06/08/2024
👉পরিচিতি:
অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস
নোবেল বিজয়ী বাংলাদেশী অর্থনীতিবিদ
♻️♻️♻️
ড. মুহাম্মদ ইউনূস জন্ম: ২৮ জুন, ১৯৪০ সাল,
পরিবারের নয় ভাইবোনের মধ্যে উনি হল তৃতীয়,
গ্রামের বাড়ী : অধ্যাপক ড.মোহাম্মদ ইউনূসের গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলার শিকারপুর ইউনিয়নের বাথুয়া গ্রামে।
তিনি একজন বাংলাদেশী নোবেল পুরস্কার বিজয়ী, ব্যাংকার ও অর্থনীতিবিদ।
তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের একজন শিক্ষক ছিলেন।
তিনি ক্ষুদ্রঋণ নামক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার জনক হিসেবে সমাদৃত।
অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইউনূস গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা।
ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং উনার প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংক যৌথভাবে ২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
তিনিই প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে এই পুরস্কার লাভ করেন।
একটি প্রতিষ্ঠান যেটি তার ক্লায়েন্টদের ঋণযোগ্যতা প্রতিষ্ঠা করতে সাহায্য করার জন্য ক্ষুদ্রঋণ (কোনও জামানত নেই এমন দরিদ্র লোকদের ছোট ঋণ) প্রদান করে। এবং আর্থিক স্বয়ংসম্পূর্ণতা।
তিনি একজন বাংলাদেশী অর্থনীতিবিদ এবং গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা হিসাবে সমাদৃত।
ড. মোহাম্মদ ইউনূস বিশ্ব খাদ্য পুরস্কার সহ আরও জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পুরস্কার লাভ করেছেন।
✅কাজের ক্ষেত্র:
ক্ষুদ্রঋণ, কল্যাণমূলক অর্থনীতি, নীতিবিদ্যা
✅ শিক্ষায়তন:
💦ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
💦কলোরাডো বিশ্ববিদ্যালয়
💦ভ্যান্ডারবিল্ট বিশ্ববিদ্যালয়
✅অবদানসমূহ:
☑️গ্রামীণ ব্যাংক
☑️ক্ষুদ্রঋণ
✅পুরস্কার:
▶️ স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার (১৯৮৭)
▶️ বিশ্ব খাদ্য পুরস্কার (১৯৯৪)
▶️ প্রেসিডেনশিয়াল মেডেল অব ফ্রিডম (২০০৯)
▶️ আন্তর্জাতিক গান্ধী শান্তি পুরস্কার (২০০০)
▶️ ভলভো পরিবেশ পুরস্কার (২০০৩)
▶️ নোবেল শান্তি পুরস্কার (২০০৬)
▶️ কংগ্রেশনাল গোল্ড মেডেল (২০১০)
👉ড. মোহাম্মদ ইউনূস কেন নোবেল পুরস্কার পান?
"দরিদ্রের ব্যাঙ্কার" হিসাবে পরিচিত ইউনূস এবং তিনি যে গ্রামীণ ব্যাঙ্ক প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, তিনি ২০০৬ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার জিতেছিলেন যে গ্রামীণ দরিদ্রদের মনোযোগ আকর্ষণ করার জন্য খুব দরিদ্রদের জন্য $100 এর কম অর্থের ক্ষুদ্র ঋণ প্রদান করে লক্ষ লক্ষ মানুষকে দারিদ্র্য থেকে তুলে আনতে সাহায্য করেছে। ঐতিহ্যবাহী ব্যাংক ।
👉মুহাম্মদ ইউনূস কিভাবে বিশ্বকে বদলে দিয়েছিলেন?
"দরিদ্রের জন্য ব্যাংকার" হিসাবে পরিচিত ড. ইউনুস ক্ষুদ্রঋণের ক্ষেত্রে অগ্রগামী । এই পদ্ধতিটি, যা নিম্ন আয়ের ব্যক্তিদের ছোট ব্যবসার ঋণ প্রদান করে, বাংলাদেশে ডাঃ ইউনূস এবং গ্রামীণ ব্যাংক 1976 সালে বাঁশের মল ব্যবসা শুরু করার জন্য একদল মহিলাকে 27 ডলার ঋণ দিয়ে প্রথম প্রবর্তন করেছিল।
👉ক্ষুদ্র ঋণের জনক কে?
ড. মুহাম্মদ ইউনুস - মাইক্রোক্রেডিট ও সোশ্যাল বিজনেসের জনক সারা বিশ্বে পরিচিত।
🌿🌿🌿
যারা ড. মোহাম্মদ ইউনুস কে জানেন না তারা নানা কথা বলেন। ড ইউনুস এতটাই নীতিতে অটল যে উনি তার হাতে গড়া প্রতিষ্ঠানের ১ টি টাকা লাভ নেননি। যে গ্রামীন ব্যাংকের বাজার মূল্য ৯৩০০০০ কোটি টাকা!! তাহলে উনি সুদ খোর হলেন কিভাবে? উনি তার জীবন নির্বাহের জন্য সামান্য বেতনভুক্ত কর্মচারী ছিলেন মাত্র! গ্রামীণ ব্যাংকের সবটাকার মালিক দরিদ্র নারীরা। এমনকি ওনার ব্যক্তিগত কোনো সম্পত্তি নাই। উনি ব্যক্তিগত সম্পত্তি বিশ্বাস করেন না। বহু অর্থ লাভের সুযোগ পেয়েও উনার জীবনযাপন অতি সাধারণ। উনার সব কিছু না জেনে উনাকে আপনি সুদখোর বলছেন?
♻️নোবেল লরিয়েট প্রফেসর ইউনুসের একটা পরিচয়, না, উনার অনেক গুলো পরিচয়, পৃথিবীর সবচেয়ে সম্মানজনক তিনটা পুরস্কার হল:
১। নোবেল।
২। অ্যামেরিকার প্রসিডেন্সিয়াল এওয়ার্ড।
৩। মার্কিন কংগ্রেশনাল এওয়ার্ড।
ইতিহাসে এই তিনটা পুরস্কারই পেয়েছেন এমন মানুষ মাত্র ১২ জন। তার মধ্যে প্রফেসর ইউনুস একজন।
মেসি হলেন বর্তমান পৃথিবীর সবচেয়ে বড় তারকার একজন, আক্ষরিক ভাবেই মেসি লাইনে দাঁড়িয়েছিলেন প্রফেসর ইউনুসের সাথে ছবি তুলতে।
♻️বিশ্বের সর্ববৃহৎ এবং সর্বোচ্চ সম্মানজনক প্রতিযোগিতা হল আলিম্পক গেমস। ধনী দেশগুলো হাজার হাজার কোটি টাকা খরচ করে অলিম্পিকের হোস্ট হতে। আলিম্পক গেমসের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের সবচেয়ে সম্মানিত মেহমান হলেন (প্রধান অতিথি) আলিম্পক মশাল বাহক। ২০২০ সালের জাপান আলিম্পকের মশাল বাহক ছিলেন প্রফেসর ইউনুস। ভাবা যায়!? পৃথিবীর ইতিহাসে Olympic Laurel দেয়া হয়েছে মাত্র দুই জন কে তার মধ্যে ড. ইউনূস একজন।
♻️২০২৪ সালের প্যারিস অলিম্পিকের মূল থিম করা হয়েছে প্রফেসর ইউনুসের সামাজিক ব্যবসা তত্ত্বের উপর ভিত্তি করে। ফ্রেঞ্চদের মত নাকউঁচু জাতির গর্বের অলিম্পিক গেমসের ওয়েবসাইটের টাইটেল পেজে একজন ব্রাউন মুসলমান ড. ইউনুসের ছবি!! ফ্রেঞ্চদের সম্পর্কে যারা টুকটাক খবর রাখেন তারা বুঝবেন ব্যাপারটা কতটা আনইউজুয়াল।
♻️প্রফেসর ইউনুসের ব্রেইন চাইল্ড ক্ষুদ্র ঋন, সামাজিক ব্যবসা, এবং থ্রি জিরো, এই তিনটি তত্ত্বই গ্লোবাল কমিউনিটি গ্রহন করেছে। এই তিনটা তত্ত্বের তিনটাই যে খুব ভাল, আমি এমনটা মনে করি না। যেকোন সুদ ভিত্তিক পদ্ধতি ভাল হতে পারে না। তবে পয়েন্ট হল সারাবিশ্ব এটাকে গ্রহন করেছে। সামাজিক ব্যবসা এবং থ্রি জিরো— এই দুইটা খুবই জনহিতকর তত্ত্ব, এটা নিয়ে বিতর্ক নেই।
বর্তমানে জীবিত লিডিং ইন্টালেকচুয়ালের যেকোন তালিকাতে প্রফেসর ইউনুস টপ ৫ এর মধ্যে।
☘️☘️☘️☘️☘️
সারা বিশ্বে পরিচিত বাংলাদেশের একজন সম্মানিত ব্যাক্তিকে বাংলাদেশের বর্তমান দুর্যোগ পরিস্থিতিতে সরকারের প্রধান হিসেবে সিলেকশন করায় আমরা গর্বিত ও আশাবাদী,
জাতীর এই সংকট মুহূর্তে সঠিক সিদ্ধান্ত ও পরামর্শের মাধ্যমে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করে দেশের অর্থনীতি ও সামাজিক নিরাপত্তায় বিশেষ অবদান রাখবে ইনশাল্লাহ।
উনার জন্য সব সময় দোয়া ও শুভকামনা রইল।
🌿🌿🌿🌿