Radical Agro Ltd.

Radical Agro Ltd. Ensure premium agro products

05/08/2025

গাঁথুনি করার সঠিক নিয়ম

ইটের গাঁথুনির কাজ করার সময় যে বিষয় গুলো খেয়াল রাখা খুবই জরুরী।

১) ইট গাঁথার সময় প্রত্যেক বার সুতা এবং শল দেখে নিতে হবে গাঁথনী সোজা রাখতে হলে।

২) কাজ শুরুর আগে ইট গুলোকে অন্তত: ৬ ঘন্টা পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে এবং ভালভাবে পরিস্কার করা উচিত। ভেজা ইটে গাঁথুনি ভাল হয় এবং ফাঁটল ধরার সম্ভাবনা কম থাকে। এছাড়া ভাল করে না ভেজালে প্লাস্টারে সমস্যা হতে পারে।

৩) অধিকাংশ ব্যবসায়ীরা বেশী লাভ করার জন্য ইটের আকার আকৃতি ঠিক থাকে না ফলে ইট ব্যবহার করা ক্ষেত্রে অনেক সময় দেখা যায়, গাঁথনী সোজা হয় না গাঁথনীর একপাশ মেলালে আরেক পাশ মিলে না।

৪) গাঁথুনির সময় দেখতে হবে দুটো ইটের মধ্যের ফাঁক যেন ১ সেন্টিমিটার থেকে বেশী না হয় এবং জোড়ার উপর জোড়া যেন অবিরাম না হয়।



৫) ইটের আকার ঠিক না থাকার কারনে অনেক বেশী মসলার ব্যবহার করতে হয় গাঁথনীর শল মিলাতে গিয়ে, যায় ফলে সিমেন্ট বালুতে অনেক বেশী টাকা ব্যয় হয় ইটের ক্ষেত্রে টাকা বাঁচাতে গিয়ে। ইটের অনেক অপচয় হয় বেছে বেছে তা ব্যবহার করতে গিয়ে মিস্ত্রিদের সময় বেশী লাগে, ফলে মিস্ত্রি খরচ বেড়ে যায়।
৬)ইট গাঁথুনির জন্য FM ১.৫ গ্রেডেড বালি ব্যবহার করা উচিত।

৭) সেজন্য প্রথম শ্রেনীর ইট এবং পোর্টল্যান্ড সিমেন্ট ব্যবহার করা উচিত।
৮) কোন ণির্দিষ্ট দ্দ্যেশ্য না থাকলে ইংলিশ বন্ডে(নিয়মে) গাঁথুনী করা ভাল ।

৯) মিশ্রনে মসলার অনুপাত হবে ১.৫। ৫” গাথুনির জন্য।

১০) আধলার ব্যবহার এড়িয়ে চলা ভাল যদি প্রয়োজন না পড়ে।
১১) জোড়াগুলো ইটের সিলমোহর উপরে রেখে মসলাদ্বারা পূর্ণ করা উচিত।
১২) জোড়ের পুরুত্ব ১.৩ মিমি এর বেশী যেন না হয়।

১৩) জোড়াগুলোর মধ্যে যেন কোন ফাঁক না থাকে। প্রয়োজনে মশলা দ্বারা পূর্ণ করে সমতল করা অত্যাবশ্যকীয় ।

১৪) ইটকে আস্তে আস্তে সম্পূর্ণ বেডের উপর মশলা বিছিয়ে চাপ দিয়ে বসানো উচিত ফলে মশলার সাথে ভাল ভাবে লেগে যায়।

১৫) একদিনে সর্বোচ্চ ১.৫ মিটারের বা ৩ ফিটের বেশী গাঁথুনী করা উচিত নয়। ধন্যবাদ 💐

✅অনলাইনে প্রথমবার জমির খাজনা দিতে কী কী ডকুমেন্টস লাগে?খাজনা দেয়ার জন‍্য নিম্নলিখিত পেপার এর প্রয়োজন হবেঃ◾ভূমি তথ্য ও সে...
25/06/2025

✅অনলাইনে প্রথমবার জমির খাজনা দিতে কী কী ডকুমেন্টস লাগে?
খাজনা দেয়ার জন‍্য নিম্নলিখিত পেপার এর প্রয়োজন হবেঃ

◾ভূমি তথ্য ও সেবা কেন্দ্র:
১। সর্বশেষ রেকর্ড/খারিজ খতিয়ানের কপি।
২। পূর্ববর্তী দাখিলার কপি।
৩। জাতীয় পরিচয়পত্র।
৪। একটি স্মার্টফোন/কম্পিটার ও ইন্টারনেট কানেকশন।
৫। মোবাইল নাম্বার ও পাসওয়ার্ড।
৬। জমির অবস্থান অনুযায়ী-বিভাগ, জেলা, উপজেলা, মৌজার তথ্য, খতিয়ান নং ও হোল্ডিং নং।

বি:দ্র: বকেয়ার সাল চার এর অধিক হলে এবং পূর্ববর্তী খাজনার রশিদ আপনার নিকট থাকলে (যা অনলাইন নয়) প্রথম বার ইউনিয়ন ভূমি অফিস থেকে খাজনা দিন।

◾অনলাইনে খাজনা দেয়ার ধাপ সমূহঃ

ধাপ ১- ভূমি মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে প্রবেশ করুন (ভূমি মন্ত্রণালয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট https://ldtax.gov.bd )।

ধাপ ২- নাগরিক নিবন্ধন করুন (মোবাইল নং, জন্ম তারিখ, আইডি নং দেয়ার পর ওটিপি পাবেন)।

ধাপ ৩- প্রোফাইল সেটিং করুন (প্রফাইলের তথ‍্যগুলি পুরণ করুন)।

ধাপ-৪ জমির খতিয়ান যুক্ত করুন।

ধাপ-৫ হোল্ডিং ও ভূমি উন্নয়ন করের তথ্য পূরণ করুন।

ধাপ-৬ পেমেন্ট অপশন সিলেক্ট করুন।

ধাপ-৭ ই-পেমেন্ট করুন।

ধাপ-৮ খাজনা রশিদ ডাউনলোড করুন।

◾খতিয়ানে নাম থাকা যে কোন একজন খাজনা দিতে পারবেন।

◾ওয়ারিশান হলে ওয়ারিশ সনদ সংযুক্ত করে খাজনা দেয়া যাবে।

◾যাদের আইডি কার্ড নেই তারা প্রতিনিধির মাধ‍্যমে খাজনা দিতে পারবেন।

◾খতিয়ানে থাকা সব জমির খাজনা দিতে হবে। আংশিক খাজনা দেয়ার নিয়ম নেই।
সংগৃহিত

Land Development Tax Management Project

25/06/2025

যে ১০টি কারণে নামজারি বাতিল হচ্ছে! ভূমি মালিকদের জরুরি করণীয়।

১০টি সাধারণ ভুল বা ত্রুটির কারণে নামজারি আবেদন বাতিল হয়ে যাচ্ছে, যা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ভূমি ক্রেতাদের অসচেতনতার ফল। নিচে এসব কারণ এবং প্রতিকার নিয়ে বিস্তারিত তুলে ধরা হলো:

১. দাগ নম্বরে ভুল

দাগ নম্বর জমির পরিচয় প্রকাশে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অনেকেই দলিলে ভুল দাগ নম্বর লিখিয়ে থাকেন, যা রেকর্ডে থাকা দাগ নম্বরের সঙ্গে মিলে না। ফলে দলিলে যেটি লেখা হয়েছে, সেটি হয়তো অন্য কারো জমির দাগ, ফলে নামজারি হয় না বা ভুল দাগে নামজারি হয়।

করণীয়: দলিল করার আগে খতিয়ান দেখে নিশ্চিত করুন সঠিক দাগ নম্বর ব্যবহার হয়েছে কি না। ভুল থাকলে ভ্রান্তি সংশোধনী করে নিন।

২. চৌহত্তিতে ভুল

চৌহত্তি বা বিবরণ অংশে ভুল থাকলে নামজারি বাতিল হয়। মালিকানা বিবরণ, দাগ, মৌজা, সাবেক মালিকের নাম ইত্যাদি অসংলগ্ন বা অসম্পূর্ণ থাকলে তা নামজারিতে বাধা হয়ে দাঁড়ায়।

করণীয়: দলিল লেখার সময় অভিজ্ঞ আইনজীবী বা দলিল লেখক দ্বারা দলিল তৈরি করুন এবং প্রতিটি তথ্য ভালোভাবে যাচাই করুন।

৩. ভোটার আইডি ও দলিলের নামের অমিল

দলিলে ক্রেতার নাম যেমন লেখা হয়েছে, ভোটার আইডিতেও ঠিক তেমনই লেখা থাকতে হবে। বানান, পিতার নাম বা নামের স্টাইল ভিন্ন হলে আবেদন বাতিল হতে পারে।

করণীয়: দলিল এবং ভোটার আইডি মিলিয়ে দেখুন। প্রয়োজনে সংশোধন করে তারপর আবেদন করুন।

৪. মালিকানা ধারাবাহিকতায় ভুল

সিএস, এসএ, আরএস রেকর্ড অনুসারে মালিকানা ইতিহাস সঠিকভাবে দলিলে উল্লেখ না থাকলে নামজারি হয় না। ২৫ বছরের ধারাবাহিক ইতিহাস থাকা আবশ্যক।

করণীয়: সাবেক মালিকের মালিকানা সঠিক কি না তা খতিয়ান থেকে যাচাই করে নিন এবং দলিলে যথাযথভাবে উল্লেখ করুন।

৫. খতিয়ান নম্বরে অমিল

দলিল ও সর্বশেষ রেকর্ডের খতিয়ান নম্বর যদি না মেলে, তাহলে তা নামজারির জন্য গ্রহণযোগ্য নয়।

করণীয়: খতিয়ানে যে নম্বর দেওয়া আছে, তা-ই দলিলে লিখুন। অমিল থাকলে আগে সংশোধন করে আবেদন দিন।

৬. জমিটি আগেই অন্য কারো নামে নামজারি হয়ে যাওয়া

একই জমি একাধিকবার বিক্রি হওয়া বা মালিকের সীমাবদ্ধ অংশের চেয়ে বেশি বিক্রি করায় পরে ক্রয়কৃত ব্যক্তির আবেদন বাতিল হয়।

করণীয়: জমি ক্রয়ের আগে দাগভিত্তিক নামজারি রেকর্ড দেখে নিন, জমির অবস্থান বুঝে ক্রয় করুন।

৭. অর্পিত সম্পত্তি থাকা

অনেকে অর্পিত (সরকারি নিয়ন্ত্রিত) সম্পত্তি ব্যক্তিগত মালিকানায় ভেবে বিক্রি করে থাকেন। দাগে অর্পিত জমি থাকলে নামজারি বাতিল হয়।

করণীয়: ভূমি অফিস থেকে জেনে নিন জমিতে কোনো অর্পিত অংশ রয়েছে কি না। থাকলে সে জমি ক্রয় করা থেকে বিরত থাকুন।

৮. খাস জমি থাকা

ব্যক্তিগত জমির মাঝে সরকারিভাবে ঘোষিত খাস জমি থাকলে সেটির ওপর নামজারি সম্ভব নয়।

করণীয়: জমির সকল অংশের দাগ চেক করে নিশ্চিত হোন সেটি ব্যক্তিমালিকানাধীন কি না।

৯. জমির মধ্যে খাস জমি থাকা

খাস (নদী ভাঙন বা সরকার নির্ধারিত) জমি থাকলে বা সেটি ব্যক্তি মালিকানার বাইরে হলে নামজারি হবে না।

করণীয়: দলিলের আগে ভৌগোলিকভাবে জমির অবস্থা, দখল, ও প্রাকৃতিক অবস্থা দেখে নেওয়া জরুরি।

১০. অংশের চেয়ে বেশি জমি বিক্রি করা

অনেক সময় ওয়ারিশানদের কেউ কেউ নিজের অংশের চেয়ে বেশি জমি বিক্রি করে থাকেন। এতে ক্রেতা নামজারি করতে গিয়ে সমস্যায় পড়েন।

করণীয়: বন্টননামা বা ওয়ারিশান সনদ দেখে নিশ্চিত হোন বিক্রেতার বিক্রয় ক্ষমতা কতটুকু।

কী করবেন নামজারি রিজেক্ট হলে?

১. এসিল্যান্ড অফিসে গিয়ে সরাসরি জেনে নিন রিজেকশনের কারণ
২. প্রয়োজনীয় সংশোধন করে পুনরায় আবেদন করুন
৩. কারো কথায় টাকা দিয়ে দ্রুত নামজারি করিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করবেন না
৪. আইনি সহায়তা প্রয়োজন হলে উপজেলা ভূমি অফিস বা স্থানীয় আইনজীবীর পরামর্শ নিন

সতর্কতা:

নামজারি জমির মালিকানা স্বীকৃতির বৈধ প্রমাণ। একে অবহেলা করা মানে ভবিষ্যতে জমির ওপর অধিকার হারানোর ঝুঁকি নেওয়া। কাজেই ক্রয়ের আগেই দলিল, দাগ, খতিয়ান, মালিকানা ইতিহাস ভালোভাবে যাচাই করে নিন।

তথ্য সংগ্রহ

25/06/2025

🍁 কীভাবে এক নজরে বুঝবেন জমির কাগজ ঠিক আছে কিনা? 🍁
জমি কেনার আগে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো জমির কাগজপত্র ঠিক আছে কিনা সেটা নিশ্চিত হওয়া। অনেকেই এই জায়গায় ভুল করেন, যার ফলে পরে জমি হারানোর মতো বড় বিপদে পড়েন। তাই আজকের লেখায় জানুন – এক নজরে জমির কাগজ ঠিক আছে কিনা বোঝার ৫টি সহজ উপায়।
১. দলিলে বর্তমান মালিকের নাম আছে কিনা যাচাই করুন

সবার আগে জমির রেজিস্ট্রেশন দলিলে যিনি মালিক দেখানো হয়েছে, তার নাম, ঠিকানা এবং আইডি নম্বর যাচাই করুন।
টিপস: দলিলের শেষে নোটারি বা সাব-রেজিস্ট্রারের সীল ও স্বাক্ষর আছে কিনা দেখুন।
২. খতিয়ান এবং দলিলের তথ্য মিলিয়ে দেখুন

খতিয়ান হচ্ছে জমির রেকর্ড। এটি BS/RS/CS বা City Survey হতে পারে।
যাচাই করুন:

মালিকের নাম

জমির দাগ নম্বর

জমির পরিমাণ

মৌজা নাম
এগুলো যদি দলিলের সাথে মিলে যায়, তাহলে আপনি অনেকটাই নিরাপদ।
৩. নামজারি হয়েছে কিনা দেখে নিন (ই-নামজারি হলে ভালো)

জমির মালিক যদি নামজারি করে থাকেন, তাহলে ভূমি অফিসে বা land.gov.bd ওয়েবসাইটে যাচাই করে দেখে নিন।
নামজারি না থাকলে পরবর্তীতে আপনাকেই সমস্যায় পড়তে হবে।

৪. জমিতে কোনো মামলা আছে কিনা যাচাই করুন

জমি কিনার আগেই যাচাই করুন জমিটি মামলা-মোকদ্দমায় আছে কিনা।
যাচাইয়ের উপায়:

স্থানীয় ভূমি অফিস

অনলাইন (জমির দাগ নম্বর ও খতিয়ান নম্বর দিয়ে চেক করুন)

৫. দখল ও ব্যবহার নিশ্চিত করুন

জমির মালিক আসলে দখলে আছেন কিনা এবং জমি ব্যবহার করছে কিনা সেটা দেখে বোঝা যায় জমি নিয়ে ঝামেলা আছে কিনা।
প্রতিবেশীদের জিজ্ঞেস করুন:
– এই জমির মালিক কে?
– কেউ কি দাবি করে?
– কোনো বিরোধ আছে?

সংক্ষেপে কাগজ যাচাইয়ের চেকলিস্ট:

রেজিস্টার দলিল

সর্বশেষ খতিয়ান

নামজারি (ই-নামজারি হলে ভালো)

মামলার তথ্য (থানা ও ভূমি অফিসে খোঁজ নিন)

মৌজা ম্যাপ অনুযায়ী দাগ মিলিয়ে দেখুন

জমির লোকেশন ফিজিক্যালি যাচাই করুন।

🌱 শাহী পেঁপে চাষের সহজ গাইড (১ বিঘা/২০ কাঠা)! কম খরচে বেশি লাভ 🚀শাহী পেঁপে চাষ এখন কৃষকদের প্রিয় ইনকাম সোর্স! ১ বিঘা জমি...
14/04/2025

🌱 শাহী পেঁপে চাষের সহজ গাইড (১ বিঘা/২০ কাঠা)! কম খরচে বেশি লাভ 🚀

শাহী পেঁপে চাষ এখন কৃষকদের প্রিয় ইনকাম সোর্স!
১ বিঘা জমি (২০ কাঠা)থেকে কীভাবে শুরু করবেন, সার থেকে কীটনাশক সবকিছুর সঠিক নিয়ম ও হিসাব জেনে নিন:

🌿 চারা রোপন পদ্ধতি:
জমি প্রস্তুতি: জমি ভালোভাবে চাষ দিয়ে নিন।
চারার দূরত্ব: প্রতি চারা থেকে ১.৮ মিটার (৫.৯ ফুট) দূরে রোপণ করুন।

শাহী পেঁপে চারার প্রয়োজনে কল করুন-০১৩২৩০৬৬৯০৯

চারার সংখ্যা
১ বিঘায় প্রায় ৪০০টি চারা লাগবে (হিসাব: ১.৮ মিটার x ১.৮ মিটার স্পেসে)।
মাদা তৈরি:৫০x৫০x৫০ সেমি আকারের গর্ত করে প্রতি মাদায় ১০ কেজি গোবর সার + ১০০ গ্রাম টিএসপি মিশিয়ে ১৫ দিন রেখে চারা বসান।

💊 সার প্রয়োগ

জৈব সার: ৪ টন (মাদা প্রস্তুতের সময়)।

টিএসপি: ৪০ কেজি (চারা রোপণের সময়)।

ইউরিয়া: ৬০ কেজি (৩ কিস্তিতে: ১ম মাস, ৩য় মাস, ৫ম মাস)।

এমওপি: ৪০ কেজি (ফল ধরার শুরুতে)।

💦 সেচ ব্যবস্থা:
গ্রীষ্মকাল: ৫-৭ দিন পর পর সেচ দিন।
বর্ষাকাল: জমিতে যেন পানি জমে না থাকে, নালা কেটে নিকাশ করুন।
ফল ধরার পর:মাটি শুকালেই সেচ দিন (সপ্তাহে ১ বার)।
🐜 কীটপতঙ্গ ও রোগ দমন:
এফিড,ফল মাছি,মিলি বাগ,লাল মাকড়সা,পেঁপে হর্নওয়ার্ম
পাউডারি মিলডিউ পাতায় সাদা গুঁড়ো দাগ।গন্ধক সালফার বা কপার ভিত্তিক ফাংগিসাইড স্প্রে করুন।

অ্যানথ্রাকনোজ ফলে গোলাকার কালো দাগ।ম্যানকোজেব ক্লোরোথ্যালোনিল স্প্রে করুন

পেঁপে রিংস্পট ভাইরাস পাতায় হলুদ দাগ, ফল বিকৃত।
আক্রান্ত গাছ উপড়ে ফেলুন। এফিড নিয়ন্ত্রণে কীটনাশক ব্যবহার করুন।

গোড়া পচা গাছ হঠাৎ শুকিয়ে যায়।
মেটাল্যাক্সিল বা কার্বেনডাজিম প্রয়োগ করুন। মাটিতে জমা পানি নিষ্কাশন নিশ্চিত করুন।

ড্যাম্পিং-অফ চারা মারা যায়।বীজ বপনের আগে থিরাম দিয়ে শোধন করুন।

📅 ফল সংগ্রহ ও উৎপাদন:
চারা রোপণের ৫-৬ মাস পর ফল তোলা শুরু।
পাকা ফলের গায়ে হালকা হলুদ রং দেখা দিলে সংগ্রহ করুন।
#পেঁপে_চাষ #পেঁপে_সেচ #পেঁপে_সার #পেঁপের_কীটনাশক

অটোগিয়ার গাড়ি চালানোর সহজ টিপসগাড়ি চালু করার আগে ব্রেকে চাপ দিনগাড়ি স্টার্ট দেওয়ার আগে আপনার ব্রেক চেপে রাখাটা গুরুত্বপূ...
13/04/2025

অটোগিয়ার গাড়ি চালানোর সহজ টিপস

গাড়ি চালু করার আগে ব্রেকে চাপ দিন
গাড়ি স্টার্ট দেওয়ার আগে আপনার ব্রেক চেপে রাখাটা গুরুত্বপূর্ণ, কারণ গিয়ার সিস্টেমের কারণে গাড়ি সরতে পারে। প্রথমে ব্রেক চেপে রাখুন এবং তারপর স্টার্ট বাটন চাপুন।
তারপর, গিয়ারকে পার্কিং থেকে ড্রাইভ মোডে (P থেকে D) নিয়ে আসুন এবং গাড়ি চালানো শুরু করুন।

“P”, “D”, “N” ও “R” এর ব্যবহার জানুন
অটোগিয়ার গাড়িতে সাধারণত কয়েকটি গিয়ার মোড থাকে:
P (পার্কিং) – এটি শুধুমাত্র গাড়ি পার্ক করার জন্য ব্যবহার করুন।
D (ড্রাইভ) – গাড়ি চালানোর জন্য ব্যবহার করুন।
R (রিভার্স) – গাড়ি পেছনে নিয়ে যেতে ব্যবহার করুন।
N (নিউট্রাল) – এটি গিয়ার স্থির করার জন্য ব্যবহার করা হয়, যেমন সিগন্যালে দাঁড়িয়ে থাকলে।

এগুলো ভালোভাবে জানলে গাড়ি চালাতে সমস্যা হবে না।
ব্রেক ও এক্সিলারেটর নিয়ন্ত্রণে রাখুন: অটোগিয়ার গাড়িতে সাধারণত দুটি প্যাডেল থাকে—একটি ব্রেক ও অন্যটি এক্সিলারেটর। ড্রাইভিং করার সময়, আপনি শুধু দুটি প্যাডেল নিয়ন্ত্রণ করবেন।
এক্সিলারেটর: গাড়ির গতি বাড়ানোর জন্য এক্সিলারেটর ব্যবহার করবেন।
ব্রেক: গতি কমানোর জন্য বা থামানোর জন্য ব্রেক ব্যবহার করবেন।
এটা মনে রাখুন যে ব্রেক এবং এক্সিলারেটর নিয়ন্ত্রণে রাখতে অভ্যাস তৈরি করতে হবে।

হ্যান্ড ব্রেক ব্যবহার করুন: উপর অথবা ঢালু রাস্তা বা সেতুর উপর পার্কিং করলে হ্যান্ড ব্রেক ব্যবহার করা উচিত। কারণ গাড়ি নিজেই নেমে আসতে পারে। বিশেষ করে অটোগিয়ার গাড়ির গিয়ার সিস্টেমটি একটু আলাদা, তাই নিয়ন্ত্রণ রাখতে হ্যান্ড ব্রেক জরুরি।
নিয়মিত মেইনটেন্যান্স করুন: অটোগিয়ার গাড়ির গিয়ার সিস্টেম ম্যানুয়াল গাড়ির চেয়ে ভিন্ন। তাই নিয়মিত সার্ভিসিং এবং মেইনটেন্যান্স করা প্রয়োজন। যেমন, অটোগিয়ার ট্রান্সমিশন লিক হলে বা সিস্টেম সঠিকভাবে কাজ না করলে, তা গাড়ির পারফরম্যান্স কমিয়ে দিতে পারে।

কারা অটোগিয়ার গাড়ি শিখবেন?
অটোগিয়ার গাড়ি চালানোর জন্য কিছু নির্দিষ্ট গোষ্ঠী আছে, যাদের জন্য এটি বিশেষভাবে উপযোগী:
নতুন ড্রাইভার: যারা গাড়ি চালানো শিখতে চান এবং নতুন।
নারীরা: নারীদের জন্য এটি বেশি উপযোগী, কারণ তাদের জন্য গিয়ার ও ক্লাচ নিয়ন্ত্রণে সমস্যা হতে পারে।
অফিসগামী কর্মচারীরা: যারা দৈনিক অফিসে যান, তাদের জন্য অটোগিয়ার গাড়ি চালানো সহজ এবং আরামদায়ক।
প্রবাসে ড্রাইভিং লাইসেন্স নিতে ইচ্ছুক: বিদেশে ড্রাইভিং লাইসেন্স নেওয়ার জন্য এটি অন্যতম সুবিধাজনক।
যারা দ্রুত শিখতে চান: যারা কম সময়ের মধ্যে গাড়ি চালানো শিখতে চান, তাদের জন্য অটোগিয়ার সবচেয়ে ভালো।

অটোগিয়ার গাড়ি চালানোর সুবিধাগুলো অনেক। এটি নতুন ড্রাইভারদের জন্য একটি আদর্শ সমাধান এবং সময় ও মানসিক চাপ কমানোর জন্য একটি আধুনিক পদ্ধতি। শিখতে সহজ, ট্রাফিকের মধ্যে সুবিধাজনক এবং নিরাপদ ড্রাইভিং নিশ্চিত করে। আপনি যদি একটি সহজ, নিরাপদ ও সুবিধাজনক ড্রাইভিং অভিজ্ঞতা চান, তাহলে অটোগিয়ার গাড়ি শিখতে এগিয়ে আসুন।

29/03/2025

MashAllah

ছাদ ঢালাইয়ের হিসাব১৫০০ বর্গ ফিট একটি ছাদ ঢালাই এর ইট, বালু, সিমেন্ট এবং রড এর পরিমান বের করার হিসাবমনেকরি ছাদের দৈর্ঘ্য ...
16/03/2025

ছাদ ঢালাইয়ের হিসাব

১৫০০ বর্গ ফিট একটি ছাদ ঢালাই এর ইট, বালু, সিমেন্ট এবং রড এর পরিমান বের করার হিসাব

মনেকরি ছাদের দৈর্ঘ্য = ৫০ ফিট
এবং ছাদের প্রস্থ = ৩০ ফিট
ছাদের পুরুত্ব= ৫ ইঞ্চি

তাহলে ছাদের ক্ষেত্রফল = দৈর্ঘ্য X প্রস্থ = ৫০ X ৩০ = ১৫০০ বর্গ ফিট
এবং ছাদের আয়তন = দৈর্ঘ্য X প্রস্থ X পুরুত্ব = ৫০ X ৩০ X ০.৪১৬৬ (৫/১২ ইঞ্চি কে ফিট হিসেবে)
= ৬২৪.৯ বা ৬২৫ ঘনফিট/সিএফটি

আদ্র অবস্থায় আয়তন মোট আয়তনের চেয়ে দেড়গুন বেড়ে যায় তাই
আদ্র আবস্থায় আয়তন = ৬২৫ X ১.৫ = ৯৩৭.৫ বা ৯৩৮ ঘনফিট/সিএফটি

সিমেন্ট বালু ও খোয়ার অনুপাত = সিমেন্ট: বালু: খোয়া = ১: ২: ৪
অনুপাতের যোগফল = ১+২+৪ = ৭

সিমেন্ট এর পরিমান = (আদ্র অবস্থায় আয়তন X সিমেন্ট অনুপাত) ÷ অনুপাতের যোগফল
= (৯৩৮ X ১) ÷ ৭ = ১৩৪ ঘনফিট/সিএফটি
= ১০৮ ব্যাগ (১.২৫ ঘনফিট/সিএফটি = ১ ব্যাগ)

বালু এর পরিমান = (আদ্র অবস্থায় আয়তন X বালুর অনুপাত) ÷ অনুপাতের যোগফল
= (৯৩৮ X ২) ÷ ৭ = ২৬৮ ঘনফিট/সিএফটি

খোয়া এর পরিমান = (আদ্র অবস্থায় আয়তন X খোয়ার অনুপাত) ÷ অনুপাতের যোগফল
= (৯৩৮ X ৪) ÷ ৭ = ৫৩৬ ঘনফিট/সিএফটি
= ৭৮৮২.৩ বা ৭৮৮৩ টি ইট থেকে তৈরি খোয়া (১ টি ইট = ০.০৬৮ ঘনফিট/সিএফটি)

রড এর পরিমান = শুকনো অবস্থায় আয়তন X ২২২ X ১.৫% (রডের একক ওজন ২২২কেজি/ সিএফটি)
= ৬২৫ X ২২২ X (১.৫ ÷ ১০০)
= ২০৮১.২৫ বা ২০৮২ কেজি
= ২.০৮২ টন

আয়তন, রড বসানোর দুরত্ব ও রডের মিলিমিটার অনুসারে রডের হিসাব
ছাদে সাধারনত ১০ মিলিমিটার, ১২ মিলিমিটার, ১৬ মিলিমিটার রড ব্যবহার করা হয়
এবং ছাদে রড থেকে রডের দুরত্ব ৫ ইঞ্চি থেকে ৭ ইঞ্চি হয়ে থাকে

মনেকরি ছাদের দৈর্ঘ্য = ৫০ ফিট
এবং ছাদের প্রস্থ = ৩০ ফিট

আমরা যদি ৫ ইঞ্চি পর পর রড বসাই তাহলে

৫০ ফিট এ মোট রডের পরিমান
= ৫০ফিট/ ৫ ইঞ্চি +১
= ৬০০ ইঞ্চি / ৫ ইঞ্চি +১
= ১২০+১
= ১২১ পিস (প্রতি পিস ৩০ ফিট দৈর্ঘের)
= ৩৬৩০ ফিট

৩০ ফিট এ মোট রডের পরিমান
= ৩০ফিট/ ৫ ইঞ্চি +১
= ৩৬০ ইঞ্চি / ৫ ইঞ্চি +১
= ৭২+১
= ৭৩ পিস (প্রতি পিস ৫০ ফিট দৈর্ঘের)
= ৩৬৫০ ফিট

মোট রডের পরিমান = ৩৬৩০ ফিট+ ৩৬৫০ ফিট
=৭২৮০ ফিট

রডের ওজন = D²/৫৩২.২ কেজি (D হল রডের ডায়া বা মিলিমিটার)
= ১২²/ ৫৩২.২ কেজি (১২ মিলিমিটার রড এর ক্ষেত্রে)
= ০.২৭ কেজি (প্রতি ফিট এ)

মোট ওজন= ৭২৮০ X ০.২৭ কেজি
= ১৯৬৫.৬ বা ১৯৬৬ কেজি
= ১.৯৬৬ টন (আরও ৫-১০% অপচয় এর জন্য বাড়তি রডের দরকার হবে)
= ২০৬৪.৩ বা ২০৬৫ কেজি(৫% বাড়তি ধরে)ছাদ ঢালাইয়ের হিসাব।

১৫০০ বর্গ ফিট একটি ছাদ ঢালাই এর ইট, বালু, সিমেন্ট এবং রড এর পরিমান বের করার হিসাব

মনেকরি ছাদের দৈর্ঘ্য = ৫০ ফিট
এবং ছাদের প্রস্থ = ৩০ ফিট
ছাদের পুরুত্ব= ৫ ইঞ্চি

তাহলে ছাদের ক্ষেত্রফল = দৈর্ঘ্য X প্রস্থ = ৫০ X ৩০ = ১৫০০ বর্গ ফিট
এবং ছাদের আয়তন = দৈর্ঘ্য X প্রস্থ X পুরুত্ব = ৫০ X ৩০ X ০.৪১৬৬ (৫/১২ ইঞ্চি কে ফিট হিসেবে)
= ৬২৪.৯ বা ৬২৫ ঘনফিট/সিএফটি

আদ্র অবস্থায় আয়তন মোট আয়তনের চেয়ে দেড়গুন বেড়ে যায় তাই
আদ্র আবস্থায় আয়তন = ৬২৫ X ১.৫ = ৯৩৭.৫ বা ৯৩৮ ঘনফিট/সিএফটি

সিমেন্ট বালু ও খোয়ার অনুপাত = সিমেন্ট: বালু: খোয়া = ১: ২: ৪
অনুপাতের যোগফল = ১+২+৪ = ৭

সিমেন্ট এর পরিমান = (আদ্র অবস্থায় আয়তন X সিমেন্ট অনুপাত) ÷ অনুপাতের যোগফল
= (৯৩৮ X ১) ÷ ৭ = ১৩৪ ঘনফিট/সিএফটি
= ১০৮ ব্যাগ (১.২৫ ঘনফিট/সিএফটি = ১ ব্যাগ)

বালু এর পরিমান = (আদ্র অবস্থায় আয়তন X বালুর অনুপাত) ÷ অনুপাতের যোগফল
= (৯৩৮ X ২) ÷ ৭ = ২৬৮ ঘনফিট/সিএফটি

খোয়া এর পরিমান = (আদ্র অবস্থায় আয়তন X খোয়ার অনুপাত) ÷ অনুপাতের যোগফল
= (৯৩৮ X ৪) ÷ ৭ = ৫৩৬ ঘনফিট/সিএফটি
= ৭৮৮২.৩ বা ৭৮৮৩ টি ইট থেকে তৈরি খোয়া (১ টি ইট = ০.০৬৮ ঘনফিট/সিএফটি)

রড এর পরিমান = শুকনো অবস্থায় আয়তন X ২২২ X ১.৫% (রডের একক ওজন ২২২কেজি/ সিএফটি)
= ৬২৫ X ২২২ X (১.৫ ÷ ১০০)
= ২০৮১.২৫ বা ২০৮২ কেজি
= ২.০৮২ টন

আয়তন, রড বসানোর দুরত্ব ও রডের মিলিমিটার অনুসারে রডের হিসাব
ছাদে সাধারনত ১০ মিলিমিটার, ১২ মিলিমিটার, ১৬ মিলিমিটার রড ব্যবহার করা হয়
এবং ছাদে রড থেকে রডের দুরত্ব ৫ ইঞ্চি থেকে ৭ ইঞ্চি হয়ে থাকে

মনেকরি ছাদের দৈর্ঘ্য = ৫০ ফিট
এবং ছাদের প্রস্থ = ৩০ ফিট

আমরা যদি ৫ ইঞ্চি পর পর রড বসাই তাহলে

৫০ ফিট এ মোট রডের পরিমান
= ৫০ফিট/ ৫ ইঞ্চি +১
= ৬০০ ইঞ্চি / ৫ ইঞ্চি +১
= ১২০+১
= ১২১ পিস (প্রতি পিস ৩০ ফিট দৈর্ঘের)
= ৩৬৩০ ফিট

৩০ ফিট এ মোট রডের পরিমান
= ৩০ফিট/ ৫ ইঞ্চি +১
= ৩৬০ ইঞ্চি / ৫ ইঞ্চি +১
= ৭২+১
= ৭৩ পিস (প্রতি পিস ৫০ ফিট দৈর্ঘের)
= ৩৬৫০ ফিট

মোট রডের পরিমান = ৩৬৩০ ফিট+ ৩৬৫০ ফিট
=৭২৮০ ফিট

রডের ওজন = D²/৫৩২.২ কেজি (D হল রডের ডায়া বা মিলিমিটার)
= ১২²/ ৫৩২.২ কেজি (১২ মিলিমিটার রড এর ক্ষেত্রে)
= ০.২৭ কেজি (প্রতি ফিট এ)

মোট ওজন= ৭২৮০ X ০.২৭ কেজি
= ১৯৬৫.৬ বা ১৯৬৬ কেজি
= ১.৯৬৬ টন (আরও ৫-১০% অপচয় এর জন্য বাড়তি রডের দরকার হবে)
= ২০৬৪.৩ বা ২০৬৫ কেজি(৫% বাড়তি ধরে)

সংগৃহিত

16/12/2024

আমাদের খামারের কিছু ছাগল বিক্রি করা হবে । ছাগলের ভেকসিন এবং কৃমিনাশক করা আছে। খামারের লোকেশনঃআন্দারিয়া গোপ, কদমতলি বাজার...
13/11/2024

আমাদের খামারের কিছু ছাগল বিক্রি করা হবে । ছাগলের ভেকসিন এবং কৃমিনাশক করা আছে।
খামারের লোকেশনঃ
আন্দারিয়া গোপ, কদমতলি বাজার( নালিতাবাড়ী-হালুয়াঘাট রেড), নালিতাবাড়ী, শেরপুর।
মোবাইলঃ ০১৮৪৭২৩০৫৮৯

Find local businesses, view maps and get driving directions in Google Maps.

Address

Andhariya Gup, Kodomtoli Bazar, Nalitabari-Haluaghat Road, Nalitabari
Sherpur
2110

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Radical Agro Ltd. posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category