Sarkar Cattle Farm

Sarkar Cattle Farm Sarkar Cattle Farm so please pray to ALLAH so that i can be able to make my dream true and
get success in my life ...

thanks to ALLAH for helping me and accept me to have a cattle farm
named "Sarkar Cattle Farm"
cattle farming is not only my hobby but also my dream.

30/05/2026

২০২৬ এর শুধু মাত্র
'সাদা হাসা'
গরুর ছবি কমেন্টে দেখতে চাই।
কারা সেই ভাগ্যবান?

29/05/2026

২য় দিনের শুভেচ্ছা
ঈদ মোবারক

28/05/2026

ঈদ মোবারক
আশা করি ঈদের ১ম দিন
সবার ভালো ভাবেই কেটেছে

24/05/2026

⚠️ সবাইকে পড়ার অনুরোধ রইলো। আশা করি অনেক কিছু জানা হবে ⚠️

আমাদের বেশির ভাগ মানুষের কাছে কোরবানির ঈদ বলতে হাটে গিয়ে গরু ছাগল কেনা আর ঈদের দিন সেগুলোকে জবাইকেই বুঝি। কিন্তু আমরা কি কখনও ভেবে দেখেছি এই কোরবানির ঈদকে ঘিরে কত বিশাল আর এক অবিশ্বাস্য রকমের বাজার ব্যবস্থা গড়ে উঠেছে। এবং যার অর্থনৈতিক আকারটা কত বড়?
চলুন আজকে পুরো বেপারটাকে যতটুকু সম্ভব ছোট করে আমার ভাষায় আলাপ করি। যার সকল তথ্যই আমি বিভিন্ন সময়ে বাংলাদেশ সরকারের প্রকাশিত জরিপ ও ছোট ছোট পরিসংখ্যান থেকে সংগ্রহ করেছি। তবে এই তথ্যগুলো আমি অনেক আগের সংগ্রহ থেকে একত্রিত করেছি যা বর্তমানে সংখ্যায় আরও অনেক বেশি হবে।
১।প্রথমত আসা যাক কোরবানির পশুর বাজার-
রাজধানীর গাবতলী, আফতাবনগর, কমলাপুর, ধোলাইখাল কিংবা শ্যামপুর গরুর হাটই নয়; বরং সারা দেশে অসংখ্য অস্থায়ী গরুর হাট বসে। তবে ঢাকার এই অস্থায়ী হাটগুলোর শুরু হয়ে যাওয়ার অন্তত মাসখানেক আগে থেকেই ঢাকার বাইরে কোরবানিকে কেন্দ্র করে হাট বসা শুরু হয়ে যায়। যার মানে কোরবানির অর্থনৈতিক চাকা ঘোরা কিন্তু ঈদের অনেক আগেই শুরু হয়ে যায়।
প্রতি বছর আমাদের দেশে সরকারি হিসেব অনুযায়ী প্রায় এক কোটির গরু ছাগল জবাই হয় (যদিও আমার ধারণা এই হিসাবটা আরও বেশি হবে। কারণ সরকার এই তথ্য সংগ্রহ করে চামড়া সংগ্রহের তথ্যের উপর। কিন্তু আমাদের দেশের প্রতন্ত গ্রামের অনেক জায়গার চামড়া সংগ্রহ করা সম্ভব হয় না) যদি গড়ে একটি গরুর দাম ৭৫-৮০ হাজার করে ৫৫-৬০ লক্ষ গরু আর গড়ে প্রতিটি ছাগল ১০-১২ হাজার করে ৪০-৪৫ লক্ষ ছাগল কোরবানি হয় ধরে হিসেব করলে এই বাজার মূল্য দাড়াবে প্রায় চার হাজার কোটি টাকা। আর পুরো এই লেনদেনের ব্যবস্থা একদম হাতে হাতে ব্যাংকের সাহায্য ছাড়াই। পৃথিবীর কোথাও ম্যানুয়ালি হাতে হাতে মাত্র কয়েক দিনে এত লেনদেন হয় কিনা তা বলা মুশকিল। আর এই চার হাজার কোটি টাকার ৯৮ শতাংশ লেনদেন হয় এমন সব মানুষের সঙ্গে যারা নিম্নবিত্ত কিংবা দারিদ্র সীমার নিচে বসবাস করেন।
২। দ্বিতীয়ত দেশীয় অস্ত্রের বাজার-
যখন কোরবানির জমজমাট অবস্থা, তখন দেশীয় অস্ত্রের বাজারও হয়ে ওঠে জমজমাট! হ্যাঁ, দেশীয় অস্ত্র অর্থাৎ ছুরি, চাপাতি আর কি। একটি গরুকে জবাই করে চামড়া ছাড়িয়ে মাংস কাটা পর্যন্ত প্রয়োজন হয় প্রায় ছয় থেকে সাতটি ধারালো ছুড়ির। তার মধ্যে বড় ও ছোট মিলিয়ে সাতটি ছুড়ির খরচ প্রায় ৩৫০০ থেকে ৫০০০ টাকা। শুধুমাত্র কারওয়ান বাজারের পূর্ব প্রান্তে রেললাইন ঘেঁষে গোটা বিশেক দোকানে বিক্রি হয় ছুরি, চাপাতি, কুড়াল, দা ও বঁটি। সেসব দোকানের তথ্যমতে কোরবানির আগে প্রতিদিন বিক্রি হয় প্রায় লক্ষ টাকার বেশি। সে হিসেবে ঈদের পাঁচ দিনে এসব দোকানে বিক্রি হয় কোটি টাকা। তাহলে ধারণা করুন কোরবানির ঈদে পুরো দেশে এই বাজার ভ্যালু কত হতে পারে।
৩। তৃতীয়ত কোরবানির হাট এবং হাট সংশ্লিষ্ট ব্যবসা-
পশুর হাট ইজারা দিয়ে শুধু ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনেরই আয় হয় প্রায় ২৫ কোটি টাকা। সাথে যোগ হবে দেশের বিভিন্ন জেলার অস্থায়ী হাটের ইজারা আর হাসিল। তাছাড়াও কোরবানির পশু পরিবহন, টোল, বকশিস, বাঁশ-খুঁটির ব্যবসা, পশুর খাবারেও লেনদেন হয় কয়েক শত কোটি টাকা।
৪। চতুর্থত কোরবানির পশুর চামড়ার প্রক্রিয়া এবং তার সংশ্লিষ্ট বাজার-
কোরবানির পশুর চামড়া গড় প্রতি এক হাজার টাকা ধরলেও ৫৫ লক্ষ গরুর চামড়ার দাম ৫৫০ কোটি টাকা। আর ৪০ লাখ ছাগলের চামড়া মাত্র একশো টাকা ধরলেও গরু ও ছাগলের শুধু চামড়া বাবদই আসে ৬০০ কোটি টাকা। যার পুরোটাই সদকা হিসেবে চলে যায় নিম্নবিত্তদের হাতে। একবার ভাবুন, মাত্র একদিনে দরিদ্র ও গরিব মানুষদের হাতে চলে যাচ্ছে ৬০০ কোটি টাকা। এছাড়াও কোরবানির চামড়া সংরক্ষণে যেমন লবণ, তাপ নিয়ন্ত্রন সহ বিভিন্ন সরঞ্জামে বিজনেস হয় প্রায় এক হাজার কোটি টাকা। ২০১৮ সালে চামড়ার জন্য শুল্কমুক্ত লবন সংরক্ষণ করা হয়েছিলো চল্লিশ হাজার টন।
এই চামড়াগুলো দিয়ে বাংলাদেশের ট্যানারিগুলো কী করছে তার একটা হিসেব পাওয়া যায় রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) প্রতিবেদনে। তাদের দেয়া তথ্যমতে, ২০১৪-১৫ অর্থবছরের প্রথম দুই মাসেই (জুলাই-আগস্ট) বাংলাদেশ থেকে ৯ কোটি ৫৫ লাখ ডলারের জুতা রফতানি করা হয়। যার সত্তর ভাগ চামড়া নেয়া হয় কোরবানি ঈদ থেকে। অর্থাৎ ২০১৫ অর্থবছরে জুলাই-আগস্ট মাত্র দুই মাসে বাংলাদেশের কোরবানির চামড়া দিয়ে বানানো জুতা বিদেশে রফতানি করে আয়- ৬ কোটি ৬৫ লাখ ডলার। যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায়- ৬৫০ কোটি টাকা।
৫। পঞ্চমত মসলার বাজার-
কোরবানি উপলক্ষ্যে মাংস রান্নার জন্য বিভিন্ন মশলা বিক্রি হয়। প্রতি বছর দেশে ২২ লাখ মেট্রিক টন পেঁয়াজ, ৫ লাখ মেট্রিক টন রসুন আর ৩ লাখ টন আদার চাহিদা থাকে। এর উল্লেখযোগ্য অংশই ব্যবহার হয় কোরবানিতে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যানুসারে ২০১৫-১৬ অর্থবছরে( বর্তমানে এই হিসাব আরও বাড়বে) ২ হাজার ৫০০ মেট্রিক টন এলাচ, ৭ হাজার ৬০০ মেট্রিক টন দারুচিনি, ১৭০ মেট্রিক টন লবঙ্গ এবং ৩৭০ মেট্রিক টন জিরা আমদানি করা হয়েছে। কোরবানির বাজারে প্রায় এসব পণ্যের বিক্রি উপলক্ষ্যে লেনদেন হয় প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকার।
৬। সর্বশেষ রেফ্রিজারেটর তথা ইলেকট্রনিকস বাজার-
সবশেষে বলি রেফ্রিজারেটরের কথা। প্রতি বছর দেশে বছরে ১৪ লাখ ফ্রিজের চাহিদা আছে। বছরের ৩০ ভাগ ফ্রিজই বিক্রি হয় কোরবানি ঈদে। সে হিসেবে প্রতি বছর কোরবানির ঈদে প্রায় ৪ লাখ ফ্রিজ বিক্রি হয়। ফ্রিজের সবচেয়ে কম মূল্য ২০ হাজার টাকা ধরলেও প্রতি কোরবানির ঈদে শুধু ফ্রিজ বিক্রি হয়- ৮০০ কোটি টাকা।

এতক্ষণ আমরা কত টাকার লেনদেনের কথা বলেছি, আমরা নিজেরাও জানি না। তবে কোরবানি ঈদের এই অবিশ্বাস্য ইকোনমি পুরোটাই দাঁড়িয়ে আছে গ্রাম-বাংলার নিম্নবিত্ত মানুষের উপর।

ঈদের আনন্দ, কোরবানির ত্যাগ, ইবাদত কিংবা মাংস বিলিয়ে দেয়ার সংস্কৃতি- এতো কিছুর বাইরেও কোরবানির ঈদকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা অভূতপূর্ব এই অর্থনীতির কথা হয়ত আমরা কখনও ভাবি না যা আমাদের মতো এই ছোট্ট দেশের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

----- সংগৃহীত

19/05/2026

২৫ তারিখ থেকে ব্যাপারি ভাইরা পাগল থেকে সুস্থ হতে শুরু করবে।
তাই এর আগে গরুর দাম জিজ্ঞেস না করাই ভালো।
কি, রাগ করলা? 🤣😂

আগুন vs পানি
17/05/2026

আগুন vs পানি

01/05/2026

' আসসালামুআলাইকুম '

01/05/2026
09/04/2026

সারাদেশের গরুর হাটের তালিকা ----

গরু বেচাকেনার জন্য হাটের কোন বিকল্প নাই। হাটের ঠিকানা এবং কোথায় কেমন গরু পাওয়া যায়, এটা নিয়ে অনেকেই সমস্যায় পড়েন। তাদের জন্য এই লেখাটি উপকারে আসবে . . .

#কোথায়_কোন_গরু : ---

(১) আপনার বাজেট যদি ৩৫-৪০ হাজার টাকার মধ্যে হয় তাহলে আপনি কুড়িগ্রামের ভুরুংগামারী, নাগেশ্বরী, যাত্রাপুরা, লালমনিরহাটের বড়বাড়ী হাট থেকে নিতে পারেন। এখানকার বেশীরভাগ বাছুর লাল খুব সুন্দর কিন্তু ১২ থেকে ১৮ মাস মেয়াদী প্রজেক্ট হলে ওখান থেকে বাছুর কিনা ভাল।

(২) আপনি যদি ৫০-৫৫ হাজার টাকার মধ্যে শাহীওয়াল ষাড় কিনতে চান তাহলে বগুড়ার বুড়িগন্জ, ঘোড়াধাপ, মহাস্থান, ডাকুমারা, জয়পুরহাট, পাবনার চতুর্বাজার।

(৩) বাজেট যদি ৫৫ হাজার টাকার উপরে হয়, তাহলে অবশ্যই চুয়াডাংগার আলমডাঙ্গার, বালিয়াপাড়া হাট।

(৪) শুধু গাভীন গাভী কিনতে চাইলে বগুড়ার দুপচাচিয়া থানার ধাপের হাট উত্তম।প্র‌তি র‌বিবার ও বৃহঃস্প‌তি বার।

(৫) শুধু ইন্ডিয়ান বলদ ও নেপালী বড় বড় গরু কিনতে চাইলে অবশ্যই বেনাপোলের পুটখালী এবং সাতক্ষীরার বৈখালী যেতে হবে।

(৬) যদি দেশী লাল বলদ গরু কিনতে চান তাহলে প্রতি শনিবার জয়পুরহাট।

(৭) যদি শুধু দেশী বাছুর কিনতে চান তাহলে যেতে হবে চাঁপাই এর সোনাইচন্ডী ও তর্তিপুর হাট।

(৮) মহিষ কিনতে হলে চুয়াডাংগার আলমডাঙ্গা এবং চাঁপাই এর সোনাইচন্ডী হাট এবং মৌলভিবাজারের হাট সমুহ৷

(৯) যদি শুধু অষ্টেলিয়ান এবং ক্রস বাছুর কিনতে চান তাহলে পাবনার ঈশ্বরদীর অরনখোলার হাট। পুরা হাট ভরা শুধু ক্রস বাছুর।

(১০) ইন্ডিয়ান বলদ এবং বড় ষাড় গরুর জন্য রাজশাহীর সিটি হাট। যশোরের সাতমাইল ভাল গরু আগে উঠত কিন্তু এখন আগের রমরমা অবস্থা নাই।

(১১) কেউ যদি দেশী জাতের খাটো বুট্টী টাইপের গরু কিনতে চান তাহলে অবশ্যই দিনাজপুর এবং রংপুর এর হাট গুলো থেকে সংগ্রহ করতে হবে। এই জাতের গরুর খামার খুব লাভবান কারন ২-৩ মাসের মধ্যে গরু বিক্রয় উপযোগী হয়ে যায়, খাবার কম লাগে, তাদের মুখে অনেক রুচি, রোগবালাই হয় না বললেই চলে, মধ্যবিও যারা একা কোরবানী দেয় তাদের জন্য। আমি প্রতি বৎসর ঈদের ২-৩ মাস আগে ১ গাড়ী নিয়ে আসি অল্প লাভ। কিন্তু ৩ মাসের বেশী পুষলে লস কারন এগুলো সাইজে খুব বেশি বড় হয় না।

(১২) RCC Cow কিনতে হলে যেতে হবে চট্টগ্রাম এর সাতকানিয়া, আনোয়ারা উপজেলায়। এই জাতটা দীর্ঘমেয়াদের জন্যে ভাল।

#হাটের_তালিকা :-------

#বৃহত্তর_চট্টগ্রাম :---

১. বিবিরহাট, শনি ও মঙ্গলবার।
২. সাগরিকা, বৃহস্পতি ও সোমবার।
৩. হাটহাজারী স্টেশন বাজার, বৃহস্পতিবার।
৪. মিরসরাই মিঠাচরা বাজার, বৃহস্পতিবার।
৫. সীতাকুণ্ড থানার ফকির হাঠ, বুধবার।
৬. রাংগুনিয়া রানীর হাট, শনি মংগল।
৭. রাংগুনিয়া রোয়াজার হাট, সোম শুক্রবার।
৮. রাংগুনিয়া পদুয়া বাজার, প্রতি বৃহস্পতিবার।
৯. বাগিচাহাট,চন্দনাইশ, সোমবার ও শুক্রবার।
১০. থানা হাট, পটিয়া, সোমবার ও শুক্রবার।
১১. কেরানিহাট, রবিবার ও বুধবার।
১২. আনোয়ারা সরকার হাট, সোম শুক্রবার।
১৩. কক্সবাজারের চকরিয়ার ইলিশিয়া হাট, প্রতি রবি ও বৃহস্পতিবার।
১৪. রামদাশ মুন্সির হাট বাঁশখালি, রবি ও বৃহস্পতিবার।
১৫. রাংগুনিয়া রাণি হাট, শনি ও মঙ্গলবার।
১৬. কাওখালি বাজার, বৃহস্পতিবার ও সোমবার (সকাল বেলা)।
১৭. খিরাম বাজার ফটিকছড়ি, রবি ও বৃহস্পতিবার।(ভোর থেকে ১১/১২ টা পর্যন্ত।
১৮. নাজিরহাট বাজার, শনিবার ও মঙ্গলবার।
১৯. মাইনি বাজার রাংগামাটি, শনিবার ভোর বেলা।
২০. শুভলং বাজার রাংগামাটি, শনিবার।
২১. রামগড় বাগান বাজার, শুক্রবার।
২২. গুইমারা বাজার, মঙ্গলবার।
চিকনছড়া বাজার, মঙ্গলবার।
২৩. বান্দরবান লামা বাজার, মঙ্গলবার ও শনিবার।
২৪. চন্দনাইশের বৈলতলী, খোদার হাট, রবিবার ও বুধবার।
( সৌজন্যে : খামারী শাতিল রহমান)

#সারা_দেশ:-----

১. টাঙ্গাইলের মির্জাপুর দেওহাটায় প্রতি মঙ্গলবারে বড় গরুর হাট বসে। উন্নত জাতের গাভী এবং বাছুর পাওয়া যায় এই হাটে ।

২. কুমিল্লার চান্দিনা হাট। শনি ও মঙ্গালবার হাট বসে। ষাঁড় গরু বেশী উঠে।

৩. লক্ষ্মীপুর জেলার রামগঞ্জ হাট। সোনাপুর হাট। অনেক দেশী গরু পাওয়া যায়।

৪. মিটাপুকুর থানা, জেলা রংপুর, বৈরাতি হাট, বিশাল গরুর হাট। হাটবার শনিবার মঙ্গলবার, বেশীরভাগ দেশী গরু পাওয়া যায়।

৫. চাপারহাট। প্রতি সোম এবং শুক্রবার বসে। দেশী গরু ভালো পাওয়া যায়।

৬. গাজীপুর কাপাসিয়া থানা আমরাইদ হাট। প্রতি মঙ্গলবার বসে।

৭. রাজবাড়ী জেলা প্রতি রবি ও বৃহঃস্প‌তি বার বিশাল গরুর হাট।

৮. গোবিন্দগঞ্জ (গোলাপবাগ) হাট প্রতি রবি ও বৃহস্পতিবার হাট। দেশি বিদেশি গরু পাওয়া যায়।

৯. ঢাকার আশুলিয়া হাট। প্রতি বুধবার বসে। ভালো দেশী ও ক্রস ষাড় পাওয়া যায়।

১০. নাটুয়ারপাড়া হাট। হাটবার প্রতি সপ্তাহের শনিবার। সব ধরনের গরু পাওয়া যায়।

১১. ঝিনাইদহ জেলার ভাটই বাজার, প্রতি রবিবার বসে। দেশি গরু পাওয়া যায়।

১২. নেত্রকোনার সিধলি বাজার, শুধুমাত্র সোমবার , অনেক দেশি গরু পাওয়া যায় ৷

১৩. সুনামগঞ্জ জেলার ধরমপাশায় বিশাল হাট। হাটবার প্রতি বৃহস্পতিবার। নেত্রকোনা থেকে ৩২ কিলোমিটার দূরে।

১৪. হবিগঞ্জের মাধবপুরের কেশবপুরবহাট। প্রতি সোমবার বসে। দেশী গরু ভালো পাওয়া যায়।

১৫. জংলী শীবপুর হাট, রায়পুরা, নরসিংদী জিলা। প্রতি রবিবার বসে। দেশী গরু ভালো পাওয়া যায়।

১৬. বেলাবো হাট, নরসিংদী জেলা। প্রতি শুক্রবার বসে। মুলত দেশী গরু পাওয়া যায়।

১৭. নারায়নপুর হাট, বেলাবো, নরসিংদী। প্রতি শনি ও মঙ্গলবার বসলেও গরুর হাট কেবল মঙ্গল বার বসে।

১৮. পোড়াদিয়া হাট, বেলাবো, নরসিংদী জেলা। প্রতি বৃহস্পতিবার বসে। দেশী গরু ভালো পাওয়া যায়।

১৯. শ্রীরামপুর হাট, রায়পুরা, নরসিংদী জেলা। প্রতি সোমবার বসে। দেশী গরু ভালো পাওয়া যায়।

২০. কুষ্টিয়ার ভাদালিয়া হাট। প্রতি শনিবার বসে। দেশী ও ইন্ডিয়ান গরু পাওয়া যায়।

২১. সিরাজগঞ্জের শালুয়াভিটা হাট। প্রতি মঙ্গলবার বসে। দেশী ও ক্রস গরু পাওয়া যায়।

২২. চান্দাইকোনা হাট, রায়গঞ্জ, সিরাজগঞ্জ জিলা। প্রতি শনি ও মংগলবার বসে। দেশী ও ক্রস গরু পাওয়া যায়।

২৩. জয়পুরহাট জিলা হাট। প্রতি শনিবার বসে। দেশী ও ইন্ডিয়ান গরু পাওয়া যায়।

২৪. গোবিন্দাসী হাট, টাঙ্গাইল। যমুনা ব্রিজের কাছে। দেশী ও শাহিওয়াল পাওয়া যায়।

২৫. পাচবিবি হাট, জয়পুরহাট জেলা। প্রতি মংগলবার বসে। দেশী ও ইন্ডিয়ান গরু পাওয়া যায়।

২৬. হাতিরদিয়া হাট, নরসিংদী। প্রতি রবিবার বসে। দেশী গরু পাওয়া যায়।

২৭. সিরাজগঞ্জের রতন কান্দি হাট। প্রতি বুধবার বসে। দেশী ও ক্রস গরু, ছাগল, ভেড়া পাওয়া যায়।

২৮. বনানী হাট, বগুড়া। সোমবার ও
শুক্রবার বসে। দেশী ও বর্ডার ক্রস গরু পাওয়া যায়।

২৯. সিরাজগঞ্জের পাংগাসির হাট। প্রতি শনিবার বসে। ক্রস ও দেশী গরু, ছাগল ও ভেড়া পাওয়া যায়।

৩০. গাইবান্ধা গরুর হাট, গাইবান্ধা বাজার, ইসলামপুর, জামালপুর জিলা। সোম ও শুক্রবার। দেশী গরু পাওয়া যায়।

৩১. গজারিয়া হাট, মুন্সিগঞ্জ জিলা। শুধুমাত্র মঙ্গলবার হাট বসে। দেশী ও মিরকাদিম জাতের গরু পাওয়া যায়।

৩২. নওগাঁ হাট,তাড়াশ, সিরাজগঞ্জ। বৃহস্পতিবারে হাট বসে। ক্রস ও দেশী গরু পাওয়া যায়।

৩৩. এনায়েত পুর, সিরাজগঞ্জ। শুক্রবার হাট বসে, দেশি গরু বেশি পাওয়া যায়। কিছু ইন্ডিয়ান এবং নেপালি গরু ও পাওয়া যায়।

৩৪. ডাকুমারা হাট, শিবগঞ্জ উপজিলা, নওয়াবগঞ্জ জিলা। প্রতি (রবিবার)।

৩৫. মহাস্তান হাট, বগুড়া। প্রতি বুধবার বসে। সব ধরনের গরু পাওয়া যায়।

৩৬. ধাপের হাট, দুপচাচিয়া, বগুড়া। হাটবার প্রতি রবিবার ও বৃহস্পতিবার। উত্তরাঞ্চলের নামকরা বড় হাট। সব ধরনের গরু পাওয়া যায়।

৩৭. মহিমাগঞ্জ হাট, গোবিন্দগঞ্জ, গাইবান্দা। প্রতি শনিবার ও মংগলবার বসে। দেশী গরু বেশী পাওয়া যায়।

৩৮. ভরতখালী হাট, সাঘাটা, গাইবান্ধা। শনিবার আর মঙ্গলবার। দেশি গাভি, লাল বাসুর ইত্যাদি পাওয়া যায়।

৩৯. আরিচা হাট প্রতি শুক্রবার ও মঙ্গলবার। আরিচা হাট থেকে গরু ক্রয় করার কিছু সুবিধা আছে। এই গরুগুলো বেশিরভাগ আসে চর এলাকা হতে। গরুগুলো শুধুমাত্র চরের ঘাস খাওয়ায় অভ্যাস্ত। চরের এই গরুগুলো মোটাতাজা করন প্রকল্পের জন্য বেশ সুবিধাজনক।

৪০. ছনকা বাজার, সাটুরিয়া, মানিকগঞ্জ। শুক্রবার। চরাঞ্চলের গরু পাওয়া যায়।

৪১. চতুরহাট,বেড়া,সি এন্ড বি বাজার,পাবনা। প্রতি মঙ্গলবার বসে। সাহিওয়াল আর পাবনার লাল গরুর জন্য বিখ্যাত।

৪২. বনগাওহাট ,পাবনা জিলা।প্রতি মঙ্গলবার বসে। ক্রস গরু বেশী পাওয়া যায়।

৪৩. পুষ্পপাড়াহাট ,পাবনা। প্রতি সোম ও বৃহস্পতিবার। দেশী ও ক্রস গরু পাওয়া যায়।

৪৪. হাজিরহাট,পাবনা জিলা। প্রতি মঙ্গল ও শুক্রবার বসে। দেশী ও ক্রস গরু পাওয়া যায়।

৪৫. আওতাপাড় হাট, পাবনা জিলা। প্রতি রবি ও বুধবার। দেশী ও ক্রস গরু পাওয়া যায়।

৪৬.পাবনা জেলার চাটমোহর উপজিলার রেলবাজার হাট। প্রতি রবিবার বসে। গাভীর জন্য বিখ্যাত।

৪৭. অরোনকুলা হাট, ইশ্বরদী ,পাবনা। প্রতি মঙ্গলবার বসে। ফ্রিজিয়ান ও ক্রস গরুর জন্য বিখ্যাত।

৪৮. সখিপুর হাট, সখিপুর উপজিলা শরিয়তপুর জিলা।প্রতি বুধ ও শুক্রবার৷ বসে। সখিপুরের হাটটি খাশি এবং ষাড় গরুর জন্যে ভাল।

৪৯. ঘরিষার হাট, নড়িয়া উপজিলা, শরিয়তপুর জিলা। প্রতি সোমবার বসে। দেশী গরু পাওয়া যায়।

৫০. ভোজেশ্বর হাট, প্রতি শুক্রবার (নড়িয়া থানা, শরিয়তপুর জেলা) ভোজেশ্বর হাটটি খাশি এবং গরুর জন্যে মোটামুটি ভাল।

৫১. লাউখোলা হাট, প্রতি বৃহস্পতি বার (জাজিরা থানা, শরিয়তপুর জেলা) লাউখোলার হাটটি দুধের
গরুর জন্যে নামকরা তবে বুঝে শুনে না কিনলে ধরা খাওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।

৫২. মনোরা হাট, হাটবার সোমবার (পালং থানা, শরিয়তপুর জেলা) মনোরার হাটটি শুনেছি দুধের গরুর জন্যে খুবই ভাল তবে তথ্য দাতা এখনো হাটে যাননি।

৫৩. হযরতপুর হাটবার। প্রতি শনিবার ঢাকার কাছের হাট। সব ধরনের গরু পাওয়া যায়। ষাড় গরু বেশী পাওয়া যায়।

৫৪. পাড়াগ্রাম বা পারাগাও হাট। (সেরুমিয়া) হাটবার প্রতি বুধবার। ঢাকার কাছের হাট। সব ধরনের গরু পাওয়া যায়। ষাড় ও কসাই গরুর জন্য নামকরা হাট।

৫৫. চালাকচর হাট, মনোহরদ, নরসিংদী জেলা। প্রতি সোমবার বসে। দেশী গরু বেশী পাওয়া যায়।

৫৬. মনোহরদী হাট, নরসিংদী জেলা। প্রতি বুধবার বসে। দেশী ও ক্রস গরু পাওয়া যায়।

৫৭. নেত্রকোনা জেলা শহরের রাজুরবাজার নামক স্থানে প্রতি শনিবার বিশাল গরুর হাট বসে।

৫৮. রাজশাহী সিটি হাট। হাটবার রবিবার ও বুধবার। বড় সাইজের ইন্ডিয়ান ও দেশী ষাড় গরুর জন্য নামকরা। তবে দালালের আধিক্য বেশী।

৫৯. আজমীরিগন্জ, হবিগন্জ জেলা। প্রতি রবিবার। ৯৫%দেশি গরুর সমাহার।

৬০. ফরিদপুর টেপাখোলা হাট। প্রতি মঙ্গল বার বসে দেশী গরুর জন্য ভালো ও বড় হাট।

৬১. তেবাড়িয়া হাট, নাটোর সদর। প্রতি রবিবার বসে। দেশি ও ইন্ডিয়ান গরুর বড় হাট। ক্রস গরুও পাওয়া যায়।

৬২. মৌখাড়ার হাট, বড়াইগ্রাম, নাটোর। প্রতি শুক্রবার বসে। দেশি জাতের গরুর জন্য ভালো।

৬৩. হবিগঞ্জ জেলা মাধবপুর, হাটবার শুক্রবার। এখানে নাকি সারা রাত ক্রয়-বিক্রয় হয়।

৬৪. বৈরাতি হাট, মিঠাপুকুর, রংপুর। হাটবার শনিবার ও মঙ্গলবার। দেশী ষাড়, গাভী ও ক্রস গরু পাওয়া যায়।

৬৫. চাঁপাইনবাবগঞ্জ এর মল্লিকপুর হাট। প্রতি শনিবার বসে। সব ধরনের গরু পাওয়া যায়।

৬৬. দিনাজপুর জেলা চিরিরবন্দর থানা, রানিরবন্দরের বিশাল গরুর হাট, হাটবার সোমবার ও বৃহস্পতিবার।

৬৭. রংপুর জেলা বদরগঞ্জ থানা হাট। সোমবার ও বৃহস্পতিবার। দেশী ষাড় ও গাভী বেশী পাওয়া যায়।

৬৮. পাবনা জেলার হাজীর হাট নামকরা হাট। শুক্রবার ও মঙ্গলবার বসে। দেশী, শাহিওয়াল, ক্রস, পাবনা ব্রীড সহ সব ধরনের গরু পাওয়া যায়।

৬৯. সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুর শুক্রবার এবং বেলকুচি বুধবারে বিশাল হাট।

৭০. গাজীপুর, শ্রীপুর, মাওনা। হাটবার বৃহস্পতিবার। মূলত দেশী ও ক্রস গরু পাওয়া যায়।

৭১. টাংগাইল জেলার মির্জাপুর উপজিলার কাইতলা হাট, প্রতি শনিবার। দেশী ও শাহীওয়াল বেশী পাওয়া যায়। ফ্রিজিয়ান ক্রস ও পাওয়া যায়।

৭২. শিমুলিয়া হাট, পুর্বাচল, ঢাকা। প্রতি সোমবার। সব ধরনের গরু পাওয়া যায়। তবে ষাড় বেশী পাওয়া যায়।

৭৩. সারুলিয়া হাট, ডেমরা, ঢাকা। প্রতি বৃহস্পতিবার। সব ধরনের গরু পাওয়া যায়।

৭৪. বালুরমাঠ হাট, ফতুল্লা, নারায়ণগঞ্জ। প্রতি মংগলবার বসে। সব ধরনের গরু পাওয়া যায়।

৭৫. উদয়পুর হাট, মোল্লাহাট উপজিলা, বাগেরহাট জেলা। অনেক পুরানো এবং ঐতিহ্যবাহী হাট। প্রতি রবিবার বসে। দেশী গরু বেশী পাওয়া যায়৷

৭৬. শৈলদাহ হাট। চিতলমারী থানা, বাগেরহাট জেলা। আর হাট বসে সোম ও শুক্রবার। প্রধানত দেশী গরু পাওয়া যায়।

৭৭. ঝিনাইদহের খালিশপুর হাট, শুক্র ও সোমবার বসে। গরু, মহিষ, ছাগল, ভেড়া সব কিছুই পাওয়া যায়।

৭৮. ঝিনাইদহের পুরাপারা হাট। প্রতি রবি ও বুধবার। বলদ গরু ও বেশী গরু বেশী পাওয়া যায়।

৭৯. চন্দ্রপুর হাট (পালং থানা,জেলা শরিয়তপুর) প্রতি মঙ্গলবার দুধের গরু বাদে মোটামুটি সব গরুই পাওয়া যায়।

৮০. শিমুলিয়া বাজার, কিশোরগঞ্জ জেলা। প্রতি সোমবার। সব ধরণের গরু পাওয়া যায়।

৮১. আজমেরীগঞ্জ গরুর হাট, আজমেরীগঞ্জ উপজিলা, হবিগঞ্জ জিলা। অনেক বড় হাট। গরু মহিষ ছাগল সবই পাওয়া যায়। প্রতি রবিবার।

৮২. চৌমুহনী বাজার, প্রতি রবিবার, কুটি, কসবা, বিবাড়িয়া।
সাধারণত সব গরুই পাওয়া যায়। দাম ও ৪০-৫৫ হাজারে ছোট ষাড়, গাভি, আবাল উঠে।

৮৩. বাইশমৌজা বাজার, প্রতি মঙ্লবার বসে। আশুগঞ্জ, বিবাড়িয়া।
বলা হয় অত্র অঞ্চলের সবচেয়ে কম দামে গরু পাওয়া যায় এখানে।

৮৪. ময়নামতি বাজার, প্রতি শুক্রবার বসে। কুমিল্লা। ভারতীয় গরুর আধিক্য বেশি।

৮৫. হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর এর মনতলা পার হয়ে চেঙার বাজার হাট। এটা মাধবপুর এর সবচেয়ে বড় হাট।সপ্তাহে রবি ও বুধবার বসে।সব ধরনের গরু পাওয়া যায়।

৮৬. সিরাজগঞ্জ জিলার উল্লাপাড়া উপজিলার বোয়ালিয়া হাট। অনেক বড় হাট, বিশেষ করে গাভীর জন্য। প্রতি রবিবার।

৮৭. সিরাজগঞ্জের কালিয়াকান্দাপাড়া হাট, প্রতি বৃহস্পতিবার। শাহিওয়াল, ফ্রিজিয়ান দেশী ষাড় ও গাভী পাওয়া যায়।

৮৮. সিরাজগঞ্জের নলকা হাট , প্রতি বুধবার। ফ্রিজিয়ান ও পাবনা ব্রীডের জন্য নামকরা।

৮৯. সিরাজগঞ্জের চন্ডিদাস গাতী হাট, প্রতি শুক্রবার। ফ্রিজিয়ান, গাভী, শাহিওয়াল বকনা গাভী, পাবনা ব্রীড ভালো পাওয়া যায়।

৯০. শিয়ালমারী, উথলী, জীবননগর, চুয়াডাঙ্গা। বাংলাদেশের অন্যতম বড় একটি গরুর হাট। বিশেষ করে ষাড় গরুর জন্য। প্রতি বৃহস্পতিবার বসে।

৯১. মিরশান্নি বাজার, চৌদ্দগ্রাম, কুমিল্লা। প্রতি বুধবারে বসে। মোটামুটি সব ধরনের গরু পাওয়া যায়।

৯২. নীলফামারী জিলার বাসুনিয়া হাট। সব ধরনের গরু উঠে দাম ও কম। শুক্রবার সারাদিন।

৯৩. লালমনিরহাট জিলার পাট গ্রাম হাটে ইন্ডিয়ান গরু বেশি পাওয়া জায়। দাম মোটামুটি৷ রবিবার ও বৃহস্পতিবার সকাল ৫.৩০ টা - ১১ টা।

৯৪. চাঁদপুর জেলার বড় হাট, সফরমালি হাট। হাট বসে প্রতি সোমবার। সব ধরনের গরু পাওয়া যায়।

৯৫. মনিপুরা বাজার, রায়পুরা নরসিংদী। প্রতি বৃহস্পতিবার। প্রধানত দেশী গরু পাওয়া যায়।

৯৬. মৌলভীবাজার জিলার জুড়ী গরুর হাট বৃহস্পতিবার ও সোমবার। বাওরের দেশী পাওয়া যায়।

৯৭. মৌলভিবাজার জেলার ফুলতলা হাট। বসে প্রতি শনিবার। প্রধানত দেশী গরু পাওয়া যায়।

৯৮. আমবারি হাট, দিনাজপুর প্রতি শুক্র বার ও সোম বার বসে,, শাহিওয়াল বাছুর থেকে ভাল মানের গাভি ও ষাড় পাওয়া যায়।

৯৯. জিনাইদহ জিলার মংবার বইডাংগা বাজার। প্রতি মংগলবার বসে। অনেক ভাল জাতের গরু পাওয়া যায়।

১০০. চুয়াডাংগার ডুগডুগি হাট। বড় সাইজের গরুর জন্য বিখ্যাত। ক্রস ও দেশী ষাড় ও বলদ ভালো পাওয়া যায়। প্রতি সোমবার বসে।

১০১. চুয়াডাংগার শিয়ালমারি হাটে ক্রস, ইন্ডিয়ান ও বলদ গরু পাওয়া যায়। প্রতি বৃহস্পতিবার বসে।

১০২. মৌলভিবাজারের মুন্সিবাজার হাটে প্রায় ৯০% দেশী গরু পাওয়া যায়। হাটবার প্রতি বুধবার।

১০৩. মৌলভিবাজারের রাজনগর উপজিলার টেংরা বাজার। দেশি, শাহীওয়াল, ক্রস, ফ্রিজিয়ান, গাভী সহ বাচ্চা পাওয়া যায়। প্রতি রবিবার বসে হাট।

১০৪. সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ বাজারে ও সব ধরনের গরু পাবেন। হাটবার প্রতি শনিবার বসে।

১০৫. মৌলভিবাজারের কুলাউড়ায় ব্রাম্মন বাজার হাটে সব ধরনের গরুর পাশাপাশি মহিষ ও পাওয়া যায়। প্রতি সোমবার বসে এই হাট।

১০৬. সিলেটের জৈন্তাপুর গরুর হাট বর্ডার সাইটে থাকায় ইন্ডিয়ান ষাড় ও বলদ পাওয়া বেশি। দেশি গাভী সহ বাচ্চা ও বিক্রি হয় এই হাটে। ইন্ডিয়ান গরুর একটা বড় হাট।

১০৭. সাতক্ষীরার পারুলিয়া হাট। প্রতি রবিবার। প্রধানত দেশী ষাড় ও গাভী পাওয়া যায়।

১০৮. পিংনা হাট, সরিষাবাড়ি, জামালপুর। শুক্রবার বসে। দেশী, শাহীওয়াল ফ্রিজিয়ান জাতের ছোট বড় মাঝারি সকল ধরনের গরু পাওয়া যায়।

১০৯. কুমিল্লা জেলার হোমনা ঘারমোড়া বাজার বসে প্রতি সোমবার। সব ধরনের গরু পাওয়া যায়।

১১০. কুমিল্লা জিলার তিতাস উপজিলার বাতাকান্দি হাট। প্রতি বুধবার বসে৷ সব ধরনের গরু পাওয়া যায়।

১১১. যশোরের চৌগাছা হাট। প্রতি সোমবার ও বুধবার বসে। দেশী গরু, গাভী, কসাইয়ের গরু এবং ছোট গরু বেশী পাওয়া যায়।

১১২. নিলফামারী সদর হাট। বুধবার এবং রবিবার বসে। সব ধরনের দেশী ও ইন্ডিয়ান গরু পাওয়া যায়।

১১৩. ঠাকুরগাও জেলার যাদুরানী হাট। প্রতি মজ্ঞলবার বসে। সকল প্রকার দেশী গরু পাওয়া যায়।

১১৪. বরিশালের গৌরনদী থানার পাশেই কসবার হাট। প্রতি বৃহস্পতিবার বসে। সব ধরনের গরু পাওয়া যায়।

১১৫. নাকালিয়া বাজার হাট, বেশি বড় না, চড় অঞ্চলের গরু বেশি পাওয়া যায়, প্রতি রবিবার, উপজেলা বেড়া, জেলা পাবনা। যুমুনা নদীর পাড়ে।

১১৬. সিলেট এর হরিপুর বাজার।প্রতিদিন হাট বসে। এখানে ইন্ডিয়ান সব গরু পাওয়া যায়।এই বাজার মুলত মাংসের বাজার।

১১৭. দারিয়াপুর হাট, গাইবান্ধা সদর থেকে আট কিলো মিটার উত্তরে অবস্থিত।এখানে সাধারনত তিস্তা ও ব্রক্ষ্মপুত্র নদের চরাঞ্চলের দেশি গরু পাওয়া যায়। মংগলবার ও শুক্রবার বসে।

১১৮. ইখড়ি হাট, তেরখাদা, রূপসা ,খুলনা । প্রতি শুক্রবার। মূলত স্থানীয় ও দেশী জাতের গরু পাওয়া যায়।

১১৯. শরীয়তপুরের সবচেয়ে বড় গরুর হাট হলো কাজির হাট, জাজিরা, শরীয়তপুর। হাট বসে বৃহস্পতিবার ও রবিবার। দেশী গরু বেশী পাওয়া যায়।

১২০. ফরিদপুর টেপাখোলা হাট। প্রতি মঙ্গলবার বসে। দেশী ষাড় গরুর জন্য ভালো হাট।

১২১. মাদারিপুর হাট। মাদারিপুর সদরে। প্রতি বুধবার বসে। দেশী গরু খুব পাওয়া যায়।

১২২. মাদারিপুর জেলায় টেকের হাট গরুর হাট। ব্রীজের কাছে৷ প্রতি বুধবার বসে। দেশী গরু ভালো পাওয়া যায়।

১২৩. লালমনিরহাটের বড়বাড়ি হাট। প্রতি বুধবারে হাট বসে। অনেক দেশী ও ইন্ডিয়ান গরু পাওয়া যায়।

১২৪. ময়মনসিংহ জেলার লক্ষীগঞ্জ হাট। প্রতি মঙ্গলবার বসে। দেশী গরুর আধিক্য দেখা যায় এই হাটে।

১২৫.ময়মনসিংহ জেলার মুক্তাগাছা হাট। হাট প্রতি বুধবার বসে। দেশি ও ফ্রিজিয়ান গরু বেশী পাওয়া যায়।

১২৬. হবিগঞ্জের মাধবপুরের ফান্দাগের হাট। প্রতি বৃহস্পতিবার বসে। দেশী গরু ভালো পাওয়া যায়।

১২৭. শেরপুরের পাঠাকাটা হাট। প্রতি রবিবার বসে। মুলত দেশী গরু ছাগল পাওয়া যায়।

১২৮. শেরপুরের নকলা হাট। প্রতি বৃহসপতিবার বসে। দেশী গরু ও ছাগল ভালো পাওয়া যায়।

১২৯. শেরপুরের নালিতাবাড়ী হাট। প্ররি মংগলবার বসে। দেশী গরু পাওয়া যায়।

১৩০. ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট হাট। প্রতি বৃহসপতিবার বসে। দেশী গরু ভালো পাওয়া যায়।

১৩১. চাপাইনবাবগঞ্জ সদরে বটতলা হাট। প্রতি শুক্রবারে বসে। সব ধরনের গরু পাওয়া যায়।

১৩২. চাপাইনবাবগঞ্জ, শিবগঞ্জের তত্তিপুর হাট। প্রতি শনিবার ও মঙ্গলবার বসে। সব ধরনের গরু পাওয়া যায়।

১৩৩. চাপাইনবাবগঞ্জের কআনসাটের খাসের হাট। প্রতি সোমবার ও শুক্রবার বসে। প্রায় সব ধরনের গরুই পাওয়া যায়।

১৩৪. ফেনীর ছাগলনাইয়া উপজিলার ঐতিহ্যবাহী চাঁদগাজী হাট। প্রতি সোমবার ও বৃহসপতিবার বসে। সব ধরনের গরু ছাগল পাওয়া যায়।

১৩৫. ফেনী জেলার ফুলগাজী উপজেলার মুন্সিরহাট। প্রতি শুক্রবার ও মঙ্গলবার বসে। সব ধরনের গরু পাওয়া যায়।

১৩৬. কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার চিওড়া কাজীর বাজার।রবীবার ও বৃহস্পতিবার বাজার বসে। সব ধরনের গরু পাওয়া যায়।

১৩৭. যশোর জেলার মনিরামপুর (থানা) গরুর হাট। হাটের দিনঃ শনিবার ও মঙ্গলবার। ছোট বড় সব ধরনের গরু ছাগলের হাট। ঢাকা থেকে মনিরামপুরের যে কোন গাড়ীতে উঠে সরাসরি হাটের সামনে নামতে পারবেন।

১৩৮. ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলায় বাটাজোর বাজারে সব ধরনের গরু বেচা কেনা হয়,। হাট বসে শুক্রবার ও মঙ্গলবার।

১৩৯. ঝিনাইদহ জেলার কালীগঞ্জ উপজেলার গাজীর বাজারে প্রতি সোমবার গরু ছাগলের হাট বসে।

১৪০. শঠিবাড়ী হাট, মিঠাপুকুর, রংপুর। প্রতি রবিবার ও বৃহস্পতিবার হাট বসে। বিশাল গরুর হাট ।

১৪১. সাতক্ষীরার সাবেক বৈকারী হাট। ত‌বে ওখা‌নে এখন হাট হয় না। হাট হয় আবা‌দেরহাট শ‌নি ও মঙ্গল বার। ইন্ডিয়ান বলদ বেশি পাওয়া যায়।

১৪২. ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজিলার চৌমুহনী বাজার। দেশি, ইন্ডিয়ান ক্রস ফ্রিজিয়ান সব ধরনের গরু পাওয়া যায়। বাজারের আয়তন ১৯০ শতক। হাট বসে রবিবার সকাল ৮.০০ টা থেকে। হাসিল মাত্র ৩০০ টাকা।

১৪৩. বর্তমানে নোয়াখালী তে সোনাইমুড়ি উপজেলার আমকি বাজার সবচেয়ে বিখ্যাত। ক্রস, শাহিওয়াল, দেশি বাচ্চা গরু প্রচুর পরিমানে পাওয়া যায়। দেশি গাভিও ওঠে। প্রতি সপ্তাহে একদিন সোমবার।
বিশেষ করে কুমিল্লা ব্যাপারি গন কমপক্ষে ১৫০/২০০ বাছুর সংগ্রহ করে নিয়ে যায়।

১৪৪. পুটিয়া হাট, শিবপুরি থানা, নরসিংদী জেলা। এখানে গরু, ছাগল, মহিষ, ভেড়া, ঘোড়া, সবই আসে। নরসিংদী জেলা সবচেয়ে বড় হাট, প্রতি শনিবার হাট বসে।

১৪৫. চুয়াডাংগা জেলার আলমডাঙ্গা হাট। এই এলাকার আশপাশে সর্ব বৃহৎ হাট। প্রতি বুধবার হয় এই হাট।

ধন্যবাদ সবাইকে।

boy vs girl
07/02/2026

boy vs girl

Address

Nilerpara Joydevpur
Gazipur

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Sarkar Cattle Farm posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share