Arwa's Dining

Arwa's Dining Traditional food producers and marketers.

07/12/2025

゚viralシalシ #নারিকেলেরনাড়ু

শুভ সকাল      ゚viralシalシ
25/11/2025

শুভ সকাল

゚viralシalシ

এটা কি ফুল?         ゚viralシfypシ゚viralシ
17/10/2025

এটা কি ফুল?

゚viralシfypシ゚viralシ

কে কে খেয়েছেন?
17/10/2025

কে কে খেয়েছেন?

শীতের মিস্টি আমেজ টের পাচ্ছেন?   ゚viralシalシ
17/10/2025

শীতের মিস্টি আমেজ টের পাচ্ছেন?
゚viralシalシ

I gained 990 followers, created 3 posts and received 1 reaction in the past 90 days! Thank you all for your continued su...
17/10/2025

I gained 990 followers, created 3 posts and received 1 reaction in the past 90 days! Thank you all for your continued support. I could not have done it without you. 🙏🤗🎉

ওয়াশিং মেশিন ভালো রাখার টিপসওয়াশিং মেশিন ভালোভাবে চালাতে আর দীর্ঘদিন ব্যবহার করতে হলে কিছু বিষয় অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে। ...
16/09/2025

ওয়াশিং মেশিন ভালো রাখার টিপস

ওয়াশিং মেশিন ভালোভাবে চালাতে আর দীর্ঘদিন ব্যবহার করতে হলে কিছু বিষয় অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে। এখানে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ টিপস দিলাম –

1. ওভারলোড করবেন না

মেশিনের ক্যাপাসিটির বেশি কাপড় কখনো দেবেন না। এতে মোটর, ড্রাম ও বেল্টের ক্ষতি হয়।

2. ডিটারজেন্ট সঠিকভাবে ব্যবহার করুন

ওয়াশিং মেশিনে ব্যবহার উপযোগী ডিটারজেন্ট ব্যবহার করবেন। সাধারণ ডিটারজেন্ট অতিরিক্ত ফেনা তৈরি করে, ফলে মেশিন নষ্ট হতে পারে।

3. প্রতিবার ব্যবহারের পর পরিষ্কার রাখুন

ওয়াশ শেষে ড্রামের ভেতর শুকনো কাপড় দিয়ে মুছে নিন। দরজা কিছুক্ষণ খোলা রাখলে ভেতরের আর্দ্রতা বের হবে এবং দুর্গন্ধ তৈরি হবে না।

4. লিন্ট ফিল্টার পরিষ্কার করুন

নিয়মিত লিন্ট ফিল্টার খুলে পরিষ্কার করুন। এতে পানি প্রবাহ স্বাভাবিক থাকে।

5. পানি ও বিদ্যুতের সঠিক ব্যবস্থা করুন

হঠাৎ ভোল্টেজ ওঠানামা হলে মেশিন ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। সম্ভব হলে স্ট্যাবিলাইজার ব্যবহার করুন।

6. মাসে একবার ডিপ ক্লিন করুন

বাজারে পাওয়া ওয়াশিং মেশিন ক্লিনার বা এক কাপ ভিনেগার ও আধা কাপ বেকিং সোডা দিয়ে খালি মেশিন চালান। এতে ব্যাকটেরিয়া ও জমে থাকা ময়লা পরিষ্কার হয়।

7. রাবার গ্যাসকেট ও পাইপ চেক করুন

দরজার চারপাশের রাবার গ্যাসকেট শুকনো কাপড় দিয়ে মুছে রাখুন। পাইপে লিকেজ আছে কি না নিয়মিত চেক করুন।

8. সমান জায়গায় রাখুন

মেশিন অবশ্যই সমতল জায়গায় রাখুন। নাহলে স্পিন করার সময় বেশি কাঁপবে এবং মেশিনের ভেতরের যন্ত্রাংশ ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

👉 এভাবে যত্ন নিলে ওয়াশিং মেশিন দীর্ঘদিন টেনশন ছাড়াই ব্যবহার করতে পারবেন।
゚viralシfypシ゚viralシ ゚

আপনার রিজিক হতে পারে দেরিতে বিয়ে হওয়া— যাতে আপনি বাবা মায়ের দেখভালে আরও বেশি সময় দিতে পারেন। আপনার রিজিক হতে পারে দেরিতে...
10/09/2025

আপনার রিজিক হতে পারে দেরিতে বিয়ে হওয়া— যাতে আপনি বাবা মায়ের দেখভালে আরও বেশি সময় দিতে পারেন।

আপনার রিজিক হতে পারে দেরিতে সন্তান হওয়া— যাতে আপনি আপনার পার্টনারে সাথে সম্পর্কটাকে আরো ভালোভাবে গড়ে তুলতে পারেন, বোঝাপড়াটা মজবুত করতে পারেন।

আপনার রিজিক হতে পারে দেরিতে পাওয়া— যাতে আপনি ধৈর্য, কৃতজ্ঞতা আর আল্লাহর প্রতি সম্পূর্ণ আত্মসমর্পণ শিখতে পারেন।

আপনার রিজিক হতে পারে একাকীত্ব — যেন আপনি অন্যদের থেকে দূরে থেকে আল্লাহর সাথে আরও ঘনিষ্ঠ হতে পারেন।

সবসময় পাওয়ার মধ্যে নয় বরং অনেক ক্ষেত্রে না পাওয়াটাই হলো রিজিক। একটা বিষয় মাথায় রাখলে সবকিছু মেনে নেওয়া সহজ হবে, আপনার জীবনে যা আছে আর যা নেই সবই আল্লাহ খুব নিখুঁতভাবে বেছে দিয়েছেন।

Collected


゚ ゚viralシviralシfypシ゚viralシalシ ゚viralシfypシ゚viralシ

জীবনের আসল শিক্ষা হলো,কোথায় থামতে হবে সেটা জানা আর কোথা থেকে নিজেকে সরিয়ে নিতে হবে,সেটা বোঝা।          ゚
10/09/2025

জীবনের আসল শিক্ষা হলো,কোথায় থামতে হবে সেটা জানা আর কোথা থেকে নিজেকে সরিয়ে নিতে হবে,সেটা বোঝা।

এগুলো কি শাক,কে কে চিনেন?   ゚viralシfypシ゚viralシalシ
03/06/2025

এগুলো কি শাক,কে কে চিনেন?

゚viralシfypシ゚viralシalシ

বাজারের ব্যাগটা মায়ের হাতে দিয়ে বাবা বলেন, শুনো মাংসের ভিতরে আজকে আলু দিবে না। আলু দিলে মাংসের স্বাদ নষ্ট হয়ে যায়, আলুর ...
17/04/2025

বাজারের ব্যাগটা মায়ের হাতে দিয়ে বাবা বলেন, শুনো মাংসের ভিতরে আজকে আলু দিবে না। আলু দিলে মাংসের স্বাদ নষ্ট হয়ে যায়, আলুর স্বাদ মিশে যায়। মাংস খাই না আলু খাই বুঝতে পারি না।

মা ব্যাগটা খুলে মাংসের পলিথিন বের করে বলেন, এইটুকু মাংস যদি রান্না করি খুব অল্প হয়ে যাবে। এতোগুলা মানুষ দুই বেলা খাবে কিভাবে?

দুইবেলা খাবার দরকার নেই, একবেলাই খাবো, আরেকবলা না হয় অন্য কিছু দিয়ে খাবে সবাই।’

মা বাবার কথায় সম্মতি দেয়না। আমরা তিন ভাই বোন, দাদী থাকে আমাদের সাথে। সবমিলিয়ে বাসায় ছয়জন মানুষ, ছোটো চাচাও এসেছেন গতকাল রাতে।

বাবা মায়ের এই ঝগড়া ধারাবাহিক নাটকের মতো সেই দীর্ঘদিন থেকে চলে আসছে। মা চাইছেন মাংসে আলু দিবেন, বাবা মাংসের ভিতরে আলু দিয়ে রান্না পছন্দ করেন না।

মা বলেন, দেখো তুমি একা মানুষ তো আর ঘরে না। ছেলেমেয়েরা আছে, ওরা একটু আলুর সাথে এক টুকরা মাংস সাথে ঝোল দিয়ে তৃপ্তি করে খেতে পারে। দুই বেলাই তাহলে মাংস দিয়ে হয়ে যাবে, রাতে আবার বাড়তি কিছু রান্না করতে হবে না।

মায়ের কথায় বড় আপা আর বড় ভাইজান এসে সম্মতি দিয়ে বলে, হ্যাঁ বাবা মাংসে আলুই খাবো আমরা। মাংসের সাথের আলু খেতেও অনেক ভালো লাগে।

বাবা মায়ের সাথে রাগী গলায় বলে, তোমাদের যা খুশি করো। আমি মাংস খাবো না, ভাতের ভিতরে আলু সিদ্ধ দিবে। আমার জন্যে শুধু ভর্তা বানাবে।

মা মন খারাপ করে রান্নাঘরে চলে যায়। অনেকদিন পরে বাসায় মাংস কেনা হয়েছে, পলিথিনে এক কেজি মাংস। চাচা আসছেন সেই উপলক্ষে মূলত মাংস কেনা।

মায়ের পিছু পিছু আমিও রান্নাঘরে যাই। বাসায় যেদিন মাংস রান্না হয় আমরা তিন ভাই বোন মায়ের সাথে ঘুরঘুর করি, মা কখনো বিরক্ত হয়ে বলেন ঘরের ভিতরে যেতে তবে আমরা যাই না। অপেক্ষা করি কখন পাতিল থেকে এক টুকরো মাংস তুলে বাটিতে দিবেন, সাথে তিন পিস গরম আলু। এর আগে একবার গরম আলু মুখে দিয়ে বড় আপার জিভ পুড়ে গেছিলো, চারদিন আর কিছু মুখে তুলতে পারেনি। এরপর মা বাটিতে মাংস আর আলু তুলে ফু দিয়ে দেন, নয়তো ঘরের ভিতরে ফ্যানের নিচে চলে আসি।

মা আলু কেটে টুকরো করে একটা পাতিলে রাখেন, বড় আপা আলু ধুয়ে দেয়। ভাত হতে এখনো অনেক বাকি, কেবল বসিয়েছে।

মাংস চুলায় বসানোর সাথে সাথে আমরা তিন ভাইবোন রান্নাঘরের পাশে দাঁড়াই। অপেক্ষা করি কখন মা বাটিতে মাংসের টুকরা আর আলু দিবেন।

মা রাগী চোখে বলেন, আজকে আর খাবারের আগে মাংস পাবি না। বাসায় তোর চাচা এসেছে, আজকে বাটিতে আগে মাংস দিবো না।

মায়ের কথাশুনে বুঝতে পারি আজকে সত্যিই মাংস দিবেন না, একসময় মন খারাপ করেই চলে যাই। তাড়াতাড়ি গোসল করে নেই সবাই। এখন মাংস হলেই ভাত খেতে বসবো।

বাবা রাগ করে দুপুরে মাংস প্লেটে তুলেননি। ছোটো চাচা যখন বলেন, ভাইয়া তুমি মাংস খাবে না? বাবা মৃদু হেসে বলে, বুঝলি আমার এলার্জি মাংস খেতে পারি না এখন, যন্ত্রণা শুরু হয়।

মা আর বাবাকে জোরাজুরি করেনি। একটা বাটিতে আলাদা করে বাবার জন্যে তরকারি তুলে রাখে, রাতে বাবার সামনে দিবেন ঠিক করে রেখেছে।

মাংস আর আলু দিয়ে আমরা তিনজনেই ভরপেটে খাবার খাই। আমাদের প্লেটের পাশে মাংস থাকে, শুধু ঝোল দিয়েই ভাত খেয়ে নেই। পরে মাংস আর আলু অল্প অল্প খাই। আমরা তিনজনেই এরকম খাই। অবশ্য খাবারের এই কৌশল শিখেছি বড় আপার কাছ থেকে।

ছোটো চাচা সন্ধ্যায় চলে যায়। রাতে খাবার খেতে বসলে মা আলু আর এক টুকরো মাংস সাথে প্লেটে দেন। বাবার প্লেটে একটু বেশিই আলু আর মাংস দেয়। বাবা এবারও বলেন সে খাবে না। টেবিলেই খেতে আসেনি।

মা খাবারটা নিয়ে রান্নাঘরে রাখে। সবার খাওয়া শেষে দাদী বাবার কাছে খাবার নিয়ে যায়। মা জানেন বাবা দাদীর কথা ফেলবেন না।

বাবা বলেন, মা দেখো আমার খেতে ইচ্ছে করছে না। আর দেখলাম এই ঘরে আমার কথার গুরুত্ব নেই।

দাদী বলেন, রাগ করিস না খালিদ। বউমা তো সবার কথা চিন্তা করেই আলু দিয়েছে, যেনো দুইবেলা বাচ্চারা খেতে পারে। ওরা মাংস রান্না হলে সেদিন এতো আনন্দ করে তাইতো অল্প অল্প যেনো খেতে পারে তাই আলু দেয় সাথে।

দাদী বাবার পাশে বসে বলেন, খালিদ তোরা ছিলি সাত ভাই বোন। একটা মুরগীতে একবেলা হতো না। তোর বাবারও পছন্দ ছিলো শুধু মাংস খাওয়া। তবে সাত ছেলেমেয়ের জন্যে মাংসের ভিতরে কখনো আলু দেওয়া ছাড়া রান্না করতে পারিনি। আলু যখন দেই তখন তরকারি বেড়ে যায়, রাতেও তোরা খাইতে পারতি। সংসারে কিছু কৌশল আছে, সেই কৌশল তোরা পুরুষরা বুঝিস না তবে একজন মা ঠিকই বুঝে। মা যখন হয় তখন অনেক কৌশল করে সংসার সামাল দিতে হয়। বউমা যা করে এই সংসারের জন্যেই করেছে।

বাবা দাদীর কথা শুনে এবার চুপচাপ খেতে বসে।

আমাদের বাসায় গরুর মাংস কেবল বিশেষ দিনে কেনা হতো। মাসে দুই একবার মুরগী কেনা হতো। তবে এরপর আর বাবাকে তরকারির ভিতরে আলু দেওয়া নিয়ে মায়ের সাথে তর্ক করতে দেখিনি।

দেখতে দেখতে বহুবছর চলে যায়, বড় আপার বিয়ে হয়েছে। বড় ভইজান বিয়ে করেছেন, আমি কেবল নতুন একটা চাকরিতে যোগ দিয়েছি। কোম্পানির চাকরি তবে বেতন বেশ ভালো। বাবা চাকরি ছেড়ে দিয়েছেন, অল্প কিছু টাকা পেয়েছে তার অফিস থেকে। ভাইয়া আর আমার টাকাতেই এখন সংসার চলে।

ভাইয়া সন্ধ্যাবেলা অফিস থেকে এসেছেন কেবল, আমার আজকে ছুটি ছিলো। ভাইয়া বাসায় এসেই মায়ের হাতে একটা ব্যাগ দেয়, মা বলেন কি এর ভিতরে? ভাইয়া বলেন, মা মাংস আছে দুই কেজির বেশি হবে। এখনই রান্না করবে কেমন? আর মাংসের ভিতরে কোনো আলু দিবে না।

মা ব্যাগটা হাতে নিয়ে চুপচাপ দাঁড়িয়ে আছেন, তখনই ভাবি আসেন ছুটে। মা একপাশে যেয়ে চোখমুছে নেয়।

ভাবি আর মা মাংস রান্না করছেন, পুরো ঘরভর্তি মাংসের ঘ্রাণ। বাবা এখন তেমন হাঁটাচলা করতে পারেন না, বিছানায়ই থাকেন সারাদিন।

রান্না হলেই আমরা সবাই টেবিলে বসি। বাবা দেখেন আজকে শুধু মাংস ভুনা করা হয়েছে, মাংসের ভিতরে কোনো আলু নেই। বাবা অল্প দুই টুকরা দিতে বলেন, যেহেতু আলু নেই, হয়তো সবার মাংসে হবে না তাই অল্প মাংসই প্লেটে নেয়। পাশ থেকে মা বলেন, পাতিলে আরো অনেক মাংস আছে তুমি আরেকটু নেও। মা বাবার প্লেটে মাংস তুলে দেয়।

আমার ভাতের প্লেটে হাতে থেমে থাকে। কিছুসময় পরে যেনো একটা স্বপ্নভঙ্গ হয়, তারপর মুখে ভাত তুলে নেই।

এরপর আমরা দুই ভাই যখনই বেতন পাই বাসায় মাংস কিনি, বাবার পছন্দমতো সেই মাংস রান্না হয়। বাবা আজকাল বাচ্চাদের মতো চুলার উপরে থাকা মাংস খেতে চায়, মা বাটিতে তুলে বাবার ঘরে মাংস দিয়ে আসে। আমার কাছে পৃথিবীর সবচেয়ে চমৎকার দৃশ্য মনে হয় রান্নাঘর থেকে বাটিতে মাংস নিয়ে মা যখন বাবার ঘরের দিকে যায়।

আলু দিয়ে মাংস
মুস্তাকিম বিল্লাহ
Billa


Address

Lakshmipur

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Saturday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00

Telephone

+8801745538757

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Arwa's Dining posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Arwa's Dining:

Share