, কাদা আর পাথর। কিন্তু তিনি থামেননি।

প্রতিদিন শাড়ি নোংরা হয়ে যেত। তাই স্কুলে যাওয়ার সময় সঙ্গে করে আরেকটি শাড়ি নিয়ে যেতেন। স্কুলে পৌঁছে নোংরা শাড়ি বদলে নিতেন। তারপর সামনে বসা মেয়েদের হাতে তুলে দিতেন বই।

তিনিই হলেন সাবিত্রীবাই ফুলে।

ভারতের প্রথম নারী শিক্ষিকা হিসেবে যাঁকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। গল্পটা শুরু হয়েছিল আরও আগে।

১৮৩১ সালের ৩ জানুয়ারি মহারাষ্ট্রের নাইগাঁওয়ে জন্ম সাবিত্রীবাইয়ের। মাত্র ১০ বছর বয়সে বিয়ে হয়ে যায় জ্যোতিরাও ফুলের সঙ্গে। বিয়ের সময় সাবিত্রীবাই ছিলেন অশিক্ষিত। কিন্তু জ্যোতিরাও তাঁকে পড়াতে শুরু করেন।

একসময় যে মেয়েটি নিজেই পড়তে জানতেন না, তিনিই হয়ে উঠলেন একজন শিক্ষিকা। পরে তিনি শিক্ষক প্রশিক্ষণও নেন।

তারপর এল সেই ঐতিহাসিক দিন - ১৮৪৮ সাল।
পুনের ভিড়ে ওয়াড়ায় মেয়েদের জন্য স্কুল শুরু করলেন জ্যোতিরাও ও সাবিত্রীবাই। সেখানে মেয়েদের পড়ানোর দায়িত্ব নিলেন সাবিত্রীবাই। প্রথম দিকে শিক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল খুবই কম। কিন্তু ধীরে ধীরে সেই ছোট উদ্যোগই বড় আন্দোলনের রূপ নেয়।

আর সমাজ? সমাজ তখন প্রস্তুত ছিল না।

মেয়েরা পড়াশোনা করবে - এটাই অনেকের কাছে ছিল ভয়ংকর ধারণা। তার ওপর দলিত ও বঞ্চিত পরিবারের মেয়েরা পড়বে - এটা যেন আরও বড় অপরাধ।

স্কুলে যাওয়ার পথে সাবিত্রীবাইকে অপমান করা হতো। তাঁর দিকে কাদা, গোবর, পাথর ছোড়া হতো। কিন্তু প্রতিদিন তিনি আবারও স্কুলে যেতেন।

কারণ তিনি জানতেন - আজ যে মেয়েটির হাতে তিনি বই তুলে দিচ্ছেন, আগামীকাল সে হয়তো নিজের জীবন নিজেই বেছে নেওয়ার সাহস পাবে।

শুধু মেয়েদের স্কুল নয়, সাবিত্রীবাই ও জ্যোতিরাও বঞ্চিত জনগোষ্ঠীর শিশুদের জন্যও শিক্ষার সুযোগ তৈরি করেছিলেন। তাঁরা একের পর এক স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন এবং শিক্ষাকে সামাজিক পরিবর্তনের হাতিয়ার হিসেবে দেখেছিলেন।

সাবিত্রীবাইয়ের লড়াই শুধু স্কুলের দরজায় থেমে থাকেনি।
বিধবা নারীদের জন্য আশ্রয়, বিধবা বিবাহের পক্ষে অবস্থান, বাল্যবিবাহ ও জাতিভেদ প্রথার বিরুদ্ধে কাজ - বিভিন্ন সামাজিক প্রশ্নে তিনি সক্রিয় ছিলেন। ১৮৭৩ সালে প্রতিষ্ঠিত সত্যশোধক সমাজের কাজেও তিনি যুক্ত ছিলেন।

তিনি ছিলেন কবিও। ১৮৫৪ সালে প্রকাশিত হয় তাঁর কবিতার সংকলন ‘কাব্য ফুলে’। তাঁর লেখার অন্যতম প্রধান বিষয় ছিল শিক্ষা ও সামাজিক মুক্তি।

জীবনের শেষ অধ্যায়টাও তাঁর কাজের মতোই সাহসী।
১৮৯৭ সালে পুনেতে প্লেগ ছড়িয়ে পড়লে তিনি রোগীদের সেবায় নেমে পড়েন। এক অসুস্থ শিশুকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার সময় নিজেই সংক্রমিত হন।

১৮৯৭ সালের ১০ মার্চ সাবিত্রীবাই ফুলে মারা যান। কিন্তু তাঁর গল্প সেখানেই শেষ হয়নি।

আজ আমরা যখন মেয়েদের স্কুলে যাওয়া, বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়া, নিজের পেশা বেছে নেওয়া - এসবকে স্বাভাবিক বলে মনে করি, তখন মনে রাখা দরকার, এই স্বাভাবিকতার পেছনে বহু মানুষের দীর্ঘ সংগ্রাম আছে।

সাবিত্রীবাই ফুলে সেই সংগ্রামের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নাম।
তিনি শুধু মেয়েদের পড়াতে যাননি।

তিনি এমন একটি সমাজের স্বপ্ন দেখেছিলেন, যেখানে জন্মের কারণে কেউ জ্ঞান থেকে বঞ্চিত হবে না। আর তাই তাঁর গল্প শুধু ইতিহাসের গল্প নয়। এটা মনে করিয়ে দেওয়ার গল্প - একজন মানুষের সাহসী পদক্ষেপ কখনো কখনো একটি পুরো প্রজন্মের পথ বদলে দিতে পারেন।

আপনার কাছে সাবিত্রীবাই ফুলের জীবনের সবচেয়ে অনুপ্রেরণাদায়ী দিক কোনটি - তাঁর শিক্ষার লড়াই, নাকি সামাজিক সংস্কারের সাহস?

কমেন্টে জানাতে পারেন।

#নারীশিক্ষা #নারীজাগরণ #ইতিহাস

- ফারজানা আক্তার

#০২

24/09/2026

সেপ্টেম্বর মাসে যাদের জন্মদিন - তাঁরা কমেন্টে জানান। সবাইকে উইশ করবো ইনশাআল্লাহ 😊

24/09/2026

আপনাদের যাঁদের মা নেই - তারা নিজের মনের কথা কাকে বলেন?
আমার মনে কথা জমে জমে পাহাড় হয়ে গেছে।

24/09/2026

ছেলেরা কেন বউয়ের পরিচয়ে পরিচিত হতে লজ্জ্বা পায় ?

বেশ কয়েক বছর আগের কথা.স্কুলের কয়েকজন বন্ধুর সাথে অনেক দিন পর দেখা।কথায় কথায় জানতে পারি আমার এক বন্ধু স্কুলের পরপর ই বিয়ে করে ফেলেছে।তার বৌ কি করে বা কোথায় পড়াশোনা করে এমন টাইপ কিছু জিজ্ঞাসা করাতে সে তার উত্তর দিতে গিয়ে একটা কথা বলেছিলো এমন- “ বৌকে বেশি পড়াশোনা করানো যাবে না। তা না হলে বৌ পরে স্বামীকে দাম দিবে না। স্বামীর পরিচয়ে পরিচিত হতে চাইবে না। “কথাটা হুবুহু এমন নাও হতে পারে যেহেতু অনেক দিন আগের কথা। তবে ওই বন্ধুর কথার মিনিং এমন ই ছিলো যে বউয়ের নিজের পরিচয় হয়ে গেলে সমস্যা।আর সে বৌয়ের পরিচয়ে পরিচিত হতে চায় না।

এই কথাটা আমার তখনও ভালো লাগে নি। আর আজ এতদিন পর ও আমি এই কথাটা ভুলতে পারি না কেন জানি। তখন ওকে প্রশ্ন করেছিলাম ,” বৌ নিজের পরিচয় তৈরী করলে সমস্যা কোথায়? তুই তোর বৌয়ের পরিচয় গর্বের সাথে দিবি যেমনটা একটা মেয়ে দেয় তার স্বামীর পরিচয়। “ কোনো সদুত্তর পাই নি।

আচ্ছা ,বৌ অনেক পড়াশোনা করলে, ধরেন স্বামীর চেয়েও বেশি তার মানেই তো এই না যে, সে তার স্বামীর পরিচয় দিতে লজ্জ্বা পাবে।কিংবা স্বামীকে সম্মান করবে না। যদি তেমন করে তাহলে সেটা তার বেশি পড়াশোনা নয়,বরং সুশিক্ষা আর নৈতিকতার অভাব বলেই মনে হয় আমার।আর এই স্বভাব কিন্তু পড়াশোনা না করলেও ,নিজের আলাদা কোনো পরিচয় না বানালেও থাকতে পারে।মানে ছোটো মানসিকতার স্বভাব,নৈতিকতার অভাব।

আচ্ছা এখন আসি পরিচয় দেওয়া ,না দেওয়ার ব্যাপারে।একটা সিম্পল প্রশ্ন। ধরেন ,কোনো বৌ একদম পড়াশোনা করেনি। তবুও তার বাপের বাড়ির দিকে তার স্বামীকে সবাই কার পরিচয়ে চিনে?নিশ্চয়ই সেই বৌয়ের নামে। মেয়েটার নাম যদি আলেয়া হয় তাহলে আলেয়ার বাপের বাড়িতে তার স্বামীকে সবাই আলেয়ার স্বামী হিসেবেই তো চিনবে। আবার আলেয়াকে তার শ্বশুরবাড়িতে তার বরের পরিচয়ে ই চিনবে। যেমন অমুকের বৌ। এটাই তো খুব স্বাভাবিক। এই ব্যাপারটা ঠিকই মেনে নেয় ছেলেরা তাহলে বৌয়ের নিজস্ব অর্জনে পরিচিত হতে বাধা কোথায় ?

সব পুরুষের মানসিকতা এমন নয় জানি কিন্তু এমন মানসিকতার মানুষ ই বেশি এটাও সত্য।

আমরা মেয়েরা স্বামীদের পরিচয়ে পরিচিত হতে অপছন্দ করি না বরং খুব গর্ব করে বলি সবজায়গায়। যেমন -আমার বর পুলিশ,কিংবা ডাক্তার ,কিংবা শিক্ষক। সেইম জায়গাটায় এসে ছেলেরা ‘ আমার বৌ পুলিশ ,ডাক্তার,পাইলট ‘ বলতে ততটা পছন্দ করে না। ‘আমার বৌ গৃহিনী ‘ এই কথাটাই বলতে পছন্দ করে। কোথাও একটা তাদের মেইল ইগো স্যাটিসফাইড হয় বৌ শুধু ঘর সামলালে।আমার অন্তত তাই মনে হয়।একই বা ভিন্ন সেক্টরে কাজ করেন এমন দম্পতির মধ্যে বৌ কাজে বেশি ভালো করলে এবং তার প্রশংসা বেশি হলে পুরুষদের ইগোতে লাগে। আবারো বলছি সব পুরুষের না তবে ম্যাক্সিমামের ই এই সমস্যা।

অথচ আমরা একটা মানুষকে বিয়ে করি তার ভালো-খারাপ,পছন্দ -অপছন্দ সবকিছুর ভাগীদার হতে এবং নিজের ভালো-খারাপের ,পছন্দ-অপছন্দের ভাগীদার বানাতে।কারো ক্ষতি হচ্ছে না এমন যেকোনো কাজে দুজন দুজনকে নির্ভেজাল সাপোর্ট করতে।তাহলে বিয়ের পর সংজ্ঞাটা এমন বদলে যায় কেন?

উত্তর হলো -মানসিকতা ,সমাজ ব্যবস্থা ,মেইল ইগো আর কিছু অনাকাঙ্খিত ও অপ্রত্যাশিত ঘটনা। এই সমস্যার সমাধান করতে হলে প্রথমেই মেইল ইগো সরিয়ে মানসিকতা উন্নত করতে হবে। এভাবে সমাজ ব্যবস্থায় ও পরিবর্তন আসবে। আর অপ্রত্যাশিত যা আছে তার জন্য সবাইকেই সচেতন থাকতে হবে। চরিত্র মেইনটেইন করতে হবে। বিশ্বাসের মর্যাদা রাখতে শিখতে হবে।ঘরে থাকা বৌ ই কেবল সম্মান করে, সংসার সামলায় আর চরিত্রবান তা কিন্তু নয়। যা পেতে চান তা আগে দেওয়া শিখুন।

নিজের পরিচয়ে পরিচিত হওয়া বেস্ট। তবে স্বামী বা বৌয়ের পরিচয়ে পরিচিত হওয়া ও খারাপ কিছু নয়। স্বামী বা বৌ যদি সম্মানের সাথে বৈধ পেশায় নিয়োজিত থাকেন, দশজনে তাকে চিনে থাকে এবং তার পরিচয়ে আপনাকে চিনে থাকে তাহলে সমস্যা কোথায়? এটা তো বরং গর্বের বিষয়।নিজের পার্টনারের উন্নতি ,সুনাম যদি আপনি পজিটিভলি একসেপ্ট না করতে পারেন তাহলে নিজের উপর কাজ করুন।পার্টনারকে ,তার কাজকে [ গৃহিনী ,পেশাজীবী যাই হোক ]সম্মান দিন।এবং সে ভালো করলে গর্ববোধ ও করুন। তাকে অনুপ্রাণিত করুন। এতে সম্পর্ক অনেক বেশি সুন্দর হবে বলে মনে করি।

-Ripa Akter

24/09/2026

”ঢেঁড়সের ঢঙ”
জীবনে আনে রঙ😀❤️


আয়রন সমৃদ্ধ খাবারের তালিকা
24/09/2026

আয়রন সমৃদ্ধ খাবারের তালিকা

একতরফা বন্ধুত্বের অভিজ্ঞতা হয়েছে কখনো?
24/09/2026

একতরফা বন্ধুত্বের অভিজ্ঞতা হয়েছে কখনো?

সকালের নাস্তার জন্য একটি চমৎকার, ঝটপট ও স্বাস্থ্যকর রেসিপি হলো সবজি ও ডিম দিয়ে ওটসের খিচুড়ি। এটি ফাইবারে ভরপুর এবং ওজন ...
24/09/2026

সকালের নাস্তার জন্য একটি চমৎকার, ঝটপট ও স্বাস্থ্যকর রেসিপি হলো সবজি ও ডিম দিয়ে ওটসের খিচুড়ি। এটি ফাইবারে ভরপুর এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে দারুণ সাহায্য করে।

প্রয়োজনীয় উপকরণ:

• ওটস: আধা কাপ (রোলড ওটস বা ইনস্ট্যান্ট ওটস)
• ডিম: ১টি (অথবা পনিরের টুকরো)
• পছন্দমতো সবজি: গাজর, বরবটি, মটরশুঁটি ও ক্যাপসিকাম কুচি (সব মিলিয়ে আধা কাপ)
• পেঁয়াজ ও কাঁচা মরিচ: ১টি পেঁয়াজ কুচি ও স্বাদমতো মরিচ কুচি
• আদা-রসুন বাটা: আধা চা চামচ
• হলুদ ও জিরে গুঁড়ো: সামান্য
• তেল: ১ চা চামচ (অলিভ অয়েল বা সরিষার তেল)
• ধনেপাতা কুচি: সাজানোর জন্য
• লবণ ও পানি: পরিমাণমতো

প্রস্তুত প্রণালী:

১. সবজি কষানো:

• প্যানে তেল গরম করে পেঁয়াজ ও কাঁচা মরিচ কুচি দিন। হালকা নরম হলে আদা-রসুন বাটা দিয়ে সামান্য কষিয়ে নিন।

• এরপর সবজি কুচি, হলুদ, জিরে গুঁড়ো ও লবণ দিয়ে ২-৩ মিনিট নাড়াচাড়া করুন।

২. ওটস রান্না:

• সবজি কিছুটা নরম হলে ওটস দিয়ে দিন এবং আরও ১ মিনিট হালকা ভেজে নিন।

• এবার ১ কাপ পানি দিয়ে ঢাকনা দিয়ে দিন। মাঝারি আঁচে সবজি ও ওটস সেদ্ধ হতে দিন।

৩. ডিম মেশানো:

• ওটস পানি শুষে নিয়ে ঘন হয়ে এলে ওপর থেকে একটি ডিম ভেঙে সরাসরি ছেড়ে দিন (অথবা পাশে স্ক্র্যাম্বল করে মিশিয়ে নিন)।

• ডিমটি ওটসের সাথে ভালো করে মিশিয়ে আরও ১-২ মিনিট রান্না করুন যতক্ষণ না ডিম পুরোপুরি সেদ্ধ হয়।
• নামানোর আগে ধনেপাতা কুচি ছড়িয়ে দিন।

কেন এটি স্বাস্থ্যকর?

• কম ক্যালরি: ওটসে ক্যালরি কম কিন্তু পুষ্টিগুণ অনেক বেশি, যা মেদ কমাতে সাহায্য করে।

• ধীরগতির হজম: এর ফাইবার রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে এবং সহজে ক্ষুধা লাগতে দেয় না।

24/09/2026

শুভ সকাল। সকালবেলা চা, নাকি কফি; কোনটা পান করেন?

আপনার জীবনের অভিজ্ঞতা থেকে একটি পরামর্শ দিয়ে যান 😊
23/09/2026

আপনার জীবনের অভিজ্ঞতা থেকে একটি পরামর্শ দিয়ে যান 😊

Address

Badda
Dhaka
1212

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Women's Corner posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Women's Corner:

Shortcuts

Share