posurhut

posurhut এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ক্ষুদ্র খামারিরা সারাবছর গরু,ছাগল কেনাবেচা করতে পারবে।

গাভীর বর্তমান মালিক একজন অবসরপ্রাপ্ত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক; এখন বাড়িতে কেবল তিনি ও তাঁর স্ত্রী—দুইজনেই বৃদ্...
28/06/2026

গাভীর বর্তমান মালিক একজন অবসরপ্রাপ্ত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক; এখন বাড়িতে কেবল তিনি ও তাঁর স্ত্রী—দুইজনেই বৃদ্ধ। এই গাভীর দাদা-বাবা থেকে উনাদের পরিবারের একজন সদস্য ছিল। প্রতিদিনের দুধ জোগায়, সংসারের সামান্য আয়-রোজগার চালাতে সাহায্য করেছে—তাই তাকে ছাড়তে খুব কষ্ট হচ্ছে।
শারীরিকভাবে গরু যত্ন নিতে পারছেন না। আর আর্থিক সুবিধাও সীমিত হওয়ায় গাভীর খাওয়া-দাওয়ায় পর্যাপ্ত বিনিয়োগ করা যাচ্ছে না; ফলে দুধের পরিমান আশানুরূপ হচ্ছে না।

গুরুত্বপূর্ণ বিষয়: গাভীর দুধ অত্যন্ত ঘন ও ক্রীমযুক্ত—মানে দুধের গুণমান অনেক ভাল। যদি সঠিক খাবার, পর্যাপ্ত পুষ্টি ও নিয়মিত যত্ন দেওয়া হয়, দুধের উৎপাদন সহজেই বাড়ানো সম্ভব। আমরা চাই এই গাভী ও তার প্রথম বাছুর (মেয়ে) এমন এক ভালো ও যত্নবান বাড়িতে যাক যেখানে তারা আরাম ও ভালো পরিচর্যা পাবে।
প্রধান তথ্য:
জাত: ক্রস-ব্রিড (হলস্টাইন/অস্ট্রেলিয়ান × দেশীয়)
বর্তমান উৎপাদন: ৪–৫ লিটার/দিন (খাদ্য ও যত্ন বাড়ালে বৃদ্ধি সম্ভব)
দুধের গুণ: অত্যন্ত ঘন ও ক্রীমযুক্ত
খাদ্য: ধান-খড়, ১ বস্তা নেপিয়ার ঘাস, সামান্য সরিষার কেক
স্বভাব: শান্ত ও মানুষের সঙ্গে বন্ধুভাবাপন্ন
যোগাযোগ: 01743476324
অবস্থান: রাজাবাড়ি, গোদাগাড়ি, রাজশাহী
ভিডিও বা আরও ছবি চাইলে মেসেজে পাঠানো হবে। দেখতে আসতে চাইলে আগে কল করে জানাবেন।

13/06/2025

Upload your animal to sell online for free

11/06/2025

AI is awesome

05/06/2025

ki sundor goru

26/05/2025

ঢাকার ভিতরে ১৩৫০ এবং ঢাকার বাইরে ১১৫০ এর নিচে গরুর চামড়া কেনা যাবে না।
--বানিজ্য উপদেষ্টা

রাজশাহী জেলায় কারো কুরবানির উপযোগী ভেড়া বিক্রি করলে নিচের দেয়া সাইটে অথবা এই গ্রুপে পোস্ট করতে পারেন। তবে অবশ্যই ভেড়ার ব...
16/05/2025

রাজশাহী জেলায় কারো কুরবানির উপযোগী ভেড়া বিক্রি করলে নিচের দেয়া সাইটে অথবা এই গ্রুপে পোস্ট করতে পারেন। তবে অবশ্যই ভেড়ার বিস্তারিত তথ্য সহ পোস্ট করবেন।
https://posurhut.com

যেমন - দাঁত, বয়স,ওজন(আনুমানিক)।
আর অবশ্যই দাম লিখবেন।

16/04/2025

একজন প্রবাসী ভাই যখন দীর্ঘ ১০-১৫ বছর বিদেশে কষ্ট করে টাকা জমিয়ে দেশে ফেরেন, তখন তাঁর স্বপ্ন থাকে—নিজের একটা খামার হবে। হয়তো দু-চারটা ষাঁড় কিনে ফ্যাটেনিং করে বিক্রি করবেন, কিংবা এক-দুটা গাভী কিনে দুধ ও বাচ্চা বিক্রি করে সংসার চালাবেন। কিন্তু দেশে ফিরে প্রথম ধাক্কাটা খায় গরু কেনার সময়, দালাল বা মধ্যস্বত্বভোগীদের ফাঁদে পড়ে।
বাংলাদেশের প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের হিসেব অনুযায়ী, দেশে এখন প্রায় ৭ লাখ নিবন্ধিত খামারি আছেন। কিন্তু বাজারে কেনাবেচার ৬০ শতাংশই নিয়ন্ত্রণ করে অদৃশ্য দালালচক্র। এদের সাথে লেনদেন না করলে ভালো গরু, ভালো দামে পাওয়াই কঠিন।
প্রথম প্রতারণা হয় গরু ফ্যাটেনিং শুরু করার সময়।
ধরুন একজন প্রবাসী ৮০,০০০ টাকায় কেনার মতো গরু ৯৫,০০০ টাকায় কিনলেন, দালালের কথা শুনে। অথচ গরু ফ্যাটেনিং-এ গড় লাভ থাকে ৮-১০ হাজার টাকা, যা দামের অতিরিক্ত অংশ দিয়ে শুরুতেই শেষ হয়ে যায়। এরপর বাজারে বিক্রি করতে গেলে আবার দালালকে কমিশন দিতে হয়, ফলে লোকসান নিশ্চিত।
দ্বিতীয় প্রতারণা হয় গাভী কেনার সময়।
বাজারে কেউ বলেন গাভী ১৫-২০ লিটার দুধ দেয়, কিন্তু বাস্তবে ৩-৫ লিটার। অথচ এই পার্থক্যের কারণে দামেও বিশাল ফারাক।
১৫ লিটার দুধদাতা গাভীর দাম: প্রায় ২.৫-২.৮ লাখ টাকা

৪-৫ লিটার দুধদাতা গাভীর দাম: ১.৩-১.৫ লাখ টাকা

এখানে একজন প্রবাসী নতুন উদ্যোক্তার লাখ টাকা পর্যন্ত ক্ষতি হয়ে যায়—শুধু ভুল তথ্যের কারণে।
জনকণ্ঠ, কালের কণ্ঠ, প্রথম আলোর রিপোর্ট অনুসারে, প্রতি বছর কোরবানির গরুর বাজারে প্রায় ৩০ হাজার কোটি টাকার লেনদেন হয়, যার মধ্যে বিশাল অংশ দালালদের মাধ্যমে হয়। অথচ এই বিশাল অর্থনীতির উপর সরকারের নিয়ন্ত্রণ বা পর্যবেক্ষণ কার্যত নেই।
একটা আশ্চর্য তথ্য:
২০২৪ সালে বিআইডিএস (বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ)-এর একটি জরিপে উঠে এসেছে, প্রবাসীদের মধ্যে নতুন খামারিদের ৭২%-ই প্রথম বছরে লোকসানের মুখে পড়েন, যার অন্যতম কারণ ছিল গরুর দাম সংক্রান্ত ভুল তথ্য ও দালাল নির্ভরতা।
অন্যদিকে গ্রামের প্রকৃত খামারিরা—যারা ছোট পরিসরে নিজের হাতে গরু পালন করেন—তারা দামে প্রতারণা করেন না। কারণ তারা বিশ্বাস করেন, “অন্যের হক মেরে আমার লাভ হলে, সেটা একদিন না একদিন ফিরেও আসবে।”
কিন্তু সমস্যাটা দুই দিকেই—
প্রবাসীরা জানেন না কোথায় প্রকৃত খামারির খোঁজ পাবেন

আর খামারিরা জানেন না কীভাবে নিজের গরু প্রচার করবেন, কারণ ডিজিটাল মার্কেটিং ব্যয়বহুল

এখানেই দরকার একটি নির্ভরযোগ্য ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম।
যেখানে থাকবে:
গরুর ওজন, জাত, বয়স, দুধ উৎপাদন, গর্ভধারণ সংখ্যা—সব তথ্যসহ প্রোফাইল

প্রতিটি গরুর ভিডিও, মেডিকেল রিপোর্ট

খামারির পরিচয় যাচাই

সরাসরি কেনা-বেচার ব্যবস্থা, কোনো দালাল ছাড়া

এই ধরনের প্ল্যাটফর্ম (যেমন: PosurHut.com) শুধু দালালের ফাঁদ থেকে রক্ষা করবে না, বরং
প্রবাসীদের বিনিয়োগকে করবে সুরক্ষিত

খামারিদের দেবে ন্যায্য মূল্য ও পরিচিতি

সরকারের জন্য তৈরি করবে ট্যাক্সের স্বচ্ছ উৎস

মোট খামার খাতকে আনবে ডিজিটাল নিয়ন্ত্রণে

এই বাজারের ওপর যদি সঠিক নজরদারি এবং ডিজিটালীকরণ হয়, সরকার প্রতি বছর ৫০০ থেকে ৮০০ কোটি টাকার ট্যাক্স তুলতে পারবে খুব সহজেই।
সময় এসেছে—
দালাল-নির্ভর গরুর বাজারকে বিদায় জানিয়ে
তথ্যভিত্তিক, স্বচ্ছ, এবং ন্যায়নিষ্ঠ একটি খামার অর্থনীতি গড়ে তোলার।

12/04/2025

একটা গল্প বলি আপনাকে।
পিরোজপুরের এক প্রত্যন্ত গ্রামে থাকেন রাশেদা খাতুন। বয়স চল্লিশের কোঠায়। স্বামী নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে একদিন আর ফিরে আসেননি। দুই মেয়েকে নিয়ে রাশেদা শুরু করেন জীবনযুদ্ধ। জমি বলতে এক টুকরো উঠোন, তাতেই গরু দুটো—একটা দেশি জাত, আরেকটা একটু ভালো—সাহিওয়াল মিশ্রণ। সারাবছর সেই গরু দুটোই তাঁর ভরসা।
শীতের সকালে গরুর গায়ে নিজ হাতে সরিষার তেল ঘষা, গরম ভাতে কলা মিশিয়ে খাওয়ানো—এই ভালোবাসা দিয়ে তিনি বড় করেন গরুগুলো। আশা, ঈদের সময় বিক্রি করে মেয়েদের পড়ালেখা আর ঘরের টিন মেরামত করবেন।
কিন্তু সমস্যা হলো রাশেদা হাটে যান না, কখনোই যাননি।
তাঁর মতো নারী খামারিরা হাটে যাওয়ার কথা ভাবতেই পারেন না—ভিড়, গালি, প্রতারণা, দালালের চোখ…
তাঁর হয়ে গরু নিয়ে যায় পাশের গ্রামের লোকজন। তারা গরুর দাম নিয়ে দরদাম করে, আর বিক্রির পর রাশেদার হাতে যা আসে, তা দিয়ে গরুর খোরাকের টাকাও উঠে না।
তাঁর শুধু একটাই প্রশ্ন—
“যখন সব কাজ আমিই করলাম, তাহলে লাভটা অন্য কেউ কেন পাবে?”
কিছু তথ্য জানলে হয়তো ভাববেন:
কৃষিকাজে নিয়োজিত ২ কোটি ৫৬ লাখ শ্রমিকের মধ্যে ১ কোটি ৫ লাখ নারী। তারা কাজ করেন ধান রোয়া থেকে গরু পালনে, তবু তাদের কেউ কৃষক বলে ডাকে না।তাঁর শুধু একটাই প্রশ্ন—
“যখন সব কাজ আমিই করলাম, তাহলে লাভটা অন্য কেউ কেন পাবে?”
কিছু তথ্য জানলে হয়তো ভাববেন:
কৃষিকাজে নিয়োজিত ২ কোটি ৫৬ লাখ শ্রমিকের মধ্যে ১ কোটি ৫ লাখ নারী। তারা কাজ করেন ধান রোয়া থেকে গরু পালনে, তবু তাদের কেউ কৃষক বলে ডাকে না।
২০১৭ থেকে ২০২২ পর্যন্ত নারীর গড় মজুরি ৯% কমেছে, অথচ পুরুষের বেড়েছে ৪%।
পশুর দাম ঠিক হয় এখনও গায়ের জোর, চোখের আন্দাজ আর কথার কারচুপি দিয়ে—গরুর জাত, ওজন, স্বাস্থ্যের হিসাব? সে সব শুধু খাতার পাতায়।
সমাধান কি?
PosurHut.com এক নতুন দিগন্ত খুলতে চায়।
এখানে গরুর দাম নির্ধারিত হবে স্বচ্ছভাবে—ওজন, জাত, গর্ভধারণের সংখ্যা, স্বাস্থ্য রিপোর্ট ইত্যাদির ভিত্তিতে। রাশেদা খাতুনের মতো নারীরা ঘরে বসেই মোবাইলে গরুর তথ্য দিতে পারবেন, আর ক্রেতারা তা দেখে সরাসরি কিনতে পারবেন।
দালালের ভূমিকা থাকবে না, সরকারও প্রতিটি লেনদেন থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে কর আদায় করতে পারবে।
এই প্ল্যাটফর্ম কেবল নারীদের অধিকার রক্ষা করবে না, গড়বে একটি নতুন কর-আধারিত ডিজিটাল পশুর বাজার। যা এখনো বাংলাদেশের কোনো জায়গায় নেই।রাশেদা খাতুনের জন্য নয়, দেশের লক্ষো নারী খামারির জন্য দরকার এই পরিবর্তন।
আপনি কি এই পরিবর্তনের পাশে থাকবেন?
#রাশেদারগল্প #নারীরপরিশ্রমেরমূল্য #দালালমুক্তবাজার

Address

Rajshahi

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when posurhut posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category