MZ Enterprise

MZ Enterprise Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from MZ Enterprise, Grocers, Jadia.

04/08/2026

কফি পোষ্ট:-
গতকাল বিদ্যুৎ বিভাগের আমলারা এদেশের সাধারণ মানুষকে হুমকি দিয়েছে। ঠিক একইভাবে সচিবালয় থেকে শুরু সব মন্ত্রণালয় একটার পর একটা ব্লান্ডার করে সরকারকে বিপদে ফেলতেছে।

স্বয়ং মির্জা ফখরুল স্যার আমলা আর সচিবদের দূর্নীতে নিয়ে তটস্থ।

প্রধানমন্ত্রী আমলাদের গাড়ি, বিদেশ সফরে ব্যয় কমানোর কথা বললে উল্টো প্রধানমন্ত্রীকেই এই দূর্নীতিবাজ খাইখাই আমলারা চাপ দিয়ে এই আদেশ প্রত্যাহার করিয়েছে।

কত বড় দু:সাহস!

এই সচিব আর আমলাদের প্যাকেট করে দিতে হবে। এখন অনেকেই বলেন একসাথে প্রশাসনে হাত দিলে আমলা বিদ্রোহ হবে। সরকার বিপদে পড়বে।

এক্ষেত্রে তারেক রহমান সরাসরি শি জিনপিংকে অনুসরণ করতে পারেন।

আজকে চীন যে সারাবিশ্বে সুপার পাওয়ার হিসাবে আবির্ভূত হয়েছে তার পেছনে শি জিনপিং এর আমলা এবং আর্মি জেনারেলদের টাইট দেয়ার পলিসি সবচেয়ে বেশি ইফেক্টিভ ছিলো।

একটা সময় চীনেও করাপশনের ছড়াছড়ি। কোনো ফ্যাক্টরি বসাইতে গেলেই ঘুষ দাও, অনুমোদন নিতে যাও ঘুষ দাও, লাইসেন্স করতে যাও ঘুষ দাও এরকম একটা পরিস্থিতি ছিলো।

ক্ষমতায় এসেই ২০১৩ সালে শি সবার আগেই টাইগার এন্ড ফ্লাইস ক্যাম্পেইন শুরু করলেন।

টাইগার বা বাঘ বলা হত সরকারের উচ্চপদস্থ সচিব, ক্যাডার সার্ভিসের সাথে যারা জড়িত যেমন পুলিশ, প্রশাসন বা টপ আর্মি জেনারেল যারা তাদেরকে।

আর ফ্লাইস বা মাছি হলো একদম মাঠ পর্যায়ের সরকারি কর্মী যারা। যেমন বিভিন্ন সরকারি অফিস বা দপ্তরের নন ক্যাডার সার্ভিসের চাকরিজীবীদের মত আরকি।

এই ক্যাম্পেইন করে শি সবার আগে টার্গেট করে বাঘ এবং মাছি দুইটাকেই একদম সাবার করে ফেলেন। যে যতই ক্ষমতাবান হোক, যার যত বড়ই পদ হোক কেউ ছাড় পাবেনা।

নিম্নপদস্থ কর্মচারি ইভেন একটা কেরানি পর্যন্ত একটাকাও ঘুষ খাইলে তাকে সাথে সাথে পার্জ করা হইছে।

চীনের দুইটা সংস্থা আছে। একটা CCDI আরেকটা NSC।

এই CCDI সরাসরি কমিউনিস্ট পার্টির দলীয় মেম্বারদের ওপর গোপন নজরদারি চালায়। দলীয় পাওয়ার ইউজ করে কেউ কোনো করাপশন করলে তাকে সাথে আইনের আওতায় আনা হয়।

আর NSC সরকারি সচিব, আমলা, গভর্নর থেকে শুরু করে প্রত্যেকটা সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারির ওপর গোয়েন্দা নজরদারি চালায়।

আর গোয়েন্দা নজরদারিতে শি আমুল পরিবর্তন এনেছেন। একদম ক্যাশলেস ডিজিটাল অর্থনীতির মাধ্যমে প্রতিটা সরকারি বেসরকারি কর্মকর্তার পাই টু পাই টাকার হিসাব ট্র‍্যাক করা হয়।

আমলাদের ব্যক্তিগত ও পারিবরিক ব্যাংক অ্যাকাউন্ট, সম্পত্তি এবং কেনাকাটার ওপর নজর রাখতে বিগ ডেটা অ্যানালিটিক্স ব্যবহার করা হয়।

সরকারি প্রকিউরমেন্ট ও টেন্ডারিং প্রক্রিয়ায় AI পর্যবেক্ষণ করে কোথাও বাজারদরের চেয়ে বেশি দাম দেওয়া হচ্ছে কি না বা স্বজনপ্রীতি হচ্ছে কি না।

আরও ইন্টারেস্টিং একটা ফ্যাক্ট বলি। আমাদের বিসিএস ক্যাডার আমলাদের প্রমোশন হয় সিনিয়রিটির ভিত্তিতে। কে কত ব্যাচ, কত বছর চাকরি করেছে, কত সিনিয়র তার ওপর।

কিন্তু চাইনিজদের এই সিস্টেম একদম আলাদা।

প্রতি বছর স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় আমলাদের Key Performance Indicators (KPI) মূল্যায়ন করা হয়।

এই KPI হচ্ছে একটা কাইন্ড অফ স্কোর সিস্টেম। আঞ্চলিক জিডিপি গ্রোথ, দারিদ্র্য বিমোচন, পরিবেশ সুরক্ষা এবং সামাজিক স্থিতিশীলতার ওপর আমলাদের র‍্যাঙ্কিং এবং স্কোর নির্ধারিত হয়।

ধরেন আপনার বয়স মাত্র ২৫। কিন্তু আপনার KPI স্কোর অনেক হাই। আপনার সিনিয়রদেরকে টপকায়ে আপনার সাথে সাথে প্রমোশন হয়ে যাবে।

মানে প্রমোশন সিস্টেমটা টোটালি কাজের ওপর, সিনিয়রিটির ওপর না।

ইভেন যত বড় সিনিয়র আমলা হোক না কেন লক্ষ্যপূরণে ব্যর্থ হলে প্রমোশন বন্ধ হওয়া থেকে শুরু করে ডিমোশন অথবা চাকরিচ্যুতি ঘটে।

চীনে কোনো আমলা যদি লাল ফিতার দৌরাত্ম্য দেখিয়ে কোনো ফাইল আটকে রাখেন বা কোনো প্রকল্পের সিদ্ধান্ত নিতে দেরি করেন, তবে তাকে আনুষ্ঠানিকতার নামে কাজ ফাঁকি দেওয়ার অপরাধে শাস্তি পেতে হয়।

আপনি যত বড়ই হ্যাডাম আমলা হন না কোনো ফাইল একটা নির্দিষ্ট টাইমের বেশি আটকালেই সাথে সাথে ডিমোশন বা বরখাস্ত করবে আপনাকে।

বেইজিং থেকে কোনো পূর্বঘোষণা ছাড়াই প্রদেশ ও জেলাগুলোতে হঠাৎ ইনস্পেকশন টিম পাঠানো হয়।

তারা সরাসরি জনগণের সাথে কথা বলে এবং বিভিন্ন স্থানীয় সরকারি দপ্তরের কাজের গতির বাস্তব অবস্থা পর্যবেক্ষণ করে প্রতিবেদন জমা দেয়।

দেখেন একটা সময়ের চরম দারিদ্র্য চীন এখন সারাবিশ্বের ইকোনমিক পাওয়ার হাব। ইভেন আমেরিকা আর ইউরোপ এক করে দিলেও চীনের ইন্ডাস্ট্রিয়াল পাওয়ার এর সামনে এরা রীতিমতো শিশু।

আর এইটা একমাত্র পসিবল হইছে শি জিনপিং এর আমলা আর মিলিটারি জেনারেলদের টাইট দিয়ে লাইনে নিয়ে আসার কারণে।

আমাদের বাংলাদেশ এক টাইমে সারা দুনিয়ার পাওয়ার হাব ছিলো। গ্লোবাল জিডিপির ১২% এক এই বাংলা থেকে উৎপাদিত হত। আমাদের অর্থনীতি এতটাই বেশি পাওয়ারফুল ছিলো।

বৃটিশরা এসে আমাদের দূর্নীতির মধু খাওয়া শিখিয়ে গেলো সিভিল সার্ভিস চালু করে। তারপর থেকে আমরা পিছাতেই আছি।

আজ পাসপোর্ট, ভুমি অফিস, বিআরটিএ থেকে শুরু করে লিটারেলি প্রত্যেকটা সরাসরি দপ্তরে মানুষের সীমাহীন ভোগান্তি আর ঘুষ ছাড়া কোনে কাজ হয়না।

ইভেন তারেক রহমান আমলাদের ফালতু খরচ কমাইতে বললে এরা উল্টো প্রধানমন্ত্রীর ওপরেই চাপ সৃষ্টি করে এত বড় স্পর্ধা এদের।

আমার মতে তারেক রহমানের শি জিনপিং স্টাইলে একটা ম্যাসিভ পার্জ চালানো উচিত আমলাদের ওপর। চুড়ান্ত লেভেলের টাইট দিতে হবে প্রতিটা সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা কর্মচারিদের।

আমি জানি বাংলাদেশ কমিউনিস্ট দেশ না। এখানে চীনের মত সবকিছু কিছু করা পসিবল না।

তবে তারেক রহমানের যে পাওয়ারটা আছে সেইটা হচ্ছে টু থার্ড মেজোরিটি। বিএনপি চাইলেই এখন সংবিধান উলটপালট করে দিতে পারবে। যেকোনো আইন পাশ করতে পারবে। এইটা একটা অ্যাবসোলুট পাওয়ার। কারো বাধা দেয়ার ক্ষমতা নাই।

প্রথমে আর্মিতে লয়ালিস্ট নিয়ে এসে আর্মিকে একদম সরকারের প্রতি এবং সিভিল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন এর প্রতি লয়াল রাখতে হবে।

এরপর আমলাদের ওপর পার্জ শুরু করতে হবে। বিসিএস রিক্রুটমেন্ট সিস্টেম একদম চেঞ্জ করে ফালাইতে হবে।

প্রমোশন সিস্টেম হবে কাজের আর পারফর্মেন্স এর ওপর। সিনিয়র জুনিয়রের ইস্যু থাকবেনা। সিনিয়র আমলা কাজ না দেখাতে পারলে সাথে সাথে ডিমোশন।

বিদ্রোহ করলে রাষ্ট্রদ্রোহী আইনে মামলা করে চুড়ান্ত শাস্তি দিতে হবে।

দেশে ম্যাসিভ ডিজিটাল ইনফ্রাস্ট্রাকচার করা দরকার। প্রতিটা সরকারি সেবা যেনো অনলাইন বেজড হয় মানুষ ঘরে বসে ফোনের অ্যাপ বা পোর্টালে পেতে পারে।

যেকোনো ফাইল পাশ হবে সরাসরি ডিজিটাল এআই সিস্টেম এর মাধ্যমে অটোমেটিক। এআই যাচাই করবে ফাইল পাশের যোগ্য কিনা, টেন্ডার পাশের যোগ্য কিনা।

আমলাদের এই ফাইল সিগনেচার এর রাস্তা চিরদিনের জন্য বন্ধ করতে হবে। লাল ফিতার দৌরত্ব কমবেনা মানে।

তারেক রহমানের যদি সদিচ্ছা থাকে এইটা করা সম্ভব।

আমি বলছি সম্ভব। ২১৫ আসনের পাওয়ার কি আপনার আইডিয়া নাই। টু থার্ড মেজোরিটির পাওয়ার যদি কেউ প্রাকটিস করতে পারে সে চাইলে দেশ উলট পালট করে দিতে পারবে।

আমি বলতেছি এই সচিবদের যদি চুড়ান্তভাবে পার্জ করা যায় দেখবেন দেশ থেকে দূর্নীতি নাই হয়ে গেছে।

রাস্তার পিচ আর গলবেনা, গর্ত হবেনা, ব্রীজে রডের বদলে বাশ যাবেনা। পাসপোর্ট, ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে ঘুষ লাগবেনা। কেউ আপনার ফাইল ইচ্ছা করে আটকাইতেও পারবেনা।

সম্ভব ভাই সম্ভব। জাস্ট পাওয়ার প্রাকটিসটা করতে হবে। ভদ্রলোকের মত নিজেকে দূর্বল বানিয়ে বসে থাকলে কিছুই সম্ভব না।

15/07/2026

যারা পিতৃ পরিচয়হীন অবৈধ সন্তান
তারাই শুধু অপপ্রচার ও মিথ্যা সংবাদ প্রচার করে
সোশ্যাল মিডিয়ায় গুজব ছড়ায়
এই ছাত্র ছাত্রীদের দিয়ে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করা যাবেনা

আমি একটা জিনিস বুঝতে পারলাম না যে এই বিষয়ে ছাত্রশিবির এনসিপির কোন কথা নেই তারা কি মুখে ক্লুপ দিয়া বসে আছে নাকি এটা তারা...
15/07/2026

আমি একটা জিনিস বুঝতে পারলাম না যে এই বিষয়ে ছাত্রশিবির এনসিপির কোন কথা নেই তারা কি মুখে ক্লুপ দিয়া বসে আছে নাকি এটা তারাই উসকানি দিচ্ছে আবার এর সাথে মিশে আছে গুপ্ত লীগ সবকিছু কি পরিকল্পিত ভাবে করছে আমি নিশ্চিত অর সংঙ্গে গুপ্ত লীগ জড়িত

বটিয়াঘাটার রাজনীতি আজ ত্যাগী তৃণমূল নেতাকর্মীদের জন্য এক দুঃসহ বাস্তবতায় রূপ নিয়েছে।প্রতিটি ওয়ার্ড ও ইউনিয়নে দীর্ঘদিন ধর...
07/07/2026

বটিয়াঘাটার রাজনীতি আজ ত্যাগী তৃণমূল নেতাকর্মীদের জন্য এক দুঃসহ বাস্তবতায় রূপ নিয়েছে।প্রতিটি ওয়ার্ড ও ইউনিয়নে দীর্ঘদিন ধরে দলের জন্য নিঃস্বার্থভাবে কাজ করে যাওয়া নেতাকর্মীদের অবমূল্যায়ন করা হচ্ছে এবং তাদের পরিকল্পিতভাবে বাদ দেওয়া হচ্ছে।
উপজেলা পর্যায়ের কিছু নেতৃবৃন্দের চরম পক্ষপাতিত্ব,আত্মস্বার্থে পরিচালিত সিদ্ধান্ত এবং স্বজনপ্রীতি তৃণমূল পর্যায়ের কর্মীদের হতাশ করে তুলেছে।যাদের সঙ্গে ব্যক্তিগত স্বার্থ মিলে যায়, তারা পদ-পদবী পেয়ে যাচ্ছেন অনায়াসে। অন্যদিকে,নীতির প্রশ্নে আপোষ না করা নেতাকর্মীরা হচ্ছেন নিগৃহীত ও উপেক্ষিত।

এই পরিস্থিতিতে তৃণমূলের প্রকৃত ত্যাগী নেতাকর্মীরা আশ্রয় খুঁজছেন এমন এক নেতৃত্বের কাছে,যিনি দূরদর্শী,সৎ,সাহসী এবং তৃণমূলের স্বার্থে সর্বদা নিবেদিত। বটিয়াঘাটার এই অন্ধকার রাজনৈতিক বলয় ভেঙে স্মার্ট,আদর্শিক ও যুগোপযোগী রাজনীতির নেতৃত্ব দিতে পারেন একমাত্র জনাব খাইরুল ইসলাম খান জনি ভাই।

তাঁর মতো একজন ত্যাগী নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার করা শুধুমাত্র দুর্ভাগ্যজনক নয়,বরং তৃণমূল কর্মীদের প্রতি এক প্রকার অবিচার।
তাই আমরা তৃণমূলের প্রকৃত কর্মী ও শুভানুধ্যায়ীরা অনতিবিলম্বে জনি ভাইয়ের ওপর আরোপিত বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের জোর দাবি জানাচ্ছি।
স্মার্ট নেতৃত্ব এবং আদর্শিক রাজনীতির বিপ্লব ঘটাতে এখন জনি ভাইয়ের প্রয়োজন সবচেয়ে বেশি।

কেউ গিয়ে ওরে CDI দিয়ে অনেক দিন হলো চু’দা খায় না
02/07/2026

কেউ গিয়ে ওরে CDI দিয়ে অনেক দিন হলো চু’দা খায় না

24/06/2026

🥀The largest mangrove forest in the world🥀

🥀The largest mangrove forest in the world🥀
24/06/2026

🥀The largest mangrove forest in the world🥀

শুভ জন্মদিন ভাই! 🎉৩নং গঙ্গারামপুর ইউনিয়ন পরিষদের সফল চেয়ারম্যান, গণমানুষের নেতা জনাব মোঃ আসলাম হালদার ভাইয়ের জন্মদিনে জা...
19/06/2026

শুভ জন্মদিন ভাই! 🎉
৩নং গঙ্গারামপুর ইউনিয়ন পরিষদের সফল চেয়ারম্যান, গণমানুষের নেতা জনাব মোঃ আসলাম হালদার ভাইয়ের জন্মদিনে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। আপনার পথচলা আরো সুন্দর হোক।♥️♥️

🩸🇵🇸 ফিলিস্তিনের রক্ত আজও ঝরছে। অথচ মুসলিমরা ফুটবল তারকা, দল আর দেশের পেছনে বিভক্ত। ⚽️💔 মনে রাখুন, কিয়ামতের দিন মেসি-নেই...
07/06/2026

🩸🇵🇸 ফিলিস্তিনের রক্ত আজও ঝরছে। অথচ মুসলিমরা ফুটবল তারকা, দল আর দেশের পেছনে বিভক্ত। ⚽️💔 মনে রাখুন, কিয়ামতের দিন মেসি-নেইমার নয়, জিজ্ঞেস করা হবে মজলুমের পক্ষে কতটুকু দাঁড়িয়েছিলেন। 🤲 মুসলিমের পরিচয় আগে, দল-সমর্থন পরে। ☝️🕌

🚫 নিরপরাধ মানুষ হত্যা কখনো ন্যায় হতে পারে না। গাজায় চলমান ধ্বংসযজ্ঞ ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে আমাদের কণ্ঠ সোচ্চার হোক। 🇵🇸✊ “যেখানেই আগ্রাসন, সেখানেই প্রতিবাদ। ইরানের ওপর ইসরাইলি হামলা আন্তর্জাতিক আইন ও মানবতার প্রতি প্রশ্ন তোলে। নিরীহ মানুষের রক্তের দায় কেউ এড়াতে পারে না। অন্যায়ের বিরুদ্ধে কণ্ঠ তুলুন, মজলুমের পাশে দাঁড়ান। 🇮🇷✊🇵🇸”

🇵🇸✊🕊️

🇵🇸

🕊️
⚖️
🩸
🤲
❤️
🚫
☝️🕌

Address

Jadia

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when MZ Enterprise posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category