Jahan Water Techonolgy

Jahan Water Techonolgy জাহান ওয়াটার টেকনোলজি রাজধানী ঢাকায় ?
(3)

জাহান ওয়াটার টেকনোলজি রাজধানী ঢাকায় অবস্থিত একটি পানির সরঞ্জামাদি সম্পর্কিত প্রতিষ্ঠান।ঢাকায় অবস্থান হলেও এর কাজের পরিধি সমগ্র দেশব্যাপি।আমাদের প্রধান কাজ হচ্ছে সুপেয় পানির ব্যাবস্থা করা এবং পানির গুনাগত মান এর উন্নয়ন করা। বিশ্ববিখ্যাত রিভার্স অসমসিস(আর ও) মেশিন এর যাবতীয় খুটি নাটি বিষয়ের উত্তম সমাধান এর ঠিকানা আমাদের জাহান ওয়াটার।আমাদের প্রধান কাজ সমূহ হচ্ছে-মেশিন স্থাপন,সংস্কার ও এর সাথে সম্পর্ক

িত যাবতীয় পার্স এর সরবরাহ।।মূলত আমরা চায়না,তাইওয়ান ,ইন্ডীয়া ও আমেরিকান মালামাল সংগ্রহ ও সরবরাহ করে থাকি।

আপনার আত্মতৃপ্তি আমাদের সাফল্য।সুস্থ থাকুন সাথে থাকুন।ধন্যবাদ।

Address

Station Road, Tongi
Gazipur
1702

Telephone

+8801776184611

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Jahan Water Techonolgy posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Jahan Water Techonolgy:

Share

ফুটানো পানি কি নিরাপদ?

কখনোই নয়। কারণ, পানি ফুটালে কিছু জীবাণু মারা যায় কিন্তু ক্ষতিকর বিভিন্ন পদার্থ যেমনঃ সিলিকা, আর্সেনিক, ক্লোরিন, ব্লিস, সীসা, ক্যাডমিয়াম, পারদ, ক্রোমিয়াম, বেরিয়াম, ফেরোসায়ানাইড ইত্যাদি পদার্থ পানিতে থেকেই যায়। অপর দিকে পানি ফুটালে পানির গুনগতমানও নষ্ট হয়। পানিতে উপস্থিত জীবানু সমূহের তাপসহন ক্ষমতার চেয়ে বেশি তাপে পানি ফুটানো হলে জীবনুসমূহ মারা যায়; এই নীতির উপর ভিত্তি করে, ফুটানো পানিকে সাধারন মানুষ নিরাপদ বলে দাবি করে থাকে। অধিকাংশ জীবানু ১০০ ডিগ্রী সেলসিয়াস তাপমাত্রায় মারা গেলেও জীবানুর মৃতদেহ অপদ্রব্য হিসেবে রয়ে যায়। কিছু জীবানু পানিতে ১০০ ডিগ্রী সেলসিয়াস তাপমাত্রায়ও জীবিত রয়ে যায়। যেমন: Tardigrade (Water bear), Clostridium ইত্যাদি। এছাড়া পানিতে থাকা দ্রবীভূত ও অদ্রবীভূত পদার্থসমূহ ফুটানোর মাধ্যমে দূরীভূত হয় না।

অপরদিকে ফুটানো পানি সাধারনত যে সকল পাত্রে রাখা হয় তা বাতাসের সংস্পর্শে পূনরায় জীবানু ও অপদ্রব্য দ্বারা দূষিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়ে যায় । ফুটানো পানিতে থাকা জীবিত জীবানুসমূহ, জীবানুর মৃতদেহ, দ্রবীভূত ও অদ্রবীভূত পদার্থসমূহ মানবদেহের জন্য নি:সন্দেহে ক্ষতিকর । জীবিত জীবানুসমূহ মানবদেহে তাৎক্ষনিক রোগ সৃষ্টি করে এবং জীবানুর মৃতদেহ, দ্রবীভূত ও অদ্রবীভূত পদার্থসমূহ (সীসা, ক্যাডমিয়াম, ক্রোমিয়াম, আর্সেনিক) ধীরে ধীরে ক্যান্সারসহ বিভিন্ন মরনঘাতী রোগ সৃষ্টি করে।