20/09/2026
ক্যান্সার সেল পৃথিবীর প্রতিটি মানুষের শরীরেই আছে।
এই সেলগুলো যখন অস্বাভাবিক ভাবে বেড়ে যায়, তখন ক্যান্সারের রূপ নেয়।
আর ক্যান্সার কিন্তু একদিনে তৈরি হয় না, অনেকদিন লাগে। আস্তে আস্তে এই সেলগুলো ক্যান্সারের রূপ নেয়।
কিন্তু আজ আমি নিজেই নিজের কাছে প্রশ্নবিত্ত
আমি ভাবলাম একজন বয়স্ক মানুষের ক্যান্সার তৈরি হতে অনেকদিন সময় লাগে
কিন্তু ছয় মাসের বাচ্চার যে ক্যান্সার হয় তাদের কিভাবে হয়?
অনেকেই বলবেন মায়ের কাছ থেকে হয়।
মা তো দিব্যি সুস্থ আছে।
এই ব্যাখ্যা কি সত্য?
নাকি আমরা নিজে নিজেই আবিষ্কার করেছি।
এ প্রশ্নের উত্তর হয়তো আমরা সহজে দিতে পারব না।
এখন একটা অন্য প্রসঙ্গে আসি।
খেয়াল করে দেখেছেন, দু'বছর ধরে ক্যান্সারের প্রবণতা টা অনেকটাই বেশি।
হঠাৎ করে ক্যান্সার বেড়ে যাওয়ার কারণটা কি?
ছোটবেলায় জানতাম, পান, বিড়ি, সিগারেট, জর্দা খেলে ক্যান্সার হবে।
এই কথার সাথে কি কোন মিল খুঁজে পান।
ছোট বেলায় কি কখনো শুনেছেন কোন বাচ্চার ক্যান্সার হয়?
বাচ্চাদের যে পরিমাণে ক্যান্সার হচ্ছে, আর একটা ছোট্ট বাচ্চা ওইটুকু বয়সে যা সহ্য করছে, তা যদি নিজ চোখে দেখেন, নিজেকে ধরে রাখতে পারবেন না।
অন্য দেশের তুলনায় আমাদের দেশে ক্যান্সার বেশি হচ্ছে কেন?
আচ্ছা ভাবলাম যে কোন কারনেই ক্যান্সারের প্রবণতা বেড়ে গেছে।
কিন্তু চিকিৎসার ব্যবস্থা কি বেড়েছে, সরকারি ক্যান্সার হসপিটাল কি বেড়েছে। সরকারি রেডিও থেরাপির মেশিন কি বেড়েছে, বাড়েনি।
একজন ক্যান্সার আক্রান্ত মানুষকে কেমো থেরাপি অথবা সার্জারির এক মাসের মধ্যে রেডিও থেরাপি দিতে হয়।
কয়জন মানুষ সেটা দিতে পারছে।
বেশিরভাগ ক্যান্সার আক্রান্ত মানুষই পারেনা।
একটা প্রাইভেট হসপিটালে রেডিওথেরাপির সিরিয়াল পেতে ৪-৫ মাস সময় লাগে
আমি নিজেই প্রথমবার দুমাস পরে ডেল্টা হসপিটালে সিরিয়াল পেয়েছিলাম।
সরকারি তো কোন কথাই নাই। অনেকে এক বছর পরেও ডেট পান
এইযে একজন মানুষের বারবার ক্যান্সার ব্যাক করছে, এটা একটা কারণ হতে পারে না।