Chef Moonu

Chef Moonu Trying new things “wakes up” your brain, triggers dopamine release, and builds mental flexibility.

আমি শেফ মুনু, একজন উদ্যমী এবং নানা রান্নার সম্বন্ধে অভিজ্ঞতা সম্পন্ন শেফ। খাদ্য শিল্পে আমি ২২ বছরেরও বেশি সময় ধরে আছি যা আমার খাদ্য প্রেমকে দীর্ঘায়িত করেছে। আমার নানা ধরনের রান্না শৈলীর অভিজ্ঞতার পাশাপাশি, আমি নতুন ধরনের খাবার শিখতে ও বানাতে সমান ভাবে সবসময় আগ্রহী। একজন শেফ হিসেবে আমি স্বাস্থ্যকর ও পুষ্টিকর খাবার বানাতে এবং পরিবেশন করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

আমি আমার রান্নাঘরের রান্নার খুঁটিনাটি সব স

ময় খেয়াল রাখি।একজন শেফ রান্নাঘরের সাংগঠনিক ব্যক্তিত্ব হওয়া প্রয়োজন, আর ঠিক এই কাজটি করতে আমার ভীষণ ভালো লাগে। পাঁচ তারা হোটেল থেকে রেস্টুরেন্ট, ব্যাংকোয়েট থেকে ইভেন্ট কেটারিং গুলিতে কি করে তাদের কর্ম পদ্ধতি পরিচালন করে থাকে সেই সম্বন্ধে জুনিয়র শেফদের উৎসাহিত করা, তাদের রান্না সম্বন্ধে সঠিক পথ দেখানোই আমার শেফ কর্মজীবনের মূল লক্ষ ও উদ্দেশ্য। তার সঙ্গে আমার আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা তো রইলই।

আমি বিশ্বাস করি খাবার হল মানুষের সাথে সংযোগ স্থাপন এবং দীর্ঘস্থায়ী স্মৃতি তৈরির একটি শক্তিশালী মাধ্যম। অন্যদের সাথে আমার খাবারের প্রতি ভালোবাসা এবং তার সম্বন্ধে অভিজ্ঞাতা ভাগ করে নেওয়া আমি সবসময় মনেপ্রাণে বিশ্বাস করি। আমার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মানুষকে রান্না করতে, স্বাস্থ্যকর খাবার খেতে এবং অনুপ্রাণিত করার জন্য আমি সবসময়ই চেষ্টা করে থাকি।সত্যি কথা বলে আমি এটা করতে ভালোবাসি।

৯৮। ক্যালদিলো দে কোংগ্রিও। (Caldillo de congrio)চিলির দীর্ঘ উপকূলরেখা এবং প্রশান্ত মহাসাগরের প্রাচুর্য দেশটির খাদ্যতালিক...
17/06/2026

৯৮। ক্যালদিলো দে কোংগ্রিও। (Caldillo de congrio)

চিলির দীর্ঘ উপকূলরেখা এবং প্রশান্ত মহাসাগরের প্রাচুর্য দেশটির খাদ্যতালিকা নির্ধারণে বড় ভূমিকা পালন করে। চিলির মানুষ সমুদ্র সম্পদের ওপর ওতপ্রোতভাবে নির্ভরশীল। ক্যালদিলো দে কোংগ্রিও সেখানকার সাধারণ শ্রমজীবী মানুষ থেকে শুরু করে অভিজাত, সব শ্রেণীর মানুষের কাছেই জনপ্রিয়। খাবারটি মূলত সেখানে শীতের দিনে শরীর গরম রাখতে বা দীর্ঘ কর্মদিবসের ক্লান্তি দূর করতে এটি পুষ্টিকর এবং তৃপ্তিদায়ক খাবার হিসেবে বিশেষ পরিচিত। এই যা!! আপনাদের প্রথমেই বলতে ভুলে গেছি এই খাবারটি আসলে সেখানকার এক ধরনের স্যুপ। আর অন্য সব কথায় যাওয়ার আগে এই স্যুপের রেসিপি সমন্ধে একটু বলে নিই। যাতে মনে করলে আপনি বাড়িতে বানাতে পারেন।

প্রয়োজনীয় উপকরণ:
- ৫০০ গ্রাম কোংগ্রিও মাছ (বা যেকোনো সাদা সামুদ্রিক মাছ)
- মাছের মাথা ও কাঁটা ভালো স্বাদের জন্য স্টক তৈরিতে লাগবে
- ১ চা চামচ গ্রীন গোল মরিচ
- ১টি বড় পেঁয়াজ কুচি করা,
- ২-৩ কোয়া রসুন কুচি করা,
- ২ টি মাঝারি টমেটো কুচি করা,
- ১টি বড় গাজর গোল করে কাটা
- ২-৩টি মাঝারি আলু সেদ্ধ করা,
- ১/২ কাপ হেভি ক্রিম (ঘন দুধও ব্যবহার করা যায়),
- ২ টেবিল চামচ তেল বা মাখন,
- ধনেপাতা কুচি ও লবণ স্বাদমতো

রান্নার পদ্ধতি:
১.একটি পাত্রে মাছের মাথা, কাঁটা, গাজর, সামান্য লবণ এবং পরিমাণমতো জল দিয়ে ২০-২৫ মিনিট ফুটিয়ে ছেঁকে নিন এবং শুধু স্বচ্ছ স্টকটুকু আলাদা করে রাখুন।

২. অন্য একটি প্যানে তেল/মাখন গরম করে গ্রীন গোল মরিচ, পেঁয়াজ, রসুন ও টমেটো হালকা লালচে হওয়া পর্যন্ত ভাজুন। এরপর তাতে তৈরি করে রাখা মাছের স্টক টুকু ঢেলে দিন। স্টক ফুটে উঠলে এতে মাছের টুকরোগুলো দিয়ে মিনিট ১০ রান্না করুন। এরপর সেদ্ধ করে রাখা আলু ও ক্রিম মিশিয়ে দিন। মাছ ও সবজি ভালোভাবে মিশে গেলে নামানোর আগে প্রচুর ধনেপাতা কুচি ছিটিয়ে দিন। গরম গরম পরিবেশন করুন।

যাই হোক চিলির রাজনীতিতে কিন্তু এই স্যুপের একটি বিশেষ জায়গা রয়েছে। চিলির কমিউনিস্ট পার্টি ঐতিহাসিকভাবে প্রতি বছর গণমাধ্যমের প্রতিনিধিদের জন্য এই স্যুপের আয়োজন করে। আর চিলির সাহিত্যে এই খাবারের অমরত্বের পেছনে প্রধান ভূমিকা পালন করেছেন নোবেলজয়ী কবি পাবলো নেরুদা। পাবলো নেরুদাই সম্ভবত প্রথম আমাদের তার দেশকে নতুন ভাবে দেখার চক্ষুদান করেন। এই স্যুপ নিয়ে তার লেখা আস্ত এক কবিতা লেখেন, যার নাম - ওদা আল ক্যালদিলো দে কোংগ্রিও (Oda al Caldillo de Congrio) কবিতায় নেরুদা প্রথম শুরু করেন।

“In the storm-tossed
Chilean
sea
lives the rosy conger,”

আর শেষ পঙক্তিতে

“that in this dish
you may know heaven.”

এই কবিতায় তিনি স্যুপ তৈরির প্রক্রিয়াকে এক ধরণের রান্নার স্বর্গীয় জাদু হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি সামুদ্রিক মাছের রূপালী ত্বক, পেঁয়াজের ঝাঁঝালো গন্ধ, টমেটোর রঙ এবং রান্নার সময় উপকরণের মিশ্রণকে এক অসাধারণ শিল্পের পর্যায়ে উন্নীত করেন। তিনি এটাও বিশ্বাস করতেন এই স্যুপ মাটির পাত্রে রান্না করলে এর আসল স্বাদ পাওয়া যায়।

১৯২৭ সালে নেরুদা যখন রেঙ্গুনে কূটনীতিক হিসেবে কাজ করেন, তখন তিনি রবীন্দ্রনাথের সাথে দেখা করার প্রয়াস করেছিলেন। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত, তাদের প্রথম সাক্ষাৎ সম্ভব হয়নি। কিন্তু পরবর্তীতে নেরুদা রবীন্দ্রনাথের সান্নিধ্য পেয়েছিলেন। তাদের সাক্ষাতের কথা নেরুদার নানা স্মৃতিচারনায় উল্লেখ করেছেন। নেরুদা তার ইসলা নেগ্রার বাড়িতে অতিথিদের আপ্যায়ন করতে খুব ভালোবাসতেন এবং সেখানে প্রায়ই ক্যালদিলো দে কোংগ্রিও রান্না হতো। তবে রবীন্দ্রনাথের সাথে তার সাক্ষাতের সময়গুলোতে খাবার নিয়ে এমন কোনো বিশেষ ব্যক্তিগত আখ্যান বা ভোজের আয়োজনের কথা ইতিহাসে উল্লেখ পাওয়া যায় না।

সমাপ্তিতে শুধু এটুকু বলা যেতেই পারে নেরুদা তার কবিতার মাধ্যমে চিলির সাধারণ মানুষের প্রতিদিনের জীবনযাত্রা বিশ্ব দরবারে তুলে ধরেন। তিনি বিশ্বাস করতেন, সাধারণ জীবনের ছোট ছোট বিষয় - যেমন এক বাটি গরম স্যুপ, মানুষের পরিশ্রমের সাথে গভীর ভাবে সংযোজিত। তার এই কবিতার কারণেই ক্যালদিলো দে কোংগ্রিও আজ চিলির জাতীয় গৌরবের প্রতীকে পরিণত।

By -শেফ মনু।
(Please Follow, likes, shears and comments)

17/06/2026

Sea food grill.

৯৭। তড়কা। ডালে একটু তড়কা বা ফোড়ন নাহলে ডালের মজাটাই আসেনা, এ বাঙালি মাত্রেই জানি। যা আমাদের ভারতীয় উপমহাদেশীয় রান্নার ম...
16/06/2026

৯৭। তড়কা।

ডালে একটু তড়কা বা ফোড়ন নাহলে ডালের মজাটাই আসেনা, এ বাঙালি মাত্রেই জানি। যা আমাদের ভারতীয় উপমহাদেশীয় রান্নার মূল ভিত্তি এই তড়কা মসলার সঠিক ব্যবহার। আর এই মসলার স্বাদ ও সুগন্ধকে পূর্ণমাত্রায় বিকশিত করার ইংরেজি নাম হলো টেম্পারিং (Tempering)। যা ভারতীয় উপভাষা ও দৈনন্দিন জীবনে এটি মূলত ‘তড়কা’ নামে সমধিক পরিচিত। এছাড়াও অঞ্চলভেদে একে বাঘার, বাংলায় ফোড়ন বা ছৌঁকা নামেও ডাকা হয়।

এই তড়কা বা টেম্পারিং এমন একটি রান্না পদ্ধতি, যেখানে আস্ত মসলা (কখনও কখনও পাঁচ ফোড়ন, শুকনা লঙ্কা, আদা বা রসুনসহ) গরম তেল বা ঘিয়ে অল্প সময়ের জন্য ভাজা হয়। এই প্রক্রিয়ার প্রধান উদ্দেশ্য মসলার কোষগুলো থেকে সুগন্ধি বের করে আনা, যা পুরো খাবারের স্বাদ বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। রান্না শুরুর আগে বা রান্নার শেষে ডাল, সাম্বার বা কোনো ঝোলের ওপর এই গরম তেল ও মসলার মিশ্রণ ঢেলে দেওয়া হয়। অনেক ক্ষেত্রে, আস্ত মসলাগুলো ব্যবহারের আগে শুকনো খোলায় ভেজে নিয়ে গুঁড়ো করেও টেম্পারিং করা হয় আর এই পদ্ধতি উপমহাদেশের আদিবাসী সমাজ থেকে ভালো কেউ জানে না।

টেম্পারিংয়ের জন্য সাধারণত মসলা হিসেবে যেসব উপকরণ ব্যবহার করা হয় তাহলো জিরা, কালো সরিষা, মৌরি, কালোজিরা (কলঞ্জি), মেথি, লবঙ্গ, দারুচিনি (কাসিয়া), হিং ও তেজপাতা। আবার কোথাও শুকনো লাল লঙ্কা, কাঁচা লঙ্কা, কুচি করা রসুন বা আদা, কারিপাতা এবং কখনও কখনও বিউলির ডাল বা পেঁয়াজ ব্যবহার হয়।

পদ্ধতিগতভাবে, যে উপাদানগুলো ভাজতে বেশি সময় লাগে (যেমন - ডাল বা শক্ত মসলা), সেগুলো আগে তেলের মধ্যে দেওয়া হয় এবং যেগুলো দ্রুত ভাজা হয়ে যায় (যেমন - কারিপাতা বা হিং), সেগুলো পরে যোগ করা হয়। বাংলা ও ওড়িয়া রন্ধনশৈলীতে বিভিন্ন মসলার মিশ্রণকে যথাক্রমে ‘পাঁচ ফোড়ন’ ও ‘পাঁচ ফুটানা’ বলা হয়, যা টেম্পারিংয়ের জন্য আমাদের অত্যন্ত জনপ্রিয়।

নামকরণের বৈচিত্র্য দেখলে সংস্কৃত ভাষার নানান মূল শব্দ থেকে ‘তড়কা’র বিভিন্ন নাম এসেছে। যেমন:

- বাঘার : সংস্কৃত ‘ব্যাঘ্র’ বা ‘ব্যাঘার’ (ছিটিয়ে দেওয়া) থেকে উদ্ভূত।

- ফোড়ন: সংস্কৃত ‘স্ফোটন’ (যা ফেটে যায় বা চটপট শব্দ করে) থেকে আগত।

- তড়কা: সংস্কৃত ‘ত্রটৎকার’ (ফেটে যাওয়া বা শব্দ করা) থেকে এসেছে।

- ছৌঁক: এটিও হিন্দি ও তৎসংশ্লিষ্ট ভাষায় প্রচলিত একটি শব্দ।

এবার আসি বিশ্বের অন্যান্য প্রান্তে সমগোত্রীয় টেম্পারিং পদ্ধতি সমন্ধে। এই রান্ধন কৌশলটি কেবল দক্ষিণ এশিয়াতেই সীমাবদ্ধ নয়। আরব দেশগুলোতেও প্রায় একই ধরনের কৌশল লক্ষ্য করা যায়। যেমন ফিলিস্তিনি রান্না একে বলা হয় ‘কাদহা’ , যার অর্থ ‘ঢেলে দেওয়া’। মিশরীয় রান্নায় যথারীতি মিশরীয়রা একে ‘তাশা’ বা ‘তাকলিয়া’ বলে। সাধারণত মূলুকিয়া -এর মতো স্টু বা ঝোলে রসুন ও ধনেপাতা তেলে ভেজে এই ‘তাকলিয়া’ দেওয়া হয়।

পূর্ব এশীয় রন্ধনশৈলীতে বিশেষত চীনা রান্নায় একে ‘লাউ ইউ’ বলা হয়। যেখানে গরম তেলে সিচুয়ান মরিচ, স্টার অ্যানিস, মৌরি, আদা, রসুন, শুকনা লঙ্কা, সবুজ পেঁয়াজ এবং কখনও কখনও তিলের তেল ব্যবহার করা হয়। রান্নার শুরুতে গরম কড়াইতে তেল দিয়ে এই উপাদানগুলো অল্প সময় ভাজা হয় যাতে তা থেকে সুগন্ধ বের হয়, এরপর মূল উপকরণ যেমন শাকসবজি বা মাংস যোগ করা হয়।

ইউরোপীয় রন্ধনশৈলীতে বা পশ্চিমা রান্নায় টেম্পারিংয়ের সমতুল্য কৌশলটি মূলত ‘ইনফিউশন’ বা ‘অ্যারোমেটিক বেস’ তৈরির সাথে সম্পর্কিত। ফরাসি রান্নায় একে অনেক সময় ‘অ্যারোমেট’ তৈর করা বা ‘সোফ্রিটো’ পদ্ধতির একটি অংশ হিসেবে গণ্য করা হয়। ইতালীয় রান্নায় একে ‘সোফ্রিজ্জো’ বলা হয়। সাধারণত পেঁয়াজ, গাজর এবং সেলেরি (যাকে ফরাসি ভাষায় ‘মিরপোয়া’ বলা হয়) তেলে বা মাখনে ভাজা হয়। এছাড়া রসুন, লবঙ্গ, দারুচিনি বা বিভিন্ন শুকনা হার্বস যেমন - রোজমেরি, থাইম, ওরিগানো গরম তেলে দিয়ে তেলটিকে সুগন্ধি করা হয়।

আমেরিকার আদিবাসীদের ঐতিহ্যবাহী রান্নায় ভারতীয় উপমহাদেশের মতো মসলা বা তেল ব্যবহার করে ‘তড়কা’ দেওয়ার প্রচলন তেমন নেই। তাদের খাদ্য কৌশল মূলত অঞ্চল ভেদে ভিন্ন ছিল। দক্ষিণ-পশ্চিম আমেরিকার আদিবাসীরা যেমন পিমা বা পুয়েবলো জনগোষ্ঠীরা মূলত খাবার সেদ্ধ বা ঝলসানোর উপর নির্ভর করে। তাদের কাছে জ্বালানি সাশ্রয় বিষয়টিও ছিল জরুরি। যাই হোক টেম্পারিং ভারতীয় উপমহাদেশের এক সমৃদ্ধ রান্নার ঐতিহ্য বলা চলে। এই রান্নার পদ্ধতি সাধারণ ডাল বা সাধারণ সবজিকেও কেবল সঠিক টেম্পারিংয়ের মাধ্যমে অসাধারণ সুস্বাদু করে তোলা সম্ভব।

By -শেফ মনু।
(Please Follow, likes, shears and comments)

16/06/2026

Hey look at this..

১৪৬। মাটন কাঠি কাবাব। মটন কাঠি কাবাব (Mutton Kathi Kabab) মূলত ছোট বাঁশের কাঠি বা শিকে গেঁথে কাঠকয়লার আঁচে বা প্যানে তৈ...
15/06/2026

১৪৬। মাটন কাঠি কাবাব।

মটন কাঠি কাবাব (Mutton Kathi Kabab) মূলত ছোট বাঁশের কাঠি বা শিকে গেঁথে কাঠকয়লার আঁচে বা প্যানে তৈরি করা হয়। এর মাংস অসাধারণ নরম ও জুসি হয়। বাড়িতে রেস্তোরাঁ স্টাইলের মাটন কাঠি কাবাব তৈরির সহজ এবং সুস্বাদু রেসিপি নিচে দেওয়া হলো।

By -শেফ মনু।
(Please Follow, likes, shears and comments)

14/06/2026

আইস ক্রিম কাটি (Thai ไอศครีมกะทิ : Coconut Ice cream )

রেস্তোরাঁ ব্যবসায় খাবারের অপচয়ের হিসেব নিকেশ। রেস্তোরাঁ শিল্পে খাবারের অপচয় একটি বড় ধরণের সমস্যা বা চ্যালেঞ্জ। আপনি ভাবত...
13/06/2026

রেস্তোরাঁ ব্যবসায় খাবারের অপচয়ের হিসেব নিকেশ।

রেস্তোরাঁ শিল্পে খাবারের অপচয় একটি বড় ধরণের সমস্যা বা চ্যালেঞ্জ। আপনি ভাবতেই পারে সরবরাহকারীদের কাছ থেকে ঠিক ততটুকুই উপাদান কিনবেন যতটুকু আপনার প্রয়োজন, আর গ্রাহকদের সঠিক পরিমাপে খাবার পরিবেশন করবেন এবং দিনশেষে আপনার কোনো আর্থিক ক্ষতি হবে না। কিন্তু বাস্তবে রেস্তোরা ব্যাবসার হিসেবটা ততটা সহজ নয়। তবে আশার কথা হলো, কিছু সুনির্দিষ্ট কৌশল ব্যবহার করে আজই আপনি আপনার রেস্তোরাঁর খাবারের অপচয় হিসাব করতে এবং তা কমিয়ে আনতে পারেন। এখানে আমি সেই বিষয়টিকেই একটু সহজ করে আপনাদের বোঝানোর চেষ্টা করবো।

দিনের শেষে যে খাবারগুলো আবর্জনার ঝুড়িতে যায়, তার প্রতিটি কণা আসলে আপনার পকেট থেকে যাওয়া অপ্রয়োজনীয় খরচ। এই অপচয় হওয়া টাকাটা আপনি আপনার রেস্তোরাঁর অন্য উন্নয়নমূলক কাজে ব্যবহার করতে পারতেন। আবার এটি শুধু আপনার অর্থনৈতিক ক্ষতিই নয়, পরিবেশগত দিক থেকেও খাবারের অপচয় একটি বড় বিপর্যয়। জানলে অবাক হবেন বিশ্বজুড়ে উৎপাদিত মোট গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমনের ৮%-এর জন্য দায়ী এই ফুড ওয়েস্ট। আর UNEP Food Waste Index Report 2024. এর তথ্য অনুযায়ী ভারতে প্রতি বছর প্রায় ৭৮.২ মিলিয়ন টন (৭ কোটি ৮২ লক্ষ টন) খাবার অপচয় হয়। ভারতের প্রতিটি পরিবারে গড়ে একজন মানুষ বছরে ৫৫ কেজি খাবার অপচয় বা নষ্ট করেন।

যাইহোক এখন মূল বিষয়ে আসি, আপনার রেস্তোরাঁয় খাবারের অপচয় নিয়ন্ত্রণ করার প্রথম এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হলো, এর পেছনে ঠিক কত টাকা ক্ষতি হচ্ছে বা এর খরচ কত, তা সঠিকভাবে হিসেব বের করা। নিচে আমি এখন বিস্তারিত আলোচনা করব কীভাবে আপনি এই খরচ হিসাব করবেন এবং এর সম্ভাব্য সূত্র গুলো কী কী। আপনার রান্নাঘরে কী পরিমাণ খাবার নষ্ট হচ্ছে তা না জানলে, আপনি কখনোই তা নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন না। এই খরচ হিসাব করার জন্য মূলত ৩টি ধাপ অনুসরণ করতে হয়। যেমন -

১. অপচয়ের ট্র্যাকিং বা তালিকা তৈরি (Waste Tracking) প্রতিটি শিফট শেষে রান্নাঘরের কর্মীদের একটি 'ওয়েস্ট লগ' বা অপচয়ের খাতা মেইনটেইন করা। সেখানে প্রধানত দুটি জিনিস রেকর্ড করতে হয় যেমন - প্রথমত প্রাক-ভোক্তা অপচয় (Pre-consumer waste) রান্না করার সময় বা কাটার সময় যে অংশ নষ্ট হয়, কিংবা নষ্ট হয়ে যাওয়া পচা উপাদান। দ্বিতীয়ত উত্তর-ভোক্তা অপচয় (Post-consumer waste) গ্রাহকের খাওয়ার পর প্লেটে অবশিষ্ট থেকে যাওয়া খাবার।

২. উপাদানের মূল্য নির্ধারণ (Cost per Unit) আপনি যে উপাদানগুলো বা খাবারগুলো ফেলে দিচ্ছেন, সেগুলোর ক্রয়মূল্য কত তা জানতে হবে। যেমন - প্রতি কেজি মাংসের দাম বা প্রতি কেজি সবজির দাম।

৩. ফুড ওয়েস্ট কস্ট ক্যালকুলেট বা খাবারের অপচয়ের আর্থিক ক্ষতি হিসাব করার জন্য মূলত নিচের সূত্রগুলো ব্যবহার করা হয়:

সূত্র ১: মোট অপচয়ের খরচ (Total Food Waste Cost) যদি কাঁচা মালের অপচয় হিসাব করতে চান, তবে সূত্রটি হবে:

খাবারের অপচয়ের খরচ = অপচয় হওয়া খাবারের ওজন বা পরিমাণ x প্রতি ইউনিটের ক্রয়মূল্য।

একটি উদাহরণ:
ধরুন, এক সপ্তাহে আপনার রেস্তোরাঁয় ১০ কেজি মুরগির মাংস নষ্ট বা পচে গেছে। প্রতি কেজি মুরগির মাংসের ক্রয়মূল্য যদি ২০০ টাকা হয়, তবে: অপচয়ের খরচ = ১০ x ২০০ = ২,০০০ টাকা।

সূত্র ২: মেনু মূল্যের ভিত্তিতে অপচয় (Menu Value of Waste) অনেক সময় তৈরি করা খাবার (যা বিক্রি হতে পারত কিন্তু নষ্ট হয়েছে) অপচয় হয়। সে ক্ষেত্রে আসল আর্থিক ক্ষতি বুঝতে এই সূত্রটি ব্যবহার করা হয়:

বিক্রয়যোগ্য খাবারের অপচয় মূল্য = নষ্ট হওয়া খাবারের সংখ্যা x মেনু চার্টের বিক্রয়মূল্য।

একটি উদাহরণ:
আপনার রেস্তোরাঁয় প্রতিদিন রাতের শিফটে গড়ে ৫টি 'চিকেন বিরিয়ানি' অবিক্রিত থেকে যায় বা নষ্ট হয়। প্রতি প্লেট বিরিয়ানির মেনু মূল্য যদি ২৫০ টাকা হয়, তবে প্রতিদিনের ক্ষতি: ক্ষতি = ৫ x ২৫০ = ১,২৫০ টাকা (প্রতিদিন)

আর ফুড ওয়েস্ট পার্সেন্টেজ বা অপচয়ের হার জানার সূত্রটি হচ্ছে আপনার মোট কেনা খাবারের কত শতাংশ অপচয় হচ্ছে, তা জানা অত্যন্ত জরুরি। এর সূত্রটি এখানে দেওয়া হলো হলো:

ফুড ওয়েস্ট পার্সেন্টেজ % = (মোট অপচয় হওয়া খাবারের মূল্য ÷ মোট কেনা খাবারের মূল্য) x ১০০

কেন এটি জানা জরুরি? সাধারত যদি হিসেব করে দেখেন আপনার ফুড ওয়েস্ট পার্সেন্টেজ ৫%-এর বেশি হচ্ছে, তবে বুঝতে হবে আপনার ইনভেন্টরি ম্যানেজমেন্ট বা স্টক নিয়ন্ত্রণে বড় ধরনের ত্রুটি রয়েছে।

এই হিসাব আপনার রেস্তোরাঁকে কীভাবে সাহায্য করবে? উত্তর হলো - সঠিক অর্ডারিং, মেনু ইঞ্জিনিয়ারিং, এবং লাভের মুখ দেখা। অপচয়ের এই ছোট ছোট খরচগুলো বাঁচাতে পারলে মাস শেষে আপনার রেস্তোরাঁর 'নেট প্রফিট' বা আসল লাভ এক ধাক্কায় অনেকখানি বেড়ে যাবে। তাই আজই আপনার রান্নাঘরে ওজন মাপার যন্ত্র এবং একটি ওয়েস্ট লগ খাতা রাখুন। সূত্রগুলো ব্যবহার করে হিসাব শুরু করুন এবং দিনশেষে আপনার ব্যবসার ক্যাশ বক্সই আপনাকে এর সুফল পরিলক্ষীত দেখাবে।

By -শেফ মনু।
(Please Follow, likes, shears and comments)

13/06/2026

Swensen’s is a famous international ice cream chain in Bangkok.

১৪৫। কেরি-নো রস (গুজরাটি আমরস)কেরি-নো রস (કેરીનો રસ, kerī-no ras) একটি ঐতিহ্যবাহী গুজরাটি পানীয়। মূলত মসলিন কাপড়ে ছেঁকে...
12/06/2026

১৪৫। কেরি-নো রস (গুজরাটি আমরস)

কেরি-নো রস (કેરીનો રસ, kerī-no ras) একটি ঐতিহ্যবাহী গুজরাটি পানীয়। মূলত মসলিন কাপড়ে ছেঁকে নেওয়া আঁশহীন মিষ্টি আমের পাল্প দিয়েই এটি তৈরি করা হয়। গুজরাটে এটি সাধারণত গরম গরম ফুলকো পুরি বা রুটির সাথেও পরিবেশন করা হয়। আমের এই সস্তা মৌসুমে এটি মিস করা একদম উচিৎ হবেনা। আপনাদের জন্য রেসিপি রইলো।

By -শেফ মনু।

(Please Follow, likes, shears and comments)

Address

Kolkata
700101

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Chef Moonu posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Chef Moonu:

Share