02/03/2025
#বস্তায় #আদা #চাষ #পদ্ধতি A to Z জেনে চাষ শুরু করুন!
নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য সহায়ক পোস্ট।
Description:
#আদার_প্রচলিত_জাত_সমূহ:
বারি আদা-১,বারি আদা-২,বারি আদা-৩, রংপুরী,খুলনা,টেঙ্গুরী
#আদা_চাষ_পদ্ধতি:
সরাসরি জমিতে ও বস্তায় আদা চাষ করা সম্ভব। বস্তায় আদা চাষে রোগ বালাই আক্রমণ কম হয়।
#আদা_বপনের_সময়:
আদা চাষের উত্তম সময় হলো চৈত্র মাস। তবে বর্তমানে জৈষ্ঠ্য মাস পর্যন্ত আদা বপন করলেও আদা হবে।
#আদা_চাষের_স্থান:
সরাসরি রৌদ্রের চেয়ে সুনিষ্কাশিত, উঁচু এবং হালকা ছায়াযুক্ত স্থানে আদা উৎপাদন ভালো হয়।
#আদা_বীজের_আকার_ও_রোপণ_দূরত্ব:
৪৫-৫০ গ্রাম ওজনের দুই চোখ বিশিষ্ট কন্দ খণ্ড সারিতে বপন করতে হয়। সারির দূরত্ব ২-৩ ফিট গাছ হতে গাছের দূরত্ব ১৫-২০ সেন্টিমিটার। স্থান ও জাতভেদে দূরত্ব কমবেশি হতে পারে।
্ধতি:
বস্তায় আদা চাষের ক্ষেত্রে প্রতি বস্তায় ২-৩ টুকরো আদা বপন করতে হয়।
অথবা বীজ আদা অন্ধকার স্থানে ১৫-২০ দিন রেখে দিলে আদা থেকে গাছ বের হয় তখন সেই গাছ জমিতে অথবা বস্তায় বসিয়ে দিলেই হয়।
সরাসরি জমিতে চাষাবাদ এর ক্ষেত্রে সুতা ধরে সারিতে বীজ আদা রেখে কোদাল দিয়ে দুইপাশের মাটি দিয়ে ঢেকে দিলে বেড় তৈরি হয়ে যাবে।
#বস্তায়_মাটি_তৈরি:
তিন ভাগ মাটি, একভাগ বালি, এক ভাগ পচা গোবর সার এবং প্রতি কেজি মাটির জন্য ১ গ্রাম রাগবি অথবা ১ গ্রাম "বায়ো নেমেসিস" দানাবিষ।
#সারের_মাত্রা_প্রতি_শতকে:
১) পঁচা গোবর ৩০-৪০ কেজি
২) ইউরিয়া ১-১.৫ কেজি
৩) টিএসপি ১-১.৫ কেজি
৪) এমওপি ১-১.৫ কেজি
৫) জীপসাম ৫০০-৬০০ গ্রাম
৬) জিংক ১০০ গ্রাম
৭) ম্যাগনেসিয়াম ১০০ গ্রাম
৮) ভার্মি কম্পোস্ট ২-৩ কেজি
সম্পূর্ণ গোবর এবং টিএসপি, জিপসাম, দস্তা এবং অর্ধেক এমওপি (পটাশ) ও সকল সার শেষ চাষের সময় প্রয়োগ করতে হবে। অর্ধেক ইউরিয়া, অর্ধেক ভার্মি কম্পোস্ট ও বাকী পটাশের অর্ধেক ৫০ দিন পর প্রয়োগ করতে হবে। অবশিষ্ট ইউরিয়া, বাকী ভার্মি কম্পোস্ট ও পটাশ ৮০ দিন ও ১০০ দিন পর সমান দুই কিস্তিতে উপরি প্রয়োগ করতে হবে।
#পোকামাকড়_ও_দমন_পদ্ধতিঃ
আদার কান্ড ছিদ্রকারি পোকা অথবা পাতা মোড়ানো লেদা পোকা দমনে সাইপারমেথ্রিন জাতীয় কীটনাশক (যেমন: রিপকর্ড ১০ ইসি বা রেলোথ্রিন ১০ ইসি)প্রতি ১০ লিটার পানিতে ১০ মিলি মিশিয়ে ১০ দিন পর পর ২-৩ বার ভালভাবে স্প্রে করুন।
#রোগবালাই_ও_দমন_ব্যবস্থাপনাঃ
আদার কন্দপচা রোগ দমনের জন্য সালফার জাতীয় ছত