01/06/2024
আপনি জানেন কি ?
ফুটানো পানি কতটুকু নিরাপদ.....
অতিরিক্ত পানি ফুটালে...
১. আর্সেনিকের মাত্রা বৃদ্ধি পায় :
ধরুণ, আপনি যে পানি পান করছেন তাতে যে পরিমাণ আর্সেনিক আছে, তা স্বাভাবিক মাত্রার মধ্যেই আছে। ফলে এই পরিমাণ আর্সেনিক শরীরে প্রবেশ করলে কোন ক্ষতি হবে না। কিন্তু সেই পানিটা যদি বারে বারে গরম করা হয়, তাহলে আর্সেনিকের পরিমাণ আর স্বাভাবিক থাকে না, বাড়তে শুরু করে। আর অধিক মাত্রায় এই উপাদানটি শরীরে প্রবেশ করলে আর্সেনিক টক্সিসিটি, পেটের সমস্যা, স্কিন ডিজিজ, হার্টের অসুখ এবং ক্যান্সারের মতো দুরারোগ্য রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বৃদ্ধি পায়।
২. নাইট্রেটের মাত্রা বৃদ্ধি পায় :
পানি, মাটি এবং বাতাসে ভেসে বেরাচ্ছে নাইট্রেট নামের উপাদানটি। কিন্তু তবুও আমাদের কোন ক্ষতি হচ্ছে না। কেন জানেন? কারণ এই নাইট্রেট যতক্ষণ না উচ্চ তাপমাত্রার সংস্পর্শে আসছে, ততক্ষণ কোন ক্ষতিসাধনই করে না। তাই তো পানিকে ঘন ঘন ফোটাতে নিষেধ করেছেন চিকিৎসকরা। কারণ এমনটা করলে পানিতে উপস্থিত নাইট্রেটস তার চরিত্র বদলে নাইট্রোস্থামিনিস নামে একটি উপাদানে রূপান্তরিত হয়, যা কার্সিনোজেনিক। অর্থাৎ এই উপাদানটি শরীরে প্রবেশ করলে ক্যান্সার রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বেড়ে যায়। এছাড়াও লিউকেমিয়া এবং নন-হচকিন লিম্ফোমার মতো দুরারোগ্য রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনাও থাকে।
৩. ফ্লোরাইডের মাত্রা বৃদ্ধি পায় :
একাধিক গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে, যে পানিতে ফ্লোরাইডের উপস্থিতি আছে সেই পানি শরীরের জন্য একেবারেই উপযোগী নয়। প্রায় ২২ বছর ধরে চলা এক গবেষণার পর জানা গেছে, পানিকে ঘন ঘন ফুটিয়ে পান করলে তাতে দ্রবিভূত ফ্লোরাইড ব্রেনের ক্ষমতা মারাত্মকভাবে কমিয়ে দেয়। ফলে বুদ্ধি, মনোযোগ, স্মৃতিশক্তি সবই কমতে শুরু করে। এ কারণেই বিশেষজ্ঞরা বলেন, ফুটিয়ে পানি পান করা ভালো, কিন্তু বেশি ফুটিয়ে পানি পান মানে দুরারোগ্য ব্যাধিকে আমন্ত্রণ জানানো। তাই আগে থেকেই সাবধান হোন, সুস্থ থাকুন।