08/09/2026
অনলাইনে যারা নিয়মিত প্রোডাক্ট পারচেজ করেন, তাদের উদ্দেশ্যে আমাদের আন্তরিক কিছু কথা। ❤️
আমরা সবসময় চেষ্টা করি আপনাদের ভালো প্রোডাক্ট ও ভালো সার্ভিস দিতে। একইভাবে আপনাদের কাছ থেকেও একটু সহযোগিতা, ধৈর্য এবং সুন্দর ব্যবহার প্রত্যাশা করি। কারণ পারস্পরিক সম্মান থাকলে পুরো কেনাকাটার অভিজ্ঞতাই অনেক সুন্দর হয়।
অনেক সময় প্রোডাক্ট অর্ডার করার ক্ষেত্রে ডেলিভারি চার্জ বা ডেলিভারি সময় নিয়ে কিছু ভুল বোঝাবুঝি হয়। সেই কারণেই কয়েকটি বিষয় সুন্দরভাবে জানিয়ে রাখতে চাই—
১. ডেলিভারি চার্জ কুরিয়ার কোম্পানি নির্ধারণ করে।
এই চার্জটি ব্যবসায়ী নিজের জন্য নেন না। তাই ডেলিভারি চার্জ নিয়ে কোনো প্রশ্ন থাকলে অবশ্যই জিজ্ঞেস করবেন, আমরা বুঝিয়ে বলব। শুধু মনে রাখবেন, এই চার্জটি মূলত কুরিয়ার সার্ভিসের জন্য।
২. হোম ডেলিভারি আপনাদের সুবিধার জন্যই দেওয়া হয়।
তাই পার্সেল গ্রহণের সময় সামান্য সহযোগিতা ও সমন্বয় করলে ডেলিভারির পুরো প্রক্রিয়াটি আরও সহজ হয়।
৩. আজ অর্ডার দেওয়ার পর স্বাভাবিকভাবেই অনেকের প্রশ্ন থাকে—“কখন পাবো?”
আমরা অবশ্যই সম্ভাব্য সময় জানাতে চেষ্টা করি। তবে সঠিক সময়টি মূলত কুরিয়ার কোম্পানি বা ডেলিভারি রাইডারের রুটের ওপর নির্ভর করে।
৪. আমরা বুঝি, আপনারা সবাই ব্যস্ত।
আমরাও চেষ্টা করি যত দ্রুত সম্ভব আপনাদের প্রশ্নের উত্তর দিতে এবং অর্ডার প্রসেস করতে। তাই দু’পক্ষ থেকেই একটু ধৈর্য ও সুন্দর ব্যবহার থাকলে কাজটা অনেক সহজ হয়ে যায়।
৫. ডেলিভারির সময় অনেকের কিছু নির্দিষ্ট অনুরোধ থাকে।
যেমন—
“সকালে দিবেন না।”
“বাসার সামনে এসে ফোন দিবেন না।”
“বিকাল ৩টায় দিতে হবে।”
এ ধরনের অনুরোধ থাকলে অবশ্যই জানাতে পারেন। তবে সবসময় নির্দিষ্ট সময় নিশ্চিত করা আমাদের পক্ষে সম্ভব হয় না, কারণ কুরিয়ার কোম্পানির রুট ও সময়সূচি আলাদা থাকে।
একজন রাইডার শুধু একটি পার্সেল নিয়ে বের হন না। একই সঙ্গে অনেক কাস্টমারের পার্সেল ডেলিভারি করতে হয়। তাই সব ধরনের নির্দিষ্ট শর্ত সবসময় মানা তাদের পক্ষেও সম্ভব হয় না।
৬. আপনি যদি উঁচু ভবনে থাকেন, তাহলে সম্ভব হলে নিচে এসে পার্সেল গ্রহণ করলে রাইডারের জন্য অনেক সুবিধা হয়।
আমরা যখন বলি হোম ডেলিভারি, তার অর্থ আপনার ঠিকানায় পার্সেল পৌঁছে দেওয়া। সব ক্ষেত্রে রুম বা ফ্ল্যাটের দরজা পর্যন্ত পৌঁছে দেওয়া সম্ভব নাও হতে পারে।
কারণ একজন রাইডারের সঙ্গে বাইক, নগদ টাকা এবং আরও অনেক কাস্টমারের পার্সেল থাকে। তাই তার নিরাপত্তা এবং অন্যান্য পার্সেলের নিরাপত্তার বিষয়টিও আমাদের সবার বিবেচনায় রাখা উচিত।
অনলাইনে যারা প্রোডাক্ট সেল করেন, তারা নিজের সময়, শ্রম ও অর্থ বিনিয়োগ করে একটি ব্যবসা পরিচালনা করেন। ছোট হোক বা বড়, প্রতিটি সৎ ব্যবসার পেছনেই অনেক পরিশ্রম থাকে।
আমরা আমাদের প্রতিটি কাস্টমারকে সম্মান করি এবং সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সঙ্গে ভালো সার্ভিস দেওয়ার চেষ্টা করি। একইভাবে আমাদের টিম, কাস্টমার কেয়ার এবং ডেলিভারি রাইডারদের প্রতিও আপনাদের আন্তরিক ও সুন্দর ব্যবহার কামনা করি।
ব্যবসায়ী ও কাস্টমার—দু’পক্ষের পারস্পরিক সম্মান, সহযোগিতা ও বোঝাপড়াই একটি সুন্দর অনলাইন কেনাকাটার সম্পর্ক তৈরি করে। ❤️