26/08/2026
তিন লেখকের তিন হাস্যরস
রাস্তা দিয়ে মাছওয়ালা হেঁকে চলেছে "মাছ চাই, জ্যান্ত মাছ"।
এক বৃদ্ধা মহিলা ব্যালকনি থেকে ডাক দিলেন "ও মাছওয়ালা, এদিকে এসো" ...
মাছওয়ালা ওপরের দিকে তাকিয়ে বললো : "মাছ নিয়ে যান মাসীমা, এক্কেবারে জ্যান্ত"
মহিলা প্রশ্ন করলেন : "মাছ তাজা তো??"
অবাক হয়ে মাছওয়ালা বললো "বলছি জ্যান্ত মাছ, তাজা তো হবেই"
মহিলা বললেন "ও কথা বোলো না বাছা, আমিও তো জ্যান্ত, তাই বলে কি আমি তাজা???!!"
- সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
🙄🙄😛😛😄😄
মার জন্য কোলকাতা থেকে হাঁপানির মিকচার পাঠাতাম। আর মাঝে মাঝে তার এক দাগ আমি নিজেও মারতাম।
আমার তখনো হাঁপানি হয় নি। কিন্তু মা বলেছিলেন যে বাপের সম্পত্তির মতন মায়ের রোগ ছেলেতে বর্তায়। আর সব রোগ তোমায় শুইয়ে দেবে কিন্তু হাঁপানি বসিয়ে দেবে। কিছুতেই শুতে দেবে না। বসে বসে হাঁপাতে হবে।
তাই প্রিভেনসন ইজ বেটার দ্যান কিওর।
খেতে বেশ ওষুধটা। ওতে নাকি গাঁজার নির্যাস দেওয়া থাকতো। খেলে একটু মৌতাতের মতন হয় বটে। এখনো খাই মাঝে মাঝে। খাবার পর মগজ খোলে‚ বুদ্ধি খোলে‚ লেখাও খুলতে থাকে।
আমার গল্পগুলি যে নিতান্তই গাঁজাখুরি হয় তা এই জন্যেই কিনা কে জানে!'
শিবরাম চক্রবর্তী
😀😀😀😀😀
একবার এক প্রসূতি সদনের ডাক্তারবাবুকে
কথাচ্ছলে জিজ্ঞাসা করেছিলাম যে ডাক্তারি বিদ্যার এত শাখা থাকতে আপনি কেন এই সন্তান জন্মানোর নারী-ঘটিত ব্যাপারে এলেন, টাকার জন্যে? ভদ্রলোক বলেছিলেন যে না, ঠিক তা নয়। দেখুন ক্যান্সারের রোগী দেখলে ভয় হত আমারও বুঝি ওরকম হয়েছে। টিবির রোগী কাশত, আমিও কাশতাম। যেখানে যে রোগীর যে রোগ দেখতাম মনে হত আমারও সে রোগ আছে। সব লক্ষণ মিলে যেত। অবশেষে এই মাতৃসদনে এসে নিশ্চিত হয়েছি --এই রোগ অন্তত আমার হবে না।
তারাপদ রায়