27/08/2022
সহজ ও চমৎকার একটি ইবাদত হলো,
নিজের জীবনে প্রতিটি কাজে আল্লাহর নাম খোঁজা।
খাবার খাওয়ার সময় ভাববো, আল্লাহ রাযযাক, রিযিকদাতা।
সুস্থ্য থাকলে, রোগ থেকে আরোগ্য লাভ করলে ভাববো আল্লাহ- আশশাফি-শিফাদাতা।
ঘুম থেকে জেগে উঠে ভাবব, আল্লাহ ঘুম পড়ান। তিনি জাগান। তিনি ‘আলহাই’-চীরঞ্জীব।
গুনাহ হয়ে গেলে ভাবব, তিনি ‘গাফূর’। ক্ষমাশীল।
তাওবা করে ভাবব, তিনি ‘তাওয়াব’। তাওবা কবুলকারী।
বিপদ থেকে রক্ষা পেলে ভাবব, আল্লাহ ‘আলমুমিন’। নিরপত্তাদাতা।
আশেপাশের ঘটনা, আশেপাশের মাখলুক-সৃষ্টিজীব দেখে ভাবব, এটাতে আল্লাহর কোন কোন গুণ ও নামের প্রভাব প্রকাশ পেয়েছে?
একটি পিঁপড়া দেখে ভাবব, আল্লাহর কোন নাম? খালেক। আর?
জীবনের প্রতিটি কাজের সাথে আল্লাহ তাআলার ভাবনাকে জুড়তে পারা একজন অন্যতম মুমিনের অন্যতম বৈশিষ্ট্য।
আমার জীবনের প্রতিটি পদক্ষেপেই ভাববো,
আমার এই কাজে আল্লাহর কোন নামটি ক্রিয়াশীল?
হাঁটছি, কোন নাম?
পড়ছি, কোন নাম?
জীবিকার উদ্দেশ্যে পরিশ্রম করছি, কোন নাম?
এভাবে কিছুদিন চিন্তাচর্চা করলে, পরে অভ্যেসে পরিণত হবে।
আমার চিন্তা ও কর্মকে আল্লাহর সাথে জুড়ে দেয়াই তো আমার কাজ।
কোনো পরিশ্রম ছাড়াই অত্যন্ত সহজ একটি ইবাদত করতে পারি।
এজন্য প্রথমে আল্লাহর ‘আসমায়ে হুসনাগুলো’ অর্থসহ শেখা জরুরি।
প্রতিটি মুহূর্তেই ভাববো, আমি এখন রব্বে কারীমের কোন নাম ও গুণের চাদরে আবৃত আছি?
মনে রাখবো, প্রতিটি মুহূর্তেই আমি আল্লাহর একাধিক নাম ও সিফাত (গুণের) আওতায় থাকি।
এভাবে ভাবতে পারলে, নিজেকে অনেক বেশি ‘আবদুল্লাহ’-আল্লাহর বান্দা মনে হবে। এই মনে হওয়াটাই ‘চমৎকার এক ইবাদত’।
রাব্বে কারীম তাওফিক দান করুন। আমীন।
©শায়খ আতিক উল্লাহ