21/06/2026
দুপুরের খাবারে এলাহী কারবার।
কাচ্চি ভাই
কাচ্চি, পোলাও, রোস্ট,গরুর রেজালা, মালাই শরবত খাবারগুলো খেয়ে খুবই ভালো লেগেছে তবে তাদের বোরহানিগুলো কাছে খুব একটা যুৎসই নাহ,মানে টেস্টের দিক থেকে চলে নাহ। মানে কাচ্চি খাওয়ার পর হজম হওয়ার জন্য এটা যতোটা আকর্ষণীয় হওয়া উচিত ছিলো কিন্তু এক চুমুক দেওয়ার পর আর মন টানে নাহ।এই দিকটাতে তাদের আরো মনযোগ দেওয়া দরকার। একই অবস্থা বোধহয় সুলতান ডাইন এর বেলায় ও খাটে। এসব রেস্টুরেন্টে ইদানিং এক বিড়ম্বনার নাম "কোল্ড ড্রিংস নেই, আমাদের লাচ্ছি, বাদাম শরবত, জাফরানি শরবত,লেমনেড ট্টাই করে দেখতে পারেন"জোর করে খাওয়াবে বা বাধ্যহয়ে নিতে হবে অবস্থা। যদিও খাওয়া না খাওয়া একান্তই আপনার বিষয়।তবে পয়সা দিয়ে খেয়ে খাওয়ারপর ভালো খারাপ লাগার ব্যাপারটা বলবো না তা তো হয় নাহ,কিছু কিছু রেস্টুরেন্ট কিন্তু আগ বাড়িয়ে জানতেও চায় সব কিছু ঠিকঠাক আছে কি না বা টেস্ট ঠিকঠাক আছে কি না, সব রেস্টুরেন্টে অবশ্য জানতে চায় নাহ। কিছু কিছু ভালো রেস্টুরেন্টে ফিডব্যাক সিস্টেম খুবই ভালো, এবং তারা বোধয় ফলোও করে।কাচ্চি ভাইয়ের ওয়ারী শাখায় খাওয়ার পর তেমনটা পেয়েছিলাম ,তারা জিগ্যেস ও করেছিলো। বাকিগুলো হয়তো ভীড়ের কারণে এসব নিয়ে মাথা ঘামায় নাহ।ভালো রেস্টুরেন্টে ফিসব্যাক সিস্টেম কাস্টমারের মনে বিশ্বাস স্থাপন করতে সহায়তা করে, কাস্টমার আস্বস্ত হয়।
#রেস্টুরেন্ট
#বোরহানি #লাচ্ছি