Aarohi's Presentation

Aarohi's Presentation try to write story about real life , and vlog also cooking

29/07/2024

(কুলাঙ্গার পর্ব ২ )
সময় টা ছিল এপ্রিল মাস তখন স্কুলের নতুন ভর্তি চলছে বিশেষ করে যারা মাধ্যমিক পরীক্ষার পর এগারো ক্লাসে উঠবে। প্রতিদিন এর মতো সেদিন ও ভাইজি আর ভাইজীর সঙ্গী সাথীরা দোকানে এসে কেরাম খেলছে হাতে সিগারেট নিয়ে। খেলতে খেলতে ভাইজি বললো কিরে নেপো আমাদের নিউস পেপার টা কোথায় রে সঙ্গে সঙ্গে পিছন দিক থেকে আমি হাজির হুজুর বলে হুল্লোড় দিয়ে উঠলো আক্রম অর্থাৎ নিউসপেপার আর বললো ভাইজি আর বলিস না টেপি (মিতা) আজ স্কুলে ভর্তির জন্য আসবে তাই বললো তুই তো ওই দিকে যাচ্ছিস টা আমাকে একটু নিয়ে চল , ওর সাথে আসতে আসতে দেরি হয়ে গেলো। ভাইজি বললো কোথায় সে টেপি দেখছিনা যে ও বললো সামনের ওই মোর এ নেমে গেলো বললো কে একজন আসবে তার সঙ্গে একসাথে স্কুলে ঢুকবে। তারপর ওদের মতো ওরা বিভিন্ন কথায় ব্যাস্ত হয়ে গেলো আর আমি আমার কিছু হাতের কাজ করতে লাগলাম। সেইসময় টেপি মানে নিউসপেপার এর বোন আসলো দোকানে নিউসপেপার এর কাছে বললো দাদা ৫০ টা টাকা দেনা রে খুব দরকার নিউসপেপার তখন ওর বোন কে টাকা দেওয়া এড়িয়ে যাওয়ার জন্য বললো টাকা ওই এ মানে টাকাতো বাড়ি রেখে এসেছি এই বলছে আর একবার ওর বোনের দিকে তাকাচ্ছে আর একবার আমাদের সবার দিকে একবার করে দেখছে আর মাথায় হাত দিচ্ছে তখন ভাইজি ওর নিজের পার্স টা বার করে বললো এই টেপি এটা নিয়ে যা বলে ১০০ টাকার একটা নোট টেপির দিকে হাত বাড়িয়ে দিলো টেপি বললো না থাক আর মাথাটা নিচু করে ওর দাদার দিকে আর চোখে তাকিয়ে বীর বীর করে কি বলতে লাগলো। ভাইজি সেটা লক্ষ্য করে রূঢ় কণ্ঠে ডেকে উঠলো নিউস এটা দিয়ে দে , নিউস বললো থাক না ও ওর তো এখন লাগবে না বলছে আমি কালকে ওকে দিয়ে দেব খন। ভাইজি এবার টেপিকে বললো কেন আমার টাকা নিতে তোর কিসের অসুবিধা হচ্ছে ? চিৎকার করে বললো টাকাটা নিয়ে যা এখন থেকে এখানে বেশিক্ষন দারাস না , লোকে জানে আমরা খারাপ ছেলে , কুলাঙ্গার বলে জানে সব সেখানে তুই দাঁড়িয়ে থাকলে তোকে হাজার প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। টেপি তখন মাথা নিচু করে টাকাটা নিয়ে নিলো আর বললো আমার তো ৫০ টাকা দরকার ১০০ তো দরকার নেই ভাইজি বললো রেখে দে। টেপি ওখান থেকে চলে যাওয়ার পর নিউস মাথা নিচু করে একজায়গায় বসে পড়লো , মনে মনে হয়তো ভাবছে ভাইজি কে ও কিছু দিতে পারেনা তেমন কিছু সেখানে ১০০ টাকা ভাইজি ওর বোন কে দিয়ে দিলো এইরকম কিছু তখন ভাইজি নেপো, চড়ুই , বিল্লি এদেরকে ডেকে বললো দেখ আমাদের নিউস এইরকম লতিয়ে আছে কেন ওর কি কাল বিয়ে তাই লজ্জা পাচ্ছে ? বিল্লি রা বললো জানিনা তো ওর হটাৎ কি হলো। তখন (আক্রম) নিউস বললো থ্যাংকস ভাইজি আমি কালকে এসে তোর টাকাটা আগে দিয়ে দেব , আমার কাছে actually টাকা নেই। নিউস এর ওই কথায় ভাইজি বলল..........
(ভাইজি কি বলল......... তা জানতে আমাকে ফলো করুন আর ভালো লাগলে শেয়ার করবেন )

29/07/2024

(কুলাঙ্গার)
গল্পটা শুধু গল্প নই গল্পের সাথে মিশে আছে আমারও পুরানো অনেক স্মৃতি
কথায় আছে না , বাবা মায়ের বখাটে ছেলে । ঠিক তেমনি এক দল ছেলের পরিবর্তন হওয়ার গল্প। পাঁচটা ছেলে তাদের মধ্যে খুব মিল ছিল তারা হলো ভাইজি (অরিন্দম চৌধুরী ) , নেপো (আকাশ সরকার ) , বিল্লি ( প্রসেন সরকার ), চড়ুই ( রাহুল দে ) , নিউস পেপার (আক্রম ঢালী )। অনেকটা কবি দের মতো ছদ্ম নাম। আর আমি এই ছদ্ম নাম দিয়ে গল্প টা শেয়ার করবো।
আচ্ছা এবার পরিচয় পর্ব টা করে দিই আমি হলাম সুমন্ত রায় বর্তমান বয়স ৩৮। একটা ছোট খাটো দোকান চালায় যেখানে চা , সিগারেট , পান আর স্কুল ছাত্র ছাত্রীদের জন্য অল্প স্বল্প চিপস , বিস্কুট , লজেঞ্চ এইগুলো রাখি। আর একটা কেরাম বোর্ড রেখেছি সেখান থেকে অল্প কিছু টাকা আসে। দোকান টা আমাদের হাইস্কুল এর উত্তর সাইটে। ভগবানের আশীর্বাদে আর আমাদের গ্রামের মানুষ ও স্কুল ছাত্র ছাত্রীদের উপস্থিতি তে মোটামুটি ভালোই চলে।
এবার বলি ভাইজি অর্থাৎ অরিন্দম , ভাইজি নাম টা ওর বন্ধুরাই দিয়েছে আর পাড়ার সবাই ওকে ওই নামেই বেশি চেনে। অরিন্দম BA পাস ,বাবার বড় শাড়ী কাপড়ের ব্যাবসা , ওর বাবা অনেক রিকোয়েস্ট করেছে ব্যাবসা টা করতে কিন্তু ও রাজি হয়নি কিছুই করেনা। নেপো অর্থাৎ আকাশ , নেপো নামটা নাকি ওর ঠাকুমা দিয়েছিলো ছোটবেলায় একবার দই চুরি করে খেতে গিয়ে ধরা পড়েছিল সেখান থেকেই ওর ঠাক্মা ওই নামে ডাকতো ব্যাস তারপর থেকেই সবাই ওই নেপো বলেই ডাকে। ও কোনো রকমে মাধ্যমিক টা পাস্ করেছে , বাবা একজন কৃষক নিজেদের কিছু জমি আছে পড়াশুনা ছাড়ার পর ওর বাবা বলেছে কাজ কর্ম করতে কিন্তু ও বলছে ওর নাকি এখনো কাজের বয়স হয়নি। বিল্লি মানে প্রসেন নাম যেমন তেমন কাজ নিজের ঘেরির মাছ চুরি করে বন্ধুদের সাথে পিকনিক করে। যার জন্য ওর বাবার কাছে একবার পিটুনি ও খেয়েছে , পড়াশুনা বেশি করেনি ক্লাস ৮ (Eight) পর্যন্ত পড়েছে , ওর বাবার মাছের একটা ভেড়ি আছে ওকেও বলেছে ভেরির কাজ কর্ম গুলো দেখে শিখে রাখতে ও সেটাতে রাজি নই। চড়ুই , রাহুল হলো এদের মধ্যে সবথেকে হালকা পাতলা যেকোনো কাজে কখন ওদের থেকে বেরিয়ে যাই আবার চলে আসে ওরা সেটা বুঝতে পারেনা। পড়াশুনা বেশি করেনি , বাবা অন্যের জমিতে কাজে করে পারিবারিক অবস্থা এদেরই একটু খারাপ যদিও এ মাঝে মধ্যে ওর বাবার সাথে কাজে যায়। বাকি থাকলো নিউস পেপার অর্থাৎ আক্রম পাড়ার খবর , গ্রামের খবর , বাজার এর খবর মোটামুটি ওর কাছে সব জায়গার খবর থাকে। পড়াশুনা ,10 পর্যন্ত পড়েছিল কিন্তু মাধ্যমিক টা আর দেয়নি , ওর বাবা সব্জির চাষ করে নিজেই বিক্রি করে ওকে বাজারে যেতে বললে ও বলে আমি গেলে কিন্তু খরিদারের লাভ হয়ে যাবে কারণ আমার বেশিক্ষন বসে থাকতে পারবেনা যার জন্য কম দামে বিক্রি করে দেবে ওই কথা শুনে ওর বাবা আর রিস্ক নেয়নি। তো এই হলো মোটামুটি পরিচয় । ভাইজি হলো এদের বস ভাইজি কে এরা যতটা ভয় পাই ততটা আবার ভালোবাসে। ভাইজি ও এদেরকে ভালোবাসে ছোট খাটো কোনো সমস্যা হলে ভাইজি সাধ্য মতো চেষ্টা করে সেটা সমাধান করার জন্য। এদের বয়স ২২-২৫ এর মধ্যে হবে। এদের কাজে হলো প্রতিদিন ওই দশটা নাগাদ দোকানে আসবে আর চা সিগারেট খাবে কেরাম খেলতে খেলতে। রাস্তা দিয়ে স্কুলের মেয়েরা গেলে ওরা আর চুপ করে থাকতে পারেনা , তবে দেখেছি সেটা আবার সবার ক্ষেত্রে নই তবে কিছু মেয়েরা মুখ বেকিয়ে গজ গজ করতে করতে চলে যায় আবার কেউ কেউ কুলাঙ্গার বলে যদিও এরা ওটাকে খুব একটা মাইন্ড এ নেই না।আমি তাই গল্পের নামটা রেখেছি কুলাঙ্গার। আমিও ওদেরকে বলেছি যে কেন তোরা বেকার এইসব করিস ? ভাইজি বললো সুমন্ত দা আরে যাদের সাথে আমাদের বিনা কারণে তর্ক তার্কি হয় তারাও চায় যে এইরকম টা হোক টা না হলে কেউ যেচে এসে আমাদের সাথে তর্ক করবেনা। আমি আর ওদের কথায় কথা বাড়ালাম না।
তবে সেদিন যেটা হলো আমি ভাবতেও পারিনি একটা মেয়ে এদেরকে এইভাবে পরিবর্তন করে দেবে।
Continue........

Address

Sonarpur Nowapara, Sonarpur , Rajpur (M)
Kolkata
700150

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Aarohi's Presentation posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category