BD Organic Food Mart

BD Organic Food Mart We are a specialized organization for formulating, manufacturing and marketing 100% organic functiona

আমাদের গাজীপুরে সাধারণত রোজার ঈদ এবং কুরবানী ঈদের দিন পিঠা খাওয়া কে উৎসব এর অংশ মনে করা হয়।  আমাদের গাজীপুরের পরিভাষায...
06/06/2022

আমাদের গাজীপুরে সাধারণত রোজার ঈদ এবং কুরবানী ঈদের দিন পিঠা খাওয়া কে উৎসব এর অংশ মনে করা হয়।
আমাদের গাজীপুরের পরিভাষায় যাকে বলা হয়
#ফুল_পিঠা (নকশি পিঠা)
আপনাদের জন্য
আপনাদের চাহিদার ভিত্তিতে ফুল পিঠা তৈরি করব বলে সংকল্প করেছি।
প্রিঅর্ডার অনুযায়ী আপনাদের জন্য নিজে বসে থেকে তৈরি করব ইনশাল্লাহ।
আমার পিঠার বৈশিষ্ট্য হবে
১. সাইজে বড়
২. নরম
৩. খুবই সুস্বাদু
৪. ১ নাম্বার চাল এবং তেল ব্যাবহার করা হবে
৫. পরিচ্ছন্ন ভাবে নিজস্ব তত্ত্বাবধায়নে তৈরি করা হবে..

প্রি অর্ডারের জন্য ইনবক্সে যোগাযোগ করুন..
অথবাঃ 01968254071
শিরা দিয়ে ৩০ টাকা পার পিস।শিরা ছাড়া ২৫টাকা পার পিস।

14/04/2022

👉নিজেকে যেভাবে ব্যক্তিত্ববান হিসেবে প্রকাশ করতে হয়ে:
▪︎১. আগে সালাম দিন।

▪︎২. তামাসার ছলেও মিথ্যা বলবেন না।

▪︎৩. শুনুন বেশি, বলুন কম।

▪︎৪. হাসিমুখে কথা বলুন।

▪︎৫. কথা দিলে কথা রাখার চেষ্টা করুন।

▪︎৬. ভুল হলে বিনয়ের সাথে 'সরি' বলুন।

▪︎৭. অকারণে হাসবেন না।

▪︎৮. আগে অন্যের কথা শুনুন, পরে নিজে বলুন।

▪︎৯. বুঝিয়ে ধীরে ধীরে কথা বলুন।

▪︎১০. অজানা বিষয় নিয়ে তর্কে জড়াবেন না।

▪︎১১. কারো কাছে নিজের শ্রেষ্টত্ব প্রকাশ করবেন না।

▪︎১২. রাগ নিয়ন্ত্রণে রাখুন।

▪︎১৩. কেউ ভুল করলে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখুন।

▪︎১৪. ছোট বড় সবাইকে সম্মান করুন।

▪︎১৫. পোশাকে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখুন।

▪︎১৬. খাওয়ান, জোর করে খাবেন না।

▪︎১৭. খাবার সামনে এলে আগে অন্যকে দিন।

▪︎১৮. শরীর সবসময় দুর্গন্ধমুক্ত রাখুন।

▪︎১৯. চরিত্র সুন্দর রাখুন।

▪︎২০. নিজেকে সবসময় ছোট ভাবুন, ব্যবহারে নম্রতা দেখান।

আতাফলস্বাদে অনন্য আতাফলের গুনের শেষ নেই। এতে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন-সি  এরমতো এন্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। এছাড়া কেলসিয়াম,ম্যাগ...
10/04/2022

আতাফল

স্বাদে অনন্য আতাফলের গুনের শেষ নেই। এতে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন-সি এরমতো এন্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। এছাড়া কেলসিয়াম,ম্যাগনেশিয়াম,আয়রন ও পটাসিয়ামের ভালো উপাদান রয়েছে।

বাইরে শক্ত আবরণ থাকলেও ভিতরের শাস অনেক নরম ও রসালো। এতে প্রচুর পরিমাণ ক্যালরি ও প্রাকৃতিক চিনি রয়েছে।

প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন-এ থাকায় আতাফল ত্বক,চুল ও চোখের জন্য অনেক উপকারী। এটি ত্বকের আদ্রতা বজায় রাখে,তারুন্য ধরে রাখে।আতাফলের খোসা দাঁতের স্বাস্থ্য ধরে রাখতে সাহায্য করে।

আতাফলের বৈশিষ্ট্যঃ

১.গর্ভাবস্থায় আতাফল খেলে শিশুর মস্তিষ্কের উর্বরতা বৃদ্ধি পায়।
২.শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।
৩.নিয়মিত এই ফল খেলে গর্ভপাতের আশঙ্কা কমে যায়। সেই সাথে মরনীং সিকনেস কমায়। এছাড়াও নিয়মিত এটি খেলে মায়ের বুকেও পর্যাপ্ত দুধ তৈরী হয়।
৪.ভিটামিন-বি৬ থাকায় আতাফলএজমা প্রতিরোধে সাহায্য করে।
৫.উচ্চ পরিমানে কপার ও ফাইবার থাকার কারণে আতাফল হজমশক্তি বাড়ায়,কোষ্ঠকাঠিন্য কমায়।
৬.পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিমের ভালো উপাদান থাকায় উচ্চরক্তচাপ কমায়।
৭.প্রচুর পরিমাণে আয়রন থাকায় আতাফল রক্তশূন্যতা দূর করতে সাহায্য করে।

01/04/2022

আমাদের কাছে যেসকল দেশি এবং সামুদ্রিক মাছ পাওয়া যাবে।

1 shing, magur taki pabda
2 Hilsha
3 shrimp / chingri head less/head on
4 sholl
5 Boyal
6 Air

Seafish

7 kural
8 tuna
9 surma rakat / king fish chapa surma
10 sea baila
11 puya
12 laitta
13 Suri
14 makaral/aila
15 Ritha
16 crab squit
17 royal Salmon Norway
18 basa fish fillet bone leass
শুধু মাএ ঢাকার ভিতর হোম ডেলিভারি দেওয়া হবে।

অনেকেই ঘি পছন্দ করেন ও অনেক কাজেই ঘি ব্যবহার করা হয় তবে ঘি এর ৫ টি বিস্ময়কর গুণ আছে তা হয়তো অনেকে জানেন না। আসুন আমরা দে...
01/04/2022

অনেকেই ঘি পছন্দ করেন ও অনেক কাজেই ঘি ব্যবহার করা হয় তবে ঘি এর ৫ টি বিস্ময়কর গুণ আছে তা হয়তো অনেকে জানেন না। আসুন আমরা দেখে নেই সেটা :

১. ত্বকের শুষ্কতা দূর করে এবং ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখে।

২. ঘি তে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন এ, তাই এটি চোখের জন্য ভালো। গ্লুকোমা রোগীদের জন্য অনেক উপকারী।

৩. নিয়মিত ঘি খেলে যে হরমোন নিঃসরণ হয়, এতে শরীরের সন্ধিগুলো ভালো থাকে।

৪. ঘি অ্যান্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ খাবার তাই অন্য খাবার থেকে ভিটামিন ও খনিজ শোষণ করে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।

৫. পোড়া ক্ষত সারাতে কাজ পুরোনো ঘি ম্যাজিকের মত কাজ করে। আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে মতে ঘি খেলে মস্তিষ্কের ধার বৃদ্ধিপায় ও স্মৃতিশক্তি বাড়ে।

01/04/2022

আবূ সালামাহ্‌ ইব্‌নু আবদুর রাহমান (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

তিনি ‘আয়িশা (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করেন, রমযান মাসে আল্লাহ্‌র রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সালাত কেমন ছিল? তিনি বললেন, আল্লাহ্‌র রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রমযান মাসে এবং অন্যান্য সময় (রাতে) এগার রাক’আতের অধিক সালাত আদায় করতেন না। তিনি চার রাক’আত সালাত আদায় করতেন। তুমি সেই সালাতের সৌন্দর্য ও দীর্ঘতা সম্পর্কে আমাকে প্রশ্ন করো না। তারপর চার রাক’আত সালাত আদায় করতেন, এর সৌন্দর্য ও দীর্ঘতা সম্পর্কে আমাকে প্রশ্ন করো না। অতঃপর তিনি তিন রাক’আত (বিত্‌র) সালাত আদায় করতেন। ‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, (একদা) আমি জিজ্ঞেস করলাম, হে আল্লাহ্‌র রাসূল! আপনি কি বিত্‌রের পূর্বে ঘুমিয়ে থাকেন? তিনি ইরশাদ করলেনঃ আমার চোখ দু’টি ঘুমায়, কিন্তু আমার হৃদয় ঘুমায় না।


সহিহ বুখারী, হাদিস নং ১১৪৭

সামুদ্রিক মাছের পুষ্টি এবং উপকারিতা সামুদ্রিক মাছে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড, ভিটামিন এ এবং ভিটামিন ডি থাকে যা অনেক জটিল রো...
31/03/2022

সামুদ্রিক মাছের পুষ্টি এবং উপকারিতা

সামুদ্রিক মাছে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড, ভিটামিন এ এবং ভিটামিন ডি থাকে যা অনেক জটিল রোগ থেকে আমাদেরকে রক্ষা করে থাকে। সামুদ্রিক মাছের আরেকটি স্বাস্থ্যকর দিক হল এটি খুবি কম-ক্যালোরি যুক্ত খাবার। প্রজাতি ভেদে সামুদ্রিক মাছের স্বাদ ভিন্ন হয় কিন্তু পুষ্টিগুণে সব সামুদ্রিক মাছই অনন্য। সামুদ্রিক মাছের গুনাগুণের শেষ নেই। ইলিশ, কোরাল, রূপচাঁদা, বাইলা, চিংড়ি, ফোঁপা, লইট্টা ও লাইখ্যা সহ প্রভৃতি মাছে আছে প্রচুর মিনারেল ও ভিটামিন।

সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে,সামুদ্রিক মাছ হার্ট-এটাক, স্ট্রোক এবং উচ্চ-রক্তচাপের ঝুঁকি কমায়। শিশু-কিশোরদের মানসিক ও শারীরিক গঠনে বেশ ভূমিকা পালন করে।বাংলাদেশ জার্নালের আজকের আয়োজনে থাকছে সামুদ্রিক মাছের পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা সর্ম্পকে গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য।

হৃদরোগ প্রতিরোধ করে

সামুদ্রিক মাছে রয়েছে ওমেগা-৩ নামক ফ্যাটি এসিড যা হৃদযন্ত্রের জন্য উপকারী। এই ফ্যাটি এসিড হৃদরোগ প্রতিরোধে ভূমিকা রাখে।

কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে

বেশিরভাগ সামুদ্রিক মাছে ভিটামিন এ ও ডি থাকে, যা কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে। তাই হৃদরোগে আক্রান্ত ও ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য সামুদ্রিক মাছ উপকারী।

মস্তিকের ক্ষমতা বৃদ্ধি করে

নিউরোলজিস্টদের মতে শরীরে ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিডের মাত্রা বাড়তে থাকলে ব্রেনের বিশেষ কিছু অংশের ক্ষমতা এতটাই বৃদ্ধি পায় যে ডিমেনশিয়া বা অ্যালঝাইমারের মতো রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা হ্রাস পায়।

দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধি করে

সামুদ্রিক মাছে প্রচুর পরিমানে ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিট থাকে। আর এই ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড রেটিনার কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি করার মধ্যে দিয়ে সার্বিকভাবে দৃষ্টিশক্তির উন্নতিতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে

সামুদ্রিক মাছ মানুষের দেহের প্রয়োজনীয় পুষ্টি চাহিদা মিটিয়ে নানা রোগ থেকে রক্ষা করতে সক্ষম। এতে জিংক ও আয়োডিন আছে। জিংক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং আয়োডিন গলগণ্ড রোগ প্রতিরোধ করে।

জয়েন্ট পেইন সারাতে

রিউমাটয়েড আর্থাইটিসে আমাদের অস্থিসন্ধীগুলো ব্যাথাসহ ফুলে যায়। রেগুলার সামুদ্রিক মাছ খেলে রিউমাটয়েড আর্থাইটিসের উপসর্গ কমে আসে।

সহজে হজমযোগ্য আমিষ

সামুদ্রিক মাছের আমিষ সহজে পরিপাকযোগ্য। এ ছাড়া দেহের বৃদ্ধি ও ক্ষয়রোধে সাহায্য করে। এটি ভিটামিন বি-এর উৎকৃষ্ট উৎস। তাছাড়া সামুদ্রিক মাছের আমিষ ও তেল দেহের ওজন নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে।

ডায়াবেটিসে উপকারী

ডায়াবেটিস রোগীরা খাদ্য তালিকায় সামুদ্রিক মাছ রাখতে পারেন। এতে তাদের এ রোগ নিয়ন্ত্রণে সুবিধা হবে।

তাছাড়া সামুদ্রিক মাছে থাকে আয়োডিন, সেলেনিয়াম, জিংক এবং পটাশিয়ামসহ অনেক অপরিহার্য পুষ্টি উপাদান। থাইরয়েড গ্ল্যান্ডের জন্যে আয়োডিন অত্যাবশ্যকীয়, এবং সেলেনিয়াম একধরণের হজমশক্তি তৈরি করে যা আমাদেরকে ক্যান্সারের হাত থেকে বাঁচায়। এ ছাড়াও সিলোনিয়াম শরীরে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে এবং বার্ধক্য প্রতিরোধ করে।

এপ্রিকট বা খুবানি-এপ্রিকট (Apricot), বাংলায় একে খুবানি বলা হয়। হলদে-কমলা রংয়ের এই ফলটি দেখতে যেমন সুন্দর তেমন উচ্চ পুষ্ট...
31/03/2022

এপ্রিকট বা খুবানি-

এপ্রিকট (Apricot), বাংলায় একে খুবানি বলা হয়। হলদে-কমলা রংয়ের এই ফলটি দেখতে যেমন সুন্দর তেমন উচ্চ পুষ্টিমান সম্পন্ন। এটি প্রধানত চীনে উৎপন্ন হত। বর্তমানে অ্যামেরিকাতে এর বিস্তৃতি ব্যাপক।

এপ্রিকট মিষ্টি ও কটু স্বাদযুক্ত হয়ে থাকে। এতে ক্যালরি ও ফ্যাট এর পরিমান কম হলেও এতে প্রচুর পরিমানে রয়েছে ভিটামিন এ এবং সি। এতে আরো পাওয়া যাবে প্রোটিন,ফাইবার,পটাসিয়াম,ভিটামিন ই এর মত পুষ্টি উপাদান। আসুন গোলাকার ছোট এই পুষ্টিকর ফলটির স্বাস্থ্য উপকারিতা জেনে নেয়া যাক।



🟣এপ্রিকট (Apricot) এর উপকারিতা:

রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করেঃ

ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়মিত রাখা জরুরি। সেজন্য প্রয়োজন খাবার নির্বাচনের সময় এমন খাবার বেছে নেয়া যা আপনার দেহে শক্তি যোগাবে সাথে সাথে শর্করা লেভেলও থাকবে ঠিক।

এপ্রিকটে ফাইবার রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করে। এতে কার্বস ও ক্যালরির পরিমান কম হওয়ায় ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য উপযোগী।

দৃষ্টি ক্ষমতা বাড়ায়ঃ

বর্তমানে শিশু থেকে শুরু করে বৃদ্ধ সকলের চোখে চশমা। গুটিকতক মানুষ ফ্যাশন হিসেবে ব্যবহার করলেও অধিকাংশই দৃষ্টিজনিত সমস্যায় ভুগছেন। এর কারন প্রতিদিনের খাদ্যে করোটিনয়েডস ও ভিটামিন এ এর মত উপাদানের অভাব।

এপ্রিকটে বিদ্যমান করোটিনয়েডস ও জেন্থফিল বয়সের সাথে সম্পর্কিত চক্ষু রোগ প্রতিরোধে কাজ করে। আবার এর ভিটামিন এ চোখের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করে।

হজম শক্তি বৃদ্ধি করেঃ

সমসময় স্বাস্থ্যকর খাবার নিশ্চিত করা বাঙালির জন্য কঠিন। তাই প্রায়শই পরতে হয় হজমজনিত সমস্যায়।

নিয়মিত এপ্রিকট আপনাকে এহেন সমস্যা থেকে পরিত্রাণ দিবে। এর উচ্চ ফাইবার আপনার হজমে সহায়তা করবে। সেই সাথে কোষ্ঠকাঠিন্য ও পেটের ফাঁপা ভাব দূর করবে।

লিভার সুরক্ষা নিশ্চিত করে
মানবদেহের দ্বিতীয় বৃহৎ অঙ্গ লিভার। লিভারে অতিরিক্ত ফ্যাট লিভার প্রদাহের কারন হতে পারে। যার ফলবসত লিভার ডেমেজ হতে পারে।

এপ্রিকট ফ্যাটি লিভার রোগ হতে রক্ষা করে। এছাড়াও লিভার রিজেনারেশনও প্রভাবিত করে।z

এপ্রিকট (Apricot) ওজন কমাতে সাহায্য করে
অতিরিক্ত ওজন বয়ে আনে নানা শারীরিক ব্যাধি। স্থুলতার সমস্যায় ভোগা ব্যক্তিদের মধ্যে মানসিক চাপ বা হতাশার প্রবনতাও দেখা যায়। তাই সুস্বাস্থ্য হোক বা মানসিক প্রশান্তি দুয়ের জন্যই প্রয়োজন ওজন হ্রাস করা।

এপ্রিকট খেলে দীর্ঘক্ষণ পেট পরিপূর্ণ থাকে। ফলে ক্ষুধার প্রবনতা কমে আসে যা আপনার ওজন হ্রাসের যাত্রাকে আরো সহজ করে দেয়।

অ্যানিমিয়া বা রক্ত স্বল্পতাঃ

এপ্রিকটে মজুত আয়রন রক্তস্বল্পতা প্রতিরোধ করে। আয়রন হিমোগ্লোবিন উৎপাদনকে প্রভাবিত করে এবং রক্তের কোয়ালিটি বৃদ্ধি করে।

হাড়ের গঠনে সাহায্য করে
বয়স বৃদ্ধির সাথে সাথে হাড় ক্ষয়ের প্রভাব দেখা যায়। জয়েন্টে সমস্যা তো লেগেই থাকে। এর কারন মূলত ক্যালসিয়ামের অভাব।

এপ্রিকট ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ। হাড়ে ক্যালসিয়াম সঠিক শোষণে সহায়তা করে পটাসিয়াম। এপ্রিকটে পাওয়া যাবে এই পুষ্টি উপাদানটিও। এটি আপনার হাড়ের কাঠামো শক্তিশালী করবে এবং হাড় ক্ষয় রোধ করবে।

শ্বাসযন্ত্রের সুরক্ষাঃ

অ্যাজমা বা হাঁপানির মত শ্বসনতন্ত্রের রোগে অনেকেই ভুগে থাকেন। এরসাথে ঠান্ডা বা ফ্লু এর মত সমস্যা তো আছেই। এক গবেষণায় দেখা যায়, ফ্লাভিনয়েড হাঁপানি সমস্যা সমাধান করতে পারে।

এপ্রিকটে উপস্থিত ভিটামিন ই অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টের মতো কাজ করে এবং ফ্রি র‌্যাডিকেলের বিরুদ্ধে লড়াই করে। এই প্রক্রিয়াটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং ঠান্ডা এবং ফ্লুর মতো সমস্যাগুলি প্রতিরোধ করে।

আবার এপ্রিকটের বিটা ক্যারোটিন জ্বরের চিকিৎসা করতে সহায়তা করে।

গর্ভকালীন পুষ্টিচাহিদা পূরণেঃ

গর্ভকালীন সময়ে মা ও শিশুর সুস্থ্যতার জন্য বাড়ে যায় পুষ্টিচাহিদা। তাই এ সময়ে প্রয়োজন পুষ্টিকর খাদ্য গ্রহন।এপ্রিকট একটি উচ্চ পুষ্টিসম্পন্ন ফল।

গর্ভকালীন সময়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দুটি উপাদান হল কপার ও আয়রন। যা মিলবে সুস্বাদু এই এপ্রিকটে।

ত্বকের পরিচর্যায়ঃ

পারিপার্শ্বিক বিভিন্ন কারনে প্রতিনিয়ত আমাদের ত্বকের ক্ষতি হচ্ছে। আল্ট্রাভায়োলেট রশ্মির বিকিরন, সানবার্ন, মেলানিনের অপর্যাপ্ততা ইত্যাদি স্কিন ক্যান্সারের মত মারাত্মক রোগের জন্ম দিতে পারে।

তবে ভয়ের কিছু নেই। সঠিক খাদ্যাভাসের মাধ্যমে এহেন সমস্যা থেকে পরিত্রাণ মেলা সম্ভব। এন্টিঅক্সিডেন্টপূর্ণ আহার আপনার ত্বকের সুরক্ষা প্রদান করতে সক্ষম। এপ্রিকটে আছে ভিটামিন ই ও সি,যা সুস্থ ত্বকের জন্য প্রয়োজনীয়। ভিটামিন সি ত্বকের ইউভি প্রদাহ কমায় এবং অন্যান্য ক্ষতি হ্রাস করে।

এছাড়াও ভিটামিন ত্বকে কেলাজেন উৎপন্ন করতে সাহায্য করে। আরো আছে বিটা ক্যারোটিন, আাপনার ত্বকের রোদে পোড়া ভাব দূর করবে।

Apricot এপ্রিকট এর উপকারিতা / এপ্রিকট ফলের উপকারিতা কথা বলে শেষ কারা যাবে না। অভূতপূর্ব এই ফলটি আপনার ডায়েটে সংযুক্ত করে গ্রহন করুন এর অসাধারণ সব উপকারিতা।

 #কাজুবাদামকাজুবাদাম কেনো খাবো?  নিয়মিত কাজু বাদাম খাওয়ার উপকারিতা  : কাজু বাদাম স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী কারণ এতে প...
31/03/2022

#কাজুবাদাম
কাজুবাদাম কেনো খাবো? নিয়মিত কাজু বাদাম খাওয়ার উপকারিতা :
কাজু বাদাম স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী কারণ এতে পর্যাপ্ত পরিমাণে প্রোটিন, ভিটামিন এবং ফাইবার আছে। নিয়মিত কাজু বাদাম খেলে ক্যান্সার, হৃদরোগজনিত জটিলতা, স্থূলতা এবং টাইপ টু ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করা যায়।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৪টি বা ২৮ গ্রাম কাজু বাদামে ৩ দশমিক ৫ গ্রাম ফাইবার, ৬ গ্রাম প্রোটিন এবং ৯ গ্রাম মনোস্যাচুরেটেড ফ্যাট পাওয়া যায়।
প্রতিদিন মাত্র ৪ টি করে কাজু বাদাম খেলে শরীরের যেসব উপকারিতা পাওয়া যায়-
কাজু বাদাম শরীরে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়।
সেই সঙ্গে ভাল কোলেস্টেরলের পরিমাণ বাড়ায়।
ভাল কোলেস্টেরল বাড়লে শরীরের নানা জটিলতা বিশেষ করে হৃদরোগ , স্ট্রোক এবং ধমনী সংক্রান্ত সমস্যা প্রতিরোধ করা যায়।
কাজু বাদামে পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন ও খনিজ রয়েছে যা চুলের স্বাস্থ্য ভাল রাখতে সাহায্য করে।
চুলের বৃদ্ধির জন্য এতে ম্যাগনেশিয়াম এবং জিঙ্কও রয়েছে।
কাজু বাদামে থাকা ভিটামিন ই মানসিক চাপ কমায়।
সেই সঙ্গে চুলের বৃদ্ধি ঘটায়।
কাজু বাদামে উপস্থিত ভিটামিন ই এবং ম্যাঙ্গানিজ ত্বকের অকাল বার্ধক্য রোধ করে।কাজু বাদামের খোসা প্রিবায়োটিকের দারুণ উৎস যা অন্ত্রে ভাল ব্যাকটেরিয়া তৈরি করতে ভূমিকা রাখে। এটি হজমশক্তিও বৃদ্ধি করে। এছাড়া ভাল ব্যাকটেরিয়া যেকোন ধরণের সংক্রমণ সারাতেও দারুণ ভূমিকা রাখে।
যদিও কাজু বাদামে ফ্যাট এবং ক্যালরি আছে তারপরও এটি ওজন কমাতে সাহায্য করে। গবেষণায় দেখা গেছে, কাজু বাদাম খেলে পেট ভরা অনুভূত হয় । তখন বেশি খাওয়ার প্রবণতা কমে।
গবেষণা বলছে, কাজু বাদামে থাকা ভিটামিন ই বয়সজনিত ভুলে যাওয়া রোগ প্রতিরোধ করে। এছাড়া এতে থাকা ম্যাগনেশিয়াম মস্তিষ্কের শক্তি বাড়ায়।

#মূল্য:
Raw কাজু বাদাম প্রিমিয়াম
১ কেজি- ১১৯০ টাকা
৫০০ গ্রাম- ৬০০ টাকা
২৫০ গ্রাম - ৩১০ টকা
*ডেলিভারি চার্জ প্রযোজ্য।
* ক্যাশ অন ডেলিভারির ব্যবস্থা আছে (শর্ত সাপেক্ষে )
শুধু মাএ ঢাকার ভিতর।

নকশী পিঠাশিরা দিয়া ৩০ টাকা পিসশিরা ছাড়া ২০ টাকা পিসঅর্ডার করতে ইনবক্স করুন। সর্বনিম্ন ১০ পিস অর্ডার করতে হবে।
30/03/2022

নকশী পিঠা
শিরা দিয়া ৩০ টাকা পিস
শিরা ছাড়া ২০ টাকা পিস
অর্ডার করতে ইনবক্স করুন।
সর্বনিম্ন ১০ পিস অর্ডার করতে হবে।

মধু মানুষের জন্য আল্লাহ প্রদত্ত এক অপূর্ব নেয়ামত। স্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং যাবতীয় রোগ নিরাময়ে মধুর গুণ অপরিসীম। রাসূলুল্লাহ...
30/03/2022

মধু মানুষের জন্য আল্লাহ প্রদত্ত এক অপূর্ব নেয়ামত। স্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং যাবতীয় রোগ নিরাময়ে মধুর গুণ অপরিসীম। রাসূলুল্লাহ (সা.) একে ‘খাইরুদ্দাওয়া’ বা মহৌষধ বলেছেন। আয়ুর্বেদ এবং ইউনানি চিকিৎসা শাস্ত্রেও মধুকে বলা হয় মহৌষধ। এটা যেমন বলকারক, সুস্বাদু ও উত্তম উপাদেয় খাদ্যনির্যাস, তেমনি নিরাময়ের ব্যবস্থাপত্রও। আর তাই তো খাদ্য ও ওষুধ এ উভয়বিধ পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ নির্যাসকে প্রাচীনকাল থেকেই পারিবারিকভাবে ‘পুষ্টিকর ও শক্তিবর্ধক’ পানীয় হিসেবে সব দেশের সব পর্যায়ের মানুষ অত্যন্ত আগ্রহ সহকারে ব্যবহার করে আসছে। মধুতে যেসব উপকরণ রয়েছে তন্মধ্যে প্রধান উপকরণ সুগার। সুগার বা চিনি আমরা অনেকই এড়িয়ে চলি। কিন্তু মধুতে গ্লুকোজ ও ফ্রুকটোজ এ দুটি সরাসরি মেটাবলাইজড হয়ে যায় এবং ফ্যাট হিসাবে জমা হয় না। মস্কো বিশ্ববিদ্যালয়ে মধুর নমুনা পরীক্ষায় দেখা গেছে যে, এতে অ্যালুমিনিয়াম, বোরন, ক্রোমিয়াম, কপার, লেড, টিন, জিংক ও জৈব এসিড (যেমন-ম্যালিক এসিড, সাইট্রিক এসিড, টারটারিক এসিড এবং অক্সালিক এসিড), কতিপয় ভিটামিন, প্রোটিন, হরমোনস, এসিটাইল কোলিন, অ্যান্টিবায়োটিকস, ফাইটোনসাইডস, সাইস্টোস্ট্যাটিক্স এবং পানি (১৯-২১%) ছাড়াও অন্যান্য পুষ্টিকর উপাদান রয়েছে। ভিটামিন যেমন- ভিটামিন সি বা অ্যাসকরবিক এসিড, ভিটামিন বি-১, বি-২, বি-৩, বি-৫, বি-৬, ভিটামিন-ই, ভিটামিন-কে, ভিটামিন-এ বা ক্যারোটিন ইত্যাদি বিদ্যমান। মধু এমন ধরনের ওষুধ, যার পচন নিবারক (অ্যান্টিসেপটিক), কোলেস্টেরলবিরোধী এবং ব্যাকটেরিয়াবিরোধী ধর্ম আছে। প্রতিদিন সকালে এবং বিকালে খালি পেটে চা চামচের দুই চামচ করে মধু ডান হাতের তালুতে নিয়ে চেটে খেতে হবে। নিয়মিত ও পরিমিত মধু সেবন করলে যেসব উপকার পাওয়া যায়। তা হলো-

১. হৃদরোগ প্রতিরোধ করে। রক্তনালি প্রসারণের মাধ্যমে রক্ত সঞ্চালনে সহায়তা করে এবং হৃদপেশির কার্যক্রম বৃদ্ধি করে;
২. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে;
৩. দাঁতকে পরিষ্কার ও শক্তিশালী করে;
৪. দৃষ্টিশক্তি ও স্মরণশক্তি বৃদ্ধি করে;
৫. মধুর রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ক্ষমতা, যা দেহকে নানা ঘাত-প্রতিঘাতের হাত থেকে রক্ষা করে;
৬. অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ক্যান্সার প্রতিরোধ করে ও কোষকে ফ্রি রেডিকেলের ক্ষতি থেকে রক্ষা করে;
৭. বার্ধক্য অনেক দেরিতে আসে;
৮. মধুর ক্যালরি রক্তের হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ বাড়ায়, ফলে রক্তবর্ধক হয়;
৯. যারা রক্ত স্বল্পতায় বেশি ভোগে বিশেষ করে মহিলারা, তাদের জন্য নিয়মিত মধু সেবন অত্যন্ত ফলদায়ক;
১০. গ্লাইকোজেনের লেভেল সুনিয়ন্ত্রিত করে;
১১. আন্ত্রিক রোগে উপকারী। মধুকে এককভাবে ব্যবহার করলে পাকস্থলীর বিভিন্ন রোগের উপকার পাওয়া যায়;
১২. আলচার ও গ্যাস্ট্রিক রোগের জন্য উপকারী;
১৩. দুর্বল শিশুদের মুখের ভেতর পচনশীল ঘায়ের জন্য খুবই উপকারী;
১৪. শরীরের বিভিন্ন ধরনের নিঃসরণ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে এবং উষ্ণতা বৃদ্ধি করে;
১৫. ভিটামিন-বি কমপ্লেক্স এবং ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ মধু স্নায়ু এবং মস্তিষ্কের কলা সুদৃঢ় করে;
১৬. মধুতে স্টার্চ ডাইজেস্টি এনজাইমস এবং মিনারেলস থাকায় চুল ও ত্বক ঠিক রাখতে অনন্য ভূমিকা পালন করে;
১৭. মধু কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে;
১৮. ক্ষুধা, হজমশক্তি ও রুচি বৃদ্ধি করে;
১৯. রক্ত পরিশোধন করে;
২০. শরীর ও ফুসফুসকে শক্তিশালী করে;
২১. জিহ্বার জড়তা দূর করে;
২২. মধু মুখের দুর্গন্ধ দূর করে;
২৩. বাতের ব্যথা উপশম করে;
২৪. মাথা ব্যথা দূর করে;
২৫. শিশুদের দৈহিক গড়ন ও ওজন বৃদ্ধি করে;
২৬. গলা ব্যথা, কাশি-হাঁপানি এবং ঠাণ্ডা জনিত রোগে বিশেষ উপকার করে;
২৭. শিশুদের প্রতিদিন অল্প পরিমাণ মধু খাওয়ার অভ্যাস করলে তার ঠাণ্ডা, সর্দি-কাশি, জ্বর ইত্যাদি সহজে হয় না;
২৮. শারীরিক দুর্বলতা দূর করে এবং শক্তি-সামর্থ্য দীর্ঘস্থায়ী করে;
২৯. ব্যায়ামকারীদের শক্তি বাড়ায়;
৩০. মধু খাওয়ার সাথে সাথে শরীরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি করে, ফলে শরীর হয়ে উঠে সুস্থ, সতেজ এবং কর্মক্ষম।

লাল চিনিলাল চিনি ক্রয় করে নিজে বাঁচুন দেশকে বাঁচান।চিনি কল শ্রমিকদের কথা না হয় বাদই দিলাম। আমি, আপনি দবদবে সাদা চিনি খেয়...
30/03/2022

লাল চিনি

লাল চিনি ক্রয় করে নিজে বাঁচুন দেশকে বাঁচান।চিনি কল শ্রমিকদের কথা না হয় বাদই দিলাম। আমি, আপনি দবদবে সাদা চিনি খেয়ে ডায়াবেটিস, হার্টএটাক,লিবার বিকল করছি সেই খবর কি রাখছেন?লাল চিনি হলো সরাসরি আখ থেকে তৈরী ও পরিশোধিত চিনি।লাল চিনিতে থাকে আখের সব উপাদান। যেমনঃশর্করা,কেলশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম,পটাসিয়াম,লৌহ,ম্যাঙ্গানিজ,অ্যামাইনোএসিড,জিংক,থায়ামিন, রাইবোফ্লোবিন,ফলিক এসিড ও এন্টিঅক্সিডেন্ট ইত্যাদি।

লাল চিনির উপকারী মাত্র কয়েকটি দিক বলছিঃ

১.প্রচুর পরিমান লাল চিনি খেলে হাত শক্ত পোক্ত হয়।সেই সাথে দাঁতের উন্নতি ঘটে।কিডনি এবং ব্যাকটেরিয়াল ইনফেকশন হওয়ার আশঙ্কা দূর হয়।
২.আখের এন্টিঅক্সিডেন্ট ক্যাসার প্রতিরোধ করে এবং শরীরের ভিতরে উপস্থিত ক্ষতিকর টক্সিক উপাদান বের করে দেয়।
৩.লিভার সুস্থ্য রাখে।
৪.জন্ডিসের প্রকোপ কমায়।
৫.কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।
৬.শরীরের মিনারেল তথা খনিজ পদার্থের চাহিদা পূরন করে। মস্তিষ্কের রক্ত প্রবাহ স্বাভাবিক রাখে যা স্টোক প্রতিরোধ করে।
৭.শরীরের ভিটামিনের চাহিদা পূরন করে।

অন্যথায় সাদা চিনি খাবার ফলে ডায়াবেটিস, জন্ডিস, স্টোক,লিভারে সমস্যা ইত্যাদি সমস্যা দেখা দেয়।

লাল চিনি পেতে আমাদের সাথে এখুনি আপনার নাম,ঠিকানা এবং ফোন নম্বর দিয়ে ইনবক্স করুন।

Address

Rajabari, Sreepur
Gazipur
1230

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when BD Organic Food Mart posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share