31/08/2020
#দাড়ি_রাখার_ফায়দা_সমূহঃ
১. দাড়ি রাখা শি‘আরে ইসলাম; অর্থাৎ এর দ্বারা মুসলমানদের জাতীয় নিদর্শনের পরিচয় পাওয়া যায় এবং শরী‘আতের হুকুম পূর্ণ করা হয়।
(মুসলিম শরীফ হাঃ নং ৫৬,২৬১)
২. আল্লাহ ﷻ এর খিলকাত ও সৃষ্টি বৈশিষ্ট্যকে ঠিক রাখা হয়, পবিত্র কুরআনে যার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। (মুসলিম শরীফ হাঃ নং ৫৬,২৬১)
৩. মহিলাদের সাথে সামঞ্জস্যতা থেকে বাঁচা যায়।
৪. চোখের দৃষ্টিশক্তি ও যৌবনের সামর্থ্য ঠিক থাকে।
৫. ইমাম ও মুআযযিন হওয়ার যোগ্যতা বিদ্যমান থাকে।
৬. মুসলমানদের সম্মান ও সালাম পাওয়ার যোগ্য বিবেচিত হয়।
৭. চেহারার মধ্যে নুর চমকাতে থাকে ও চেহারার সৌন্দর্য বৃদ্ধি পেতে থাকে।
৮. অনেক গুনাহের কাজ হতে বিরত থাকা সহজ হয়ে যায়। কারণ, দাড়িওয়ালা ব্যক্তিকে শয়তান সহজে অন্যায় কাজে লিপ্ত করতে পারে না। দাড়ির কারণে সে ব্যক্তি অবৈধ কাজে অংশগ্রহণ করতেও লজ্জা বোধ করে। (কদাচিৎ ঘটা ব্যতিক্রম ঘটনা পরিত্যাজ্য!)
৯. শেভ করার অনর্থক সময় ও অর্থের অপচয় বন্ধ হয়।
১০. ওয়াজিব আদায়কারী হিসেবে 'দ্বীনদার/পরহেজগার' এ জাতীয় সম্মানিত উপাধিতে ভূষিত হয়।
১১. একজন মুমিন হিসেবে সহজে পরিচিত হওয়া যায়। নতুবা মুমিন ও কাফের পার্থক্য করা ও সালাম প্রাপ্যের যোগ্য হওয়া খুবই মুশকিল হয়ে যায়।
১২. রাসূলুল্লাহ ﷺ এর অন্তর মুবারক খুশী করা হয়।
১৩. গুনাহে জারিয়া (তথা চলমান গুনাহ) হতে মুক্তি পাওয়া যায়।
১৪. পুরুষদের সৌন্দর্য হচ্ছে দাঁড়ি। কারণ, পুরুষ জাতি তো সিংহের ন্যায় বাহাদুর। আর সিংহের মুখের শোভা হল দাঁড়ি।
১৫. রাস্তা ঘাটে বা অপরিচিত স্থানে মারা গেলে মুসলমান হিসেবে তার গোসল ও কাফন-দাফন নসীব হয়।
১৬. কবরে মুনকার নাকীরের সওয়াল-জওয়াব সহজ হয়।
১৭. এর দ্বারা হাশরের ময়দানে উম্মতে মুহাম্মাদী বলে চেনা সহজ হবে এবং হযরত রাসূলে কারীম ﷺ এর সুপারিশ লাভের উসীলা হবে।
আল্লাহ ﷻ আমাদের মুসলিম ভাইদের দাড়ি রাখবার তৌফিক দান করুন...আমিন ইয়া রাব্বাল আলামিন💖