Green Agro Shop

Green Agro Shop Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Green Agro Shop, Food & Drink, house 37, Road 3, sector 9, uttara, Dhaka.

সর্বশক্তিমান আল্লাহ আপনার সমস্ত ত্যাগ স্বীকার করুন এবং আপনাকে একটি সুখ এবং সাফল্যে পরিপূর্ণ জীবন দিয়ে পুরস্কৃত করুন।ঈদ ...
16/06/2024

সর্বশক্তিমান আল্লাহ আপনার সমস্ত ত্যাগ স্বীকার করুন এবং আপনাকে একটি সুখ এবং সাফল্যে পরিপূর্ণ জীবন দিয়ে পুরস্কৃত করুন।
ঈদ মোবারাক 🌙

নিজস্ব খামারে পালিত গরু। নিশ্চিন্তে বাছাই করার মত।  লাইভ ওজন এবং দাম ছবিতে দেওয়া আছে।বিস্তারিত জানতে ইনবক্স এ যোগাযোগ কর...
09/06/2024

নিজস্ব খামারে পালিত গরু। নিশ্চিন্তে বাছাই করার মত।

লাইভ ওজন এবং দাম ছবিতে দেওয়া আছে।

বিস্তারিত জানতে ইনবক্স এ যোগাযোগ করুন।

মিষ্টি কুমড়া সবজি হিসেবে খেতে যেমন সুস্বাদু তেমনি এর পুষ্টিগুণও খুব উচ্চ পর্যায়ে বিদ্যমান। চলুন আজ জেনে নিই মিষ্টি কুমড...
09/06/2024

মিষ্টি কুমড়া সবজি হিসেবে খেতে যেমন সুস্বাদু তেমনি এর পুষ্টিগুণও খুব উচ্চ পর্যায়ে বিদ্যমান।
চলুন আজ জেনে নিই মিষ্টি কুমড়ার পুষ্টিগুণ ও কয়েকটি উপকারিতার কথা-

রোগ প্রতিরোধ করে- শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে মিষ্টি কুমড়া একটি অত্যন্ত কার্যকরী। প্রতিদিন এই খাবারটি খেলে রোগ ব্যাধির সংক্রমণ কমে যায়। এতে বিদ্যমান অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ভিটামিন ই মানবদেহে ক্যানসার ও আলঝেইমার রোগের ঝুঁকি কমিয়ে দেয়। মিষ্টি কুমড়ায় থাকা ভিটামিন সি রয়েছে, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করার পাশাপাশি সর্দি-কাশি, ঠান্ডা লাগা প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে।

🎃 হাই প্রেসার কমায়- যাদের হাই প্রেসার রয়েছে তারা নিয়মিত মিষ্টি কুমড়া খেতে পারেন। কারণ মিষ্টি কুমড়াতে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম আছে। আর এটি আমাদের শরীরে হাই প্রেসার নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। তা ছাড়া মিষ্টি কুমড়াতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি রয়েছে, যা হাই প্রেসার নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করে।

🎃 চোখ ভালো রাখতে মিষ্টি কুমড়া- মিষ্টি কুমড়াতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ বা বিটাক্যারোটিন রয়েছে। যেটি চোখের জন্য খুবই ভালো। আমাদের চোখের রেটিনার বিভিন্ন অসুখ প্রতিরোধে মিষ্টি কুমড়া খুব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এটি শুধু চোখের অসুখ নয়, ভিটামিন এ এর অভাবজনিত অন্যান্য রোগেও মিষ্টি কুমড়া উপকারী। তাই চোখ সুস্থ ও সচল রাখতে খাদ্য তালিকায় প্রতিদিন মিষ্টি কুমড়া রাখতে পারেন।

🎃 ত্বক উজ্বল করে- মিষ্টি কুমড়া ত্বক উজ্বল করতেও সাহায্য করে। এতে বিদ্যমান ভিটামিন এ ও সি চুল এবং ত্বক ভালো রাখে। নিয়মিত এই সবজি খেলে উজ্জ্বল চুল ও চকচকে ত্বকের জন্য উপকারী। তা ছাড়া বয়সের ছাপ প্রতিরোধ করতেও মিষ্টি কুমড়া সাহায্য করে। এতে থাকা প্রচুর পরিমাণে জিংক ইমিউনিটি সিস্টেম ভালো রাখে ও অস্টিওপোরোসিস প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে।

🎃 খাদ্য হজমে সাহায্য করে- মিষ্টি কুমড়ায় প্রচুর পরিমাণে আঁশ বা ফাইবার আছে যা সহজেই হজম হয়। এটি হজমশক্তি বৃদ্ধি ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ডায়রিয়া নিয়ন্ত্রণ ও পরিপাক নালীর খাদ্য সঠিক উপায়ে সরবরাহে এই সবজির তুলনা হয় না।

🎃ডায়াবেটিসেও উপকারী- শরীরে নিয়মিত ইনসুলিন সরবরাহ করে এবং ক্ষতিকর অক্সিডেটিভ চাপ কমায়। এ ছাড়া হজমে সাহায্য করে এমন প্রোটিনও সরবরাহ করে কুমড়োর বিচি। ফলে রক্তে চিনির পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে থাকে।

🎃 বয়সের ছাপ কমায়- এই সবজিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে জিঙ্ক ও আলফা হাইড্রোক্সাইড। জিংক ইমিউনিটি সিস্টেম ভালো রাখে ও অস্টিওপোরোসিস প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। এ ছাড়া বয়সের ছাপ প্রতিরোধ করতেও মিষ্টি কুমড়া সাহায্য করে।

কেন সাদা চিনির বদলে ব্রাউন সুগার খেতে বলা হয়? ব্রাউন সুগার আসলে কী? আমাদের মনে এই ধরনের প্রশ্ন সবসময় আসে। আসুন যেনে নেই....
09/06/2024

কেন সাদা চিনির বদলে ব্রাউন সুগার খেতে বলা হয়?
ব্রাউন সুগার আসলে কী? আমাদের মনে এই ধরনের প্রশ্ন সবসময় আসে। আসুন যেনে নেই...
সাধারণ চিনি ও ব্রাউন সুগারে তেমন কোনো পার্থক্য নেই। এই দুই খাবারেই রয়েছে ক্যালোরি। তবে স্বাদ, রং ও তৈরির প্রক্রিয়ায় পার্থক্য রয়েছে। ব্রাউন সুগার নামে যে বস্তু চিনি, সেটি সাদা চিনির অংশ। গুড় থেকে তৈরি হয় এই চিনি। তবে এটি সাদা চিনির মতো বেশি রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় তৈরি করা হয় না।
🟤ব্রাউন সুগার চিনবেন যেভাবে
ব্রাউন সুগারে সাধারণ চিনির মতো ছোট ছোট দানা হয় না। এই চিনির দানা তুলনামূলক বড় হয়। রংও সাদা থাকে না, হালকা বাদামী থাকে। এতে কোনো ধরনের রাসায়নিক মেশানো থাকে না। স্বাদ খুব বেশি মিষ্টি হয় না।
🤎 দ্রুত শক্তি বুস্ট করে - নিয়মিত চিনির মতো, ব্রাউন সুগার একটি সাধারণ কার্বোহাইড্রেট। ফলস্বরূপ, শরীর ব্রাউন সুগারের সুবিধা ভোগ করে কারণ এটি তাৎক্ষণিক শক্তির জন্য গ্লুকোজ হিসাবে সহজেই এটি ভেঙে দিতে পারে।

🤎 মাসিকের বাধা কমাতে সাহায্য করে- পটাসিয়ামের উপস্থিতির ফল, যা জরায়ুর চারপাশের অংশ সহ শরীরের পেশী শিথিল করতে সাহায্য করে। অতএব, যেহেতু তারা জরায়ুর পেশী সংকোচন সহজ করে, আপনি আপনার অবস্থার একটি উল্লেখযোগ্য উন্নতি লক্ষ্য করবেন।

🤎 রক্ত স্বল্পতার বিরুদ্ধে লড়াই করে- বাদামী চিনি লোহা, তামা এবং ফসফরাসের মতো খনিজ সমৃদ্ধ, এটি খনিজ ঘাটতিগুলির জন্য যারা অবিশ্বাস্যভাবে উপকারী। গর্ভকালীন রক্তাল্পতায় ভোগা গর্ভবতী মহিলাদের জন্যও এটি বিশেষভাবে সহায়ক।

🤎 ইলেক্ট্রোলাইট পুনরুদ্ধার করে- পুষ্টির ঘনত্ব হল ব্রাউন সুগারের সবচেয়ে বড় সুবিধা। গুড়ের সংমিশ্রণে বেশ কিছু প্রাকৃতিকভাবে সৃষ্ট খনিজ পদার্থ যেমন: আয়রন, ম্যাগনেসিয়াম, ক্যালসিয়াম, সোডিয়াম, পটাসিয়াম ইত্যাদি পাওয়া যায়।

🤎 ত্বকের উন্নতি ঘটায়- বেশ কয়েকটি বাড়িতে তৈরি বা DIY স্ক্রাব এবং ফেস প্যাকগুলি লাল চিনি ব্যবহারের পরামর্শ দেয়। কারণ হল লাল চিনি ত্বকের এক্সফোলিয়েটিং সুবিধা। লাল চিনি আলতো করে মৃত ত্বক পরিষ্কার করে নরম করে।

🤎 কেমিক্যালস থেকে মুক্ত- লাল চিনি ( Brown Sugar ) এই সুবিধাগুলি কেবল জৈব পণ্যের জন্য প্রযোজ্য। জৈব বাদামী চিনি সম্পূর্ণরূপে কোন রাসায়নিক বা টক্সিন ছাড়া প্রক্রিয়াজাত করা হয়।

দারুচিনি হলো এই গ্রহের সবচেয়ে বেশি অ্যান্টি-অক্সিডেন্টসমৃদ্ধ ভেষজ। এটি এমন একটি মশলা যা হাজার হাজার বছর ধরে তার ঔষধি গুণ...
04/06/2024

দারুচিনি হলো এই গ্রহের সবচেয়ে বেশি অ্যান্টি-অক্সিডেন্টসমৃদ্ধ ভেষজ। এটি এমন একটি মশলা যা হাজার হাজার বছর ধরে তার ঔষধি গুণের জন্য মহা মূল্যবান। এর অনেক স্বাস্থ্য উপকারিতা আছে। রক্তের শর্করা রোধ করা, প্রদাহ কমানো এবং স্নায়বিক স্বাস্থ্য উন্নীত করতে সহায়তা করে দারুচিনি।

প্রতি ১০০ গ্রাম দারুচিনিতে পানি ১০.৫৮ গ্রাম, এনার্জি ২৪৭ কিলোক্যালরি, প্রোটিন ৩.৯৯ গ্রাম, ফ্যাট ১.২৪ গ্রাম, কার্বোহাইড্রেট ৮০.৫৯ গ্রাম এবং শর্করা ২১৭ গ্রাম থাকে।

১. দারুচিনির মূল উপকারিতা হলো এর ঔষুধি গুণাবলি। বিজ্ঞানীরা এর অনেক ঔষধি গুণাবলি খুঁজে পেয়েছে। তার মধ্যে অন্যতম একটি হচ্ছে বিপাক হার বৃদ্ধি।

২. দারুচিনি শক্তিশালী অ্যান্টি অক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে। দারুচিনিতে থাকা অ্যান্টি অক্সিডেন্ট মানবদেহে ফ্রি র্যাডিকেল দ্বারা সৃষ্ট অক্সিডেটিভ ক্ষতি থেকে রক্ষা করে।

৩. দারুচিনিতে অ্যান্টি ইনফ্লেমেটরি উপাদান রয়েছে। গবেষণায় দেখা যায় যে, এই মসলা এবং এর অ্যান্টি অক্সিডেন্টগুলোর শক্তিশালী অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি বৈশিষ্ট্য রয়েছে। আর এ কারণে এটি শরীরকে সংক্রমণের সঙ্গে লড়াই করতে এবং টিস্যুর ক্ষতি মেরামত করতে সহায়তা করতে অনেক কার্যকরী।

৪. হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতেও অনেক উপকারী দারুচিনি। এটি মোট কোলেস্টেরল থেকে খারাপ এলডিএল কোলেস্টেরল ও ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা কমায় এবং ভালো এইচডিএল কোলেস্টেরলকে স্থিতিশীল রাখে। এ ছাড়া রক্তচাপ কমিয়ে হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতেও অনেক উপকারী।

৫. বিভিন্ন মানব গবেষণায় দেখা গেছে যে, দারুচিনির অ্যান্টি-ডায়াবেটিক প্রভাব রয়েছে এবং এটি রক্তে শর্করার মাত্রা ১০ থেকে ২৯৮ শতাংশ পর্যন্ত কমিয়ে দিতে পারে।

৬. আল্জ্হেইমার ও পারকিনসন রোগে উপকারী হিসেবে কাজ করতে পারে দারুচিনি। পারকিনসন্স রোগে আক্রান্ত ইঁদুরের ওপর করা একটি গবেষণায় দেখা যায় যে, দারুচিনি নিউরন রক্ষা করতে সাহায্য করে এবং নিউরোট্রান্সমিটারের মাত্রা স্বাভাবিক করে।

৭. ওজন কমাতে দারুচিনি খুবই কার্যকরী। পানিতে দারুচিনি ফুটিয়ে সেই পানি ছেঁকে নিয়ে তাতে লেবুর রস ও মধু মিশিয়ে পান করলে খুব দ্রুত ওজন কমানো যায়।

৮. যাদের ঘুমে সমস্যা রয়েছে তাদের জন্যও দারুচিনি উপকারী। ঘুমানোর আগে এক গ্লাস দুধে দারুচিনি গুঁড়ো মিশিয়ে পান করলে অবশ্যই ভালো ঘুম হবে।

৯. পুষ্টিগুণে ভরপুর দারুচিনিতে রয়েছে প্রোসিয়ানিডিন যা চুলের ফলিকলকে উদ্দীপিত করে এবং দ্রুত বৃদ্ধি সহায়তা করে। এ ছাড়া দারুচিনি চুল পড়া কমাতে এবং টাক পড়া প্রতিরোধে সহায়তা করে।

কলা🍌 পৃথিবীতে ইউনিক ফ্রুট, সুপার ফুড নামে পরিচিত। সব দেশেই কলার কদর আছে ভালো ফল হিসেবে। এর পুষ্টিগুণের কথা বলে শেষ করা য...
04/06/2024

কলা🍌 পৃথিবীতে ইউনিক ফ্রুট, সুপার ফুড নামে পরিচিত। সব দেশেই কলার কদর আছে ভালো ফল হিসেবে। এর পুষ্টিগুণের কথা বলে শেষ করা যাবে না।
একটি ফলে সকল ভিটামিন আছে এমন ফলের সংখ্যা খুবই নগন্য। এই নগন্য সংখ্যার মধ্যে একটি হলো কলা।

কলার উপকারিতা🍌🍌
কলাতে মধ্যে প্রচুর পরিমাণ ক্যালসিয়াম পাওয়া যায়। ক্যালসিয়াম আমাদের শরীরের হাড় কে শক্ত, দৃঢ় এবং উন্নত করে। শুধু তাই নয় ক্যালসিয়াম আমাদের দাঁতের জন্য খুবই প্রয়োজনীয় একটি উপাদান।

🍌 নিয়মিত কলা খেলে ইমিউনিটি সিস্টেম বা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। কারণ কলাতে থাকে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান যেরকম ফ্ল্যাভোনয়েড। যা সাহায্য করে আমাদের শরীরের ফ্রি রেডিকেল কে কম করতে যার ফলে আমাদের শরীরের কোষগুলি অক্সিডেটিভ স্ট্রেস দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত হয় না।

🍌 এছাড়াও থাকে ভিটামিন C, ভিটামিন A, এবং ভিটামিন E যা আমাদের সাহায্য করে বিভিন্ন রোগের সাথে লড়তে এবং আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বা ইমিউনিটি সিস্টেম কে উন্নত করতে।

🍌 কলাতে মিনারেল হিসেবে প্রচুর পরিমাণ পটাশিয়াম থাকে। এই পটাশিয়াম সাহায্য করে আমাদের শরীরের রক্তচাপ বা ব্লাড প্রেসার কে নিয়ন্ত্রণে রাখতে।

🍌 যারা নিয়মিত ব্যায়াম করেন এবং ক্রীড়াবিদ বা খেলাধুলার সাথে যুক্ত তাদের জন্য কলা একটি বিশেষ প্রয়োজনীয় ফল। আমরা যখন ব্যায়াম করি বা কোন খেলাধুলা করি তখন আমাদের শরীর থেকে অনেক বেশি মাত্রায় ঘাম হয় বা রেচন পদার্থ নির্গত হয়। তার ফলে আমাদের শরীর থেকে সামান্য পরিমাণ ইলেকট্রোলাইটস অথবা খনিজ উপাদান ঘামের মাধ্যমে বের হয়ে যায়। কলার মধ্যে প্রচুর পরিমাণ মিনারেলস বা খনিজ উপাদান পাওয়া যায় যেরকম ক্যালসিয়াম, সোডিয়াম, পটাশিয়াম, ফসফরাস ইত্যাদি।

🍌 যাদের কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা রয়েছে তাদের পাকা কলা খাওয়া উচিত। এতে ফাইবার থাকায় পেট পরিষ্কার করতে সাহায্য করে।

🍌 আবার পেট খারাপের সমস্যায় ভুগলে কাঁচকলা খেলে উপকার পাওয়া যাবে। কলা পটাশিয়াম, মিনারেল, ভিটামিন সি-তে পরিপূর্ণ। তবে পটশিয়ামের মাত্রা বেশি থাকার কারণেই, যাদের রেনাল ফেলিয়োর রয়েছে বা কোনও অসুখের কারণে পটাশিয়াম খাওয়া নিয়ন্ত্রণ করতে বলা হয়েছে, তাদের কলা না খাওয়াই ভাল।

🍌 যাদের ওজন অতিরিক্ত কম, তাদেরও কলা খেতে বলা হয়। কলায় ক্যালরির পরিমাণ অন্যান্য ফলের তুলনায় অনেকটা বেশি।

🍌 লেকটিন নামক প্রোটিন কলাতে পাওয়া যায় এতে। এই লেকটিন ক্যান্সার সৃষ্টিকারী কোষ যেমন লিউকোমিয়ার বৃদ্ধি রোধ করতে সাহায্য করে।

বিটা ক্যারোটিন, ভিটামিন এ, ভিটামিন কে১, পটাশিয়াম, ফাইবার, অ্যান্টিঅক্সিডেন্টসহ নানা ধরনের পুষ্টি উপাদান মেলে গাজরে🥕। সুস...
03/06/2024

বিটা ক্যারোটিন, ভিটামিন এ, ভিটামিন কে১, পটাশিয়াম, ফাইবার, অ্যান্টিঅক্সিডেন্টসহ নানা ধরনের পুষ্টি উপাদান মেলে গাজরে🥕। সুস্থ থাকতে চাইলে গাজরের সালাদ, জুস কিংবা হালুয়া খেতে পারেন নিয়মিত।

গাজরের পুষ্টি ও উপকারিতা🥕

🥕 গাজরে প্রচুর ভিটামিন এ থাকে। ভিটামিন এ ত্বকের কোষের বৃদ্ধি ও পুনর্জন্মে সাহায্য করে। এটি ত্বকের বলিরেখা, ব্রন, দাগছোপ দূর করতে এবং ত্বককে উজ্জ্বল ও সুন্দর রাখতে সাহায্য করে।
🥕 গাজরে প্রচুর পরিমাণে বিটা ক্যারোটিন থাকে। বিটা ক্যারোটিন শরীরে ভিটামিন এ তে রূপান্তরিত হয়। ভিটামিন এ চোখের রেটিনায় অবস্থিত রড ও কোন কোষের জন্য অপরিহার্য। এটি চোখের দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধি, রাতের অন্ধত্ব প্রতিরোধ এবং ছানি পড়ার ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।
🥕 শীতে ত্বক শুষ্ক হয়ে যায় দ্রুত। গাজর খেলে ত্বকে পটাশিয়ামের অভাব দূর হবে এবং ত্বকের আর্দ্রতা বজায় থাকবে।
🥕 গাজরে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি, ভিটামিন ই এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে। এগুলো শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।
🥕 চুল পড়া রোধে গাজরে থাকা ভিটামিন ও মিনারেল কার্যকর। গাজর চুল পড়া কমায়, চুলকে শক্ত ও মজবুত করে।
🥕 গাজরের থাকা বিটা ক্যারোটিন ভিটামিন এ তে রূপান্তরিত হয়। ভিটামিন এ দৃষ্টিশক্তি প্রখর করে
🥕 গাজর দাঁতের সুরক্ষা দেয়। দাঁত পরিষ্কারক হিসেবে যেমন কাজ করে, তেমনি দাঁতের গোড়ায় ক্যালকুলাস জমতেও বাধা দেয়।
🥕 অন্তঃসত্ত্বা মা ও শিশুর জন্য গাজর খুব ভালো সবজি। গাজরের রসে শিশুর জন্ডিস হওয়ার ঝুঁকি কমে।
🥕 যারা দীর্ঘদিন পেটের সমস্যায় ভুগছেন, এবার গাজরে সমাধান খুঁজতে পারেন। এটি কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করারও ভালো ওষুধ। গাজরে থাকা ফাইবার হজমশক্তি বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। এটি কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে এবং পেটের পীড়া কমাতে সাহায্য করে।
🥕 গাজর খেলে পেট ভরবে ঠিকই, আবার বেশি ক্যালরিও যোগ হবে না শরীরে। তাই ওজন কমাতে বেশি বেশি গাজর খেতে পারেন।
🥕 গাজরে থাকা ফাইবার এবং পটাশিয়াম রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। এটি হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।
🥕 গাজরে থাকা ভিটামিন এ লিভারের কার্যকারিতা উন্নত করতে সাহায্য করে। এটি লিভার থেকে টক্সিন দূর করে এবং লিভারকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।
🥕 নিয়মিত গাজর খেলে ক্যানসারের ঝুঁকি কমে যায়। গাজরে ফ্যালকেরিনল এবং ফ্যালকেরিনডায়ল নামক রাসায়নিক পদার্থ থাকে যা শরীরের অ্যান্টিক্যানসার উপাদানগুলোকে শক্তিশালী করে।

🌶️শুকনা মরিচ ঝাল ছাড়া আর কোন কাজ করেনা তা কিন্তু নয়......শুকনো মরিচে থাকা পটাশিয়াম উচ্চ রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে। শুকন...
03/06/2024

🌶️শুকনা মরিচ ঝাল ছাড়া আর কোন কাজ করেনা তা কিন্তু নয়......

শুকনো মরিচে থাকা পটাশিয়াম উচ্চ রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে। শুকনো মরিচে থাকা ক্যাপসাইসিন উপাদান শরীরের বিপাকক্রিয়া ঠিক রেখে ক্যালরি ঝরাতে ভূমিকা রাখে। শুকনো মরিচে ভিটামিন সি থাকায় এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। শুকনো মরিচে থাকা শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রক্তনালীর যেকোন ধরনের ব্লক প্রতিরোধ করে।

🌶️ বাতের ব্যথার উপশম করে - আর্থারাইটিস বা বাতের ব্যথায় শুকনা মরিচ দারুণ কাজ দেয়। শুকনা মরিচে থাকা ক্যাপসাইসিন যেকোনও ধরনের মাসল্ পেইন, জয়েন্ট পেইন, অস্টিও আর্থারাইটিসের যন্ত্রণা কমায়।

🌶️ চোখ ভালো রাখে - শুকনা মরিচে থাকে ভিটামিন-এ, যা চোখের জন্য খুব উপকারী। রাতকানা রোগ প্রতিরোধ করে। রেটিনার কোষের ক্ষয় আটকায়।

🌶️ ক্যানসার রোধ করে - শুকনা লাল মরিচে থাকা ফাইটোনিউট্রিয়েন্টস কোলন ক্যানসার ও স্তন ক্যানসার রোধে কাজ করে।

🌶️ রক্তচাপ কমায় - শুকনা মরিচ কোলেস্টেরল কমায়। প্লেটলেট বা অনুচক্রিকাকে জমাট বাঁধতে দেয় না। রক্তে ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা কমায়। ধমনীকে প্রসারিত করে। হাইপারটেনশন কমায়। যার ফলে কমে রক্তচাপ। কমে হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের ঝুঁকি।

🌶️ যৌন উদ্দীপনা বাড়ায় - শুকনা মরিচে থাকা ক্যাপসাইসিন যৌন উত্তেজনা বাড়িয়ে তোলে। যা এন্ডোরফিনের ক্ষরণ বাড়িয়ে, যৌন চাহিদা বাড়ায়।

🌶️ ইমিউনিটি বাড়ায় - শুকনা মরিচে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন-এ ও সি থাকে। রোজ যদি কেউ শুকনা মরিচ খায়, তবে তার নাসিকাপথ পরিষ্কার থাকবে। অন্ত্র, মূত্রনালী ও ফুসফুসে কোনও সংক্রমণ হবে না।

হলুদের গুড়াঁ আমরা সবাই চিনি। প্রাচীন ভারতীয় আয়ুর্বেদ ও চৈনিক চিকিৎসাপদ্ধতিতে হলুদের ব্যবহার হচ্ছে সহস্র বছর ধরে।দক্ষিণ এ...
02/06/2024

হলুদের গুড়াঁ আমরা সবাই চিনি। প্রাচীন ভারতীয় আয়ুর্বেদ ও চৈনিক চিকিৎসাপদ্ধতিতে হলুদের ব্যবহার হচ্ছে সহস্র বছর ধরে।
দক্ষিণ এশিয়ার রান্নায় হলুদ বহুল সমাদৃত একটি উপাদান।

হলুদে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট খারাপ কোলেস্টেরল বা এলডিএল-এর মাত্রা কমাতে কার্যকর ভূমিকা রাখে। এমনকী রক্তনালীতে প্লাক বা নোংরা জমতেও বাধা দেয় এই উপাদান। তাই নিয়মিত হলুদ খেলে হৃদরোগের ঝুঁকি কমে। হলুদে থাকা অ্যান্টিইনফ্লেমেটরি ক্যানসারের ঝুঁকিও কমায়।
👉 ওজন কমাতে সাহায্য করে - গবেষণা বলছে, খাবারে নিয়মিত হলুদ গ্রহণ করলে ওজন কমে! আমাদের স্থূলতার জন্য দায়ী টিস্যুগুলোর বৃদ্ধি রোধ করে।

👉 ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে - ত্বকের বলিরেখা, বয়সের ছাপ দূর করে। মুখের তেলতেলে ভাব নিয়ন্ত্রণ করে। ব্রণের হাত থেকে ত্বককে বাঁচায়। খুশকি দূর করতেও সাহায্য করে।

👉 হজমের সমস্যা দূর করে - হলুদ পরিপাকতন্ত্রের কর্মক্ষমতা বাড়ায়। পাকস্থলীতে গ্যাস্ট্রিকজাতীয় উপাদানের আধিক্য শারীরিক অসুস্থতা আনে। তৈরি করে মানসিক অস্থিরতা। হলুদ এ ক্ষেত্রে মহৌষধ হিসেবে কাজ করে।

👉 আর্থ্রাইটিসের ব্যথা হ্রাস করে - হলুদে অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান থাকে। আর্থ্রাইটিসের কবল থেকে এই উপাদান রক্ষা করে।

👉 হৃদ্​যন্ত্রকে রক্ষা করে - হলুদ রক্তকোষ ও কোলেস্টরেলবাহী তন্তুকে ঠিক রাখে। রক্তনালিকে উন্মুক্ত করে ও রক্ত চলাচলের বাধা দূর করে।

👉 ক্যানসার ঠেকাতে সাহায্য করে - হলুদের অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট উপাদান রক্তকণিকাকে নিরাপদ রাখে। ফলে স্তন ক্যানসার, পাকস্থলী, কোলন ও ত্বকের ক্যানসার তৈরি হতে পারে না।

👉 মস্তিষ্কের ক্ষয়জনিত সমস্যা রোধ করে - হলুদে থাকা অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান পার্কিনসনস, আলঝেইমার, টিস্যুর স্থবিরতার মতো অসুস্থতা রোধে সক্ষম।

👉 যকৃৎ সুরক্ষিত রাখে - হলুদ যকৃতের নানান রোগের প্রতিষেধক হিসেবে কাজ করে। লিভারের বহুবৃদ্ধি, হেপাটাইটিস, সিরোসিস, গলব্লাডারের মতো সমস্যা তৈরিতে বাধা দেয়।

👉 শ্বাসক্রিয়াকে শক্তিশালী করে - গবেষণায় দেখা গেছে, রক্তের প্রবাহ বাড়িয়ে তুলতে সক্ষম হলুদের কারকিউমিন। অ্যালার্জি, হাঁপানি, ব্রংকাইটিস বা কাশি, ঠান্ডা ও কফের সমস্যায় হলুদ সেবনের পরামর্শ দেয়া হয়

👉 নিয়মিত পিরিয়ড নিশ্চিত করে - অনিয়মিত মাসিক রোধ, হরমোনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ–বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখে হলুদের কারকিউমিন। এই উপাদান পিরিয়ডের আগে ব্যথা কমাতেও সাহায্য করে থাকে।

শীতকালে হাঁসের মাংস খেতে সুস্বাদু হয়।হাঁসের মাংস প্রোটিনের ভালো উৎস। এতে নিয়াসিন, ফসফরাস, রিবোফ্লোবিন, আয়রন, জিংক, ভিটাম...
29/05/2024

শীতকালে হাঁসের মাংস খেতে সুস্বাদু হয়।

হাঁসের মাংস প্রোটিনের ভালো উৎস। এতে নিয়াসিন, ফসফরাস, রিবোফ্লোবিন, আয়রন, জিংক, ভিটামিন বি৬ এবং থায়ামিন আছে। এ ছাড়া অল্প পরিমাণে আছে ভিটামিন বি১২ এবং ম্যাগনেশিয়াম। চামড়াসহ হাঁসের মাংসে অধিক মাত্রায় ফ্যাট এবং কোলেস্টেরলও আছে।

১০০ গ্রাম মাংসে যা থাকে

মাংস ক্যালরি আমিষ শর্করা চর্বি ক্যালসিয়াম
হাঁস ১৩০ ২১.৬ ০.১ ৪.৮ ৪
(তথ্যসূত্র : পুষ্টি ইনস্টিটিউিট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়)

গরুর মাংসের চেয়ে হাঁসের মাংসে চর্বির পরিমাণ বেশি। এই চর্বির মধ্যে সম্পৃক্ত চর্বির পাশাপাশি অসম্পৃক্ত চর্বিও রয়েছে। সম্পৃক্ত চর্বিতে আছে কোলেস্টেরল। খনিজ উপাদানের মধ্যে ক্যালসিয়াম, আয়রন, ফসফরাস, সোডিয়াম, জিংক, কপার, ম্যাগনেসিয়াম ও সেলেনিয়াম আছে। হাঁসের মাংসের মধ্যে ফ্যাটি অ্যাসিড যথেষ্ট পরিমাণে থাকে। 👉তাই হাঁসের মাংস নিয়মিত খেলে স্বাভাবিকভাবেই দ্রুত ওজন বাড়ে। তা ছাড়া শরীরের তাপমাত্রা উষ্ণ রাখতেও সাহায্য করে এই ফ্যাটি অ্যাসিড। এ ছাড়া হাঁসের মাংসে উচ্চখনিজ পদার্থ থাকায় গলাব্যথা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। 👉তবে যাদের উচ্চরক্ত চাপের সমস্যা আছে, তাদের হাঁসের মাংস না খাওয়াই ভালো। আর খেলেও অল্প পরিমাণে। কারণ এতে রক্তচাপ বেড়ে যেতে পারে।

মুরগির মাংস খেতে আমরা সবাই পছন্দ করি।মুরগির মাংস ওজন কমাতে সাহায্য করে, হার্টের স্বাস্থ্য ভালো রাখে। পাশাপাশি এতে রয়েছে ...
29/05/2024

মুরগির মাংস খেতে আমরা সবাই পছন্দ করি।
মুরগির মাংস ওজন কমাতে সাহায্য করে, হার্টের স্বাস্থ্য ভালো রাখে। পাশাপাশি এতে রয়েছে আরও নানা রকম পুষ্টিগুণ।
প্রোটিনে ভরপুর

বিষণ্নতা দূর করে

হাড়ের ক্ষয় প্রতিরোধ করে

হার্টের জন্য ভালো

ফসফরাসের প্রাচুর্য

হজমে সাহায্য করে

‘নিয়াসিন’ সমৃদ্ধ

চোখ ভালো রাখে

হাঁসের ডিম অনেকের প্রিয় খাবার। তবে জাদের এলারজি প্রবলেম আছে একটু সাবধানে খাবেন।হাঁসের ডিমে থাকা ভিটামিন বি ১২ হৃদরোগ এবং...
26/05/2024

হাঁসের ডিম অনেকের প্রিয় খাবার। তবে জাদের এলারজি প্রবলেম আছে একটু সাবধানে খাবেন।

হাঁসের ডিমে থাকা ভিটামিন বি ১২ হৃদরোগ এবং ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়। এছাড়াও হাঁসের ডিমে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ রয়েছে, যা দৃষ্টিশক্তি বাড়ায় এবং রক্ত ও ত্বকের স্বাস্থ্য বজায় রাখে। এতে থাকা সেলেনিয়াম রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। হাঁসের ডিমে রিবোফ্লাভিন নামে একটি শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্টও রয়েছে।

কার্বোহাইড্রেট ও খনিজের পরিমাণ সমান হলেও হাঁসের ডিমে প্রোটিন এবং ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডের পরিমাণ সামান্য বেশি থাকে। যারা ডায়েটে উচ্চ চর্বিযুক্ত খাবার খোঁজেন তাদের জন্য হাঁসের ডিম ভালো। হাঁসের ডিমে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এবং খনিজ রয়েছে। এতে অতিরিক্ত ভিটামিন বি ১২ রয়েছে, যা লোহিত রক্তকণিকা গঠন, ডিএনএ সংশ্লেষণ এবং স্বাস্থ্যকর স্নায়ুর কার্যকারিতার জন্য প্রয়োজনীয়।

হাঁসের ডিমে ম্যাগনেসিয়াম, ক্যালসিয়াম, আয়রন, ভিটামিন বি ১২, ভিটামিন এ, থায়ামিন ইত্যাদি মুরগির ডিমের তুলনায় ১০০ গ্রাম বেশি থাকে। এগুলি ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিডের একটি দুর্দান্ত উৎস, যা স্বাভাবিক মানুষের বিপাকের জন্য অতি প্রয়োজনীয়৷

হাঁসের ডিমের সাদা অংশে থাকা পেপটাইডগুলি প্রয়োজনীয় খনিজ ক্যালসিয়াম শোষণ করে হজম ক্ষমতাকে বাড়িয়ে দেয়। সঙ্গে হাড় ও দাঁতের স্বাস্থ্য ভালো রাখে। ২০১৪ সালের একটি সমীক্ষা অনুসারে, হাঁসের ডিমের সাদা অংশে বিভিন্ন অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে যা হৃদরোগ এবং নিউরোডিজেনারেটিভ অবস্থাসহ বিভিন্ন রোগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে।

Address

House 37, Road 3, Sector 9, Uttara
Dhaka
1230

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Green Agro Shop posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Green Agro Shop:

Shortcuts

Share

Category