Shamsun Nahar Farm

Shamsun Nahar Farm Silky, Braham, Fighter and all kinds of chicken are available here

21/10/2025

সুস্থ সবল ব্রাহমা মুরগির বাচ্চা ।।বয়স ২৮ দিন।।

20/04/2025
20/04/2025

সিল্কি মুরগির বাচ্চা!!

14/04/2025

ব্রাহমা মুরগি

🔴ঘূর্ণিঝড় মোখা/ মোচা  কালীন সময়ে করণীয়। 🔺মুরগির খামারের পার্যপ্ত পরিষ্কার পানি সংরক্ষন। 🔺যাদের খামারে ব্রুডিং চলামান তার...
12/05/2023

🔴ঘূর্ণিঝড় মোখা/ মোচা কালীন সময়ে করণীয়।

🔺মুরগির খামারের পার্যপ্ত পরিষ্কার পানি সংরক্ষন।

🔺যাদের খামারে ব্রুডিং চলামান তারা বিদ্যুৎ এর বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহন করা করা ( হারিকেন /জেনারেটর)

🔺খামারে মুরগির খাদ্য মজুদ রাখা। (কমপক্ষে ১ সাপ্তাহের)

🔺খামারের ওষুধ মজুদ করতে হবে৷

🔺খামারের মুরগির খাদ্য অবশ্যই শুষ্ক স্থানে রাখতে হবে। যাতে না ভিজে এবং শ্যাতশ্যেতে না হয়ে যায়।

🔺খামারের পর্দা ব্যবস্থাপনা ঠিক রাখতে হবে৷

🔺খামারের উপরে ঝুঁকিপূর্ন গাছের ঢাল-পালা ঝড়র আগেই কেটে ফেলা।

🔺লিটার ভিজতে দেয়া যাবে না।

🔺পর্যাপ্ত লিটার সংরক্ষন করতে হবে

🔺 ঝড়, বৃষ্টির হাত থেকে রক্ষার জন্য ঘরে শক্ত খুঁটি দিতে হবে।

🔺ঝড়, বৃষ্টির পানি যাতে ঘরে না যায় সেজন্য চারিদিকে চটের বস্তা-রেকসিনের পর্দা দিতে হবে।

সর্বপরি নিজে সতর্ক থাকুন এবং পরিবারকে ঝুঁকিমুক্ত স্থানে রাখার চেষ্টা করুন।

❤️ মহান আল্লাহর কাছে বিপদ থেকে রক্ষার জন্য দোয়া করুন। ❤️

কেন ডিমকে বলা হয় 'সুপার ফুড'?জানুন ডিম সম্পর্কে সঠিক তথ্যকোনো বাড়ির রান্নাঘরে ডিম থাকবে না, এটা মোটামুটি বিরল ঘটনা। মধ্য...
08/04/2023

কেন ডিমকে বলা হয় 'সুপার ফুড'?
জানুন ডিম সম্পর্কে সঠিক তথ্য

কোনো বাড়ির রান্নাঘরে ডিম থাকবে না, এটা মোটামুটি বিরল ঘটনা। মধ্যবিত্তের সংসারে সস্তায় প্রোটিন পেতে ডিমের বিকল্প নেই। অথচ এই ডিম নিয়েই নানা ভুল ধারণার শিকার আমরা। কারও মতে ডিম খেলে হজমের সমস্যা হয়, কেউ ভাবেন হাঁসের ডিমে বাড়ে বাত আর সর্দি। অনেকেই কোলেস্টেরলের ভয়ে ডিমের কুসুম বর্জন করেন। তাদের জন্য সুখবর হলো, আধুনিক গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে যে কুসুম খাওয়া যাবে নিশ্চিন্তে। এতে কোলেস্টেরলের মাত্রার কোনো পার্থক্য হবে না।

পুষ্টিবিজ্ঞানীদের মতে, বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী প্রোটিনের স্বাভাবিক উৎস হলো ডিম। অথচ ডিমের খাদ্যগুণ সম্পর্কে অনেকেরই স্বচ্ছ ধারণা নেই। সেই ধারণাগুলোর গলদ ঢেকে দিতেই ১৯৯৬ সালে অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনার 'ইন্টারন্যাশনাল এগ কমিশন' এর এক সম্মেলনে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল প্রতি বছর অক্টোবর মাসের দ্বিতীয় শুক্রবার বিশ্ব জুড়ে ডিমকে জনপ্রিয় করার কর্মসূচি হিসেবে 'ওয়ার্ল্ড এগ ডে' পালন করা হবে। তারপর থেকেই সারা বিশ্বে পালিত হয়ে আসছে ডিম দিবস।

ডিম হলো এই গ্রহের সবচেয়ে বেশি পুষ্টিতে ঠাসা খাবার। তাই একে 'সুপার ফুড'-এর শিরোপা দিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। পুষ্টিবিজ্ঞানী সুব্রত খাশনবিশের মতে, 'ডিমের প্রোটিন অত্যন্ত উচ্চমানের। এই প্রোটিন আমাদের মস্তিষ্ক আর পেশি গঠনে এবং রোজকার ক্ষয়ক্ষতি সামলাতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা নেয়। ডিমে আছে এমন কিছু অ্যামিনো অ্যাসিড যা আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মানসিক স্থিরতা বাড়ায়।'

কেউ কেউ ভাবেন, দেশি মুরগি বা হাঁসের ডিমেই বেশি উপকার। পোলট্রির ডিম খুব একটা উপকারী নয়। ডিম খেলে সর্দি-কাশি হয় বা বাতের ব্যথা অবধারিত। কিন্তু এসবই ভুল ধারণা। হার্টের অসুখ বা কোলেস্টেরলের ভয়ে অনেকেই ডিম খেতে চান না। তবে পুষ্টি বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছে, যদিও ডিমে অনেক কোলেস্টেরল আছে; কিন্তু সেটা আমাদের কোনো ক্ষতি করে না। বরং হার্টের উপকারী হাই ডেনসিটি কোলেস্টেরলের( HDL) পরিমাণ বাড়িয়ে হার্ট ভালো রাখতে সাহায্য করে। এক সাম্প্রতিক গবেষণায় জানা গিয়েছে, হার্ট অ্যাটাক বা ব্রেন স্ট্রোকের জন্য কোলেস্টেরলের ভূমিকা খুবই কম।

যাদের ডিমে অ্যালার্জি, তাদের ধারণা, ডিম খেলেই ত্বকে র‍্যাশ হবে অথবা পেট খারাপ হবে। অনেকেই ভাবেন, বেশ কিছু অসুখের মূলেই নাকি ডিম। এই সব কথা অমূলক বলে উড়িয়ে দিয়েছেন ডাক্তাররা। সুস্থ শরীরে দিনে ৪টি পর্যন্ত ডিম খাওয়াই যায়। এমনকি লাল ডিম ও সাদা ডিমে প্রোটিন ও পুষ্টিগুণের কোনো পার্থক্য নেই। তবে কাঁচা ডিম খাওয়া একেবারেই নিরাপদ নয়, জীবাণুর সংক্রমণে অসুস্থ হয়ে পড়তে পারেন। পুরো সেদ্ধ বা রান্না করা ডিম খাওয়ার জন্য সবচেয়ে উপযোগী। অবশ্য বেশি কড়া ভাজায় ডিমের কিছু গুণ নষ্ট হয়ে যায়। একমাত্র ডিমে আছে সঠিক পরিমাণে ক্লোরিন। তাই বুদ্ধি বাড়াতে আর স্মৃতিশক্তি বজায় রাখতে ডিম খেতে হবে।

ডিমের কিছু রাসায়নিক রক্তের ক্ষতিকর কোলেস্টেরল এলডিএলকে বন্ধু কোলেষ্টেরল এইচডিএলে রূপান্তরিত করতে সাহায্য করে। হার্টের স্বাস্থ্য ভালো রাখে। চোখ ভালো রাখতেও ডিমের জুড়ি নেই। এর মধ্যে থাকা লিউটেইন, জিআক্সানথিন নামক দু'টি অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট চোখ ভালো রাখে। ডিমে আছে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড, যা রক্তের খারাপ উপাদান ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে। ডিম খেলে স্ট্রোকের ঝুঁকি কমে। ডিমের প্রোটিন অত্যন্ত সুষম আর সহজপাচ্য। ক্যালোরি কম থাকায় ডিম ওজন স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে। ডিম শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।

*** হাঁসের সঠিক ভ্যাকসিন দেওয়ার নিয়ম *** একটা কথা শোনা যায়-“ভ্যাকসিন কাজ করে নাই।” কেন ভ্যাকসিন কাজ করে না বা কি করলে ভ্...
08/04/2023

*** হাঁসের সঠিক ভ্যাকসিন দেওয়ার নিয়ম ***
একটা কথা শোনা যায়-“ভ্যাকসিন কাজ করে নাই।” কেন ভ্যাকসিন কাজ করে না বা কি করলে ভ্যাকসিনের কার্যকারিতা বাড়ানো যায় সে সম্পর্কে একটা ধারণা পেতে নিচের পয়েণ্টগুলো দেখুন-
১। সুস্থ বাচ্চাঃ সুস্থ বাচ্চায় ভ্যাকসিন প্রয়োগ করলে ভালো ফলাফল পাওযা যায়। তাই ভ্যাকসিন প্রয়োগের পূর্বে বাচ্চার সুস্থতা নিশ্চিত করতে হবে।

২। ভ্যাকসিনেশনের সঠিক সময়সূচী নির্ধারণঃ বাচ্চায় মেটারনাল এন্টিবডির অবস্থা জেনে ভ্যাকসিন প্রয়োগ করলে ভালো হয়। তবে এই পরীক্ষা কিছুটা ব্যায়বহুল হওয়ায় আমাদের দেশে সাধারণ খামারীদের জন্য এর সুযোগ কম। তাই একজন দক্ষ ভেটেরিনারিয়ান বা পোল্ট্রি বিশেষজ্ঞ’র সাথে পরামর্শ করে এলাকায় রোগের প্রাদুর্ভাব অনুযায়ী ভ্যাকসিন প্রয়োগের সঠিক সময়সূচী নির্ধারণ করা উচিৎ।

৩। সঠিক ভ্যাকসিন নির্বাচনঃ রোগ ও বাচ্চার বয়স অনুযায়ী সঠিক স্ট্রেইনের ভ্যাকসিন নির্বাচন করতে হবে।

৪। সঠিক নিয়ম মেনে ভ্যাকসিন সংরক্ষণ করাঃ সর্বক্ষেত্রে সঠিক তাপমাত্রা (cool chain) নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। লাইভ ভ্যাকসিন ৭০ সে. এর নিচে এবং কিল্ড ভ্যাকসিন ২০ থেকে ৭০ সে. তাপমাত্রায় সংরক্ষণ করতে হবে। ডায়লুয়েণ্ট বা ভ্যাকসিনের পানি সাধারন তাপমাত্রায় সংরক্ষণ করা হলেও ভ্যাকসিন করার পূর্বে ডায়লুয়েন্টের তাপমাত্রা অবশ্যই ২০ থেকে ৭০ সে. এর মধ্যে আনতে হবে (ম্যারেক্স ভ্যাকসিনের ডায়লুয়েন্ট ব্যাতীত) । ফ্রিজের নরমাল অংশে ভ্যাকসিন সংরক্ষণ করতে হবে।

৫। ভ্যাকসিন পরিবহনঃ খামারে ভ্যাকসিন নিয়ে যাবার জন্য ভ্যাকসিন ক্যারিয়ার ব্যবহার করতে হবে। ১২ ঘণ্টার অধিক সময় ক্যারিয়ারে ভ্যাকসিন রাখা উচিৎ নয় অর্থাৎ বরফ ঠিক থাকা পর্যন্ত রাখা যাবে। তবে ভ্যাকসিন ের ভায়াল ক্যারিয়ারে রাখার পূর্বে তা কাগজ দ্বারা প্যাঁচানোর পর পলিথিন দ্বারা মুড়িয়ে বরফের মধ্যে রাখতে হবে। ভ্যাকসিন পরিবহনের সময় যাতে বেশি ঝাঁকি না লাগে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। ভ্যাকক্সিন পরিবহন আর প্রযোগের সময় সরাসরি সূর্যালোক পরিহার করতে হবে।

৬। ভ্যাকসিন প্রয়োগের সময় নির্বাচনঃ অপেক্ষাকৃত ঠান্ডা সময়ে ভ্যাকসিন প্রয়োগ করতে হবে। তবে রাতে বিশেষত মুরগির বিশ্রামের সময় ভ্যাকসিন প্রয়োগ না করাই ভালো।

৭। ভ্যাকসিন প্রয়োগের মাধ্যমঃ সঠিক মাধ্যমে ভ্যাকসিন প্রয়োগ করতে হবে। যেমন-লাইভ ভ্যাকসিন সাধারনত চোখে, নাকে বা মুখে ফোঁটা আকারে অথবা খাবার পানির সাথে প্রয়োগ করতে হয় এবং ক্ল্ডি ভ্যাকসিন সাধারনত ইনজেকশনের মাধ্যমে প্রয়োগ করতে হয়। কাজেই যে ভ্যাকসিন যে মাধ্যমে প্রয়োগ করার নিয়ম সেই ভ্যাকসিন সেইভাবে প্রয়োগ করা জরুরী।
** ক্লোরিন, ঔষধ, জীবানুনাশক ও দুর্গন্ধমুক্ত পানিতে ভ্যাকসিন প্রয়োগ করতে হবে।

৮। সঠিক পুষ্টিকর খাদ্য সরবরাহঃ মুরগিকে আদর্শ পুষ্টিমান সর্মদ্ধ খাদ্য সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে। যেহেতু মুরগি নিজেও তার দেহে রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তোলে তাই দেহে প্রোটিন, ভিটামিন, মিনারেলের অভাব দেখা দিলে পর্যাপ্ত পরিমান এন্টিবডি তৈরি হবে না। তাই ভ্যাকসিনেশনের আগের দিন থেকে ভ্যাকসিনেশনের পরবর্তী ৩-৫ দিন খাদ্যে ভিটামিন প্রিমিক্সের পরিমান কিছুটা বাড়িয়ে দেয়া যেতে পারে।

৯। উন্নত ফার্ম ব্যবস্থাপনাঃ দুটি ব্যাচের মধ্যে কমপক্ষে ১৫ থেকে ২১ দিনের ব্যবধান রাখা, পর্যাপ্ত বায় চলাচলের ব্যবস্থা করা, বিভিন্ন বয়স ও জাতের সংমিশ্রণ পরিহহার করা, এমোনিয়া গ্যাস নিয়ন্ত্রেণ করা এবং ভালো লিটার ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে হবে।
১০। অন্যান্য রোগ দমন কৌশলঃ ভ্যাকসিন থেকে ভাল ফল পেতে হলে কিছু বিশেষ রোগ দমন করা অত্যন্ত জরুরী। যেমনঃ মাইকোপ্লাজমোসিস, সিআরডি, কক্সিডিওসিস, মাইকোটক্সিকোসিস, ক্রণিক সালমোনেলোসিস ইত্যাদি রোগগুলো ভ্যাকসিনের কার্যকারিতা নষ্ট করে দেয়।

১১। মানসম্পন্ন ঔষধ ব্যবহারঃ রোগ দমন করতে প্রয়োজন অনুযায়ী মানসম্পন্ন ঔষধ ব্যবহার করতে হবে। কেননা, নিম্নমানের ওষুধে রোগমুক্ত হয় না বরং তা শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটিযে ভ্যাকসিনের কার্যকারিতাকে নষ্ট করে দেয়।

১২। ল্যাব টেস্টঃ সম্ভব হলে ভ্যাকসিনেশনের ৩ সপ্তাহ পরে (কিল্ড ভ্যাকসিনের ক্ষেত্রে ৬ সপ্তাহ পর) ল্যাব টেস্টের মাধ্যমে রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা বা এন্টিবডির টাইটার লেভেল সম্পর্কে ধারনা নিতে হবে।

আশা করি আপনারা উপোরোক্ত বিষয়গুলো খেয়াল করে ভ্যাকসিন প্রয়োগ করবেন, আর সর্বোচ্চ সফলতা অর্জন করবেন।

আজকে হাসঁ সম্পর্কে লিখব হাসেঁর পরিচিতি (পর্ব ১)পৃথিবীর সব হাঁস এসেছে বনো-পাখি থেকে। এই বুনো পাখি আমাদের দেশের মাটিতে একদ...
08/04/2023

আজকে হাসঁ সম্পর্কে লিখব
হাসেঁর পরিচিতি (পর্ব ১)
পৃথিবীর সব হাঁস এসেছে বনো-পাখি থেকে। এই বুনো পাখি আমাদের দেশের মাটিতে একদিন চরে বেড়াত।
সে হাঁস এশিয়ার অন্য বুনো-হাঁসের মত এখানকার পানিতে, জঙ্গলে চরে বেড়াতো।
এই বুনো হাঁস ম্যালারড্ গোষ্ঠীর। প্রসঙ্গক্রমে বলে রাখা ভালো পৃথিবীর সব মুরগি এসেছে লাল বন- মুরগি থেকে। বৈজ্ঞানিক নাম যার গ্যারাস্ ব্যানবিন্ডা।
সকলেই জানে হাঁস জলচর জীব। জলছাড়া হাঁস এবং জলাশয় ছাড়া মাছ একই কথা। না একটু ভুল হয়ে গেল। পানি ছাড়া মাছ কল্পনা করা যায় না। মানলাম।
কিন্তু জলাশয় ছাড়া হাঁস অসম্ভব! মোটেই না। অথচ, সত্যি কথা বলতে কী, পানির সঙ্গে কোন সম্পর্ক নেই এমন পদ্ধতিতে ও হাজার হাজার হাঁস পালন সম্ভব।
এবং সেটা হবে ঠিক মুরগির মত ঘরের মধ্যে রেখে। মেঝেতে বিছানা পেতে। তবে খেয়াল রাখতে হবে সে হাঁস- শুধু বাওয়া বা অনিষিক্ত ডিমই পেড়ে যাবে। তাতে
কোনদিন বাচ্চা হবে না। নিষিক্ত ডিম চাইতে গেলে পানির সঙ্গে মদ্দা হাঁস ও লাগবে। এই কারণে অনায়াসে হাঁসকে পানি ছাড়াও পালন করা সম্ভব। কারণ, কেবল
প্রজনন ছাড়া হাঁসের পানির দরকার পড়ে না।

08/04/2023

আসসালামু আলাইকুম।
-------------------------------
রাজহাঁস পালন ও তার পরিচর্যা নিয়ে বিস্তরিত

রাজহাঁসের প্রজাতি

রাজহাঁসের বিভিন্ন প্রজাতি রয়েছে। তার মধ্যে নিম্ন লিখিত প্রজাতিগুলো সাধারণত দেখা যায়।

1। টুলুজ- ভারি প্রজাতির পাখি। ফরাসী দেশের পাখি। ভারি পাখিদের মধ্যে এরাই বেশি ডিম দেয়।তবে সব টুলুজ পাখি ডিমে তা দেয় না। ঠোঁট , পা কমলা রঙের। গলা, পেট এবং লেজ সাদা। পুরুষের ওজন- ১৪ কেজি, স্ত্রী- ৯ কেজি।

2। এমডেনঃ জামর্নির হ্যানোভারে এই পাখি বেশি দেখতে পাওয়া যায়। ভারি জাতের পাখি। ডিমের সংখ্যা ভালো। অন্য প্রজাতির রাজহাঁস থেকে বেশ ঠান্ডা। ঠোঁট জ্বলজ্বলে কমলা রঙের। পায়ে ধবধবে সাদা পালকে ভরা। পুরুষের ওজন ১৪ কেজি, স্ত্রী ৯ কেজি।

3। চিনাঃ চিনদেশের রাজহাঁস। টুলুজ এবং এমডেন ছাড়া আকারে ছোট। সংখ্যায় বেশি ডিম দেয়। বছরে ৬০ টির মত। ডিমে তা দিতে অভ্যস্ত। দুটি রংয়ের চিনা রাজহাঁস দেখা যায়। খয়েরি এবং সাদা।খয়েরি রঙা চিনা রাজহাঁসের পা কমলা। ঠোঁট, পালকের রঙও খয়েরি। সাদা রঙের রাজহাঁসের ঠোঁট এবং পা উজ্জ্বল কমলা রঙের। গায়ের পালক ধবধবে সাদা।

ওপরের ঠোঁটের গোড়ার চামড়া ফুলের মতো গোল হয়ে থাকে। পুরুষের ওজন ৯ কেজি, নারীর ওজন ৮ কেজি। পাহারাদার হিসেবে চিনা রাজহাঁসের সুখ্যাতি আছে।

এছাড়া আরো কিছু প্রজাতির রাজহাঁস আছে। যেমন আফ্রিকান। অনুমান করা হয় এরা আদিতে ভারতীয়। কেউ বা বলেন চিনা এবং টুলুজের মধ্যে প্রজননের ফলে এদের সৃষ্টি হয়েছিল।

রাজহাঁসের বাসস্থান

রাজহাসের ঘর খোলা-মেলা, বায়ু চলাচলযুক্ত কিন্তু রোদ - বৃষ্টিতে ওদের কষ্ট দেবে না। মেঝে নানা ধরনের হতে পারে- পাকা, শক্ত অথচ কাঁচা ; মোটা তারের জালের এবং বিছানাযুক্ত (লিটার)। পুরুস্তরের বিছানা (ডিপ লিটার) হলে গভীরতা হবে ১৫ সে. মি. বা ৬ ইঞ্চি। বিছানা সবসময় শুকণো থাকা চাই।
এই ধরনের জায়গা হাঁস পিছু ৪ বর্গ মিটার দিতে হবে।
রাজহাঁসের ঘরের মধ্যে এবং বাইরে তিনটি হাঁস পিছু একটি করে ডিম পাড়ার বাক্স দিতে হবে। বাক্সে মাপ হবে ৫০ বর্গ সেঃ মিঃ। পানি ও খাবার জন্য আলাদা পাত্র দিতে হবে।
রাজহাঁসের প্রজনন করাতে চাইলে পদ্ধতিগতভাবে এগুতে হবে। যেমন- ভারি জাতের ৩/৪ টি মাদি হাঁস পিছু একটি মর্দা হাঁস রাখতে হবে। চিনে হাঁসের ৪/৫টি মাদির পিছু একটি মর্দ হাঁস রাখতে হবে।
রাজহাঁসদের এক বছর বয়স না হলে প্রজনন কাজে ব্যবহার না করাই ভাল।সবচেয়ে ভাল হয় যদি ওদের দু'বছর বয়সে প্রজনন কাজে লাগানো যায়।
মার্দি হাঁস ১৫ বছর পর্যন্ত প্রজননক্ষম থাকে কিন্তু মর্দা সাত বছরে প্রজননে কিছুটা বা অক্ষম হয়ে পড়ে।

ডিম ও ডিম ফোটানো

সাধারনত এরা বসন্ত কালে ডিম দিতে শুরু করে। চিনে রাজহাঁস শুরু করে শীতকালে। এরা সকালের দিকেই ডিম দেয়। প্রথম বছরের তুলনায় এরা দ্বিতীয় এবং তৃতীয় বছরে বেশি ডিম দিয়ে থাকে ২য় এবং তয় বছরের ডিম আকারে ও বেশ বড় হয়ে থাকে।শঙ্কর জাতীয় রাজহাঁস অর্থাৎ অক্সিকান রাজহাঁস বা চিনে এবং টুলুজ বা এমডেনের যৌন সঙ্গমে তৈরি সঙ্কর রাজহাঁস এমডেন বা টুলুজ চিনে রাজহাঁসদের চেয়ে বেশি ডিম দেবে।
ডিমে তা দেওয়া

রাজহাঁস নিজের ডিম ফুটিয়ে থাকে। এবং যখন ডিমে তা দেয় তখন ডিম পাড়া বন্ধ রাখে। সুবিধা থাকলে আপনি টার্কি মুরগি, বা মস্কোডি হাঁস দিয়ে রাজহাঁসের ডিম ভালোভাবে ফুটিয়ে নিতে পারেন।
টাটকা ডিম ( খুব জোর সাত দিনের পুরানো), পরিস্কার পরিচ্ছন্ন, কোন ফাটাফুটো নেই এবং প্রতিটি ডিমের ১৪০ - ২০০ গ্রাম ওজন হলে সেটা তা দেবার উপযুক্ত বলে ধরা যেতে পারে।
অনেক জায়গায় মুরগি দিয়েও রাজহাঁসের ডিম ফোটানো হয়ে থাকে। যদি মুরগি দিয়ে রাজহাঁসের ডিম ফোটাতে হয় তবে মুরগি প্রতি ৪/৬ টি ডিম এবং রাজহাঁস দিয়ে বসালে রাজহাঁস পিছু ১০-১৫ টি ডিম বসাতে হবে। মুরগির নিচে যদি রাজহাঁসের ডিম বসানো হয় তবে ডিম ঘোরানোর ব্যবস্থা খামারকারীকে নিজেই করতে হবে। কারন ডিম বড় আকারের বলে মুরগি রাজহাঁসের ডিম ঘোরাতে পারে না। এরা যখন খাবার তাগিদে ঘর থেকে বের হয়ে যাবে তখনই ডিম ঘুরিয়ে দিতে হবে।
কৃত্রিম ডিম ফোটানো

ডিম ফোটানো মেশিনে ( ইনকিউবেটার) ডিম ফোটানোর হার বেশ কম। মাত্র শতকরা ৪০ ভাগ। মেশিনে ডিম বসালে তাপমাত্রা সবসময় ৩৭.৪০ সেঃ (৯৯.৫০ ফাঃ) রাখবেন। ভেজা থার্মোমিটারে তাপ রাখতে হবে ৩২.২০ সেঃ ২৯ দিন পর্যন্ত। তারপর একে বাড়িয়ে করতে হবে ৩৪০ সেঃ। ডিমগুলি দিনে বার বার ঘুরিয়ে দিতে হবে। আর সব পাখির বেলায় যেটা চলে, এখানে ও তাই _ ডিমের মোটা দিকটা ওপরে রেখে দিতে হবে।

দশ দিনের পরের থেকে ডিমগুলিকে গরম পানি সপ্রে করে দিতে হবে। সপ্তাহে দুই দিন করে। ২৬ দিনের ডিমগুলিকে নার্সারি ট্রে বা পালক ট্রেতে নিয়ে যেতে হবে। ২৮ দিন হাল্কা জাতের রাজহাঁসের ডিম ফুটে বাচ্চা বের হয়ে যায়। আবার এটাও দেখা গেছে ভারি জাতের রাজহাঁসের ডিম ফুটতে ৩৫ দিন সময় লাগছে।
রাজহাঁসের বাচ্চা প্রতিপালন

যদি মুরগি বা রাজহাঁস ডিমে তা দিয়ে ডিম ফুটিয়ে থাকে তবে সেই পালিকা মুরগি বা রাজহাঁস ডিম ফোটা বাচ্চাদের যত্ন করবে। সেখানে কৃত্রিম তাপের কোনো দরকার পড়বে না। তবে পালিকা মা বাচ্চা নিয়ে যে জায়গায় ঘুরে বেড়াবে সে জায়গাটা অবশ্যই শুকনো খটখটে হওয়া চাই।

তবে দশদিন বয়স পর্যন্ত বাচ্চাসহ পালিকা মাকে নরম ঘাসে ছাওয়া উঠোন জাতীয় জায়গায় রাখা উচিত। লনের মাপ হবে ১০ টি বাচ্চার জন্য পালিকা মা সহ ৪ বর্গমিটার । ১৫ দিন বয়স না হলে বাচ্চাদের পানিতে নামনো মুক্তিযুক্তি নয়।

যদি ইনকিউবেটর মেশিনে ডিম ফোটানো হয় তবে রু্রডারের নিচে রেখে অবশ্যই বাচ্চাদের কৃত্রিমভবে তাপ দিতে হবে।
প্রথম সপ্তাহে ব্রুডারের নিচে ৩০ ডি. সেঃ তাপ থাকা উচিত। সপ্তাহ পিছু ৫ ডি. সেঃ তাপ কমিয়ে ঘরের তাপে অর্থাৎ পরিবেশের তাপমাত্রায় নিয়ে আসতে।
প্রথম তিনদিন বাচ্চাদের ধরে খাওয়াতে হবে। তারপর থেকে এরা নিজেরাই খেতে পারবে। বাচ্চারা সহজে ঘাসে চড়ে খেতে পারে। ফলে তৈরি খাবার কম লাগে। একসঙ্গে একটি দলে ১০০ টির বেশি বাচ্চা পালন না করাই উচিত।

রাজহাঁসের বাচ্চাদের খাবার

রাজহাঁসের খাবার মোটামুটি হাঁসের খাবারের মতো। তবে প্রথমে চার সপ্তাহ রাজহাঁসের বাচ্চারা খুব তাড়াতাড়ি বাড়ে বলে বাচ্চা হাঁসের তুলনায় ওদের খাবারে আমিষের ভাগ বেশি হওয়া দরকার। ভারি জাতের রাজহাঁসের একদিনের বাচ্চার ওজন প্রায় ৮৫ গ্রাম। এবং ৪ সপ্তাহে এর ওজন ১ কেজি ৬০০ গ্রাম পর্যন্ত।
তাই রাজহাঁসের বাচ্চার প্রথম চার সপ্তাহ বয়স পর্যন্ত শতকরা ২০ ভাগ আমিষ আছে এমন খাবার এবং অতিরিক্ত নরম কিছু সব্জি বা চরবার ঘাসে ছাওয়া উঠোন দরকার। ৪ সপ্তাহ পরে ১৬% আমিষ যুক্ত খাবার দিলে চলবে।
ঘাসের চারণভুমিতে রাজহাঁসের বাচ্চা ১২ সপ্তাহ পর্যন্ত ৯ কেজি। খাবার খেয়ে থাকে। ঐ বয়সে খাবারকে মাংসে পরিণত করার হার ২.২ কেজি। খাবার পিছু ১ কেজি মাংস। ১৬ সপ্তাহে ওটা দাঁড়ায় ৩ কেজি। খাবার পিছু ২.১ কেজি মাংস।

রাজহাঁসের সুষম খাবারের তালিকা

প্রতি ১০০ ভাগ খাবারের মধ্যে-
গম - ৩০ ভাগ;
ধান ভাঙ্গা - ৪০ ভাগ;
কালো তিল খোল - ১০ ভাগ;
সয়াবিন খোল - ১০ ভাগ;
শুঁটকি মাছের গুঁড়ো - ৮ ভাগ;
ঝিনুক ভাঙ্গা - ২ ভাগ।

ভিটামিন এ, বি২, ডি৩, ই, কে প্রতি ১০০ কেজি খাবারের ১০ গ্রাম মেশাতে হবে।

প্রজননক্ষম রাজহাঁসের যত্নঃ

প্রাপ্তবয়স্ক রাজহাঁসদের প্রজনন ঋতুর আগে ৬ সপ্তাহ পর্যন্ত ভালো ভাবে ঘাসে চরতে দিতে হবে। ওদের এই সময় প্রতিদিন ১৬৫ গ্রাম সুষম খাদ্য খেতে দিতে হবে যাতে আমিষের ভাগ থাকবে শতকরা ১৬ ভাগ।

রাজহাঁসের রোগঃ

রাজহাঁসের পালন তথা ব্যবসায় এটা একটা মস্ত সুবিধা যে এদের তেমন রোগ-ব্যধি হয় না। রোগের মড়ক নেই বললেই চলে। বাজারে বিক্রি করার বয়স পর্যন্ত মৃতু্যর হার শতকরা ২ ভাগ নয়।
তবে রাজহাঁস পালনে এ সমস্ত রোগের সম্বন্ধে সচেতন হওয়া উচিত- ককসিডিওসিস, কলেরা, কোরাইজ, স্পাইরোকিটোসিস, অপুষ্টিজনিত রোগ।

রাজহাঁসের ডিম এবং মাংস

অনেক দেশে এমন কি আমাদের দেশে ও কিছু কিছু জায়গায় রাজহাঁসের মাংস ও ডিম উপাদেয় খাবার হিসাবে আদর পেয়ে থাকে। ১০ সপ্তাহ বয়সে রাজহাঁস মাংস হিসেবে খাওয়া চলে।এবং সেই সময় ঐ মাংসের ব্যবসা ও ভালো চলে। দশ সপ্তাহ বয়সে রাজহাঁসের ওজন ৪.৫ কেজি হয়।মাংস হিসেবে কাটার আগে রাজহাঁসের পানি ছাড়া সবরকম খাবার খাওয়ানো বন্ধ করতে হবে ১২ থেকে ১৮ ঘন্টা আগে। মুরগি কাটার কায়দায় এবং সম্পূর্ণ বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে রাজহাঁসের জুগুলোর শিরা কেটে দেওয়া হয়। সম্পূর্ন রক্ত বের হয়ে যাবার পর ওর পেট চিরে নাড়িভূড়ি বের করে নেওয়া হয়। পা, মাথা, ঠোঁট, কেটে বাদ দেওয়া হয়। মোটামুটি রাজহাঁস পিছু পালক,মাথা, নাড়ি ভুঁড়ি বাদ দিলে তার দেহের ওনের শতকরা ৭০ ভাগ মাংস পাওয়া যায়।

04/04/2023

দেশি মুরগির বাচ্চা।।

04/04/2023

সিল্কি মুরগির বাচ্চা।।।

Address

Yakub Dandi, Patiya, Badamtal, Chattogram
Patiya
4370

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Shamsun Nahar Farm posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category