Chef Moonu

Chef Moonu Trying new things “wakes up” your brain, triggers dopamine release, and builds mental flexibility.
(1)

আমি শেফ মুনু, একজন উদ্যমী এবং নানা রান্নার সম্বন্ধে অভিজ্ঞতা সম্পন্ন শেফ। খাদ্য শিল্পে আমি ২২ বছরেরও বেশি সময় ধরে আছি যা আমার খাদ্য প্রেমকে দীর্ঘায়িত করেছে। আমার নানা ধরনের রান্না শৈলীর অভিজ্ঞতার পাশাপাশি, আমি নতুন ধরনের খাবার শিখতে ও বানাতে সমান ভাবে সবসময় আগ্রহী। একজন শেফ হিসেবে আমি স্বাস্থ্যকর ও পুষ্টিকর খাবার বানাতে এবং পরিবেশন করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

আমি আমার রান্নাঘরের রান্নার খুঁটিনাটি সব স

ময় খেয়াল রাখি।একজন শেফ রান্নাঘরের সাংগঠনিক ব্যক্তিত্ব হওয়া প্রয়োজন, আর ঠিক এই কাজটি করতে আমার ভীষণ ভালো লাগে। পাঁচ তারা হোটেল থেকে রেস্টুরেন্ট, ব্যাংকোয়েট থেকে ইভেন্ট কেটারিং গুলিতে কি করে তাদের কর্ম পদ্ধতি পরিচালন করে থাকে সেই সম্বন্ধে জুনিয়র শেফদের উৎসাহিত করা, তাদের রান্না সম্বন্ধে সঠিক পথ দেখানোই আমার শেফ কর্মজীবনের মূল লক্ষ ও উদ্দেশ্য। তার সঙ্গে আমার আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা তো রইলই।

আমি বিশ্বাস করি খাবার হল মানুষের সাথে সংযোগ স্থাপন এবং দীর্ঘস্থায়ী স্মৃতি তৈরির একটি শক্তিশালী মাধ্যম। অন্যদের সাথে আমার খাবারের প্রতি ভালোবাসা এবং তার সম্বন্ধে অভিজ্ঞাতা ভাগ করে নেওয়া আমি সবসময় মনেপ্রাণে বিশ্বাস করি। আমার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মানুষকে রান্না করতে, স্বাস্থ্যকর খাবার খেতে এবং অনুপ্রাণিত করার জন্য আমি সবসময়ই চেষ্টা করে থাকি।সত্যি কথা বলে আমি এটা করতে ভালোবাসি।

সুস্থ পৃথিবী ও সুস্থ শরীর। প্রতি বছর ২২ এপ্রিল 'ধরিত্রী দিবস' পালিত হয় আমাদের পৃথিবী এবং জলবায়ু সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির...
22/04/2026

সুস্থ পৃথিবী ও সুস্থ শরীর।

প্রতি বছর ২২ এপ্রিল 'ধরিত্রী দিবস' পালিত হয় আমাদের পৃথিবী এবং জলবায়ু সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে। আজকের মানব সভ্যতায় প্রায় প্রতিটি কর্মকাণ্ডই পরিবেশের ওপর প্রভাব ফেলে, যার মধ্যে অন্যতম প্রধান হলো আমাদের খাদ্য নির্বাচন। গবেষণায় দেখা গেছে, বিশ্বজুড়ে নির্গত গ্রিনহাউস গ্যাসের এক-তৃতীয়াংশের (১/৩ অংশ) বেশি আসে খাদ্য উৎপাদন ও প্রক্রিয়াকরণ থেকে। তাই পরিবেশের সুরক্ষা কেবল অন্য সব বিষয়ের উপর শুধু নির্ভর করে না, বরং তা আমাদের প্রতিদিনের প্লেটের ওপরও অনেকাংশে নির্ভর করে। তিনটি ভাগে এই বিষয়টির উপর আলোচনা করা যেতে পারে।

১. প্ল্যানেটারি হেলথ ডায়েট (PHD): স্বাস্থ্য ও পরিবেশের মেলবন্ধন।
পৃথিবীর জনসংখ্যা ২০৫০ সালের মধ্যে আনুমানিক হাজার ১০০০ কোটি হয়ে যাবে। তাই ভবিষ্যতে মানুষের খাদ্য চাহিদা মেটাতে বিজ্ঞানীদের একটি বৈশ্বিক কমিশন 'প্ল্যানেটারি হেলথ ডায়েট' বা PHD প্রস্তাব করেছে। এটি মূলত উদ্ভিজ্জ খাবার ভিত্তিক একটি খাদ্য তালিকা। তাদের ওই প্রস্তাবের মূল বিষয়টি নিয়ে এখানে আলোচনা করা হলো।

- খাদ্যতালিকার বৈশিষ্ট্য: এই ডায়েটে প্রচুর পরিমাণে সবজি, ফলমূল, বাদাম এবং শস্যদানা অন্তর্ভুক্ত রাখা। এতে প্রক্রিয়াজাত চিনি এবং প্রাণিজ প্রোটিন সীমিত রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়।

- পরিবেশের ওপর প্রভাব: বিশেষ করে গরুর মাংস উৎপাদন পরিবেশের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। (যা সারা পৃথিবীতে এই মাংসের ব্যবহার সবচেয়ে বেশি।) গরু থেকে নির্গত মিথেন গ্যাস কার্বন ডাই-অক্সাইডের চেয়ে ৩০ গুণ বেশি শক্তিশালী। এছাড়া গবাদি পশুর খাদ্যের জন্য ব্যবহৃত সার থেকে নির্গত নাইট্রাস অক্সাইড কার্বন ডাই-অক্সাইডের চেয়ে ৩০০ গুণ বেশি ক্ষতিকর। তাদের এই বিষয়টির উপর প্রস্তাবনা বিশেষ ভাবে জোর দিয়েছে।

- বিকল্প ব্যবস্থা: প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় মাংসের পরিবর্তে ডাল বা উদ্ভিজ্জ প্রোটিন রাখা এবং গরুর মাংসের বদলে মুরগি বা টার্কি বেছে নেওয়া পরিবেশের জন্য বড় পরিবর্তন আনতে পারে বলে তারা মনে করে।

২. খাদ্য অপচয় রোধ: নৈতিক ও পরিবেশগত দায়িত্ব।
আমাদের উৎপাদিত খাদ্যের প্রায় ৪০ শতাংশ শেষ পর্যন্ত খাওয়া হয় না, যা অত্যন্ত উদ্বেগের বিষয়। খাদ্য অপচয় মানে শুধু খাদ্যের অপচয় নয়, বরং এটি উৎপাদনে ব্যবহৃত জল, শ্রম এবং শক্তিরও অপচয়।

- ল্যান্ডফিল ও মিথেন: যখন খাবার ল্যান্ডফিলে ফেলে দেওয়া হয়, তখন এটি অক্সিজেনের অনুপস্থিতিতে পচে মিথেন গ্যাস উৎপন্ন করে, যা বৈশ্বিক উষ্ণায়নের অন্যতম কারণ।

- পরস্পরবিরোধী বাস্তবতা: বর্তমানে কেবল আমেরিকাতেই ৪১ মিলিয়নের বেশি মানুষ খাদ্যহীনতায় ভুগছে, অথচ পুষ্টিকর খাবার হিসেবে পরিচিত ফল ও সবজিই সবচেয়ে বেশি অপচয় হয়।

- করণীয়: খাবার কেনার সময় পরিকল্পনা করা, ফ্রিজের খাবারগুলো সামনের দিকে রাখা এবং রেস্তোরাঁয় বড় পোরশনের খাবার শেয়ার করার মাধ্যমে আমরা অপচয় রোধ করতে পারি।

৩. প্লাস্টিক প্যাকেজিং বর্জন এবং 'ফরএভার কেমিক্যাল।
খাদ্যদ্রব্য প্যাকেজিংয়ে প্লাস্টিকের অতিরিক্ত ব্যবহার পরিবেশ এবং মানবস্বাস্থ্য—উভয়কেই ঝুঁকির মুখে ফেলছে। বর্তমান হার বজায় থাকলে ২০৫০ সালের মধ্যে সমুদ্রে মাছের চেয়ে প্লাস্টিকের পরিমাণ বেশি হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

- রিসাইক্লিংয়ের সীমাবদ্ধতা: মাত্র ৯ শতাংশ প্লাস্টিক রিসাইকেল করা সম্ভব হয়। বাকি প্লাস্টিক শত শত বছর পরিবেশে থেকে যায়। একটি প্লাস্টিক ব্যাগ গড়ে মাত্র ১২ মিনিট ব্যবহৃত হয়, কিন্তু এটি পচতে সময় নেয় ১০০০ বছর।

- PFAs বা 'চিরস্থায়ী রাসায়নিক': ফাস্ট ফুডের প্যাকেজিংয়ে প্রায়ই PFAs নামক রাসায়নিক ব্যবহৃত হয়, যা পরিবেশে বা মানবদেহে সহজে ভেঙে যায় না। এটি ক্যান্সার, থাইরয়েড সমস্যা এবং শিশুদের বিকাশে বাধার সৃষ্টি করতে পারে।

- সতর্কতা: প্লাস্টিকের ব্যাগের বদলে কাগজের কিংবা কাপড়ের ব্যাগ ব্যবহার করা, প্লাস্টিকের বোতলের পরিবর্তে রিফিল যোগ্য বোতল ব্যবহার করা এবং প্লাস্টিক কন্টেইনারে খাবার গরম না করা স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত জরুরি।

তাই পরিশেষে বলা যায় আমাদের শরীর এবং পৃথিবী উভয়ই অবিচ্ছেদ্য। আমাদের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র সচেতন পরিবর্তন, যেমন - উদ্ভিজ্জ খাবার বাড়ানো, অপচয় কমানো এবং প্লাস্টিক বর্জন করার মাধ্যমে আমরা একটি দীর্ঘস্থায়ী ও সুস্থ পৃথিবী গড়ে তুলতে পারি। ব্যক্তিগত দায়বদ্ধতাই পারে আগামীর পৃথিবীর স্থায়িত্ব নিশ্চিত করতে।

তথ্যসূত্র:
Planetary Health Diet (EAT-Lancet Commission)
Greenhouse Gas Emissions Report
Environmental Protection Agency (EPA) on Food Waste and PFAs

By -শেফ মনু। fans

(Please Follow, likes, shears and comments) 🙏

21/04/2026

গরমে হাস ফাঁস করছেন? এইসময় বাড়িতে কিনে রাখুন পুদিনা পাতা আর যখন মনে চাইবে ঝটপট বানিয়ে নিন পুদিনার শরবত।
👇
fans

৬৯। বাংলার রাজবংশী জনগোষ্ঠীর খাদ্য অভ্যাস। পশ্চিমবঙ্গের উত্তরবঙ্গ, সংলগ্ন কোচবিহার অঞ্চলের এবং বাংলাদেশের উত্তর অংশে রাজ...
21/04/2026

৬৯। বাংলার রাজবংশী জনগোষ্ঠীর খাদ্য অভ্যাস।

পশ্চিমবঙ্গের উত্তরবঙ্গ, সংলগ্ন কোচবিহার অঞ্চলের এবং বাংলাদেশের উত্তর অংশে রাজবংশী জনজাতির খাদ্য সংস্কৃতি অত্যন্ত প্রাচীন এবং বৈচিত্র্যময়। তাঁদের খাদ্যাভ্যাসে মূলত স্থানীয় প্রকৃতি, কৃষি এবং ভৌগোলিক পরিবেশের প্রভাব স্পষ্ট। আজকে তাদের খাদ্যঅভ্যাস সমন্ধে জানার চেষ্টা করবো।

রাজবংশীরা হলেন ঐতিহ্যবাহী জাতিগোষ্ঠী তারা নিজেদের “কোচ রাজবংশী” বা শুধু “রাজবংশী” বলে পরিচিত করেন। রাজবংশীদের ভাষা বাংলা ভাষার কাছাকাছি হলেও এতে কিছু আলাদা শব্দ ও উচ্চারণ দেখা যায়, যা স্থানীয় উপভাষার বৈশিষ্ট্য বহন করে। তাদের সংস্কৃতি, পোশাক, খাবার, আচার-অনুষ্ঠান ও লোকজ বিশ্বাসে রয়েছে নিজস্বতা। গ্রামীণ কৃষিনির্ভর জীবনযাপন এদের প্রধান বৈশিষ্ট্য। খাদ্যাভ্যাসে ভাত, শাক, মাছ, ও দেশীয় রান্না করা খাবার প্রচলিত।

একটা বিষয় পরিষ্কার রাজবংশী মানুষের সুস্বাস্থ্যই প্রমাণ করে তাদের খাদ্যাভ্যাস অত্যন্ত স্বাস্থ্যসম্মত। তাদের নিজস্ব সংস্কৃতির এই খাবারগুলোর প্রতি তাদের টান অনেক বেশি। রাজবংশী জনজাতিরা সুপ্রাচীনকাল থেকেই উন্নত রান্নার কৌশলে পারদর্শী। আমি তাদের পাঁচটি প্রিয় পদের রেসিপি ও প্রস্তুত প্রণালী ছোট আকারে তুলে ধরলাম যেমন -

১. পেলকা (Pelka) এটি রাজবংশীদের সবচেয়ে সিগনেচার ডিশ। এটি মূলত পুষ্টিকর শাকের একটি স্যুপ। উপকরণ হিসেবে যেমন - পাট শাক, সজনে শাক, নাপা শাক বা বুনো শাক, কাঁচা লঙ্কা, লবণ এবং ছ্যাকা (ক্ষার জল) লাগে। প্রস্তুত প্রণালী হলো - হাড়িতে জল ফুটিয়ে তাতে শাক ও কাঁচা লঙ্কা দেওয়া হয়। শাক আধসেদ্ধ হলে তাতে পরিমাণমতো 'ছ্যাকা' মেশানো হয়। ছ্যাকার প্রভাবে শাকগুলো গলে গিয়ে একটি ঘন ও পিচ্ছিল সুপ তৈরি হয়। এতে সাধারণত তেল দেওয়া হয় না।

২. সিদল (Sidol) এটি একধরণের সংরক্ষিত খাবার, যার স্বাদে অত্যন্ত কড়া ও সুগন্ধযুক্ত। এর উপকরণ হলো - ছোট শুকনো মাছ (পুঁটি), মান কচুর ডাঁটা (খলপা) এবং লঙ্কা-রসুন। তৈরির উপায় হলো, শুকনো মাছ ও কচুর ডাঁটা একসাথে কুটে মণ্ড তৈরি করা হয়। এরপর ছোট ছোট বল বানিয়ে রোদে শুকিয়ে নেওয়া হয়। এই বলগুলো ছাইয়ের নিচে রেখে সংরক্ষণ করা হয়। খাওয়ার সময় এই বলগুলো পুড়িয়ে বা তরকারিতে দিয়ে ভর্তা বা ঝোল হিসেবে রান্না করা হয়।

৩. শুকতি (Sukati) এটি মূলত শুঁটকি মাছের চচ্চড়ি বা ঝোল। মূল উপাদান - শুকনো ছোট মাছ (শুকতি), সবজি (যেমন আলু বা বেগুন), লঙ্কা, রসুন এবং ছ্যাকা। তৈরির পদ্ধতি হলো- কড়াইতে জল দিয়ে তাতে শুকনো মাছ ও সবজি সেদ্ধ করতে দেওয়া হয়। রান্নার মাঝামাঝি সময়ে 'ছ্যাকা' যোগ করা হয় যা মাছের কড়া গন্ধ কমিয়ে একটি বিশেষ স্বাদ আনে। এটি সাধারণত ভাতের সাথে অত্যন্ত তৃপ্তি করে খাওয়া হয়।

৪. ফোকদই (Fokdoi) এটি তাদের ঐতিহ্যবাহী টক-জাতীয় ব্যঞ্জন। উপকরণ হিসেবে - চালের গুঁড়ো, সিদল বা মাছ, শাক এবং ছ্যাকা। তৈরী করা হয় - জল ফুটিয়ে তাতে অল্প চালের গুঁড়ো গুলে দেওয়া হয় যাতে ঝোলটি ঘন হয়। এরপর তাতে সিদল বা মাছ এবং পছন্দের শাক দিয়ে ফোটানো হয়। শেষে 'ছ্যাকা' যোগ করে রান্নাটি সম্পন্ন করা হয়। এই খাবারটি সাধারণত হালকা টক ও পিচ্ছিল ধরণের হয়ে থাকে।

৫. পাতা খাওয়া (Pata Khaoa) এটি ছ্যাকা ছাড়া তৈরি বিশেষ ভাজি বা ভর্তা। উপকরনেই মধ্যে, কচি পাট শাক বা সজনে শাক, রসুন, লঙ্কা এবং সরষের তেল। প্রস্তুত প্রণালী হলো, শাকগুলোকে কুচিয়ে খুব সামান্য জলে ভাপে সেদ্ধ করা হয়। জল শুকিয়ে গেলে তাতে প্রচুর পরিমাণে রসুন কুচি, লঙ্কা এবং কাঁচা সরষের তেল দিয়ে মাখানো বা ভাজা হয়। রাজবংশীদের অন্য সব খাবারের তুলনায় এটি বেশ ঝাল ও মুখরোচক হয়।

বিশেষ করে সিদল-এর মণ্ডগুলোকে শুকনো ছাইয়ের মধ্যে রেখে প্রায় এক বছর পর্যন্ত ভালো রাখা যায়। আমাদের দক্ষিণ বঙ্গীয় উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষ যেভাবে লবণের আদ্রতা দূর করতে ছাই ব্যবহার করে, ঠিক একইভাবে রাজবংশীরাও ছাইকে শুষ্ককারক (Desiccator) হিসেবে ব্যবহার করে সিদল কে জীবাণুমুক্ত রাখে।

তাদের খাবারের অধিকাংশ নিরামিষ উপাদান যেমন - পাতা, কাণ্ড, মূল, ফল ইত্যাদি। যা তারা তাদের নিজস্ব বাগান বা চারপাশের জঙ্গল থেকে সংগ্রহ করে। লঙ্কা, পিঁয়াজ, রসুন বা সজনের মতো কিছু উপকরণ তারা চাষ করে বা স্থানীয় বাজার থেকে সংগ্রহ করে। এদের মধ্যে বুনো কলাগাছ তাদের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও বহুবর্ষজীবী ফসল, যা 'ছ্যাকা' তৈরির একমাত্র উৎস।

রাজবংশী খাবারের মূল ভিত্তি হলো উত্তরবঙ্গের ভূ-প্রকৃতি। তিস্তা, তোর্সা, জলঢাকা ও রায়ডাক নদীর অববাহিকায় বসবাস হওয়ার কারণে তাদের খাবারে নদীজ মাছের যেমন: বোরোলি, শোল, পুঁটি আধিক্য দেখা যায়। আবার আর্দ্র আবহাওয়ার কারণে ধান এবং পাটের চাষ বেশি হয়, তাই পাট শাক এবং চালের গুঁড়ো তাদের রান্নার আরেকটি প্রধান উপকরণ।

আবার তাদের সংস্কৃতির সাথে অসমের বড়ো এবং কোচ উপজাতিদের গভীর ঐতিহাসিক সম্পর্ক রয়েছে। খাবারের মধ্যে যেমন ‘সিদল ও শুঁটকি’ অসমের আদিবাসীদের মতো রাজবংশীরাও মাছ গেঁজিয়ে বা শুকিয়ে সংরক্ষণ করার পদ্ধতি ব্যবহার করে। খাড় (Alkali) কলার বাসনা পুড়িয়ে তৈরি করা ‘খাড়’ বা ক্ষারীয় জলের ব্যবহার অসমীয়া এবং রাজবংশী উভয় রান্নাতেই অপরিহার্য। উত্তরবঙ্গের হিমালয় সংলগ্ন অঞ্চলে বসবাসের কারণে রাজবংশী খাবারে পাহাড়ি প্রভাবও লক্ষ্য করা যায়। ডুয়ার্স অঞ্চলে বসবাসের ফলে রাজবংশী খাদ্যে প্রচুর পরিমাণে বাঁশের কোঁড়ল বা 'বাঁশ গাজ' (Bamboo Shoot)-এর ব্যবহার দেখা যায়। এটি মূলত ভুটানি এবং মঙ্গোলয়েড খাদ্যাভ্যাসের প্রভাব।

যাই হোক বর্তমানে অনেক রাজবংশী মানুষ জীবিকার প্রয়োজনে শহরে চলে আসছেন এবং আধুনিক খাবার গ্রহণ করছেন। তবে সুযোগ পেলেই তারা তাদের ঐতিহ্যবাহী খাবারের স্বাদ নিতে চান। কলকাতায় রাজবংশী খাবারের জন্য নির্দিষ্ট কোনো রেস্টুরেন্ট পাওয়া বেশ কঠিন। তবে উত্তরবঙ্গের খাবারের স্বাদ পেতে কলকাতার কিছু রেস্টুরেন্ট যেমন- Santa's Fantasea বা Shillong Point উত্তর-পূর্ব ভারতের বিভিন্ন উপজাতির খাবার পরিবেশন করে।

যদিও এগুলো পুরোপুরি রাজবংশী রেস্টুরেন্ট নয়, তবে অনেক সময় এদের মেনুতে উত্তরবঙ্গের আদিবাসী বা রাজবংশী ঘরানার খাবারের সাথে মিল আছে এমন কিছু পদ যেমন - বাঁশের কোঁড়ল বা বিশেষ শুঁটকি মাছ, পেতে পারেন। আবার সল্টলেকের গোর্খা ভবন (Mandala) বা তার আশেপাশের কিছু ছোট ছোট ভাতের হোটেলে অনেক সময় উত্তরবঙ্গের শ্রমিক বা চাকুরিজীবীদের জন্য পেলকা বা স্থানীয় শাকের তরকারি রান্না করা হয়, যদিও তা সবসময় মেনুতে থাকে না।

By -শেফ মনু। fans

(Please Follow, likes, shears and comments) 🙏

৬৮। অত্যাধিক গরম খাবার ফ্রিজে রাখা কি ভালো? আমরা অনেকেই রান্না করা পর একটি সাধারণ দ্বিধায় পড়ি - ধোঁয়া ওঠা অত্যাধিক গরম খ...
20/04/2026

৬৮। অত্যাধিক গরম খাবার ফ্রিজে রাখা কি ভালো?

আমরা অনেকেই রান্না করা পর একটি সাধারণ দ্বিধায় পড়ি - ধোঁয়া ওঠা অত্যাধিক গরম খাবার কি সরাসরি ফ্রিজে রাখা ঠিক? কিন্তু অনেকে মনে করেন গরম খাবার ফ্রিজে রাখলে ভেতরের বাকি খাবার নষ্ট হয়ে যেতে পারে বা ফ্রিজ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। কিন্তু আধুনিক বিজ্ঞান এবং খাদ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, যদি সঠিক পদ্ধতি অবলম্বন করা হয় তবে গরম খাবার সরাসরি ফ্রিজে রাখা কেবল নিরাপদই নয়, বরং জরুরিও বটে।

গরম খাবার ফ্রিজে রাখা নিয়ে যে ভয়, তা মূলত ১৯শ শতাব্দীর 'আইসবক্স' বা বরফবাক্সের আমল থেকেই চলে আসছে। তখন ফ্রিজের বদলে কাঠের বাক্সে বরফের খণ্ড রেখে খাবার ঠান্ডা রাখা হতো। সেই বাক্সে গরম খাবার রাখলে বরফ দ্রুত গলে যেত এবং শীতল করার ক্ষমতাও দ্রুত হারিয়ে ফেলত। কিন্তু আধুনিক রেফ্রিজারেটর অনেক বেশি শক্তিশালী। এতে থাকা কুলিং ফ্যান এবং রাসায়নিক রেফ্রিজারেন্ট দ্রুত ভেতরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।

গরম খাবার ফ্রিজে রাখার ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞরা কিছু বিশেষ কৌশলের কথা বলেছেন যেমন -

১। খাবার ভাগ করে রাখা : বড় পাত্রে বা পুরো আস্ত রান্নাকরা মুরগি সরাসরি ফ্রিজে না রেখে ছোট ছোট পাত্রে ভাগ করে নেয়া। বিশেষ করে ঝোল বা তরকারি দুই ইঞ্চির বেশি গভীর নয় এমন অগভীর পাত্রে রাখা উচিত। এতে খাবার দ্রুত ঠান্ডা হয়।

২। বাষ্প বের হতে দেওয়া: খাবার পুরোপুরি সিল করার আগে ঢাকনা কিছুটা আলগা রাখুন যাতে গরম খাবারের ভাপ বের হয়ে যেতে পারে।

৩। সময়সীমা: রান্না করা খাবার ঘরের তাপমাত্রায় ২ ঘণ্টার বেশি ফেলে রাখা উচিত নয়। যদি পারিপার্শ্বিক তাপমাত্রা ৩২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি হয়, তবে ১ ঘণ্টার মধ্যেই তা ফ্রিজে তোলা উচিত।

৪। দ্রুত ঠান্ডা করার উপায়: ফ্রিজের ওপর চাপ কমাতে চাইলে পাত্রটি বরফ জলভর্তি বড় কোনো গামলায় রেখে কিছুক্ষণ নেড়ে দ্রুত ঠান্ডা করে নেওয়া যেতে পারে।

ফ্রিজে রাখা নিরাপদ হলেও, গরম খাবার সরাসরি ডিপ ফ্রিজ বা ফ্রিজারে রাখা উচিত নয়। কারণ সরাসরি গরম খাবার ফ্রিজারে রাখলে খাবারের গুণমান নষ্ট হতে পারে। তাই প্রথমে ফ্রিজে রেখে ঠান্ডা করে তারপর তা ফ্রিজারে স্থানান্তর করা ভালো। তরল খাবারের ক্ষেত্রে পাত্রের উপরে কিছুটা খালি জায়গা রাখা জরুরি, কারণ জমার সময় তরল আয়তনে বাড়ে।

খাবার রাখার পাত্রের ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করা বিশেষ প্রয়োজন। বিশেষজ্ঞদের মতে শক্ত কাঁচের বা টেম্পার্ড গ্লাসের পাত্র সবচেয়ে নিরাপদ। এটি দুর্গন্ধ শোষণ করে না এবং ওভেনেও ব্যবহার করা যায়। গরম খাবার কখনোই প্লাস্টিকের পাত্রে রাখা উচিত নয়। এতে প্লাস্টিকের ক্ষতিকর রাসায়নিক (যেমন BPA বা phthalates) খাবারের সাথে মিশে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে। বিশেষ করে একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক বা অন্যসব সাধারণ কৌটো গরম খাবারের জন্য একেবারেই অনুপযুক্ত।
ছুটির দিনে বা বাড়ির বিশেষ অনুষ্ঠানে যখন প্রচুর খাবার উদ্বৃত্ত থাকে, তখন ফ্রিজে জায়গা করা কঠিন হয়ে পড়ে। বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দেন, যে খাবারগুলো ফ্রিজে না রাখলেও চলে সেগুলো বের করে রেখে জায়গার সাশ্রয় করা যেতে পারে।

খাদ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতে ব্যাকটেরিয়ার বংশবিস্তার রোধ করা অত্যান্ত জরুরি। তাই খাবার বাইরে দীর্ঘক্ষণ ফেলে না রেখে সঠিক নিয়ম মেনে দ্রুত ফ্রিজে তোলাই বুদ্ধিমানের কাজ। মনে রাখবেন, ফ্রিজের তাপমাত্রা সর্বদা ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বা তার নিচে এবং ফ্রিজারের তাপমাত্রা শূন্য ডিগ্রি থাকা উচিত।

By -শেফ মনু। fans

(Please Follow, likes, shears and comments) 🙏

১৩২। মাছের কোফতা কারি। মাছের কোফতা কারি তৈরির জন্য আপনার পছন্দের যেকোনো মাছ যেমন- রুই, কাতলা বা ভেটকি মাছ সেদ্ধ করে কাঁট...
19/04/2026

১৩২। মাছের কোফতা কারি।

মাছের কোফতা কারি তৈরির জন্য আপনার পছন্দের যেকোনো মাছ যেমন- রুই, কাতলা বা ভেটকি মাছ সেদ্ধ করে কাঁটা ও চামড়া ছাড়িয়ে নিন। মাছের সাথে সেদ্ধ আলু, আদা-রসুন বাটা, কাঁচা লঙ্কা, পেঁয়াজ কুচি, গরম মশলা ও বেসন মিশিয়ে ছোট বল বা কোফতা তৈরি করে ডুবো তেলে ভাজুন । এরপর পেঁয়াজ, টমেটো, আদা-রসুন বাটা ও মশলার গ্রেভিতে কোফতাগুলো দিয়ে কিছুক্ষণ ফুটিয়ে ধনেপাতা ছড়িয়ে পরিবেশন করুন। এখন নিচে আপনাদের জন্য রইলো মাছের কোফতা তৈরির বিস্তারিত রেসিপি:

By -শেফ মনু। fans

(Please Follow, likes, shears and comments) 🙏

19/04/2026
“Mise en place is my therapy.”By  -শেফ নোটবুক।  fans(Please Follow, likes, shears and comments) 🙏                       ...
18/04/2026

“Mise en place is my therapy.”

By -শেফ নোটবুক। fans

(Please Follow, likes, shears and comments) 🙏


৬৭। দুধ সোডা। আমাদের কাছে এই বিষয়টি আজব মনে হলেও দুধ সোডা দক্ষিণ এশিয়ার, বিশেষ করে উত্তর ভারত ও পাকিস্তানের পাঞ্জাব অঞ্চ...
18/04/2026

৬৭। দুধ সোডা।

আমাদের কাছে এই বিষয়টি আজব মনে হলেও দুধ সোডা দক্ষিণ এশিয়ার, বিশেষ করে উত্তর ভারত ও পাকিস্তানের পাঞ্জাব অঞ্চলের একটি অতি জনপ্রিয় পানীয় বিশেষ। এটি মূলত দুধ এবং কার্বোনেটেড পানীয় বা সোডার একটি মিশ্রণ। সাধারণ সোডার তুলনায় এটি কিছুটা ঘন কিন্তু বেশ সতেজ। সাধারণত দুধ, ফ্লেভারের সোডা (যেমন: স্প্রাইট কিংবা সেভেন আপ) দিয়ে তৈরি করা হয়, তবে অনেকে কোলা বা ক্রিম সোডাও এতে ব্যবহার করেন।

ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট দেখলে এর উৎপত্তি মূলত ভিক্টোরিয়ান ইংল্যান্ডে শুরু হয়েছিল। ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের সময়কালে এটি ভারতীয় উপমহাদেশে বিশেষ করে ভারত ও পাকিস্তানে পরিচিতি পায়। বর্তমানে এটি পাকিস্তানের পাঞ্জাব অঞ্চলের একটি প্রধান পানীয়। বিশেষ করে রমজান মাসে সেখানে ইফতারের টেবিলে এর ব্যাপক চাহিদা থাকে। মসলাযুক্ত খাবারের সাথে এটি অত্যন্ত ভালো মানিয়ে যায়।

দুধ সোডা তৈরির বেশ কয়েকটি পদ্ধতি রয়েছে, ঐতিহ্যবাহী পদ্ধতি অনুযায়ী দুধকে প্রথমে ফুটিয়ে নেওয়া হয়। এরপর একটি ধাতব বাটিতে দুধ রেখে বরফ ভর্তি পাত্রের ওপর ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে দ্রুত ঠান্ডা করা হয়। ঠান্ডা হওয়ার পর এতে সোডা মেশানো হয়। অনেক বিক্রেতা এক গ্লাস থেকে অন্য গ্লাসে উঁচিয়ে ঢেলে এতে ফেনা তৈরি করেন, যা পানীয়টিকে আরও সুস্বাদু করে। আবার ঘরোয়া পদ্ধতিতে সাধারণত গ্লাসের এক-তৃতীয়াংশ বরফ, এক-তৃতীয়াংশ দুধ এবং বাকি অংশ সোডা দিয়ে এটি সহজ উপায়ে তৈরি করা হয়।

বৈচিত্র্য ও উপকরণ হিসেবে স্বাদ বাড়াতে মূল উপাদানের বাইরেও অনেকে ফ্লেভার যেমন রুহ আফজা , চিনি বা মধু, সোডা বা কোলার মধ্যে সেভেন আপ বা স্প্রাইটের বদলে কোকা-কোলা, পেপসি কিংবা পাকিস্তানের জনপ্রিয় 'পাকোলা' (ক্রিম সোডা) ব্যবহার করা হয়।

কিছু বিদেশী পানীয়ের সাথে এই এশীয় দুধ সোডার কিছু মিল পাওয়া যায় যেমন নিউইয়র্কের ঐতিহ্যবাহী পানীয় “এগ ক্রিম” নাম 'এগ' হলেও এতে ডিম থাকে না; থাকে দুধ, চকলেট সিরাপ এবং সোডা। এটি অনেকটা কলকাতার 'দুধ কোলা'র মতোই স্বাদের। আমেরিকায় পেপসি তাদের এক বিপণন অভিযানে দুধ এবং পেপসির মিশ্রণকে "পিল্ক" (Pilk) (Pepsi + Milk) নামে প্রচার করে, যা মূলত আমাদের এই দুধ সোডারই একটি পশ্চিমা সংস্করণ। আবার “ইতালিয়ান সোডা” এশিয়ার দুধ সোডার খুব কাছের আত্মীয়। এতে ফ্লেভারড সিরাপ, সোডা এবং উপরে অনেক সময় 'হেভি ক্রিম' মেশানো হয়। স্বাদ ও তৈরির পদ্ধতিতে এর সাথে দুধ সোডার দারুণ মিল রয়েছে।

আমাদের কোলকাতাতেও এই পানীয় পাওয়া যায়। আপনি যদি কলকাতার আসল দুধ সোডার স্বাদ নিতে চান, তবে যেতে হবে ভবানীপুরের “বলবন্ত সিং ইটিং হাউস”, ১৯২৬ সালে এটি প্রতিষ্ঠিত হলেও তাদের এই বিখ্যাত 'দুধ কোলা'র প্রচলন শুরু হয় আনুমানিক ১৯৭১ সাল থেকে। দেশভাগের পর কলকাতায় আসা পাঞ্জাবি সম্প্রদায়ের হাত ধরেই এই পানীয়টি এই শহরে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। শুরুতে এটি কেবল পাঞ্জাবি পরিবারগুলোতে সীমাবদ্ধ থাকলেও ধীরে ধীরে তা কলকাতার সাধারণ মানুষের প্রিয় কোল্ড ড্রিঙ্কে পরিণত হয়। তাছাড়া কলকাতার “রঙ দে বাসন্তী ধাবা” এই পানীয়ের দেখা মেলে।

মজার তথ্য হলো, এটি সোডা দিয়ে তৈরি হওয়া সত্বেও অনেক জায়গায় একে সাধারণ সফট ড্রিঙ্কসের চেয়ে কিছুটা "স্বাস্থ্যকর" মনে করা হয়, কারণ এতে দুধের পুষ্টিগুণ যুক্ত থাকে এবং এটি পাকস্থলীর জ্বালাভাব কমাতে সাহায্য করে বলে মনে করা হয়। প্রচণ্ড গরমে বা রোদে ঘোরাঘুরির পর এক গ্লাস ঠান্ডা দুধ সোডা শরীরকে দ্রুত শীতল করে এবং ক্লান্তি দূর করে। অনেক সময় ঝাল বা মশলাযুক্ত খাবার খাওয়ার পর পাকস্থলীতে যে অস্বস্তি বা বুক জ্বালাপোড়া হয়, দুধ এবং সোডার মিশ্রণ তা প্রশমিত করতে সাহায্য করে বলে মনে করা হয়।

তবে ভালো দিকের সাথে এর কিছু খারাপ দিকও আছে। প্রতিদিন পানীয়টি পান করলে ক্ষতির সম্ভবনা থাকে, কারণ দুধ সোডাকে পুরোপুরি "স্বাস্থ্যকর পানীয়" বলা কঠিন, এটি রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়িয়ে ওজন বাড়াতে সাহায্য করে। সোডার কার্বন ডাই-অক্সাইড এবং দুধের ল্যাকটোজ অনেকের ক্ষেত্রে পেটে গ্যাস তৈরি করতে পারে। যাদের ল্যাকটোজ ইনটলারেন্স (দুধ হজমে সমস্যা) আছে, তাদের জন্য এটি পেটের পীড়ার কারণ হতে পারে।

By -শেফ মনু। fans

(Please Follow, likes, shears and comments) 🙏

18/04/2026

Canapé ♥️

(Please Follow, likes, shears and comments) 🙏


Address

Kolkata
700101

Website

https://alison.com/certification/check/7ac360a23b, https://alison.com/certificatio

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Chef Moonu posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Chef Moonu:

Share