07/05/2026
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ইতিহাস কী?
AI Overview
বাংলাদেশের পাবনা জেলার ঈশ্বরদীর রূপপুরে অবস্থিত দেশের প্রথম ও বৃহত্তম পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি ১৯৬১ সালে প্রস্তাবিত হলেও, ২০০৯ সালে রাশিয়ার সহায়তায় প্রকল্পটি বাস্তবায়নের উদ্যোগ জোরদার হয় [৩, ৪, ১০]। এটি ২.৪ গিগাওয়াট (১২০০ মেগাওয়াটের দুটি ইউনিট) ক্ষমতাসম্পন্ন এবং এটি ৩৩তম দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে পারমাণবিক যুগে প্রবেশ করায় [৫, ১২, ১৫]।
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ইতিহাসের মূল পর্যায়সমূহ:
প্রাথমিক পরিকল্পনা (১৯৬১-১৯৬৩): ১৯৬১ সালে পাকিস্তান আমলে তৎকালীন সরকার পাবনার ঈশ্বরদীতে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের জন্য স্থান নির্বাচন করে [৩, ৯]।
ভূমি অধিগ্রহণ (১৯৬৮): রূপপুরের পদ্মা নদীর তীরে প্রকল্পের জন্য প্রায় ২৬০ একর এবং আবাসন এলাকার জন্য ৩২ একর জমি অধিগ্রহণ করা হয় [৯]।
পুনরুত্থান ও চুক্তি (২০০৯-২০১০): দীর্ঘ বিরতির পর, ২০০৯ সালে বর্তমান সরকার প্রকল্পটির উদ্যোগ নেয়। ২০১০ সালের ২১ মে রাশিয়ার সাথে শান্তিময় উদ্দেশ্যে পারমাণবিক শক্তি ব্যবহারের রূপরেখা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় [৪, ১২]।
আন্তঃসরকার চুক্তি ও ভিত্তিপ্রস্তর (২০১১-২০১৩): ২ নভেম্বর ২০১১-এ রাশিয়া এবং বাংলাদেশের মধ্যে আন্তঃসরকার চুক্তি (IGA) স্বাক্ষরিত হয় [১২]। ২ অক্টোবর ২০১৩-এ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রকল্পের মূল কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন [১২]।
নির্মাণ কাজ (২০১৭-২০১৮): প্রকল্পের প্রথম ইউনিটের কাস্টিং (ঢালাই) কাজ ২০১৭ সালের নভেম্বরে এবং দ্বিতীয় ইউনিটের কাজ ২০১৮ সালের জুলাইয়ে শুরু হয় [১২]।
জ্বালানি লোডিং (২০২৩-২০২৪): ৫ অক্টোবর ২০২৩-এ রূপপুর প্রকল্পে আনুষ্ঠানিকভাবে পারমাণবিক জ্বালানি বা ইউরেনিয়াম হস্তান্তর করা হয় [৬, ১৩]।
প্রযুক্তি ও নিরাপত্তা:
এই কেন্দ্রে রাশিয়ার সর্বাধুনিক ৩য় প্রজন্মের VVER-১২০০ প্রযুক্তির চুল্লি ব্যবহার করা হচ্ছে, যা ৮ মাত্রার ভূমিকম্প ও বড় ধরনের দুর্যোগ সহনশীল বলে দাবি করা হয় [৭, ১০]।