27/01/2026
ভোর ৪টেয় দিন শুরু হয় একজন মহিলা কৃষকের। প্রথমে ঘরের কাজ—রান্না, জল তোলা, পরিবারের সবার দেখভাল। তারপর মাঠে গিয়ে চাষের কাজ—বীজ বোনা, আগাছা পরিষ্কার, ফসল কাটা, পালিত পশু সামলানো। এই কাজগুলোই কৃষির মেরুদণ্ড, অথচ বেশিরভাগ সময় তা “পরিবারের সাহায্য” বলে এড়িয়ে যাওয়া হয়, শ্রম হিসেবে স্বীকৃতি পায় না।
মাঠের কাজ শেষে আবার ঘরে ফিরে অপেক্ষা করে আরেক দফা দায়িত্ব—রান্না, ঘর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা, বাচ্চাদের পড়াশোনা, বাড়ির অসুস্থ মানুষদের সেবা। দিনভর কাজের কোনো নির্দিষ্ট সময় নেই, ছুটির ধারণাও নেই। কৃষক হিসেবে তিনি উৎপাদনের সঙ্গে যুক্ত, মা হিসেবে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম গড়ে তোলেন, শ্রমিক হিসেবে শারীরিক পরিশ্রম দেন, আর স্ত্রী হিসেবে সংসারের ভার বহন করেন।
এই বহুমুখী ভূমিকার মাঝেও জমির মালিকানা, সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা, ঋণ বা সরকারি সহায়তা তাঁর জন্য নয়। এক্ষেত্রে মহিলা কৃষকের শ্রমের কোনো প্রভাব পড়ে না।