NutriBee

NutriBee "Welcome to NutriBee – Your Destination for Healthful Delights 🌱🍯🌰

28/10/2023

সজনে পাতার উপকারিতা ও খাওয়ার নিয়ম

পরিণত বয়সী বাংলাদেশিদের মধ্যে সজনের ডাটা বা সজনে শাক খাননি, এমন মানুষের সংখ্যা অনেক বেশি হবে না। মৌসুমে পাতে নিয়মিতই সজনে রাখেন অনেকে, কিন্তু তাদের সবাই কি জানেন সজনে কতটা উপকারী? কীভাবে খেতে হয় সেটিও হয়তো জানা নেই অনেকের।সজনে পাতা খাওয়ার নানাবিধ উপকারিতা এবং সেটি কীভাবে খেতে হয়, তা জানিয়েছেন কোয়ান্টাম হার্ট ক্লাবের কোঅর্ডিনেটর ডা. মনিরুজ্জামান, যেটি তার ভাষায় পাঠকদের সামনে তুলে ধরা হলো।

‘অলৌকিক পাতা’

আজকে আমরা এ সময়ের একটি সুপারফুড নিয়ে আলোচনা করব, যেটি বলা যেতে পারে এ সময়ের আলোড়ন সৃষ্টিকারী একটি গবেষণা। সেটি হচ্ছে সজনে পাতা; সুপারফুড সজনে পাতা।

সজনে পাতার নাম তো আমরা ছোটকাল থেকেই শুনেছি। সজনে খেতে খেতে বড় হয়েছি। সজনে পাতার ভর্তা খেয়েছি, শাক খেয়েছি। এ আবার এমন কিছু কী? এর মধ্যে নতুনত্ব কী আছে, যেটা নিয়ে আলোচনা হতে পারে?

আসলে সজনে পাতাকে এখন বলা হচ্ছে অলৌকিক পাতা। বিজ্ঞানীরা সজনে পাতাকে বলছেন অলৌকিক পাতা। কেন? এত কিছু থাকতে সজনে পাতাকে অলৌকিক পাতা বলা হচ্ছে কেন? সজনে পাতার যে ফুড ভ্যালু (খাদ্যমান), এর নিউট্রিশন (পুষ্টি), এর কনটেন্ট যেকোনো মানুষকে বিস্মিত করবে। সে কারণেই বিজ্ঞানীরা এখন বলছেন যে, এ সময়ের একটি অলৌকিক পাতা হচ্ছে সজনে পাতা।

কী আছে সজনে পাতায়

সজনে পাতায় আমিষ আছে ২৭ শতাংশ। অর্থাৎ এক কেজি সজনে পাতা যদি আপনি খান, তাহলে এর ২৭ শতাংশ, মানে কত? ২৭০ গ্রাম হচ্ছে আমিষ। ৩৮ শতাংশ হচ্ছে শর্করা (কার্বোহাইড্রেট)। ২ শতাংশ হচ্ছে ফ্যাট। ১৯ শতাংশ হচ্ছে ফাইবার বা আঁশ।

আমরা জানি যে, এখন ফাইবার বা আঁশকে খাদ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ কম্পোনেন্ট হিসেবে চিহ্নিত করা হচ্ছে। আঁশ কোনো ঐচ্ছিক খাবার নয় যে, ইচ্ছা হলে খেলাম; ইচ্ছা না হলে খেলাম না।

ইট ইজ অ্যা ম্যান্ডাটোরি কম্পোনেন্ট (এটা আবশ্যিক উপাদান)। প্রত্যেক দিন আপনার খাদ্যতালিকায় যেন পর্যাপ্ত আঁশ থাকে এবং সেই সজনে পাতায় আঁশ আছে ১৯ শতাংশ।

অ্যামাইনো অ্যাসিডের উৎস

সজনে পাতায় অ্যাসেনশিয়াল অ্যামাইনো অ্যাসিড আছে আটটি। ভিটামিন ‘এ’ এবং ভিটামিন ‘সি’ আছে। রয়েছে প্রচুর পরিমাণ ক্যালসিয়াম। ম্যাগনেসিয়াম, পটাশিয়াম, জিংক, আয়রন এবং অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট। এতগুলো নিউট্রিয়েন্ট থাকার কারণে বিজ্ঞানীরা বলছেন যে, সজনে পাতা একটি অলৌকিক পাতা।

দুধের প্রায় সমান পুষ্টি

এটি (সজনে পাতা) যদি তুলনা করেন কোনো খাবারের সাথে, তাহলে আমরা সবচেয়ে জনপ্রিয় একটি খাবারের সাথে তুলনা করতে পারি। সেটি হচ্ছে গরুর দুধ। বিজ্ঞানীরা বলছেন, গরুর দুধের পুষ্টি এবং সজনে পাতার পুষ্টি অলমোস্ট কাছাকাছি।

আমরা উপমহাদেশে বা বাংলাদেশে গরুর দুধ কেন খাই, কিসের জন্য খাই? মূলত কী লক্ষ্যে খাই? গরুর দুধ আমরা খাই মূলত ক্যালসিয়ামের জন্য, প্রোটিনের জন্য, আমিষের জন্য। গরুর দুধ খেয়ে আমরা বলি, এটা একটা সুষম খাবার।

গরুর দুধ এবং সজনে পাতার মধ্যে পুষ্টিগত কোনো পার্থক্য নাই। গরুর দুধে যা আছে, সজনে পাতাতেও তা আছে। যে লক্ষ্যে আমরা মূলত গরুর দুধ খাই, সে পর্যাপ্ত ক্যালসিয়াম আছে সজনে পাতায়। পর্যাপ্ত আমিষও আছে।

ঔষধি গুণ

সজনে পাতার কিছু ঔষধি গুণ আছে এবং ঔষধি গুণের কারণে আর্থ্রাইটিস নিরাময়ে এটি দারুণ কার্যকর। ইতোমধ্যেই আমরা এক্সপেরিমেন্ট করেছি। যাদের হাঁটু ব্যথা আছে, সজনে পাতার জুস খান। সজনে পাতার ভর্তা খান অথবা গুঁড়া খান। ছয় মাস খান। দেখেন আপনার আর্থ্রাইটিসের কী অবস্থা হয়।

শরীরকে ডিটক্সিফাই করতে সাহায্য করে সজনে পাতা। আমরা জানি যে, আমাদের শরীরে ৭০ থেকে ১০০ ট্রিলিয়ন সেল বা কোষ আছে। প্রত্যেকটা কোষের ভেতরে লক্ষাধিক রিঅ্যাকশন হয় প্রত্যেক দিন; প্রতি মুহূর্তে এবং এই লক্ষাধিক ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া, বিক্রিয়া হতে গিয়ে ভয়াবহ কিছু টক্সিন, কিছু বিষাণু, কিছু ক্ষতিকর পদার্থ সেলের ভেতরে তৈরি হয়। এগুলোকে আমরা বলি বর্জ্য পদার্থ, টক্সিন, ফ্রি রেডিক্যাল। এগুলো যদি সেলের ভেতরে থেকে যায়, আপনি কোনো দিন সুস্থ থাকতে পারবেন না। কেউ আপনাকে সুস্থ করতে পারবেন না।

এই বর্জ্য পদার্থকে বের করার জন্য আপনি সজনে পাতা খেতে পারেন। এটা দারুণ একটা ডিটক্স হিসেবে কাজ করতে পারে। আপনার শরীরকে ডিটক্সিফাই করবে এবং আপনারা এখন জানেন, আমরা সবাই জানি, বিশ্বব্যাপী এই ডিটক্স প্রোগ্রামগুলো দারুণ জনপ্রিয়তা পেয়েছে।

সাত দিন, ১৫ দিন আপনি একটা বিশেষ প্রোগ্রাম ফলো করবেন, বিশেষ খাবার খাবেন, আপনার শরীরে জমানো বর্জ্য পদার্থগুলো বেরিয়ে যাবে। তো সজনে পাতা সেই কাজটা করতে আপনাকে সাহায্য করবে। আপনার ভেতরের বর্জ্য পদার্থগুলো বের করে দেবে।

সজনে পাতা কীভাবে খাবেন

আমরা মনে করি যে, ফুল সিজনে সবচেয়ে উত্তম উপায় হচ্ছে এটিকে আপনি জুস করে খাবেন। কিছু সজনে পাতা নিন। ভালো করে পরিষ্কার করে নিয়ে এটাকে ব্লেন্ডারে নিন। কিছু পানি যোগ করে টেস্টের জন্য কিছু আদা, কিছু জিরা, একটু বিট লবণ দিতে পারেন। ভালো করে ব্লেন্ড করেন। এরপর ছেঁকে নিন। ছেঁকে নিয়ে খাওয়ার সময় একটু মধু দিয়ে খেয়ে নিন। পৃথিবীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ জুসটি আপনার খাওয়া হয়ে গেল।

যদি আপনার জুস বানাতে ঝামেলা হয় অথবা সব দিন যদি জুস খেতে না পারেন, ভর্তা খান, তবে এটা কাঁচা হলে বেস্ট। যখন আপনি সিদ্ধ করলেন, এই যে নানাবিধ যে উপাদানগুলো আছে, এটি নষ্ট হয়ে যেতে থাকবে। সে জন্য কাঁচা পাতা ভালো করে বেটে নিয়ে এটাকে টেস্টি করার জন্য যা যা লাগে…সেখানে আপনি রসুন দেন, আদা দেন, মরিচ দেন, পেঁয়াজ দেন, যা যা দিলে টেস্টি হয়, দেন। তারপর আপনি খান। সিজনে।

অফ সিজনে গুঁড়া। সজনে পাতাকে আপনি সিজনে ভালো করে রোদে শুকান। শুকানোর পর এটাকে ক্রাশ করে ফেলেন। ছয় মাস এটা চমৎকার থাকবে এবং এক থেকে দুই চা চামচ সজনে পাতা যথেষ্ট আপনার পুষ্টির জন্য। তাই আমরা বলব যে, নিজের দেশের এই অ্যাভেইলেবল এই পাতাটিকে অবহেলা করবেন না।

আজ না হলে কাল থেকে শুরু করুন। অফ সিজনে আপনি গুঁড়ো সংগ্রহ করুন। প্রতিদিন এক চামচ সকালে, এক চামচ রাত্রে। ছয় মাস পর আপনি আপনার স্ট্রেংথ, আপনার কর্মক্ষমতা দেখে নিজেই বিস্মিত হবেন।

মরিঙ্গা অথবা সহজন যার বৈজ্ঞানিক নাম হল মরিঙ্গা অলিফেরা। এটি খুব সম্ভব যে আপনিও তার সবজি খেয়েছেন। যেমন এটা খেতে সুস্বাদু তেমনি এতে পুষ্টির ভালো পরিমাণও রয়েছে। সহজনেবিটা ক্যারোটিন, অ্যামিনো অ্যাসিড এবং আরও বিভিন্ন প্রকারের ফেনলিক পাওয়া যায়। মরিঙ্গার ছাল গোন্ড তৈরির জন্যএবং তার ফুলগুলি ভেষজ টনিক হিসাবে ব্যবহার করা হয়। মরিঙ্গার পুরো গাছ ঔষধি ব্যবহারের জন্য ব্যবহৃত হয়। সাহান প্রধানত আফগানিস্তান, উপ-হিমালয় অঞ্চলে, বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তানে পাওয়া যায়।

মরিঙ্গার সুবিধা এবং অসুবিধাগুলি নিম্নলিখিত।

ত্বক চকচকে করতে
মরিঙ্গার শুঁটি থেকে তৈরি সবজি বা তার বীজের তেল ত্বকে লাগালে ত্বক সবসময় চকচকে করে। কারণ এটায় প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ পাওয়া যায়। ভিটামিন এ চামড়া সৌন্দর্য বজায় রাখায় একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। মরিঙ্গা সেবন করলে শুষ্ক ত্বকও ফুটে ওঠে। শুধু তাই নয়, মরিঙ্গা আপনার মুখের ব্রণ নির্মূল করে এবং আপনার ত্বক পরিষ্কার করে তোলে।

শুক্রাণুর সংখ্যা বৃদ্ধি
মরিঙ্গার ফলের সাহায্যে শুক্রাণুর সংখ্যা এবং মান উন্নত করা যায়। মরিঙ্গা মাসিকের সময় নারীর শরীরের অনেক সমস্যাও দূর করে। সহজন খেলে মহিলাদের গর্ভাবস্থার সময় অনেক সমস্যাও দূর হয়। পুরুষদের শুক্রাণু সংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে তাদের বীর্য ঘনীভূত করার সহায়ক সহজন।

শিশুদের জন্য
শিশুদের স্বাস্থ্যের জন্যও মরিঙ্গাগ্রহণের গুরুত্বপূর্ণ বিবেচনা করা হয়। আপনাকে বলি যে মরিঙ্গায় ক্যালসিয়াম, লোহা, ম্যাগনেসিয়াম এবং ফসফরাস ইত্যাদি সব অনেক পরিমাণ পাওয়া যায়। শিশুদের দেহে ক্যালসিয়াম হাড় ও দাঁত তৈরির সহায়ক। যদিও গর্ভবতী মহিলাদের মরিঙ্গা সেবন করান হয় তাহলে তাদের সন্তানদের শরীরও ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ হয়ে ওঠে। মরিঙ্গায় পাওয়া সব উপাদানগুলো একটি শিশুর সুস্থ শরীর পালনে একটি সহায়ক ভূমিকা পালন করে।

মাথা ব্যথার চিকিৎসা
এছাড়াও আপনি মাথা ব্যথায় বিরক্ত হলে সহজনের ব্যবহারের দ্বারা পরিত্রাণ পেতে পারেন। মরিঙ্গা পাতার পেস্ট তৈরি করে ক্ষতে লাগাতে পারেন। মাথা ব্যথায় এর সুবিধা গ্রহণ করতে মরিঙ্গার সবজি বানিয়ে খেতে পারেন। আপনি চাইলে সহজনের পাতা পিষে এটাকে হালকা গরম করে মাথায় লেপেও এর সুবিধা উপভোগ করতে পারেন। তাছাড়া, এর বীজ পিষে এর গন্ধ শুঁকলেও মাথা ব্যথা দূর হতে পারে। সহজনের বীজের পাউডারও মাথাব্যথা দূর করতে ব্যবহৃত হয়।

উচ্চ রক্তচাপ
উচ্চ রক্তচাপ থেকে ভুগতে থাকা ব্যক্তিরা মরিঙ্গার সাহায্যে পরিত্রাণ পেতে পারে। ওদের সহজনের পাতাগুলির রস বের করে ওটার একটি ডিকোশন তৈরি করে সেবন করলে সেটা পরিত্রাণ সরবরাহ করতে পারে। এছাড়া, এই সহজন আপনাকে বমিভাব, বমি করা ইত্যাদি সমস্যা থেকে রক্ষা করে।

পাচক সমস্যা নিষ্পত্তি
মরিঙ্গার ব্যবহার হজম, ডায়রিয়া, কোলাইটিস ইত্যাদি পচন সম্পর্কিত সমস্যাগুলি দূর করতেও করা হয়। একটি চামচ মরিঙ্গার তাজা পাতার রস এক চা চামচ মধুতে নারকেলের জল মিশিয়ে পান করলে পাচক সম্পর্কিত সমস্ত সমস্যা থেকে আপনি ত্রাণ পাবেন। আপনি যদি চান, আপনি তার শুঁটিরসবজি তৈরি করেও খেতে পারেন। এটিও আপনাকে কোষ্ঠকাঠিন্য ইত্যাদি সমস্যা থেকে পরিত্রাণ দেবে। শুধু এই নয়, সহজন কিডনি এবং মূত্রাশয়ের সমস্যায় ভোগা রোগীদেরও খাওয়ানো যেতে পারে। পোলিও-এর ক্ষেত্রেও এর সুবিধেগুলিও দেখা যায়।

মরিঙ্গার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

গর্ভাবস্থায় গর্ভবতী মহিলাদের মরিঙ্গার পাতা, শিকড়, ছাল এবং ফুল এড়িয়ে চলা উচিত।
সংবেদনশীল পেটের মানুষদের এর সবজি খাওয়া এড়াতে হবে।
গর্ভ ধারনের কয়েক সপ্তাহ পরেই এর ব্যবহার করা উচিত।
মাসিকের সময়ের মরিঙ্গার ব্যবহার পিত্তকে বাড়িয়ে তোলে। তাই এই সময়ের এটির ব্যবহার এড়াতে হবে।
যাদের রক্তক্ষরণ ব্যাধি আছে তাদের এটা গ্রহণ করা চলবে না।

সজিনা পাতার গুড়া নিতে যোগাযোগ করুন 01401-437555

💫 ১০০% প্রিমিয়াম কোয়ালিটির সজনে গুড়া এবং সম্পূর্ণ ধুলাবালি মুক্ত। ☘️☘️ সজনে পাতার উপকারিতাঃ  🌿 ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ ...
10/10/2023

💫 ১০০% প্রিমিয়াম কোয়ালিটির সজনে গুড়া এবং সম্পূর্ণ ধুলাবালি মুক্ত।

☘️☘️ সজনে পাতার উপকারিতাঃ

🌿 ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করে।
🌿 নিয়মিত সজিনা পাতা খেলে মুখে রুচি বাড়ে।
🌿 শরীরে কোলেস্টেরল এর মাত্রা নিয়ন্ত্রণেও অন্যতম অবদান রাখে।
🌿 লিভার ও কিডনি সুস্থ রাখতে সহায়তা করে।
🌿 রক্ত চাপ নিয়ন্ত্রণে থাকবে।
🌿 শরীরে বয়সের ছাপ সহজে পরে না।
🌿 রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
🌿 ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখে।
🌿 জ্বর,কাশি ও ঠান্ডা জনিত সমস্যা দূর করে।
🌿 এসিডিটি বা গ্যাস্ট্রিক নিয়ন্ত্রণে রাখে।
🌿 কোষ্ঠকাঠিন্য সমস্যা দূর করে।
🌿 চুল পড়া বন্ধ করে,চুলের যত্নে ব্যবহার করতে পারেন।
🌿 হাড় ও দাঁতের সুরক্ষায় ভূমিকা রাখে।
🌿 আর্সেনিক পয়জনিং কমায়।
🌿 রাতকানা রোগ প্রতিরোধ করে।
🌿 প্রোটিনের ঘাটতি পূরণ করে।
🌿 ৩০০+ রোগের ঔষধ হিসাবে কাজ করে।

মাত্র ৯০০ টাকায় সজিনা পাতার গুড়া, মধু ও পিঙ্ক সল্টের ১ কেজির সুপার কম্বো প্যাকেজ।

অর্ডার করতে কল করুন 01401-437555 , মেসেজে করুন, অথবা এখনই ইনবক্স করুন।
🚛 ২৪ থেকে ৭২ ঘণ্টায় আমরা সারা বাংলাদেশে হোম ডেলিভারি দিয়ে থাকি।।

যা যা পাবেন প্যাকেজটিতেঃ
✌প্যাকেজঃ ১
মূল্যঃ ৯০০ টাকা
সজিনা পাতার গুড়া ৫০০ গ্রাম
সরিষা ফুলের মধু ৫০০ গ্রাম
পিঙ্ক সল্ট ১২৫ গ্রাম
✌প্যাকেজঃ ২
মূল্যঃ ১৭০০ টাকা
সজিনা পাতার গুড়া ১ কেজি
সরিষা ফুলের মধু ১ কেজি
পিঙ্ক সল্ট ৫০০ গ্রাম
এছাড়াও আমাদের কাছে পাবেন,
চিয়া সীড ১ কেজি ৬০০ টাকা
সজনে পাতা গুড়া ২৫০ গ্রাম ২০০ টাকা
প্রিমিয়াম হানি নাটস ৯০০ গ্রাম ১২০০ টাকা

#সজিনা_পাতার_গুড়া #মধু #সীড #চিয়াসিডমিক্সড #চিয়াফুড
#মধু
অনলাইন কেনাকাটা একদম ট্রান্সপারেন্ট,
ক্যাশ ওন ডেলিভারি,
১০০% রিটার্নএবল।

অর্ডার করতে এখনই ম্যাসেজ করুন, কমেন্ট করুন অথবা কল করুন WhatsApp 01401-437555

সুস্থ থাকতে যেসব উপদেশ দেয় ইসলামরোগ-ব্যাধিমুক্ত জীবন মহান আল্লাহর এক মহা নেয়ামত। হাদিসে পাকে সুস্বাস্থ্য ও সুস্থতাকে মর্...
18/08/2023

সুস্থ থাকতে যেসব উপদেশ দেয় ইসলাম

রোগ-ব্যাধিমুক্ত জীবন মহান আল্লাহর এক মহা নেয়ামত। হাদিসে পাকে সুস্বাস্থ্য ও সুস্থতাকে মর্যাদা দেয়ার কথা বলেছেন বিশ্বনবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। মহমারি করোনার এ সময়ে সুস্বাস্থ্য ও সুস্থ থাকার জন্য ইসলামের আলোকে জীবনযাপন করা জরুরি। একটি সুন্দর এবং সুস্থ জীবন গড়ে তুলতে ইসলামের ১১টি উপদেশ তুলে ধরা হলো-

১. রোগ-ব্যাধির অন্যতম কারণ হচ্ছে খাদ্য-পানীয়। এ জন্য অতিভোজন ও স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর খাদ্য থেকে বিরত থাকা। হাদিসের এসেছে, ‘সব রোগের কেন্দ্রস্থল পেট।’

২. খাবার গ্রহণে মধ্যম পন্থা অবলম্বন করা। হাদিসে এসেছে, ‘পেটের এক তৃতীয়াংশ খাদ্য দ্বারা, এক তৃতীয়াংশ পানীয় এবং এক তৃতীয়াংশ শ্বাস-প্রশ্বাসের জন্য খালি রাখবে।’ (ইবনে মাজাহ)

৩. খাদ্যদ্রব্য সব ঢেকে রাখা ও যা কিছু পান করা হয় তাতে ফুঁ দিতে নিষেধ করেছেন বিশ্বনবি। কারণ এতে রোগ-ব্যাধি সৃষ্টি হতে পারে। হাদিসে এসেছে, ‘সাবধান! তোমরা (পানি পান করার সময়) পানিতে ফুঁ দেবে না।’ (তিরমিজি)

৪. খাওয়ার আগে ও পরে উভয় হাত ভালোভাবে ধোয়ার মাধ্যমে হাতকে জীবাণুমুক্ত করার জোর নির্দেশ দিয়েছে ইসলাম। এটি বিশ্বনবির সুন্নাত। কারণ হাতে বিষাক্ত জীবাণু থাকার কারণে রোগ সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।

৫. শরীরকে সুস্থ, সবল ও সতেজ রাখতে খেলাধুলা, ব্যায়াম ও সাঁতারের প্রতি উৎসাহিত করা। নিয়মিত কায়িক পরিশ্রম ও বিশ্রাম সুস্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত জরুরি। নিয়মিত নামাজ যেমন সুস্থ শরীরের জন্য উপকারি তেমনি রোজা ও হজ মানুষের সুস্বাস্থ্যের জন্য সহায়ক।

৬. রোগমুক্ত থাকতে অলসতা ত্যাগ করা। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন-

اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ الْهَمِّ وَالْحَزَنِ وَالْعَجْزِ وَالْكَسَلِ وَالْبُخْلِ وَالْجُبْنِ وَأضَلَعَ الدَّيْنِ وَ غَلَبَةِ الرِّجَالِ

উচ্চারণ : আল্লাহুম্মা ইন্নি আউজুবিকা মিনাল হাম্মি ওয়াল হাযানি, ওয়াল আঝযি ওয়াল কাসালি, ওয়াল বুখলি ওয়াল জুবনি, ওয়া দালাইদ্দাইনি ওয়া গালাবাতির রিজাল।’

অর্থ : হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করছি চিন্তা-ভাবনা, অপারগতা, অলসতা, কৃপণতা এবং কাপুরুষতা থেকে। অধিক ঋণ থেকে এবং দুষ্টু লোকের প্রাধান্য থেকে।’ (বুখারি, নাসাঈ)

৭. মানসিক উৎকণ্ঠা ও অস্থিরতার পরিবর্তে মানসিক ও দৈহিক সুস্থতা রোগমুক্ত থাকার পূর্বশর্ত। কারণ মানসিক প্রশান্তি ও উৎফল্লতা দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। তাই ইসলাম মনসিক ও শারীরিক সুস্বাস্থ্যের প্রতি লক্ষ্য রেখে বৈবাহিক জীবন ব্যবস্থার প্রতি খুব গুরুত্ব দিয়েছে।

৮. ইবাদাত-বন্দেগি, নামাজ-রোজা ও জিকির-আজকারের দ্বারাও মানসিক প্রশান্তি লাভ করা যায়। যাতে মানুষ রোগমুক্ত জীবন লাভ করতে পারে। আল্লাহ বলেন-

الَّذِينَ آمَنُواْ وَتَطْمَئِنُّ قُلُوبُهُم بِذِكْرِ اللّهِ أَلاَ بِذِكْرِ اللّهِ تَطْمَئِنُّ الْقُلُوبُ

‘যারা ঈমানদার এবং তাদের অন্তর আল্লাহর জিকির দ্বারা প্রশান্তি পায়; জেনে রাখ, আল্লাহর জিকির দ্বারাই অন্তরসমূহ প্রশান্তি পায়।’ (সুরা রাদ : আয়াত ২৮)

৯. পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতাও রোগমুক্ত থাকার অন্যতম উপায়। হাদিসে এসেছে, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ঈমানের অঙ্গ। এ কারণেই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা মহামারি করোনায় ঘন ঘন সাবান-পানি দিয়ে উভয় হাত ধোয়ার কথা বলেছেন। হাত না ধুয়ে খাওয়া ও নাক-মুখ ও চোখে হাত দিতে নিষেধ করেছেন। এটি সুন্নাতের দিকনির্দেশনাও বটে।

১০. পরিবেশ দূষণ রোধ করা। পরিবেশ দুষনের মাধ্যমে রোগ-ব্যধি মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়ে। হাদিসে এসেছে, ‘তোমরা বাড়ির আঙ্গিনা সব দিকে থেকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখবে। ইয়াহুদিদের অনুকরণ করবে না। তারা বাড়িতে আবর্জনা জমা করে রাখে। (তিরমিজি)

১১. স্যানেটারি ব্যবস্থার উন্নয়ন করা। কারণ মল-মূত্র ত্যাগের কারণে রোগ-ব্যাধি অসম্ভবভাবে ছড়িয়ে পড়ে। তাই পরিবেশ দূষণকারীদের অভিশপ্ত হিসেবে উল্লেখ করেছেন। হাদিস এসেছে, ‘তোমরা তিন অভিশপ্ত ব্যক্তি থেকে বেঁচে থাক, যে পানির ঘাটে, রাস্তার ওপর ও গাছের ছায়ায় মলমূত্র ত্যাগ করে।’ (আবু দাউদ)

সর্বোপরি সকল প্রকার মাদক-দ্রব্য বর্জন এবং নেশাগ্রস্ত জীবন পরিহার করাই হচ্ছে সুস্থতা লাভের অন্যতম উপায়। এ কারণে আল্লাহ তাআলা নেশা ও মাদককে হারাম করেছেন।

আল্লাহ তাআলা উপরোক্ত কাজগুলো নিয়ম মোতাবেক সঠিকভাবে সম্পাদন করার তাওফিক দান করুন। সুস্থ দেহ ও সুন্দর মন লাভ করে রোগমুক্ত জীবন-যাপন করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

🍊 এপ্রিকট!🔥ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রনে ও সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে পুষ্টিকর ফল এপ্রিকট বা খুবানি🔥এপ্রিকট (Apricot), বাংলায় একে খুবানি...
18/08/2023

🍊 এপ্রিকট!

🔥ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রনে ও সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে পুষ্টিকর ফল এপ্রিকট বা খুবানি🔥

এপ্রিকট (Apricot), বাংলায় একে খুবানি বলা হয়। হলদে-কমলা রংয়ের এই ফলটি দেখতে যেমন সুন্দর তেমন উচ্চ পুষ্টিমান সম্পন্ন। এটি প্রধানত চীনে উৎপন্ন হত। বর্তমানে অ্যামেরিকাতে এর বিস্তৃতি ব্যাপক।
এপ্রিকট মিষ্টি কিছুটা ফল টকমিষ্টি ও সুস্বাদু হয়ে থাকে। এতে ক্যালরি ও ফ্যাট এর পরিমান কম হলেও এতে প্রচুর পরিমানে রয়েছে ভিটামিন এ এবং সি। এতে আরো পাওয়া যাবে প্রোটিন,ফাইবার,পটাসিয়াম,ভিটামিন ই এর মত পুষ্টি উপাদান। আসুন গোলাকার ছোট এই পুষ্টিকর ফলটির স্বাস্থ্য উপকারিতা জেনে নেয়া যাক।

✅এপ্রিকট (Apricot) এর উপকারিতা: এপ্রিকট ফলের উপকারিতা

👉রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করেঃ
ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়মিত রাখা জরুরি। সেজন্য প্রয়োজন খাবার নির্বাচনের সময় এমন খাবার বেছে নেয়া যা আপনার দেহে শক্তি যোগাবে সাথে সাথে শর্করা লেভেলও থাকবে ঠিক।
এপ্রিকটে ফাইবার রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করে। এতে কার্বস ও ক্যালরির পরিমান কম হওয়ায় ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য উপযোগী।

👉দৃষ্টি ক্ষমতা বাড়ায়ঃ
বর্তমানে শিশু থেকে শুরু করে বৃদ্ধ সকলের চোখে চশমা। গুটিকতক মানুষ ফ্যাশন হিসেবে ব্যবহার করলেও অধিকাংশই দৃষ্টিজনিত সমস্যায় ভুগছেন। এর কারন প্রতিদিনের খাদ্যে করোটিনয়েডস ও ভিটামিন এ এর মত উপাদানের অভাব। আরো পড়ুন: তিসি বীজের ১০ টি বিশেষ উপকারিতা যার জন্য আমাদের প্রতিদিন খাওয়া উচিৎ এপ্রিকটে বিদ্যমান করোটিনয়েডস ও জেন্থফিল বয়সের সাথে সম্পর্কিত চক্ষু রোগ প্রতিরোধে কাজ করে। আবার এর ভিটামিন এ চোখের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করে।

👉হজম শক্তি বৃদ্ধি করেঃ
সমসময় স্বাস্থ্যকর খাবার নিশ্চিত করা বাঙালির জন্য কঠিন। তাই প্রায়শই পরতে হয় হজমজনিত সমস্যায়। নিয়মিত এপ্রিকট আপনাকে এহেন সমস্যা থেকে পরিত্রাণ দিবে। এর উচ্চ ফাইবার আপনার হজমে সহায়তা করবে। সেই সাথে কোষ্ঠকাঠিন্য ও পেটের ফাঁপা ভাব দূর করবে।

👉লিভার সুরক্ষা নিশ্চিত করেঃ
মানবদেহের দ্বিতীয় বৃহৎ অঙ্গ লিভার। লিভারে অতিরিক্ত ফ্যাট লিভার প্রদাহের কারন হতে পারে। যার ফলবসত লিভার ডেমেজ হতে পারে।
এপ্রিকট ফ্যাটি লিভার রোগ হতে রক্ষা করে। এছাড়াও লিভার রিজেনারেশনও প্রভাবিত করে।

👉এপ্রিকট (Apricot) ওজন কমাতে সাহায্য করেঃ
অতিরিক্ত ওজন বয়ে আনে নানা শারীরিক ব্যাধি। স্থুলতার সমস্যায় ভোগা ব্যক্তিদের মধ্যে মানসিক চাপ বা হতাশার প্রবনতাও দেখা যায়। তাই সুস্বাস্থ্য হোক বা মানসিক প্রশান্তি দুয়ের জন্যই প্রয়োজন ওজন হ্রাস করা।
এপ্রিকট খেলে দীর্ঘক্ষণ পেট পরিপূর্ণ থাকে। ফলে ক্ষুধার প্রবনতা কমে আসে যা আপনার ওজন হ্রাসের যাত্রাকে আরো সহজ করে দেয়।

👉অ্যানিমিয়া বা রক্ত স্বল্পতাঃ
এপ্রিকটে মজুত আয়রন রক্তস্বল্পতা প্রতিরোধ করে। আয়রন হিমোগ্লোবিন উৎপাদনকে প্রভাবিত করে এবং রক্তের কোয়ালিটি বৃদ্ধি করে।

👉হাড়ের গঠনে সাহায্য করেঃ
বয়স বৃদ্ধির সাথে সাথে হাড় ক্ষয়ের প্রভাব দেখা যায়। জয়েন্টে সমস্যা তো লেগেই থাকে। এর কারন মূলত ক্যালসিয়ামের অভাব। এপ্রিকট ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ। হাড়ে ক্যালসিয়াম সঠিক শোষণে সহায়তা করে পটাসিয়াম। এপ্রিকটে পাওয়া যাবে এই পুষ্টি উপাদানটিও। এটি আপনার হাড়ের কাঠামো শক্তিশালী করবে এবং হাড় ক্ষয় রোধ করবে।

👉শ্বাসযন্ত্রের সুরক্ষাঃ
অ্যাজমা বা হাঁপানির মত শ্বসনতন্ত্রের রোগে অনেকেই ভুগে থাকেন। এরসাথে ঠান্ডা বা ফ্লু এর মত সমস্যা তো আছেই। এক গবেষণায় দেখা যায়, ফ্লাভিনয়েড হাঁপানি সমস্যা সমাধান করতে পারে। এপ্রিকটে উপস্থিত ভিটামিন ই অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টের মতো কাজ করে এবং ফ্রি র‌্যাডিকেলের বিরুদ্ধে লড়াই করে। এই প্রক্রিয়াটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং ঠান্ডা এবং ফ্লুর মতো সমস্যাগুলি প্রতিরোধ করে। আবার এপ্রিকটের বিটা ক্যারোটিন জ্বরের চিকিৎসা করতে সহায়তা করে।

👉গর্ভকালীন পুষ্টিচাহিদা পূরণেঃ
গর্ভকালীন সময়ে মা ও শিশুর সুস্থ্যতার জন্য বাড়ে যায় পুষ্টিচাহিদা। তাই এ সময়ে প্রয়োজন পুষ্টিকর খাদ্য গ্রহন।এপ্রিকট একটি উচ্চ পুষ্টিসম্পন্ন ফল। গর্ভকালীন সময়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দুটি উপাদান হল কপার ও আয়রন। যা মিলবে সুস্বাদু এই এপ্রিকটে।

👉ত্বকের পরিচর্যায়ঃ
পারিপার্শ্বিক বিভিন্ন কারনে প্রতিনিয়ত আমাদের ত্বকের ক্ষতি হচ্ছে। আল্ট্রাভায়োলেট রশ্মির বিকিরন, সানবার্ন, মেলানিনের অপর্যাপ্ততা ইত্যাদি স্কিন ক্যান্সারের মত মারাত্মক রোগের জন্ম দিতে পারে। তবে ভয়ের কিছু নেই। সঠিক খাদ্যাভাসের মাধ্যমে এহেন সমস্যা থেকে পরিত্রাণ মেলা সম্ভব। এন্টিঅক্সিডেন্টপূর্ণ আহার আপনার ত্বকের সুরক্ষা প্রদান করতে সক্ষম। এপ্রিকটে আছে ভিটামিন ই ও সি,যা সুস্থ ত্বকের জন্য প্রয়োজনীয়। ভিটামিন সি ত্বকের ইউভি প্রদাহ কমায় এবং অন্যান্য ক্ষতি হ্রাস করে।

এছাড়াও ভিটামিন ত্বকে কেলাজেন উৎপন্ন করতে সাহায্য করে। আরো আছে বিটা ক্যারোটিন, আাপনার ত্বকের রোদে পোড়া ভাব দূর করবে। Apricot এপ্রিকট এর উপকারিতা / এপ্রিকট ফলের উপকারিতা কথা বলে শেষ কারা যাবে না। অভূতপূর্ব এই ফলটি আপনার ডায়েটে সংযুক্ত করে গ্রহন করুন এর অসাধারণ সব উপকারিতা।

কেন খাবেন এপ্রিকট??

✅ ক্যান্সার প্রতিরোধ করে।
✅কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।
✅হার্ট এটাক এর ঝুকি কমায়।
✅ অতিরিক্ত ওজন কমাতে বিশেষ কার্যকরী।
✅চোখের দৃষ্টিশক্তি বাড়ায় ও ছানি পড়া রোধ করে।
✅এতে রয়েছে ভিটামিন এ, সি ও ই যা গর্ভবতী নারীদের জন্য অত্যন্ত উপকারী।
✅ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায়।
✅চুল পড়া বন্ধ করে ও চুলের উজ্জ্বলতাবারায়

অর্ডার করতে যোগাযোগ করতে পারেন।
01401-437555

At NutriBee, we're buzzing with excitement to bring you a delectable array of nature's finest offerings! 🐝🌼🍏🍯 Dive into ...
06/08/2023

At NutriBee, we're buzzing with excitement to bring you a delectable array of nature's finest offerings! 🐝🌼🍏

🍯 Dive into the Golden Goodness: Immerse yourself in the world of pure, unadulterated honey. Our honey collection is sourced from the heart of blossoming meadows, where bees work their magic to create liquid gold that's brimming with nutrients and irresistible flavor.

🌰 Nourish with Nature's Bounty: Indulge in the crunch and goodness of nutrient-packed nuts. From heart-healthy almonds to energy-boosting walnuts, we offer a variety that's sure to delight your taste buds and keep you on the path to wellness.

🌱 Healthful Eats, Wholesome Treats: Discover a range of handpicked, healthful delights that perfectly balance taste and nutrition. Whether you're a health enthusiast, a fitness fanatic, or just someone who appreciates nourishing goodness, NutriBee has something special in store for you.

🌼 Bee-come a Part of Our Hive: Join our community of wellness warriors and food lovers who are committed to making mindful choices. We're here to inspire, educate, and support you on your journey to a healthier, happier you.

Stay tuned for exciting updates, delicious recipes, and insightful tips to elevate your wellness game. Let's embark on a flavorful adventure together – where taste meets nourishment, and well-being blooms like a beautiful meadow. 🌸🌿

Like our page to stay connected, and let the buzz of NutriBee infuse your life with vitality and delight! 🐝🌟 "

Address

Tongi Bazar, Tongi
Gazipur
1710

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when NutriBee posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share