ACHARWALA

ACHARWALA স্বাদে বাঙলার ঐতিহ্য

CONTROL apu CONTROL!
22/08/2026

CONTROL apu CONTROL!

কেউ যখন wait বলে ২/৩দিন রিপ্লাই দেয়না।মনচায় জিজ্ঞেস করি, 'আপু ঘুমেশে পড়েছেন?'😒
22/08/2026

কেউ যখন wait বলে ২/৩দিন রিপ্লাই দেয়না।
মনচায় জিজ্ঞেস করি, 'আপু ঘুমেশে পড়েছেন?'😒

আজ যে গরম পড়েছে। বিদ্যুৎ ছাড়াই ঘর এসির মতো ঠাণ্ডা রাখার কিছু কার্যকরী টিপস…✌️✌️১। প্রথমত … See more
22/08/2026

আজ যে গরম পড়েছে।
বিদ্যুৎ ছাড়াই ঘর এসির মতো ঠাণ্ডা রাখার কিছু কার্যকরী টিপস…✌️✌️

১। প্রথমত … See more

মজাই লাগে আমের আচার খাইতে, খিচুড়ি দিয়ে খাওয়ার জন্য নিচ্ছো না কেনো??
22/08/2026

মজাই লাগে আমের আচার খাইতে, খিচুড়ি দিয়ে খাওয়ার জন্য নিচ্ছো না কেনো??

মায়ের বোন মাসি হলে খালার বোন খাসি আর বাবার বোন বাশি নয় কেন??🤔
21/08/2026

মায়ের বোন মাসি হলে খালার বোন খাসি আর বাবার বোন বাশি নয় কেন??🤔

ঘুমানোর আগে একটা কষ্টের কথা বলে যাই, আম পাতাও জোড়া জোড়া।🫩
20/08/2026

ঘুমানোর আগে একটা কষ্টের কথা বলে যাই, আম পাতাও জোড়া জোড়া।🫩

"আমার শাশুড়িকে আমি একটুও সহ্য করতে পারিনা।মহিলা আমার জীবনটা জাহান্নাম বানিয়ে রেখেছে,দুই চোক্ষে দেখতে পারিনা উনাকে। আমি আ...
20/08/2026

"আমার শাশুড়িকে আমি একটুও সহ্য করতে পারিনা।
মহিলা আমার জীবনটা জাহান্নাম বানিয়ে রেখেছে,দুই চোক্ষে দেখতে পারিনা উনাকে।
আমি আর একদিনও উনার সাথে থাকতে পারবো না,তোমরা জেনে শুনে আমার জীবনটা শেষ করে দিয়েছ।"
সামনে বসে থাকা মহিলা গলায় আক্ষেপ ঢেলে বলেন,
"থাক কি আর করবি,বুড়ো মানুষ কবে মরে যাবে তার ঠিক নেই,একটু মানিয়ে নিয়ে থাক।"
এবার মেয়েটার গলার আওয়াজ আরও বেড়ে যায়,
"এই শুনেই তো আট বছর কাটিয়ে দিলাম।
দিন দিন তার অত্যাচার বেড়েই চলেছে।বিয়ের পরই আমাকে বলে,সারা জীবন নিজের হাতে করে খেয়েছি এখন তুমি রান্নাঘরের দায়িত্ব নিবে,সংসারের সব দায়িত্ব তোমার।
আগে যা-ও কুটাবাছা করতো এখন তা-ও করে না।
সারাদিন বিছানায় শুয়ে বসে থাকে আর আমাকে অর্ডার দেয়,আজ এটা করো তো কাল ওটা করো।
আমি কি তার বাড়ির দাসী!
আমিও বলে দিয়েছি আমি এই বাড়ির চাকরানী না যে আপনি আমাকে অর্ডার দিবেন।
আমি নিজে যা করবো তা-ই মেনে নিতে হবে যা খাওয়াবো তাই খেতে হবে।
জানো,গত মাসে তার মেয়ে বেড়াতে এসেছিল আমার সামনে তার গলার দুই ভরীর সোনার হারটা তাকে দিয়ে দিয়েছে,এটা তো আমার প্রাপ্য তাই না!
আমিও সেদিন মেয়ে চলে যাওয়ার পর আর রাতে তাকে খেতে দেয়নি।
রাতে অবশ্য খুটখাট শব্দ শুনেছিলাম হয়তো জল মুড়ি খেয়েছিলো।
আরেক দিন ছেলের সামনে বসে বলে,তার নাকি বাতের ব্যাথা বেড়েছে,ঔষুধ আনতে হবে।
এমনিতেই সংসারের এতো খরচ তার ওপর আবার ঔষুধ আনতে বলে!
আমিও কম যাইনা,মুখের উপর বলে দিয়েছি সারাক্ষণ শুয়ে বসে থাকলে হাতে পায়ে জং ধরে যায়।
আপনি একটু কাজকর্ম করুন তাহলে আর ঔষধের দরকার হবে না।
ছেলে অবশ্য আমার কথায় রাগ করেছিল আমাকে মায়ের সামনেই বলে ওঠে, "আমার মা সারাজীবন এতো কাজ করেছে যে এখন শুধুই
আরাম করবে।আর কখনও এই ব্যাপারে কিছু বলবে না।"
আমি একটা মুখ ভেংচি দিয়ে ওঠে যাই,এসব আদিখ্যেতা দেখতে একটুও ভালো লাগে না।
এই বুড়ি মর*লেই আমার শান্তি!"
"এভাবে বলিস না,আয়ু থাকলে কি আর জোর করে কিছু করতে পারবি?"
"আমার ছেলেটাকেও হাত করে ফেলেছে ওই বুড়ি।ছেলেটা তার আশে পাশেই থাকে।আমাকে বলে ঠাম্মির কাছে থাকলে শান্তি লাগে,মাঝে মাঝে নিজের হাতে খাইয়ে দেয় পর্যন্ত।এসব দেখে আমার রাগে গা জ্বলে যায়।"
এরপর কতোগুলো দীর্ঘশ্বাস একসাথে পরে।
দোলা নামের মেয়েটা শাশুড়ির ওপর বিরক্ত হয়ে কাল বাবার বাড়ি চলে এসেছে।
এখন তার মায়ের সাথে বসে তার দুঃখের বর্ননা করছে।
শাশুড়ি নামের মানুষটা তার সাথে সত্যিই অনেক অন্যায় করেছে।
সে তো আর দোলার নিজের মা না তারপরও কিভাবে ওকে কাজ শেখাতে আসে?
ওর দেরিতে ঘুম থেকে ওঠা নিয়ে কথা শুনাবে?ওর কাজের ভুল ত্রুটি ধরে তা শুধরে নেয়ার কথা বলে?
সারাদিন ওর কাজের কথার ভুল ধরা ছাড়া আর কিছুই করেনা।
ছেলের কানভারী না করলেও দিন শেষে আবদারের ঝুলি খুলে বসে।
দোলার বিয়ে হয়েছে আট বছর,বিয়ের পর থেকেই শাশুড়ির সাথে সমস্যা হয়। অনেক সহ্য করেছে কিন্তু আর পারছে না, তাই তো স্বামীর সাথে ঝগড়া করে ছেলেকে নিয়ে বাপের বাড়ি চলে এসেছে।
এবার একটা হেস্তনেস্ত করেই তবে বাড়ি ফিরবে।
দোলার স্বামী সায়ন মায়ের জন্য আজ হাত পুরিয়ে রান্না করেছে দোলা চলে গেছে কাল কিন্তু সে ফিরে আসার কথা বলেনি এখনো।
কি বলবে,প্রতিদিন এই এক অশান্তি তার আর ভালো লাগে না।
ওর মায়ের আর্থ্রাইটিসের সমস্যা ঠিক মতো চলাফেরা করতে পারেনা।হাত পা কাপে দাঁড়িয়ে থাকতে কষ্ট হয়।আজকাল বিছানায়ই পরে থাকে সারাদিন,যা দরকার হয় একটু দিয়ে যেতে বলে নয়তো হাক ছাড়ে সামনে আসার জন্য।
তবে একটু খিটমিট করে,এই যেমন দোলা কেন সকালে ঘুম থেকে ওঠে না,বর্ণ কেন সময় মতো খাওয়া দাওয়া করে না, কেন সময় মতো পড়তে বসেনা আবার রান্নাটাও মন মতো না হলে একটু রেগে যায়।
দোলার এগুলোই সহ্য হয় না।
মানুষটা সারা জীবন কষ্ট করে সংসার সন্তান আগলে রেখেছে আর আজ সে নিজেই অন্যের বোঝা হয়ে গেছে।অফিস থেকে ফিরলেই দোলা মায়ের নামে হাজার নালিশ করে।মায়ের জন্যই নাকি তার সংসারে যত অশান্তি।
সায়ন এগুলো মেনে নিতে পারেনা আর এতেই যত বিপত্তি,খুব কথা কাটাকাটি হয় দুজনের।
দোলার ধারণা সায়ন মায়ের জন্য তাকে অবহেলা করছে তাই তাকে শাস্তি দিতে চলে গেছে বাড়ি ছেড়ে।
সায়ন দীর্ঘশ্বাস ফেলে মায়ের থালায় ভাত তুলে দেয়।
সায়নের মা মাথা তুলে তাকায় না ছেলের দিকে খুব লজ্জা লাগছে। তার জন্য যে এতো অশান্তি তা সে ঠিকই বুঝতে পারছে কিন্তু তার নিজের মৃ*ত্যু কামনা করা ছাড়া আর কিছুই করার নেই।
তবে আজ সায়ন একটা ঠিক সিদ্ধান্ত নেয়।
মায়ের জন্য একজন লোক ঠিক করে পরের দিন,যে চব্বিশ ঘণ্টা মায়ের পাশে থাকবে তাকে সময় দেবে আবার তার জন্য আলাদা রান্নাও করবে।
দোলার কিছুই করতে হবে না,এবার নিশ্চয়ই দোলা আর আপত্তি করতে পারবে না বাড়ি ফিরে আসার।
দোলার ব্যবহারে বিরক্ত সায়ন চাইলেও কিছু করতে পারেনা কারণ তার একমাত্র ছেলে বর্ণ।
বর্ণ টা ঠাম্মির প্রাণ এই দুই দিন নাতিকে না দেখে মায়ের মুখটা অমাবস্যা রাতের আকাশের মতো হয়ে আছে তাই এই সিদ্ধান্ত।
সংসারে শান্তি চাইলে এমন অনেক কিছুই করতে হয় ভেবেই সায়ন সব কিছু মেনে আর মানিয়ে নিয়েছে
কিন্তু আজকাল হাপিয়ে যায়।
দু'দিন পর দোলা বাড়ি ফিরে আসে,শাশুড়ির ঘরে উঁকি দিয়ে দেখে মিনতি নামের একটা মেয়ে বসে বসে মোবাইল দেখছে আর শাশুড়ি মা বিছানায় শুয়ে টিভি দেখছে।
মিনতি তার আর শাশুড়ির জন্য রান্না করে তাদের ঘরে নিয়ে যায়,শাশুড়ির গলা শোনা যায় না। বর্ণ উনার ঘরে বেশি যেতে পারেনা কারণ ওর পড়াশোনা শুরু হয়ে গেছে।তারপরও এক দুবার উনার কাছে গিয়ে গল্প করে আসে।
সংসারে অশান্তি টা কিছুটা কমে আসে।
এভাবেই যায় আরও দুই বছর।
শাশুড়ি মায়ের শেষ সময়েও দোলা বেশি একটা খেয়াল রাখেনি,মিনতি
মেয়েটাই যত্ন করতো আর সায়ন অফিস থেকে ফিরে খেয়াল রাখতো।
দোলা অবশ্য সেই সময় তার জন্য টুকটাক রান্না করে দিতো আর সময় মতো ঔষুধ দিয়ে যেতো।
এর বেশি সে করতে পারেনি হয়তো ইচ্ছেও হয়নি।
কারণ মন থেকে মানুষটাকে সে পছন্দ করতো না মানুষটা শুধু তার ভুল ধরে সবার সামনে তাকে অপমান করতো।
আড়ালে অন্যের কাছে তার দোষের ফিরিস্তি তুলে ধরতো।
দোলা অবশ্য সব মুখ বুজে মেনে নেয়নি,সে উত্তর দিতো নয়তো এড়িয়ে যেতো।
তাই উনি চলে যাওয়ার পর মন খারাপের জায়গায় স্বস্তিটাই বেশি হয়েছে। যাক দোলার জীবনের অশান্তির অবসান ঘটে।
দোলা একটা কাজে আজ ব্যাংকে এসেছে।
কাউন্টারে বেশ ভীড় তাই অপেক্ষা করতে হবে তাই সে টোকেন নিয়ে সামনে থাকা চেয়ারে বসেছে তার পাশে বসেছে আরও দুইজন মেয়ে,দুজনেই বিবাহিত নিজেদের সংসারের টুকটাক গল্প করছে, মাঝে মাঝে দোলার দিকেও তাকাচ্ছে।
দোলার ভালোই লাগছে ওদের সাথে কথা বলতে।
একজনের নাম নীলা অন্যজনের নাম বর্ষা।
"আমার শাশুড়ি আমাকে খুব জ্বালায়,আমি বিরক্ত উনার ব্যবহারে।
সারাক্ষণ আমার পেছনে লেগেই আছে,শুধু আমার ভুল ধরে আর অন্যের সামনে নিন্দা করে সামান্য বিষয় নিয়ে কথা শোনায়"
নীলার কথা শুনে দোলার মনটা ভারাক্রান্ত হয়ে ওঠে এটা যে তারও মনের কথা।
বর্ষা কিছু বলে না,সে চুপচাপ বসে সব শুনে।
নীলা আবার বলে,"দুদিন পর পর এটা লাগবে সেটা লাগবে বলে বায়না জুড়ে দেয়।
আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি কিছুদিনের মধ্যে আলাদা হয়ে যাবো।একসাথে থাকলেই অশান্তি হয় তার থেকে দূরে থাকলেই মঙ্গল।"
দোলা নিজেও এই দিনগুলোর মধ্য দিয়ে গিয়েছে তাই নীলার কথার সাথে একমত প্রকাশ করে।
বর্ষা এবার একটু মুচকি হাসে।
"আসলে শাশুড়ি নামের মানুষ গুলো কখনোই আপন হয় না,এটা জানা কথা কিন্তু আসল কথা হলো আমরা তাদের আপন ভাবতেই পারিনা।আমাদের সমাজই আমাদের এটা শিখিয়েছে।
শাশুড়ি মানেই অলিখিত প্রতিদ্বন্দ্বী,সে আছেই শুধু অশান্তি করার জন্য এই ধারণার বাইরে আমরা যেতেই পারিনা।
তবে আমি অবশ্য এই ধারণার সাথে একমত না।
আমারও শাশুড়ি আছে, তার সাথে যে আমার সব কিছুতেই মতের মিল আছে এমন কিন্তু নয় কিন্তু আমি মানিয়ে নেয়ায় বিশ্বাসী।
একটু মেনে নিলে বা মানিয়ে নিলে যদি দিন শেষে ভালো থাকা যায় তবে ক্ষতি কি?"
"আচ্ছা,
বাপের বাড়িতে থাকতে মা যদি বকা দেয় তাহলে কি মা'কে ছেড়ে দেয়ার কথা ভাবতে পারতেন?
কিন্তু এই মা'কে ছেড়ে যাওয়ার কথা ঠিকই বলা যায়।
শাশুড়ি তো আমাদের নিজের মা না
তারপরও নিজের মায়ের সাথে তার তুলনা করা হয় যে মানুষটা আমাদের জন্ম দেয় সে আমাদের সুক্ষ্ণভাবে জানবে এটাই স্বাভাবিক
তারপরও দুজনকে তুলনা করা কি ঠিক?
নিজের মা কাজের ভুল শুধরিয়ে দিলে সেটা শিক্ষা আর এই মা ভুল ধরিয়ে দিলে সেটা অন্যায়!
যে মহিলা আমাদের হাতে তাদের তিল তিল করে তৈরি করা সংসার তুলে দেয় তাদের একটু কথা আমাদের সহ্য হয়না এটা একটু অদ্ভুত না!
আমি অবশ্য বলছি না সবাই ভালো হয়,কিছু কিছু শাশুড়ির ব্যাবহার সত্যিই খুব খারাপ হয়,তারা নিজের তিক্ত অভিজ্ঞতা থেকেই হোক বা স্বভাবগত দিক থেকেই হোক ছেলের বউয়ের সাথে খারাপ ব্যবহার করেই যায়।
তাদের অসুস্থ ধারণায় পরিবর্তন করা সম্ভব না কিন্তু চাইলে৷ কিন্তু নিজের ধারণার পরিবর্তন করা যায়।
নিজেকে দিয়েই ভেবে দেখুন,যখন মেয়ে হিসেবে বাবার বাড়ি ছিলেন বাবার কাছে মন খুলে আবদার করা যেতো,বিয়ের পর স্বামীর কাছে সব চাওয়া যায় কিন্তু স্বামীর পর সন্তানই তো একমাত্র আশ্রয়।
তার কাছে কেন কোনো আবদার করা যাবে না?
সবাই বলে বয়স হলে মানুষ ছোট বাচ্চার মতো হয়ে যায়,নিজের বাচ্চার সখ পূরণ করতে পারলে সেই মানুষটার সখ পূরণ করতে এতো কার্পণ্য কিসের?
ঘড়ির কাটা ঢং ঢং করে জানান দেয় সময় এখন বারোটা বর্ষার টোকেন নম্বর চলে এসেছে সে উঠতে যাওয়ার আগে বলে,
"আমি যদি ভুল কিছু বলে থাকি আমাকে ক্ষমা করবেন,আসলে নিজের জীবনের অভিজ্ঞতা থেকেই বললাম।আমার আর শাশুড়ির মধ্যে একটু মনোমালিন্য হলেও দিন শেষে মানুষটা আমার সবচেয়ে বড় ভরসার জায়গা।নিজের মায়ের পর তো বাকি জীবন এই মানুষটার সঙ্গেই থাকতে হচ্ছে তাই আপন না করলে কিভাবে হবে বলুন।
আসলে সে আমাদের সংসারে বোঝা বা ঝামেলা না আমরাই তার সংসারের উটকো সদস্য।
ভালো থাকবেন,আমার কথায় কষ্ট পাবেন না প্লিজ।
দোলা মাথা নাড়িয়ে তাকে বিদায় জানায়।
নীলা মুখে কিছু বলে না কিন্তু বর্ষার হাতটা ধরে কৃতজ্ঞতা জানাতে ভুলে না।
হয়তো কোনো কিছু অনুধাবন করতে পেরেছে।
ঘড়ির কাটা এখন নয়টার ঘরে দোলা ঘরের জানালার দাঁড়িয়ে আকাশের দিকে তাকিয়ে আছে,বাকিরা এখনো বসার ঘরে আড্ডা দিচ্ছে নয়তো টিভি দেখছে।
দোলার বয়স প্রায় ষাট ছুইছুই,বর্ণ এখন একটা মস্ত চাকরি করে।
সায়ন পরপারের বাসিন্দা হয়েছে অনেক বছর হলো।
ও বলা হয়নি দোলা এখন একটা বৃদ্ধাশ্রমে থাকে যদিও এটাকে হোম বলা হয়!
দোলা এখানে এসেছে প্রায় নয় মাস হতে চললো।
বাড়ির জন্য মন খারাপ হয় মাঝে মাঝে,বাড়ি বলতে আছে শুধু বর্ণ আর তার স্ত্রী পর্ণা আর তাদের ছোট্ট ছানা রুদ্র।
ছয় বছর বয়স ওর,রুদ্রর মা বাবা দুজনেই চাকরি করে তাই ছোট থেকেই দোলা ওকে কোলে পিঠে করে মানুষ করেছে।ছেলেটার তার জন্য খুব টান বর্ণ ওর খবর না নিলেও সে ঠিকই ফোন করে। এর মধ্যে দুইবার এসে দেখা করে গেছে।
সত্যিই ঠাকুমার প্রতি নাতি নাতনিদের আলাদা মায়া থাকে, যেমনটা বর্ণর ছিলো তার ঠাকুমার প্রতি!
বর্ণ যেদিন প্রথম ওকে এখানে আসার কথা বলেছিল খুব কষ্ট হয়েছিল সেদিন।
"মা আমরা তো সারাদিন বাড়ি থাকিনা তোমাকে খালি বাড়িতে রেখে যেতে হয়।তোমার তো বয়স হয়েছে এর জন্য খুব চিন্তা হয় তোমাকে নিয়ে।
রুদ্র তো এখন স্কুলে যায় তারপর ওর কোচিং, ড্রইং ক্লাস, স্পোকেন ক্লাস সব করে ফিরতে ফিরতে বিকেল হয়ে যায় তোমাকে আর ওর তেমন দরকার নেই।
এতো টা সময় একা থাকতে তোমার নিশ্চয়ই খারাপ লাগে তাই সিদ্ধান্ত নিয়েছি তোমাকে হোমে রেখে আসবো।
ছুটির দিন আমরা যাবো নয়তো তুমি আসবে আমার আর কোনো চিন্তা থাকবে না।"
পর্ণা দরজার আড়াল থেকে সব দেখছে মুখে চিন্তার ছাপ।
পর্ণা আধুনিক শিক্ষিত মেয়ে শাশুড়ি নামক ঝামেলা তার পছন্দ না কিন্তু ছোট বাচ্চার জন্য কষ্ট করে মানিয়ে নিয়েছিল কিন্তু এখন প্রয়োজন শেষ তাই হয়তো এই সিদ্ধান্ত।
দোলা মাথা নাড়িয়ে ছেলের কথায় সম্মতি দিয়েছিল সেদিন।কিন্তু নিজের হাতে গড়া সংসার ফেলে আসতে খুব কষ্ট হয়েছিল।তবুও মুখে কিছু বলতে পারেনি।
এই হোমটা খুব সুন্দর পরিপাটি ওর বয়সী বেশ কয়েকজন আছে তাই মন খারাপ লাগাটা খুব বেশি সময় থাকেনা।
কাল রুদ্রর জন্মদিন সকালে সে যাবে ছেলের ফ্ল্যাটে নাতিকে দেখতে।তাইতো আজ ব্যাংকে গিয়েছিল টাকা তুলতে।
রাতে বাইরে বড় করে জন্মদিনের পার্টি হবে কিন্তু সেখানে সে যাবে না তাই সকালেই ঘুরে আসবে।
আজ জীবনের একটা হিসেব খুব মেলাতে ইচ্ছে করছে,তার জীবনে যদি ত্রিশ বছর আগে বর্ষার মতো কেউ আসতো তাহলে কি তার জীবনটা অন্য রকম হতো?
"কর্মফল" শব্দটা মাথায় ঘুরে ফিরে আসছে।সে অন্য একজনের শেষবেলায় যেমন ভুমিকা পালন করেছে আজ তার ক্ষেত্রেও কি একই রকম হচ্ছে?
দোলা একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে চোখের জল মুছে নেয়।
ঘরের অন্য সদস্যরা চলে এসেছে, এবার তো হাসি খুশি থাকার অভিনয় করতে হবে!
©প্রমা মজুমদার*

বৃহস্পতিবারের রাত থেকে শুক্রবার জুম্মার আগ পর্যন্ত  সূরা আল-কাহফ তিলাওয়াত করে জুমার দিনের সুন্নত আদায় করি। মহান আল্লাহ আ...
20/08/2026

বৃহস্পতিবারের রাত থেকে শুক্রবার জুম্মার আগ পর্যন্ত সূরা আল-কাহফ তিলাওয়াত করে জুমার দিনের সুন্নত আদায় করি। মহান আল্লাহ আমাদের সবাইকে দাজ্জালের ফিতনা থেকে হেফাজত করুন। আমীন। ❤️

❤️‍🔥ফ্রী হোমডেলিভারি ❤️‍🔥বরই আচার(২৫০)-২৫৭৳পাচমিশালী আচার(২৫০)-২৫৭৳তেতুল আচার)২৫০)-২৫৭৳আমের আচার((২৫০)-২৮২৳মোট ১০৫৩৳+ডেল...
20/08/2026

❤️‍🔥ফ্রী হোমডেলিভারি ❤️‍🔥
বরই আচার(২৫০)-২৫৭৳
পাচমিশালী আচার(২৫০)-২৫৭৳
তেতুল আচার)২৫০)-২৫৭৳
আমের আচার((২৫০)-২৮২৳
মোট ১০৫৩৳+ডেলিভারি চার্জ
আফটার ডিস্কাউন্ট ৮৮০৳+ফ্রী হোমডেলিভারি

19/08/2026

🎉 নতুন অফার অ্যালার্ট! 🎉
আচার প্রেমীদের জন্য আচার ওয়ালা নিয়ে এলো দারুণ সুখবর। আমাদের ৩টি জনপ্রিয় আচার (প্রতিটি ২৫০ গ্রাম) এখন পাচ্ছেন বিশেষ মূল্যে:
🍏 পাঁচমিশালী আচার
🫒 জলপাই আচার
🍒 বড়ই আচার
💥 টোটাল প্যাকেজ + ডেলিভারি চার্জসহ সব মিলিয়ে এখন মাত্র ৭০০ টাকা!
🚛 একদম ফ্রি হোম ডেলিভারি-তে অর্ডার পৌঁছাবে আপনার দরজায়।
খাঁটি ও হাইজেনিক উপায়ে তৈরি আচারের স্বাদ নিতে এখনই আমাদের মেসেজ করুন।

Address

House: 19, Road: 05, Block: B, Banasree
Dhaka
1219

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ACHARWALA posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to ACHARWALA:

Shortcuts

Share

Category