Mina Dairy Farm

Mina Dairy Farm And it is a part of Mina Group of Companies. Contractor & Owner Of Mina Group.

This is the only official page of Mina Dairy Farm, a 100% organic Bangladeshi agricultural farm, mainly involved in milk, cattle and beef and fisheries projects. This Is The Only Official page of M/S Mina dairy farm, Beef Fattening & Dairy Farm an 100% Organic Bangladeshi Agriculture Farm Mainly Engaged in Milk, Cattle and Beef Production & Fisheries Project, Manufacturer, Order Supplier, Stock Business, Construction Firms & Gov.

হঠাৎ যদি পুরো বিশ্বের সব শ্রমিক অদৃশ্য হয়ে যায় তবে বিশ্ব থমকে যাবে! আসুন আমরা সকলেই এটি অনুধাবন করি এবং আসুন শ্রমিকদের...
01/05/2024

হঠাৎ যদি পুরো বিশ্বের সব শ্রমিক অদৃশ্য হয়ে যায় তবে বিশ্ব থমকে যাবে! আসুন আমরা সকলেই এটি অনুধাবন করি এবং আসুন শ্রমিকদের সম্মান করি – এই দুর্দান্ত মানুষরাই আমাদের বিশ্বকে এগিয়ে নিয়ে যায়। মহান মে দিবসে সেকল শ্রমিকরা শারীরিক ও মানসিক পরিশ্রমের মাধ্যমে আমাদের পৃথিবীটাকে টিকে রেখেছে তাদের শ্রমের সঠিক মূল্যায়ন করি এবং তাদের প্রাপ্য সম্মানটুকু প্রদান করি এবং পৃথিবী হোক সকল শ্রেণীর মানুষের বসবাসের উপযোগী। মহান মে দিবসে সকল মেহনতী ও শ্রমজীবী মানুষদের জানাই মহান মে দিবসের শুভেচ্ছা।

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, পাবনা জেলা শাখার বিপ্লবী সাংগঠনিক সম্পাদক, ৭১ পাবনা ৪ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য, গালিবুর রহমান শরীফ...
12/04/2024

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, পাবনা জেলা শাখার বিপ্লবী সাংগঠনিক সম্পাদক, ৭১ পাবনা ৪ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য, গালিবুর রহমান শরীফ ভাইয়ের সাথে ঈদ-উল-ফিতরের শুভেচ্ছা বিনিময়।

12/02/2022
সারাদেশের গরুর হাটের তালিকা ----(ভূল সংশোধন করে এবং কমেন্টে নতুন হাটের নাম যুক্ত করে তালিকাটি সমৃদ্ধ করুন)।গরু বেচাকেনার...
30/05/2021

সারাদেশের গরুর হাটের তালিকা ----

(ভূল সংশোধন করে এবং কমেন্টে নতুন হাটের নাম যুক্ত করে তালিকাটি সমৃদ্ধ করুন)।

গরু বেচাকেনার জন্য হাটের কোন বিকল্প নাই। হাটের ঠিকানা এবং কোথায় কেমন গরু পাওয়া যায়, এটা নিয়ে অনেকেই সমস্যায় পড়েন। আমরা গ্রুপে পোস্ট দিয়ে হাটের একটি তালিকা করেছিলাম ৩/৪ বছর আগে। গত ফেব্রুয়ারী মাসে নতুন করে পোস্ট দিয়ে তালিকায় বাদ যাওয়া হাটের নাম পরে যুক্ত করা হয়। সবার জ্ঞ্যাতার্থে পোস্ট টি আবার রিপোস্ট করা হলো।

#কোথায়_কোন_গরু : ---

(১) আপনার বাজেট যদি ৩৫-৪০ হাজার টাকার মধ্যে হয় তাহলে আপনি কুড়িগ্রামের ভুরুংগামারী, নাগেশ্বরী, যাত্রাপুরা, লালমনিরহাটের বড়বাড়ী হাট থেকে নিতে পারেন। এখানকার বেশীরভাগ বাছুর লাল খুব সুন্দর কিন্তু ১২ থেকে ১৮ মাস মেয়াদী প্রজেক্ট হলে ওখান থেকে বাছুর কিনা ভাল।

(২) আপনি যদি ৫০-৫৫ হাজার টাকার মধ্যে শাহীওয়াল ষাড় কিনতে চান তাহলে বগুড়ার বুড়িগন্জ, ঘোড়াধাপ, মহাস্থান, ডাকুমারা, জয়পুরহাট, পাবনার চতুর্বাজার।

(৩) বাজেট যদি ৫৫ হাজার টাকার উপরে হয়, তাহলে অবশ্যই কুষ্টিয়ার আলমডাঙ্গার হাট, বালিয়াপাড়া।

(৪) শুধু গাভীন গাভী কিনতে চাইলে বগুড়ার দুপচাচিয়া থানার ধাপের হাট উত্তম।প্র‌তি র‌বিবার ও বৃহঃস্প‌তি বার।

(৫) শুধু ইন্ডিয়ান বলদ ও নেপালী বড় বড় গরু কিনতে চাইলে অবশ্যই বেনাপোলের পুটখালী এবং সাতক্ষীরার বৈখালী যেতে হবে।

(৬) যদি দেশী লাল বলদ গরু কিনতে চান তাহলে প্রতি শনিবার জয়পুরহাট।

(৭) যদি শুধু দেশী বাছুর কিনতে চান তাহলে যেতে হবে চাঁপাই এর সোনাইচন্ডী ও তর্তিপুর হাট।

(৮) মহিষ কিনতে হলে কুষ্টিয়ার আলমডাঙ্গা এবং চাঁপাই এর সোনাইচন্ডী হাট এবং মৌলভিবাজারের হাট সমুহ৷

(৯) যদি শুধু অষ্টেলিয়ান এবং ক্রস বাছুর কিনতে চান তাহলে পাবনার ঈশ্বরদীর অরনখোলার হাট। পুরা হাট ভরা শুধু ক্রস বাছুর।

(১০) ইন্ডিয়ান বলদ এবং বড় ষাড় গরুর জন্য রাজশাহীর সিটি হাট। যশোরের সাতমাইল ভাল গরু আগে উঠত কিন্তু এখন আগের রমরমা অবস্থা নাই।

(১১) কেউ যদি দেশী জাতের খাটো বুট্টী টাইপের গরু কিনতে চান তাহলে অবশ্যই দিনাজপুর এবং রংপুর এর হাট গুলো থেকে সংগ্রহ করতে হবে। এই জাতের গরুর খামার খুব লাভবান কারন ২-৩ মাসের মধ্যে গরু বিক্রয় উপযোগী হয়ে যায়, খাবার কম লাগে, তাদের মুখে অনেক রুচি, রোগবালাই হয় না বললেই চলে, মধ্যবিও যারা একা কোরবানী দেয় তাদের জন্য। আমি প্রতি বৎসর ঈদের ২-৩ মাস আগে ১ গাড়ী নিয়ে আসি অল্প লাভ। কিন্তু ৩ মাসের বেশী পুষলে লস কারন এগুলো সাইজে খুব বেশি বড় হয় না।

(১২) RCC Cow কিনতে হলে যেতে হবে চট্টগ্রাম এর সাতকানিয়া, আনোয়ারা উপজেলায়। এই জাতটা দীর্ঘমেয়াদের জন্যে ভাল।

#হাটের_তালিকা :-------

#বৃহত্তর_চট্টগ্রাম :---

১. বিবিরহাট, শনি ও মঙ্গলবার।
২. সাগরিকা, বৃহস্পতি ও সোমবার।
৩. হাটহাজারী স্টেশন বাজার, বৃহস্পতিবার।
৪. মিরসরাই মিঠাচরা বাজার, বৃহস্পতিবার।
৫. সীতাকুণ্ড থানার ফকির হাঠ, বুধবার।
৬. রাংগুনিয়া রানীর হাট, শনি মংগল।
৭. রাংগুনিয়া রোয়াজার হাট, সোম শুক্রবার।
৮. রাংগুনিয়া পদুয়া বাজার, প্রতি বৃহস্পতিবার।
৯. বাগিচাহাট,চন্দনাইশ, সোমবার ও শুক্রবার।
১০. থানা হাট, পটিয়া, সোমবার ও শুক্রবার।
১১. কেরানিহাট, রবিবার ও বুধবার।
১২. আনোয়ারা সরকার হাট, সোম শুক্রবার।
১৩. চকরিয়া ইলিশ্যা বাজার, বৃহস্পতিবার।
১৪. রামদাশ মুন্সির হাট বাঁশখালি, রবি ও বৃহস্পতিবার।
১৫. রাংগুনিয়া রাণি হাট, শনি ও মঙ্গলবার।
১৬. কাওখালি বাজার, বৃহস্পতিবার ও সোমবার (সকাল বেলা)।
১৭. খিরাম বাজার ফটিকছড়ি, রবি ও বৃহস্পতিবার।(ভোর থেকে ১১/১২ টা পর্যন্ত।
১৮. নাজিরহাট বাজার, শনিবার ও মঙ্গলবার।
১৯. মাইনি বাজার রাংগামাটি, শনিবার ভোর বেলা।
২০. শুভলং বাজার রাংগামাটি, শনিবার।
২১. রামগড় বাগান বাজার, শুক্রবার।
২২. গুইমারা বাজার, মঙ্গলবার।
চিকনছড়া বাজার, মঙ্গলবার।
২৩. বান্দরবান লামা বাজার, মঙ্গলবার ও শনিবার।
২৪. চন্দনাইশের বৈলতলী, খোদার হাট, রবিবার ও বুধবার।
( সৌজন্যে : খামারী শাতিল রহমান)

#সারা_দেশ:-----

১. টাঙ্গাইলের মির্জাপুর দেওহাটায় প্রতি মঙ্গলবারে বড় গরুর হাট বসে। উন্নত জাতের গাভী এবং বাছুর পাওয়া যায় এই হাটে ।

২. কুমিল্লার চান্দিনা হাট। শনি ও মঙ্গালবার হাট বসে। ষাঁড় গরু বেশী উঠে।

৩. নোয়াখালি, রামগঞ্জ। সোনাপুর হাট। অনেক দেশী গরু পাওয়া যায়।

৪. মিটাপুকুর থানা, জেলা রংপুর, বৈরাতি হাট, বিশাল গরুর হাট। হাটবার শনিবার মঙ্গলবার, বেশীরভাগ দেশী গরু পাওয়া যায়।

৫. চাপারহাট। প্রতি সোম এবং শুক্রবার বসে। দেশী গরু ভালো পাওয়া যায়।

৬. গাজীপুর কাপাসিয়া থানা আমরাইদ হাট। প্রতি মঙ্গলবার বসে।

৭. রাজবাড়ী জেলা প্রতি রবি ও বৃহঃস্প‌তি বার বিশাল গরুর হাট।

৮. গোবিন্দগঞ্জ (গোলাপবাগ) হাট প্রতি রবি ও বৃহস্পতিবার হাট। দেশি বিদেশি গরু পাওয়া যায়।

৯. ঢাকার আশুলিয়া হাট। প্রতি বুধবার বসে। ভালো দেশী ও ক্রস ষাড় পাওয়া যায়।

১০. নাটুয়ারপাড়া হাট। হাটবার প্রতি সপ্তাহের শনিবার। সব ধরনের গরু পাওয়া যায়।

১১. ঝিনাইদহ জেলার ভাটই বাজার, প্রতি রবিবার বসে। দেশি গরু পাওয়া যায়।

১২. নেত্রকোনার সিধলি বাজার, শুধুমাত্র সোমবার , অনেক দেশি গরু পাওয়া যায় ৷

১৩. সুনামগঞ্জ জেলার ধরমপাশায় বিশাল হাট। হাটবার প্রতি বৃহস্পতিবার। নেত্রকোনা থেকে ৩২ কিলোমিটার দূরে।

১৪. হবিগঞ্জের মাধবপুরের কেশবপুরবহাট। প্রতি সোমবার বসে। দেশী গরু ভালো পাওয়া যায়।

১৫. জংলী শীবপুর হাট, রায়পুরা, নরসিংদী জিলা। প্রতি রবিবার বসে। দেশী গরু ভালো পাওয়া যায়।

১৬. বেলাবো হাট, নরসিংদী জেলা। প্রতি শুক্রবার বসে। মুলত দেশী গরু পাওয়া যায়।

১৭. নারায়নপুর হাট, বেলাবো, নরসিংদী। প্রতি শনি ও মঙ্গলবার বসলেও গরুর হাট কেবল মঙ্গল বার বসে।

১৮. পোড়াদিয়া হাট, বেলাবো, নরসিংদী জেলা। প্রতি বৃহস্পতিবার বসে। দেশী গরু ভালো পাওয়া যায়।

১৯. শ্রীরামপুর হাট, রায়পুরা, নরসিংদী জেলা। প্রতি সোমবার বসে। দেশী গরু ভালো পাওয়া যায়।

২০. কুষ্টিয়ার ভাদালিয়া হাট। প্রতি শনিবার বসে। দেশী ও ইন্ডিয়ান গরু পাওয়া যায়।

২১. সিরাজগঞ্জের শালুয়াভিটা হাট। প্রতি মঙ্গলবার বসে। দেশী ও ক্রস গরু পাওয়া যায়।

২২. চান্দাইকোনা হাট, রায়গঞ্জ, সিরাজগঞ্জ জিলা। প্রতি শনি ও মংগলবার বসে। দেশী ও ক্রস গরু পাওয়া যায়।

২৩. জয়পুরহাট জিলা হাট। প্রতি শনিবার বসে। দেশী ও ইন্ডিয়ান গরু পাওয়া যায়।

২৪. গোবিন্দাসী হাট, টাঙ্গাইল। যমুনা ব্রিজের কাছে। দেশী ও শাহিওয়াল পাওয়া যায়।

২৫. পাচবিবি হাট, জয়পুরহাট জেলা। প্রতি মংগলবার বসে। দেশী ও ইন্ডিয়ান গরু পাওয়া যায়।

২৬. হাতিরদিয়া হাট, নরসিংদী। প্রতি রবিবার বসে। দেশী গরু পাওয়া যায়।

২৭. সিরাজগঞ্জের রতন কান্দি হাট। প্রতি বুধবার বসে। দেশী ও ক্রস গরু, ছাগল, ভেড়া পাওয়া যায়।

২৮. বনানী হাট, বগুড়া। সোমবার ও
শুক্রবার বসে। দেশী ও বর্ডার ক্রস গরু পাওয়া যায়।

২৯. সিরাজগঞ্জের পাংগাসির হাট। প্রতি শনিবার বসে। ক্রস ও দেশী গরু, ছাগল ও ভেড়া পাওয়া যায়।

৩০. গাইবান্ধা গরুর হাট, গাইবান্ধা বাজার, ইসলামপুর, জামালপুর জিলা। সোম ও শুক্রবার। দেশী গরু পাওয়া যায়।

৩১. গজারিয়া হাট, মুন্সিগঞ্জ জিলা। শুধুমাত্র মঙ্গলবার হাট বসে। দেশী ও মিরকাদিম জাতের গরু পাওয়া যায়।

৩২. নওগাঁ হাট,তাড়াশ, সিরাজগঞ্জ। বৃহস্পতিবারে হাট বসে। ক্রস ও দেশী গরু পাওয়া যায়।

৩৩. এনায়েত পুর, সিরাজগঞ্জ। শুক্রবার হাট বসে, দেশি গরু বেশি পাওয়া যায়। কিছু ইন্ডিয়ান এবং নেপালি গরু ও পাওয়া যায়।

৩৪. ডাকুমারা হাট, শিবগঞ্জ উপজিলা, নওয়াবগঞ্জ জিলা। প্রতি (রবিবার)।

৩৫. মহাস্তান হাট, বগুড়া। প্রতি বুধবার বসে। সব ধরনের গরু পাওয়া যায়।

৩৬. ধাপের হাট, দুপচাচিয়া, বগুড়া। হাটবার প্রতি রবিবার ও বৃহস্পতিবার। উত্তরাঞ্চলের নামকরা বড় হাট। সব ধরনের গরু পাওয়া যায়।

৩৭. মহিমাগঞ্জ হাট, গোবিন্দগঞ্জ, গাইবান্দা। প্রতি শনিবার বসে। দেশী গরু বেশী পাওয়া যায়।

৩৮. ভরতখালী হাট, সাঘাটা, গাইবান্ধা। শনিবার আর মঙ্গলবার। দেশি গাভি, লাল বাসুর ইত্যাদি পাওয়া যায়।

৩৯. আরিচা হাট প্রতি শুক্রবার ও মঙ্গলবার। আরিচা হাট থেকে গরু ক্রয় করার কিছু সুবিধা আছে। এই গরুগুলো বেশিরভাগ আসে চর এলাকা হতে। গরুগুলো শুধুমাত্র চরের ঘাস খাওয়ায় অভ্যাস্ত। চরের এই গরুগুলো মোটাতাজা করন প্রকল্পের জন্য বেশ সুবিধাজনক।

৪০. ছনকা বাজার, সাটুরিয়া, মানিকগঞ্জ। শুক্রবার। চরাঞ্চলের গরু পাওয়া যায়।

৪১. চতুরহাট,বেড়া,সি এন্ড বি বাজার,পাবনা। প্রতি মঙ্গলবার বসে। সাহিওয়াল আর পাবনার লাল গরুর জন্য বিখ্যাত।

৪২. বনগাওহাট ,পাবনা জিলা।প্রতি মঙ্গলবার বসে। ক্রস গরু বেশী পাওয়া যায়।

৪৩. পুষ্পপাড়াহাট ,পাবনা। প্রতি সোম ও বৃহস্পতিবার। দেশী ও ক্রস গরু পাওয়া যায়।

৪৪. হাজিরহাট,পাবনা জিলা। প্রতি মঙ্গল ও শুক্রবার বসে। দেশী ও ক্রস গরু পাওয়া যায়।

৪৫. আওতাপাড় হাট, পাবনা জিলা। প্রতি রবি ও বুধবার। দেশী ও ক্রস গরু পাওয়া যায়।

৪৬.পাবনা জেলার চাটমোহর উপজিলার রেলবাজার হাট। প্রতি রবিবার বসে। গাভীর জন্য বিখ্যাত।

৪৭. অরোনকুলা হাট, ইশ্বরদী ,পাবনা। প্রতি মঙ্গলবার বসে। ফ্রিজিয়ান ও ক্রস গরুর জন্য বিখ্যাত।

৪৮. সখিপুর হাট, সখিপুর উপজিলা শরিয়তপুর জিলা।প্রতি বুধ ও শুক্রবার৷ বসে। সখিপুরের হাটটি খাশি এবং ষাড় গরুর জন্যে ভাল।

৪৯. ঘরিষার হাট, নড়িয়া উপজিলা, শরিয়তপুর জিলা। প্রতি সোমবার বসে। দেশী গরু পাওয়া যায়।

৫০. ভোজেশ্বর হাট...প্রতি শুক্রবার (নড়িয়া থানা, শরিয়তপুর জেলা) ভোজেশ্বর হাটটি খাশি এবং গরুর জন্যে মোটামুটি ভাল।

৫১. লাউখোলা হাট...প্রতি বৃহস্পতি বার (জাজিরা থানা, শরিয়তপুর জেলা) লাউখোলার হাটটি দুধের
গরুর জন্যে নামকরা তবে বুঝে শুনে না কিনলে ধরা খাওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।

৫২. মনোরা হাট, হাটবার সোমবার (পালং থানা, শরিয়তপুর জেলা) মনোরার হাটটি শুনেছি দুধের গরুর জন্যে খুবই ভাল তবে তথ্য দাতা এখনো হাটে যাননি।

৫৩. হযরতপুর হাটবার। প্রতি শনিবার ঢাকার কাছের হাট। সব ধরনের গরু পাওয়া যায়। ষাড় গরু বেশী পাওয়া যায়।

৫৪. পাড়াগ্রাম বা পারাগাও হাট। (সেরুমিয়া) হাটবার প্রতি শনিবার। ঢাকার কাছের হাট। সব ধরনের গরু পাওয়া যায়। ষাড় ও কসাই গরুর জন্য নামকরা হাট।

৫৫. চালাকচর হাট, মনোহরদ, নরসিংদী জেলা। প্রতি সোমবার বসে। দেশী গরু বেশী পাওয়া যায়।

৫৬. মনোহরদী হাট, নরসিংদী জেলা। প্রতি বুধবার বসে। দেশী ও ক্রস গরু পাওয়া যায়।

৫৭. নেত্রকোনা জেলা শহরের রাজুরবাজার নামক স্থানে প্রতি শনিবার বিশাল গরুর হাট বসে।

৫৮. রাজশাহী সিটি হাট। হাটবার রবিবার ও বুধবার। বড় সাইজের ইন্ডিয়ান ও দেশী ষাড় গরুর জন্য নামকরা। তবে দালালের আধিক্য বেশী।

৫৯. আজমীরিগন্জ, হবিগন্জ জেলা। প্রতি রবিবার। ৯৫%দেশি গরুর সমাহার।

৬০. ফরিদপুর টেপাখোলা হাট। প্রতি মঙ্গল বার বসে দেশী গরুর জন্য ভালো ও বড় হাট।

৬১. তেবাড়িয়া হাট, নাটোর সদর। প্রতি রবিবার বসে। দেশি ও ইন্ডিয়ান গরুর বড় হাট। ক্রস গরুও পাওয়া যায়।

৬২. মৌখাড়ার হাট, বড়াইগ্রাম, নাটোর। প্রতি শুক্রবার বসে। দেশি জাতের গরুর জন্য ভালো।

৬৩. হবিগঞ্জ জেলা মাধবপুর, হাটবার শুক্রবার। এখানে নাকি সারা রাত ক্রয়-বিক্রয় হয়।

৬৪. বৈরাতি হাট, মিঠাপুকুর, রংপুর। হাটবার শনিবার ও মঙ্গলবার। দেশী ষাড়, গাভী ও ক্রস গরু পাওয়া যায়।

৬৫. চাঁপাইনবাবগঞ্জ এর মল্লিকপুর হাট। প্রতি শনিবার বসে। সব ধরনের গরু পাওয়া যায়।

৬৬. দিনাজপুর জেলা চিরিরবন্দর থানা, রানিরবন্দরের বিশাল গরুর হাট, হাটবার সোমবার ও বৃহস্পতিবার।

৬৭. রংপুর জেলা বদরগঞ্জ থানা হাট। সোমবার ও বৃহস্পতিবার। দেশী ষাড় ও গাভী বেশী পাওয়া যায়।

৬৮. পাবনা জেলার হাজীর হাট নামকরা হাট। শুক্রবার ও মঙ্গলবার বসে। দেশী, শাহিওয়াল, ক্রস, পাবনা ব্রীড সহ সব ধরনের গরু পাওয়া যায়।

৬৯. সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুর শুক্রবার এবং বেলকুচি বুধবারে বিশাল হাট।

৭০. গাজীপুর, শ্রীপুর, মাওনা। হাটবার বৃহস্পতিবার। মূলত দেশী ও ক্রস গরু পাওয়া যায়।

৭১. টাংগাইল জেলার মির্জাপুর উপজিলার কাইতলা হাট, প্রতি শনিবার। দেশী ও শাহীওয়াল বেশী পাওয়া যায়। ফ্রিজিয়ান ক্রস ও পাওয়া যায়।

৭২. শিমুলিয়া হাট, পুর্বাচল, ঢাকা। প্রতি সোমবার। সব ধরনের গরু পাওয়া যায়। তবে ষাড় বেশী পাওয়া যায়।

৭৩. সারুলিয়া হাট, ডেমরা, ঢাকা। প্রতি বৃহস্পতিবার। সব ধরনের গরু পাওয়া যায়।

৭৪. বালুরমাঠ হাট, ফতুল্লা, নারায়ণগঞ্জ। প্রতি মংগলবার বসে। সব ধরনের গরু পাওয়া যায়।

৭৫. উদয়পুর হাট, মোল্লাহাট উপজিলা, বাগেরহাট জেলা। অনেক পুরানো এবং ঐতিহ্যবাহী হাট। প্রতি রবিবার বসে। দেশী গরু বেশী পাওয়া যায়৷

৭৬. শৈলদাহ হাট। চিতলমারী থানা, বাগেরহাট জেলা। আর হাট বসে সোম ও শুক্রবার। প্রধানত দেশী গরু পাওয়া যায়।

৭৭. ঝিনাইদহের খালিশপুর হাট, শুক্র ও সোমবার বসে। গরু, মহিষ, ছাগল, ভেড়া সব কিছুই পাওয়া যায়।

৭৮. ঝিনাইদহের পুরাপারা হাট। প্রতি রবি ও বুধবার। বলদ গরু ও বেশী গরু বেশী পাওয়া যায়।

৭৯. চন্দ্রপুর হাট (পালং থানা,জেলা শরিয়তপুর) প্রতি মঙ্গলবার দুধের গরু বাদে মোটামুটি সব গরুই পাওয়া যায়।

৮০. শিমুলিয়া বাজার, কিশোরগঞ্জ জেলা। প্রতি সোমবার। সব ধরণের গরু পাওয়া যায়।

৮১. আজমেরীগঞ্জ গরুর হাট, আজমেরীগঞ্জ উপজিলা, হবিগঞ্জ জিলা। অনেক বড় হাট। গরু মহিষ ছাগল সবই পাওয়া যায়। প্রতি রবিবার।

৮২. চৌমুহনী বাজার, প্রতি রবিবার, কুটি, কসবা, বিবাড়িয়া।
সাধারণত সব গরুই পাওয়া যায়। দাম ও ৪০-৫৫ হাজারে ছোট ষাড়, গাভি, আবাল উঠে।

৮৩. বাইশমৌজা বাজার, প্রতি মঙ্লবার বসে। আশুগঞ্জ, বিবাড়িয়া।
বলা হয় অত্র অঞ্চলের সবচেয়ে কম দামে গরু পাওয়া যায় এখানে।

৮৪. ময়নামতি বাজার, প্রতি শুক্রবার বসে। কুমিল্লা। ভারতীয় গরুর আধিক্য বেশি।

৮৫. হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর এর মনতলা পার হয়ে চেঙার বাজার হাট। এটা মাধবপুর এর সবচেয়ে বড় হাট।সপ্তাহে রবি ও বুধবার বসে।সব ধরনের গরু পাওয়া যায়।

৮৬. সিরাজগঞ্জ জিলার উল্লাপাড়া উপজিলার বোয়ালিয়া হাট। অনেক বড় হাট, বিশেষ করে গাভীর জন্য। প্রতি রবিবার।

৮৭. সিরাজগঞ্জের কালিয়াকান্দাপাড়া হাট, প্রতি বৃহস্পতিবার। শাহিওয়াল, ফ্রিজিয়ান দেশী ষাড় ও গাভী পাওয়া যায়।

৮৮. সিরাজগঞ্জের নলকা হাট , প্রতি বুধবার। ফ্রিজিয়ান ও পাবনা ব্রীডের জন্য নামকরা।

৮৯. সিরাজগঞ্জের চন্ডিদাস গাতী হাট, প্রতি শুক্রবার। ফ্রিজিয়ান, গাভী, শাহিওয়াল বকনা গাভী, পাবনা ব্রীড ভালো পাওয়া যায়।

৯০. শিয়ালমারী, উথলী, জীবননগর, চুয়াডাঙ্গা। বাংলাদেশের অন্যতম বড় একটি গরুর হাট। বিশেষ করে ষাড় গরুর জন্য। প্রতি বৃহস্পতিবার বসে।

৯১. মিরশান্নি বাজার, চৌদ্দগ্রাম, কুমিল্লা। প্রতি বুধবারে বসে। মোটামুটি সব ধরনের গরু পাওয়া যায়।

৯২. নীলফামারী জিলার বাসুনিয়া হাট। সব ধরনের গরু উঠে দাম ও কম। শুক্রবার সারাদিন।

৯৩. লালমনিরহাট জিলার পাট গ্রাম হাটে ইন্ডিয়ান গরু বেশি পাওয়া জায়। দাম মোটামুটি৷ রবিবার ও বৃহস্পতিবার সকাল ৫.৩০ টা - ১১ টা।

৯৪. চাঁদপুর জেলার বড় হাট, সফরমালি হাট। হাট বসে প্রতি সোমবার। সব ধরনের গরু পাওয়া যায়।

৯৫. মনিপুরা বাজার, রায়পুরা নরসিংদী। প্রতি বৃহস্পতিবার। প্রধানত দেশী গরু পাওয়া যায়।

৯৬. মৌলভীবাজার জিলার জুড়ী গরুর হাট বৃহস্পতিবার ও সোমবার। বাওরের দেশী পাওয়া যায়।

৯৭. মৌলভিবাজার জেলার ফুলতলা হাট। বসে প্রতি শনিবার। প্রধানত দেশী গরু পাওয়া যায়।

৯৮. আমবারি হাট, দিনাজপুর প্রতি শুক্র বার ও সোম বার বসে,, শাহিওয়াল বাছুর থেকে ভাল মানের গাভি ও ষাড় পাওয়া যায়।

৯৯. জিনাইদহ জিলার মংবার বইডাংগা বাজার। প্রতি মংগলবার বসে। অনেক ভাল জাতের গরু পাওয়া যায়।

১০০. চুয়াডাংগার ডুগডুগি হাট। বড় সাইজের গরুর জন্য বিখ্যাত। ক্রস ও দেশী ষাড় ও বলদ ভালো পাওয়া যায়। প্রতি সোমবার বসে।

১০১. চুয়াডাংগার শিয়ালমারি হাটে ক্রস, ইন্ডিয়ান ও বলদ গরু পাওয়া যায়। প্রতি বৃহস্পতিবার বসে।

১০২. মৌলভিবাজারের মুন্সিবাজার হাটে প্রায় ৯০% দেশী গরু পাওয়া যায়। হাটবার প্রতি বুধবার।

১০৩. মৌলভিবাজারের রাজনগর উপজিলার টেংরা বাজার। দেশি, শাহীওয়াল, ক্রস, ফ্রিজিয়ান, গাভী সহ বাচ্চা পাওয়া যায়। প্রতি রবিবার বসে হাট।

১০৪. সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ বাজারে ও সব ধরনের গরু পাবেন। হাটবার প্রতি শনিবার বসে।

১০৫. মৌলভিবাজারের কুলাউড়ায় ব্রাম্মন বাজার হাটে সব ধরনের গরুর পাশাপাশি মহিষ ও পাওয়া যায়। প্রতি সোমবার বসে এই হাট।

১০৬. সিলেটের জৈন্তাপুর গরুর হাট বর্ডার সাইটে থাকায় ইন্ডিয়ান ষাড় ও বলদ পাওয়া বেশি। দেশি গাভী সহ বাচ্চা ও বিক্রি হয় এই হাটে। ইন্ডিয়ান গরুর একটা বড় হাট।

১০৭. সাতক্ষীরার পারুলিয়া হাট। প্রতি রবিবার। প্রধানত দেশী ষাড় ও গাভী পাওয়া যায়।

১০৮. পিংনা হাট, সরিষাবাড়ি, জামালপুর। শুক্রবার বসে। দেশী, শাহীওয়াল ফ্রিজিয়ান জাতের ছোট বড় মাঝারি সকল ধরনের গরু পাওয়া যায়।

১০৯. কুমিল্লা জেলার হোমনা ঘারমোড়া বাজার বসে প্রতি সোমবার। সব ধরনের গরু পাওয়া যায়।

১১০. কুমিল্লা জিলার তিতাস উপজিলার বাতাকান্দি হাট। প্রতি বুধবার বসে৷ সব ধরনের গরু পাওয়া যায়।

১১১. যশোরের চৌগাছা হাট। প্রতি সোমবার ও বুধবার বসে। দেশী গরু, গাভী, কসাইয়ের গরু এবং ছোট গরু বেশী পাওয়া যায়।

১১২. নিলফামারী সদর হাট। বুধবার এবং রবিবার বসে। সব ধরনের দেশী ও ইন্ডিয়ান গরু পাওয়া যায়।

১১৩. ঠাকুরগাও জেলার যাদুরানী হাট। প্রতি মজ্ঞলবার বসে। সকল প্রকার দেশী গরু পাওয়া যায়।

১১৪. বরিশালের গৌরনদী থানার পাশেই কসবার হাট। প্রতি বৃহস্পতিবার বসে। সব ধরনের গরু পাওয়া যায়।

১১৫. নাকালিয়া বাজার হাট, বেশি বড় না, চড় অঞ্চলের গরু বেশি পাওয়া যায়, প্রতি রবিবার, উপজেলা বেড়া, জেলা পাবনা। যুমুনা নদীর পাড়ে।

১১৬. সিলেট এর হরিপুর বাজার।প্রতিদিন হাট বসে। এখানে ইন্ডিয়ান সব গরু পাওয়া যায়।এই বাজার মুলত মাংসের বাজার।

১১৭. দারিয়াপুর হাট, গাইবান্ধা সদর থেকে আট কিলো মিটার উত্তরে অবস্থিত।এখানে সাধারনত তিস্তা ও ব্রক্ষ্মপুত্র নদের চরাঞ্চলের দেশি গরু পাওয়া যায়। মংগলবার ও শুক্রবার বসে।

১১৮. ইখড়ি হাট, তেরখাদা, রূপসা ,খুলনা । প্রতি শুক্রবার। মূলত স্থানীয় ও দেশী জাতের গরু পাওয়া যায়।

১১৯. শরীয়তপুরের সবচেয়ে বড় গরুর হাট হলো কাজির হাট, জাজিরা, শরীয়তপুর। হাট বসে বৃহস্পতিবার ও রবিবার। দেশী গরু বেশী পাওয়া যায়।

১২০. ফরিদপুর টেপাখোলা হাট। প্রতি মঙ্গলবার বসে। দেশী ষাড় গরুর জন্য ভালো হাট।

১২১. মাদারিপুর হাট। মাদারিপুর সদরে। প্রতি বুধবার বসে। দেশী গরু খুব পাওয়া যায়।

১২২. মাদারিপুর জেলায় টেকের হাট গরুর হাট। ব্রীজের কাছে৷ প্রতি বুধবার বসে। দেশী গরু ভালো পাওয়া যায়।

১২৩. লালমনিরহাটের বড়বাড়ি হাট। প্রতি বুধবারে হাট বসে। অনেক দেশী ও ইন্ডিয়ান গরু পাওয়া যায়।

১২৪. ময়মনসিংহ জেলার লক্ষীগঞ্জ হাট। প্রতি মঙ্গলবার বসে। দেশী গরুর আধিক্য দেখা যায় এই হাটে।

১২৫.ময়মনসিংহ জেলার মুক্তাগাছা হাট। হাট প্রতি বুধবার বসে। দেশি ও ফ্রিজিয়ান গরু বেশী পাওয়া যায়।

১২৬. হবিগঞ্জের মাধবপুরের ফান্দাগের হাট। প্রতি বৃহস্পতিবার বসে। দেশী গরু ভালো পাওয়া যায়।

১২৭. ময়মন্সিংহের পাঠাকাটা হাট। প্রতি রবিবার বসে। মুলত দেশী গরু ছাগল পাওয়া যায়।

১২৮. ময়মন্সিংহের নকলা হাট। প্রতি বৃহসপতিবার বসে। দেশী গরু ও ছাগল ভালো পাওয়া যায়।

১২৯. ময়মনসিংহের নালিতাবাড়ী হাট। প্ররি মংগলবার বসে। দেশী গরু পাওয়া যায়।

১৩০. ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট হাট। প্রতি বৃহসপতিবার বসে। দেশী গরু ভালো পাওয়া যায়।

১৩১. চাপাইনবাবগঞ্জ সদরে বটতলা হাট। প্রতি শুক্রবারে বসে। সব ধরনের গরু পাওয়া যায়।

১৩২. চাপাইনবাবগঞ্জ, শিবগঞ্জের তত্তিপুর হাট। প্রতি শনিবার ও মঙ্গলবার বসে। সব ধরনের গরু পাওয়া যায়।

১৩৩. চাপাইনবাবগঞ্জের কআনসাটের খাসের হাট। প্রতি সোমবার ও শুক্রবার বসে। প্রায় সব ধরনের গরুই পাওয়া যায়।

১৩৪. ফেনীর ছাগলনাইয়া উপজিলার ঐতিহ্যবাহী চাঁদগাজী হাট। প্রতি সোমবার ও বৃহসপতিবার বসে। সব ধরনের গরু ছাগল পাওয়া যায়।

১৩৫. ফেনী জেলার ফুলগাজী উপজেলার মুন্সিরহাট। প্রতি শুক্রবার ও মঙ্গলবার বসে। সব ধরনের গরু পাওয়া যায়।

১৩৬. কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার চিওড়া কাজীর বাজার।রবীবার ও বৃহস্পতিবার বাজার বসে। সব ধরনের গরু পাওয়া যায়।

ধন্যবাদ সবাইকে।
সংগ্রহ : জাহিদুল ইসলাম।

24/05/2021

আমার বন্ধুর ১,৫০০ হাঁসের খামার।

30/04/2021

অন্য একটি খামারে গরুর গোবর টানা গাড়ি ।

26/04/2021

♦সতর্কীকরণ♦
গরু কেনো কাশিঁ দিচ্ছে?

বিস্তারিত জানতে সম্পুর্ন লেখাটি পড়ুন।

বোভাইন ইফিমেরাল ফিভার
Bovine Ephimeral Fever

বোভাইন ইফিমেরাল ফিভার এটি একটি সংক্রমক ভাইরাস জনিত রোগ। এ রোগে গরু হঠাৎ করে প্রথম দিন কাশিঁ ও ২য় দিন কাঁপুনি দিয়ে জ্বর হয়ে থাকে এবং তিন দিন স্থায়ী হয়। কমবেশি সব বয়সের গরুতে হলেও প্রাপ্ত ও বয়ষ্ক গরুতে অতি সংবেদনশীল। প্রচলিত নাম হিসাবে একে তিন দিনের জ্বর (Three Days Sickness) বলা হয়। সাধারনত বসন্ত ও গ্রীষ্মকালে রক্ত শোষক কীট-পতঙ্গ মশা মাছি ডাঁশ দ্বারা আক্রান্ত গরু থেকে সুস্থ গরুতে ছরিয়ে থাকে। এই জ্বরে আক্রান্তের হার ৫-১০০% কিন্তু মৃত্যুর হার ২%।

কারন

Rhabdoviridae ভাইরাসের গোত্রভুক্ত Vesiculo ভাইরাস Bovine Ephemeral Fever (‘তিন দিনের জ্বর’) এ রোগের কারণ।

লক্ষন

বোভাইন ইফিমেরাল ফিভার (Bovine Ephimeral Fever) রোগে তিন দিনে ৩ টি পর্যায়ের লক্ষন দেখা যায়।

১ম দিন
>১ম দিন কাশিঁ হওয়ার পর কাঁপুনি সহ তীব্র জ্বর (১০৩-১০৬) ডিঃগ্রীঃ ফাঃ পর্যন্ত হবে।
> ঘন ঘন নিঃশ্বাস নিবে ও জাবর কাটা বন্ধ করে দেয়।
> খাবার বন্ধ করে দিবে ও দুর্বলতা দেখা যাবে।
> পায়ের গিরায় প্রচন্ড ব্যাথা অনুভুত হবে।

২য় দিন
> গরু খুড়িয়ে খুড়িয়ে হাটবে।
> নাক ও মুখ দিয়ে শ্লেমা ঝড়বে।
> পেট ফেঁপে যাবে।
> শংকর জাতের গরু শুয়ে থাকে উঠতে পারে না, দাড়ালেও খুব কষ্ট করে দাড়ায়।
> গাভীর দুধের উৎপাদন কমে যাবে।

৩য় দিন
> জ্বর কমে যাবে ও খেতে শুরু করবে।
> দুর্বলতা ও খুড়িয়ে হাটা ৩য় দিনও লক্ষ করা যাবে।

সম্ভাব্য ব্যবস্থা

ভাইরাস জনিত রোগ হওয়ায় এ রোগের সুনির্দিষ্ট কোন চিকিৎসা নেই। তিন দিনের মধ্যেই আপনা আপনি এ জ্বর ভালো হয়ে যায়। তবে আক্রান্ত গরুর ২য় পর্যায়ে জীবাণু সংক্রমণ থেকে রক্ষার জন্য অ্যান্টিবায়োটিক অক্সিটেট্টাসাইক্লিন জাতীয় ঔষধ প্রয়োগ করা যাবে।

® অক্সিটেট্রাসাইক্লিন গ্রুপের যেমন inj: Renamycin-L.A 100ml (Renata) 1cc/10-20kg b wt হিসাবে মাংশে ২৪ ঘন্টা পরপর তিন ডোজ দিলেই হবে। সাথে ® এন্টিহিস্টামিন inj: Antihista-vet 10ml (Square) 1cc/20kgw হিসাবে মাংশে দিয়ে নিতে হবে।
® Kitoprofen গ্রুপের যেমন inj: kitoflam (OPSONIN) 1cc/30kgw অনুযায়ী ২৪ ঘন্টা পরপর মাংশে ৩ দিন দিতে হবে।
তীব্র জ্বর হলে মাথায় ঠান্ডা পানি ঢালতে হবে ও ভেজা কাপড় দিয়ে শরীর মুছে দিতে হবে এবং ঠান্ডা ও আরামদায়ক স্থানে গরুকে রাখতে হবে।

রুমেন সচল রাখার জন্য
® Stomachic & Rumen tonic জাতীয় ঔষধ যেমন Pow: Rumenal 10mg (FnF) মাঝারী ও বড় গরুতে দিনে ১+০+১ প্যাকেট পরপর ৩ দিন গুড় দিয়ে খাওয়াতে হবে।

প্রচন্ড শ্বাষকষ্টে যদি গরুর শরীরের তাপমাত্রা ১০০ ডিগ্রি ফাঃ এর নিচে চলে আসে তাহলে ডেক্সামেথাসন গ্রুপের ইঞ্জঃ দিতে হবে। গর্ভাবস্থায় বিপজ্জনক

A Prescribtion by Dr. Al Mamun veterinary surgeon of livestock service. Rangpur.

প্রতিরোধ
চিকিৎসার চেয়ে প্রতিরোধ উত্তম। গবাদিপশুর সকল প্রকার রোগ-ব্যাধির প্রতিরোধ সম্পর্কে খামারীদের জ্ঞান অর্জন করা খুব প্রয়োজন।

© গ্রীষ্মকালে এ রোগের প্রাদুর্ভাব বেশি তাই এই সময় যতসম্ভব মশা মাছি কীট-পতঙ্গ নিয়ন্ত্রন করতে হবে।
© আক্রান্ত গরুকে দ্রুত অন্যত্র সরিয়ে রাখতে হবে।
© রক্ত শোষক বিভিন্ন কীট-পতঙ্গ মশা মাছি ডাঁশ আঁঠালী যাতে গরুর ঘড়ের আশেপাশে বাসা বাধতে না পারে এ জন্য মাঝে মাঝে জীবানুনাশক/ আঁঠালীনাশক সতর্কার সহিত প্রয়োগ করে এ রোগ প্রতিরোধ করা যায়।

Copy: এস এম রাসেল।

খামার থেকে খাটি দুধ হোম ডেলিভারী দিতে গিয়ে প্রায়ই নষ্ট হয়ে যাচ্ছে! খাটি গরুর দুধ দোহন করার পরে হোম ডেলিভারী দেয়া একটা বড়...
07/04/2021

খামার থেকে খাটি দুধ হোম ডেলিভারী দিতে গিয়ে প্রায়ই নষ্ট হয়ে যাচ্ছে!

খাটি গরুর দুধ দোহন করার পরে হোম ডেলিভারী দেয়া একটা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাড়িয়েছে। প্রায়ই দেখা যায় ক্রেতা দুধ যখন চুলায় জাল দিলো, দুধ ছানা হয়ে গেলো। ক্রেতা ভাবছে খামারের দুধ ভালোনা, অথবা খামার থেকে ভাল দুধ তাকে দেয়া হয়নি। খামারিকে মন খারাপ করতে হয় এবং লোকসান গুনতে হয়।

হ্যা পাস্তুরাইজ মেশিন সবার কাছে নেই। অনেক দামী এই মেশিন ছোট খামারিদের পক্ষে ক্রয় করা সম্ভব নয়। কিন্তু উপায় তো একটা বের করতে হবে। অনেক কষ্ট করে খামারি দুধ দোহন করে ঠান্ডা করে বরফ দিয়ে দ্রুত সময়ে ডেলিভারী দেবার পরেও নানা কারনে দুধ নষ্ট হবার অভিযোগ আসে। গ্রাম বাংলায় নানা নিয়ম দেখা যায় খামারি বা গোয়ালাদের দুধ ভাল রাখার জন্য সে আলোচনায় নাই গেলাম।

আমি ৩/৪ বছর আগে একটি ভিডিওতে দেখেছিলাম ভারতে দুধ দোহনের পরে যেন নষ্ট না হয় সেজন্য দুধ চুলায় একবার জাল দিয়ে এরপর ঠান্ডা করে প্যাকেট করে বিক্রি করতো। জাল দেবার সময় ও পরে ঠান্ডা হবার আগ পর্যন্ত দুধকে অনবরত নাড়তো যেন সর না পড়ে যায়৷ পরে ভিডিওটি আর খুজে পেলাম না।

আপনারা কি কেউ চেস্টা করেছেন ফার্মের দুধ সংগ্রহ করার পরে এভাবে একবার জাল দিয়ে, এরপর বরফ পানিতে ঠান্ডা করে প্যাকেট করে বিক্রি করতে? একবার ট্রাই করে দেখুন তো দুধ ভাল থাকে কিনা বা থাকলেও কতক্ষন পর্যন্ত থাকে।

৪ উপায়ে টেস্ট করুনঃ

২ কেজি গরুর দুধ সংগ্রহ করে চুলায় এক বলক উঠা পর্যন্ত জ্বাল দিয়ে চুলা বন্ধ করে দিন। এরপর কিছুক্ষন সময় নিয়ে দুধটাকে বরফ পানিতে ঠান্ডা করে আধাকেজি করে ৪ টা প্যাকেট করুন। জ্বাল দেবার সময় ও ঠান্ডা হবার আগ পর্যন্ত দুধ অনবরত নাড়তে হবে যেন সর জমে না যায়।

দুধ জ্বাল দিয়ে এরপর বরফ পানি দিয়ে ঠান্ডা করে নরমাল টেম্পারেচারে ২ ঘন্টার মধ্যে হোম ডেলিভারী করলে দুধ নষ্ট হবেনা আশাকরি।

তবে টেস্ট করা দেখা যাক সময় যদি বেশী লাগে তাহলে কি হতে পারে। চুলায় জ্বাল দিয়ে বরফ পানিতে দুধ ঠান্ডা করে-- (পরীক্ষা)

১) ১ প্যাকেট ৩ ঘন্টা পরে নরমাল ফ্রিজে রাখুন
২) ১ প্যাকেট ৬ ঘন্টা পরে নরমাল ফ্রিজে রাখুন
৩) ১ প্যাকেট ১২ ঘন্টা পরে নরমাল ফ্রিজে রাখুন
৪) ১ প্যাকেট ১৮ ঘন্টা পরে নরমাল ফ্রিজে রাখুন

এরপর ২৪ থেকে ৩৬ ঘন্টা পরে দুধগুলো পুনরায় ফ্রিজ থেকে বের করে জ্বাল দিয়ে দেখুন কোন সময়কার দুধটা ভাল আছে।

(দোহনের ১/২ ঘন্টার মধ্যে ডিপ ফ্রিজ করে রাখলে দুধ ভাল থাকবে এটা সবার জানা, তাই এটা নিয়ে আলোচনা করছিনা)

কপি : শাহ এমরান

02/11/2020

সুন্দর / সুন্দরীর প্রতিযোগিতা।

আপনার গাভীকে কোন সিমেন ব্যবহার করবেন! বিষয়টা অত্যান্ত জটিল একটি বৈজ্ঞানিক প্রক্রিয়া কিন্তু চেস্টা করলাম কিছু লেখার জন্য ...
28/10/2020

আপনার গাভীকে কোন সিমেন ব্যবহার করবেন!
বিষয়টা অত্যান্ত জটিল একটি বৈজ্ঞানিক প্রক্রিয়া কিন্তু চেস্টা করলাম কিছু লেখার জন্য নিজের অভিজ্ঞতার আলোকে। আমাদের দেশে খামারগুলোতে ফ্রিজিয়ান ক্রস ব্রিড, শাহীওয়াল-সিন্ধি ক্রস ব্রিড ও কিছু দেশী গাভী পরিলক্ষিত হয়। তবে বানিজ্যিক খামারগুলো সাধারনত ফ্রিজিয়ান ক্রসব্রিড গাভীগুলোই লালিত পালিত হয়।
আমরা খামারে কোন সিমেন ব্যবহার করবো এই বিষয়ে কোন গাইড লাইন নেই। খামারির যার যা পছন্দ সেই মোতাবেক সিমেন ব্যবহার করা হয়, আবার কেউ কেউ এ আই কর্মী যা পরামর্শ দেয় সেই মোতাবেক সিমেন ব্যবহার করে।
এটা যে কত বড় একটি ভুল যা চিন্তার বাইরে। অথচ আমাদের এই বিষয়ে সর্বাধিক গুরুত্ব দেয়া উচিত ছিল, সর্বাধিক বিনিয়োগ করা উচিত ছিল এবং সর্বাধিক সতর্ক থাকার কথা ছিল যা আমরা করিনা এবং আমি বলবো এই কারনেই আমরা অনেকে খামার করে জাত উন্নয়নের মাধ্যমে নিজেদের উন্নয়ন ঘটাতে পারিনা৷
আমরা খুজি কোথায় ভাল দুধের গাভী আছে, অথচ আমরা একবারের জন্য ভাবিনা আমাদের নিজেদের খামারে ভাল গাভী তৈরী করতে কি করা প্রয়োজন।
আমরা লাখ লাখ টাকা খরচ করি একটি ভাল দুধের গাভী কেনার জন্য অথচ একটি ভাল সিমেনের জন্য অর্থ ব্যায় করতে কার্পন্য করি। একটি ভাল সিমেন একটি ভাল বাচ্চা তৈরী করে দেবে আপনাকে আর এই বাচ্চাটি হবে আপনার খামারের ভবিষ্যত।
বাছুর সাদা রংয়ের হয়েছে এতেই অনেকে খুশী আবার অনেকে ভাবে সাদা রং মানেই হলো অষ্ট্রেলিয়ান এগুলো হলো জাস্ট একেবারে মূর্খতা ও বোকামী। এরপর দেখা যায় ৩ বছর লালন পালনের পরে সেই বাচ্চা যখন বড় হয় দুধ দেয়া শুরু করে তখন খামারিরা মাথায় বাজ পড়ে। কারন খামারি হয়তো সাদা বাচ্চা রংয়ের বাচ্চা দেখে ভেবেছিল এর দুধ প্রদানের সক্ষমতা হবে ২০ (+) লিটার, কিন্তু দেখা গেলো দুধ পাওয়া গেল ৭ লিটার!
এইতো গত মাসে বগুড়ার এক খামারির দুঃখ ও আক্ষেপের কথা শুনে মনটা খারাপ হয়ে গিয়েছিল। একটি নতুন নামকরা প্রাইভেট কোম্পানীর সিমেন ব্যবহার করেছিল, কিন্তু ভরাডুবি হয়েছে তার খামারে। ১০ টি বাচ্চার মধ্যে মেয়ে বাচ্চা এসেছিল ৭টি যেগুলো বড় হয়ে দুধ প্রদান করছে ৮/৯ লিটার, অথচ সেই বাচ্চাগুলো মা'র দুধ প্রদানের সক্ষমতা ছিল ১৮-২০ লিটার। তবে প্রশ্ন হলো কেন হলো এমন ঘটনা! এমন অনেক অনেক প্রশ্নের উত্তর আমরা জানার চেস্টা করবো আজকের এই লেখার মধ্যে থেকে।
বাংলাদেশে হাতগোনা ৩/৪ টা বা খুব অল্প কয়েকটা খামার আছে যেখানে শুরু থেকে সঠিকভাবে রেকর্ড কিপিং এর মাধ্যমে জাত উন্নয়নের কাজ করা হয়েছে। সত্যিকার অর্থে নেই বললেই চলে।
তবে এখন অনেকে রেকর্ড কিপিং করছে কিন্তু তারা কি জানে যে গাভীগুলো কিনে তারা খামার শুরু করেছে সেগুলোর রেকর্ড কি? রেকর্ড মানে সেগুলোর জাত কি, কোন বুলের বাচ্চা, গাভী মা-বোন-খালা কত লিটার দুধ দিতো, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কেমন ইত্যাদি ইত্যাদি তথ্য। কিছুই কি জানে? না, খামারি কিছুই জানেনা।
খামারিরা রেকর্ড রাখা শুরু করেছে তার এই গাভীকে কি সিমেন দিচ্ছে, কবে টিকা দিয়েছে ইত্যাদি ইত্যাদি৷ হ্যা নিসন্দেহে ভাল উদ্যোগ তবে কাজটা পারফেক্ট হলোনা। এই খামারি তার কোন গাভীকে কোন সিমেন দিবে, কত পারসেন্টের ফ্রিজিয়ান ব্লাড লাইনের সিমেন দেবে এটা সে কি করে হিসাব করবে এর সঠিক উত্তর কেউ দিতে পারবেনা কারন আমাদের পূর্বের কোন রেকর্ড নেই, সব হযবরল অবস্থা।
আমরা অনেকে মনে করি গাভীর সাদা রংয়ের গায়ের রং হলে হাই পারসেন্টেজ, আবার অনেকে মনে করি ২০/২৫ লিটার দুধ দিচ্ছে তাই হাই পারসেন্টেজের ফ্রিজিয়ান। এসব একেবারেই ভুল ধারনা।
আমেরিকাতে ১০০% ফ্রিজিয়ান ব্লাড লাইনের সর্বনিন্ম দুধ প্রদানের সক্ষমতা এভারেজ ৩৯ লিটার। কানাডা, অস্ট্রেলিয়া এবং ইউরোপ দেশগুলোতেও অনেকেটা একই রকম। আবার আমাদের দেশে ১০০% ফ্রিজিয়ান ব্লাড লাইনের বুলের মেরিট ১৪ লিটার!! হাহাহা, কি বুঝলেন এই হলো বাংলাদেশের ১০০% ফিজিয়ান ব্লাড লাইন।
যাইহোক, ১০০% হলেই যে দুধ বেশী দেবে এমন একটা ধারনা আমাদের কাজ করে। ব্যাপারটা আসলে এমন নাও হতে পারে।
৫০% বা ৭৫% ব্লাড লাইনের একটি গাভী ৪০ লিটার দুধ প্রদানের সক্ষমতা নিয়ে আসতে পারে। যেমনঃ আপনার একটি দেশী গাভী ৫ লিটার দুধ দেয়। এই গাভীকে যদি আপনি ৬০ লিটার কৌলিক গুন সম্পন্ন ১০০% ব্লাড লাইনের বুলের সিমেন দেন তাহলে যে বাচ্চা আসবে সেটা (২.৫+৩০)=৩২.৫০ লিটার দুধ দেয়া সম্পন্ন হতে পারে যার ফ্রিজিয়ান পারসেন্ট হলো মাত্র ৫০%।
এবার এই ৫০% ফ্রিজিয়ান ব্লাড লাইনের গাভীকে যদি আবার ১০০% ফ্রিজিয়াম ব্লাডের ৬০ লিটার কৌলিক গুন সম্পন্ন সিমেন দেন তাহলে আপনি (১৬.২৫+৩০) = ৪৬.২৫ লিটার কৌলিক গুন সম্পন্ন বাচ্চা পেতে পারেন যার ফ্রিজিয়ান ব্লাড লাইন হলো ৭৫%।
তাহলে আমরা তো অনেকে ২০-২৫ লিটার দুধ দেয়া গাভীকে ১০০% বলে থাকি! কি থাকি কিনা? এসব একেবারেই ভুল তথ্য যা অনুমান নির্ভর৷ বিজ্ঞান কখন অনুমান নির্ভর কাজ করেনা এটা আপনাকে সব সময় খেয়াল রাখতে হবে।
তাই চট করে খেয়াল খুশীমত আমরা যারা গাভীর দিকে তাকিয়ে পারসেন্ট বলে দিচ্ছি এই কাজটা না করাই ভালো। অতীতের কিছু আর্টিকেল পড়ে জেনেছিলাম যে পিওর টু পিওর ব্লাড লাইনের ক্রস ব্রিড থেকে সর্বচ্চ ভাল রেজাল্ট পাওয়া যায়।
অর্থাৎ পিওর দেশীর ব্লাড লাইনের সাথে পিওর ১০০% ফ্রিজিয়ান ক্রস করলে বা পিওর শাহীওয়াল/গীরের সাথে পিওর ১০০% ফ্রিজিয়ান ব্লাড লাইনের ক্রস করালে সবচেয়ে ভাল রেজাল্ট পাওয়া যায়।
আছে কি আপনার আমার খামারে এই পিওর কোন ব্রিড? নেই, তাহলে যে সিমেন দিচ্ছেন একেতো আপনি জানেন না সিমেনের কৌলিক গুনাগুন কি, অন্যদিকে আপনার খামারের গাভীর কি রেকর্ড সেটাও জানেন না। কিভাবে আপনার খামারের জাত উন্নয়ন হবে? এটা অসম্ভব, কোনদিন হবেনা।
এখন তাহলে কি করবো আমরা? সব গরু ডেস্ট্রয় করে দিবো, এটা কি সম্ভব! না এটা সম্ভব নয়, তাই আমাদের যা আছে সেটারই একটা স্টান্ডার্ড ধরে আগাতে হবে আন্দাজের উপর, নতুবা সব ডেস্ট্রয় করে ফেলে নতুন করে পিওর জাত নিয়ে আগাতে হবে। এছাড়া আর কোন উপায় নেই।
১২-১৯ লিটার দুধ দেয়া গাভীকে ৫০% ফ্রিজিয়ান ব্লাড লাইন, ২০ থেকে ২৮ লিটারকে ৭৫% ফ্রিজিয়ান ব্লাড লাইন এবং ২৯-৩৪ লিটারের গাভীকে ৮৭.৫% ব্লাড লাইনের ফ্রিজিয়ান ও তার উপরের হলে ১০০% ফ্রিজিয়ান ব্লাড লাইনের ধরে আগানো যেতে পারে। যদিও এটা একটি গোজামিল দেয়া নিয়ম হলো, এছাড়া আর উপায়ও নেই।
প্রশ্ন হলো এই স্টান্ডার্ডের জন্য কোন সিমেন এবং কত পারসেন্ট ফ্রিজিয়ান ব্লাড লাইনের সিমেন ব্যবহার করবেন আপনি।
একটা গুরুত্বপূর্ণ কথা বলি তা হলো, যে বুলের বা পারসেন্টেরই সিমেন ব্যবহার করেন না কেন আপনাকে অবশ্যই অবশ্যই জানতে হবে সেই বুলের জেনেটিক্স মেরিট কি আছে। অর্থাৎ সেই বুলের জেনেটিক্সে দুধ প্রদানের সক্ষমতা কেমন। এই বিষয়ে সর্বাধিক খেয়াল দিতে হবে আমাদের। সে ক্ষেত্রে আমরা যদি এমন কোন ক্রসব্রিড সিমেন পাই যেখানে দেখি ফ্রিজিয়ানের ব্লাড লাইন কম এবং দুধের আধিক্য বেশী আমরা চোখ বন্ধ করে সেই সিমেনকে বেছে নেবো। এই টাইপের ক্রসব্রিড ভাল সিমেন ওয়ার্ল্ড মার্কেটে পাওয়া কঠিন।
তবে আপনি আমদানীকৃত ১০০% ফ্রিজিয়ান হাই মেরিটের ব্লাড লাইনের সিমেন পাবেন। এই সিমেন আপনি আপনার ৫০% ক্রসব্রিড ও ৭৫% ক্রসব্রিডকে দিতে পারেন অনায়াসে ভাল গাভী তৈরীর জন্য। তবে ৮৭.৫% কে না দেয়াই ভালো কারন হাই ফ্রিজিয়ান পারসেন্টের ব্লাড লাইন এদেশে সাস্টেইন করা কঠিন হবে।
আমাদের যাদের খামারে ৩৫ লিটারের দুধের গাভী আছে যেগুলোকে আমরা ৮৭.৫% ফ্রিজিয়ান ব্লাড লাইনের ধরি প্রশ্ন হলো এদেরকে কোন সিমেন আমরা ব্যবহার করবো? হ্যা এদেরকে আবারো ১০০% ফ্রিজিয়ান ব্লাড লাইন দেয়া ঠিক হবেনা কারন আমাদের দেশের হট এন্ড হিউমিড ওয়েদারে ১০০% ফ্রিজিয়ান সাস্টেইন করানো ডিফিকাল্ট। আমি নানারকম আর্টিকেল ও জার্নালে পড়ে দেখেছি এই টাইপের গাভীকে সাধারনত ক্রস ব্যাক করলে সর্বাধিক ভাল ফলাফল পাওয়া যেতে পারে।
প্রশ্ন হলো কোন ব্রিডের সাথে আপনি ক্রস ব্যাক করবেন এই হাই পারসেন্টের ফ্রিজিয়ান ব্লাড লাইনকে। দেখা গেছে এই ক্ষেত্রে পিওর হাই মেরিটের ১০০% জার্সি বা ফ্লেকভি দিয়ে যদি ফ্রিজিয়ান ব্লাড লাইন ক্রস ব্যাক করা যায় খুব ভাল রেজাল্ট পাওয়া যায়।
আমাদের অনেকের ধারনা বা পরামর্শ দেই দেশী গাভীকে ১০০% পিওর ফ্রিজিয়ান ব্লাড লাইনের সিমেন দেয়া যাবেনা, এটা ঠিক নয়। দেশী গাভী যদি একটু বড় সাইজের পাওয়া যায় বা শাহীওয়াল/গীর পাওয়া যায় অনায়াসে ১০০% ফ্রিজিয়ান ব্লাড লাইনের সিমেন দিতে পারেন আপনি যা থেকে অত্যান্ত ভাল ফলাফল পেতে পারেন।
ছোট কথায় হাই পারসেন্ট নয়, আমরা হাই মেরিটের বুল চাই। এই হাই মেরিট আপনাকে যাচাই বাছাই করতে হবে।
বাংলাদেশের সরকার ও প্রাইভেট বুল স্টেশন যারা সিমেন বিক্রি করে তাদের সিমেনের মান অত্যান্ত নিম্নমানের। ৩০০০ থেকে সর্বচ্চ ৫০০০ লিটার মেরিটের দুধ সক্ষমতার সিমেন তারা বিক্রি করে যা দিয়ে কোনভাবেই এদেশের খামারিদের ভাগ্য উন্নয়ন সম্ভব নয়। প্রতিনিয়ত খামারিদের ঠকিয়ে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেয় যার কোন জবাবদিহিতা পর্যন্ত নেই।
তবে হ্যা, সরকারের ২/৩ টি ভাল বুল ছিল অতীতে, এখন আর সেগুলো পাওয়া যায়না। যার কারনে অতীতে সরকারী সিমেনে কিছু ভাল গাভী আমরা পেয়েছিলাম। দুঃখের বিষয়, আমাদের সরকার এখনও ভাল সিমেন খুজে জাত উন্নয়নের জন্য, আর পৃথিবী চলছে এমব্রায়ো তৈরীর মাধ্যমে দ্রুত জাত উন্নয়নের কার্যক্রম নিয়ে। আমাদের সরকার এখনও ভাবতে পারেনা এমব্রায়ো এনে কিছু পিওর ব্লাড লাইন তৈরী করতে। একটা সিমেন দিয়ে জাত উন্নয়ন করতে লাগে ১০ বছর আর এমব্রায়োর মাধ্যমে সেটা করা সম্ভব ১ বছরে৷ অথচ সরকার কোটি কোটি টাকা খরচ করে নানা রকম প্রজেক্টে যা খামারিরা জানতেও পারেনা এবং কোন সুফলও পায়না।
ধন্যবাদ,

Shah Emran

Address

Atgharia
Pabna

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Mina Dairy Farm posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Mina Dairy Farm:

Share