19/12/2025
ওসমান হাদী—একটি নাম, একটি প্রশ্ন, একটি জাতীয় দায়।
"🔴 উসমান হাদির মস্তক বিদীর্ণ করা বুলেট বাংলার স্বাধীনতার বুক বিদীর্ণ করে দিল্লি পৌঁছে গিয়েছে"
ওসমান হাদীর মৃত্যু কোনো সাধারণ ঘটনা নয়। এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও মতপ্রকাশের অধিকারকে কেন্দ্র করে চলমান সংঘাতের এক নির্মম বহিঃপ্রকাশ। যে দেশে ভিন্নমত বললেই জীবন অনিরাপদ হয়ে ওঠে, সে দেশে শুধু একজন মানুষ নয়—লাল-সবুজের পতাকার মর্যাদাই আঘাতপ্রাপ্ত হয়।
হাদী ছিলেন সেই কণ্ঠস্বর, যে কণ্ঠ বাংলাদেশের স্বাধীন সিদ্ধান্ত গ্রহণের অধিকারের পক্ষে কথা বলেছিল; যে কণ্ঠ ভারতীয় আধিপত্যবাদ ও তার প্রভাববলয়ের বিরুদ্ধে প্রশ্ন তুলেছিল। আর ইতিহাস বলে—পরাশক্তির আধিপত্য যখন দেশীয় রাজনীতির ভেতরে শিকড় গাড়ে, তখন প্রথম আঘাত আসে সত্যভাষীদের ওপর।
আজ বাংলাদেশের রাজনীতি, গণমাধ্যম ও বুদ্ধিবৃত্তিক পরিসরে একটি অস্বস্তিকর বাস্তবতা দৃশ্যমান—
এই রাষ্ট্র কি নিজের জনগণের স্বার্থে কথা বলতে পারছে, নাকি প্রতিবেশী পরাশক্তির কৌশলগত চাপে নীরব হচ্ছে?
হাদীর কণ্ঠ এই প্রশ্নটাই তুলেছিল।
হাদি বলেছিলো দেশপ্রেমিক প্রতিটি নাগরিকের কণ্ঠে ।
হাদি জুলাইয়ের জহির রায়হান।
ভারতীয় আধিপত্যবাদ শুধু সীমান্ত বা কূটনীতির বিষয় নয়—এটি কাজ করে
দেশীয় ক্ষমতাকেন্দ্রের ওপর প্রভাবের মাধ্যমে,
স্বাধীন মতকে “চরমপন্থা” ট্যাগ দিয়ে দমন করার সংস্কৃতির মাধ্যমে,
ইতিহাস ও মুক্তিযুদ্ধের ভাষ্যকে একচেটিয়া করে ভিন্নমতকে অস্বীকার করার মাধ্যমে।
ওসমান হাদীর মৃত্যু তাই একজন ব্যক্তির মৃত্যু নয়—এটি বাংলাদেশের সার্বভৌম রাজনৈতিক কণ্ঠের ওপর আঘাত।
তাঁর মস্তক বিদীর্ণ গুলি বাংলার বুক বিদীর্ণ করে সীমান্ত পার হয়ে দিল্লি পৌছে গেছে।
ভারতীয় আধিপত্যবাদের ন্যারেটিভ তৈরির সকল কলকব্জা এখনি মি শি য়ে দিতে হবে। প্র থ ম আলু , ডেইলি স্টার জয় বাংলা করে দিতে হবে।
#জুলাই আমাদের দেখিয়েছে—কোনো শক্তিই অপরাজেয় নয়, যদি তরুণদের মনে ন্যায়বোধ থাকে, কণ্ঠে যুক্তি থাকে, আর পথে থাকে গণতান্ত্রিক ও প্রতিরোধ। ভয় দেখিয়ে, পরাশক্তির ছায়া টেনে এনে একটি জাতিকে চিরকাল দাবিয়ে রাখা যায় না—ইতিহাস বারবার সেটাই প্রমাণ করেছে।
আমরা প্রতিশোধ নয় চাই স্বাধীনতা। স্বাধীন স্বার্বভৌম মাটির
নিরাপত্তা। ভারতীয় আধিপত্যবাদের বীজ মুক্ত করতে চাই এদেশের মাটি কে। তবেই হাদিরা বীজ থেকে মহিরুহ হয়ে ফিরে আসবে যমুনার পলি মাটির