Nayem Agro Farm

Nayem Agro Farm Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Nayem Agro Farm, Farm, KARIMGANJ, Kishoreganj.

29/05/2026

আলহামদুলিল্লাহ মাত্র ৭৫ দিনের পরিবর্তন।

আমাদের মতো অতি সহজে দ্রুত সময়ে আপনি ও গরু মোটাতাজাকরণ করতে পারবেন ইনশাআল্লাহ।

আপনারা যারা একটি মাত্র খাদ্য দিয়ে হাড্ডিষার বা শুকনো ষার গরু মাত্র ৬০ হতে ৭০ দিনে মোটাতাজাকরণ করার খাদ্য তালিকার অপেক্ষায় আছেন তাঁদের জন্য খাদ্য ও সাপ্লিমেন্ট তালিকাটি প্রকাশ করে দিলাম।

বর্তমান কাঁচামাল ও সাপ্লিমেন্ট এর মূল্য অনুযায়ী প্রায় ২০০ কেজি খাদ্যর পূর্ণাঙ্গ তালিকা দিচ্ছি ইনশাআল্লাহ:
♻️ মূল তালিকা ♻️
১। ভুট্টা - ৮০ কেজি = ২৪৮০ টাকা
২। DORB ৪০ কেজি = ৯৬০ টাকা
৩। DDGS - ১০ কেজি = ৪৩০ টাকা
৪। আতব ব্র্যান্ড - ২০ কেজি = ৩০০ টাকা
৬। সোয়ামিল - ২৫ কেজি = ১৫২৫ টাকা
৭। লবন - ৩ কেজি = ৪৫ টাকা
৮। ডালের ভুসি - ২০ কেজি = ৮৪০ টাকা
৮। সাপ্লিমেন্ট(২০ প্রকার)- ১৬কেজি = ২৩০৪ টাকা
------------------------------------------------------------------------
মোট ওজন:২১৪ কেজি // মূল্য : ৮৮৮৪ টাকা

♻️ প্রতি কেজি খাদ্য মূল্য : ৪১ টাকা ৫০ পয়সা ✅

বিঃদ্রঃ ভুসি দিয়ে কখনো গরু দ্রুত মোটাতাজাকরণ করা সম্ভব না🚫 ,
(৪৫ টাকা কেজির) ভুসি না দিয়ে এভাবে একটু কষ্ট করে খাদ্য তৈরী করে গরুকে খাওয়ান, এতে বাজারের শুধু ভুসি না ফিডের চেয়ে দ্রুত গরু মোটাতাজা হবে। সেই সাথে খরজ ও অনেক কমে যাবে ইনশাআল্লাহ।

♻️ সাপ্লিমেন্ট এর তালিকা ♻️

১। লাইসিন - ৫০০ গ্রাম = ১২০ টাকা
২। মিপ্রোন - ১০০ গ্রাম = ১৪০ টাকা
৩। টক্সিন - ২০০ গ্রাম = ৪৬ টাকা
৪। জাইম - ২০০ গ্রাম = ৮০ টাকা
৫।প্রবায়োটিক - ২০০ গ্রাম = ১১৬টাকা
৬।গ্রোথ প্রমুটার - ২০০ গ্রাম = ৮০টাকা
৭। সোডিয়াম - ৪০০ গ্রাম = ২৮ টাকা
৮। রুমেনই - ১০০ গ্রাম= ৬৫ টাকা
৯। মিনারেল - ৫০০ গ্রাম = ২০০ টাকা
১০। প্রিমিক্স - ৫০০ গ্রাম = ১৪০ টাকা
১১। এমসিপি- ২ কেজি = ২২০ টাকা
১২। অক্সিহোল্ড - ১০০ গ্রাম = ৬০ টাকা
১৩। গ্রো ম্যাক্স - ১০০ গ্রাম = ৬০ টাকা
১৪। বায়োসার্ফ - ১০০ গ্রাম = ৬০ টাকা
১৫। হ্যালকু - ১০০ গ্রাম = ৭২ টাকা
১৬। ফ্যাট - ৪০০ গ্রাম = ১৫২ টাকা
১৭। স্যালাইন - ৩০০ গ্রাম = ৬০টাকা
১৮। ফাইটেস(১০০০) - ১০০ গ্রাম = ২৫ টাকা
১৯। লাইমস্টোন - ৬ কেজি = ৭২ টাকা
২০। প্রোটিন - ৪ কেজি = ৫০৮ টাকা
-------------------------------_----------------------------------------মোট ওজন ১৬কেজি ১০০গ্রাম // মূল্য :২৩০৪ টাকা

বিঃদ্রঃ সাপ্লিমেন্ট গুলো সব জায়গায় সাধারণত পাওয়া যায় না, বিশেষ করে বড়ো ফার্মেসিতে বা ফিড মেইলে যোগাযোগ করলে পেতে পারেন, অন্যথায় অনলাইনে সংগ্রহ করতে পারবেন।

এমন পাইকারি মূল্য কাঁচামাল ও সাপ্লিমেন্ট পেতে যোগাযোগ করতে পারেন, সানফ্লাওয়ার এগ্রো লিমিটেড পেজে।

নতুন কিছু জানার থাকলে কমেন্টে জানাতে পারেন, খামার বিষয়ে আপনাদের সকল প্রয়োজনীয় তথ্য তুলে ধরবো, ইনশাআল্লাহ। ফলো দিয়ে আমাদের সাথেই থাকুন। প্রয়োজন অনুযায়ী পোস্টটি যে কোনো সময় পেতে শেয়ার দিতে টাইমলাইনে রেখে দিতে পারেন।

যাজাকাল্লাহ খাইরুন ♥️

#খামারিকাব্য ゚

আলহামদুলিল্লাহ, ৬৩ দিনের পরিবর্তন। গরুটির লোম পরিবর্তন হয়েছে, যে সকল তৈরির দানাদার খাবার ও প্রয়োজনীয় মেডিসিন দ্বারা গ...
04/05/2026

আলহামদুলিল্লাহ, ৬৩ দিনের পরিবর্তন। গরুটির লোম পরিবর্তন হয়েছে, যে সকল তৈরির দানাদার খাবার ও প্রয়োজনীয় মেডিসিন দ্বারা গরুটি আমি কুরবানী ঈদের জন্য প্রস্তুত করছি, নিচে তার একটি ১০০ কেজি দানাদার খাদ্যের তালিকা ও মেডিসিন গুলোর ব্যবহার সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরা হলো।
১/ ভুট্টা ভাংগা =২৫ কেজি
২/ ধানের গুড়া =২০ কেজি
৩/ গমের ভুসি =১০ কেজি
৪/ সয়াবিন খৈল=১৫ কেজি
৫/এঙ্কর ভুসি = ১০ কেজি
৬/মুসুর ভুসি =১০ কেজি
৭/সয়াবিন ভুসি= ৫ কেজি
৮/ শুটকির গুড়া =৩ কেজি
৯/ ডিসিপি পাউডার =১ কেজি
১০/ খাবার সোডা =১ কেজি
সবগুলো একসাথে মিক্সার করে খাদ্য তৈরি করতে হবে।
**** তৈরি কৃত দানাদার খাবার গুলো প্রতি ১০০ কেজি লাইভ ওয়েটের জন্য ১.৫ কেজি দানাদার খাবার দিতে হবে।
**** ঘাস এবং খড় এর ব্যবহার : ১০০ কেজি লাইভ ওয়েটের গরু কে প্রতিদিন ৫ কেজি ঘাস দিলেই চলবে,ঘাস যদি না থাকে তাহলে সারাদিনে তিন কেজি খড় দিলেই চলবে।
**** কৃমির ট্যাবলেট : এল টি ভেট কৃমির ট্যাবলেট বা যে কোনো কৃমির ট্যাবলেট প্রতি ৫০ কেজি লাইভ ওয়েট এর জন্য একটি কৃমির ট্যাবলেট দিতে হবে।
**** লিভার টনিক ও জিংক : কৃমির ট্যাবলেট খাওয়ানোর ২দিন পর থেকে সকালে লিভার টনিক এবং বিকেলে জিংক সিরাপ খাওয়াতে হবে ৭ দিন।
**** কলিজা কৃমির ইনজেকশন : কৃমির ট্যাবলেট দেয়ার ৭ দিন পর নাইটোনেক্স কলিজা কৃমির ইনজেকশন দিতে হবে। প্রতি ৫০ কেজি লাইভ ওয়েটের জন্য দুই মিলি ইনজেকশন দিতে হবে, ইনজেকশনটি অবশ্যই চামড়ায় দিতে হবে।
**** চামড়া কৃমির ইঞ্জেকশন : কলিজা কৃমির ইনজেকশন দেওয়া ৭ দিন পর চামড়া কৃমির ইনজেকশন ভারমিক দিতে হবে। প্রতি ৫০ কেজি লাইভ ওয়েটের জন্য ২ মিলি ইনজেকশন দিতে হবে,ইনজেকশনটি অবশ্যই চামড়ায় দিতে হবে।

*** প্রয়োজনীয় ভিটামিন মেডিসিন :
১/ কেটাফস ভিটামিন ইঞ্জেকশন। ৫ দিন পর পর ছোট ও মাঝারি গরুর ক্ষেত্রে প্রতি ১০০ কেজি লাইভ ওয়েট জন্য ১০ মিলি এবং বড় গরুর ক্ষেত্রে ২০ মিলি ইনজেকশন দিতে হবে। সেক্ষেত্রে ছোট এবং মাঝারি গরুকে মোট ৫ বার অর্থাৎ ৫০ মিলি এবং বড় গরুকে মোট ৫ বার অর্থাৎ ১০০ মিলি পর্যন্ত দিতে পারবেন।
২/ এম্যানোেভট ভিটামিন ইঞ্জেকশন। ৫ দিন পর পর ছোট ও মাঝারি গরুর ক্ষেত্রে প্রতি ১০০ কেজি লাইভ ওয়েট জন্য ১০ মিলি এবং বড় গরুর ক্ষেত্রে ২০ মিলি ইনজেকশন দিতে হবে। সেক্ষেত্রে ছোট এবং মাঝারি গরুকে মোট ৫ বার অর্থাৎ ৫০ মিলি এবং বড় গরুকে মোট ৫ বার অর্থাৎ ১০০ মিলি পর্যন্ত দিতে পারবেন।
৩/ রেনাসল Ad3 ভিটামিন ইঞ্জেকশন। ৫ দিন পর পর প্রতি ১০০ কেজি লাইভ ওয়েট জন্য ৫ মিলি এবং বড় গরুকে ১০ মিলি ইনজেকশন দিতে পারেন। সেক্ষেত্রে ছোট এবং মাঝারি গরুকে মোট ৩ বার অর্থাৎ ১৫ মিলি এবং বড় গরুকে মোট ৩ বার অর্থাৎ ৩০ মিলি ইনজেকশন দিতে পারেন।
***** ভিটামিন জাতীয় ইনজেকশন গুলো অবশ্যই মাংসে দিতে হবে।
**** ভিটামিন জাতীয় ইঞ্জেকশন গুলো ব্যবহারের জন্য অবশ্যই গরুকে আগে পরিপূর্ণ কৃমি মুক্ত করতে হবে।
***** বিক্রির ২ মাস আগে ভিটামিন জাতীয় ইনজেকশন গুলোর ডোজ কমপ্লিট করতে পারলে ভালো একটা রেজাল্ট পাওয়া যায়।
উপরিক্ত ভিটামিন গুলো যেকোনো দুইটা ইনজেকশন একসাথে একদিনে দিতে পারবেন, আরেকটা দিতে চাইলে মাঝখানে একদিন গ্যাপ রেখে দিতে পারবেন।
বিশেষ দ্রষ্টব্য : নতুন যারা আছেন, বুঝতে সমস্যা হইলে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন, আশা করি উত্তর দেয়ার চেষ্টা করব।

23/09/2025

💥আজকের আলোচনার বিষয় গরু কৃমি মুক্তকরণ।
"গরুর কৃমি বা পরজীবী" মূলত কি, এবং কিভাবে গরুকে সর্বোচ্চ"কৃমি" বা "পরজীবী মুক্ত করণ" করা যায় ।💥

♻️ ইনশা, আল্লাহ আশা করি ধর্য সহকারে এই বিষয়টি একবার পড়লে গরুর কৃমি ও গরুকে সর্বোচ্চ পরজীবী মুক্তকরণ বিষয়ে আর কোনো প্রশ্ন থাকবে না ♻️

💥♻️এই কৃমি বা পরজীবী গরুর বিভিন্ন ধরনের ক্ষতি সাধন করে ♻️

তাহলে প্রথমেই জেনে নেই গরুর পরজীবী মূলত কি?

♻️যে সব জীব বেঁচে থাকার জন্য ও বংশবিস্তারের জন্য গরুর অভ্যন্তরে ও বাহিরে বসবাস করে তাদেরকে গরুর পরজীবী বলে। গরর পরজীবের মধ্যে অন্যতম হলো : গোল কৃমি, ফিতা কৃমি, পাতা কৃমি, কলিজা কৃমি, ও উকুন, আটুলি, মাইট ।

♻️ গরুর পরজীবীকে আবার দুই ভাগেভাগ করা যায়।
💠 ১) অন্ত:পরজীবী।
💠২) বহি: পরজীবী।


💥💥আন্ত: পরজীবী💥💥
.......//..............//..................//................//..........
⏩ যেসব পরজীবী গরুর শরীরের অভ্যন্তরে বসবাস করে তাকে অন্তঃপরজীবী বলে।
যেমন: গোল কৃমি, ফিতা কৃমি, পাতা কৃমি, ও কলিজা কৃমি।

। 💥💥 বহি: পরজীবী 💥💥
.............//..........//..................//..............//..........
⏩ যেসব পরজীবী গরুর শরীরের বাহিরে বা উপরে বসবাস করে তাকে বহি:পরজীবী বলে।
যেমন : উকুন, আটুলি, মাইট।


💥💥 আক্রান্ত হওয়ার লক্ষণ ও সৃষ্ট সমস্যা💥💥..........//................//..................//..............//......
♻️ একটি গরু অন্তঃপরজিবি ও বহি:পরজীবী দ্বারা আক্রান্ত হলে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা দেখা দেয়। এই সমস্যা গুলোকেই মূলত অন্ত: পরজীবী ও বহি: পরজীবী আক্রান্ত গরুর লক্ষণ হিসেবে ধরা যায়। একটি গরুর যেসব সমস্যা দেখা দিলে মূলত গরুটি অন্ত:পরজীবী বা বহি:পরজীবী দ্বারা আক্রান্ত সে সমস্যা গুলো বা লক্ষণ গুলো হলো :

♻️ ১) আক্রান্ত প্রাণির ডায়রিয়ার উপসর্গ দেখা দেয়।
♻️২) ক্ষুধামন্দা ভাব বা লক্ষণ প্রকাশ পায়।
♻️ ৩) প্রাণির শরীরে রক্ত শূন্যতা দেখা যায়।
♻️ ৪) দেহত্বকের লোম উস্কো খুস্কো হয়ে যায়, অনেক সময় লোম ঝরে ঝরে যায় ।
♻️ ৫) প্রাণির ত্বকে প্রচন্ড চুলকানি হয়। এক পর্যায়ে প্রাণি চুলকানির জন্য শক্ত বস্তুর সাথে শরীর ঘষে । ফলে অনেক সময় চামড়া উঠে রক্ত বের হয়ে আসে ।
♻️৬) প্রাণির শারীরিক বৃদ্ধি ব্যাহত হয়, উৎপাদন ক্ষমতা হ্রাস পায়।

♻️ কোনো গরুর মধ্যে এসব লক্ষণ দেখা গেলে বুঝতে হবে যে সেই গরু পরজীবীতে আক্রান্ত ♻️

💥 💥চিকিৎসা 💥💥..........//..........//...........................//..........//........
♻️আমরা উপরন্তু আলোচনা থেকে বুঝতে পারলাম যে গরুর পরজীবী গুলো হলো : গোল কৃমি, ফিতা কৃমি, পাতা কৃমি ও কলিজা কৃমি এবং উঁকুন, আটুলি, মাইট।

💥তাহলে এই কয়েকটা পরজীবী জীব কে ধ্বংস বা নিয়ন্ত্রণ করতে পারলেই আমরা গরুকে সর্বোচ্চ কৃমি বা পরজীবী মুক্ত করতে পারবো এবং উপরন্তু সমস্যা গুলো থেকে আমাদের গরুকে হেফাজতে রাখতে পারবো। তাহলে আমরা যেভাবে আমাদের খামারের গরুকে সর্বোচ্চ কৃমি মুক্ত বা পরজীবী মুক্ত করি তার নিয়মাবলী এখানে তুলে ধরতেছি।।।

💥আমরা প্রথমত গরু কিনার ৭ দিন পর, গরুকে সর্বপ্রথম কৃমি মুক্ত বা পরজীবী মুক্ত করণের জন্য কীটনাশক জাতীয় গুলোর মধ্যে টেবলেট জাতীয় একটি ঔষুধ দেই। ঔষুধ গুলোর নাম হলো :

✅১) এলটি ভেট /৫০ কেজির জন্য ১ টা
✅২) রেনাডেক্স ভেট / ৫০ কেজির জন্য ১ টা
✅৩) এলটি ভেট ডিএস / ১০০ কেজির জন্য ১ টা
♻️(বিঃ দ্রঃ যে কোনো একটি দেই )

⚠️⚠️⚠️ শীতকালীন সময়ে আমরা গরুকে কৃমির টেবলেট এর পরিবর্তে "এ-মেকটিন প্লাস " ইনজেকশন করি চামড়ার নিচে ১০০ কেজি ওজনের জন্য ৩ মিলি। এটিও টেবলেটের মতো একই কাজ করে।

শীতকালীন সময়ে কৃমির টেবলেট দিলে গরুর খাওয়ার রুচির সমস্যা দেখা যায় অনেক বেশি তাই ইনজেকশন প্রয়োগ করি।

টেবলেট গরুকে খালি পেতে খাওয়াতে হয় এবং টেবলেট খাওয়ার পর সর্বনিম্ন ২ হতে৩ ঘন্টা কোনো খাদ্য দেওয়া যাবে না। এবং টেবলেট খাওয়ার ৩ হতে ৪ ঘন্টা পর গরুকে গোসল দিয়ে খাদ্য দেওয়া উত্তম। এবং গরুকে ২৪ ঘন্টার মধ্যে লিভার টনিক ও জিঙ্ক খাওয়ানো শুরু করা উত্তম।

♻️ এগুলো ঔষুধের মাধ্যমে গরুর মধ্যে থাকা অন্ত:পরজীবীর মধ্যে গোল কৃমি, ফিতা কৃমি, ও পাতা কৃমি ধ্বংস হয়। ♻️

💥তাহলে গরুকে সম্পূর্ণ পরজীবী মুক্ত করণের জন্য আমাদের এখনো "কলিজা কৃমি" ও উঁকুন, আটুলি, মাইট ধ্বংস করা বাকি আছে।এসবের মধ্যে আমরা আগে গরুকে কলিজা কৃমি মুক্ত করি, টেবলেট প্রয়োগের প্রায় ১৫ দিন পর । এর জন্য আমরা ব্যবহার করি

✅১) নাইট্রোনেক্স ইনজেকশন / ৫০ কেজির জন্য "১. ৫" মিলি।

♻️ তাহলে এই ইনজেকশনের মাধ্যমে আমাদের কলিজা কৃমি ধ্বংস হয়ে গেলো ♻️

💥 এখন আমাদের গরুকে সর্বোচ্চ পরজীবী মুক্ত করার জন্য ধ্বংস করা বাকি আছে, " উঁকুন, আটুলি, মাইট " এগুলো ধ্বংস করার জন্য ঔষুধ প্রয়োগ করি কলিজা কৃমি মুক্ত করার ২ দিন পরেই। তাহলে এগুলো ধ্বংস হলেই ইনশা,আল্লাহ আমাদের গরু সর্বোচ্চ পরজীবী মুক্ত হবে। এগুলো ধ্বংসের জন্য আমরা ব্যবহার করি :

✅১) এ- মেকটিন ভেট ড্রপ(১০০ কেজির জন্য ১ টি )
🤔২) অথবা আইভারমেক ড্রপ (১০০ কেজিতে ১ টি

⚠️⚠️বিঃ দ্রঃ যে কোনো একটি ড্রপ ব্যবহার করি গরুর "গরুর মাথার উপরি ভাগ গুলা উপর থেকে শুরু করে পিঠ দিয়ে লেজের শেষ অংশ পর্যন্ত একটি রেখা টেনে দেই )💠

♻️এতে আলহামদুলিল্লাহ গরুতে থাকা সকল পরজীবী ( গোল কৃমি, ফিতা কৃমি, পাতা কৃমি, কলিজা কৃমি, উঁকুন, আটুলি, মাইট ) ধ্বংস হবে। আমরা এভাবেই আমাদের ২ মাসে হাড্ডিসার গরু মোটাতাজা খামারের সব গরু সম্পূর্ণ রূপে কৃমি, বা পরজীবী মুক্ত করণ করি♻️

⚠️⚠️ বি দ্রঃ অনেক জন পরিপূর্ণ কৃমি মুক্ত করার লক্ষে গরুকে কৃমির বুস্টার ডোস দেয় । আমরা মূলত আমাদের কোনো গরুকে বুস্টার ডোস দেই না। কারণ গরুকে কখনো সম্পূর্ণ কৃমি মুক্ত করা সম্ভব না। আর যদি বুস্টার ডোস দিয়ে সম্পূর্ণ কৃমি মুক্ত হয় তাহলে আবার কেনো ৩ মাস পর গরুকে কৃমির টেবলেট খাওয়াতে হয়??প্রশ্ন থেকে যায়!! যাক এই বিষয়ে আলোচনা করলে অনেক বড়ো হয়ে যাবে অন্য কোনো দিন্ করবো ইনশাআল্লাহ। বলতে কী বুস্টার ডোস করা হয় কৃমির ডিম ধ্বংস করার জন্য, আর কৃমির ডিম সম্পূর্ণ ধ্বংস করা গরুর জন্য হবে ক্ষতিকর, আর এটা সম্ভব না,, সম্ভব হলে ১ বার বুস্টার ডোস দিয়ে সারাজীবন গরুকে কৃমির টেবলেট খাওয়ানো আর লাগতো না।

Address

KARIMGANJ
Kishoreganj
2310

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Nayem Agro Farm posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category