14/08/2026
📍 দরূদ শরীফের ৭০টি ফজিলত
১। দরূদ পাঠকারীর মৃত্যুর সময় প্রাণ বের হওয়া সহজ হয়।
২। দরূদের বরকতে নেক আমলের প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি হয়।
৩। দরূদ পাঠকারীর নাম ও পরিচয় প্রিয় নবী ﷺ–এর কাছে পেশ করা হয়।
৪। দরূদ পাঠকারী ঈমানের উপর অটল থাকার তাওফিক লাভ করেন।
৫। আসমান ও জমিনের অধিবাসীদের রহমত ও দোয়া লাভ করেন।
৬। আমল, জীবন, সন্তান ও সম্পদে বরকত হয়।
৭। কিয়ামতের দিন তাঁর জিহ্বা নূরে উদ্ভাসিত হবে।
৮। চেহারায় নূর ও কথাবার্তায় মাধুর্য আসে।
৯। তাঁর মজলিসে উপস্থিত ব্যক্তিরা প্রশান্তি অনুভব করেন।
১০। দরূদ পাঠের বরকতে দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধির আশা করা হয়।
১১। উত্তম উপদেশ গ্রহণের তাওফিক লাভ করেন।
১২। রিজিকে বরকত লাভ করেন।
১৩। দরূদ জান্নাতের পথে এগিয়ে যাওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ আমল।
১৪। এটি আল্লাহর অসন্তুষ্টি থেকে বাঁচার একটি মাধ্যম।
১৫। দরূদের উপকার নিজ পাঠকারীর কাছেই ফিরে আসে।
১৬। নিজের জন্য দোয়া করার সমতুল্য একটি আমল।
১৭। মানুষের মাঝে সম্মান ও সুনাম বৃদ্ধি পায়।
১৮। বেশি দরূদ পাঠ করা হকপন্থী হওয়ার আলামত।
১৯। সর্বত্র সম্মান লাভ হয়।
২০। জান্নাত লাভের উপায়সমূহের একটি।
২১। অন্তর পরিশুদ্ধ হয়।
২২। মানুষের ভালোবাসা অর্জিত হয়।
২৩। গিবত ও অপবাদ থেকে হেফাজতের আশা করা যায়।
২৪। প্রিয় নবী ﷺ–কে স্বপ্নে দেখার সৌভাগ্যের আশা করা হয়।
২৫। একবার দরূদ পাঠে ১০টি রহমত, ১০টি নেকি, ১০টি গুনাহ মাফ এবং ১০টি মর্যাদা বৃদ্ধি হয়।
২৬। দোয়া কবুলের অন্যতম মাধ্যম।
২৭। কবর প্রশস্ত হওয়ার আশা করা যায়।
২৮। কিয়ামতের দিন রাসূল ﷺ–এর নৈকট্য লাভ করবেন।
২৯। কিয়ামতের দিন প্রশংসিত হবেন।
৩০। দুনিয়া ও আখিরাতের দুশ্চিন্তা দূর করার একটি আমল।
৩১। মৃত্যুর আগে জান্নাতের সুসংবাদের আশা করা হয়।
৩২। সম্পদে বরকত আসে।
৩৩। এটি একটি মহান ইবাদত।
৩৪। আল্লাহর নিকট অত্যন্ত প্রিয় আমল।
৩৫। ম