17/08/2026
এবারে দিগনগর রাঘবেশ্বর মন্দির এর জলে ঢালা নিয়ে কিছু না বলে আর থাকতে পারলাম না..খুব ই বাজে অভিজ্ঞতা..এত বাজে পুলিশ প্রশাসন ব্যবস্থা যেখানে আমরা এত টা পথ হেটে বাবার মাথায় শান্তি করে জল ঢালতে যাচ্ছি একটা সুন্দর চিন্তা নিয়ে কিন্তু ওখান কার দৃশ্য দেখে সত্যি আমরা সকলেই স্তমভিত| পুলিশ রীতিমতো পুন্যথীদের মারছে. .ওতো লোকের সামনে যদি এভাবে মারে তখন যে মার টা খাই তার কেমন লাগে যার সাথে হয় সেই জানে
তারপর এত দেরি করে লাইন ছাড়ছে সে বলার কোনো ভাষা নেই একেটেই কাদা রাস্তা তারপর ছোট বাঁশের রাস্তা কত জন যে পরে যাচ্ছে কত জনের যে হাত পা ভেঙেছে সে দেখার মতো না তার ওপর প্রায় 30-50 মিনিট পর লাইন ছাড়ছে ভিভৎস অবস্থা..আমি তো একবার পড়লাম গায়ের ওপর 5-6 জন পড়ল রাস্তা থেকে বেরিয়ে ঠেলা ঠেলিতে বাঁশের ঝোপে পড়লাম..পায়ের তো অনেকে জায়গা কাটলো ঠিক মতো হেটে বাড়ি আসতে যে গাড়ি করে বাড়ি আসবো সেটাও পারছিলাম না ..এদিকে আমরা যে লাইন এ দাঁড়িয়েছিলাম হাজার হাজার ভক্ত রাস্তায় সেমন আলো নেই ভালো ব্যবস্থা নেই মানুষ গরমে আধমরা হয়ে গেছে..তার ওপর স্টেজে এ দাঁড়িয়ে একভাবে ভাষণ আর নাটক তো লেগেই আছে. .3 ঘন্টা পর আধমরা হয়ে অবশেষে ভিতরে ঢুকলাম সেখানে তো দেখি আরো সুন্দর দৃশ্য ওখান কার কমিটি র লোক বড়ো একটা ঝুড়ি নিয়ে বলছে দক্ষিনা গুলো এখানে দাও মানে ব্যবসা টা কত সুন্দর হচ্ছে তাই না..ও আরেকটা কথা চুরি চাঁচড়ামি টা কিন্তু কম ছিল না..সব থেকে খারাপ যেটা লাগলো পুলিশ এর অত্যাচার এত গুলো ভক্ত কতটা পথ হেটে ঠাকুর এর মাথায় জল দেবে বলে গেলো আর কোনো কিছু না দেখেই কি ভাবে মারছে..সত্যি এমন সমাজের ব্যাবস্থার জন্য আমি লজ্জিত ছি ছি ছি !