অক্ষরের অতন

অক্ষরের অতন Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from অক্ষরের অতন, Grocers, Camilla, Meghna, Radha Nagar, Camilla, GA.

শব্দের কারিগর। কখনো রাতের নিঝুম ভয়ের শিহরণ, কখনো জীবনের গভীর অনুভূতি, আবার কখনো হাসির তুফান—গল্পের সব রঙে রাঙানো আমার এই ডায়েরি। আপনার পড়ার নেশাকে পূর্ণতা দিতে সাথেই থাকুন! 📚🎭✨"

07/18/2026

শিরোনাম: ‘লয়াল’ মজনু ও তার চোখের সার্ভিসিং!

আমাদের সার্কেলে এমন একজন ‘মহাপুরুষ’ আছে, যার চরিত্র সম্পর্কে তার নিজের দাবি শুনলে আপনি হাসতে হাসতে সোজা হয়ে বসতে পারবেন না। সে দাবি করে, "আমি দুনিয়ার সবথেকে লয়াল মানুষ!"
কিন্তু তার ‘লয়ালিটি’র ডেফিনেশনটা একটু অন্যরকম। ঘটনাটা বলি:
একদিন আমরা সবাই মিলে রাস্তা দিয়ে হাঁটছি। আমার এই ‘লয়াল’ বন্ধুটি তার গার্লফ্রেন্ডকে ফোনে আড়ি পেতে বোঝাচ্ছে, "জান, আমি তো কেবল তোমাকেই দেখি। অন্য কোনো মেয়ের দিকে তো আমি তাকাতেই পারি না, আমার চোখ শুধু তোমার ছবিতেই আটকে আছে।"
ফোনে তখনও ভালোবাসা চলছে, আর এদিকে তার চোখ দুইটা যেন রাডারের মতো রাস্তার সবদিক স্ক্যান করছে! হঠাৎ তার চোখ পড়ল রাস্তার ওপার দিয়ে যাওয়া এক সুন্দরী মেয়ের দিকে। সে কথা বলতে বলতে হঠাৎ চুপ হয়ে গেল, তারপর ঘাড়টা ১৮০ ডিগ্রি ঘুরিয়ে মেয়েটার দিকে এমনভাবে তাকাচ্ছিল, যেন মেয়েটা কোনো বিরল প্রজাতির এলিয়েন!
একটু পর সে আবার স্বাভাবিক গলায় ফোনে বলল, "আরেহ জান, কিছু না তো! রাস্তার একটা কুকুর দেখছিলাম, বড় অদ্ভুত তো!"
তার এই কর্মকাণ্ড দেখে আমরা তখন হাসির দমকে রাস্তার মাঝে বাঁকা হয়ে পড়ে গেছি! পরে তাকে জিজ্ঞেস করলাম, "কিরে, তুই না লয়াল?"
সে গম্ভীর গলায় উত্তর দিল, "দেখ, আমি তো তাকে (গার্লফ্রেন্ডকে) বলছি অন্য মেয়ের দিকে তাকাই না। এখন আমি যদি একটু ‘অডিট’ করি যে অন্য মেয়েরা কেমন, সেটা কি আর লয়ালিটি ভঙ্গ করা? এটা হলো—নিজের প্রিয় বস্তুটাকে আরও ভালোভাবে কদর করার জন্য তুলনা করা!"
তার এই লজিক শুনে আমাদের তো হাঁসি থামানো দায়!

সোজা কথায়: এর লয়ালিটি হলো—নিজের বউকে বলছে "তুমিই সেরা", আর চোখের কাজ হলো—বাকি সব ‘ভালো’ গুলোকে জাস্ট কম্পারিজন লিস্টে রাখা! 😂🤣

07/18/2026

শিরোনাম: ফেসবুকের জামাই!

আমাদের গ্রুপে এমন এক প্রাণী আছে, যার পেশা আর নেশা—দুটোই ফেসবুক। তাকে দেখলে মনে হয়, ফেসবুক মার্ক জাকারবার্গের না, ওই ছেলেটার ব্যক্তিগত সম্পত্তি!
তার লাইফস্টাইল দেখলে আপনি পাগল হতে বাধ্য:
বিপদ যখন দরজায়: ভূমিকম্প শুরু হয়েছে, ঘরের আসবাবপত্র কাঁপছে—এই লোক তখনো স্ট্যাটাস দিচ্ছে: "ফিলিং একটু কাঁপাকাঁপি উইথ বন্ধুরা!" সাথে একটা অস্থির ইমোজি। সে জান বাঁচানোর আগে নিজের প্রোফাইলের চিন্তা করে।
খাবার বিলাস: বিয়ে বাড়িতে খেতে গেছে। বিরিয়ানির প্লেট আসার পর সে সেটাকে এমনভাবে পজিশন করবে যেন কোনো মডেলিং শুট চলছে। সবাই যখন অর্ধেক খাওয়া শেষ করে ফেলেছে, তখন সে ক্যামেরা রেখে প্রথম লোকমাটা মুখে দেয়। তার কমেন্ট—"খাবারটা একটু ঠান্ডা হয়ে গেছে, কিন্তু লাইক পড়েছে বেশি!"
মানুষের সাথে সম্পর্ক: সে তার বউকে নিয়ে ঘুরতে গেছে। কিন্তু বউয়ের দিকে তাকানোর সময় নেই, কারণ সে ব্যস্ত কার পোস্টে কে কমেন্ট করেছে সেটা মনিটর করতে। বউ রেগেমেগে বাসায় ফিরে গেলে সে স্ট্যাটাস দেয়—"একাকীত্ব খুব কষ্ট দেয়!" (সবাই লাইক দেয়, কিন্তু আসল কারণ কেউ জানে না!)
অকাল প্রস্থান: তার মোবাইলের চার্জ শেষ মানেই তার হৃদস্পন্দন থেমে যাওয়া। তার কাছে বিদ্যুৎ বিলের চেয়ে নেট প্যাক শেষ হওয়া বেশি বড় ট্র্যাজেডি।
উপসংহার: ভাই রে, জীবনটা ফেসবুকের নিউজফিড না। একটু বাইরে তাকা, আকাশটা নীল, রাস্তাটা ব্যস্ত—এসবের জন্য কোনো 'লাইক' লাগে না! 😂🤣

শিরোনাম: এক মুঠো মিথ্যে প্রতিশ্রুতি ও আমার বিধ্বস্ত জীবনসোশ্যাল মিডিয়ার এক টুকরো দুনিয়ায় আমাদের পরিচয়। ফেসবুকের একটি পাব...
07/18/2026

শিরোনাম: এক মুঠো মিথ্যে প্রতিশ্রুতি ও আমার বিধ্বস্ত জীবন

সোশ্যাল মিডিয়ার এক টুকরো দুনিয়ায় আমাদের পরিচয়। ফেসবুকের একটি পাবলিক গ্রুপ—যেখান থেকে শুরু হয়েছিল আমাদের গল্প। এরপর ম্যাসেঞ্জারের চ্যাটবক্স জুড়ে দীর্ঘ রাত জাগা আলাপ, একে অপরকে নিয়ে রঙিন সব নোট আর অগাধ ভালোবাসা। আমি আমার জীবনের সবটুকু মায়া আর বিশ্বাস উজাড় করে তাকে ভালোবেসেছিলাম, তাকে প্রপোজ করেছিলাম। আমার সেই প্রস্তাবে সেও রাজি হয়েছিল, আমি ভেবেছিলাম—আমি হয়তো আমার জীবনের সবচেয়ে সুন্দর মানুষটিকে খুঁজে পেয়েছি।
কিন্তু সব মিথ্যে প্রমাণ হতে বেশি সময় লাগেনি। হঠাৎ একদিন তার একটা কল—কণ্ঠস্বর খুব স্বাভাবিক, যেন কিছুই হয়নি। সে নির্লিপ্ত গলায় বলল, "বাসায় সবাই জেনে গেছে, আমার পক্ষে এই সম্পর্ক আর রাখা সম্ভব নয়।"
একটিবারও সে ভাবেনি, এই কথাটা আমার হৃদয়ে কতটা রক্তক্ষরণ ঘটাবে। আমার মনে তখন হাজারো প্রশ্ন—সে কি আসলেই আমাকে ভালোবেসেছিল? নাকি আমার সাথে কাটানো সময়গুলো ছিল কেবল তার একঘেয়েমি কাটানোর উপায়? আমি তাকে শেষবারের মতো জিজ্ঞেস করেছিলাম, "তুমি কি আসলেই কোনোদিন আমাকে ভালোবেসেছিলে?"
সে নির্দ্বিধায় উত্তর দিল, "তোমার প্রতি কেন, কারো প্রতিই আমার এখন আর কোনো ফিলিং কাজ করে না।"
আজ সে নিজের মতো করে ভালোই আছে, দিব্যি জীবন কাটিয়ে দিচ্ছে। কিন্তু আমি? তার এক মুহূর্তের নিষ্ঠুরতায় আজ আমার অস্তিত্ব বিলীন। ফেসবুকের সেই ভার্চুয়াল প্রেম আর ম্যাসেঞ্জারের নোটগুলো আজ আমার ধ্বংসের কারণ। প্রেমের অছিলায় আমার জীবনটা আজ রাস্তার পাগলের মতো নিঃস্ব, বিধ্বস্ত।
কিছু ভালোবাসা সত্যিই মানুষকে মেরে ফেলে, প্রমাণ রেখে যায় শুধু ধ্বংসস্তূপের।

#বাস্তবতা #বিশ্বাসভঙ্গ #ফেসবুকগল্প

শিরোনাম: শেষ ট্রেনের যাত্রীরাত তখন পৌনে দুটো। স্টেশনের প্ল্যাটফর্মে কুয়াশার চাদর। ঝিঁঝিঁ পোকার ডাক আর দূর থেকে ভেসে আসা ...
07/17/2026

শিরোনাম: শেষ ট্রেনের যাত্রী

রাত তখন পৌনে দুটো। স্টেশনের প্ল্যাটফর্মে কুয়াশার চাদর। ঝিঁঝিঁ পোকার ডাক আর দূর থেকে ভেসে আসা প্যাঁচার শব্দ ছাড়া চারপাশ নিঝুম। আমি শেষ ট্রেনের অপেক্ষায় একা বসে আছি। হঠাৎ একটা মৃদু খসখস শব্দে আমার ঘুম ভেঙে গেল।
পাশেই একটা জীর্ণ বেঞ্চে এক বৃদ্ধ বসে আছেন। হাতে একটা পুরনো লণ্ঠন, কিন্তু তাতে কোনো আলো নেই। আমি কিছুটা অবাক হয়েই জিজ্ঞেস করলাম, "দাদা, ট্রেন তো অনেকক্ষণ হলো চলে গেছে, আপনি কার জন্য অপেক্ষা করছেন?"
বৃদ্ধ লোকটা ধীরে ধীরে মাথা ঘোরালেন। ওঁর চোখে কোনো মণি নেই, শুধু ঘন অন্ধকার। তিনি ফিসফিস করে বললেন, "আমি ট্রেন ছাড়ি না বাবা, ট্রেন আমাকে খুঁজে নেয়।"
ঠিক সেই মুহূর্তেই কোনো ইঞ্জিনের শব্দ ছাড়াই ট্রেনের চাকা ঘোরার বিকট একটা শব্দ ভেসে এল। কিন্তু প্ল্যাটফর্মে কোনো ট্রেন নেই। অথচ মনে হচ্ছে, ট্রেনটা আমার ঠিক মাথার ওপর দিয়ে চলে যাচ্ছে। আমি ভয়ে চোখ বন্ধ করে ফেললাম।
যখন চোখ খুললাম, প্ল্যাটফর্ম ফাঁকা। শুধু বেঞ্চের ওপর একটা চিরকুট পড়ে আছে— তাতে লেখা, "আজ তুমিও যাত্রী।"
বাড়ি ফেরার পথটা যেন আজ শেষই হতে চাইছে না। আর আমার ঠিক পেছন থেকে এখনো খসখস শব্দটা শোনা যাচ্ছে...

ছায়ার আড়ালে অবিনশ্বরশহরের কোলাহল থেকে দূরে, পুরোনো লাইব্রেরিটার ধুলোবালিমাখা তাকে একটা অদ্ভুত বই খুঁজে পেল আরিয়ান। চামড়...
07/17/2026

ছায়ার আড়ালে অবিনশ্বর
শহরের কোলাহল থেকে দূরে, পুরোনো লাইব্রেরিটার ধুলোবালিমাখা তাকে একটা অদ্ভুত বই খুঁজে পেল আরিয়ান। চামড়ায় বাঁধানো, কোনো নাম নেই। কৌতুহলী হয়ে খুলতেই দেখল, পাতায় পাতায় রক্তের মতো লাল কালিতে আঁকা কিছু রেখা।
ঠিক তখনই জানালার পাশে একটা ছায়া নড়ে উঠল। আরিয়ান চমকে উঠল, কিন্তু ঘরে কেউ নেই। হঠাৎ একটা শীতল কণ্ঠস্বর ভেসে এল, "ওটা পড়া বন্ধ করো, যুবক। ওটা কোনো সাধারণ রূপকথা নয়।"
ঘাড় ঘুরিয়ে আরিয়ান দেখল, কোণের অন্ধকারে দাঁড়িয়ে আছে এক আগন্তুক। পরনে কয়েক দশক পুরোনো স্টাইলের কোট, চোখ দুটো যেন গভীর অরণ্যের মতো অন্ধকার। আগন্তুক এগিয়ে এল, তার পায়ের শব্দ শোনা যাচ্ছে না।
"তুমি কে?" আরিয়ানের কণ্ঠ কেঁপে উঠল।
আগন্তুক হাসল, কিন্তু সেই হাসিতে কোনো উষ্ণতা ছিল না। সে বলল, "আমি সেই মানুষ, যে অমরত্বের লোভে নিজের ছায়া বিক্রি করে দিয়েছিলাম। এখন আমি শুধু সময়ের সাক্ষী। মানুষের ভিড়ে মিশে থাকি, কিন্তু মানুষের মতো বাঁচতে পারি না।"
আরিয়ান বইটা নামিয়ে রাখল। আগন্তুক তার কাঁধে একটা হাত রাখল—বরফের মতো ঠান্ডা। সে ফিসফিস করে বলল, "অমরত্ব আশীর্বাদ নয়, আরিয়ান। এটা একটা দীর্ঘস্থায়ী অভিশাপ। সূর্যোদয় দেখার জন্য আমি আমার এই অনন্ত জীবনের সবটুকু দিয়ে দিতে পারি।"
পরের দিন সকালে আরিয়ান লাইব্রেরিতে ফিরে এল। কিন্তু ওই বইটিও ছিল না, আর সেই অদ্ভুত আগন্তুকেরও কোনো চিহ্ন ছিল না। কেবল মেঝেতে পড়ে ছিল একটা পুরোনো ঘড়ি, যার কাঁটাগুলো উল্টো দিকে ঘুরছে।
শহরের ভিড়ে আজও আরিয়ান খুঁজে বেড়ায় সেই ছায়াহীন মানুষকে, আর ভাবে—হয়তো সে নিজেও একদিন এমন কোনো গল্পের পাতায় আটকা পড়ে
যাবে।

#বাংলা #গল্প

Address

Camilla, Meghna, Radha Nagar
Camilla, GA
3515

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when অক্ষরের অতন posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category