Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Winmark Agrovet Limited, House 1320, Road 13, Avenue 2, Mirpur DOHS, Dhaka.
WINMARK AGROVET LIMITED empowers grassroots farmers with expert support and innovation in fish, poultry, ruminant, and crop farming—boosting productivity, sustainability, and food security for a growing world.
26/03/2026
🇧🇩২৬শে মার্চ – মহান স্বাধীনতা দিবস 🇧🇩
রক্তে লেখা স্বাধীনতার ইতিহাস,
গর্বে ভরা আমাদের এই বাংলাদেশ।
শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি সেই সব বীর শহীদদের,
যাদের ত্যাগে পেয়েছি লাল-সবুজের পতাকা।
May all your prayers be accepted,
your heart be filled with gratitude
and your days ahead be blessed with
happiness and success. Eid Mubarak!
#উইনমার্ক_এগ্রোভেট #মৎস্যচাষ #আধুনিকমৎস্যচাষ
19/03/2026
খামারির পাশে পাশে, প্রতিটি সফলতার পথে।
খামারিদের উন্নয়নই আমাদের প্রতিশ্রুতি।
আমাদের অভিজ্ঞ ফিল্ড টিম নিয়মিত খামার পরিদর্শন করে বাস্তব সমস্যাগুলো শনাক্ত করে এবং আধুনিক প্রযুক্তি ও বৈজ্ঞানিক পরামর্শের মাধ্যমে দ্রুত সমাধান নিশ্চিত করে।
কারণ আমরা জানি—
একজন সফল খামারি মানেই দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি।
উইনমার্ক এগ্রোভেট লিমিটেড
গুণগত মান | উন্নত সেবা | নতুনত্বের প্রতীক
#উইনমার্ক_এগ্রোভেট #মৎস্যচাষ #আধুনিকমৎস্যচাষ
12/03/2026
রেনু চাষে অভাবনীয় সাফল্য।
#রেনুচাষ #রেনুচাষসাফল্য #মৎস্যচাষ #মাছেরপোনা
05/03/2026
বাংলাদেশের মৎস্য চাষে সফলতার মূলমন্ত্র: সুষম খাদ্য ও আধুনিক খাদ্য প্রদান ব্যবস্থাপনা।
বাংলাদেশের অর্থনীতিতে মৎস্য খাতের গুরুত্ব অপরিসীম। আমাদের দৈনন্দিন আমিষের চাহিদা মেটানো থেকে শুরু করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন—সব ক্ষেত্রেই মৎস্য চাষের ভূমিকা অনস্বীকার্য। একটি সফল মৎস্য খামারের ভিত্তি হলো সুস্থ-সবল মাছ উৎপাদন, আর এর মূল চাবিকাঠি লুকিয়ে আছে "সঠিক খাদ্য ও খাদ্য প্রদান কৌশলের" মধ্যে। পুকুর ব্যবস্থাপনার অন্যান্য দিক ঠিক থাকলেও, খাদ্য ও খাদ্য প্রদানে ভুল হলে চাষি লোকসানের সম্মুখীন হন। আজকে আমরা বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে আধুনিক ও বিজ্ঞানসম্মত খাদ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করব।
১. মাছের খাদ্য: প্রকারভেদ ও গুণগত মান
বাংলাদেশে প্রধানত দুই ধরনের খাদ্য ব্যবহার করা হয়।
ক. প্রাকৃতিক খাদ্য: পুকুরে প্রাকৃতিকভাবে উৎপাদিত খাদ্য, যেমন: ফাইটোপ্ল্যাঙ্কটন, জুপ্ল্যাঙ্কটন, পোকামাকড়, শামুক ইত্যাদি। চাষের শুরুতে পুকুর প্রস্তুতির মাধ্যমে (চুন ও সার প্রয়োগ) প্রাকৃতিক খাদ্যের পর্যাপ্ত যোগান নিশ্চিত করা জরুরি। এটি পোনা মাছের জন্য মুখ্য খাদ্য এবং বড় মাছের জন্য পূরক খাদ্য হিসেবে কাজ করে।
খ. সম্পূরক/প্রস্তুতকৃত খাদ্য: বর্তমানে নিবিড় ও আধা-নিবিড় চাষ পদ্ধতিতে মাছের জন্য সম্পূরক খাদ্য দেওয়া বাধ্যতামূলক। এই খাদ্য প্রধানত দুই ধরনের:
১। খামারেই তৈরি খাদ্য (Homemade Feed): সাধারণত চালের কুড়া, গমের ভুসি, সরিষার খৈল, মাছের মিশ্রণ, ডালের গুঁড়া ইত্যাদি মিশিয়ে তৈরি করা হয়। এটি তুলনামূলক সস্তা হলেও পুষ্টিমান সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন এবং ভালো FCR পাওয়া যায় না।
২। বাণিজ্যিক খাদ্য (Commercial Feed): বিভিন্ন কোম্পানির তৈরি পেলেট আকারের খাদ্য। এগুলি মাছের চাহিদা অনুযায়ী সুষম পুষ্টি (প্রোটিন, ফ্যাট, কার্বোহাইড্রেট, ভিটামিন, মিনারেল) নিশ্চিত করে। বর্তমানে তেলাপিয়া, পাঙ্গাস, শিং, মাগুর, কৈ, গুলশা ইত্যাদি মাছ চাষে বাণিজ্যিক খাদ্যের ব্যবহার ব্যাপক হারে বেড়েছে। বাণিজ্যিক খাদ্য আবার দুই ধরনের হয় যেম: ভাসমান ও ডুবন্ত। ভাসমান ফিড, খাওয়ার পরিমাণ দেখা যায়, অপচয় কম হয়, পানির মান ভালো থাকে। ডুবন্ত ফিড, কিছু প্রজাতির জন্য উপযোগী, তবে মনিটরিং কঠিন।
গুণগত খাদ্যের বৈশিষ্ট্য:
• সঠিক পুষ্টিমান: মাছের প্রজাতি ও বয়স অনুযায়ী প্রোটিনের মাত্রা (যেমন: পোনা অবস্থায় ৩০-৩৫%, বড় মাছের জন্য ২৫-৩০%) থাকতে হবে।
• পানিতে টেকসই ক্ষমতা (Water Stability): পেলেট খাবার পানিতে পড়ার সাথে সাথে ভেঙ্গে যাবে না, কমপক্ষে ১৫-২০ মিনিট অটুট থাকবে, যাতে মাছ সহজে খেতে পারে এবং খাদ্য অপচয় কম হয়।
• সতেজতা ও গন্ধ: খাদ্যে কোনো ধরনের ছত্রাকের গন্ধ বা ভেজা ভাব থাকা যাবে না। মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্য ব্যবহার করা একেবারেই উচিত নয়।
২. খাদ্য প্রদান ব্যবস্থাপনা: যত্ন ও কৌশলের নামান্তর
ভালো খাদ্য যেন ঠিকমতো মাছের পেটে পৌঁছায় এবং অপচয় না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখাই হলো খাদ্য ব্যবস্থাপনার মূল কথা।
ক. খাদ্য প্রদানের সময়সূচী:
• মাছের পরিপাকতন্ত্র ছোট হওয়ায় অল্প অল্প করে বারবার খাবার দেওয়া ভালো।
• সাধারণত দিনে দুইবার (সকাল ৮-৯টা এবং বিকাল ৪-৫টা) খাবার দেওয়া উত্তম। পোনা অবস্থায় দিনে তিনবার দেওয়া যেতে পারে।
• সূর্যোদয়ের পর এবং সূর্যাস্তের পূর্বে খাবার দেওয়া সবচেয়ে ভালো, কারণ এ সময় পানিতে অক্সিজেনের মাত্রা বেশি থাকে এবং তাপমাত্রা সহনীয় হয়।
খ. খাদ্য প্রদানের হার (Feeding Rate):
• মাছের দৈহিক ওজনের শতকরা হিসাবে খাদ্যের পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়।
• সাধারণ নিয়ম: পোনা মাছের জন্য দৈহিক ওজনের ৮-১০%, বাড়ন্ত মাছের জন্য ৫-৭% এবং প্রাপ্তবয়স্ক মাছের জন্য ২-৪% হারে খাদ্য দিতে হবে।
• তবে এটি মাছের প্রজাতি, পানির তাপমাত্রা, দ্রবীভূত অক্সিজেন (DO) এবং মাছের স্বাস্থ্যের ওপর নির্ভর করে কম-বেশি হতে পারে।
• প্রতি ১৫ দিনে একবার নমুনা সংগ্রহ করে (স্যাম্পলিং) মাছের গড় ওজন বের করে মোট খাদ্যের পরিমাণ পুনঃনির্ধারণ করা অত্যন্ত জরুরি।
FCR (Feed Conversion Ratio) কী?
FCR মানে — ১ কেজি মাছ উৎপাদনে কত কেজি ফিড লাগে।
* ভালো ব্যবস্থাপনায় FCR ১.৫–১.৮ হলে মোটামুটি ভালো। এর বেশি FCR হলে বুঝবেন সমস্যা আছে।
সমস্যার কারণ হতে পারে:
নিম্নমানের ফিড, অতিরিক্ত ফিড, রোগ মাটি ও পানির মান খারাপ ইত্যাদি।
গ. খাদ্য প্রদানের পদ্ধতি:
• হাত দ্বারা ছিটিয়ে দেওয়া: ছোট পুকুরের জন্য সহজ পদ্ধতি। তবে খাবার যেন পুরো পুকুরে সমানভাবে ছড়িয়ে পড়ে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।
• ফিডিং ট্রে (Feeding Tray) ব্যবহার: পুকুরের নির্দিষ্ট স্থানে বাঁশ বা কাঠের তৈরি ট্রে পানির নিচে ঝুলিয়ে তার ওপর খাবার দেওয়া। এটি একটি আধুনিক ও কার্যকর পদ্ধতি। এর মাধ্যমে খাদ্য অপচয় কমানো যায়, মাছের খাওয়ার পরিমাণ বোঝা যায় এবং অসুস্থ মাছ শনাক্ত করা সহজ হয়।
• অটোমেটিক ফিডার: বড় বাণিজ্যিক খামারে এই পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
৩. বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে বিশেষ বিবেচনাসমূহ
বাংলাদেশের জলবায়ু ও চাষ পদ্ধতি বিবেচনায় রেখে কিছু বিষয়ে সতর্ক থাকা জরুরি।
১। জলবায়ুর প্রভাব: শীতকালে (নভেম্বর-জানুয়ারি) তাপমাত্রা কমে গেলে মাছের বিপাকীয় হার কমে যায়। এ সময় খাদ্যের চাহিদা কমে যায়। অনেক চাষি এই সময়ে খাদ্য দেওয়া সম্পূর্ণ বন্ধ রাখেন বা পরিমাণ অনেক কমিয়ে দেন। আবার গরমকালে খাদ্য প্রয়োগে সতর্ক থাকতে হবে, কারণ তখন পানিতে অক্সিজেনের ঘাটতি দেখা দিতে পারে।
২। অক্সিজেনের মাত্রা: খাবার দেওয়ার সময় পানিতে দ্রবীভূত অক্সিজেনের মাত্রা কমপক্ষে ৪-৫ পিপিএম থাকা বাঞ্ছনীয়। বিশেষ করে ভোরবেলা অক্সিজেন কম থাকে, তাই সকালের খাবার একটু দেরিতে (সূর্য উঠার পর) দেওয়া ভালো। বর্ষাকালে ও শীতকালে কম অক্সিজেনের ঝুঁকি থাকে।
৩। পানির গুণাগুণ: অতিরিক্ত খাদ্য পুকুরতলায় জমে পানির গুণাগুণ নষ্ট করে, অ্যামোনিয়া ও নাইট্রাইটের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়, যা মাছের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। নিয়মিত পানি পরিবর্তন এবং ইউরিয়া-টিএসপি সার প্রয়োগের মাধ্যমে প্রাকৃতিক খাদ্যের যোগান বাড়িয়ে সম্পূরক খাদ্যের ওপর নির্ভরশীলতা কিছুটা কমানো যায়।
৪. সাধারণ ভুলগুলো যা এড়িয়ে চলা জরুরি
• অতিরিক্ত খাদ্য প্রদান:
চাষিদের মধ্যে সবচেয়ে বড় ভুল হলো, মনে করা "যত বেশি খাবার দেব, মাছ তত বড় হবে"। অতিরিক্ত খাবার খরচ বাড়ায়, পানি দূষিত করে এবং মাছের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দেয়।
• অনিয়মিত খাদ্য প্রদান: নির্দিষ্ট সময়ে খাবার না দিলে মাছের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ব্যাহত হয়।
• অপরীক্ষিত খাদ্য ব্যবহার: অজানা উৎস থেকে কম দামে নিম্নমানের খাদ্য কিনে ব্যবহার করা, যা পুষ্টিমানে অসম্পূর্ণ ও মাছের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।
• স্যাম্পলিং না করা: মাছের ওজন না বাড়িয়ে শুধু আন্দাজের ওপর ভিত্তি করে খাদ্য দেওয়া।
লাভ বাড়ানোর কিছু কৌশল:
* প্রতি ১৫ দিনে মাছের স্যাম্পলিং করুন
* বায়োমাস আপডেট করে ফিড অ্যাডজাস্ট করুন
* নিয়মিত পানি পরীক্ষা করুন
* মানসম্মত ফিড ব্যবহার করুন
* নিয়মিত প্রোবায়োটিক ব্যবহার করুন (মাটি ও পানির মান ভালো রাখতে)।
উপসংহার:
বাংলাদেশের মৎস্য চাষকে আরও লাভজনক ও টেকসই করতে হলে খাদ্য ব্যবস্থাপনাকে আরও বেশি গুরুত্ব দিতে হবে। মনে রাখতে হবে, মাছের খাদ্য খামারের মোট উৎপাদন খরচের ৬০-৭০%। তাই এই বিপুল ব্যয়ের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা মানেই খামারের মুনাফা নিশ্চিত করা। সঠিক মানের খাদ্য নির্বাচন, বিজ্ঞানসম্মত হারে ও পদ্ধতিতে খাদ্য প্রদান, এবং নিয়মিত পুকুরের পরিবেশ ও মাছের স্বাস্থ্য পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে আমরা মাছ উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতার এই অগ্রযাত্রাকে আরও বেগবান করতে পারি।
সুষম খাদ্যই হোক আপনার মৎস্য খামারের সাফল্যের চাবিকাঠি।
সবাইকে শুভেচ্ছা ও সফল মৎস্য চাষের প্রত্যাশা।
উইনমার্ক এগ্রোভেট লিমিটেড,
গুণগত মান, উন্নত সেবা ও নতুনত্বের প্রতীক।
#মাছচাষ #খাদ্য_ব্যবস্থাপনা ্যচাষ
01/03/2026
আপনার মাছ-চিংড়ির খাদ্যে যোগান অতিরিক্ত পুষ্টি, নিশ্চিত করুন অধিক বৃদ্ধি।
আপনার অ্যাকোয়া ফিড কি সঠিক পুষ্টি সরবরাহ করছে?
উইনমার্ক এর আনা উন্নত ফিড এনজাইম উইনজাইম-এর সমাধান!
উইনজাইম একটি সর্বাধিক কার্যকর এনএসপি এনজাইম ও প্রোবায়োটিকস এর শক্তিশালী সংমিশ্রণ, এটি আপনার মাছ-চিংড়ির খাদ্যের লুকানো পুষ্টি (শর্করা, চর্বি, আমিষ, ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, অ্যামিনো অ্যাসিড) ভাঙতে ও শোষণ করতে সাহায্য করে। ফলে খাদ্যে থাকা ক্ষতিকর উপাদানের (এন্টি-নিউট্রিশনাল ফ্যাক্টর) প্রভাব কমে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে এবং পরিবেশ দূষণ কমে।
মূল সুবিধাসমূহ:
পুষ্টি শোষণ বৃদ্ধি:
খাদ্যের হজম ক্ষমতা বাড়িয়ে পুষ্টি গ্রহণ নিশ্চিত করে।
শক্তি ও ফসফরাস বৃদ্ধি:
খাদ্যের শক্তি (এএমই) বাড়ায় ৯০-১২০ কিলোক্যালরি এবং ফসফরাসের কার্যকারিতা বাড়ায় ০.০৮ শতাংশ।
উৎপাদন খরচ কমায়:
পুষ্টির ব্যবহার ১২-১৫ শতাংশ বাড়িয়ে খাদ্যের অপচয় রোধ করে।
দ্রুত ওজন বৃদ্ধি ও উন্নত এফসিআর:
দেহের ওজন দ্রুত বাড়ায় এবং খাদ্য রূপান্তর অনুপাত (এফসিআর) উন্নত করে।
শক্তিশালী উপাদান:
এতে রয়েছে সেলুলেজ, প্রোটিয়েজ, লাইপেজ-সহ মোট ৯টি এনজাইম এবং প্রোবায়োটিক ব্যাকটেরিয়া (ব্যাসিলাস সাবটিলিস, ল্যাকটোব্যাসিলাস, ইস্ট)। জন সিনার জাস্টিক একশন এর মাধ্যমে জলোজ প্রাণীর হজম ক্ষমতা ও খাদ্য শোষণ প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করে।
ব্যবহারবিধি:
প্রতি কেজি খাদ্যে ০.২৫-০.৫০ গ্রাম হারে মিশিয়ে ব্যবহার করুন।
মৎস্য বিশেষজ্ঞ বা পুষ্টিবিদের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যবহার করা যেতে পারে।
প্যাকেজিং:
৫০০ গ্রাম স্যাচেট ও ২৫ কেজি ব্যাগ।
সংরক্ষণ:
ঠাণ্ডা ও শুষ্ক স্থানে, সরাসরি রোদ থেকে দূরে রাখুন। প্যাকেট খোলার পর সঙ্গে সঙ্গে ব্যবহার করুন।
আপনার অ্যাকোয়া খাদ্যকে আরও কার্যকর করতে আজই উইনজাইম ব্যবহার শুরু করুন!
বেশি পুষ্টি, বেশি লাভ নিশ্চিত করুন।
#মাছচাষ
28/02/2026
রেনু চাষে অভাবনীয় সাফল্য!
সফল মৎস্য চাষি মোহাম্মদ মুমিনুল ইসলাম, আদমদিঘী উপজেলা, বগুড়া, দীর্ঘ ১০ বছর ধরে মাছের রেনু চাষ করছেন।
উইনমার্ক এগ্রোভেট লিমিটেড-এর পণ্য এবং সঠিক পরামর্শে কীভাবে তিনি তার ফলন বাড়িয়েছেন, তা জানতে ভিডিওটি দেখুন। গুণগত মান, উন্নত সেবা ও নতুনত্বের প্রতীক নিয়ে উইনমার্ক এগ্রোভেট লিমিটেড সব সময় আপনাদের পাশে আছে।
#মাছচাষ #রেনুচাষ #সফলমৎস্যচাষি
26/02/2026
নার্সারি/রেনু পুকুর প্রস্তুতি ও সঠিক ব্যবস্থাপনাই সফল মাছ চাষের প্রথম ধাপ।
পুকুর শুকানো, চুন ও সার প্রয়োগ, সঠিক মাত্রায় ওষুধ ব্যবহার, পানি প্রস্তুতি, pH পরীক্ষা এবং রেণু ছাড়ার পর সঠিক খাদ্য ব্যবস্থাপনা—প্রতিটি ধাপ সঠিকভাবে অনুসরণ করলে বেঁচে থাকার হার বাড়ে এবং বৃদ্ধি হয় দ্রুত ও স্বাস্থ্যকর।
রেনু ছাড়ার আগে ও পরে নির্ধারিত নিয়ম মেনে প্রয়োজনীয় উপকরণ ব্যবহার করলে রোগঝুঁকি কমে এবং উৎপাদন হয় অধিক লাভজনক।
সঠিক নির্দেশনা মেনে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে নার্সারি ব্যবস্থাপনা করুন।
বেশি উৎপাদন, বেশি লাভ নিশ্চিত করুন।
শীত পরবর্তী পুকুর ব্যবস্থাপনা: মাছের দ্রুত বৃদ্ধি ও রোগমুক্ত রাখার সম্পূর্ণ গাইড
বাংলাদেশে শীত মৌসুম (ডিসেম্বর–ফেব্রুয়ারি) শেষে পুকুরের পানি ও মাছ—দু’টিই একটি পরিবর্তনকাল অতিক্রম করে। এই সময়টিকে অনেক অভিজ্ঞ খামারি বলেন “রিকভারি পিরিয়ড”।
যদি এই সময়ে সঠিক ব্যবস্থাপনা না করা হয়, তাহলে—
* মাছ হঠাৎ অসুস্থ হয়
* অ্যামোনিয়া ও গ্যাস সমস্যা বাড়ে
* খাবার অপচয় হয়
* উৎপাদন কমে যায়
কিন্তু সঠিক পরিকল্পনা থাকলে—
* বৃদ্ধি ২০–৩০% পর্যন্ত বাড়ানো সম্ভব
* রোগের ঝুঁকি কমে যায়
* FCR উন্নত হয়
* লাভ নিশ্চিত হয়
নিচে ধাপে ধাপে পূর্ণাঙ্গ ব্যবস্থাপনা দেয়া হলো :
১. কেন শীত শেষে সমস্যা বাড়ে?
শীতে পানির তাপমাত্রা কম থাকায়—
মাছ কম খায়
জৈব বর্জ্য তলদেশে জমে
প্ল্যাঙ্কটন কমে যায়
পানির স্তর স্থির থাকে
গরম শুরু হলে এই জমে থাকা জৈব পদার্থ পচে গিয়ে বিষাক্ত গ্যাস তৈরি করে।
২. পানি পরীক্ষা – সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ
* তাপমাত্রা
আদর্শ: ২৫–৩০°সেলসিয়াস।
হঠাৎ তাপমাত্রা বাড়লে মাছ স্ট্রেসে পড়ে।
* pH মাত্রা
আদর্শ: ৭.৫–৮.৫।
pH বেশি হলে অ্যামোনিয়া বিষক্রিয়া বাড়ে।
* দ্রবীভূত অক্সিজেন (DO)
আদর্শ: ৫ মিলিগ্রাম/লিটার বা তার বেশি।
ভোরে সবচেয়ে কম থাকে তাই এয়ারেটর বা অক্সিজেন ট্যাবলেট ব্যবহার করে পর্যাপ্ত অক্সিজেনের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।
* অ্যামোনিয়া (NH₃)
০.০২ মিলিগ্রাম/লিটার এর বেশি হলে বিপদজনক।
করণীয়:
* প্রতি সপ্তাহে পানি পরীক্ষা
* আংশিক পানি পরিবর্তন
* নিয়মিত প্রোবায়োটিক ব্যবহার
* প্রয়োজন হলে চুন প্রয়োগ
️৩. তলদেশ ব্যবস্থাপনা (Bottom Management)
শীত শেষে সবচেয়ে বেশি অবহেলিত বিষয় এটি।
* কাদা বেশি হলে অপসারণ
* আগাছা পরিষ্কার
* স্লাজ রিমুভার ব্যবহার
* চুন প্রয়োগ
মনে রাখবেন:
তলদেশ ভালো না থাকলে পানি কখনোই স্থিতিশীল থাকবে না।
Be the first to know and let us send you an email when Winmark Agrovet Limited posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.
বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে প্রাণী ও মৎস্য সম্পদ খাতের সকল বিভাগ তথা, গবাদি প্রাণী, পোল্ট্রি ও মৎস্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছে দীর্ঘকাল থেকে। যা দেশের গ্রামীণ অর্থনৈতিক উন্নয়নের একটি প্রধান হাতিয়ার। ডিম, দুধ, মাছ এবং মাংস সরবরাহের মাধ্যমে দেশের প্রাণীজ আমিষের ঘাটতি মিটিয়ে গবাদি প্রাণী, পোল্ট্রি ও মৎস্য খাত দেশীয় পুঁজি এবং দেশীয় উদ্যোগে তিলে তিলে গড়ে উঠে বর্তমানে দেশের পুষ্টি চাহিদা মেটানোর ক্ষেত্রে বিরাট ভূমিকা রাখছে।
দেশের গবাদি প্রাণী, পোল্ট্রি ও মৎস্যখাতের উন্নয়নের গর্বিত অংশীদার হিশেবে Winmark Agrovet Limited দীর্ঘদিন যাবত গুণগত মানসম্পন্ন পণ্য, আন্তরিক সেবা ও নিত্য নতুন উদ্ভাবন কল্পে নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছে। আমাদের লক্ষ্য, গবাদিপ্রাণী, পোল্ট্রি ও মৎস্যশিল্পের উন্নয়নে প্রয়োজনীয় পণ্য, সেবা ও কারিগরি সহায়তা প্রধানের মাধ্যমে অধিক উৎপাদন ও নিরাপদ প্রাণীজ আমিষ সরবরাহে অবদান রাখা।
আমরা চাই, আমাদের দেশের গবাদিপ্রাণী, পোল্ট্রি ও মৎস্য শিল্পের সাথে সংশ্লিষ্ট সকলেই যেন মানসম্পন্ন পণ্য, উন্নত সেবা, কারিগরি সহযোগিতা ও উদ্ভাবন কাজে লাগিয়ে এই শিল্পকে দেশের আভ্যন্তরীণ চাহিদা মিটিয়ে আন্তর্জাতিক বাজারে নিজেদের দৃঢ় অবস্থান তৈরির মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে অবদান রাখবেন।
আমাদের সেবা ও পণ্য সমূহ ক্ষেত্র:
১- বায়ো সিকিউরিটি
২- নিউট্রিশন
৩- খাদ্য উপাদাণ
৪- খাদ্যের মাণ সংরক্ষণ
৫- খামার ব্যবস্থাপনা
৬- খাদ্য ব্যবস্থাপনা
৭- গবাদিপ্রাণী, পোল্ট্রি ও মৎস্য খামার সংক্রান্ত সকল সেবা ও পরামর্শ।